× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Aman Ani who spread tension on December 10 is in police custody
google_news print-icon

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে

১০-ডিসেম্বর-নিয়ে-উত্তেজনা-ছড়ানো-আমান-এ্যানি-পুলিশ-হেফাজতে
বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
আমান বলেছিলেন, ‘এই বাংলাদেশ আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়।’ এ্যানি বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে।’

১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে চলবে, এমন ঘোষণা দিয়ে বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানো নেতা আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সমাবেশের তিন দিন আগে বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর দলটির দুই নেতাকে নিয়ে যায় পুলিশ।

সংঘর্ষ থামার পর বিকেল সোয়া ৪টা পর দিকে এ্যানি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে বের হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে নিজেদেরে হেফাজতে নেন। বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে চলেন।’

তবে তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

একই এলাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টার পর পুলিশ নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানকে। কার্যালয়ের সামনে থেকে ধরার পর তাকে প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যায় বাহিনীটি। আমানের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক কিছু জানানো হয়নি।

পরে সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিল্পব কুমার সরকার বলেন, ‘সেইফটি এবং সিকিউরিটিকে যারা নষ্ট করতে চায় তাদের কোনোভাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ ছাড় দেবে না। এরই অংশ হিসেবে আমরা যখন দেখলাম জনগণের জানমালের জন্য হুমকিস্বরূপ কার্যক্রম হচ্ছে নয়াপল্টন এলাকায় এবং পুলিশের ওপর হামলা ও বোমা নিক্ষেপ হয়েছে, তখন আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। পল্টন থেকে অবৈধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করেছি। অসংখ্য সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়া অসংখ্য বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ

কয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বলা যাবে না। আমরা এখন অ্যাকশনে আছি। তবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা অসংখ্য।’

আমান ও এ্যানিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ১২ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে একজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করে। আটক করা হয় আরও কয়েকজনকে।

১০ ডিসেম্বর নিয়ে উত্তেজনা ছড়ান আমান-এ্যানি

যে সংবাদ সম্মেলনে আব্বাস নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন, সেখানে ছিলেন আমানও, যিনি কোনো বক্তব্য দেননি।

তবে গত ৮ অক্টোবর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা ১০ ডিসেম্বর নিয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সেই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশ চলবে না, এই বাংলাদেশ চলবে আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়। এর বাইরে কোনো দেশ চলবে না কারও কথায়।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি আসছে জানিয়ে নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বানও জানান আমান। বলেন, ‘আপনারা নির্বিঘ্নে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নামে শহীদ হওয়ার প্রস্ততি নিন, প্রয়োজনে শহীদ হব, এই বাংলাদেশে হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভায়েরা প্রস্তুতি নিন, ওই কাঁচপুর ব্রিজ, ওই টঙ্গী ব্রিজ, এই দিকে মাওয়া রোড, ওই দিকে আরিচা রোড, সারা বাংলাদেশ, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া কর্মসূচি আসছে। সারা বাংলাদেশ বন্ধ করে দেব।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
নয়াপল্টনে বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে

দুই দিন পর লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এক সমাবেশে এ্যানি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ১০ তারিখের পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ চলবে। আর কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। অনতিবিলম্বে তাদের সব মামলা প্রত্যাহার ও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।’

বিএনপির এই দুই নেতা এই বক্তব্য রাখার পর আওয়ামী লীগ নেতারা জবাব দিতে থাকেন। তারা বলতে থাকেন, ১০ ডিসেম্বর কোনো নাশকতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনা কমিয়ে গত ১৭ নভেম্বর ঢাকায় এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কর্মসূচি আমরা নেব না, যেটা তো জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিপদগ্রস্ত হবে। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের দাবিগুলো নিয়ে আন্দোলন করছি শান্তিপূর্ণভাবে। আর শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে যাব।’

তবে এই জনসভাটি কোথায় হবে, এই ইস্যুতে শেষ পর্যন্ত বিরোধটি সংঘাতেই রূপ নিল।

আরও পড়ুন:
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The extra security program in Ramna on Pahela Boishakh will end by 5 oclock

পহেলা বৈশাখে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা, অনুষ্ঠান শেষ হবে ৫টার মধ্যেই

পহেলা বৈশাখে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা, অনুষ্ঠান শেষ হবে ৫টার মধ্যেই ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। ছবি: ইউএনবি
ডিএমপি কমিশনার সিসিটিভি নজরদারি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং ইভেন্ট ভেন্যুগুলোর চারপাশে কৌশলগতভাবে স্থাপন করা ওয়াচ টাওয়ারসহ বিস্তৃত সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

রমনা পার্কের রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট হুমকির তথ্য না থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমস্ত নির্ধারিত অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ হবে এবং এর পরপরই প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করা হবে। অতীতে এই জাতীয় সাংস্কৃতিক সমাবেশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আলোকে এই পদক্ষেপগুলোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন হাবিবুর রহমান।

ডিএমপি কমিশনার সিসিটিভি নজরদারি, ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং ইভেন্ট ভেন্যুগুলোর চারপাশে কৌশলগতভাবে স্থাপন করা ওয়াচ টাওয়ারসহ বিস্তৃত সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট একটি প্রাথমিক নিরাপত্তা মূল্যায়নও সম্পন্ন করেছে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সুস্পষ্ট কর্মকৌশলও নির্ধারণ করেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রমনা পার্কের আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনের জন্য শনিবার সন্ধ্যা থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার স্পষ্ট করেছেন, রমনা বটমূলের নিরাপত্তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া বাড়ানোর জন্য প্রতিটি প্রবেশদ্বারে আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হবে। রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। এর পরে আর কোনো প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

কমিশনার আরও উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত সুরক্ষা স্তরগুলোর মধ্যে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা এবং অনুষ্ঠানস্থলের ভিভেতরে এবং বাইরে সাদা পোশাকের কর্মকর্তাদের সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের জন্য, ট্যুরিস্ট পুলিশ যে কোনো সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে প্রস্তুত থাকবে।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিক থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সৌজন্যে যে কোনো জরুরি চিকিৎসা সেবা মোকাবিলায় একটি অস্থায়ী মেডিকেল সেন্টার চালু থাকবে। লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার এবং রক্তদান কেন্দ্রের মতো সুবিধাগুলোও ইভেন্টের সময় ব্যাপক সহায়তা পরিষেবা নিশ্চিত করে অংশগ্রহণকারীদেরকে সুবিধা প্রদান করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A woman died among those burnt in a cylinder explosion in Bhashanate

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্য

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্য ফাইল ছবি
শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

রাজধানীর পশ্চিম ভাষানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের দগ্ধ ছয়জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শনিবার সকালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মারা যাওয়া ওই নারী হলেন ৬৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ মেহেরুন্নেছা।

হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন মেহেরুননেছার মেয়ে সূর্য বানু (৪০), মেয়ের জামাই মো. লিটন (৫২) এবং লিটন ও সূর্য বানুর তিন সন্তান লিজা (১৮), সুজন (৮) ও লামিয়া (৭)।

এর আগে শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

দগ্ধদের বাড়ির কেয়ারটেকার মো. সিফাত জানিয়েছিলেন, মশার কয়েল জ্বালাতে গেলে ঘরের মধ্যে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে, এতে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, ভাষানটেকের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয়জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছিলেন, সকালের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারী মারা যান।

তিনি জানান, বাকি দগ্ধদের প্রত্যেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূর্য বানুর শরীরের ৮২ শতাংশ, লিটনের ৬৭ শতাংশ. লামিয়ায় ৫৫ শতাংশ, মেহরুন্নেসার ৪৭ শতাংশ, সুজনের ৪৩ শতাংশ ও লিজার ৩০ শতাংশ দগ্ধ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today Dhaka is second in the list of cities with polluted air

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় ফাইল ছবি
১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

ঈদের ছুটিতে বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও রাজধানী ঢাকার বাতাস দূষণমুক্ত হয়নি।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টায় একিউআই সূচক ১৭৮ নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। খবর ইউএনবির

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, আজ ঢাকার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।

নেপালের কাঠমান্ডু, ভারতের কলকাতা ও উজবেকিস্তানের তাসখন্দ যথাক্রমে ১৮৮, ১৭৪ ও ১৬৩ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থাসে রয়েছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat launch tragedy Five accused on three day remand

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি সদরঘাটে এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চটির ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতেই আশপাশে থাকা পাঁচজন প্রাণ হারান। ছবি: মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ/নিউজবাংলা
রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় হওয়ায় মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

পাঁচজনের মধ্যে তিনজন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের মাস্টার ও ম্যানেজার। বাকি দুজন এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের মাস্টার।

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা চৌধুরী হিমেল শুক্রবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এ আদেশ দেন।

ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবির বাবুল নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সদরঘাট নৌ পুলিশের সদস্যরা আসামিদের আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের পুলিশি রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সদরঘাট নৌ থানার উপপরিদর্শক নকীব অয়জুল হক। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬-এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের প্রয়াত আবদুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। প্রাণ হারানো বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে মৃত প্রত্যেকের নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে পাঁচ যাত্রী নিহত
ঈদের সকালে হরিয়ানায় স্কুলবাস উল্টে ৬ শিশু নিহত, ‘মদ্যপ ছিলেন’ চালক
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
চট্টগ্রামে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hazaribagh slum fire

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড আগুনে পুড়ল টিনশেড বস্তি। ছবি: সংগৃহীত
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বস্তিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড়ে ওই টিনশেড বস্তিতে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭টি ইউনিট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

আগুনের কারণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর জানা যায়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 people of the same family were burnt due to gas cylinder explosion at home

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ ফাইল ছবি
দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজধানীর ভাষানটেকে একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে ভাষানটেকের ১৩ নম্বর নতুন বাজার কালভাট রোডের ওই বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন মেহেরুন্নেসা (৬৫) বছর), তার শরীরের ৪৭ শতাংশ দগ্ধ, সূর্যবানু (৩০ বছর), ৮২ শতাংশ দগ্ধ, লিজা আক্তার (১৮ বছর), ৩০ শতাংশ দগ্ধ, লামিয়া ( ৭ বছর ), ৫৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজন (৮ বছর ), ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ও মোহাম্মদ লিটন (৫২ বছর), ৬৭ শতাংশ দগ্ধ।

দগ্ধদের হাসপাতালে আনেন তারা যে বাসায় ভাড়া থাকেন সেই বাড়িটার কেয়ারটেকার মোহাম্মদ সিফাত হোসেন।

তিনি বলেন, আমি পশ্চিম ভাষানটেকের কালভাট রোডের ৪/১৩/এল দ্বিতীয় তলা বাড়ির কেয়ার টেকার। ফার্নিচার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া বাসাটির নিচ তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

সিফাত হোসেন বলেন, ভোর চারটার দিকে মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে তার বাসার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে তার পরিবারের নারী-শিশু সহ ছয়জন দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে ভোর পাঁচটার দিকে চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের দিকে ভাষানটেক থেকে সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ ৬ জন এখানে এসেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। সবাইকে বার্ন ইউনিটের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mukta who was killed by her family in Sadarghat was pregnant

সপরিবারে সদরঘাটে নিহত মুক্তা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা

সপরিবারে সদরঘাটে নিহত মুক্তা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা মুক্তা বেগম ও তার স্বামী। ছবি: সংগৃহীত
আত্নীয়রা বলছেন, বিল্লাল পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল ছিলেন। তার বাবা নেই। পোশাক কারখানার স্বল্প বেতনের কর্মী ছিলেন বেলাল। বেলাল-মুক্তা দম্পতির সংগ্রামী জীবনে স্বাবলম্বী হতে চাকরির পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে ব্যবসায়ও শুরু করেছিলেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালে নিহত পাঁচ যাত্রীর মধ্যে সপরিবারে মারা যাওয়া মুক্তা বেগম ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তার স্বামী, তবে স্ত্রী ও তিন বছরের মেয়ের সঙ্গে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তিনিও।

নিহতরা হলেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মো. বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)।

তাদের আত্নীয়রা বলছেন, বিল্লাল পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল ছিলেন। তার বাবা নেই। পোশাক কারখানার স্বল্প বেতনের কর্মী ছিলেন বেলাল। বেলাল-মুক্তা দম্পতির সংগ্রামী জীবনে স্বাবলম্বী হতে চাকরির পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে ব্যবসায়ও শুরু করেছিলেন। কিন্তু স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় ব্যবসা আপাতত বন্ধ রেখে স্ত্রীকে গ্রামে রেখে আসতে চেয়েছিলেন বিল্লাল। এজন্য ভিড় এড়িয়ে ঈদের দিন রওনা হয়েছিলেন।

বিল্লালের ফুফাতো বোন হনুফা আক্তার বলেন, বিল্লাল পরিবার নিয়ে থাকতেন গাজীপুরে। চাকরি করতেন গার্মেন্টসে। গার্মেন্টসের টাইম কিপিং বিভাগে কাজ করতেন। ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার মতো বেতন পেতেন। সাড়ে ৪ হাজার টাকার বাসায় থাকা বিল্লালের জীবনটা সংগ্রামের ছিল। মেয়ে মাইশাকে এখনো স্কুলে ভর্তি হয়নি। চাকরির ফাঁকে ছোট্ট একটা দোকান দিয়েছিলেন বাসার কাছেই। সেখানে টেইলার্সের কিছু কাপড়-চোপড় উঠিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মুক্তা টেইলার্সের কাজ করতে পারতো। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর সে দোকান ছেড়ে দিয়েছিল। মালামাল বাসায় রেখে দিয়েছিল। বাচ্চা হওয়ার পর আবার দোকান দেয়ার ইচ্ছা ছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ঢাকা থেকে ভোলাগামী এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি টিপু-১৩ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনে নোঙর করা ছিল। লঞ্চ দুটির মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

এ সময় এম ভি ফারহান-৬ লঞ্চটি এম ভি টিপু-১৩ কে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে এম ভি টিপু-১৩ ধাক্কা দেয় এম ভি তাসরিফ-৪-কে। এ সময় এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়।

ছিঁড়ে যাওয়া সেই দড়িটিই পন্টুনের আশপাশে থাকা পাঁচজনকে সজোরে আঘাত করে। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

p
উপরে