× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
In another caste marriage is the result of life
hear-news
player
google_news print-icon

অন্য বর্ণে বিয়ের খেসারত জীবন দিয়ে

অন্য-বর্ণে-বিয়ের-খেসারত-জীবন-দিয়ে
গত সপ্তাহে আয়ুশি চৌধুরীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ছবি: সংগৃহীত
প্লাস্টিকে মোড়ানো আয়ুশির দেহটি একটি লাল স্যুটকেসে বন্দি অবস্থায় শুক্রবার উত্তর ভারতের মথুরা শহরের কাছে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আয়ুশির বাবা নীতেশ কুমার যাদব এবং মা ব্রজবালাকে। পুলিশের ধারণা, অনার-কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন মেয়েটি।   

আয়ুশি চৌধুরীর ২২তম জন্মদিন আগামী ১ ডিসেম্বর। দিনটা আর উদযাপন করা হবে না তার। কারণ ৯ দিন আগে পুলিশের সামনেই আয়ুশির মরদেহ দাহ করা হয়েছে।

প্লাস্টিকে মোড়ানো আয়ুশির দেহটি একটি লাল স্যুটকেসে বন্দি অবস্থায় শুক্রবার উত্তর ভারতের মথুরা শহরের কাছে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আয়ুশির বাবা নীতেশ কুমার যাদব এবং মা ব্রজবালাকে। পুলিশের ধারণা, অনার-কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন মেয়েটি।

সম্মান রক্ষার্থে হত্যা বা অনার-কিলিং হলো কাউকে নিজের পরিবার বা গোত্রের সম্মানহানির দায়ে ওই পরিবার বা গোত্রের অপর ব্যক্তি কর্তৃক হত্যা করা। এর মাধ্যমে এই সম্মানহানির উপযুক্ত প্রতিকার হয় বলে মনে করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় অনার কিলিং সংঘটিত হলেও, ভারতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এই অনার কিলিংয়ের প্রধান শিকার নারীরা।

পুলিশের অভিযোগ, রাজধানী দিল্লির কাছে নিজ বাড়িতে ১৭ নভেম্বর বাবার গুলিতে নিহত হন আয়ুশি। অন্য জাতের এক পুরুষকে বিয়ে করা নিয়ে সেদিন পরিবারের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়েছিল আয়ুশির। খুনের পর তার বাবা-মা মরদেহ যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের কাছে ফেলে এসেছিলেন।

দম্পতি এখন পুলিশ হেফাজতে। তবে তারা এখন পর্যন্ত কিছু শিকার করেননি। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড গোটা ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে বছরে নারীর প্রতি সহিংসতার লাখ লাখ অভিযোগ জমা পড়ে।

অন্য বর্ণে বিয়ের খেসারত জীবন দিয়ে
ঘরের তাকে সুন্দর করে সাজানো আয়ুশির বইগুলো

বিবিসি হিন্দি যখন দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির বদরপুরে আয়ুশির বাড়িতে যায়, তখন স্বাভাবিকভাবে ব্যস্ত পাড়াটি হতাশায় আচ্ছন্ন ছিল। এক প্রতিবেশী জানান, আয়ুশির কী হয়েছে শুনে দুদিন ধরে তিনি ঠিকমতো খাননি।

‘সে পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল, হাই স্কুলের পরীক্ষায় অনেক ভালো নম্বর পেয়েছিল’... তিনি স্মরণ করেন।

আয়ুশি একটি বেসরকারি কলেজ থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক করছিলেন। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন।

বাড়ির প্রথম তলায় ছিল আয়ুশি ঘর। এখানে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ছাপ পাওয়া যায়। প্রতিটি আসবাবে ছড়িয়ে আছে আয়ুশির দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট আনন্দ... জাগতিকতা।

অন্য বর্ণে বিয়ের খেসারত জীবন দিয়ে
এই লাল স্যুটকেসটিতে পাওয়া যায় আয়ুশির মরদেহ

এখনও আয়ুশির বইগুলো তার পড়ার টেবিলের তাকে সুন্দর করে সাজানো রয়েছে। দেয়ালে ঝুলছে বাবা-মা, ছোট ভাই আর দাদির সঙ্গে আয়ুশির হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি।

ছোট্ট আলমারিটাতে থাকা নেইলপলিশ, লিপস্টিকসহ সাজসজ্জার জিনিসগুলো আর ব্যবহার করা হবে না আয়ুশির। তার বিছানার কাছে ঝুলে থাকা ডোরেমন পুতুলটি যেন এখনও খুঁজছে আয়ুশিকে।

আয়ুশির দাদি জামবন্তি জানান, শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিল আয়ুশি। বেশির ভাগ সময় তার ঘরে পড়াশোনায় মগ্ন থাকত তার নাতনি।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে জামবন্তি বলেন, ‘গত ১৫ হাসপাতালে ছিলাম। যখন আমি ফিরে আসি, তখন পুলিশ এসে আমার ছেলে ও পুত্রবধূকে ধরে নিয়ে যায়।’

অন্য বর্ণে বিয়ের খেসারত জীবন দিয়ে
আয়ুশির ঘরের দেয়ালে ঝুলছে তার খেলনাগুলো

পুলিশের বরাতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, আয়ুশি গত বছর তার বাবা-মায়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্য বর্ণের এক পুরুষকে বিয়ে করেছিলেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা বিবিসি হিন্দিকে বলেন, ‘এ বিষয়টি নিয়ে আয়ুশির সঙ্গে তার বাবা-মায়ের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল। যার ফলে প্রায়শই ঝগড়া হতো।’

পরিবারের দাবি, খুনের দিন আয়ুশি বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাইরে চলে গিয়েছিলেন। ফিরে আসার পর তার বাবা ভীষণ খেপে যান।

ময়নাতদন্তে আয়ুশির মাথা, মুখ এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, বুকে দুবার গুলি করা হয়েছে আয়ুশিকে। এতেই তার মৃত্যু হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
First phase of voting begins in Modis Gujarat

মোদির রাজ্যে শুরু প্রথম দফার ভোট

মোদির রাজ্যে শুরু প্রথম দফার ভোট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত
মোদি-শাহের রাজ্যের ৪ কোটি ৯১ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট দেবেন ২ কোটি ৩৯ লাখ জন। দ্বিতীয় দফায় উত্তর ও মধ্য গুজরাটের ৯৩টি আসনে ভোট হবে সোমবার। আর গণনা হবে ৮ ডিসেম্বর।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

গুজরাটের মোট ১৮২টি বিধানসভার আসনের মধ্যে প্রথম দফায় কচ্ছ-সৌরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ গুজরাটের ১৯টি জেলার ৮৯ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে। ভোট চলবে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত। এতে ভাগ্য নির্ধারিত হবে ৭৮৮ জন প্রার্থীর।

গুজরাতের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর জানিয়েছে, মোদি-শাহের রাজ্যের ৪ কোটি ৯১ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট দেবেন ২ কোটি ৩৯ লাখ জন। দ্বিতীয় দফায় উত্তর ও মধ্য গুজরাটের ৯৩টি আসনে ভোট হবে সোমবার। আর গণনা হবে ৮ ডিসেম্বর।

২০১৭ সালের বিধানসভার ভোটে এই ৮৯টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৪৮টি আসনে জিতেছিল। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা জিতেছিল ৪০টিতে। পরে কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। এবার ভোটের লড়াই ত্রিমুখী। কংগ্রেস এবং বিজেপির পাশাপাশি রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি।

সম্প্রতি সুরাতসহ কয়েকটি শহরের পুরভোটে কংগ্রেসকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আম আদমি পার্টি। এবারের ভোটে কেজরিওয়াল ধারাবাহিকভাবে গুজরাটজুড়ে প্রচার করেছেন। তার দাবি, বিধানসভা ভোটেও বিজেপির মূল লড়াই হবে আম আদমি পার্টির সঙ্গে।

২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে গুজরাটে ৯৯টি আসনে জিতে টানা পঞ্চমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর সেটাই ছিল বিজেপির সবচেয়ে কম আসনপ্রাপ্তি। অন্যদিকে, ২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে ৭৭টি আসনে জিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই চমকে দিয়েছিল কংগ্রেস। নির্দল এবং অন্যরা পেয়েছিল ৬টি আসন। এবার ষষ্ঠবারের জন্য ক্ষমতায় ফেরার বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Monks arrested for dope test temple empty

ডোপ টেস্টে ধরা ভিক্ষুরা, মন্দির খালি

ডোপ টেস্টে ধরা ভিক্ষুরা, মন্দির খালি  প্রতীকী ছবি
বুনলার্ট থিন্তাপথাই নামে এক কর্মকর্তা জানান, উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফেচাবুনের বাং স্যাম ফান জেলার একটি ছোট বৌদ্ধ মন্দিরে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় প্রধান ভিক্ষুসহ চারজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই চারজনই মেথামফেটিন মাদক নিয়েছেন।

ডোপ টেস্ট উৎরাতে না পারায় বরখাস্ত হলেন একটি বৌদ্ধ মন্দিরের সব ভিক্ষু। আর এতে খালি হয়ে পড়েছে মন্দিরটি। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।

বুনলার্ট থিন্তাপথাই নামে এক কর্মকর্তা জানান, উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফেচাবুনের বাং স্যাম ফান জেলার একটি ছোট বৌদ্ধ মন্দিরে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় প্রধান ভিক্ষুসহ চারজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই চারজনই মেথামফেটিন মাদক নিয়েছেন। মেথামফেটিন একটি স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজক ওষুধ; অনেক সময় যা আনন্দদায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর চার ভিক্ষুকে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। থাইল্যান্ডজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, সোমবার ভিক্ষুদের প্রস্রাব পরীক্ষার পর তাদের বরখাস্ত করা হয়। তবে কী কারণে মন্দিরের ভিক্ষুদের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছিল, তা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

থিন্তাপথাই বলেন, ‘মন্দিরটি এখন ভিক্ষুশূন্য। আর এ কারণে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড না করতে পারার শঙ্কায় আছেন আশপাশের গ্রামের মানুষ।

‘স্থানীয় ভিক্ষু প্রধানের কাছে এ বিষয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। তিনি মন্দিরে কিছু ভিক্ষু দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন।’

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক অফিস জানায়, গত বছর থাইল্যান্ডে এ যাবতকালের সবচেয়ে বেশি মেথামফেটামিন মাদক জব্দ করা হয়।

মেথামফেটামিন পাচারের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট থাইল্যান্ড। মিয়ানমার হয়ে প্রচুর মেথামফেটামিন ঢোকে দেশটিতে।

থাইল্যান্ডের একটি চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে গত মাসে সাবেক এক পুলিশ সদস্যের গুলিতে ৩৭ জন নিহত হয়। মেথামফেটামিন রাখার দায়ে ওই পুলিশ অফিসার পরে বরখাস্ত হন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানের নির্দেশ দেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চ্যান-ওচা ।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Sword attack on police van carrying Aftab
শ্রদ্ধা হত্যা

আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা

আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা আফতাব পুনাওয়ালাকে বহনকারী পুলিশভ্যানে হামলা ঠেকাচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
দিল্লির রোহিনির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষে আফতাবকে জেলে নেয়ার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ জন হামলাকারী তরবারি হাতে এ হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন হামলাকারী আহত হয়েছেন। তবে নিরাপদে আছেন আফতাব। 

ভারতের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যা মামলার অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালাকে বহনকারী পুলিশভ্যানে তরবারি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে এ হামলা হয়।

সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায়, দিল্লির রোহিনির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষে আফতাবকে জেলে নেয়ার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ জন হামলাকারী তরবারি হাতে এ হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন হামলাকারী আহত হয়েছেন। তবে নিরাপদে আছেন আফতাব।

এদিকে শ্রদ্ধা ওয়াকারের মরদেহ টুকরো টুকরো করায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পুলিশ আফতাবের দেয়া তথ্যে আরও পাঁচটি ছুরি উদ্ধার হয়। তবে শ্রদ্ধার খুলি ও মরদেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি।

সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায় , শ্রদ্ধাকে হত্যার পর তার কানের দুল এক নারী চিকিৎসককে দিয়েছিলেন আফতাব। ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে শ্রদ্ধাকে হত্যার পর ডেটিং করেন আফতাব পুনাওয়ালা।

মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক আফতাব পুনাওয়ালা তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছরের শ্রদ্ধা ওয়াকারের সঙ্গে দিল্লির ছাতারপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। চলতি বছরের ১৮ মে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেদিন শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আফতাব।

পরে মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি। ৮ নভেম্বর শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মেয়ের খোঁজে মেহরাউলি পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Winter mood in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

পশ্চিমবঙ্গে জেঁকে বসছে শীত। গত শুক্রবার থেকে টানা তিনদিন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কলকাতায়। সোমবার ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে তা হয়েছে ১৭।

আবহাওয়া অফিস বলছে, সামনের কয়েকদিন কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার সামান্য ওঠানামা করলেও, শীতের আমেজ বজায় থাকবে। সোমবার কলকাতার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে অবশ্য উত্তরের শুষ্ক হাওয়ার দাপটে ভালোই ঠান্ডা পড়েছে। কোথাও কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বীরভূম শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস; পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস; মুর্শিদাবাদে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী ৪-৫ দিন রাজ্যে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বাধাহীনভাবে রাজ্যে প্রবেশ করছে শুষ্ক হওয়া। কমছে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। ফলে জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগে, আগামী কয়েক দিন এই আমেজ বজায় থাকবে।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Cut the husband into 10 pieces in the fridge with the child

সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে

সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে মায়ের সঙ্গে অঞ্জন দাসের মরদেহের খণ্ডিত অংশ নিয়ে যান দীপক। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশকে জানান, জুনে তারা অঞ্জনকে হত্যা করেন। পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অঞ্জনকে অজ্ঞান করে হত্যা করে তার মরদেহ ১০ টুকরা করা হয়। পরে সেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়।

শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের মতো আরেকটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে। এবার সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন এক নারী।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, আগের ঘরের সন্তানকে নিয়ে স্বামী অঞ্জন দাসকে ১০ টুকরা করেন পুনম নামের ওই নারী। তাকে দিল্লির পাণ্ডবনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তার সন্তানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দুজনই হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত নারী জানান, জুয়েলারি বিক্রি করে বিহারে থাকা প্রথম স্ত্রীকে টাকা পাঠানোয় স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ হন তিনি। এরপরই পুনম তার আগের ঘরের সন্তান দীপককে নিয়ে বর্তমান স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুনমের আগের স্বামী ২০১৭ সালে ক্যানসারে মারা যান। এরপর তিনি অঞ্জনকে বিয়ে করেন।

পুনমের ছেলে দীপক জানান, তার মাকে প্রতিনিয়ত অত্যাচার করায় তিনি হত্যায় অংশ নেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশকে জানায়, জুনে তারা অঞ্জনকে হত্যা করেন। পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অঞ্জনকে অজ্ঞান করে। তারপর তাকে খুন করে মরদেহ ১০ টুকরা করা হয়। পরে সেগুলো ফ্রিজে রেখে দেন তারা।

পুলিশ জানায়, এ পর্যন্ত দেহের ছয় টুকরা উদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

পুলিশ আরও জানায়, জুনেই পাণ্ডবনগর থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। পরে একটি হত্যা মামলা করে তারা। মরদেহের অংশগুলো পচে যাওয়ায় পুলিশ তদন্ত করতে হিমশিম খায়। শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনা সামনে এলে পুলিশ ধারণা করতে থাকে এই মরদেহ শ্রদ্ধার হতে পারে। পরে পুলিশ জানতে পারে যে মরদেহটি পুরুষের।

তদন্তের সময় দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয় সেখানকের সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, পুনম এবং দীপক ওই স্থানে কয়েকবার গিয়েছিলেন। এ সময় দীপকের হাতে একটি ব্যাগ ছিল।

পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, অঞ্জন দাস নামের এক ব্যক্তি ছয় মাস ধরে নিখোঁজ। তবে এ নিয়ে তার পরিবার পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি। এরপর পুলিশ পুনম ও দীপককে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। একপর্যায়ে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

এই ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের অনেক মিল রয়েছে। মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক আফতাব পুনাওয়ালা তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছরের শ্রদ্ধা ওয়াকারের সঙ্গে দিল্লির ছাতারপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। চলতি বছরের ১৮ মে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেদিন শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আফতাব।

পরে মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি। ৮ নভেম্বর শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মেয়ের খোঁজে মেহরাউলি পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Suicide to protest the imposition of Hindi

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে দক্ষিণ ভারতে আত্মহত্যা করেছেন এক বৃদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে মাতৃভাষা সবার জন্য খুব সংবেদনশীল একটি বিষয়। দেশটিতে শত শত ভাষা এবং উপভাষা রয়েছে। আর তাই ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তবে আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

ভারতের স্থানীয় ভাষার পরিবর্তে হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তামিলনাড়ু রাজ্যের এক কৃষক। স্থানীয় পুলিশের বরাতে রোববার এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

বৃদ্ধের নাম এম ভি থাংগাভেল। তার বয়স ৮৫ বছর।

আত্মহত্যার আগে কৃষক থাংগাভেলের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ছিল। সেখানে তামিল ভাষায় লেখা, ‘মোদি সরকার হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা বন্ধ করো। কেন আমরা আমাদের সমৃদ্ধ তামিল ভাষার পরিবর্তে হিন্দি ভাষা ব্যবহার করব? এতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

সেনথিল নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘কৃষক থাংগাভেল আত্মহত্যা করেছেন।’

ভারতে মাতৃভাষা খুব সংবেদনশীল বিষয়। প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে রয়েছে শত শত ভাষা-উপভাষা। এ কারণে ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যদিও আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

২০১১ সালের এক আদমশুমারি অনুযায়ী, ভারতের ৪৪ শতাংশ মানুষ হিন্দিতে কথা বলে। গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে একদল আইনপ্রণেতা হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার সুপারিশ করেন। এমনকি মেডিসিন ও প্রকৌশলের মতো কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমও হিন্দিতে করার আহ্বান জানান তারা।

সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির ব্যবহারকে ‘দাসত্বের মানসিকতা’ বলে সমালোচনা করে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর বদলে ভারতীয় ভাষার ব্যবহারে জোর দিয়ে থাকেন তিনি।

তবে বিরোধীদের অভিযোগ, মোদির সরকার হিন্দি চাপিয়ে দিয়ে ভারতকে বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলকে খেপিয়ে তুলছে। দক্ষিণের মানুষ প্রধানত দ্রাবিড় জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় কথা বলে। ইন্দো-ইউরোপীয় জাতিগোষ্ঠীর ভাষাগুলোর চেয়ে সে ভাষা একেবারে আলাদা।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Women look beautiful in nothing

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব বাবা রামদেব। ছবি: সংগৃহীত
রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

বিতর্কিত মন্তব্যে ফের আলোচনায় ভারতের যোগগুরু স্বামী রামদেব। এবার নারীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ৫৭ বছরের এই সেলিব্রেটি।

ভক্তদের কাছে এই যোগগুরু বাবা রামদেব নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রের থানেতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

রামদেবের এমন মন্তব্য ফুঁসে উঠেছে ভারতের নারীবাদীরা। নিন্দা জানিয়ে রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। রামদেবের ওই ভিডিও টুইট করেছেন তিনি।

এতে রামদেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ভাগ্য ভালো। আমাদের সামনে যারা অবস্থান করছেন তারা শাড়ি পরার সুযোগ পেয়েছেন। পেছনেররা হয়তো সুযোগ পায়নি; সম্ভবত ওনারা বাসা থেকে শাড়িগুলো প্যাক করে এনেছে, তবে বদল করার সময় পাননি।

'আপনাদের শাড়িতে দারুণ লাগে, সালোয়ারেও তাই। কিছুই না পরলেও ভালো লাগে।’

রামদেব নারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘সামাজিক নিয়মের জন্য পোশাক পরেন। শিশুরা কোনো কিছুই পরে না। আমরা ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কিছুই পরিনি।’

দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল ভিডিওটি পোস্ট করে টুইটে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর সামনে নারীদের নিয়ে স্বামী রামদেবের করা মন্তব্য অশালীন এবং নিন্দনীয়৷ এই বক্তব্যে নারীরা হতাশ হয়েছেন। বাবা রামদেবের ক্ষমা চাওয়া উচিত৷’

এ নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রামদেব বা তার প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।

রামদেবের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের ঘনিষ্ঠরাও এমন মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখছেন না। উদ্ধব-ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, এই বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর।

‘এই সরকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে না।’

মন্তব্য

p
উপরে