× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
PMs statement does not mean Khaledas death wish Quader
hear-news
player
print-icon

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ খালেদার মৃত্যু কামনা নয়: কাদের

প্রধানমন্ত্রীর-বক্তব্যের-অর্থ-খালেদার-মৃত্যু-কামনা-নয়-কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার এক আলোচনায় পদ্মা সেতু নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার অতীতের বক্তব্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বলেছে, স্প্যানগুলো যে বসাচ্ছে, সেটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেয়া। পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, তাতে চড়া যাবে না, চড়লে সেটা ভেঙে যাবে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসররা। তাদের কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।’

পদ্মা সেতুতে নিয়ে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেয়ার যে কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন সেটার অর্থ খালেদার মৃত্যু কামনা নয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

খালেদা জিয়ার মৃত্যু কামনা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ঘরে রেখে প্রধানমন্ত্রী উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন না বলেও মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘হত্যার হুমকি’ উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার নেয়া যে কথা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তা ‘দুরভিসন্ধিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাদের।

প্রধানমন্ত্রীর কথা ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিএনপি দেশে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের পরদিন শুক্রবার গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের মিশনে মাহফুজ আনামও: প্রধানমন্ত্রী

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভালো করেই জানা উচিত যে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যদি খালেদা জিয়ার মৃত্যুই কামনা করতেন তাহলে উচ্চ আদালতে একাধিকবার জামিন বাতিল হওয়ার পরেও দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ঘরে রেখে উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন না, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করার সুযোগ দিতেন না।’

তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শিষ্টাচারের কথা বলছেন। আমি তাকে বলতে চাই, বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একুশে আগস্টের নারকীয় গ্রেনেড হামলাসহ অসংখ্যবার হত্যাচেষ্টার সময় কোথায় ছিল আপনাদের তথাকথিত শিষ্টাচার?’

যা বলেছিলেন ফখরুল
বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নিয়ে বলতে গিয়ে অভিযোগ করেন গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহম্মদ ইউনূস এই সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ঠেকানোর চেষ্টা করেন।

ড. ইউনূস ছাড়াও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা এবং সেতুর বিরোধিতাকারীদেরকে চুবনি দেয়ার কথা বলেন।

পরদিন ঠাকুরগাঁওয়ে এক মতবিনিময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি মনে করেন সরকারপ্রধানের এই বক্তব্য প্রচ্ছন্নভাবে খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসকে হত্যার হুমকি।

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে তিনি রয়েছেন, যেভাবেই আসুন না কেন। তিনি এই ধরনের উক্তি করতে পারেন না।

‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, তাকে সরাসরি হত্যার হুমকির শামিল। সেতু থেকে ফেলে দেয়া- এটা কখনই স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে না। আমরা বিস্মিত হয়েছি এবং ক্ষুব্ধ হয়েছি এবং প্রচণ্ডভাবে নিন্দা জানাই তার এই উক্তিকে।’

ড. ইউনূস সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, সেটি নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এটাও পুরোপুরিভাবে আমি মনে করি যে সমস্ত রকম রাজনৈতিক শিষ্টাচার, শালীনতা, ভদ্রতা, সবকিছুর বাইরে। এই কথাটা বলার অর্থই হচ্ছে প্রচ্ছন্ন হুমকি বলা যায়। জীবনের প্রতি হুমকিই বলা যায়।’

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ার দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় এই ধরনের উক্তি করলে তার যে আইনগত বিষয় থাকে, সেটা আমরা নেব।’

প্রধানমন্ত্রী যা বলেছিলেন
বুধবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের দলীয় এক আলোচনায় শেখ হাসিনা জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক যেন সরে যায়, সে জন্য ড. ইউনূস, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক নানা সক্রিয় চেষ্টা চালিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, এই সেতু ভেঙে পড়ে যাবে- এই ধরনের বক্তব্য রাখায় খালেদা জিয়ার প্রতিও ক্ষোভ জানান শেখ হাসিনা।

নানা বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি পদ্মা সেতুবিরোধীদের সেতুতে নিয়ে চোবানোর কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার উক্তি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বলেছে, স্প্যানগুলো যে বসাচ্ছে, সেটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেয়া। পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, তাতে চড়া যাবে না, চড়লে সেটা ভেঙে যাবে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসররা। তাদের কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।’

ড. ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যিনি (ড. ইউনূস) এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো টাকা বন্ধ করেছেন, তাকেও আবার পদ্মা নদীতে নিয়ে দুটি চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেয়া উচিত, মরে যাতে না যায়। পদ্মা নদীতে দুটি চুবনি দিয়ে সেতুতে উঠিয়ে নেয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়।’

বদলে যাওয়া বাংলাদেশের মাইলফলক পদ্মা সেতু
এই মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজকে যারা রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে অস্বীকার করার অপচেষ্টা চালান এবং বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার পরিণতি দেখতে সুপ্ত বাসনা লালন ও ষড়যন্ত্র করেন, তাদের বলতে চাই, পদ্মা সেতু শুধু একটি সেতু না; এটি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার স্মারক।’

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে বিএনপিকেও দায়ী করেন কাদের। বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করার পর থেকেই বিএনপি ও তার দোসররা এর বিরুদ্ধে ক্রমাগত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং তারা চক্রান্ত করে বিদেশি অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়।

‘এরপরও দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশি অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তখন বেগম খালেদা জিয়াসহ একটি চিহ্নিত মহলের মন্তব্যগুলো ছিল কাণ্ডজ্ঞানবিবর্জিত ও দুরভিসন্ধিমূলক। এসব ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা শুধু সরকার বিরোধিতাই ছিল না বরং দেশদ্রোহিতার শামিল।’

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তথাকথিত ‘হত্যার হুমকি’র বয়ান তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন কাদের। বলেন, বিরোধী পক্ষকে দমন ও পীড়নের রাজনীতি আওয়ামী লীগ কোনোদিন করেনি।

আরও পড়ুন: আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়: মাহফুজ আনাম

কাদের বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৫ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপির হাত ধরেই হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে নির্মূল করার অপরাজনীতি শুরু হয়।

‘আর তারই ধারাবাহিকতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বারবার আক্রমণের শিকার হয়েছে। এখনও চিহ্নিত এই মহলটি ক্রমাগতভাবে দেশের স্বার্থ ও জনকল্যাণবিরোধী বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়াসহ বিএনপি নেতারা বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান জাতীয় সংসদসসহ প্রকাশ্য জনসভায় যে ভাষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মনগড়া মিথ্যাচার ও অশালীন বক্তব্য প্রদান করেছেন তার নজির পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজে নাই।’

বিএনপির শিষ্টাচারের ভাষা তো ‘গ্রেনেড, গুলি আর ষড়যন্ত্র’ বলেও উল্লেখ করেন কাদের। তিনি বলেন, ‘সুতরাং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে শিষ্টাচার শিখাতে আসবেন না। এ দেশের রাজনীতিতে শিষ্টাচার ও উদারতা যদি কেউ দেখিয়ে থাকেন তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। দেশবাসী ভালোভাবেই জানে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুতে বাইক ১০০, বড় বাসে ২৪০০ টাকা
আগামী বছরের জুনের মধ্যে পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন
জুনে উদ্বোধন মাথায় রেখেই পদ্মা সেতুর কাজ
ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The CPB demanded justice for the attack on the hills in Khagrachari

খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের ওপর হামলার বিচার দাবি সিপিবির

খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের ওপর হামলার বিচার দাবি সিপিবির
‘রাষ্ট্রের সব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের সর্বত্র সব মানুষের নিরাপদ ও স্বাধীন জীবনযাপনের পরিবেশ জনগণের মৌলিক অধিকার।’

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৩৭টি পাহাড়ি পরিবারের ওপর হামলা ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি।

সিপিবির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা জানতে পারলাম গত ৫ জুলাই মহালছড়িতে আদিবাসীদের জায়গা-জমি, সম্পত্তি দখল এবং জাতিগত নিষ্পেষণ চালানোর উদ্দেশ্যে স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়।

‘দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক এ ধরনের হামলা, অপহরণের ঘটনা পাহাড়ে ঘটে চললেও আদিবাসীদের নিরাপত্তা সরকার নিশ্চিত করতে পারছে না।’

অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি জানিয়ে সিপিবি নেতারা বলেন, ‘রাষ্ট্রের সব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের সর্বত্র সব মানুষের নিরাপদ ও স্বাধীন জীবনযাপনের পরিবেশ জনগণের মৌলিক অধিকার।’

বিবৃতিতে অন্যায় নিপীড়নের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক সংগ্রাম গড়ে তুলতে সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এশিয়ায় নতুন অর্থনৈতিক জোট, সিপিবির উদ্বেগ
গণহত্যা দিবসে শিখা চিরন্তনে সিপিবির আলোর মিছিল
সিপিবির সভাপতি শাহ আলম, সম্পাদক প্রিন্স
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই কোনো কৃষক-মজদুর
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ১০ নতুন মুখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People will not suffer with electricity Rizvi

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।’

কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে এই বক্তব্য রেখেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন?’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন রিজভী।

চলতি মাসের শুরু থেকে দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতির পর পরই সরকারকে আক্রমণ করছে বিএনপি। তাদের দাবি, সরকার গত এক যুগে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে গর্ব করলেও আসলে এই খাতে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

অন্যদিকে দলটির সর্বশেষ শাসনামলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুতের করুণ চিত্র তুলে ধরে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির লজ্জা থাকলে লোডশেডিং নিয়ে কথা বলত না।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করেছে। এই সময়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নানা প্রকল্পের সুফলও পেয়েছে দেশ। এক যুগে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা ছয় গুণের বেশি বেড়েছে, উৎপাদনও বেড়েছে চার গুণের বেশি। বিদ্যুতের আরও কয়েকটি বড় প্রকল্প উৎপাদনে আসার অপেক্ষায়।

বিদ্যুৎ খাত নিয়ে বরাবর গর্ব করে থাকেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে গত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পর দেশে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তরল গ্যাস বা এলএনজি আপাতত আমদানি করা হবে না। গ্যাসের ঘাটতিজনিত উৎপাদনের যে সংকট সেটি সমাধান করা হবে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে। দেশে এখন দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি আছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটা ব্যবহার করত না। তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আর না কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে জানিয়ে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন।

বিদ্যুতের চাহিদা কমাতে সরকার রাত ৮টায় বিপণিবিতান বন্ধের পাশাপাশি অফিস সময় পুনর্নির্ধারণ করে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত করার চিন্তা করছে।

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।

‘নিজের আত্মীয়স্বজনের দিয়ে কুইক রেন্টালের সুযোগ দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছেন বিদ্যুৎ খাত থেকে। লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘উন্নয়নের নামে হইচই করে এত লাফালাফি করলেন, কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না।

‘আপনি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করে চলেছেন। কোথায় ১০ টাকার চাল? কোথায় ঘরে ঘরে চাকরি? আজকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি বেকার তথা কর্মহীন লোকের সংখ্যা বাংলাদেশে। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে মানুষ না খেয়ে থাকা। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে কর্মহীন থাকা। আজকে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে লিখতে ও বলতে পারে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে বিভিন্ন কালাকানুন করেছে সরকার।’

ঈদে মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, ‘মাফিয়া আওয়ামী লীগের লোকেরা সিন্ডিকেট করে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ভাড়া আদায় করছে। আজকে সিন্ডিকেট এমনভাবে চেপে বসেছে মানুষ মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না। কোরবানির হাটেও সিন্ডিকেট করছে আওয়ামী লীগের লোকজন। সরকারদলীয় লোকেরা ইচ্ছামতো দাম বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের পশু কিনতে বাধ্য করছে।

‘দেশের মানুষ ঈদের প্রাক্কালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে হাপিত্যেশ করছে। সরকার জনগণের সঙ্গে তামাশা করছে। মানুষ বন্যার পানিতে ভাসছে, তাদের দিকে সরকারের কোনো দায়িত্ববোধ নেই। তারা পদ্মা সেতুর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত।’

পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি তোলা নিয়ে প্রশ্ন

পদ্মা সেতুতে দাঁড়ানো ও ছবি তোলা নিষিদ্ধের আদেশ জারির পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ছবি তোলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘দেশ চলছে মাফিয়া শাসনের অধীনে। এখানে আইনের কোনো বালাই নেই। হবু চন্দ্র রাজার গবু চন্দ্র মন্ত্রীরা যা খুশি বলছে এবং করছে।’

গত ৪ জুলাই পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে সড়কপথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান প্রধানমন্ত্রী। যাওয়ার পথে তারা সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন।

তবে ২৫ জুন সেতু চালুর আগে সেতু কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেতুতে দাঁড়ানো বা ছবি তোলা যাবে না বলে জানায়।

রিজভী বলেন, ‘উদ্বোধনের পর পদ্মা সেতুর ওপর নেমে ছবি তোলা যাবে না। ছবি তোলায় কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়েছে। অথচ কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিজের ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সেলফি তুলেছেন। আসলে এক দেশে দুই আইন চলছে।’

‘দেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে তারা আইন মানত। তারা তো অনির্বাচিত। সে জন্য যখন যা চায় তারা তাই করছে।’
আলোচনা সভা শেষে অর্পণ সংঘের উদ্যোগে যুবদলের প্রয়াত নেতা জি এস বাবুলের স্ত্রীর হাতে অর্থসহায়তা তুলে দেন রিজভী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, জাহেদুল কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও অর্পণ সংঘের বীথিকা বিনতে হোসাইন, ওমর ফারুক কাওসার ও আরিফুর রহমান তুষার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This state of power would not have happened if we had listened to the leftists CPB

বামপন্থিদের কথা শুনলে বিদ্যুতের এই দশা হতো না: সিপিবি

বামপন্থিদের কথা শুনলে বিদ্যুতের এই দশা হতো না: সিপিবি নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাতে মিছিলে সিপিবির নেতাকর্মীরা। ফাইল ছবি
‘জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করাসহ ভুলনীতি ও দুর্নীতি পরিত্যাগ করে দেশের দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের, বামপন্থিদের কথা শুনে জ্বালানি খাত অগ্রসর করলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না। জ্বালানি খাতকে আমদানি নির্ভর করে সংকট তৈরিসহ সরকারের এই ভুলনীতি ও দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষ নেবে না।’

আন্তর্জাতিক বাজারে তেল-গ্যাসের বাড়তি দামের কারণে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বামপন্থি দল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি। তারা বলছে, বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের নীতি ছিল ভুল। এ কারণে এই দশা তৈরি হয়েছে। বামপন্থিদের কথা শুনলে এটা হতো না।

সিপিবি সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বুধবার এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

গত এক দশকে দেশে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নতির পর দেশের শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটিও সরকার ব্যবহার করত না। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের যাওয়া আসাকে সরবরাহ লাইনের বিভ্রাট হিসেবে বলা হতো। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তরল গ্যাস ও এলএনজির দাম এক বছরে ১০ গুণ হয়ে যাওয়ার পর স্পট মার্কেট থেকে আর গ্যাস না কেনার সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। গ্যাস সংকটের কারণেই ঘাটতি প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট। পরিকল্পিত লোডশেডিং করেই পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে সরকার।

তবে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সিপিবি।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘সরকারের ভুলনীতি ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুতের গল্প আজ গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভর্তুকির নামে প্রতিদিন জনগণের করের কোটি কোটি টাকা অপচয় করেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। অথচ জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করাসহ ভুলনীতি ও দুর্নীতি পরিত্যাগ করে দেশের দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের, বামপন্থিদের কথা শুনে জ্বালানি খাত অগ্রসর করলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না। জ্বালানি খাতকে আমদানি নির্ভর করে সংকট তৈরিসহ সরকারের এই ভুলনীতি ও দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষ নেবে না।’

সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুতে সাশ্রয়ী হতে যে আহ্বান জানানো হয়েছে, সেটির আগে সরকারকেই দৃষ্টান্ত রাখার আহ্বানও জানান সিপিবি নেতারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোনো কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি হলে প্রথমে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে সাশ্রয়ী ব্যবহার, এসির ব্যবহার বন্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। সর্বত্র এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষ, কৃষি-শিল্পের অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।’

সিপিবির দৃষ্টিতে সরকারের কী কী ভুল-সেটিও উঠে আসে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, ‘দেশের স্থল ও সমুদ্রের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। গ্যাস চুরি, অপচয় বন্ধ করে, সাশ্রয়ী ব্যবহার করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অন্যদিকে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানিকে গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি খাতকে এলএনজি আমদানিনির্ভরতা অনিবার্য করে তোলা হয়েছে। তেলের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে।

‘শুধু তাই নয়, সংবিধানের মূল দৃষ্টিভঙ্গিকে উপেক্ষা করে বেসরকারি খাতের প্রাধান্যও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে কমিশনভোগী ও বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে। প্রতি বছর জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে ও হচ্ছে। আজ তার পরিণতিতে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। কৃষি শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।’

এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশ আরেক সংকটে পড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় বিবৃতিতে। বিদ্যুৎসহ জ্বালানি খাতের শ্বেতপত্র প্রকাশ, তাদের ভাষায় ‘জ্বালানি অপরাধীদের’ চিহ্নিত ও বিচারের দাবি জানান সিপিবি নেতারা।

বিবৃতিতে রেন্টাল, কুইক রেন্টালসহ ‘অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র’ বন্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা দূর করে জাতীয় সক্ষমতা বাড়াতে স্থল ও সমুদ্র ভাগে নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়ারও দাবি জানান নেতারা।

আরও পড়ুন:
লোডশেডিংয়ে উৎপাদন ব্যাহত, অতিষ্ঠ জনজীবন
লোডশেডিংয়ে আইপিএস-সোলারের রমরমা
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
চাহিদার অর্ধেক সরবরাহে বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে বগুড়ায়
গ্যাসস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PM breaks law by taking selfie on Padma bridge Zafarullah

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি
‘প্রধানমন্ত্রী ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় পদ্মা সেতুতে গিয়ে সেলফি তোলেন। এর আগে ঘোষণা হয়েছে, পদ্মা সেতুতে কোনো সেলফি তোলা যাবে না। তার মানে আইন তার জন্য না।’

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন ভেঙেছেন বলে দাবি করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বুধবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এই অভিযোগ করেন।

ঈদ উপলক্ষে ১০ হাজার পরিবারকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের খাবার সহায়তা দেয়া হয়।

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় পদ্মা সেতুতে গিয়ে সেলফি তোলেন। এর আগে ঘোষণা হয়েছে, পদ্মা সেতুতে কোনো সেলফি তোলা যাবে না। তার মানে আইন তার জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘এর অন্যতম কারণ হলো গণতন্ত্র। সাংবাদিকদের কথা বলতে দিতে হবে। যত কালাকানুন আছে উঠিয়ে নিতে হবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে পদ্মা সেতুর জন্য সাধারণ মানুষের হাসি আজ কান্নায় পরিণত হয়েছে। আজকে চারদিকে অভাব-অনটন, কান্না।’

বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারের দুর্নীতি দায়ী বলেও মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, ‘সরকার এতদিন বলে আসছে বিদ্যুতে তাদের সারপ্রাইজ। এখন বলছে সাশ্রয় করতে হবে। দুর্নীতি করলে যা হয়। আমরা এখন সে অবস্থায় আছি।’

আরও পড়ুন:
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ
সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ
১৩ বছরে নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারেননি: জাফরুল্লাহ
দলীয় সরকারের অধীনে ভোট কঠিন, তবে অসম্ভব নয়: জাফরুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীকে শ্রমিকের বাড়ি গিয়ে খবর নিতে বললেন জাফরুল্লাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We want to remove the government very soon Musharraf

আমরা অতি দ্রুত সরকার হটাতে চাই: মোশাররফ

আমরা অতি দ্রুত সরকার হটাতে চাই: মোশাররফ বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
‘আমরা এ দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে চাই। অতি দ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এ দেশের জনগণ একটা নিরেপক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে, ইভিএমে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।’

বর্তমান সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতা থেকে হটাতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা আন্দোলন করলেও সরকার যাবে, না করলেও যাবে। যদি সেইভাবে যায় তাহলে জাতি আরেকটা অন্ধকারে প্রবেশ করবে। আর রাস্তায় নেমে আমরা যদি এদেরকে বাধ্য করতে পারি, তাহলে জনতার কাছে ক্ষমতা আসবে।’

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন। ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুককে পুলিশের পিটুনির প্রতিবাদে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এটা সকলের দাবি, এ দেশের মানুষ অতি দ্রুত পরিবর্তন চায়। তারা আর এই সরকারকে দেখতে চায় না। তারা চায় এই সরকার অতি দ্রুত তার পদ থেকে পদত্যাগ করুক বা আমরা তাদের সরিয়ে দিই। সেটা করতে হলে আমাদের সকলকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে।

‘আমরা এ দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে চাই। অতি দ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এ দেশের জনগণ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে, ইভিএমে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।’

সরকারের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে বিরোধীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে বলেও সতর্ক করেন মোশাররফ। বলেন, ‘বাংলাদেশ যেমন বীরের দেশ, তেমনি অনেক মীরজাফরও আছে। অতএব আজকে বীরেরা সামনে এগিয়ে আসুক। মীরজাফররা যেন সামনে আসতে না পারে।’

বন্যার জন্য সরকারকে দায়ী করেন বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপরের দেশগুলোতে যে নদী আছে, সেই প্রত্যেকটা নদীর মুখে বাঁধ আছে। সরকার নতজানু নীতির কারণে এর প্রতিবাদ করতে পারে না। খরা মৌসুমে তারা পানি আটকে রাখে, বর্ষার মৌসুমে পানি ছেড়ে দেয়। এই নতজানু নীতি না থাকলে ভারতের সঙ্গে কথা বলে এর সমাধান করতে পারত।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয়তাবাদী নবীন দলের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানাও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
ঈদের পর আন্দোলন শুনে কষ্ট হয় তথ্যমন্ত্রীর
অন্ধকার যুগে বাস করছি: দুদু
পদ্মায় দুর্নীতি হয়নি প্রমাণ করতে পারলে বিএনপির ধন্যবাদ: গয়েশ্বর
মকারির নির্বাচনে আর না, খেলা হবে ‘ফেয়ার’: টুকু
বন্যার্তদের জন্য ৩০ লাখের তহবিল গড়বে যশোর বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I dont want to learn democracy from BNP Quader

বিএনপির কাছে গণতন্ত্র শিখতে চাই না: কাদের

বিএনপির কাছে গণতন্ত্র শিখতে চাই না: কাদের ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
‘বিএনপির গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ, ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যাঁ- না ভোট, সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার, আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।’

সেনা শাসকের দল বিএনপির কাছ থেকে গণতন্ত্র শিখতে চান না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি হওয়া, বিএনপির সর্বশেষ শাসনামলে এক কোটির বেশি ভুয়া ভোটার থাকার কথা তুলে ধরে তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ বক্তব্য দেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

আগের দিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে।
জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপির থেকে গণতন্ত্র শিখতে চাই না, বিএনপির গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ, ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যাঁ- না ভোট, সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার, আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।’

তিনি বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতা দখলের। ষড়যন্ত্রের মন্ত্র ও ক্ষমতার তন্ত্রে বিভোর বিএনপির এ দেশের গণতন্ত্র, জনমত, নির্বাচন এবং রাজনীতির অর্থবহ ও কল্যাণকর কোনো পন্থাতে আস্থা ছিল না, এখনও নেই।’

কাদেরের মতে, জনগণের মত প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন। সেই নির্বাচনি ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে।

নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে বিএনপি ভোটে আসবে না বলে মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের জবাবও দেন কাদের। বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়েই আগেভাগে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ কথা-সে কথা বলছে।’

ফখরুলকে কাদের বলেন, “আপনাদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষতার মানদণ্ড কী? তার প্রমাণ আপনারা ক্ষমতাসীন হয়ে বারবার দেখিয়েছেন। বিএনপি নেত্রী একসময় বলেছিলেন, ‘দেশে শিশু আর পাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয়’। দেশবাসী জানে যতক্ষণ বিএনপির ক্ষমতা দখলের পথ নিরাপদ না হবে, নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাবে, ততদিন তাদের নিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিশ্চিত হবে না।

‘বিএনপি যেকোনো উপায়ে নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা এবং পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারার মানসিকতাই এখন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধান অন্তরায়।’

জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস জানিয়ে কাদের বলেন, ‘এ দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু উন্নতি হয়েছে, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারই এ উন্নতি করেছে।’

শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করেনি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বরং অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করা হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি নেতারা রাত-দিন সরকারের অন্ধ সমালোচনা করছেন, মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন, সংসদে আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি সময় পাচ্ছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন পার্লামেন্টে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা বেড়েই চলছে। আর এ থেকেই হতাশায় ভুগতে থাকা বিএনপি নেতারা আবোলতাবোল বলছেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ কল্পিত: কাদের
বিএনপি যাই বলুক নির্বাচনে আসবে, ভোট ইভিএমে হোক: কাদের
জনদুর্ভোগ নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC dialogue with political parties from 16 July

১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ

১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ
ইসি আহসান হাবিব খান বলেন, ‘আগামী ১৭ জুলাই থেকে সকাল-বিকেল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করা হবে। প্রতিদিন চারটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে আগামী ১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সংলাপ চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আহসান হাবিব খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৭ জুলাই থেকে সকাল-বিকেল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করা হবে। প্রতিদিন চারটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিদিন দুই দফায় দুটি করে চারটি দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং বিএনপির সঙ্গে আলাদা করে একেক দিন বৈঠকে বসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে এর আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) যাচাই-বাছাই করতে ইসির নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে সেখানে ২৮টি রাজনৈতিক দল ইসির ডাকে সাড়া দেয়। বিএনপিসহ তাদের সমমনা ১১টি রাজনৈতিক দল ইসির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আউয়াল কমিশনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। নিয়োগ পাওয়ার পরদিন শপথ নিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন শুরু করে নতুন কমিশন। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দায়িত্বভার পাওয়ার পর পরই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপের সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই আলোকে গত ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। পরে পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি।

পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে বসার কথা থাকলেও সংলাপের আগেই তাদের ইভিএম যাচাইয়ের জন্য চিঠি পাঠায় ইসি।

তবে পরে আবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে তারিখ নির্ধারণ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে বিকেলে নির্বাচন ভবনে আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
ইসির সাফল্য হাতিয়ার ভোটে ম্লান?
পুঁজিবাজারে প্রভিডেন্ড ফান্ডের বিনিয়োগ চায় বিএসইসি
ব্যালটের চেয়ে ইভিএম ভালো: সিইসি
ফিকার প্রথম নারী সভাপতি অজি ক্রিকেটার লিসা
ইভিএম যাচাইয়ে ইসিতে গেল না বিএনপি

মন্তব্য

p
উপরে