× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিশেষ
উবার সেবায় স্বেচ্ছাচার
hear-news
player
google_news print-icon

উবার-সেবায় স্বেচ্ছাচার

উবার-সেবায়-স্বেচ্ছাচার
সড়কের পাশে যাত্রীর জন্য রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের চালকদের অপেক্ষা। ছবি: নিউজবাংলা
গন্তব্য পছন্দ না হলে চালকেরা যেতে অস্বীকৃতি জানান। যাত্রীকে রিকোয়েস্ট বাতিল করতে বাধ্য করেন। বিকাশে ভাড়া পরিশোধে চালকেরা রাজি থাকেন না। এসব নিয়ে যাত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন জাহিদ হাসান। ভোরের আলস্যে ঘুম ভাঙতে একটু দেরি হয়ে যায় তার। থাকেন সিদ্ধেশ্বরীতে। গন্তব্য বনানী। আড়মোড়া ভেঙে রাস্তায় এসে ডাকেন উবার।

একটু অপেক্ষার পর একটি গাড়ির সন্ধান দিল উবার। ফোন করতেই চালক জানালেন, ‘টাকা ক্যাশে দেবেন নাকি বিকাশে?’ জাহিদের তখন অফিস পৌঁছানোর তাড়া। চালকের উদ্দেশে বললেন, ‘যেভাবে আপনার সুবিধা।’

আবারও প্রশ্ন এলো। এবার জানতে চাওয়া হলো, ‘কোন দিকে যাবেন?’

জাহিদ বললেন, ‘বনানীর দিকে।’ তবে এই গন্তব্য পছন্দ হলো না চালকের। তাই না করে দিলেন জাহিদকে।

বেশ বিরক্ত হলেন জাহিদ। উবারে যে রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেবেন, সেটাও হচ্ছে না।
কারণ, অ্যাপটি এমনভাবে বানানো, যাত্রী যদি নিজের ইচ্ছায় কোনো রাইড রিকোয়েস্ট বাতিল করেন, সে ক্ষেত্রে তাকে জরিমানা গুনতে হয়।

অপরদিকে চালক যেতে রাজি না হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চান না তারা। কারণ, তাতে তার রেটিং কমে যাবে। ফলে তাড়াহুড়োর মধ্যে যাত্রীকে ক্ষতিটা মেনে নিয়ে আরেকটি উবার বা বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে যেতে হয়।

জাহিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এমন হয়রানি যদি চলতে থাকে, তবে এই সেবা দিয়ে আমার কী লাভ হবে?’

গণপরিবহনে ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে উবারসহ রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলোকে স্বাগত জানিয়েছিল নগরবাসী। কিন্তু বছর কয়েকের ব্যবধানে বদলে গেছে সেই ধারণা।

যাত্রীদের অভিযোগ, উবারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে হয়রানি।

তিন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিকাশে পেমেন্ট নিতে অনীহা, লোকেশন পছন্দ না হওয়া আর যাত্রীদের রিকোয়েস্ট বাতিল করতে বাধ্য করা।

এ বিষয়ে উবারের বক্তব্য জানতে চাইলে সময়ক্ষেপণ করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য তারা দেয়নি।

দেশে রাইড শেয়ারিংয়ের শুরু ২০১৫ সালে। গণপরিবহনের হয়রানি থেকে রেহাই পেতে নগরে নতুন সুবিধা রাইড শেয়ারিংয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয় যাত্রীরা। একই বছর আসে দেশি রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’।

বেশি আলোচনা হয় বহুজাতিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘উবার’ চালু নিয়ে। অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি কল দিয়ে স্বল্প খরচে যেকোনো জায়গায় যাওয়ার সুবিধা রাজধানীতে ট্যাক্সির অভাব অনেকটাই পূরণ করেছিল।

তবে সেবাটির ‘মধুচন্দ্রিমা’ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। একের পর এক হয়রানির অভিযোগ বাড়তে থাকে রাইড শেয়ারিং সেবার বিরুদ্ধে।

উবার কিছু পদক্ষেপ ও সুবিধা যোগ করলেও তা অল্প দিনের জন্য স্থায়ী হয়। নতুন করে অভিযোগ আসতে থাকে যখন বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে চালকের টাকা পরিশোধের কথা বলা হয়।

নিউজবাংলার অনুসন্ধানে উবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগগুলো স্পষ্ট হয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, গন্তব্য বাছাইয়ে চালকের যথেচ্ছাচার। গন্তব্য পছন্দ না হলে চালকেরা যেতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে যাত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সরোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যাত্রীর গন্তব্যের সঙ্গে চালকের পছন্দ মেলে না। আর এতে চালক বারবার ট্রিপ ফরোয়ার্ড করতে থাকেন, যা একধরনের ভোগান্তি। এ ছাড়া চালকের অহেতুক বিরক্তি প্রকাশ ও অসদাচরণও মেনে নিতে হয়।

তিনি বলেন, ‘সেবা পাচ্ছি টাকার বিনিময়ে। তবে কেন এত ভোগান্তি হবে?’
সরোয়ার আরও অভিযোগ করেন, একবার এক চালক তার এক হাজার টাকার নোট ভাঙতি দিতে পারেননি। তখন তিনি বিকাশে পেমেন্টের কথা বললে তাতেও চালক রাজি হননি। বাধ্য হয়ে তাকে দোকান থেকে কিছু কিনে টাকা ভাঙাতে হয়েছে।

মেরুল বাড্ডায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তাকরিম আহমেদ অভিযোগ করেন, ‘চালকের প্রান্ত থেকে সমস্যা হলেও যাত্রীদের ট্রিপ ক্যানসেল করতে বাধ্য করা হয়। গন্তব্যের মিল না হলে চালক ট্রিপ ক্যানসেল করতে বলেন।’

তিনি বলেন, ‘রিকোয়েস্ট পাঠালে চালক যাত্রীর গন্তব্য দেখতে পান না। তিনি গন্তব্য জানার পর যেতে না চাইলে ট্রিপ ক্যানসেল করতে বলেন, যা আমার জন্য জরিমানা। এ ক্ষেত্রে আমাকে বাধ্য হয়ে ক্যানসেল করতে হয়। এটা অনেক বড় ধরনের হয়রানি।’

গত বছর ১১ আগস্ট করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে ক্যাশ টাকার পরিবর্তে বিকাশে পেমেন্টের কথা ঘোষণা করে উবার। তখন বলা হয়, এতে নগদ বা ভাঙতি টাকার ঝামেলা ছাড়াই রাইডের ভাড়া যাত্রীর বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধ করা যাবে।

বিশেষ করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যাত্রী ও চালক উভয়কে রক্ষা করতে ক্যাশলেস এই পেমেন্ট ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়।

তবে বিকাশের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ মানতে নারাজ চালকেরা। তাদের কথা, এই পেমেন্টের টাকা হাতে পেতে তাদের অনেক বেশি সময় লেগে যায়। ক্যাশ টাকা হাতে পেলে তাদের সুবিধা বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চালক নিউজবাংলাকে বলেন, সব চালকের ব্যবহার বা আচার-আচরণ এক হবে না। মাঝে মাঝে যাত্রীরাও গন্তব্য নিয়ে ঝামেলা করেন। তবে তারা মেনে নেন যে, বিকাশে পেমেন্ট দিলে তাদের টাকা পেতে ঝামেলা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উবারের এক চালক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তো লোকেশন দেখতে পারি না। এমন অনেক সময় হয় যে দিনের শেষ ট্রিপ নেব নিজের বাসার কাছাকাছি। তখন যদি গন্তব্য না মেলে তবে ফরোয়ার্ড করে দিই।

‘এটা আমার ক্ষেত্রে হয়। অন্যদের কথা জানি না। কিন্তু লোকেশন না দেখতে পাওয়া একটা বড় সমস্যা আমাদের জন্য।’

উবার জবাব দেয় না

বাংলাদেশে উবারের নিজস্ব কার্যালয় নেই। বেঞ্চমার্ক পিআর নামে একটি জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে উবারের কর্মকাণ্ড সমন্বয় করে।

এসব অভিযোগের জবাব পেতে বেঞ্চমার্ক পিআর-এর সঙ্গে ১১ ফেব্রুয়ারি যোগাযোগ করে লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হয়। তখন বেঞ্চমার্ক পিআর থেকে জানানো হয়, এই প্রশ্নগুলো তারা উবারকে পাঠাবে।

এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি বেঞ্চমার্ক পিআরের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করা হলে তারা উবারের ২০২০ সালের ‘ফিরে দেখা’ নামে একটি বিবৃতি পাঠায়, যেখানে সমস্যাগুলো নিয়ে কোনো উত্তর ছিল না।

বেঞ্চমার্ক পিআরের পরিচালক (পাবলিক অ্যাফেয়ার্স) এ এফ এম আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, তারা প্রশ্নগুলো উবারকে পাঠিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত উবার থেকে কোনো উত্তর তারা পাননি।

কবে উত্তর পাওয়া যাবে, জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘উবার প্রশ্ন যাচাইবাছাই করে। আমরা এখান থেকে পাঠিয়েছি। ওরা বলল, আমরা দেখছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিশেষ
Be careful not to mislead people with religion

‘ধর্ম দিয়ে কেউ যেন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সজাগ থাকুন’

‘ধর্ম দিয়ে কেউ যেন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সজাগ থাকুন’ বঙ্গভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ছবি: পিআইডি
আবদুল হামিদ বলেন, ‘দুর্গাপূজায় আমরা অবশ্যই আনন্দ উৎসব করব, কিন্তু মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজন তারাও যেন এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়।’

যাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাদের হীন স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সে দিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বলেছেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাঙালির চিরকালীন ঐতিহ্য। এখানে মেজরিটি বা মাইনরিটির কোনো স্থান নেই।’

বুধবার সন্ধ্যায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন।

দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রপ্রধান সম্মিলিতভাবে এ ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিতে সকলকে এক যোগে কাজ করারও তাগিদ দেন।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ‘দুর্গাপূজায় আমরা অবশ্যই আনন্দ উৎসব করব, কিন্তু মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজন তারাও যেন এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাদের হীন স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি গত ২৫ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড় জেলার করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে ৭০ জন পুণ্যার্থীর অকাল প্রয়াণে দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানান। রাষ্ট্রপতি আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।

সারা বিশ্বে বিরাজমান করোনার ছোবল ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘বিশ্ববাসী চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত মন্দার ধাক্কা লাগছে।’

তিনি বিশ্বাস করেন ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণে পরমত সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস আর সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।’

গতকাল অনাকাঙ্খিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, এজন্য কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।

তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে ধর্মীয় সকল উৎসব আরও সুন্দর ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হবে এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে বন্ধন আরও সুসংহত হবে।

অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন শীল গোপাল, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত পাল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী হরিপ্রেমানন্দ মহারাজ, ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনিন্দ্র কুমার নাথ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
মিঠামইনে নির্মাণাধীন সেনানিবাস পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি
হাওরের উন্নয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি
৪ দিনের সফরে কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতি
চার দিনের সফরে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন বিনষ্ট না হয়: রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য

বিশেষ
Trawler sank in the sea the bodies of two more Rohingya women were found

সাগরে ট্রলারডুবি: ভেসে এলো আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ

সাগরে ট্রলারডুবি: ভেসে এলো আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ
ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক শিশু ও পাঁচ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির পরদিন সাগরে ভেসে উঠেছে আরও দুই রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক শিশু ও পাঁচ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী সাগর পয়েন্ট থেকে বুধবার রাত পৌনে ১১ টার দিকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, রাতে শীলখালী সাগর উপকুলে দুই নারীর মরদেহ ভেসে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহদুটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে টেকনাফে বঙ্গোপসাগর উপকূলে মঙ্গলবার ভোরে রোহিঙ্গাবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এরপর জীবিত উদ্ধার হয় ৪৮ জন।

উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, ওই ট্রলারে ৭০ জনের মতো রোহিঙ্গা ছিল। সে হিসেবে এখনও অনেকে নিখোঁজ আছেন।

এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় রোহিঙ্গাসহ ৬ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ২৪ জনকে এজাহারভুক্তসহ ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হুসনে মুবারক।

আরও পড়ুন:
সাগরে রোহিঙ্গাবোঝাই ট্রলারডুবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬
সাগরে ট্রলারডুবিতে ৩ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২৯
রূপসায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ৩ মরদেহসহ উদ্ধার ৪৫ রোহিঙ্গা
রূপসায় বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলারডুবি, শ্রমিক নিখোঁজ

মন্তব্য

বিশেষ
NGO lost with half a crore rupees

অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ভুইফোঁড় এনজিও

অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ভুইফোঁড় এনজিও
মেহেরপুর সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ভুঁইফোঁড় এনজিওর ফাঁদে পড়েছে দুই শতাধিক গ্রাহক। স্বল্প সুদে জামানতহীন ঋণের লোভে দিয়ে তাদের কাছ থেকে সঞ্চয় হিসেবে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে প্রতারক চক্র।

স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে কেউ গরু পালন করবেন, কেউ ব্যবসা করে হবেন স্বাবলম্বী। স্বচ্ছলতা ফিরবে পরিবারে। ঘুচবে অভাব নামক যন্ত্রণা। ‘সোনালী ফাউন্ডেশন’ নামের এক ভুইফোঁড় এনজিও দুই শতাধিক মানুষকে এমন স্বপ্ন দেখিয়েছিল।

প্রতারকদের সেই ফাঁদে পা দিয়ে তারা খুইয়ে বসেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতারণার এই ঘটনা ঘটেছে মেহেরপুর সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে।

স্বল্প সুদে ঋণ নেয়ার আশায় এই মানুষগুলো নিজেদের গচ্ছিত টাকা জমা করেছিলেন এই প্রতিষ্ঠানে। বৃহস্পতিবার তাদেরকে ঋণ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার একদিন আগেই অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বুধবার লাপাত্তা হয়ে গেছে প্রতারকরা।

বুধবার সকাল থেকেই ওই এনজিওর প্রধান কার্যালয় ফাঁকা পড়ে আছে। এনজিওর শতাধিক গ্রাহককে কার্যালয়ের সামনে দেখা গেলেও দেখা মেলেনি সোনালী ফাউন্ডেশনের কাউকে।

প্রতারক চক্রটি কয়েকদিন আগেও শহীদ গফুর সড়কের ব্রিজ সংলগ্ন বিপুল হোসেনের বাড়িতে প্রতিষ্ঠানের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছিল। সোনালী ফাউন্ডেশনের নামে করা সাইনবোর্ডে স্লোগান ছিল- ‘মানবতার সেবায় আমরা গড়বো আগামীর দিন’। প্রতারকরা এই ভিজিটিং কার্ডও করেছিল। তাতে ব‍্রাঞ্চ ম‍্যানেজার মোঃ শাহিদ, মোবাইল নম্বর দেয়া ছিল ০১৮৯৪৫৭৭১৬৩।

বুধবার সকাল পর্যন্ত নম্বরটি সচল থাকলেও ১০টার পর থেকে সেটি বন্ধ রয়েছে।

সপ্তাহখানেক আগে সদর উপজেলার পশুহাট পাড়া, চকশ‍্যামনগর, যাদবপুর, কাথুলি তেল পাম্প পাড়াসহ আশপাশের আরও ৪-৫টি গ্রামের নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে মাঠে নামে ভুঁইফোঁড় এনজিও সোনালী ফাউন্ডেশন।

বার্ষিক এককালীন এক থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা বলে ওই ঋণ পেতে কিছু শর্ত জুড়ে দেয় এই প্রতারক চক্রটি। তারা জানায়, ঋণ পেতে হলে লাখ প্রতি দশ হাজার টাকা সঞ্চয় দিতে হবে। আর কিস্তি হিসেবে বছর শেষে গ্রাহককে লাখ টাকায় সুদ দিতে হবে ৬ হাজার টাকা। এভাবে যে যত টাকা ঋণ নেবে সে অনুপাতে সঞ্চয় জমা দিতে হবে। আর এই ঋণ নিতে কোনো জামানত লাগবে না।

মেহেরপুর সদর উপজেলার পশু হাসপাতাল পাড়ার ৫৮ বছর বয়সী ব‍্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘চারদিন আগে সোনালী ফাউন্ডেশন তাকে লাখে দশ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা দিলে এক লাখ টাকা ঋন দিতে চায়। বৃহস্পতিবার নাগাদ এই ঋণ পাওয়া যাবে। আমি দশ লাখ টাকা ঋণ নেয়ার জন্য আজ (বুধবার) সকালে ব্রাঞ্চ ম‍্যানেজার সাইদকে নগদ এক লাখ টাকা দেই। দুপুর ১২টার দিকে ব্রাঞ্চে এসে দেখি কেউ নেই।’

একইভাবে চকশ‍্যামনগর গ্রামের মুদি ব‍্যবসায়ী রমজান আলী দুই লাখ টাকা ঋণের জন্য ২০ হাজার টাকা জমা দেন। কাথুলি ত‍েল পাম্প পাড়ার সামনের ব‍্যবসায়ী রিপন হোসেন আট লাখ টাকা ঋণ পেতে সঞ্চয় জমা দিয়েছেন ৭৮ হাজার টাকা। বাকি ২ হাজার টাকা বৃহস্পতিবার জমা দিয়ে ওই দিনই তার ঋণ পাওয়ার কথা ছিল।

যাদবপুর দক্ষিণপাড়ার গৃহবধু আশাবুনও এক লাখ টাকা ঋণের জন্য দশ হাজার টাকা দিয়ে এখন কপাল চাপড়াচ্ছেন।

এনজিওটির ব্রাঞ্চ হিসেবে দেখানো শহীদ গফুর উদ্দিন সড়কের বাড়ি মালিক বিপুল হোসেন বলেন, ‘শাহিদ নামে এক ব্যক্তি রোববার এসে আমার বাড়ির নিচের অংশ ভাড়া নিতে চায়। তারা ২৫ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া এবং দশ লাখ টাকা জামানত দেবে বলে জানায়।

‘শাহিদ নামের লোকটি আরও জানায়, আগামী ১০ অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তবে এখন থেকেই তারা সোনালী ফাউন্ডেশনের একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখবে। আমি তাতে রাজি হয়ে এখন বিপদে পড়েছি। সকাল থেকে অনেক লোক আমার বাড়ির সামনে জমায়েত হয়েছে।’

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল আলম জানান, সোনালী ফাউন্ডেশন নামে কোন এনজিওর বিরুদ্ধে সদর থানায় কেউ এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।

মেহেরপুর সদর সমাজ সেবা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি নিউজবাংলাকে জানান, ‘সোনালী ফাউন্ডেশন নামে কোনো এনজিওর নিবন্ধন আমাদের কাছে নেই। এক শ্রেণীর প্রতারকের খপ্পড়ে পড়ে মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে। অথচ তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে ওয়েবসাইটে ঢুকলেই আমাদের ফোন নম্বরসহ সব তথ‍্য পাওয়া যায়।

‘আমাদের কাছে কেউ ফোন দিলেই তাদের নিবন্ধন আছে কিনা জানতে পারে। কিন্তু সাধারণ মানুষ অন্ধের মতো মানুষকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
মাসে ১৫০০ টাকা লাভের ফাঁদে শত কোটি হাওয়া
‘আলেশা মার্ট’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা
প্রতারণার অভিযোগে অবরুদ্ধ আ. লীগের ‘কেন্দ্রীয় নেতা’
গার্মেন্টস মালিক পরিচয় দিয়ে ‘নারীদের ব্ল্যাকমেইল’
চেয়ারম্যানের প্রতারণার ফাঁদে এমপি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা

মন্তব্য

বিশেষ
Muslim youth drowned with idol

প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু

প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু আকাশের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
প্রাণ হারানো আকাশের বাবা সোজাউর রহমান রানা জানান, আকাশ প্রতি বছরই বন্ধুবান্ধব নিয়ে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। এবারও গিয়েছিলেন ব্রহ্মপুত্র তীরে।

জামালপুরে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে এক মুসলিম যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

২২ বছরের আকাশ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার সোজাউর রহমান রানার ছেলে।

জামালপুর ফায়ার সার্ভিস বুধবার রাত ৮টার দিকে আকাশকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জামালপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম আকন্দ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুর শহরের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিমা বিসর্জন হয়। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেন আকাশ ও তার বন্ধুরাও।

বিসর্জনের সময় অন্য সবার সঙ্গে উল্লাস করছিলেন আকাশ। এ সময় প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে পানিতে ডুবে যান তিনি।

প্রাণ হারানো আকাশের বাবা সোজাউর রহমান রানা জানান, আকাশ প্রতি বছরই বন্ধু বান্ধব নিয়ে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। এবারও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিকালে বাড়ি থেকে বের হন তিনি।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পান আকাশ প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে।

প্রতিমার সঙ্গে ডুবে মুসলিম যুবকের মৃত্যু
আকাশের স্বজনের আহাজারি

জামালপুর থানার ওসি জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
উমার বিদায়বেলা
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
ঢাক বাজিয়ে মণ্ডপ মাতালেন খাদ্যমন্ত্রী
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা
দুর্গার প্রতিমা গড়ে আলোচনায় ১৩ বছরের কিশোর

মন্তব্য

বিশেষ
Big market of Khulna without fire safety

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘এখানে গলিগুলো এত সরু যে আমাদের ছোট গাড়িটিও আগুনের কাছাকাছি নেয়া যায়নি। এখানে ফায়ার সেফটির ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। দোকানগুলোতে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। বিদ্যুতের লাইনেও ঝামেলা আছে।’

বড় বাজার হিসেবে পরিচিত খুলনা বিভাগের বৃহত্তম পাইকারি বাজারে আগুনে পুড়ে গেছে ৭ টি দোকান ও গোডাউনের মালামাল। ফায়ার সার্ভিস বলছে, অগ্নি নিরাপত্তার জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই বাজারটিতে।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে খুলনা মহানগরীর বড় বাজারে ভৈরব স্ট্যান্ড রোডের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বড় বাজার ব্যবসায়ী সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিচুর রহমান মিঠু বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে বড় বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ ছিল। দুপুরে কংস বণিক ভাণ্ডার নামে একটি অ্যালুমিনিয়ামের দোকানে আগুন লাগে। সেখান থেকে অন্যান্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

‘একে একে কংস বনিক ভান্ডার, সুরুচি বস্ত্রালয়, নাহিদ আমব্রেলা ও হোসেন হার্ডওয়ার নামক চারটি দোকান পুড়ে যায়। এই দোকানের উপরে থাকা আরও তিনটি গোডাউনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।’

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৭ মিনিটের দিকে মোবাইল ফোনে আগুনের খবর জানানো হয়। পরে খুলনার বিভিন্ন স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইউনিটগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন খুলনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘দোকানগুলোতে প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে একটু বিলম্ব হয়েছে। ধারণা করছি শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে।’

সুরুচি বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী সমর কুমার ব্যানার্জি বলেন, ‘আমার কিছু থাকল না। আগুনে নগদ ১০ লাখ টাকা পুড়ে গেছে। মালামাল পুড়ে এক কোটি টাকার। টাকাটা আজ ব্যাংকে জমা দেয়ার কথা ছিল। আগুন লাগার পর ক্যাশের টাকা চুরিও গেছে।’

বড় বাজারের ব্যবসায়ী শেখ কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ফায়ার সার্ভিসকে তাৎক্ষণিক খবর দিলেও তারা অনেক পরে এসেছে। তারপর আগুন নেভানোর জন্য পানি দিতেও দেরি করেছে। এতে আমরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’

অগ্নিনিরাপত্তাহীন খুলনার বড় বাজার

এ ব্যাপারে উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘আগুন নেভাতে দেরি হওয়ায় আমাদের দোষ ঠিক নয়। আমরা খবর পাওয়ামাত্রই চলে এসেছি। তবে এখানের গলিগুলো এতটাই সরু যে আমাদের ছোট গাড়িটিও আগুনের কাছাকাছি নেয়া যায়নি। ফায়ার সেফটির ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। এ জন্য আগুন নেভাতে বেশ কষ্ট হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক আগে এই বাজার গড়ে উঠেছে। প্রতিটি দোকানে লাখ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে। দোকানগুলোতে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। ভূমিকম্প হলেও এখানে অনেক ক্ষতি হবে। বিদ্যুতের লাইনেও এখানে ঝামেলা আছে। অধিকাংশ দোকানে নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় না।’

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের আগুনে গুরুতর দগ্ধ দম্পতি
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন
ফোম তৈরির গুদামঘর পুড়ল আগুনে

মন্তব্য

বিশেষ
Hanifs broken bus overturned 4 cars

৪ গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে দিল হানিফের ব্রেকফেল করা বাস

৪ গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে দিল হানিফের ব্রেকফেল করা বাস হানিফ বাসের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মিনিবাস ও সিএনজি অটোরিকশা।
এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামে হানিফ পরিবহনের একটি বাস ব্রেকফেল করে অন্য একটি মিনিবাস, দুটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

বুধবার বেলা সাড়ে ৪টার দিকে বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের নাম জানা যায়নি।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বাকলিয়া থানার ওসি আব্দুর রহিম।

ওসি জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে শাহ আমানত সেতুর শহর প্রান্তে চট্টগ্রামমুখী হানিফ পরিবহনের বাসটি ব্রেকফেল করে। পরে এটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে দুটি সিএনজি অটোরিকশা, একটি মিনিবাস ও একটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ৬ জন মারাত্মক আঘাত পান।

আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

নিহতের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গুলিস্তানে বাসচাপায় আরেক নারী নিহত
মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে বাস বন্ধ মেহেরপুর-কুষ্টিয়ায়
বাসে ভাড়া কমানো ই-টিকিটিং টিকবে তো?
বাসের চাকায় প্রাণ গেল যুবলীগ নেতার

মন্তব্য

বিশেষ
The death of a young man caught in the wires of the lighting of the puja

পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

পূজার আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে যুবকের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
শেরপুর থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, ‘রুপমের মরদেহটি পুলিশ হেফাজতে আছে। সুরতহাল শেষে অপমৃত্যু মামলা হবে।’

বিসর্জনের জন্য মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নামানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বগুড়ার শেরপুরে রুপম কর্মকার জগো নামে এক যুবক মারা গেছেন।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পৌর শহরের পূবালী সংঘ পূজামণ্ডপে এ ঘটনা ঘটে।

৩২ বছর বয়সী রুপম উপজেলার উত্তর সাহাপাড়া এলাকার মৃত রঘুনাথ কর্মকারের ছেলে।

শেরপুর থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, পূবালী সংঘ পূজামণ্ডপে বিকেলে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নামানোর প্রস্তুতি চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই মণ্ডপে আলোকসজ্জার জন্য টানানো বৈদ্যুতিক তারে কোথাও ছিদ্র ছিল। সেই ছিদ্রের সংস্পর্শে গিয়েই রুপম কর্মকার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

পরে মণ্ডপে উপস্থিত স্থানীয়রা রুপমকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, ‘রুপমের মরদেহটি পুলিশ হেফাজতে আছে। সুরতহাল শেষে অপমৃত্যু মামলা হবে। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

আরও পড়ুন:
দুর্গা আসেননি মণ্ডপে, ঝুলছে কালো পতাকা
ঢাক বাজিয়ে মণ্ডপ মাতালেন খাদ্যমন্ত্রী
বরাবরই ব্যতিক্রম টাইগার সংঘের পূজা
দুর্গার প্রতিমা গড়ে আলোচনায় ১৩ বছরের কিশোর
দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানালেন লিটন-সৌম্য

মন্তব্য

p
উপরে