× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP is outlining the supervisor in the light of 96
hear-news
player
google_news print-icon

৯৬-এর আলোকে তত্ত্বাবধায়কের রূপরেখা করছে বিএনপি

৯৬-এর-আলোকে-তত্ত্বাবধায়কের-রূপরেখা-করছে-বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় যুগপৎ আন্দোলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে লেবার পার্টি ও এনপিপির সঙ্গে সংলাপে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
২০০৬ সালের শেষে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা ছিল তার আগে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়, সে সময় বিএনপি প্রধান বিচারপতির চাকরির মেয়াদ দুই বছর বাড়ায়। ফলে কে এম হাসানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার কথা উঠে, যিনি এককালে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তখন আওয়ামী লীগ আন্দোলনে গেলে নানা ঘটনাপ্রবাহে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জারি হয় জরুরি অবস্থা। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর যে ভোট দেয়, তাতে ভূমিধস জয় পায় মহাজোট। এরপর উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের পদ্ধতি ফিরিয়ে আনে জাতীয় সংসদ।

১৯৯৬ সালের সংবিধানের আলোকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছে বিএনপি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনই প্রকাশ না করার কথা জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও এনপিপির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বৈঠক হয়।

বিএনপির পক্ষে মির্জা ফখরুল এবং লেবার পার্টির সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এনপিপির পক্ষে ফরিদুজ্জামান ফরহাদ সংলাপে অংশ দেন। এতে তত্ত্বাবধায়কের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি আদায়ে আন্দোলনের ধরন, নির্বাচন পরবর্তী জাতীয় সরকার, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদসহ নানা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় সংলাপে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের মুখেই সংবিধানে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংযোজন করে পদত্যাগ করেছিল বিএনপি। ওই বছর মোট দুটি জাতীয় নির্বাচন হয়, যার প্রথমটি ছিল একতরফা এবং ১২ জুনের দ্বিতীয় নির্বাচনে জিতে ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফেরে আওয়ামী লীগ।

সে সময় ঠিক হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। সেভাবেই নির্বাচনকালীন দুটি সরকার গঠন হলেও বিএনপি শাসনামালে তৃতীয়বারের তত্ত্বাবধায়ক প্রধান নিয়ে বাঁধে গোল।

২০০৬ সালের শেষে যে জাতীয় নির্বাচনের কথা ছিল তার আগে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়, সে সময় বিএনপি প্রধান বিচারপতির চাকরির মেয়াদ দুই বছর বাড়ায়। ফলে কে এম হাসানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার কথা উঠে।

কে এম হাসান এককালে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিল। এ কারণে আওয়ামী লীগ তাকে তত্ত্বাবধায়কের প্রধান হিসেবে মেনে না নিয়ে আন্দোলনে যায়। তারা অভিযোগ করে, বিএনপি তার সাবেক নেতাকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করতেই বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ায়।

এ নিয়ে আন্দোলনের এক পর্যায়ে কে এম হাসান এই সরকারের প্রধান হতে অনীহা প্রকাশ করার পর বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদই এই সরকারের প্রধান হন। তার বিরুদ্ধেও আন্দোলনে যায় আওয়ামী লীগ। সে সময় ভোট একবার পিছিয়ে ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি ঠিক হয়।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ভোটে অংশ না নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ১১ দিন আগে হস্তক্ষেপ করে সেনাবাহিনী। জারি হয় জরুরি অবস্থা। সেনা সমর্থিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রায় দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর যে ভোট দেয়, তাতে ভূমিধস জয় পায় মহাজোট।

এরপর উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের পদ্ধতি ফিরিয়ে আনে জাতীয় সংসদ।

এর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে যায় বিএনপি ও শরিকরা। তবে নির্বাচন ঠেকানো যায়নি। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেও আন্দোলনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি ও তার জোট শেষ পর্যন্ত ভোটে আসে এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ফল করে।

সেই নির্বাচনে আগের রাতে ভোট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনে বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে। এর অংশ হিসেবে গত ২২ আগস্ট থেকে ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি পালন করছে।

দুই দলের স্ঙ্গে সংলাপ শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আদায়ের বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে। সংসদ বিলুপ্ত করে নতুন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। দাবিগুলো চূড়ান্ত করে শিগগিরই যুগপৎ আন্দোলন শুরু করা হবে। তখন সব রূপরেখা জানতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ঐকমত্য
বিএনপি-কল্যাণ পার্টি সংলাপ, আন্দোলনে ঐকমত্য
এলডিপিসহ দুই দলের সঙ্গে সোমবার বিএনপির সংলাপ
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষ: দুই মামলায় বিএনপির ১৭৭ জনের জামিন
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaders and workers in Rajshahi rally before the transport strike

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা বিএনপি নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তাদের কেউ কেউ পলিথিন দিয়ে তাবু টাঙাতে ব্যস্ত। আবার কিছুদূর পরপর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান, তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একসঙ্গেই এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয়দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি পাতিলসব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুপুরে। কিন্তু নেতা-কর্মীরা এরই মধ্যে রাজশাহী আসতে শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে আসতে শুরু করেন। তারা সমাবেশস্থলের লাগোয়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত ১২টার দিকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন সেখানে।

সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরির প্রস্তুতিসহ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কড়াকড়ি থাকায় পাশের ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

বুধবার দুপুরে আট শর্তে সমাবেশের অনুমতি পায় বিএনপি। আর সন্ধ্যার পর থেকে মাদ্রাসা মাঠের দিকে আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাঠে গিয়ে দেখা যায় ব্যাগ কাঁধে নিয়ে তাদের অনেকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢুকছেন। আবার যারা কিছুক্ষণ আগে এসেছেন তারা পলিথিন দিয়ে তাবু টাঙাতে ব্যস্ত।

পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা

আবার কিছুদূর পরপর বড় বড় হাঁড়িতে চলছে রান্নার কাজ। নেতা-কর্মীরা যেন উৎসবে মেতেছে। তাদের অনেকে জানিয়েছেন, যেহেতু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে সে কারণে তারা আগের দিনই সমাবেশ স্থলে চলে এসেছেন।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এলাকা থেকে আসা মনোয়ারুল ইসলাম জানান তারা প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী একসঙ্গেই এসেছেন। সন্ধ্যা থেকেই তারা ঈদগাহ মাঠে অবস্থান করছেন। তাদের এলাকার আরও প্রায় ৮ হাজার লোক আসার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। তারা এই কয়দিন এখানেই রান্না করে খাবার মতো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। চাল-তরিতরকারি, হাঁড়ি পাতিলসব কিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছেন।

যখন তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল পাশেই চলছিল রান্নার আয়োজন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকা থেকে আসা আমিনুল ইসলাম জানান তারা এসেছেন প্রায় ৬ শ জন। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন ৫ মন চাল, তরিতরকারি। সেই সঙ্গে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটও সঙ্গে এনেছেন। তাবু টাঙানোর জন্য তারা নিয়ে এসেছেন পলিথিন। আবার শীতের কথা মাথায় রেখে সবাই এনেছেন গরম পোশাকও।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘বাস বন্ধের কারণে নেতা-কর্মীরা আগেই আসতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার আরও বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী হাজির হবে। সকল বাধা উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ি বন্ধ করে সমাবেশে উপস্থিতি কমানো যাবে না। রাজশাহীর মানুষ সবাইকে স্বাগত জানাবে।’

সভার প্রস্তুতির বিষয়ে মিনু বলেন, ‘সমাবেশস্থলে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজও শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে নেতা-কর্মীদের বিশ্রামের জন্য সমাবেশের মাঠের পাশে তাবু টাঙানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট
নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Elder brother murder charges against younger brother

বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে

বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বড় ভাইকে খুনের অভিযোগে আটক ছোট ভাই। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হোসেন বড় ভাই তোফায়েলকে দা দিয়ে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তোফায়েলের মৃত্যু হয়।

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই হোসেন আহমদের হাতে বড় ভাই তোফায়েল আহমদ খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ধমধমা দিঘীরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি হোসেন আহমদকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মন্তাজুর রহমানের ছেলে তোফায়েল আহমদ ও হোসেন আহমদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বুধবার রাত ৮টার দিকে পারিবারিক কলহ ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তোফায়েলের সঙ্গে ছোট ভাই হোসেনের স্ত্রী-সন্তানের কাটাকাটি হয়। হোসেন লক্ষ্মীপুর থেকে রাত ৯টার দিকে বাড়িতে যাওয়ার পর বিষয়টি বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হোসেন বড় ভাই তোফায়েলকে দা দিয়ে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তোফায়েলের মৃত্যু হয়।

পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জমান আশরাফ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He used to extort money with fake employment letters

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

নওগাঁয় সরকারি হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৫) জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা।

র‌্যাব-৫ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে জেলার বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন, ৪২ বছর বয়সী প্যালেস ওরফে হাসান তৌফিক। উপজেলার পারিচা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন মাস্টারমাইন্ড ব্যক্তি। সে ৭-৮ জনের একটি সিন্ডিকেট চালাচ্ছিলেন, যেখানে সবাই ২০১৬ সাল থেকে দরিদ্র মানুষের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। তিনি অবৈধ নিয়োগের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে, কখনো বা জাল নিয়োগপত্র দিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মাসুদ রানার নেতৃত্বে সন্ধ্যায় বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে ২টি মোবাইল, ৪টি সিমকার্ড ও ১টি মেমোরিকার্ড জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
নওগাঁর ইমো চক্র হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি
ইউপি সদস্য হত্যায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
নতুন জঙ্গি সংগঠনে ভিড়ছে নারীরাও
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে ‘অর্ধ শতাধিক জঙ্গি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transport strike in Rajshahi division since morning

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে শুরু হচ্ছে পরিবহন ধর্মঘট। পরিবহন মালিক শ্রমিকরা বলছেন, সড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে তারা এই ঘর্মঘট ডেকেছে।

তবে, বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে তাদের বিভাগীয় সমাবেশে যেন নেতা কর্মীরা উপস্থিত হতে না পারে সে জন্যই এই ধর্মঘট।

তারা বলছেন, যত বাধাই আসুক, সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে।

গত শনিবার নাটোরে বিভাগীয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় ১০ দফা দাবি আদায়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়া হয়।

রাজশাহী পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক জানান, মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভুটভটির মতো অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ ১০ দফা দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ হয়নি।

এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। এ ধর্মঘটের আওতায় থাকবে সব যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহন।

অন্যন্য দাবির মধ্যে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, জ্বালানি তেল ও যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস, করোনাকালে গাড়ি চলাচল না করায় সে সময়ের ট্যাক্স মওকুফ, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও উপজেলা পর্যায়ে বিআরটিসি চলাচল দ্রুত বন্ধ করার দাবি উল্লেখযোগ্য।

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগ মুহূর্তে কেন এই ধর্মঘট জানতে চাইলে এই পরিবহণ মালিক বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচি বা অন্যান্য কর্মসূচি তো চলতেই থাকে। আমাদের এই দাবিগুলো নিয়ে অনেকদিন ধরেই আন্দোলন চলছে।’

এদিকে, বিএনপি নেতাদের দাবি, রাজশাহীর সমাবেশে মানুষকে আসতে বাধা দিতেই এই পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের আসা শুরু হয়ে গেছে। এখানে মানুষের ঢল নামবে। যত বাধায় আসুক, সবকিছু উপেক্ষা করে মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus driver beaten up in Barisal by sergeant closed

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড বরিশালের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে বাস পার্কিং নিয়ে বিতণ্ডায় এক চালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. টুটুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই সার্জেন্টকে ক্লোজ করে বরিশাল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ‌্যায় এই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দেয়ার পর রাতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, ‘আমাদের সচিব মহোদয় আসছিলেন বরিশালে। তখন রাস্তা ক্লিয়ার করতে সার্জেন্ট টুটুল বাসগুলো দ্রুত সরানোর কাজ করছিলেন। হাতের লাঠি নেড়ে বাস সরানোর নির্দেশ দেয়ার সময় ওই বাসের ড্রাইভারের হাতে আঘাত লাগে। এ নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়। শ্রমিকরা লিখিত অভিযোগ নিয়ে এলে বিভাগীয় ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।’

বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। আরফি পরিবহনের চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়েছি সার্জেন্ট টুটুলের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়ার জন‌্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল বিভিন্ন সময় বাসচালকদের হয়রানি করে আসছিলেন। এর আগেও আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজির অভিযোগে সার্জেন্টের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাসশ্রমিকদের
মারধরে চালক নিহতের মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মারধরে চালক নিহতের ঘটনায় মামলা
মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sabotage case 2 BNP leaders arrested in Manikganj

নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার

নাশকতা মামলা: মানিকগঞ্জে বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি
উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক বাদি হয়ে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের ২৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে সাটুরিয়া থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় নাশকতার মামলায় ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি এবং যুবদল সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বালিয়াটি এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

যারা আটক হয়েছেন তারা হলেন- বালিয়াটি ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি স্বপন মিয়া ও যুবদলের সভাপতি রেজাউল হক।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক বাদি হয়ে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের ২৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে সাটুরিয়া থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে সামনে রেখে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার গোলড়া-সাটুরিয়া সড়কের কামতা পুলিশ চেকপোস্টের সামনে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। তা দেখে পুলিশকে খবর দেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক।

পুলিশের গাড়ি দেখে বিএনপির ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যায়। পরে বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ এবং অবিস্ফোরিত ৪টি ককটেল জব্দ করা হয়।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গ-সংগঠনের ২৮ নেতা-কর্মীর নামে বিস্ফোরক আইনে সাটুরিয়া থানায় মামলা হয়েছে। রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।’

এদিকে পুলিশের অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবির। তিনি বলেন, ‘ঢাকার সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেন অংশ নিতে না পারে সেজন্য মিথ্যা, ভিত্তিতহীন ও গায়েবি মামলার মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের আটক করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
মিছিল না করাসহ ৮ শর্তে রাজশাহীতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of cocktail attack from BNP procession

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে দুই জেলাতেই বুধবার রাতে মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাড়া এলাকায় পপুলারের গলি থেকে বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতা-কর্মী মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা সড়কে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। তবে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফতুল্লার কমর আলী স্কুলের সামনে ও শিবু মার্কেট এলাকাতেও মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক।

রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক ও মাদানী নগর এলাকাতেও বিএনপির মিছিলের পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল শেষে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয় ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে ককটেলের খোসা জব্দ করা হয়েছে।

ককটেল বিস্ফোরণে দায় নেননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের ৭টি থানা এলাকাতেই নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবী মামলা করা হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে এসব করা হচ্ছে, যাতে করে আমরা প্রস্তুতি নিতে না পারি। বাড়িঘর ছাড়া থাকি।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘পুলিশের করা মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট। কাল্পনিক অভিযোগই এর প্রমাণ। বুধবার আমাদের কোনো মিছিল হয়নি।’

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। ছাত্রলীগ কর্মীদের অভিযোগ, মিছিল থেকে চালানো হামলায় তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গজারিয়া থানার এসআই সেকান্দার আলী ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় আমরা কয়েকটি বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত দেখতে পাই। তবে কারা এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত নই।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী দাবি করে অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড থেকে আনারপুরে যাওয়ার জন্য আমার অটোতে ওঠেন ৩ জন ছাত্রলীগ কর্মী। ভিটিকান্দি এলাকায় পৌঁছালে দেখি ৪০ থেকে ৪৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী মিছিল করছে। আমার অটোটা মিছিলের মাঝখানে পড়ে যায়।

‘এ সময় মিছিল থেকে অন্তত ১১টা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আমার অটোতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে। অটোটাও ভাঙে তারা।’

হামলায় আহত ছাত্রলীগ কর্মী সুমন প্রধান বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএনপি নেতা-কর্মীরা মারধর করতে থাকে। আমার সাথে থাকা দুইজন দৌড়ে পালিয়ে বাঁচতে পারলেও আমাকে মারধর করা হয়।’

সুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
মিছিল না করাসহ ৮ শর্তে রাজশাহীতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

মন্তব্য

p
উপরে