রাজধানীর পল্লবীতে সন্তানের সামনে সাহিনুদ্দিন হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি মো. মনির পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।
পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার এসআই আকলিমা আক্তার রোববার সকালে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।
এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। এর আগে হত্যা মামলার আসামি মানিক বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন।
আকলিমা আক্তার জানান, পল্লবীর সাগুফতা হাউজিংয়ের উত্তর পাশে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে শনিবার রাত আড়াইটার দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন মনির।
নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সাহিনুদ্দিন হত্যার ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মনির চাপাতি দিয়ে সাহিনুদ্দিনের ঘাড়ে একের পর এক কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
গত শুক্রবার সকালে র্যাব-৪-এর অপারেশনস অফিসার এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী বন্দুকযুদ্ধে মামলার এক নম্বর আসামি মানিকের নিহত হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৬ মে পল্লবীর বুড়িরটেকের বাসিন্দা সাহিনুদ্দিনকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে তার সন্তানের সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন এ ঘটনায় সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগম পল্লবী থানায় ২০ জনের নামে মামলা করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালকে।
আউয়ালকে ভৈরব থেকে গ্রেপ্তারের তথ্য বৃহস্পতিবার ঢাকায় র্যাবের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়।
সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগমের অভিযোগ, পল্লবীর সেকশন-১২ বুড়িরটেকের আলীনগর আবাসিক এলাকার হ্যাভেলি প্রোপার্টিজ ডেভেলপার লিমিটেডের এমডি আউয়ালের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা সাহিনুদ্দিনকে হত্যা করেছে।
তার অভিযোগ, আলীনগর এলাকায় সাহিনুদ্দিনদের আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ১০ একর জমি জবরদখলে বাধা দেয়ায় খুন হতে হয়।
১৯ মে সকালে হত্যা মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।