× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The BNP could not decide what kind of government during the election
google_news print-icon

নির্বাচনকালীন কেমন সরকার, ঠিক করতে পারেনি বিএনপি

নির্বাচনকালীন-কেমন-সরকার-ঠিক-করতে-পারেনি-বিএনপি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসার দাবিতে গত বছর নভেম্বরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণঅনশন কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
বিএনপি আসলে নির্বাচন পরিচালনার জন্য কী ধরনের সরকার চাইছে- এমন প্রশ্নে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এটা আমি বলব না। যে সময়ে এটা বলার প্রয়োজন হবে, সেই সময়ে প্রেস ব্রিফিং করে দলের মহাসচিব, আমাদের মুখপাত্র এটা বলবেন।’ একই প্রশ্নে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যখন প্রয়োজন হবে তখন আমরা রূপরেখা জানাব।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের পুরোনো দাবিতে ফিরে গেছে বিএনপি। কিন্তু সেটির ধরন কেমন হবে, সেই সরকারের রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই দলটির।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন করে নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের পদ্ধতির কথা বলা আছে সংবিধানে। ফলে এর কোনো আইনি সুযোগ নেই।

কিন্তু বিএনপি আবার আন্দোলনের হুমকি দিয়ে রেখেছে। এই অবস্থায় ২০১২ থেকে ২০১৪ ও পরে ২০১৫ সালের মতো সহিংসতার স্মৃতি ফেরে কি না, তা নিয়ে শঙ্কার কথা বলাবলি হচ্ছে।

বিএনপি আসলে নির্বাচন পরিচালনার জন্য কী ধরনের সরকার চাইছে- এমন প্রশ্নে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা আমি বলব না। যে সময়ে এটা বলার প্র‍য়োজন হবে, সেই সময়ে প্রেস ব্রিফিং করে দলের মহাসচিব, আমাদের মুখপাত্র এটা বলবেন।’

বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দলটি আন্দোলনের কথা বললেও নির্দলীয় সরকার কীভাবে গঠিত হবে, কাদের সেখানে দেখতে চান-এই বিষয়গুলো এখনও চূড়ান্ত করতে পারেননি তারা।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যখন প্রয়োজন হবে তখন জানাব।’

নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কী এখনও চূড়ান্ত করেননি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যখন প্রয়োজন হবে তখন আমরা রূপরেখা জানাব।’

উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কেন জানাব আগে?’

বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা হচ্ছে বলে জানানো হলে তিনি বলেন, ‘আলোচনায় এসেছে তো, যখন সময় আসবে তখনই জানাব।’

তত্ত্বাবধায়ক কীভাবে এলো, বিতর্ক কী নিয়ে, যেভাবে বাতিল

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরের বছরের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। ১৯৯৪ সালে ঢাকার মিরপুর ও মাগুরায় দুটি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ওঠার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামে আওয়ামী লীগসহ সে সময়ের বিরোধী দলগুলো।

আন্দোলনের মুখে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন হয়। তাতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতে এসেও বিএনপি ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। একপর্যায়ে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা করে আবার জাতীয় নির্বাচন দেয়।

তখন সিদ্ধান্ত হয়, সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান। তিনি রাজি না হলে সব দলের মতৈক্যের ভিত্তিতে একজন হবেন এই সরকারের প্রধান। আর আলোচনায় কাউকে পাওয়া না গেলে হবেন রাষ্ট্রপতি।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের সেই ভোটে জিতে ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফের আওয়ামী লীগ। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সরকার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ২০০১ সালে।

ওই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে জিতে বিএনপি-জামায়াত জোট আসে ক্ষমতায়। তবে সেই সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানো নিয়ে তৈরি হয় রাজনৈতিক বিরোধ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার কথা হয় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের। তিনি এককালে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ফলে তাকে মেনে নিতে রাজি ছিল না আওয়ামী লীগ।

আন্দোলনের একপর্যায়ে কে এম হাসান জানান তিনি এই পদের জন্য আগ্রহী নন। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের পদে কে আসবেন, এ নিয়ে বিরোধের মীমাংসা না হওয়ার পর বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের ওপর বর্তায় সেই দায়িত্ব।

ইয়াজউদ্দিনের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট যায় আন্দোলনে। কিন্তু একবার পিছিয়ে ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।

একতরফা নির্বাচনের দিকে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন ভোটের ১১ দিন আগে হস্তক্ষেপ করে সেনাবাহিনী। ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি অবস্থা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ ছেড়ে দেন। দায়িত্ব নেন ফখরুদ্দীন আহমেদ।

সেই সরকার প্রায় দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভোট দেয়। সেই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সংবিধানের যে সংশোধনীর মাধ্যমে এই সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী এম সলিম উল্লাহসহ কয়েকজন রিট আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে ২০০৪ সালে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যায় রিট আবেদনকারী পক্ষ। ২০১০ সালের ১১ মে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় পাল্টে এই সরকারব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করে। তবে এর আওতায় আগামী দুটি সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে বলে মত দেয়া হয় বলে সে সময় আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন।

পরে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে দুটি নির্বাচনের সেই কথা উল্লেখ ছিল না।

আপিল বিভাগের সেই আদেশের ওপর ভিত্তি করে ওই বছরের ২৪ জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপের পাশাপাশি অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ বিবেচনায় সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়।

আ.লীগের অধীনে দুই নির্বাচন ও বিএনপির সহায়ক সরকারের প্রস্তাব

নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা মেনে নেয়নি বিএনপি। তারা তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে। সহিংস কর্মসূচি ও বিএনপি-জামায়াত জোটের বর্জনের মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আবার জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

সেই সরকারের এক বছর পূর্তিতে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ ও পরে একই সঙ্গে হরতাল এবং অবরোধ দিয়ে আবার মাঠে নামে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে ২০ দল।

সেই কর্মসূচি অকার্যকর হয়ে যাওয়ার পর ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আর আন্দোলনে যায়নি বিএনপি। ২০ দলের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে নতুন জোট গড়ে একসঙ্গে ভোটে যায়।

ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ৭টি আসন পায় দুই জোটের সম্মিলিত শক্তি। কিন্তু সেই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল মেনে না নেয়ার ঘোষণা দেয়। পরে অবশ্য সংসদে যায় এই জোট।

বর্তমান সরকারের অধীনে বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে।

এর মধ্যে ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে এসে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার করার প্রস্তাব দেন।

সেদিন তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, শুধু নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হলেই হবে না। এর পাশাপাশি একটি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার দরকার। যারা নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’

এরপর পেরিয়ে গেছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময়। কিন্তু সুবিধামতো সেই সময় আসেনি, নির্বাচনকালীন কী ধরনের সরকার চায় বিএনপি, সেটি আর জানা হয়নি।

যদিও সে সময় বিএনপি নেতারা জানিয়েছিলেন, তাদের সহায়ক সরকারের রূপরেখার খসড়া তৈরির কাজ চলছে। ২০১৭ সালের জুলাইয়ের শেষ দিকে বা আগস্টে ঘোষণা হতে পারে তা।

কী করবে বিএনপি

সম্প্রতি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জোট আরও বড় করে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত হয়। এ নিয়ে দলটির নেতারা নানা কথাবার্তাও বলতে শুরু করেন।

এর মধ্যে ২২ ডিসেম্বর থেকে জেলা পর্যায়ে সমাবেশ শুরু করে বিএনপি, যা চলে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই কর্মসূচিতে বিএনপির জমায়েত ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০১৫ সালের আন্দোলন ভেঙে পড়ার পর এই প্রথম টানা কর্মসূচি দেয় দলটি।

তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ এসে বিএনপির কর্মসূচি থামিয়ে দেয়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয় এবং জানুয়ারিতে তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়া নিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এর মাঝে সরকার নানা বিধিনিষেধ দিয়ে জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ২২ ফেব্রুয়ারি মাস্ক পরা ছাড়া সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হলেও বিএনপির কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য এখন পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে।

এর মধ্যে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে, যেটি আগামী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করবে। সেই কমিশন গঠনের আগে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি অংশ নেয়নি, সার্চ কমিটির কাছে নামও দেয়নি। কমিশন গঠনের পর নেতারা বলছেন, তাদের মুখ্য দাবি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার। কমিশন নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Jamaat Amir gave 10 kg of mangoes to all members of Parliament

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির

১০ কেজি হারে সংসদের সবাইকে আম উপহার দিলেন জামায়াত আমির ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ উপহার পাঠিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।

সংসদ সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেকের জন্য ১০ কেজি ওজনের একটি করে সুদৃশ্য উপহার প্যাকেট পাঠানো হয়েছে। স্পিকার থেকে শুরু করে সংসদের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছেও এই উপহারগুলো সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকেই সংসদ ভবনের করিডোরগুলোতে এই ১০ কেজির প্যাকেটে কী আছে, তা নিয়ে তীব্র কৌতূহল দেখা দেয়। পরবর্তীতে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায়, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পাঠানো এই সুদৃশ্য প্যাকেটে ছিল মূলত চলতি মৌসুমের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুস্বাদু আম।

অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংসদের প্রতিটি দপ্তরে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেন।

বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা জানান, এই উপহার বিতরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও অনন্য দিক ছিল এর সমবণ্টন নীতি, যার ফলে সংসদের কোনো স্তরের মানুষই এই তালিকা থেকে বাদ যাননি।

সাধারণত দেখা যায় ভিআইপি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাই বিভিন্ন ধরনের উপহার পেয়ে থাকেন, কিন্তু ড. শফিকুর রহমানের এই বিশেষ উপহার তালিকায় সংসদের ঝাড়ুদার, পিয়ন, লিফটম্যান ও গাড়িচালকরাও সমভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আকস্মিক এই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে সংসদ সচিবালয়ের একজন সাধারণ অফিস সহায়ক বলেন যে, তাঁরা ছোট চাকরি করার কারণে বড় বড় নেতাদের উপহার বা সুযোগ-সুবিধা কেবল দূর থেকেই দেখে অভ্যস্ত। আজ বিরোধীদলীয় নেতা নিজে তাঁদের মতো সাধারণ কর্মচারীদের কথা মনে করে ১০ কেজির এই উপহার পাঠিয়েছেন, যা তাঁদের জন্য অত্যন্ত বড় সম্মানের ও আনন্দের বিষয়।

বাংলাদেশের চেনা ও ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি ও বিরোধীদলের সম্পর্কের বরফ যেখানে সহজে গলতে চায় না এবং দলগুলোর মধ্যে তীব্র দূরত্ব বজায় থাকে, সেখানে জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্যও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ ধারা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP party MP wanted to ban Jamaat politics in Parliament

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপি দলীয় এমপি ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।

সোমবার (২২ জুন) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের মহান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরোধিতা করেছিল, তারা এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে পারে না।

তিনি সংসদের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিও বাংলাদেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হোক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শুধু নামের পরে ইসলাম থাকলেই প্রকৃত ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন এবং গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দেওয়ার মতো কথা বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড সবাই দেখেছে।

নির্বাচনী প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও সকল পাপ মওকুফ হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এভাবে ইসলামের নামে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য নিয়ে যারা রাজনীতি করছে, তারা মূলত স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হক মন্তব্য করেছিলেন যে বিড়িতে সুখটানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন, যে কারণে পরবর্তীতে জামায়াত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছিল।

একই অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ পবিত্র মসজিদ ও মাদ্রাসায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান।

তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর এবং সেখানে মানুষ কেবল নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

তিনি দেশের কোনো মসজিদ বা মাদ্রাসায় যেন রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রেজা আহমেদ আরও বলেন, অন্য সব রাজনৈতিক দল যেভাবে প্রকাশ্যে মাঠে, স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা ও জনসভা করে, তাদেরও ঠিক সেই ব্যবস্থা করতে হবে এবং পবিত্র মসজিদে বসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা তারা করতে পারবে না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nationwide NCP protest call to demand justice for Awami Leagues genocide

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী এনসিপির বিক্ষোভের ডাক ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের শাসনমলে সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী ২৩ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় একযোগে দেশের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার (২২ জুন) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দীনা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনার মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড, গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চালানো গণহত্যার দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করাই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। সংগঠনের সকল জেলা ও মহানগর কমিটিকে নিজ নিজ এলাকায় নির্ধারিত সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সফল করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনসিপি নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, গত দেড় দশকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথের আন্দোলন থেকে পিছু হটবেন না।

দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের আপস করবে না। জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় এবং বিগত সরকারের দুঃশাসনের শিকার ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে থেকে তাদের অতীত অপকর্মের বিচারের দাবি জোরালো করাই এই বিক্ষোভের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 party alliance including Jamaat is taking to the streets on the day of the founding anniversary of banned activities

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে নামছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে রাজপথে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জোটের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। সোমবার মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির এক বৈঠক শেষে এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে গণমাধ্যম।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার বিচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, গত সরকারের আমলে হওয়া গুম ও খুনের বিচার নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তবে জোটের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যাতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কোনো ঝটিকা মিছিল বা শোডাউন করতে না পারে, তা ‘ঠেকাতে’ এবং রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতেই মূলত এই কৌশলগত কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং আগামী ৪ জুলাই সারাদেশের জেলা শহরগুলোতে মিছিল ও সমাবেশ পালন করবে জোটটি। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে এই বিচার শেষ করে দোষীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।” আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কর্মসূচি পালন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, এটি একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং কোনো নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করার দায়িত্ব সরকারের।

অন্যদিকে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সমালোচনা করে অবিলম্বে দুর্নীতির অবসানের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে এই ১১ দলীয় জোট। এই কর্মসূচির চূড়ান্ত রূপরেখা আগামী ২৫ জুন বৈঠকের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Before the election my wife took a loan from Islami Bank to buy a flat Dr Shafiqul Islam Masood

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকার বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, আসলেই কি বিষয়টা এমন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এদিকে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর কোন সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?

মাসুদ দাবি করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nation must prepare for another revolution Jamaat Amir warns

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

আরেকটি বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে: জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে রাজপথে আন্দোলনের আগ্নেয়গিরি তৈরি করা হবে এবং আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য জাতিকে প্রস্তুতি নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলের বৃহৎ বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে চুরি, ডাকাতি ও নানা রকম ইঞ্জিনিয়ারিং করে তাদের নিশ্চিত ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এত বড় অন্যায়ের পরও দেশে যাতে কোনো ধরনের গৃহযুদ্ধ বা চরম বিশৃঙ্খলা শুরু না হয়, মূলত সেই বৃহত্তর স্বার্থে তাঁরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই সনদ যদি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে এবার আর সংসদে নয়, বরং রাজপথেই চূড়ান্ত ফয়সালার ব্যবস্থা করা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিভাগীয় সমাবেশে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক এবং এনসিপির নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত দলের শীর্ষ নেতারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Yunus never called me a mastermind Mahfuz Alam

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম

ড. ইউনূস আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড বলেননি: মাহফুজ আলম ছবি: সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাকে কখনোই ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেননি। এমনটাই দাবি করেছেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে অংশ নিয়ে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে যেয়ে মাহফুজ আলম বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁকে নিয়ে দুটি কথা বলেছেন, কিন্তু তাঁর বক্তব্যের কোথাও ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাস্টারমাইন্ড শব্দটি সাধারণত একটি নেতিবাচক বা কুখ্যাত অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

নিজের বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূস মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিতে ‘ব্রেইনস বিহাইন্ড’ বা নেপথ্যের চিন্তাকারী শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেছিলেন।

পশ্চিমা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনায় এ ধরনের শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং ইতিবাচক হলেও বাংলাদেশে এটিকে ভিন্নভাবে এবং ভুল অর্থে উপস্থাপন করা হয়েছে।

একই সাথে তিনি তাঁর দাবি প্রসঙ্গে বলেন, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। পরিশেষে মাহফুজ আলম আক্ষেপ প্রকাশ করে দাবি করেন, তাঁকে ঘিরে তৈরি করা সমস্ত ব্যাখ্যা বা ন্যারেটিভগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নভাবে ফ্রেম বা সাজানো হয়েছে, যার সাথে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া বাস্তব বক্তব্যের কোনো মিল নেই।

মন্তব্য

p
উপরে