× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Aman Ani who spread tension on December 10 is in police custody
hear-news
player
google_news print-icon

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে

১০-ডিসেম্বর-নিয়ে-উত্তেজনা-ছড়ানো-আমান-এ্যানি-পুলিশ-হেফাজতে
বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
আমান বলেছিলেন, ‘এই বাংলাদেশ আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়।’ এ্যানি বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে।’

১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে চলবে, এমন ঘোষণা দিয়ে বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানো নেতা আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সমাবেশের তিন দিন আগে বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর দলটির দুই নেতাকে নিয়ে যায় পুলিশ।

সংঘর্ষ থামার পর বিকেল সোয়া ৪টা পর দিকে এ্যানি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে বের হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে নিজেদেরে হেফাজতে নেন। বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে চলেন।’

তবে তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

একই এলাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টার পর পুলিশ নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানকে। কার্যালয়ের সামনে থেকে ধরার পর তাকে প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যায় বাহিনীটি। আমানের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক কিছু জানানো হয়নি।

পরে সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিল্পব কুমার সরকার বলেন, ‘সেইফটি এবং সিকিউরিটিকে যারা নষ্ট করতে চায় তাদের কোনোভাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ ছাড় দেবে না। এরই অংশ হিসেবে আমরা যখন দেখলাম জনগণের জানমালের জন্য হুমকিস্বরূপ কার্যক্রম হচ্ছে নয়াপল্টন এলাকায় এবং পুলিশের ওপর হামলা ও বোমা নিক্ষেপ হয়েছে, তখন আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। পল্টন থেকে অবৈধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করেছি। অসংখ্য সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়া অসংখ্য বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ

কয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বলা যাবে না। আমরা এখন অ্যাকশনে আছি। তবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা অসংখ্য।’

আমান ও এ্যানিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ১২ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে একজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করে। আটক করা হয় আরও কয়েকজনকে।

১০ ডিসেম্বর নিয়ে উত্তেজনা ছড়ান আমান-এ্যানি

যে সংবাদ সম্মেলনে আব্বাস নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন, সেখানে ছিলেন আমানও, যিনি কোনো বক্তব্য দেননি।

তবে গত ৮ অক্টোবর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা ১০ ডিসেম্বর নিয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সেই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশ চলবে না, এই বাংলাদেশ চলবে আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়। এর বাইরে কোনো দেশ চলবে না কারও কথায়।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি আসছে জানিয়ে নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বানও জানান আমান। বলেন, ‘আপনারা নির্বিঘ্নে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নামে শহীদ হওয়ার প্রস্ততি নিন, প্রয়োজনে শহীদ হব, এই বাংলাদেশে হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভায়েরা প্রস্তুতি নিন, ওই কাঁচপুর ব্রিজ, ওই টঙ্গী ব্রিজ, এই দিকে মাওয়া রোড, ওই দিকে আরিচা রোড, সারা বাংলাদেশ, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া কর্মসূচি আসছে। সারা বাংলাদেশ বন্ধ করে দেব।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
নয়াপল্টনে বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে

দুই দিন পর লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এক সমাবেশে এ্যানি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ১০ তারিখের পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ চলবে। আর কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। অনতিবিলম্বে তাদের সব মামলা প্রত্যাহার ও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।’

বিএনপির এই দুই নেতা এই বক্তব্য রাখার পর আওয়ামী লীগ নেতারা জবাব দিতে থাকেন। তারা বলতে থাকেন, ১০ ডিসেম্বর কোনো নাশকতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনা কমিয়ে গত ১৭ নভেম্বর ঢাকায় এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কর্মসূচি আমরা নেব না, যেটা তো জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিপদগ্রস্ত হবে। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের দাবিগুলো নিয়ে আন্দোলন করছি শান্তিপূর্ণভাবে। আর শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে যাব।’

তবে এই জনসভাটি কোথায় হবে, এই ইস্যুতে শেষ পর্যন্ত বিরোধটি সংঘাতেই রূপ নিল।

আরও পড়ুন:
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Everyone knows who escapes Mirza Fakhrul

কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল

কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১/১১ সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা-কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তা সবাই জানে। তখন দেশে ছিলেন একজন, তিনি হলেন খালেদা জিয়া।’

‘আওয়ামী লীগ পালায় না’- রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এক এগারোতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা পালিয়েছিল তা সবাই জানে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পদযাত্রা শুরু আগে দেয়া বক্তব্যে সোমবার দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে ১০ দফা দাবিতে এ পদযাত্রার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।

ফখরুল বলেন, ‘১/১১ সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা-কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তা সবাই জানে। তখন দেশে ছিলেন একজন, তিনি হলেন খালেদা জিয়া।’

তিনি বলেন, ‘কোনো দিকে পালাবার পথ নেই। কোন দিকে পালাবেন ? তাই এখনও বলছি, সময় আছে আমাদের দাবি ১০ দফা এই দাবি মানে মানে মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন। সংসদ বাতিল করুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আসুন। নতুন কমিশন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন দিন।’

পদযাত্রা প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের পদযাত্রা, গণতন্ত্রের জয়যাত্রা। আমাদের এই পদযাত্রা মানুষের অধিকার আদায়ের পদযাত্রা। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জয়যাত্রা।’

সরকার জনগণের পকেটের টাকা কেড়ে নিচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘এই পুরান ঢাকায় গ্যাস নেই। শুধু পুরান ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশে এখন গ্যাস নেই। ওরা গ্যাসও খেয়ে ফেলেছে। আবার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। প্রত্যেকটি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে নিয়েছে। জনগণের পকেট থেকে টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। আর সেই টাকা তারা বিদেশে পাচার করছে।’

বক্তব্য শেষে যাত্রাবাড়ী থেকে জুরাইন রেলগেটের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পদযাত্রায় অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরতক উল্লাহ বুলু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব রকিফুল আলম মঞ্জু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন
জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান
পদত্যাগ না করলে পালানোর পথ পাবেন না: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zamzam water sale temporarily stopped in Dhaka

ঢাকায় ‘জমজমের পানি’ বিক্রি সাময়িক বন্ধ

ঢাকায় ‘জমজমের পানি’ বিক্রি সাময়িক বন্ধ
বায়তুল মোকাররম মার্কেটে বোতলজাত করে জমজমের পানি বিক্রি হচ্ছে, এমন সংবাদে ভোক্তা অধিদপ্তর রোববার অভিযান পরিচালনা করে। ওই অভিযানে ৫ লিটার ও ২৫০ মিলিলিটারের বোতলে জমজমের পানি বিক্রির প্রমাণ পাওয়ার পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সংস্থাটি।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে বোতলজাত ‘জমজমের পানি’ সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এই পানি বিক্রির কোনো বৈধতা আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে ‘পবিত্র জমজম কূপের পানি খোলা বাজারে বিক্রয়’ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ পানি বিক্রির আইনগত ও নৈতিক বৈধতা নিয়ে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

বায়তুল মোকাররম মার্কেটে বোতলজাত করে জমজমের পানি বিক্রি হচ্ছে, এমন সংবাদে ভোক্তা অধিদপ্তর রোববার অভিযান চালায়। ওই অভিযানে ৫ লিটার ও ২৫০ মিলিলিটারের বোতলে পানি বিক্রির প্রমাণ পাওয়ার পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সংস্থাটি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা এই পানি হাজি কিংবা হজ পরিচালনাকারী বিভিন্ন এজেন্সি থেকে পেয়ে থাকেন।

সভায় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি সংবেদনশীল। এটা আমাদের সামনে আসার পরে আমরা দ্রুত সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে যেটুকু আলোচনা হয়েছে, তার ভিত্তিতে সাময়িকভাবে বায়তুল মোকাররম মার্কেটে পবিত্র জমজমের পানি বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। কারণ, এমনকি সৌদি আরবেও এই পানি বিক্রি হয় এমন কোন তথ্য আমাদের জানা নেই।’

তিনি বলেন, ‘যতটুকু জানা গেছে, জমজমের পানি বিক্রির আইনি কোনো বৈধতা নেই। এরপরেও আমরা যাচাই-বাছাই করতে চাই। এ জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

এ এইচ এম সফিকুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমার এটাও মনে হয় না, কোনো হাজি সৌদি থেকে জমজমের পানি নিয়ে আসবেন বায়তুল মোকাররমের এই মার্কেটে বিক্রি করার জন্য। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, সৌদি সরকার যদি এটা জানে, তাহলে আমাদের দেশের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। তা ছাড়া এমনও হতে পারে যে বাংলাদেশিদের জন্য জমজমের পানি নিয়ে আসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
IEB demands trial for attack on Chasik engineer

চসিক প্রকৌশলীর উপর হামলার বিচারের দাবি আইইবির

চসিক প্রকৌশলীর উপর হামলার বিচারের দাবি আইইবির চসিক প্রকৌশলীর উপর হামলার বিচারের দাবি আইইবির। ছবি: কোলাজ নিউজবাংলা
আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু জানান, আইইবি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানীর উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)।

সোমবার আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলুর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইইইবি এই দাবি জানায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার বিকেলে নগরের টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয় ভবনের চারতলায় প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানী সরকারি কাজ করছিলেন। এমতাবস্থায় তার কক্ষে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ঠিকাদার ঢুকে পড়েন। কথা বলার একপর্যায়ে তার ওপর হামলা করেন ঠিকাদারেরা।

আইইবি মনে করে, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। একজন সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় সারা দেশের প্রকৌশলীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আইইবি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।

আরও পড়ুন:
রিজওয়ানার ওপর হামলার ঘটনায় ৫২ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ
সরস্বতী পূজামণ্ডপে হামলা-প্রতিমা ভাঙচুর, ৬ কিশোর আটক
বরিশালে ইউএনওর ওপর হামলার অভিযোগে আটক ৯
ক্যালিফোর্নিয়ায় ১০ খুনের ১২ ঘণ্টা পর আত্মহত্যা বন্দুকধারীর
আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাল ছাত্রলীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League rally 14 times bigger than BNP in Rajshahi Hasan

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জনসভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপিও রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ করেছিল জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কত গুণ বড় সমাবেশ হয়েছে, সেটা অনুমান করা কঠিন, তবে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৪ গুণ বড় তো বটেই।’

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে আওয়ামী লীগের জনসভা ১৪ গুণ বড় বলে দাবি করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন তিনি।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে রোববার জনসভা করে আওয়ামী লীগ, যাতে অংশ নেন দলটির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অসাধারণ সভা হয়েছে। পুরো রাজশাহী শহরই জনসভাস্থলে পরিণত হয়েছিল। মাদ্রাসা মাঠের বাইরে কমপক্ষে আরও ১০ থেকে ১২ গুণ মানুষ ছিল।’

বিএনপিও রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ করেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কত গুণ বড় সমাবেশ হয়েছে, সেটা অনুমান করা কঠিন, তবে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৪ গুণ বড় তো বটেই।

‘আকাশ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও সমাবেশটি দেখেছেন। এটি অভাবনীয়। আমাদের ধারণার বাইরে সমাবেশটি হয়েছে। পুরো শহরজুড়ে মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা, সমাবেশে যাওয়ার জন্য আগ্রহ আমি দেখেছি শুরু থেকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি, তার দলের প্রতি জনগণের যে সমর্থন রয়েছে, গতকালের জনসভা সেটিই প্রমাণ করে।’

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও মানুষকে ভোট ও ভাতের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম ও লড়াই করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে আমি সবিনয়ে অনুরোধ জানাব আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখানোর জন্য; নিজের দলের চেহারাটাও দেখার জন্য।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচারে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করে কারা বন্ধ করেছিল? বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সেখানে ন্যায়বিচার নয়, বিচারটাই বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।’

মন্ত্রী বলেন, “কারাগারের অভ্যন্তরে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। সেই বিচারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। আর ভোটের অধিকার? জিয়াউর রহমানের সময় সাত্তার সাহেবের সময়, খালেদা জিয়ার সময়, এরশাদ সাহেবের সময় স্লোগান ছিল ‘১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা।’ এখন মানুষ সেই স্লোগান দেয় না। সেই সংস্কৃতি তারাই চালু করেছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন বিএনপিই করেছিল। তারা এক মাসের বেশি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি।

‘আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখলেই উনি উত্তরটা পেয়ে যাবেন। এ দেশে মানবাধিকারের লঙ্ঘন শুরু করেছেন জিয়াউর রহমান।’

আরও পড়ুন:
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী
কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল
পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী
৪০০ বাস-ট্রাকে রাজশাহী যাচ্ছেন নওগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
American lock claims death of pilots brother due to Uniteds mistreatment

ইউনাইটেডের ভুল চিকিৎসায় পাইলট ভাইয়ের মৃত্যু, দাবি আমেরিকান তালার

ইউনাইটেডের ভুল চিকিৎসায় পাইলট ভাইয়ের মৃত্যু, দাবি আমেরিকান তালার সংবাদ সম্মেলনে তালা এলহেন্ডি জোসেফিনো। ছবি: নিউজবাংলা
যু্ক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক অভিযোগ করেছেন, পুরো ৮ ঘন্টা হাসপাতালে থাকলে তার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি যে চিকিৎসক চিকিৎসা দিয়েছেন তার নামও ব্যবস্থাপত্রে নেই।

ঢাকার হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় বাহরাইনের জাতীয় বিমান সংস্থা গালফ এয়ারের এক পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই পাইলটের বোন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তালা এলহেন্ডি জোসেফিনো।

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।

গত ১৫ ডিসেম্বর রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাইলট ইউসুফ হাসান আল হিন্দি। ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালকে দায়ী করে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তালা।

সংবাদ সম্মেলনে তালা জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে তার ভাই ঢাকার মেরিডিয়ান হোটেলে ছিলেন। রাত পৌনে তিনটার দিকে উঠে তিনি ফ্লাইটের জন্য প্রস্তুত হন। ভোর ৪টার দিকে তিনি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের প্রক্রিয়ার মাঝে পড়ে যান।

তিনি জানান, পরে তাকে সাড়ে ৫টার মধ্যে ইউনাইটেড হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নেয়া হয়। এরপর তিনি পর পর চার বার কার্ডিনাল অ্যারেস্টের শিকান হন। মৃতুবরণ করেন দুপুর ১২টার দিকে। এই সময়ের মধ্যে কোনো কার্ডিওলজিস্ট তার ভাইকে চিকিৎসা দেননি। কার্ডিওলজিস্ট ছাড়া পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া শেষ করে চিকিৎসার অবহেলা করা হয়েছে।

যু্ক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক অভিযোগ করেছেন, পুরো ৮ ঘন্টা হাসপাতালে থাকলে তার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি যে চিকিৎসক চিকিৎসা দিয়েছেন তার নামও ব্যবস্থাপত্রে নেই।

ভাই-বোন দুজনই যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডানের দ্বৈত নাগরিক। ভাই ইউসুফ আল হিন্দি গলফ এয়ারের পাইলট ছিলেন আর বোন তালা ব্রিটিশ সরকারের হয়ে কাজ করেন।

ভাইয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর পর তিনি বাংলাদেশে ছুটে এসে খোঁজ-খবর নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতাল ও গালফ এয়ার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার প্রমাণ পান বলে জানান সাংবাদিকদের।

আরও পড়ুন:
নওগাঁর সাবেক এমপি সামসুল আলম প্রামাণিকের মৃত্যু  
বাসায় যেতে চাওয়া রেজাকে মর্গে পাঠাল মধ্যরাতের ট্রাক
নাতির মরদেহ দেখতে গিয়ে দাদির মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Barrister Sumon instructed to remove video of Salam Murshedis house

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি নিয়ে ভিডিও সরাতে ব্যারিস্টার সুমনকে নির্দেশ

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি নিয়ে ভিডিও সরাতে ব্যারিস্টার সুমনকে নির্দেশ আবদুস সালাম মুর্শেদী ও ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সেরিনা সালাম ঐশী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ২৩ ও ২৫ জানুয়ারি (ব্যারিস্টার সুমন) আমাদের বাড়ি নিয়ে লাইভ করেছেন। আদালত শুনানি নিয়ে সেই লাইভের ভিডিও অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কোনো বিষয় নিয়ে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত লাইভ বা ভিডিও প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন আদালত।’

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি নিয়ে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের ফেসবুকে আপলোড করা দুটি ভিডিও সরাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ নির্দেশ দেয়।

আদালতে রিটকারী সুমনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। আবদুস সালাম মুর্শেদীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী, সাঈদ আহমেদ রাজা ও সালাম মুর্শেদীর মেয়ে সেরিনা সালাম ঐশী।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাকির হোসেন মাসুদ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

সেরিনা সালাম ঐশী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ২৩ ও ২৫ জানুয়ারি (ব্যারিস্টার সুমন) আমাদের বাড়ি নিয়ে লাইভ করেছেন। আদালত শুনানি নিয়ে সেই লাইভের ভিডিও অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কোনো বিষয় নিয়ে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত লাইভ বা ভিডিও প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন আদালত।’

আবদুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি নিয়ে অভিযোগ অনুসন্ধানে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে দুদক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আবদুস সালাম মোর্শেদীর বাড়ি-১০, গুলশান-২, ঢাকা ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে রাজউকের চেয়ারম্যানের সহায়তায় পরিত্যক্ত বাড়ি দখলের প্রাপ্ত অভিযোগটি ২ সদস্যবিশিষ্ট টিমের মাধ্যমে অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে মহাপরিচালক (তদন্ত-১) বরাবর পত্র প্রেরণের জন্য কমিশনের সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আদালতকে জানান, অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেটি অনুসন্ধান শুরু করেছে।

দুদক ছাড়াও রাজউকের প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দেয়া হয়েছে, যাতে বলা হয়, আবদুস সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় নেই।

গত ১৬ জানুয়ারি আবদুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ি সংক্রান্ত মূল নথি ও প্রতিবেদন অ্যাফিডেভিট করে এক সপ্তাহের মধ্যে জমার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে আবদুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ১ নভেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এ সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) রাজউক, গণপূর্ত বিভাগ ও সালাম মুর্শেদীকে নির্দেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: গণপূর্তের প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট
সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় খুলনা আ. লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The complaint formation hearing of the emperors case will be held on March 1

সম্রাটের মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১ মার্চ

সম্রাটের মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১ মার্চ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ফাইল ছবি
সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী জানান, স্থায়ী জামিনের আবেদন ও পাসপোর্ট নিজ জিম্মায় নেয়ার আবেদনের বিষয়ে ১ মার্চ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ।

জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ছিল। এ দিন সম্রাট আদালতে হাজিরা দেয়ার পর তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ দেন। স্থায়ী জামিনের আবেদন ও পাসপোর্ট নিজ জিম্মায় নেয়ার আবেদন করেন সম্রাটের আইনজীবী। আগামী ১ মার্চ এসব বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

আরও পড়ুন:
সম্রাটের মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ২০ অক্টোবর
সম্রাটের জামিন বাতিল কেন নয়: হাইকোর্ট
সম্রাটের জামিন বাতিলে হাইকোর্টে দুদক
সম্রাটের জামিন বাতিলে ফের আদালতে যাচ্ছে দুদক
মুক্তি পেয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সম্রাটের শ্রদ্ধা

মন্তব্য

p
উপরে