মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার

ইকবাল

মণ্ডপে কোরআন রাখায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবালের ফাইল ছবি (বাঁয়ে), কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি (মাঝে), এরপর গ্রেপ্তার হয়ে পুলিশ হেফাজতে (ডানে)। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের একটি মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা। ওই মণ্ডপের পাশাপাশি আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশ কিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়। ইকবাল হোসেন পরিকল্পিতভাবে মণ্ডপে কোরআন রাখেন বলে তদন্ত বেরিয়ে এসেছে।

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে গ্রেপ্তার ইকবালই কুমিল্লার ইকবাল।’

এর আগে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা কক্সবাজার শহর থেকে ইকবাল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। সেই কুমিল্লার ঘটনায় জড়িত ইকবাল কি না তা কুমিল্লা পুলিশ যাচাই করে কনফার্ম করবে। তাকে কুমিল্লায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা মোটামুটি নিশ্চিত সঠিক ব্যক্তিকেই ধরেছি। তাকে কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজ নাম ইকবাল বলে জানিয়েছেন। কুমিল্লা থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

অন্যদিকে কুমিল্লার এসপি ফারুক আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইকবালকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে। বিষয়টি বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তাকে কুমিল্লায় আনার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি টিম কক্সবাজার রওনা হয়েছে।’

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার হওয়ার আগে কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচ এলাকায় ইকবালের তোলা ছবি

কক্সবাজারের গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে থাকা ইকবালের ছবি সংগ্রহ করে কুমিল্লায় তার মা আমেনা বেগমকে দেখিয়েছেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক।

আমেনা বেগমও নিশ্চিত করেন, ছবিটি তার ছেলে ইকবাল হোসেনের।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের ওই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর চলে ভাঙচুর

ওই মণ্ডপের পাশাপাশি আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশ কিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

যেখান থেকে সাম্প্রদায়িক এই সহিংসতার শুরু, সেই নানুয়ার দিঘির পাড়ের মণ্ডপে কীভাবে উত্তেজনার শুরু এবং মূল মণ্ডপের বাইরে পূজার থিম হিসেবে রাখা হনুমানের মূর্তির ওপর পবিত্র কোরআন শরিফ কী করে এলো, সে বিষয়ে মঙ্গলবার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

পূজার আয়োজক, এলাকাবাসী, তদন্তকারী কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার আগের রাত আড়াইটা পর্যন্ত মন্দিরে পূজাসংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি ছিল। এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুজন নারী ভক্ত মণ্ডপে এসে হনুমানের মূর্তিতে প্রথম কোরআন শরিফটি দেখতে পান।

পরে বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৩টার দিকে এক ব্যক্তি কোরআন শরিফটি রেখে যান মণ্ডপে। এ সময় হনুমানের হাতের গদাটি সরিয়ে নেন তিনি। গদা হাতে তার চলে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে ওই এলাকারই কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায়।

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখার পর হনুমানের গদা হাতে হেঁটে যাওয়া ইকবাল

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে বেরিয়ে আসে মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখা যুবকের নাম ইকবাল হোসেন। ৩০ বছর বয়সী ইকবাল কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মুরাদপুর-লস্করপুকুর এলাকার নূর আহম্মদ আলমের ছেলে। নূর আলম পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, মণ্ডপে কোরআন রাখায় যে চক্রটি জড়িত, ইকবাল তাদের একজন। তিনি কোরআন রাখার পর ভোরে আরেক অভিযুক্ত ইকরাম হোসেন (৩০) ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯-এ কল করেন।

ইকবালের সহযোগী সন্দেহে ইকরামসহ অন্তত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে কুমিল্লা নগরীর শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরি (রা.)-এর মাজারের সহকারী খাদেম হিসেবে পরিচিত হুমায়ুন আহমেদ ও ফয়সাল আহমেদও রয়েছেন। এই মাজারের মসজিদ থেকেই কোরআন নিয়ে মণ্ডপে রাখেন ইকবাল।

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মাজারের মসজিদ থেকে কোরআন শরিফ নিয়ে রওনা হন মণ্ডপের দিকে

নিউজবাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের যে অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়া যায়, সেখানে শুরুতে প্রবেশে ব্যর্থ হয়েছিলেন প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন। এরপর তিনি গিয়েছিলেন ওই মণ্ডপ থেকে কিছুটা দূরে দিগম্বরীতলার গুপ্ত জগন্নাথ মন্দিরে।

মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
এই মন্দিরের তালা ভাঙতে ব্যর্থ হন ইকবাল

আরও পড়ুন: কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল

মন্দিরটির গেটের তালা লাঠি দিয়ে ভাঙতে ব্যর্থ হন ইকবাল। এরপর আবার ফিরে আসেন নানুয়ার দিঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে। এ সময় পূজাসংশ্লিষ্টদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তিনি কোরআন শরিফটি হনুমানের ওপর রাখেন। মসজিদ থেকে বের হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর কোরআন রেখে হনুমানের গদা হাতে ফিরে আসেন ইকবাল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইকবাল গ্রেপ্তার হওয়ায় এখন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত এবং আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মারা গেল মুন্সীগঞ্জে দগ্ধ ভাই-বোন

মারা গেল মুন্সীগঞ্জে দগ্ধ ভাই-বোন

পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘দুই শিশু মারা গেছে। ভাই ইয়াছিন মারা গেছে রাত পৌনে ৮ টার দিকে। আর বোন নুহু আক্তার মারা গেছে রাত সাড়ে ৯টার দিকে। মরদেহ বার্ন ইউনিট মর্গে রাখা হয়েছে, বিষয়টি মুন্সিগঞ্জ থানায় জানানো হয়েছে। দগ্ধ দম্পতির অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

মুন্সীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের চারজনের মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে। এরা সম্পর্কে ভাই-বোন।

বৃহস্পতিবার ভোরে সদর উপজেলার মোক্তারপুর এলাকার একটি ভবনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী ও তাদের দুই ছেলে-মেয়েকে উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হলে রাতে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলো ছয় বছরের ইয়াসিন ও তিন বছরের নুহু আক্তার।

ইয়াসিনের শরীরে ৪৪ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তার ছোট বোন নুহু ৩২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘দুই শিশু মারা গেছে। ভাই ইয়াছিন মারা গেছে রাত পৌনে ৮ টার দিকে। আর বোন নুহু আক্তার মারা গেছে রাত সাড়ে ৯টার দিকে। মরদেহ বার্ন ইউনিট মর্গে রাখা হয়েছে, বিষয়টি মুন্সীগঞ্জ থানায় জানানো হয়েছে। দগ্ধ দম্পতির অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোহাম্মদ কাউসার ও তার স্ত্রী শান্তা বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকেন। ওই বাসাতেই ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কাউসারের ভগ্নিপতি মাসুদ মিয়া বলেন, কাউসার শাহ সিমেন্টের জাহাজের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন। আমাদের ধারণা সিগারেটের আগুন বা কোয়েলের থেকে আগুন ধরতে পারে।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবু ইউসুফ জানান, হাজী জয়নালের চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ভাড়াটে কাউসারের ফ্ল্যাটের রান্না ঘরে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে রান্নাঘর ও অন্য দুটি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে দগ্ধ হন কাউসারসহ তার পরিবারের চার সদস্য।

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলন উপলক্ষে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিচ্ছেন এক পদপ্রত্যাশী। ছবি: ফেসবুক

ঢাবি ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে শীর্ষ পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হল শাখার ৩৬টি পদের জন্য ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ।

২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮টি আবাসিক হলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া হয়। এদিন ছিল জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার শেষ দিন।

জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

দপ্তর সম্পাদক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি পদ প্রত্যাশী রয়েছেন ফজলুল হক মুসলিম হলে। এই হল থেকে ৩১ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে কম জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল থেকে। এই আবাসিক হলটি থেকে আটজন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

এতো বেশি পদ প্রত্যাশী থাকার কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদপ্রত্যাশী বলেন, ‘দীর্ঘ চার বছর হল কমিটি নেই। এতো দীর্ঘ সময়ের কারণে অনেক পদ প্রত্যাশী তাদের ছাত্রত্ব শেষ করে ফেলেছে। আবার নতুন করে অনেকে পদ প্রত্যাশী তৈরি হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর হল কমিটি হওয়ার কথা। তবে চার বছর কমিটি না থাকায় প্রতি বছর নতুন নতুন পদ প্রত্যাশী তৈরি হওয়ায় সংখ্যাটা বেশি।’

এই পদ প্রত্যাশী বলেন, ‘এই সংখ্যা বেশি হওয়ার আরও একটি কারণ আছে। সেটি হলো পদ প্রত্যাশী যারা হল সম্মেলনে পদ পাবেন না তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্ধিত কমিটিতে রাখা হয়। সেই কমিটিতে থাকার জন্যও অনেকে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। এসব জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আগামী দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আমরা কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে সেটা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়ে দেব। এছাড়া হল সম্মেলনের পরপরই আমরা কমিটি দিয়ে দিতে পারব বলে প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক

মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কর্তন, ছাত্র আটক

পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষার্থীর দাবি, মাদ্রাসাশিক্ষক আতাবুর রহমান বুধবার রাতে ছাত্রকে খাবারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে চান। পথিমধ্যে বলাৎকারের চেষ্টা হলে ছাত্র পকেটে থাকা 'নেইল কাটার' দিয়ে শিক্ষকের পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়ার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে আবাসিক এক ছাত্রকে। ১৬ বছর বয়সী এ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষক ভর্তি হাসপাতালে।

নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবলু রহমান খান নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার রাতে উপজেলার বেতাগৈর ইউনিয়নের পলাশিয়া গ্রামে পুরুষাঙ্গ কর্তনের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষার্থীর দাবি, শিক্ষক আতাবুর রহমান বুধবার রাতে খাবারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে চান ছাত্রকে। পথিমধ্যে তিনি ছাত্রকে কাছে টেনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত বোলাতে থাকেন। এক পর্যায়ে বলাৎকারের চেষ্টা হলে ছাত্র পকেটে থাকা 'নেইল কাটার' দিয়ে শিক্ষকের পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন। এরপর পালাতে গেলে লোকজন ছাত্রকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।

রক্তাক্ত অবস্থায় শিক্ষক আতাবুরকে উদ্ধার করে এলাকার লোকজন হাসপাতালে নেন। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঘটনার ব্যাপারে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। মাদ্রাসা মাঠের সেই মাহফিলে অন্যদের পাশাপাশি অংশ নেন শিক্ষক ও ছাত্র। আবাসিক ছাত্রকে রাতে মাদ্রাসায় না পাঠিয়ে নিজ বাড়িতে নেয়ার চেষ্টা করেন শিক্ষক। তখন পথে ঘটে পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনা।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘মামলা করতে মাদ্রাসাশিক্ষকের বাবা থানায় এসেছেন। মামলা হলে ছাত্রকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘পশ্চিমারা অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশের উন্নতি দেখছে’

‘পশ্চিমারা অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশের উন্নতি দেখছে’

সমাবেশে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘যে পাকিস্তান আমাদের শোষণ করে করাচি-ইসলামাবাদ গড়েছিল, সেই পাকিস্তান অর্থনীতিতে আমাদের অর্ধেকও না। আমাদের প্রতিবেশী বিশাল দেশ ভারতের চেয়ে আমাদের মাথাপিছু আয় বেশি। এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে।’

গত এক যুগে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
তিনি বলেছেন, ‘পশ্চিমারা এক সময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলত; কিন্তু গত ১২ বছরে বাংলাদেশের উন্নতি অবাক বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে দেখছে।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের ছাতকে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘যে পাকিস্তান আমাদের শোষণ করে করাচি-ইসলামাবাদ গড়েছিল, সেই পাকিস্তান অর্থনীতিতে আমাদের অর্ধেকও না। আমাদের প্রতিবেশী বিশাল দেশ ভারতের চেয়ে আমাদের মাথাপিছু আয় বেশি। আর এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্লোবাল আইসিটি এক্সলিন্স অ্যাওয়ার্ড ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় অ্যাসোসিও লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড লাভ করায় গণসমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর ছাত্রলীগ।
ছাতক পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ধর্মসাগরে বড়শিতে ধরা পড়ল ৪৩ কেজির ব্ল্যাক কার্প

ধর্মসাগরে বড়শিতে ধরা পড়ল ৪৩ কেজির ব্ল্যাক কার্প

বড়শিতে ধরা পড়েছে ৪৩ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প মাছ। ছবি: নিউজবাংলা

ব্যবসায়ী রিপন বলেন, ’বর্তমানে কুমিল্লা ধর্মসাগর দীঘিটি আমরা ৩০ জন অংশীদার মিলে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছি। প্রায় দিনই বড়শিতে মাছ ধরি। বৃহস্পতিবার বিকেলে দীঘিতে ছিপ ফেলি। রাত সোয়া ৮টার দিকে মাছটি বড়শিতে আটকায়। তবে ৪৩ কেজি ওজনের মাছটি পাড়ে তুলতে ৪৫ মিনিট সময় লাগে।’

কুমিল্লায় ধর্মসাগর দীঘিতে এক ব্যবসায়ীর বড়শিতে ধরা পড়েছে ৪৩ কেজি ওজনের একটি ব্ল্যাক কার্প মাছ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাহিদুল্লাহ রিপন নামের ব্যবসায়ীর বড়শিতে এ মাছ ধরা পড়ে।

মাছ ধরা পড়ার খবরে ভিড় করেন শতাধিক মানুষ। এত বড় ব্ল্যাক কার্প দেখতে ঘটনাস্থলে আসেন কুমিল্লা সদর আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আকম বাহাউদ্দীন বাহারও।

এমপি বাহার বলেন, ’কুমিল্লা শহরে অনেক দীঘি আছে। তবে সবচেয়ে বড় দীঘিটি হলো ধর্মসাগর। এমন বড় মাছ ধর্মসাগরেই সম্ভব। আমার ধারণা, এমন আরও বড় মাছ আছে ধর্মসাগরে।’

ব্যবসায়ী রিপন বলেন, ’বর্তমানে কুমিল্লা ধর্মসাগর দীঘিটি আমরা ৩০ জন অংশীদার মিলে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছি। প্রায় দিনই বড়শিতে মাছ ধরি। বৃহস্পতিবার বিকেলে দীঘিতে ছিপ ফেলি। রাত সোয়া ৮টার দিকে মাছটি বড়শিতে আটকায়। তবে ৪৩ কেজি ওজনের মাছটি পাড়ে তুলতে ৪৫ মিনিট সময় লাগে।’

রিপন বলেন, ’এত বড় মাছ আমি এর আগে দেখিনি। আজ নিজের বড়শিতে উঠেছে। খুব ভালো লাগছে।’

কুমিল্লা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন বলেন, ’ব্ল্যাক কার্প মাছ আমাদের দেশের নদী ও পুকুরে হয়। বিশেষ করে যেসব পুকুর দীঘিতে শামুক-ঝিনুক বেশি থাকে সেখানে ব্ল্যাক কার্প মাছ বেশি হয়। ধর্মসাগর দীঘিতে প্রচুর শামুক-ঝিনুক থাকায় এখানে ব্ল্যাক কার্প হয়।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

২০ দেশে পালন হবে ঢাকা-দিল্লি মৈত্রী দিবস

২০ দেশে পালন হবে ঢাকা-দিল্লি মৈত্রী দিবস

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য চলতি বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন। সে সময় ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস (বন্ধুত্ব দিবস) হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশ ও ভারত ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস পালন করতে যাচ্ছে । মজবুত সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের নির্দশন হিসেবে দিনটিকে স্মরণ করতে চায় দুই দেশ।

ঢাকা ও দিল্লি ছাড়া আরও ১৮ দেশে দিবসটি পালিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য চলতি বছর মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন। সে সময় ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস (বন্ধুত্ব দিবস) হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার দশ দিন আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা ও দিল্লি ছাড়াও বিশ্বের ১৮টি দেশে মৈত্রী দিবস পালন করা হবে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, কানাডা, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জাপান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মৈত্রী দিবসের এ আয়োজন ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও চিরস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন, একই সঙ্গে রক্ত ও ত্যাগ স্বীকারের ইতিহাস বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ঢামেকের সামনে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ

ঢামেকের সামনে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ

এসআই কাউসার আহমেদ বলেন, ‘কম্বল দিয়ে মোড়ানো ছিল মরদেহ। আমরা সিআইডি ক্রাইম সিনকে খবর দিয়েছি। ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা যাবে বলে ধারণা করছি।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ভবন এলাকায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাসপাতালের দুই নম্বর ভবনের মসজিদের পাশে ফুটপাত থেকে প্রায় ৬০ বছর বয়সী ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)কাউসার আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালের নতুন ভবনের মসজিদের পাশে ফুটপাত থেকে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের আশেপাশের লোকজনের কাছে থেকে জানতে পেরেছি, এই এলাকায় তিনি ভবঘুরে ছিলেন। আসরের নামাজের সময় পর্যন্ত ওই বৃদ্ধা নড়াচড়া করছিলেন, কিছুক্ষণ পরে দেখি আর নড়াচড়া করেন না। তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকলে আমাদেরকে খবর দেয়া হয়। আমরা এসে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করি। নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।’

এসআই কাউসার আহমেদ বলেন, ‘কম্বল দিয়ে মোড়ানো ছিল মরদেহ। আমরা সিআইডি ক্রাইম সিনকে খবর দিয়েছি। ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা যাবে বলে ধারণা করছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি
মণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবাল কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
কোরআন রাখতে আরেকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন ইকবাল
চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: গ্রেপ্তার আরও ৯
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় বক্তা গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন