× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
98 people are the chairman of BNP in the boycott vote
google_news print-icon

‘বর্জনের ভোটে’ চেয়ারম্যান বিএনপির ৯৬ জন

বর্জনের-ভোটে-চেয়ারম্যান-বিএনপির-৯৬-জন
রোববারের ভোটে সবচেয়ে বেশি ৪৩৯ ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়াই করা আওয়ামী লীগ নেতারা। আরও বেশ কিছু ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জিতেছেন অন্তত ২৬৭ এলাকায়। সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, যারা জিতেছে ১৫টির মতো ইউনিয়নে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর ৮ জন নেতা জিতেছেন স্বতন্ত্র পরিচয়ে।

আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট বর্জন করলেও তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেশ ভালো ফল করেছেন বিএনপির নেতারা। রোববারের এই ভোটে সারা দেশে অন্তত ৯৬ জন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জিতে এসেছেন।

বিভাগওয়ারি হিসাব করলে বিএনপির এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে ভালো করেছেন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে। রংপুর বিভাগে জিতেছেন ২৪ জন আর রাজশাহী বিভাগে ২০ জন নেতা।

এ ছাড়া সিলেট বিভাগে ১৩ জন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন করে এবং খুলনা বিভাগে জিতেছেন ৯ জন নেতা। কেবল বরিশাল বিভাগে কেউ জিততে পারেননি।

তৃণমূলের ভোটে বিএনপি নেতাদের জিতে আসার বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের সাধারণ জনগণ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তারা জনগণের সরকার চায়। তারই প্রতিচ্ছবি এটা; এখন যার প্রমাণ আপনারাও পাচ্ছেন।’

গত কয়েক বছরে বিএনপি জাতীয় ও স্থানীয় যেসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ নিয়েছে, তাতে তারা ভালো ফল করতে পারেনি। দলটির পক্ষ থেকে অবশ্য ভোট সুষ্ঠু না হওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, তাদের সমর্থকদের ভোট দিতে দেয়া হয় না, প্রচারেও বাধা দেয়া হয়।

চলতি বছর পৌরসভা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনার পর বর্তমান সরকার আর নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো ভোটে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। ফলে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তাদের কোনো প্রার্থী নেই।

এই নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ভোট হয়েছে তিন ধাপে, যার মধ্যে সবশেষ ভোট হয় রোববার।

এই ধাপে নির্বাচন কমিশন ১ হাজার ৭টি ইউনিয়নে ভোটের তফসিল ঘোষণা করে। তবে রোববার ভোট হয় সাড়ে আটশর কিছু বেশি এলাকায়। এর আগেই বেশ কিছু এলাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে যান।

তৃতীয় ধাপের এই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী না দিলেও বিভিন্ন এলাকায় দলের নেতারা ভোটে অংশ নেন স্বতন্ত্র পরিচয়ে। দলের পুরো সমর্থনও তারা পেয়েছেন নানা এলাকায়।

গত ২ নভেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যা বলেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে বিএনপি এই ভোটে না থেকেও আছে।

তিনি সেদিন বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে করাটা সঠিক নয়। তাই বিএনপি এ নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নিচ্ছে না। তবে বিএনপি থেকে কেউ স্বতন্ত্র হয়ে অংশ নিলে সেখানে বাধা নেই।’

রোববারের ভোটে সবচেয়ে বেশি ৪৩৯ ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়াই করা আওয়ামী লীগ নেতারা। আরও বেশ কিছু ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জিতেছেন অন্তত ২৬৭ জন। দলীয় প্রতীকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, যারা জিতেছে ১৫টির মতো এলাকায়।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর ৮ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র পরিচয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে জিতেছেন। এর মধ্যে রংপুর বিভাগে দুজন আর রাজশাহী বিভাগে আছেন ছয়জন।

এই ছয়জনের মধ্যে দুজন সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের। তিনজন আছেন রাজশাহীর নওগাঁর, দুজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আর একজন আছেন রাজশাহীর।

ইসলামী আন্দোলন, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ৩২ জন প্রার্থীও জিতে এসেছেন রোববারের ভোটে।

রংপুর বিভাগে জিতলেন বিএনপির যে নেতারা

এই জেলায় বিএনপির নেতারা সবচেয়ে ভালো করেছেন দিনাজপুরে। দুই উপজেলায় মোট ছয়টি ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন তারা।

এই জেলার ফুলবাড়ীর ১ নম্বর এলুয়াড়ী ইউনিয়নে নবিউল ইসলাম, বিরামপুর উপজেলায় ৪নং দিওড় ইউনিয়নে আব্দুল মালেক ও ৫নং বিনাইল ইউপিতে হুমায়ন কবীর বাদশা জয় পেয়েছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২ নম্বর বিনোদনগড় ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম, ৪ নম্বর শালখুরিয়া ইউনিয়নে তারা মিয়া এবং ৫ নম্বর পুটিমারা ইউনিয়নে আনিছুর রহমান জয় পেয়েছেন।

বিএনপি ভালো করেছে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটেও। দুই জেলাতেই পাঁচজন করে নেতা জয় পেয়েছেন।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ঘোগাদহ ইউনিয়নে আবদুল মালেক, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে সাইদুর রহমান, নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে শফিউল আলম শফি, রায়গঞ্জ ইউনিয়নে আরিফুল ইসলাম দীপ ও নারায়ণপুর ইউনিয়নে মো. মোস্তফা পেয়েছেন জয়।

লালমনিরহাটে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নে আব্দুল মজিদ মণ্ডল, কুলাঘাট ইউনিয়নে ইদ্রিস আলী, বড়বাড়ি ইউনিয়নে হবিবর রহমান হবি, দলগ্রাম ইউনিয়নে ইকবাল হোসেন এবং ভোটমারী ইউনিয়নে জিতেছেন ফরহাদ হোসেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে জিতেছেন বিএনপির তিন নেতা। এর মধ্যে পীরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে মোখলেছুর রহমান চৌধুরী, সেনগাঁওয়ে সাইদুর রহমান এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নে জিতেছেন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থানের এই জেলায় ভোট হয়েছে মোট ১৮টি ইউনিয়নে। এর মধ্যে ১৪টিকে নৌকা আর একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা জিতেছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম ও আওয়ামী লীগের মাহাবুবার রহমানের ভোট সমান হওয়ায় ফলাফল ড্র হয়েছে।

এই বিভাগের পঞ্চগড় ও গাইবান্ধায় জয় পেয়েছেন বিএনপির দুজন করে নেতা।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নে রবিউল ইসলাম ও আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে জিতেছেন আবদুস সামাদ, যাদেরকে বিএনপি মার্কা না দিলেও সমর্থন দিয়েছিল।

গাইবান্ধায় পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নে মাহাবুবুর রহমান মণ্ডল ও হরিনাথপুর ইউনিয়নে মো. কবির হোসাইন জাহাঙ্গীর জয় পেয়েছেন।

নীলফামারী জেলায় জিতেছেন বিএনপির একজন নেতা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নে জিতেছেন মোস্তাকিনুর রহমান।

রাজশাহী বিভাগে বিএনপির যে নেতাদের জয়

এই বিভাগের মধ্যে বিএনপির নেতারা সবচেয়ে বেশি জিতেছেন বগুড়ায়। দলটির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জেলাটিতে ১০ জন নেতা জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।

এদের মধ্যে সদর উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নে সহিদুল ইসলাম সরকার, সাবগ্রাম ইউনিয়নে ফরিদ উদ্দিন সরকার, লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নে জুলফিকার আবু নাসের আপেল মাহমুদ, শেখেরকোলা ইউনিয়নে জিতেছেন রশিদুল ইসলাম মৃধা।

ধনুট উপজেলায় জিতেছেন কালেরপাড়া ইউনিয়নে সাজ্জাদ হোসেন, চিকাশি ইউনিয়নে জাকির হোসেন, গোসাইবাড়ী ইউনিয়নে মাসুদুল হক বাচ্চু, ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নে বেলাল হোসেন, শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নে আতিকুর রহমান এবং মাদলা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান।

এই বিভাগে চারজন করে বিএনপির নেতা জিতেছেন নাটোর ও নওগাঁয়।

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার ফাগুয়ারদিয়ার ইউনিয়নে এসএম লেলিন, জামনগরে গোলাম রাব্বানী, লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নে আব্দুল আজিজ রঞ্জু আর বিলমাড়িয়া ইউনিয়নে জিতেছেন সিদ্দিক আলী মিষ্টু।

নওগাঁর প্রসাদপুর ইউনিয়নে আব্দুল মতিন, বিষ্ণপুর ইউনিয়নে এসএম গোলাম আজম, গণেশপুর ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী এবং কাঁশোপাড়া ইউনিয়নে আব্দুস সালাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নে মাহমুদুল হক হায়দারী এবং পাঁকা ইউনিয়নে জিতেছেন আব্দুল মালেক।

সিলেট বিভাগে বিএনপির যে নেতারা জিতলেন

গোটা বিভাগে বিএনপির নেতারা সবচেয়ে ভালো করেছেন সুনামগঞ্জে। এই জেলার সদর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ভোট হয়েছে মোট ১৭টি ইউনিয়নে। এর ছয়টিতে জিতেছেন বিএনপি নেতারা। পক্ষান্তরে নৌকা নিয়ে আওয়ামী লীগ জিততে পেরেছে কেবল দুটি ইউনিয়নে।

‘বর্জনের ভোটে’ চেয়ারম্যান বিএনপির ৯৬ জন



সদর উপজেলা রঙ্গারচর ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে জিতেছেন বিএনপি নেতা মো. আব্দুল হাই, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে জিতেছেন নুরুল হক, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে জিতেছেন আব্দুল ওয়াদুদ৷

শান্তিগঞ্জে স্বতন্ত্র পরিচয়ে জয়ী বিএনপির নেতারা হলেন দরগাপাশা ইউনিয়নে ছুফি মিয়া, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে মাসুক মিয়া ও পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে লুৎফর রহমান জায়গীরদার খোকন।

লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে নির্বাচিত জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের জবাব দিয়েছে। আমাদের শঙ্কা ছিল ক্ষমতাসীনরা কিছু করে কি না। তবে সবকিছুকে হারিয়ে জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে আমাকে জয়ী করেছে। আমি এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হয়েছি। মানুষও জানে কাকে ভোট দিলে মেহনতি মানুষের উন্নয়ন হয়।’

হবিগঞ্জের ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপি নেতারা। তারা হলেন সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নে আব্দুল মন্নান, নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাগ ইউনিয়নে মোহাম্মদ ছালিক মিয়া এবং বাউসা ইউনিয়নে সাদিকুর রহমান শিশু।

সিলেট ও মৌলভীবাজারে জয় পেয়েছেন বিএনপির দুজন করে নেতা। এদের মধ্যে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্তে বাহারুল আলম বাহার ও গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুরে জিতেছেন শাহাব উদ্দিন।

মৌলভীবাজারের এর মধ্যে বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে জিতেছেন জয়নাল আবেদীন। কুলাউড়া উপজেলায় ভূকশিমইলে জিতেছেন আজিজুর রহমান। তিনি গতবারও জিতেছিলেন।

ঢাকা বিভাগে যারা জিতলেন

এই বিভাগে বিএনপির নেতারা সবচেয়ে টাঙ্গাইলে। এ জেলায় তিনজন সক্রিয় বিএনপি নেতা এবং একজন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া নেতা জিতেছেন। এই জেলায় ভোট হয়েছে মোট তিনটি উপজেলায়। এর মধ্যে বিএনপি সম্পৃক্তরা জিতেছেন কেবল নাগরপুর ইউনিয়নে।

এরা হলেন গয়হাটা ইউনিয়নে সামছুল হক, ভাদ্রা ইউনিয়নে শওকত হোসেন ও সহবতপুর ইউনিয়নে তোফায়েল আহমেদ। পাকুটিয়া ইউনিয়নে জয়ী সিদ্দিকীকুর রহমানও বিএনপি করতেন। তবে সম্প্রতি তিনি দলীয় রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান।

দ্বিতীয় দুজন করে নেতা জয় পেয়েছেন মুন্সীগঞ্জ ও ফরিদপুরে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের তোতা মিয়া মুন্সী আর টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেতকা ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন রোকনুজ্জামান রিগ্যান।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নে ইয়াকুব আলী (বিএনপি সমর্থক), বর্তমানে কোনো পদে নেই) এবং চরহরিরামপুর ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর কবির (বিএনপি সমর্থক), বর্তমানে কোনো পদে নেই)।

কিশোরগঞ্জে কুলিয়ারচর, নিকলী ও সদর উপজেলায় ভোট হয়েছে মোট ২৩টি ইউনিয়নে। এর মধ্যে বিএনপি থেকে জিতেছেন একজন নেতা। সদর উপজেলায় চৌদ্দশত ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন দলটির নেতা আতহার আলী।

নরসিংদীতেও জয় পেয়েছেন বিএনপির একজন নেতা। চিনিশপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হয়েছেন মেহেদী হাসান ভূইয়া তুহিন।

চট্টগ্রাম বিভাগে জয় যাদের

এই বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলায় বিএনপির তিনজন করে নেতা জয় পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় পাকশিমুল ইউনিয়নে কাওসার হোসেন, সদর ইউনিয়নে আবদুল জব্বার, চুন্টা ইউনিয়নে জিতেছেন মনসুর আহমেদ।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর আলম, ঘাগটিয়া ইউনিয়নে মফিজুল ইসলাম গনি ও ঘারমোড়া ইউনিয়নে জিতেছেন শাহজাহান মোল্লা। বিএনপির এই তিন নেতার পক্ষে দলের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচারে ছিলেন।

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় জয় পেয়েছেন বিএনপির দুই নেতা। এরা হলেন ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে আবদুর রহমান ও কাবিলপুর ইউনিয়নে বাহার হোসেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ছিপাতলী ইউনিয়নে জিতেছেন বিএনপি নেতা নূরুল আহসান লাভু।

চাঁদপুরে মতলব উত্তর উপজেলার এখলাশপুর ইউনিয়নে জিতেছেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল ইসলাম।

খুলনা বিভাগে বিজয়ী বিএনপির নেতারা

এই বিভাগে এক জেলায় বিএনপির সর্বোচ্চ তিনজন নেতা জিতেছেন সাতক্ষীরায়। এরা হলেন কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগরে জাহাঙ্গীর আলম, পারুলিয়ায় গোলাম ফারুক বাবু এবং দেবহাটা উপজেলার দেবহাটা ইউনিয়নে আব্দুল মতিন।

বিভাগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দুজন নেতা জয় পেয়েছেন যশোরে। এরা হলেন মনিরামপুর উপজেলায় মনিরামপুর সদরে নিস্তার ফারুক এবং মনোহরপুরে আকতার ফারুক মিন্টু।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নে জিতেছেন খোয়াজ হোসেন মাস্টার।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর ইউনিয়নে জিতেছেন আব্দুল মান্নান।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) তোবারক হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

মাগুরার শালিখা উপজেলার শালিখা ইউনিয়নে জিতেছেন ইউনিয়নে বিএনপির আহ্বায়ক হুসেইন শিকদার।

ময়মনসিংহ বিভাগের জয়ীরা

এই বিভাগে বিএনপির নেতারা সবচেয়ে বেশি জিতেছেন শেরপুরে। এই জেলায় দলটির পাঁচজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন।

তারা হলেন নকলা উপজেলার ৭ নম্বর টালকি ইউনিয়নের মোজাফফর আহমদ বুলবুল, নালিতাবাড়ী উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের আতাউর রহমান, মরিচপুরান ইউনিয়নের আয়ুব আলী, কলসপাড় ইউনিয়নের আবদুল মজিদ ও নয়াবিল ইউনিয়নের মিজানুর রহমান।

নেত্রকোনায় জিতেছেন বিএনপির তিন নেতা। তারা হলেন কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের সাইদুর রহমান ভুইয়া, রংছাতি ইউনিয়নের আনিসুর রহমান খান পাঠান বাবুল ও দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের আব্দুল আওয়াল।

ময়মনসিংহে জিতেছেন দুজন। তারা হলেন ত্রিশাল উপজেলার ৩ নম্বর কাঁঠাল ইউনিয়নের নূরে আলম সিদ্দিকী ও মুক্তাগাছা উপজেলার ৬ নম্বর মানকোন ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম।

এই বিভাগের অন্য জেলা জামালপুরে বিএনপির কোনো নেতা চেয়ারম্যান হতে পারেননি।

প্রতিবেদনটি প্রস্তুত হয়েছে সারা দেশে নিউজবাংলার প্রতিবেদকদের তথ্যে

আরও পড়ুন:
ইউপিতে বিদ্রোহীদের জয়ে ‘চিন্তিত নয়’ আওয়ামী লীগ
চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি বড় ভাই, ছোট ভাই স্বতন্ত্র
জামাইয়ের পর শ্বশুরের জয়
ঈশ্বরদীতে নির্বাচনি সংঘাত, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০
ভোট নিয়ে বিবাদে বাড়িঘরে আগুন গুলি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Train movement stopped for two days on Kolkata Khulna railway

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ
রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কলকাতা-খুলনা রেলপথে চলাচল করা যাত্রীবাহী ‘বন্ধন-এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি দুদিন বন্ধ থাকবে। রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেললাইন ও কর্মীদের ওপর চাপ কমানো এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে গত ১৩ মে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়ে জানায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাতে সম্মতি জানিয়ে ফিরতি চিঠি পাঠায়।

এ বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচল করা বন্ধন এক্সপ্রেস দুই দিন বন্ধ থাকবে। ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৬ ও ২০ জুন বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে একটি চিঠি আমার দপ্তরে এসেছে। তবে সড়কপথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এমনকি ঈদের দিনও চালু থাকবে পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল।’

আরও পড়ুন:
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের যাত্রা শুরু
এক সপ্তাহ পর চালু মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন
ভাঙা লাইনে ছিপি দিয়ে চলল ট্রেন
মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন বন্ধে দুর্ভোগে যাত্রীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sunamganj SA transports Indian illegal goods worth crores of rupees

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহনের অফিসে থাকা অবৈধ ভারতীয় পণ্য বুধবার রাতে জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস,  দুই বস্তা চকলেট ও চশমা।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ১৮৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছে টাস্কফোর্স।

আদালতের নিলাম কাগজ জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সময় বুধবার রাত ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় অবস্থিত এসএ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যান ও কুরিয়ার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস, দুই বস্তা চকলেট ও চশমা। অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য জব্দ করে তিনটি বড় কার্গো ট্রাকে ভরে বিজিবির ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা।

অবৈধ পণ্য পরিবহনের দায়ে এসএ পরিবহন সুনামগঞ্জ শাখার ম্যানেজারকে এর আগেও দুবার সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত।

টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে থাকা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ শরীফ বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা পণ্য পাচারের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১৪৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছি। যারা এই পণ্যগুলো পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্য এসব অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য কাউকে আটক করা হয়েছে কী না সে তথ্য দেননি তিনি।

অভিযানে অংশ নেন এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক আরিফুর রহমান, সহকারী পরিচালক কৌশিক আহমদ কনকসহ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ২৮০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ একজন গ্রেপ্তার
বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন
শেরপুরে পৌনে এক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ
প্রথমবারের মতো ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে নারী ট্রাকচালক
‘চোরাই পণ্যবাহী’ গাড়ির কারণে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big Boss King Tiger Bullet and Rock are coming to shake the market

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বাজার ধরতে নানা বাহারি নামে গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন মৌলভীবাজারের খামারিরা। এরই মধ্যে অনেক খামারে শুরু হয়ে গেছে আগাম বেচাবিক্রি। খামারিরা জানিয়েছেন, এবার অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো দামে গরু বিক্রির আশা করছেন তারা।

লাভজনক হওয়ায় দেশে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গরুর খামার। প্রতি বছরই নতুন নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে খামার ব্যবসায়। সফলতাও পাচ্ছেন অনেকে। এমনই এক সফল খামারি হচ্ছেন জুড়ী উপজেলার মেসার্স সিয়াম অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম ছেনু।

বাবা মৃত বজলু মিয়ার হাতে গড়া খামারটির বয়স এখন শত বছরের ওপরে। ছেনুর বাবার মৃত্যুর পর ছেলেরা খামারের হাল ধরেন। এ খামারে বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ৬৫টি গরু রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে ক্রেতাদের মন জয় করতে এ খামারে গড়ে তোলা হয়েছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক নামের পাঁচটি গরু। এসব গরু দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

সাইফুল ইসলাম ছেনু জানান, মূলত কোরবানির বাজার ধরতে অনেক আগে থেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। ভারতীয় গরু অনুপ্রবেশ না করলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ঈদে ভালো মুনাফা পাবেন বলে আশা করছেন।

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ছোটবড় মিলিয়ে ৬৫টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। এগুলো দাম ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে চাচ্ছি আমরা।’

জুড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রমাপদ দে জানান, প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় দিনকে দিন বাড়ছে কোরবানির পশুর চাহিদা। সেইসঙ্গে বেড়েছে খামারের সংখ্যা। উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক খামার রয়েছে।

ঈদের আগে খামারগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যাতে অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা না করতে পারে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা।’

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের
নেত্রকোণায় ‘ঘাস খেয়ে’ এক খামারের ২৬ গরুর মৃত্যু
‘রাজা বাবু’র দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা
ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে
‘সাদা পাহাড়ের’ ওজন ৩৮ মণ, দাম ১৬ লাখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He was hacked to death on his way to appear in a case in Teknaf

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের মা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

কক্সবাজার টেকনাফে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে এলোতাপাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ কোনারপাড়া কবরস্থানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত যুবক টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রীপাড়া গ্রামের মৃত হামিদ হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের হোতা মো. ফরহাদ ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে না পেয়ে তার মা এবং বাড়ির পাশ থেকে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কক্সবাজারের আদালতে যাচ্ছিলেন। পথে ওই মামলার বাদী পক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশার গতিরোধ করে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউলের হাতে কোপ দেয়। এ সময় রেজাউল অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপর হামলাকারীরা তাকে ধরে এলোতাপাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন রেজাউলকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক নওশাদ আলম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নিহতের দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র বা লোহার রড ধরনের কিছুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে নিহতের মা সাজিদা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাচ্ছে এমন সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি ওসমান গণি বলেন, ‘পূর্বশত্রুত থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGB has increased surveillance at Benapole and Sharsha border

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি যশোরের শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল দলের নজরদারি। ছবি: নিউজবাংলা
যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

যশোর সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বা বিনা কারণে সীমান্ত এলাকায় না যায় সেজন্য সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের মাঠে কাজ করতে যেতে কোনো বাধা নেই।

বৃহস্পতিবার ৪৯ বিজিবির কোম্পানি সদর থেকে দেয়া নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের নিকটবর্তী বাংলাদেশি অসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে পারে- এমনটা উল্লেখ করে বুধবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এ সময় বাংলাদেশি জনসাধারণকে সীমান্ত এলাকায় না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

জানা গেছে, সোমবার (১০ জুন) গভীর রাতে মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে দুষ্কৃতকারীরা। বিএসএফের ধারণা, এটা বাংলাদেশের দুষ্কৃতকারীরা করেছে। এজন্য প্রতিশোধ নিতে বিএসএফ গুলি চালাতে পারে এমনটা আশঙ্কা করে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তের সাধারণ মানুষদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন।

যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি।

‘ঈদ এলেই চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বৃদ্ধি পায়। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

সীমান্ত এলাকায় ফসলের ক্ষেতে কাজ করার জন্য কৃষকরা যেতে পারবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষকদের মাঠে কাজ করতে বা ফসলাদি দেখাশোনা করতে কোনো বাধা নেই। এ সময়ে সীমান্ত এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আমাদের সীমান্ত এলাকায় তেমন কোনো সমস্যা নেই। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বিএসএফ এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে: বিজিবির সতর্কতামূলক মাইকিং

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dolphins in Patuakhali reservoir

পটুয়াখালীর জলাশয়ে ডলফিন

পটুয়াখালীর জলাশয়ে ডলফিন বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডল‌ফিন‌টি‌কে ব‌ঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন আন্ধারমা‌রিক নদী‌র মোহনায় অবমুক্ত করা হ‌য়। ছবি: নিউজবাংলা
কলাপাড়া উপ‌জেলার জালালপুর গ্রা‌মে আন্ধারমা‌নিক নদী-সংলগ্ন জলাশ‌য়ে বোটলনোজ প্রজাতির একটি জীবিত ডলফিনটি পাওয়া যায়। এটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ও প্রস্থ দেড় ফুট।

কুয়াকাটা সৈক‌তে মৃত ডল‌ফিন ভে‌সে আসার পর এবার পটুয়াখালীর এক‌টি জলাশয় পাওয়া গেল জী‌বিত ডল‌ফিন।

কলাপাড়া উপ‌জেলার জালালপুর গ্রা‌মে আন্ধারমা‌নিক নদী-সংলগ্ন জলাশ‌য়ে বোটলনোজ প্রজাতির একটি জীবিত ডলফিনটি পাওয়া যায়। এটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ও প্রস্থ দেড় ফুট।

বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডল‌ফিন‌টি‌কে ব‌ঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন আন্ধারমা‌রিক নদী‌র মোহনায় অবমুক্ত করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে নিশ্চিত ক‌রেন কলাপাড়া উপ‌জেলা জ্যেষ্ঠ মৎস‌্য কর্মকর্তা অনুপ কুমার সাহা।

এসময় ডলফিনটিকে এক নজর দেখতে জলাশ‌য়ের দুপা‌ড়ে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

মৎস‌্য কর্মকর্তা অনুপ কুমার সাহা জানান, শেষ বিকেলে আন্ধারমা‌নিক নদী থে‌কে ডল‌ফিন‌টি ভাসতে ভাসতে ওই জলাশ‌য়ে প্রবেশ ক‌রে। প‌রে খবর পে‌য়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক এবং ওয়ার্ল্ড ফিশ ইকোফিশ-২ এর সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতির পরামর্শ অনুযায়ী ডলফিনটিকে উদ্ধার করে নিবিড় পর্যক্ষণে রেখে খাবার দিয়ে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করা হয়।

এক পর্যা‌য়ে স্থানীয় প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠন অ্যানিম্যাল লাভার্স অফ পটুয়াখালীর সদস্য ও মো. সুজন বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডলফিনটিকে অবমুক্ত করেন।

আল মুনজির বলেন, ‘জেলেদের জালে আটকে ডলফিনটি আহত হয়। আমাদের ধারণা, পরে পথভ্রষ্ট হয়ে এটি আন্ধারমানিক নদী হয়ে জলাশ‌য়ে ঢুকে পড়ে।’

এর আগে কখনও দক্ষিণাঞ্চলে জী‌বিত ডলফিন ভেসে আসার খবর পাওয়া যায়নি ব‌লে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন
হালদায় এক সপ্তাহে ৩ ডলফিনের মৃত্যুর কারণ কী
৭ দিনের ব্যবধানে হালদায় আরও দুটি মৃত ডলফিন
হালদার বুকে আরও একটি মৃত ডলফিন
এবার কুয়াকাটা সৈকতে ‘সদ্যোমৃত’ ডলফিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The passenger cargo trawler from St Martin did not go

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি সেন্টমার্টিন থেকে আসা যাত্রীদের টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ডিঙি নৌকা দিয়ে তীরে আনা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনায় সাতদিন বন্ধ থাকার পর বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌ-চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার আড়াই শ’ যাত্রী নিয়ে অন্তত ১০টি ট্রলার টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভেড়ে। তবে সাগর প্রতিকূল থাকায় পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনার কারণে ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে ট্রলার চলাচল।

বৃহস্পতিবার আড়াই শ’ যাত্রী নিয়ে অন্তত ১০টি ট্রলার টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভেড়ে। তবে সাগরে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডারডেইল এলাকার সাগর উপকূলের পয়েন্ট দিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারযোগে এসব মানুষ মূল ভূখণ্ডে ফিরে আসেন।

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি
সেন্টমার্টিনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভিড় করেছেন যাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা

এদিকে সাগর উত্তাল থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এসব ট্রলার থেকে লোকজনকে সরাসরি তীরে উঠানো সম্ভব হচ্ছিল না। পরে কয়েকটি ডিঙ্গি নৌকা উপকূলের কিছু দূরে সাগরে অবস্থানরত ট্রলারগুলোর কাছে পাঠানো হয়।

ইউএনও বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেটি ঘাট থেকে তিনটি ট্রলারযোগে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যদের নিরাপত্তায় তিন শতাধিক মানুষ টেকনাফের উদ্দেশে রওনা হয়। বিকেল ৩টার দিকে ট্রলারগুলো টেকনাফের মুন্ডারডেইল সাগর উপকূলে পৌঁছে। কিন্তু সাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, গত সাতদিন দ্বীপে আসা-যাওয়া বন্ধ থাকায় দ্বীপে খাদ্য পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এখন বিকল্পভাবে ট্রলার চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তি মিলছে। যে ট্রলারগুলো গেছে ওইসব ট্রলার নিয়ে টেকনাফে থাকা মানুষ ফিরে আসবে।’

টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এক জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার থেকে সেন্টমার্টিনে যাত্রী আসা-যাওয়া এবং পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও আদনান জানান, বৃহস্পতিবার টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাগরের বিকল্প পথে যাত্রী পারাপার শুরু হলেও পণ্যবাহী কোনো ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে টেকনাফ ছাড়েনি।

টেকনাফের নাফ নদীর সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের কাছে টানা দুদিন ধরে বড় আকারের একটি জাহাজের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। আর সেই জাহাজ ও মিয়ানমারের স্থলভাগে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত চলেছে গোলাগুলি। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসছে টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায়।

আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনে খাদ্য সংকট কেন
সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি
নাফ নদে নির্বাচনি কর্মকর্তা ও সরঞ্জামবাহী ট্রলারে গুলি
মিয়ানমারে ফের গোলাগুলি, কাঁপল টেকনাফ সীমান্ত
মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে আহত বাংলাদেশি দুই জেলে

মন্তব্য

p
উপরে