× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The banking sector is sleeping while the capital market is running
hear-news
player
print-icon

পুঁজিবাজার ছুটছেই, ঘুমিয়ে ব্যাংক খাত

পুঁজিবাজার-ছুটছেই-ঘুমিয়ে-ব্যাংক-খাত
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়ে চলছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের ‍উপস্থিতি। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সবচেয়ে কম পিই রেশিওর সাউথইস্ট ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ১৩ টাকা ৮০ পয়সাতেই লেনদেন হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা মার্কেন্টাইলের শেয়ারদর এখন ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। এর ফ্লোর প্রাইস ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। তৃতীয় স্থানে থাকা যমুনা ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ২১ টাকা ৩০ টাকা আর শেয়ারদর ২১ টাকা ৯০ পয়সা।

টানা বাড়তে থাকা পুঁজিবাজারে উত্থান পর্ব এক মাস ছাড়িয়ে গেল। এই কয়দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স বাড়ল মোট ৫২৮ পয়েন্ট। তবে পুঁজিবাজারে এই সুসময়েও ঘুমিয়ে ব্যাংক খাত, যদিও এই খাতের সার্বিক চিত্র আশা জাগানিয়া।

এই খাতে না বাড়লে শেয়ারদর, না আগ্রহ দেখা যাচ্ছে শেয়ার কেনায়।

বৃহস্পতিবার ৫১ পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে গত ১৩ কর্মদিবসের মধ্যে বাড়ল ১২ দিন। গত ২৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া উত্থান পর্বে ২২ কর্মদিবসের মধ্যে সব মিলিয়ে বাড়ল ১৭ দিন।

সূচকের অবস্থান এখন ৬ হাজার ৫০৮ পয়েন্ট, যা গত ১২ মের পর সর্বোচ্চ। সেদিন সূচকের অবস্থান ছিল ৬ হাজার ৫৬৫ পয়েন্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধ, শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব, ডলারে বিপরীতে টাকার দরপতনসহ নানা ইস্যুতে পুঁজিবাজার গত ২৮ জুলাই ছয় হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যাওয়ার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ফ্লোর প্রাইস দেয়ার পর দিন থেকে শুরু হয় উত্থান।

এই উত্থানের পেছনে প্রধাব ভূমিকায় ছিল ওষুধ ও রসায়ন, প্রকৌশল, সাধারণ ও জীবন বিমা, বস্ত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান, খাদ্য এবং বিবিধি খাতের কোম্পানিগুলো।

তবে শেয়ারদরের বিবেচনায় প্রতি বছর দারুণ লভ্যাংশ এবং কোম্পানিগুলোর মূল্য আয় অনুপাত আকর্ষণীয় অবস্থানে থাকলেও বিনিয়োগকারীরা এসব শেয়ারে ঝুঁকছেনই না।

বৃগস্পতিবার তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭টির, কমেছে ৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির। তবে যেসব কোম্পানির দর বেড়েছে তার মধ্যে ১২টিরই দর বেড়েছে কেবল ১০ পয়সা। অথচ এদিন একটি কোম্পানির দর ১০ শতাংশ, ৪টির ৯ শতাংশ, ৭টির ৮ শতাংশ, ৫টির ৬ ও ৫ শতাংশ করে, ৮টির ৪ শতাংশ, ৯টির দর বেড়েছে ৩ শতাংশ।

পুঁজিবাজার ছুটছেই, ঘুমিয়ে ব্যাংক খাত
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের চিত্র

এদিন সব মিলিয়ে বেড়েছে ১৭২টির দর, কমেছে ১৩১টির আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ৭৮টি।

সূচক বাড়লেও লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা কমেছে। দিন শেষে হাতবদল হওয়া শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় এক হাজার ৮৮৯ কোটি ৫২ লাখ ৪ হাজার টাকা, যা আগের দিন ছাড়িয়েছিল দুই হাজার কোটি টাকার ঘর।

এ নিয়ে টানা পাঁচ দিন লেনদেন হলো পৌনে দুই হাজার কোটির বেশি।

খাতভিত্তিক লেনদেনের দিক দিয়ে এদিন সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। টানা শীর্ষে থাকা বস্ত্র থাকে লেনদেন এক দিনই কমেছে এ শ কোটি টাকার বেশি। তারপরও আড়াই শ কোটি টাকার বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

দুই শ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে বিবিধ এবং প্রকৌশল খাতেও।

ছোট খাত হলেও শত কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে সেবা ও আবাসনে। এক শ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে। শত কোটি ছুঁই ছুঁই লেনদেন হয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিকে। ব্যাংক খাতে হাতবদল হয়েছে ৭০ কোটি টাকারও কম।

পুঁজিবাজারে চাঙাভাবের মধ্যেও ব্যাংক খাতে অনাগ্রহের বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ‘সার্বিকভাবে বাজার ভালো। এর কারণ বিভিন্ন দিক থেকে বিনিয়োগ হচ্ছে, বাজার ভালো রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে সব পক্ষ থেকেই।

‘যেসব সেক্টরে বেশি গেইন হচ্ছে সেসব সেক্টরেই বিনিয়োগ বেশি হচ্ছে। ব্যাংকের দিকে আগ্রহ কম। কারণ, ব্যাংক নিয়ে মানুষের ধারণা নেতিবাচক। তবে ট্রানজেকশন দুই হাজার পার হতে থাকলে সব খাতেই আগ্রহ বাড়বে।’

সব দিক দিয়ে আকর্ষণীয়, তবে নেই আগ্রহ

ঢাকা ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত আছে মোট ৩৩টি ব্যাংক। এর মধ্যে গত বছর দুটি ছাড়া বাকি সবগুলো লভ্যাংশ দিয়েছে। চলতি বছর অর্ধবার্ষিকের প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী ৩২টি কোম্পানিই মুনাফায় আছে।

গত কয়েক বছর ধরেই মুনাফা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে ব্যাংক খাতে। এর মধ্যে চলতি বছর অর্ধবার্ষিকে ১৮টি ব্যাংক মুনাফা আরও বাড়াতে পেরেছে। দুটি ব্যাংকের মুনাফা একই আছে। আর কমেছে বাকি ১৩টির।

মূল্য আয়ের অনুপাত বা পিই রেশিও বিবেচনায় নিলে বোঝা যায় ব্যাংকের শেয়ারদর অন্যগুলোর তুলনায় কতটা কম। পুঁজিবাজারে কোনো কোম্পানির শেয়ারদরকে তার আয় দিয়ে ভাগ করলে এই অনুপাত পাওয়া যায়। অর্থাৎ যে হারে আয় করছে, সেটি বজায় থাকলে বর্তমান শেয়ারদর উঠে আসতে কত সময় লাগবে।

পুঁজিবাজারে পি ই রেশিও সাধারণত ১০ থেকে ১৫ কে আকর্ষণীয় বিবেচনা করা হয়। তবে ব্যাংক খাতে তা অনেকটাই কম। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে কম সাউথইস্ট ব্যাংকের ২.৭। এছাড়া মার্কেন্টাইল ব্যাংকে এই অনুপাত ৩.২৯, যমুনা ব্যাংকে ৩.৬, শাহজালাল ব্যাংকে ৪.০৪, প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৪.৪২ এবং এক্সিম ব্যাংকে ৪.৭৪।

৬ এর নিচে অনুপাত আছে যেগুলোর, সেগুলো হলো: ব্যাংক এশিয়ায় ৫.০৫, এনসিসি ব্যাংকে ৫.৩, উত্তরা ব্যাংকে ৫.৩৫, ঢাকা ব্যাংকে ৫.৩৮, সিটি ব্যাংকে ৫.৫৬, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ৫.৫৭, ওয়ান ব্যাংকে ৫.৭১ এবং পূবালী ব্যাংকে ৫.৯৫।

৭ এর নিচে আছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ও ইউনিয়ন ব্যাংকের ৬.০৩ করে এবং প্রাইম ব্যাংকের ৬.১৯।

পিই রেশিও ১০ এর নিচে যেসব ব্যাংকে, তার মধ্যে ইউসিবির আছে ৭.১৮ ইস্টার্ন ব্যাংকেক ৭.৩১, ট্রাস্ট ব্যাংকে ৭.৮৬, ইসলামী ব্যাংকে ৭.৮৮ এবং ডাচ্-বাংলায় ৯.০৮।

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে পিই রেশিও ১০.১৭, এনআরবিসিতে ১১.৪৭, এবি ব্যাংকে ১২.৫, আইএফআইসি ব্যাংকে ১২.৭৯, এসআইবিএলে ১২.৯৬ এবং ব্র্যাক ব্যাংক ১৩.১৩।

১৫ এর বেশি পিই রেশিও কেবল চারটি ব্যাংকের। এর মধ্যে সাউথবাংলা ব্যাংকের ১৭.০৩, স্ট্যান্ডার্ড ২৯.৩৩, রূপালী ব্যাংকের ৪৬.৭২। আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের পিই রেশিও ১৩৫ থাকাটাও উৎসাহ ব্যাঞ্জক এই কারণে যে, এই ব্যাংকটি প্রথমবারের মতো দুটি প্রান্তিক মিলিয়ে লোকসান থেকে বেরিয়ে এসেছে।

অন্যদিকে অর্ধবার্ষিকে শেয়ার প্রতি ৫৪ পয়সা লোকসান দেয়া এনবিএলের কোনো পিই রেশিও নেই।

তবে শেয়ারদরে ব্যাংকের আয়, লভ্যাংশ, পিই রেশিও তার কোনো কিছুরই প্রভাব নেই। বেশিরভাগ ব্যাংকের শেয়ারদর তার বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন মূল্য বা ফ্লোর প্রাইসের আসেপাশে আছে।

সবচেয়ে কম পিই রেশিওর সাউথইস্ট ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ১৩ টাকা ৮০ পয়সাতেই লেনদেন হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে।

পিই রেশিওর দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা মার্কেন্টাইলের শেয়ারদর এখন ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। এর ফ্লোর প্রাইস ১৩ টাকা ৬০ পয়সা।

পিই রেশিওর দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকা যমুনা ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস ২১ টাকা ৩০ টাকা আর শেয়ারদর ২১ টাকা ৯০ পয়সা।

কেবল চলতি বছরের হিসাব নয়, গত কয়েক বছরে ব্যাংকগুলোর শেয়ারদরের বিবেচনায় লভ্যাংশ এত ভালো ছিল যে, ব্যাংকে টাকা রাখার চেয়ে শেয়ার কিনে রেখেই বেশি লাভবান হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

এত কিছুর পরও উত্থানের এক মাসে সর্বাধিক লেনদেন হওয়া ২০টি কোম্পানির মধ্যে ব্যাংক খাতের কোনো কোম্পানিকে দেখা যায়নি বললেই চলে।

সূচক বাড়াল যারা

সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেড। শেয়ারটির দর ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর বেড়েছে।

গ্রামীণফোনের দর শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ৪ দশমিক ৯ পয়েন্ট।

বেক্সিমকো ফার্মা সূচকে যোগ করেছে ৩ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এ ছাড়া ইউনাইটেড পাওয়ার, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, কোহিনূর কেমিক্যাল, জেএমআই হসপিটাল, বিকন ফার্মা, ইস্টার্ন হাউজিং ও আরএকে সিরামিকস সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ২৭ দশমিক ০৫ পয়েন্ট।

বিপরীতে কোনো কোম্পানি এককভাবে এক পয়েন্ট সূচক কমাতে পারেনি।

সবচেয়ে বেশি শূন্য দশমিক ৯৩ পয়েন্ট সূচক কমেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের দর পতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৪৯ পয়েন্ট কমেছে বেক্সিমকো সুকুকের কারণে। বন্ডটির ইউনিট প্রতি দাম কমেছে ১ দশমিক ১৩ শতাংশ।

ডেল্টা লাইফের দর ১ দশমিক ০৭ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৩৭ পয়েন্ট।

এ ছাড়া নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ন্যাশনাল টি, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, আমান ফিড, ওরিয়ন ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক ও রিং শাইনের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ৩ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

সবচেয়ে বেশি ১০ শতাংশ দর বেড়েছে জেএমআই হসপিটালের। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৮৪ টাকা ৭০ পয়সায়। আগের দিনে লেনদেন হয়েছিল ৭৭ টাকায়।

ইস্টার্ন হাউজিং ছিল তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। ২৮ জুলাই থেকে দর বাড়ছেই শেয়ারটির। ওই দিন ৫২ টাকায় লেনদেন হওয়া প্রতিটি শেয়ারের দর আজ ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে লেনদেন হয়েছে ১০১ টাকা ৪০ পয়সায়।

৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ দর বেড়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইল। সর্বশেষ শেয়ারটি লেনদেন হয়েছে ৬৬ টাকা ২০ পয়সায়।

আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৬০ টাকা ২০ পয়সা।

এ ছাড়া দর বৃদ্ধির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে- মেট্রো স্পিনিং, আএসআরএম স্টিল, মনোস্পুল, জেমিনি সি ফুড, সোনালী আঁশ, পেপার প্রসেসিং এবং কোহিনূর কেমিক্যালস।

দর পতনের শীর্ষ ১০

দরপতনের শীর্ষে রয়েছে বিচ হ্যাচারি লিমিটেড। শেয়ারটির দর ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমে সর্বশেষ ৪১ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়।

নাহি অ্যালুমিনিয়াম দর পতনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ব্যবসা সম্প্রসারণে ২৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে নতুন ৫টি পণ্য উৎপাদনের ঘোষণা দেয় কোম্পানি। ইতিবাচক খবরের পরেও শেয়ারটির দর ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে লেনদেন হয়েছে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায়।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে নূরানী ডায়িং। ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ৭ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে ছিল ন্যাশনাল টি, আমান ফিড, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ডেল্টা স্পিনার্স, কুইন সাউথ টেক্সটাইল ও ফার কেমিক্যালস।

আরও পড়ুন:
আয় বেড়ে আড়াই গুণ, লভ্যাংশ তলানিতে
পাঁচ বছর ধরেই একই হারে লভ্যাংশ এসআইবিএলের
ইপিএস কমলেও নগদ লভ্যাংশ বাড়াল এক্সিম ব্যাংক
ছয় বছরের সর্বনিম্ন আয়, লভ্যাংশ কমায়নি আল আরাফাহ
প্রাইম ব্যাংকেরও দারুণ প্রথম প্রান্তিক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
BMBA BICM agreement on capital markets

পুঁজিবাজারের নিয়ে বিএমবিএ-বিআইসিএমের সমঝোতা

পুঁজিবাজারের নিয়ে বিএমবিএ-বিআইসিএমের সমঝোতা
পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএমবিএর সঙ্গে কাজ করার নানা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সচেতন করার ওপর জোর দেন।

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট, বিআইসিএম।

এই বিকাশের লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সমসাময়িক এবং পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নের জন্য গবেষণা পরিচালনাসহ আরও নানা বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

বুধবার বিএমবিএ সচিবালয়ে এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্বারক সই হয়।

বিএমবিএর পক্ষে সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও বিআইসিএমের পক্ষে নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মাহমুদা আক্তার চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের (সিএমজেএফ) সভাপতি জিয়াউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু আলী, বিএমবিএর কার্যনিবাহী সদস্যবৃন্দ ও বিআইসিএমের অফিসিয়ালরা উপস্থিত ছিলেন।

পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএমবিএর সঙ্গে কাজ করার নানা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সচেতন করার ওপর জোর দেন।

বিএমবিএ সভাপতি বলেন, ‘বিএমবিএ ও বিআইসিএমের যৌথ প্রয়াসে পুঁজিবাজার উন্নয়নের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে।’

পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন সিএমজিএফ সভাপতি জিয়াউরে রহমান।

আরও পড়ুন:
২৩৮ কোটিতে সিএসইর অংশীদার হচ্ছে বসুন্ধরা
নূরানীর জালিয়াতি: বিনিয়োগকারীর বিপুল লোকসানের দায় কার
বেক্সিমকোর উত্থান, ওরিয়নের পতন
লভ্যাংশ ঘোষণা করে কিন্তু দেয় না ওয়েস্টার্ন মেরিন
সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Another sukuk bond is coming to the capital market

পুঁজিবাজারে আসছে আরেক সুকুক বন্ড

পুঁজিবাজারে আসছে আরেক সুকুক বন্ড
পুঁজিবাজারে প্রথম সুকুক বন্ড ছেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা তুলেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। এই বন্ডটি শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য। তবে বঙ্গ বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল যে ৩০০ কোটি টাকা তুলতে যাচ্ছে, সেটিকে শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না।

পুঁজিবাজারে আরও একটি সুকুক বন্ড তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএফএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বঙ্গ বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালকে এই বন্ড ছেড়ে ৩০০ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সুকুকটি হবে সিকিউরড অর্থাৎ এটি ছাড়তে জামানত জমা দেয়া হবে। এটি হবে নন-কনভার্টাইবেল অর্থাৎ শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না। মেয়াদ শেষে পুরো টাকা ফেরত দেয়া হবে।

এর মুনাফার হার হবে ৮ থেকে ১১ শতাংশের মধ্যে। এর মেয়াদ হবে ছয় বছর। এর গ্রেস পিরিয়ডও থাকবে, তবে সেটি কতদিনের তা বলা হয়নি।

পুঁজিবাজারে প্রথম সুকুক বন্ড ছেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা তুলেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। এই বন্ডটি শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য। বন্ডের ন্যূনতম মুনাফা হবে ৯ শতাংশ। আর মূল প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো লিমিটেডের লভ্যাংশ ১০ শতাংশের যত বেশি হবে, সেই বেশি অংশের ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফায় যুক্ত হবে।

বন্ড বিনিয়োগের ২০ শতাংশ প্রতি বছর তুলে নেয়া যাবে। বিনিয়োগকারী এ ক্ষেত্রে নগদেও টাকা নিতে পারবেন, আবার বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারও কিনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী শেয়ার পাবেন ২৫ শতাংশ কম দামে।

১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি বন্ডের বিপরীতে এরই মধ্যে ষান্মাষিক হিসেবে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ মুনাফা দিয়েছে। তবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এটি অভিহিত মূল্যের নিচে নেমে গেছে। বর্তমানে ১০০ টাকার বন্ডের বাজারদর ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা।

বঙ্গ বিল্ডিং যে সুকুক ছাড়তে যাচ্ছে, সেটি অবশ্য মূল বাজারে নয়, লেনদেন হবে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড বা এটিবিতে। এই বোর্ড শিগগির চালু হতে যাচ্ছে।

বেক্সিমকোর সুকুক সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও কিনতে পেরেছেন। তবে দ্বিতীয় বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেবল ব্যাংকের কাছে বিক্রি করা যাবে।

এর প্রতি ইউনিটের দাম হবে ৫ হাজার টাকা। প্রতি লটে থাকবে ২০টি। লটের দাম হবে ১ লাখ টাকা।

৩০০ কোটি টাকার একাংশ দিয়ে কোম্পানির মেশিনারিজ মেরামত করা হবে। বাকি অর্থে কেনা হবে নতুন মেশিনারিজ।

বন্ডটির ট্রাস্টি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। লিড অ্যারেঞ্জার সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্স লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
সুকুক বন্ড নিলামে ২৩ হাজার কোটি টাকার বিড
এক হাজার কোটি টাকার সুকুক আনছে আইসিবি
সুকুকের ৩ হাজার কোটি টাকা পেল বেক্সিমকো
সুকুক বন্ড জনপ্রিয় করতে দুবাইয়ে বিএসইসি
সুকুক থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা তুলল সরকার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank will raise Tk 500 crore from bonds

বন্ড ছেড়ে ৫০০ কোটি টাকা তুলবে এনআরবিসি ব্যাংক

বন্ড ছেড়ে ৫০০ কোটি টাকা তুলবে এনআরবিসি ব্যাংক
বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। কিনতে পারবে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, সংগঠন, ট্রাস্ট ও স্বায়ত্ত্বশাসিত করপোরেশনগুলো এবং বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনআরবিসি ব্যাংককে বন্ড ছেড়ে ৫০০ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বিএসইসি।

বন্ডটি হবে আনসিকিউরড বন্ড অর্থাৎ বন্ডটি ছাড়তে তারা কোনো জামানত জমা দেয়া হবে না। এটি নন কনভার্টাইবেল অর্থাৎ শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না। মেয়াদ শেষে বন্ডের পুরো টাকা ফেরত দেয়া হবে।

এর সুদের হার হবে ৭ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে। এর প্রতি ইউনিটের দাম হবে এক কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে মূলধন শক্তিশালী করবে এনআরবিসি ব্যাংক।

বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। কিনতে পারবে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, সংগঠন, ট্রাস্ট ও স্বায়ত্ত্বশাসিত করপোরেশনগুলো এবং বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা।

বন্ডটির ট্রাস্টি সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। লিড অ্যারেঞ্জার ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনআরবিসি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৭৯২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট শেয়ার ৭৯ কোটি ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬০টি। এর মধ্যে ৭৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটির শেয়ারদর বর্তমানে ১৭ টাকা ৬০ পয়সা। এর বাজার মূলধন ১ হাজার ৩৯৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪০৬ কোটি ১ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার ছুটছেই, ঘুমিয়ে ব্যাংক খাত
ব্যাংকের নগদ লভ্যাংশই পৌনে ৩ হাজার কোটি টাকা
চতুর্থ প্রান্তিকে বিপর্যয়, ওয়ান ব্যাংকের লভ্যাংশ তলানিতে
চতুর্থ প্রান্তিকে ‘বিপর্যয়’, তিন বছর পর বাড়ল লভ্যাংশ
পুঁজিবাজারে এসেই কমল আয়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bashundhara is CSEs partner for 238 crores

২৩৮ কোটিতে সিএসইর অংশীদার হচ্ছে বসুন্ধরা

২৩৮ কোটিতে সিএসইর অংশীদার হচ্ছে বসুন্ধরা বসুন্ধরা গ্রুপের সদর দপ্তর। ছবি: ওয়েবসাইট থেকে নেয়া
১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সিএসই পরিশোধিত মূলধন ৬৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং শেয়ারের সংখ্যা ৬৩ কোটি ৪৫ লাখ। এই হিসাবে প্রায় ১৬ কোটি শেয়ার বিক্রি করতে হবে তাদের। প্রতিটি শেয়ারের দাম হবে ১৫ টাকা। সেই হিসাবে তারা প্রায় ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাবে।

চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মালিকানার একটি অংশ কিনে নিচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ বসুন্ধরা। গ্রুপের সহযোগী কোম্পানি এবিজি লিমিটেডকে এই অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) কৌশলগত বিনিয়োগকারী হলো বসুন্ধরা গ্রুপ।

কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে সিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনে নেবে গ্রুপটি। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ারের দাম হবে ১৫ টাকা। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম।

সেই হিসাবে তারা প্রায় ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাবে।

ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে হবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে আর ৩৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে হবে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে।

১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সিএসই পরিশোধিত মূলধন ৬৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং শেয়ারের সংখ্যা ৬৩ কোটি ৪৫ লাখ। এই হিসাবে প্রায় ১৬ কোটি শেয়ার বিক্রি করতে হবে তাদের।

২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সিএসই তার শেয়ারহোল্ডারদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সিএসইর নিট মুনাফা ছিল ২৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন মেনে তাদের ২৫ শতাংশ শেয়ার দুই কৌশলগত বিনিয়োগকারী চীনের শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেখানে ২১ টাকা দরে প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করে ডিএসই পায় প্রায় ৯৬২ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে
সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The rise of Beximco is the fall of Orion

বেক্সিমকোর উত্থান, ওরিয়নের পতন

বেক্সিমকোর উত্থান, ওরিয়নের পতন
ওরিয়ন গ্রুপের চার কোম্পানির মধ্যে ওরিয়ন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন ও কোহিনূর কেমিক্যালস দর হারিয়েছে। সামান্য বেড়েছে বিকন ফার্মার দর। অন্যদিকে বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাও শাইনপুকুর সিরামিকদের দর বেড়েছে, আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরেই। আর কিছুটা কমেছে সুকুক বন্ডের দর।

তিন কর্মদিবস পর সূচক সামান্য বাড়লেও দরপতনের ধারা থেকে বের হতে পারেনি পুঁজিবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের সামান্য বৃদ্ধির পেছনে এদিন ভূমিকা রেখেছে বেক্সিমকো লিমিটেড। অন্যদিকে দরপতন হয়েছে সম্প্রতি আলোচিত হয়ে উঠা ওরিয়ন গ্রুপের তিনটি কোম্পানির।

গত ৩১ জুলাই থেকে পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানের পেছনে প্রধান ভূমিকায় থাকা অল্প কিছু কোম্পানির মধ্যে তুমুল আলোচিত ওরিয়ন গ্রুপের চারটি আর বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি কোম্পানি।

তবে চলতি সপ্তাহ থেকে এই কোম্পানিগুলো অনেকটাই নিম্নমুখি। তাদের দর বৃদ্ধি ও লেনদেনের গতি কমার প্রভাব দেখা যাচ্ছে গোটা পুঁজিবাজারেই।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বুধবার ওরিয়ন গ্রুপের চার কোম্পানির মধ্যে ওরিয়ন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন ও কোহিনূর কেমিক্যালস দর হারিয়েছে। দর সামান্য বেড়েছে বিকন ফার্মার।

অন্যদিকে বেক্সিমকো গ্রুপের চার কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা ও শাইনপুকুর সিরামিকদের। আরেক কোম্পানি আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরে। আর বেক্সিমকো সুকুক বন্ডের দর কিছুটা কমেছে।

আগের তিন কর্মদিবসে যথাক্রমে ৪৮, ৪ ও ২১ পয়েন্ট সূচক পতনের পর এদিন বেড়েছে ৭ পয়েন্ট। তবে এই বৃদ্ধি পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক যে ভারসাম্যহীনতা ও হতাশা দেখা দিয়েছে, তা দূর করতে পারছে না।

যে পরিমাণ কোম্পানির দর বেড়েছে, কমেছে তার দেড় গুণেরও বেশি। নতুন কোম্পানি যুক্ত হয়েছে ফ্লোর প্রাইসের তালিকায়।

৭১ কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১১৪টির দর। ১৮৬টি কোম্পানি লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরে, যার সিংহভাগই ফ্লোর প্রাইসে।

পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি যে স্বাভাবিক নয়, সেটি লেনদেনেই স্পষ্ট। আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম হওয়া লেনদেনের ২০ শতাংশই হয়েছে শীর্ষ দুই কোম্পানি বেক্সিমকো ও ওরিয়ন ফার্মায়। আর শীর্ষ ১০ কোম্পানিতেই হয়েছে মোট লেনদেনের ৪৮ শতাংশের বেশি।

দিনভর সূচকের উত্থান-পতনের চিত্র দেখা গেছে। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে সূচকের অবস্থান সর্বোচ্চ হয়। আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন হতে দেখা যায়। বেলা ১২টার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সূচক প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। এরপর দরপতনে সূচক কমতে থাকে।

দুপুর ১টা ৩২ মিনিটে আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট সূচক কমে লেনদেন হয়। তবে শেষ মুহূর্তে কিছুটা বেড়ে শেষ হয় লেনদেন। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ৪৯৬ পয়েন্টে।

বেক্সিমকোর উত্থান, ওরিয়নের পতন
বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ৯৬ কোটি টাকা কমে হয়েছে এক হাজার ৪৮৪ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মঙ্গলবার এক হাজার ৪৯৪ কোটি ৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।

ওরিয়নের চার কোম্পানির কী চিত্র

চার কোম্পানির মধ্যে শতকরা হিসাবে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। আগের দিনের দর ছিল ১৪১ টাকা ২০ পয়সা, সেখান থেকে কমে হয়েছে ১৩৫ টাকা ৩০ পয়সা। কমেছে ৫ টাকা ৯০ পয়সা বা ৪.১৭ শতাংশ।

এই কোম্পানিটির কারণে সূচকের পতন হয় ২.৮ পয়েন্ট।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২.৮০ শতাংশ দর হারিয়েছে কোহিনূর কেমিক্যালস। আগের দিন দর ছিল ৫৮৭ টাকা ৭০ পয়সা। ১৬ টাকা ৫০ পয়সা কমে হয়েছে ৫৭১ টাকা ২০ পয়সা।

এই কোম্পানিটির কারণে সূচকের পতন হয় ০.৮৫ পয়েন্ট।

গত তিন মাসে ৫০০ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি পাওয়া ওরিয়ন ইনফিউশনের দর কমেছে ১.০১ শতাংশ বা ৫ টাকা ৮০ পয়সা। আগের দিনের দর ছিল ৫৭০ টাকা ৪০ পয়সা। দিন শেষে দাঁড়িয়েছে ৫৬৪ টাকা ৬০ পয়সা।

আগের ছয় কর্মদিবসের মধ্যে পাঁচ দিন পতন হওয়া গ্রুপের আরেক কোম্পানি বিকন ফার্মার শেয়ারদর বেড়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা বা ০.৬৯ শতাংশ। আগের দিন দর ছিল ৩১৪ টাকা ৭০ পয়সা, এখন দাঁড়িয়েছে ৩১৭ টাকা ১০ পয়সা।

কোম্পানিটি সূচকে যোগ করেছে ০.৯৮ পয়েন্ট।

বেক্সিমকো গ্রুপের কী চিত্র

আগের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে চার দিন দর পতন হওয়া গ্রুপের প্রধান কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের দর এদিন বেড়েছে বেড়েছে ৩.৮৪ শতাংশ বা ৫ টাকা। আগের দিন দর দাঁড়িয়েছিল ১৩০ টাকা ১০ পয়সা। বর্তমান দর ১৩৫ টাকা ১০ পয়সা।

এই কোম্পানিটি এককভাবেই সূচক বাড়িয়েছে ৮.৮৮ পয়েন্ট।

বেক্সিমকো ফার্মার দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। শেয়ারটির ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়িয়েছে ১৭১ টাকা ১০ পয়সায় যা আগের দিন ছিল ১৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এই গ্রুপের আরেক কোম্পানি শাইনপুকুর সিরামিক ছিল দিনের সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। আগের দিন দর ছিল ৫২ টাকা ৩০ পয়সা, বেড়ে হয়েছে ৫৭ টাকা ২০ পয়সা, বেড়েছে ৪ টাকা ৪০ পয়সা বা ৯.৩৬ শতাংশ।

এই কোম্পানিটি সূচকে যোগ করেছে ১.৪৬ পয়েন্ট।

গ্রুপের অপর কোম্পানি আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার হাতবদল হয়েছে আগের দিনের দর ১২ টাকা ৬০ পয়সায়।

বেক্সিমকো লিমিটেডের ছাড়া বেক্সিমকো সুকুক বন্ড কিছুটা দর হারিয়েছে। আগের দিনের দর ছিল ৮৮ টাকা, ৫০ পয়সা হারিয়ে এখন দর দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা।

লেনদেনের সাম্প্রতিক প্রবণতা নিয়ে শার্প সিকিউরিটিজের পরিচালক সৈয়দ গোলাম ওয়াদুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মার্কেট কনসোলিডেট করছে বা বলা যায় একই ইনডেক্সের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। এটি মার্কেটের একটি বৈশিষ্ট্য। যখন বিনিয়োগকারীরা বুঝতে চান যে, বাজারে কী ঘটছে, তখন তারা পর্যবেক্ষণে চলে যান, বিষয়টা সে রকমই।’

বিপুল সংখ্যক কোম্পানির ফ্লোর প্রাইসে লেনদেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা প্রফিট ওরিয়েন্টেড শেয়ারে বিনিয়োগ করছেন, ওই সব শেয়ারের যাচ্ছেন না। এগুলোর প্রতি যখন আগ্রহ কমে যাবে তখন ফ্লোরে থাকা শেয়ারে যাবে। তখন দেখা যাবে সেগুলোর দর বাড়বে।’

সূচক বাড়াল যারা

সবচেয়ে বেশি ৮ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেড। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

আইপিডিসির দর ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট।

ইউনাইটেড পাওয়ার সূচকে যোগ করেছে ২ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এর বাইরে লাফার্জা হোলসিম বাংলাদেশ, শাইনপুকুর সিরামিকস, বিকন ফার্মা, ইস্টার্ন ক্যাবলস, ইস্টার্ন হাউজিং, আরএকে সিরামিকস ও আইসিবি সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ২৩ দশমিক ২৩ পয়েন্ট।

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৮ পয়েন্ট সূচক কমেছে ওরিয়ন ফার্মার দরপতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কারণে। শেয়ার প্রতি দাম কমেছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ।

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের দর ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে ১ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট।

এ ছাড়া সোনালী পেপার, সাইফ পাওয়ার, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, বার্জার পেইন্টস, কোহিনূর কেমিক্যাল, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও সি পার্লের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ১২ দশমিক ১১ পয়েন্ট।

শীর্ষ ৫ খাত যেমন

বিবিধ খাতে ৭টি বা ৫০ শতাংশ ও সিরামিকস খাতে ৩টি বা ৬০ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে। আর কোনো খাতে দরবৃদ্ধি দেখা যায়নি।

বিপরীতে বেশি দরপতন দেখা গেছে প্রকৌশল ও ফার্মা খাতে। জ্বালানি, প্রযুক্তি, বস্ত্র, খাদ্য খাতে উল্লেখযোগ্য হারে দরপতন হয়েছে।

লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বিবিধ খাত। ২৮৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ২০.৫৩ শতাংশ লেনদেনের বিপরীতে খাতটির ৩টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে। ৪টির লেনদেন হয়েছে আগের দরে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয়েছে ২৩০ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ১৬.৫১ শতাংশ। এদিন ৬টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৫টির দরপতন ও ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। ১৪০ কোটি টাকা লেনদেনের বিপরীতে ১১টি করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি, ১৮টির দরপতন ও ১৩টির লেনদেন হয়েছে আগের দরে।

আর কোনো খাতের লেনদেন শত কোটির ঘরে পৌঁছায়নি।

এর পরে কাগজ ও মুদ্রণ খাতে লেনদেন হয়েছে ৯৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ৪টির দরপতনের বিপরীতে একটি করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি ও অপরিবর্তিত ছিল।

পঞ্চম অবস্থানে থাকা জ্বালানি খাতে ৯২ কোটি ৩০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। খাতের ৭টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১১টির দর ও অপরিবর্তিত ছিল ৫টির।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছে ইস্টার্ন ক্যাবলস। ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২০১ টাকায়। আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ১৮২ টাকা ৫০ পয়সা।

৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ দর বেড়ে শাইনপুকুর সিরামিকসের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৭ টাকা ২০ পয়সায়, আগের দিনের সর্বশেষ দর ছিল ৫২ টাকা ৩০ পয়সা।

৯ দশমিক ০৯ শতাংশ দর বেড়ে ৬৯ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা আইপিডিসির শেয়ার। আগের দিন দর ছিল ৬৩ টাকা ৮০ পয়সা।
এ ছাড়াও দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ দশে ছিল জুট স্পিনার্স, বেঙ্গল উইন্ডসোর, ফু-ওয়াং সিরামিকস, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, ইস্টার্ন হাউজিং, লাভেলো আইসক্রিম ও অ্যাটলাস বাংলাদেশ।

দর পতনের শীর্ষ ১০

পতনের তালিকার শীর্ষে ছিল দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩৯ টাকায় লেনদেন হয়।

পতনের তালিকায় পরের স্থানে রয়েছে পেপার প্রোসেসিং। ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ দর কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৩৬ টাকা ৮০ পয়সায়।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে পেনিনসুলা চিটাগং। ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ৩৮ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো ছিল- ইন্দোবাংলা ফার্মা, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড, কেয়া কসমেটিকস, ওরিয়ন ফার্মা, মনোস্পুল, ফাইন ফুডস ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট।

আরও পড়ুন:
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল
এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ
শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
PTL withdraws investment from Meghna Bank

মেঘনা ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে পিটিএল

মেঘনা ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে পিটিএল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের কারখানা। ছবি: কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে নেয়া
২০২০-২০২১ সালের জুন মাসে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে তাদের মেঘনা ব্যাংকের বিনিয়োগকে দুই কোটি টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেই হিসেবে তাদের মুনাফা হবে এক কোটি টাকা।

মেঘনা ব্যাংকে বিনিয়োগের পুরোটা তুলে নিচ্ছে পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। তাদের হাতে থাকা ব্যাংকটির ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৪০০ শেয়ার ১৩ টাকা দরে কিনে নেবেন একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি।

এই শেয়ার বিক্রি করে তিন কোটি টাকা আয় করবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। এর পুরোটা কিনে নিচ্ছেন ইমরান জামান চৌধুরী নামে একজন ব্যক্তি।

২০২০-২০২১ সালের জুন মাসে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে তাদের মেঘনা ব্যাংকের বিনিয়োগকে দুই কোটি টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেই হিসেবে তাদের মুনাফা হবে এক কোটি টাকা।

মেঘনা ব্যাংক হচ্ছে বাংলাদেশের চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক। ২০১৩ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে। এটি এখনও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি।

মেঘনা ব্যাংক যাত্রা শুরুর বছরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল।

প্যারামাউন্টের বর্তমান বাজার মূলধন ১ হাজার ২৫৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৬২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা; রিজার্ভের পরিমাণ ১৯৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির ১৬ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫৩২টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার, বিদেশিদের হাতে রয়েছে ৪ দশমিক ২০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার।

বর্তমানে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৭৭ টাকায়।

আরও পড়ুন:
ঈদ শেষে বস্ত্র খাতে ঝোঁক
বস্ত্র খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় মিসর
বস্ত্র খাতকে রক্ষায় সম্মাননা পেল সাত সংগঠন
তাল্লুর তথ্য গোপন: ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি
উৎপাদনের তথ্য ১৫ মাস গোপন তাল্লুর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Nooranis Fraud Who is responsible for huge investor losses?

নূরানীর জালিয়াতি: বিনিয়োগকারীর বিপুল লোকসানের দায় কার

নূরানীর জালিয়াতি: বিনিয়োগকারীর বিপুল লোকসানের দায় কার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নূরানী ডায়িংয়ের কারখানা। তালিকাভুক্তির পর উদ্যোক্তা পরিচালকরা কার্যত সব শেয়ার বিক্রি করে আত্মগোপনে গেছেন। ছবি: ফেসবুক থেকে নেয়া
সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে একটি কোম্পানিকে টাকা তোলার অনুমতি দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের যে ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে, তার দায় বিএসইসি নেবে কি না- এমন প্রশ্নে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম কোনো জবাব দিতে রাজি হননি। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আপনি আমার বক্তব্য নো কমেন্টস লিখে দেন।’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়ার পাঁচ বছর পর জানা গেল বস্ত্র খাতের কোম্পানি নূরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেড যে তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে টাকা তুলেছিল, তাতে সত্য গোপন করা হয়।

২০১৭ সালে কোম্পানিটিকে ৪ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৩ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। সে সময় কোম্পানিটি যে নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব জমা দেয়, তাতে অনেক নয়ছয়ের প্রমাণ মিলেছে পরে।

মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর অর্থ আত্মসাৎ ও আর্থিক প্রতিবেদন জালিয়াতির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ এনে এখন মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসই ও বিএসইসির নিজস্ব তদন্তে উঠে আসে অনিয়মের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন কোম্পানির আইপিও ইস্যু ম্যানেজার, স্ট্যাচুটরি অডিটর ও আইপিও ফান্ড ইউটিলাইজেশন অডিটর। তাদের সবাইকেই মামলার আসামি করা হচ্ছে।

বুধবার বিএসইসির ৮৪০তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সংস্থাটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেবল আইপিও অনুমোদনের সময় মিথ্যা তথ্য নয়, টাকা তুলে গোপনে কোম্পানিও বন্ধ করে দিয়েছেন কোম্পানির পরিচালকরা। এ বিষয়টি জানতে পেরে এক বছর আগে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে পুনর্গঠন করে দেয় বিএসইসি। নতুন পর্ষদও এই কোম্পানিকে উৎপাদনে নিয়ে আসতে পারেনি।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেবল নূরানী না, এমন বহু দুর্বল কোম্পানিকে টাকা তোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যেগুলো সাধারণ মানুষের টাকা তুলে নিয়েছে।’

এর দায় কি তাহলে বিএসইসি নেবে না?- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা তো যাচাই-বাছাই করা উচিত। তবে সে সময় বিএসইসির এই এখতিয়ার ছিল কি না সেটি জানি না। তারা নিরীক্ষিত প্রতিবেদন দেখে অনুমোদন দিত। তবে এখন ফিজিক্যালিও যাচাই-বাছাই হয় বলে জানি।’

ভুয়া কাগজ দেখিয়ে যে টাকা তুলে মানুষের ক্ষতি হলো, তার কী হবে- এমন প্রশ্নে আবু আহমেদ বলেন, ‘কোম্পানির পাশাপাশি অডিটরের বিরুদ্ধেও মামলা হওয়া উচিত।’

নূরানী আইপিওতে শেয়ার ১০ টাকা দরে বিক্রি করলেও পরে একপর্যায়ে তা ছাড়িয়ে যায় ৩০ টাকা। আর উদ্যোক্তা পরিচালকরা আরও ৪ কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করেন। যদি গড়ে ২৫ টাকাতেও বিক্রি করা হয়, তাহলে তারা আয় করেছেন শতকোটি টাকা।

কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১২২ কোটি টাকার বেশি, শেয়ারসংখ্যা ১৩ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার ৩০। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ আছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। বাকি ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৯৭ হাজার ১০৮টি শেয়ারের মধ্যে সিংহভাগই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে, ৬ কোটি ৩৫ লাখের বেশি আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ২ কোটি ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০৫টি।

অর্থাৎ নূরানীতে বিনিয়োগ করে ১০০ থেকে ২০০ কোটি টাকার বেশি লোকসান করেছেন সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।

আবার উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বিও হিসাবে যে ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার আছে, সেটি যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের কাছে জামানত হিসেবে জমা দিয়ে মার্জিন ঋণ নেয়া হয়। এই শেয়ারের বিপরীতে প্রাপ্ত মার্জিন ঋণও খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

ফলে কোম্পানিটির মালিকপক্ষ আসলে তাদের হাতের সব শেয়ারই কার্যত বিক্রি করে দিয়েছেন। এমনকি কোম্পানিটির ওয়েবসাইটও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

এখন ১০ টাকার অভিহিত মূল্যের এই শেয়ারের দর নেমে এসেছে ৭ টাকায়।

সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে একটি কোম্পানিকে টাকা তোলার অনুমতি দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের যে ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে, তার দায় বিএসইসি নেবে কি না, এমন প্রশ্নে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম কোনো জবাব দিতে রাজি হননি। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আপনি আমার বক্তব্য নো কমেন্টস লিখে দেন।’

যা করেছে নূরানী

নূরানী ডায়িং ২০১৬ ও ২০১৭ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও প্রকাশিত প্রসপেক্টাস অনুযায়ী এবি ব্যাংকের কাছে কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংক দায় যথাক্রমে ৫৭ কোটি ২০ লাখ ও ৪২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা উল্লেখ ছিল।

কিন্তু পরিদর্শক ও তদন্ত কমিটির তদন্তে দেখা যায়, ২০১৮ সালে প্রকৃত ব্যাংক দায়ের পরিমাণ ১৬৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরের বছর তা হবে ১৯২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ২০২০ সালে তা দাঁড়ায় ২১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থা গোপন করা হয়। যার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা অংশগ্রহণকারীরা বিভ্রান্তিকর তথ্য পেয়ে প্রতারিত হন।

কোম্পানিটি ২০১৭ সালে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত ৪৩ কোটি টাকা বিভিন্ন কারসাজি স্কিম বা ডিভাইসের মাধ্যমে, যেমন ব্যাংক বিবরণী জালিয়াতি, মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট রিসিপ্টের (এমটিডিআর) নগদায়ন এবং কোনো প্রকার কাজ বা পরিষেবা ছাড়াই স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে (সিস্টার কনসার্ন) ৪১ কোটি ১৪ লাখ টাকা দেয়। এতে কমিশনের আইপিও অনুমোদনের শর্তও ভঙ্গ হয়।

২০১৭ সালে আইপিও ইস্যুকালীন স্ট্যাচুটরি অডিটর হিসেবে দায়িপ্রাপ্ত অডিট ফার্ম কর্তৃক আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর এ-সংক্রান্ত ‘ক্লিন রিপোর্ট’ (আনকোয়ালিফাইড অপিনিয়ন) দেয়া হয়।

২০১৯ ও ২০২০ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ইস্যুয়ার কোম্পানি কর্তৃক প্রকাশিত হিসাব বিবরণীর রপ্তানি আয়, বিক্রয় ও দেনাদারের সপক্ষে বিভিন্ন প্রমাণপত্র, যেমন- পিআরসি, টিডিএস সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি কাগজপত্র জালিয়াতি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ওই সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয় বলে মনে করছে ডিএসই ও বিএসইসি।

এই সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অডিটরদের মাধ্যমে ক্লিন রিপোর্ট প্রদান করে ওই আর্থিক প্রতিবেদনের নিরীক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়। ওই সময়ে কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও তা জানানো হয়নি বিনিয়োগকারীদের।

আরও পড়ুন:
সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল
এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ

মন্তব্য

p
উপরে