× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য শিল্প ইভেন্ট উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন মানসিক স্বাস্থ্য অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ ইউরোপ ব্লকচেইন ভাষান্তর অন্যান্য ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
জিএমজি ইউনাইটেডের উড়োজাহাজ যাচ্ছে নিলামে
google_news print-icon

বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব, ঠকল সরকারও

বিনিয়োগকারীরা-নিঃস্ব-ঠকল-সরকারও
জিএমজি ও ইউনাইটেড এয়ার সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়ে আর চালু হয়নি। ফাইল ছবি
বেসরকারি এয়ারলাইনস জিএমজি ও ইউনাইটেড এয়ার বন্ধ করে দেয়া হলেও সরকারের ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়নি। উড়োজাহাজগুলো ফেলে রাখা হয়েছে বিমানবন্দরে। পাওনা আদায়ে এখন সেগুলো বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু প্লেসমেন্ট শেয়ার ও পুঁজিবাজারে বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেয়া টাকার কী হবে, তার কোনো জবাব নেই।

একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করে টাকা নিয়ে ফেরত দেয়নি। আরেকটি তালিকাভুক্ত হওয়ার পরে উচ্চমূল্যে শেয়ার বিক্রি করে ব্যবসা বন্ধ করে ঠকিয়েছে বিনিয়োগকারীদের।

কেবল বিনিয়োগকারী নয়, সরকারকেও ঠকিয়েছে জিএমজি ও ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বেবিচকের পাওনা পরিশোধ করেনি তারা। উল্টো বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ফেলে রেখে তৈরি করেছে সমস্যা।

বারবার তাগাদা দিয়ে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার বেবিচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিমানবন্দরে ফেলে রাখা উড়োজাহাজগুলো বিক্রি করে দেবে তারা।

এই দুই প্রতিষ্ঠানের ১২টিসহ মোট ২২টি উড়োজাহাজ শিগগিরই বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান।

দুটি কোম্পানির কাছে বেবিচকের পাওনার পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহেদুল আলমের মতে, উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ আরও আগেই নেয়া উচিত ছিল।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটা এয়ারপোর্ট হচ্ছে একটা দেশের গেটওয়ে। দেশে ঢুকতেই বিদেশের যাত্রীরা যখন এ ধরনের একটা পরিস্থিতি দেখে, রংচটা এয়ারক্রাফট পড়ে থাকা এটা খুবই দৃষ্টিকটু।

‘এটা কখনোই একটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাঙ্ক্ষিত সাইট হতে পারে না। পৃথিবীর কোথাও এমন দৃশ্য দেখা যাবে না। এটা আমাদের এখানে এত দিন ধরে চলছে। অনেক আগেই কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল ওগুলো সরিয়ে ফেলা।’

তিনি বলেন, ‘যে সময় এগুলো এখানে পার্ক করা হয়েছিল, সে সময় সিভিল এভিয়েশনের উচিত ছিল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে একটা সমাধানে পৌঁছানো। যারা এটা করেছে তারাও ভালো কাজ করেনি।

‘যে এয়ারলাইনসগুলো বন্ধ আছে তাদের কথা বাদই দিলাম, কিন্তু যারা সার্ভিসে আছে তাদের অনেকেরই এয়ারক্রাফট আছে। তাদের সঙ্গে দেনদরবার করেও জিনিসটা শেষ করা যেত। এখন যত দ্রুত সরানো যায় ততই ভালো।’

হঠাৎ করে কোনো এয়ারলাইনস বন্ধ হয়ে গেলে তাদের পাওনা আদায়ে শক্তিশালী আইন হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন এই এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ। জিএমজি ও ইউনাইটেড এয়ারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘মুশকিল হলো, আমাদের দেশে লিমিটেড কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো আইনই নেই।

‘এখন যদি কোনো কারণে এয়ারলাইনস দেউলিয়া হয়ে যায় বা অপারেশনে না থাকে তাদের কাছে টাকা আদায় করা মুশকিল। ইউনাইটেড শেয়ারবাজারে এনলিস্টেড কোম্পানি। এমন একটা পদ্ধতি বের করা উচিত যাতে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়।’

সাময়িক বন্ধের পর আর চালু হয়নি জিএমজি, প্লেসমেন্ট শেয়ারের টাকার কী হবে?

১৯৯৭ সালে কোম্পানি খুলে পরের বছরের এপ্রিলে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে দেশে কার্যক্রম শুরু করে বেসরকারি জিএমজি এয়ারলাইনস। ২০০৪ সালে প্রথম বেসরকারি এয়ারলাইনস হিসেবে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইটে আসে তারা।

২০০৯ সালে এয়ারলাইনসটির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার কিনে নেয় বেক্সিমকো গ্রুপ। তবে তারা ব্যবসায় সফল হতে পারেনি।

তিন বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় জিএমজির ফ্লাইট। তবে এর মধ্যেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা বলে ৩০০ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির তথ্য আসে গণমাধ্যমে। পরে কোম্পানিটি তালিকাভুক্ত হয়নি।

আর এই প্লেসমেন্টে যারা শেয়ার কিনেছিলেন, তাদের টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে কি না, সেই তথ্য আর গণমাধ্যমে আসেনি। এ বিষয়ে জিএমজির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য কখনও দেয়া হয়নি।

২০১২ সালের ৩০ মার্চ বন্ধ করে দেয়ার সময় জিএমজি বলেছিল, আবার চালু হবে কোম্পানি। তবে তা আর হয়নি। সে সময় পর্যন্ত বকেয়া বাবদ প্রতিষ্ঠানটির কাছে বেবিচকের পাওনা ছিল ৩০০ কোটি টাকারও বেশি।

বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব, ঠকল সরকারও
জিএমজি এয়ারলাইন্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হলেও প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে তুলে নিয়েছে তিনশ কোটি টাকার মতো

ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে গেলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি এমডি এইটটি থ্রি ও দুটি ড্যাশ এইট উড়োজাহাজ ফেলে রাখে জিএমজি। পরে ড্যাশ এইট দুটি বিক্রি করা হলেও সাত বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে এমডি এইটটি থ্রি উড়োজাহাজগুলো।

কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জিএমজির কোনো কার্যালয় নেই, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ইউনাইটেড কাণ্ড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ার শাহজালালে ১০টি উড়োজাহাজ ফেলে ২০১৬ সালে বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করা কোম্পানিটি ব্যবসা গুটিয়ে ফেলে হঠাৎ করে। বন্ধ হওয়ার সময় তাদের কাছে বেবিচকের পাওনা ছিল প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

ইউনাইটেডের ফেলে যাওয়া উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে চারটি এমডি এইটটি থ্রি, দুটি এয়ারবাস থ্রি ওয়ান জিরো, তিনটি এটিআর সেভেনটি টু ও একটি ড্যাশ এইট উড়োজাহাজ।

বিমানবন্দরে ২০১৪ সাল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে স্কাই ক্যাপিটাল এয়ারলাইনসের একটি ট্রাইস্টার উড়োজাহাজ, অ্যাভিয়েনা এয়ারলাইনসের একটি ড্যাশ এইট, বিসমিল্লাহ এয়ারলাইনসের একটি ড্যাশ এইট ও আছে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দুটি ড্যাশ এইট উড়োজাহাজ।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে এগুলো কার্গো টার্মিনালের সামনে ছিল। আমরা এগুলোকে সরিয়েছি। এখন এক জায়গায় রেখেছি। এখান থেকেও এগুলো সরিয়ে ফেলব। কারণ, এগুলো আমাদের স্পেস অকুপাই করে আছে।

‘আমরা এখন একটি আইনি প্রক্রিয়াতে যাচ্ছি। এগুলোকে এরই মধ্যে ডিরেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছি। এর মানে আগে যে কোম্পানির নামে ছিল। এখন আর সে নামে নেই। এখন যেটা করতে হচ্ছে, আইনের নিয়ম হচ্ছে এদের বাজেয়াপ্ত করতে হবে। তো বাজেয়াপ্তের কাজ আমরা হাতে নিচ্ছি।’

বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব, ঠকল সরকারও
কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার আগে ইউনাইটেড এয়ারের মালিকপক্ষ পুঁজিবাজারে উচ্চমূল্যে প্রায় সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে

বাজেয়াপ্ত উড়োজাহাজগুলো পরে নিলামে তোলা হবে বলে জানান বেবিচক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘যখন বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে তখন এগুলোর মালিকানা সিভিল এভিয়েশনের হয়ে যাবে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা বাজেয়াপ্ত করছি। করার পরে আমরা এটাকে নিলামে দিয়ে দেব।

‘যেগুলো নিলামযোগ্য না, সেগুলোকে ধ্বংস করে দেব। এখন যে এয়ারলাইনসগুলোর উড়োজাহাজ রয়েছে তার মধ্যে ইউনাইটেড এয়ারের উড়োজাহাজই সবচেয়ে বেশি। যেহেতু থার্ড টার্মিনালের এক্সপানশন চলছে এই জায়গাগুলো দ্রুত খালি করতে হবে।’

ইউনাইটেড এয়ারের অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সিভিল এভিয়েশনের কাছে আমাদের বেশ কিছু টাকা পাওনা রয়েছে। সেগুলো এখনও শোধ করা হয়নি।

‘আর্থিক অসংগতির কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে ইউনাইটেড এয়ারের ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। উড়োজাহাজগুলোর প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণও করা যায়নি। সহসা সেই অবস্থাও নেই। যদিও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করছেন আবার চালু করার, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হয়নি।’

২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকেরা প্রায় সব শেয়ার বাজারে বিক্রি করে নিজেদের বিনিয়োগের টাকা তুলে নিয়েছেন, কিন্তু ২০১৬ সালের পর আর কোনো আর্থিক হিসাব বিবরণীও প্রস্তুত করেনি।

এ কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কোম্পানিটিকে মূল মার্কেট থেকে সরিয়ে ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি মার্কেটে নিয়ে গেছে।

১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ৭৫০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে কোম্পানিটির শেয়ার। পরে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য হওয়ার পর শেয়ারের দাম কমতে কমতে দুই টাকার নিচে চলে আসে।

ওটিসি মার্কেটে যাওয়ার সময় কোম্পানিটির ৭২ কোটির বেশি শেয়ার ছিল বিনিয়োগকারীদের। এই শেয়ারের কার্যত এখন কোনো মূল্য আর রইল না।

আরও পড়ুন:
হুলুস্থুল শেষে কোটি শেয়ারের অর্ডার, এখন নেই ক্রেতা
ওটিসিতে ইউনাইটেড এয়ারের শেয়ারদরে উল্লম্ফন
ইউনাইটেড এয়ারকে সচলে আরও তৎপর বিএসইসি
ওটিসিতে ৩ দিনেই শেষ ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের শেয়ার
ইউনাইটেড এয়ারকে ফেরাতে বোর্ড পুনর্গঠন বিএসইসির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Election in the first half of February Chief Advisor

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: বাসস

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

আজ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে নির্বাচনের যে সময় ঘোষণা করেছেন সেই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন— “কেউ যদি নির্বাচনের কোন বিকল্প নিয়ে ভাবে সেটা হবে এই জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে উৎসবমুখর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

প্রফেসর ইউনূস জোর দিয়ে বলেছেন-অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠ নির্বাচন আয়োজন করা। প্রেস সচিব বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা বারবার উল্লেখ করেছেন যে, এ নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সেরা নির্বাচন। ”

তিনি আরও জানান, বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আলী রিয়াজ এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনির হায়দার প্রধান উপদেষ্টাকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

শফিকুল আলম বলেন, আজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকগুলো খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্‌যাপনের বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। দুর্গাপূজাকে ঘিরে কেউ যেন দেশে ষড়যন্ত্র বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সকল রাজনৈতিক দলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে প্রেস সচিব বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে সরকারের।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In Jhalakathi DB police search was found in the pocket of the student

ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের তল্লাশীতে শিক্ষার্থীর পকেটে মিললো ৭০ পিচ ইয়াবা

ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের তল্লাশীতে শিক্ষার্থীর পকেটে মিললো ৭০ পিচ ইয়াবা
ঝালকাঠি পৌর এলাকার আকলিমা মোয়াজ্জেম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. আসলাম খান। রোববার বেলা সারে ১২ টায় ৭০ পিচ নিষিদ্ধ ট্যাবলেট "ইয়াবা" সহ গ্রেফতার হয় ডিবি পুলিশের হাতে।
আসলামের ভাষ্য অনুযায়ী জানা গেলো যে, "সে ইয়াবা সংগ্রহ করেছে গাবখান সেতুর টোলপ্লাজা সংলগ্ন তালুকদার বাড়ি এলাকা থেকে। ৭০ পিচ ইয়াবা পলিথিনে মুড়িয়ে গন্তব্যস্থল কির্তিপাশা গ্রামের বাড়ি রওনা করেছিলো। কিন্তু তাকে ডিবি পুলিশ আগে থেকেই নজরে রেখেছিলো তা সে বুঝে উঠতে পারেনি।" এসআই তারিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম তাকে ধরে ফেলে।
ঝালকাঠি জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭০ পিচ ইয়াবাসহ কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের রুনসী গ্রামের হুমায়ুন খানের ২০ বছর বয়সী ছেলে আসলামকে আটক করা হয়েছে। রোববার বিকেলে তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Belkuchi seized 225 sacks of government rice

বেলকুচিতে ২২০ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার, আটক ১

বেলকুচিতে ২২০ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার, আটক ১

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে এক গুদামে অবৈধভাবে মজুত করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২২০ (বস্তা) ১০ টন ৬শ'ত কেজি চাল উদ্ধার করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার বিকালে উপজেলার গাড়ামাসী বাশঁতলা এলাকার একটি গুদামে এই অভিযান চালানো হয়। চালসহ ইব্রাহিম মন্ডল (২৬) নামের একজনকে আটক করা হয়। তবে গুদামের মালিক পলাতক রয়েছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহান।

অভিযান পরিচালনার সময় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, খাদ্য ইন্সপেক্টর ইমরুল কায়েসহ স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান বলেন, জেলা এনএস আই কার্যালয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল একটি গুদামে মজুত রয়েছে। পরে সেখানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় একজন কে আটক করা হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Jabeda Akhter has fulfilled dreams at Tk 120

১২০ টাকায় স্বপ্ন পূরণ জবেদা আক্তারের

 ১২০ টাকায় স্বপ্ন পূরণ জবেদা আক্তারের

মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেয়ে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে জবেদা আক্তারের। বাবা-মায়ের আদর স্নেহ না পেয়ে বেড়ে ওঠা জবেদা আক্তার সরকারি চাকরি পেয়ে এবার নিজেই নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন। দেড় বছর বয়সে জবেদা আক্তারের বাবা-মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। প্রথমে বাবা মো: জামিনুর ও কয়েক বছর পরে মা মোছা: ঝর্না আক্তার অন্যত্র বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেন। বাবা-মা থেকে বিচ্ছিন্ন শিশু জবেদা আক্তারের ঠাই হয় নানা-নানীর কাছে। নানা জয়নাল, নানী মোছা: লাইলী ও মামাদের আশ্রয়ে বেড়ে উঠে জবেদা আক্তার। জামালপুরে এবারের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চাকরি পেয়েছেন জবেদা আক্তার (১৮)।

নিজের যোগ্যতায় সরকারি চাকরি হওয়ায় স্বপ্ন পূরণে জবেদা আক্তারের চোখ বেয়ে অশ্রু বইছে। জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুট নয়াপাড়া এলাকার জবেদা আক্তার বলেন, নানা-নানী ও মামার সংসারে থেকে লেখাপড়া করেছি। সেভাবে বাবা-মায়ের আদর পাইনি, তারা থেকেও যেন নেই, আমার চলার পথ সহজ ছিলো না। মেলান্দহ উপজেলার কলাবাধা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে এখন স্থানীয় টনকি বাজারস্থ আলেয়া আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীতে লেখাপড়া করছি। আমি ভাবিনি আমার সরকারি চাকরি হবে। বাড়ি থেকে একা একাই পুলিশ লাইন্সে এসেছি চাকরির পরীক্ষা দিতে, আমার সাথে কেউ আসেনি। এখন সবাইকে ফোন করে চাকরির বিষয়টি জানাচ্ছি। মাত্র ১২০ টাকায় চাকরি পেয়ে আমি অনেক খুশি, এখন থেকে আমার আনন্দের সময় শুরু- বেশ উচ্ছাস নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন জবেদা আক্তার।

 ১২০ টাকায় স্বপ্ন পূরণ জবেদা আক্তারের
শুধু জবেদা আক্তার নয় জামালপুরে মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেয়েছেন ৩২ জন চাকরি প্রার্থী, যাদের মধ্যে ২৯ জন ছেলে ও ৩ জন নারী। কোন তদবীর বা অনৈতিক লেনদেন ছাড়াই শুধুমাত্র শারীরিক যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়ে এসব তরুণ-তরুণীরা বেশ উচ্ছসিত। রবিবার (৩১ আগষ্ট) বিকেলে জেলার পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চূড়ান্তভাবে বাছাইকৃতদের নাম ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।


দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারী গ্রামের মো: আবু তালেবের ছেলে কোরআনে হাফেজ মো: রুহেল মিয়া (১৯) পুলিশে চাকরি পেয়েছেন। তিনি জানান, এর আগে আরও দুই বার পরীক্ষা দিয়েছিলাম, আমি দেখেছি সবারই নিজ নিজ যোগ্যতায় চাকরি হয়েছে। তাই হাল ছাড়িনি, এবার আমি তৃতীয় বারের মত পরীক্ষা দিয়েছি এবং উত্তীর্ণ হয়েছি। এবার আমার চাকরি হয়েছে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই, আলহামদুলিল্লাহ। আমি ব্র্যাক স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণী পাশ করে আমার এলাকার মাঠেরঘাট হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়েছি। এরপর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরের জামিয়া ইবনে আব্বাস কওমী মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেছি। বর্তমানে আমি টঙ্গী সরকারি কলেজে ইসলাম শিক্ষা বিভাগে অনার্স ১ম বর্ষে অধ্যয়নরত।


মশিউর রহমান (১৯), আনোয়ার হোসেন (১৮), তাপসী তৃষা (২০) ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্তরা বলেন, এত স্বচ্ছ নিয়োগ হবে জানতাম না। ভাবতাম পুলিশে চাকরি নিতে অনেক তদবীর করতে হয়, লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। চাকরি হবে কিনা সংশয় ছিলো, তবুও পুলিশ লাইন্সে এসেছি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে। কোন অনিয়ম, দুর্নীতি, তদবীর ও লেনদেন ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকায় যোগ্যাত ও মেধায় পুলিশে চাকরি হয়েছে।


পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, ২৪ এর জুলাই বিপ্লব তথা ৫ই আগষ্টের পর সাধারণ মানুষ যে জনআকাঙ্খার পুলিশ চায় সেই পুলিশ গড়ে তুলতে হলে সবার আগে স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা দরকার। সারাদেশে এভাবেই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুলিশে নিয়োগ হচ্ছে। আমরা অভিভাবকদের আহবান জানাবো তারা যেন তাদের সন্তানদের পুলিশে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেন। ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে এবার প্রায় ১ হাজার ৪শ জন চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন। যাচই-বাছাই শেষে এদের মধ্যে মোট ৮০৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে ৭৩ জন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে মোট ৩২ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ, ৩ জন নারী, একজনকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ দেয়া হয়েছে, অপেক্ষমান রয়েছে ৬ জন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The body of the housewife in Meherpur was found on the Mirpur rail line

মেহেরপুরের গৃহবধু স্বপ্নার মরদেহ মিললো মিরপুর রেল লাইনে

মেহেরপুরের গৃহবধু স্বপ্নার মরদেহ মিললো মিরপুর রেল লাইনে

বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পর সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দেখে সনাক্ত হলো গৃহবধুর সপ্নার পরিচয়।

গতকাল কুষ্ঠিয়ার মিরপুরের ট্রেন লাইন থেকে নিহত গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় রেলওয়ে পুলিশ।

পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ রাখা হয়েছে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

তার পরিচয় সনাক্ত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া হয় ছবি।

ছবি দেখে সনাক্ত হয় গৃহবধু মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের পুরাতন মটমুড়া গ্রামে মোবাইল মেরামতকারী সুজনের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী স্বপ্না।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার বাওট গ্রামের রাজধানী পাড়ার মৃত রেজাউল হকের মেয়ে স্বপ্নার সাথে মটমুড়া গ্রামের সুজনের বিয়ে হয় প্রায় ১ যুগ আগে। সুজন স্বপ্নার সংসারে রয়েছে একটি মেয়ে ও একটি ছেলে।

স্বপ্নার মৃত্যুতে শোকে ভাসছে দুটি পরিবার সহ আত্মীয় স্বজনরা।

সপ্নার মৃত্যুর সংবাদে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন স্বামী সুজন আলী।

স্বপ্নার শাশুড়ি জানিয়েছে, গতকাল শনিবার বিকেলে সে পাশের বাড়িতে যায়। ফিরে এসে জানতে পারে তার পুত্রবধু স্বপ্না বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনতে পাই স্বপ্নার মৃত্যুও খবর।

গৃহবধু স্বপ্নার মা জানিয়েছে তার মেয়ের সাথে দুদিন কোন কথা হয়নি। শনিবার রাত ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবেশীরা স্বাপ্নার ছবি দেখে তাকে দেখালে সে তার মেয়ে স্বপ্নাকে চিনতে পারে। আমি এখন কি করবো? আমার সাথে এম কি হলো? যে সে নিজ জেলা ছেড়ে অন‍্য জেলায় গিয়ে আত্মহত্যা করলো।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The writ hearing challenging Farhads candidacy in Daksu Tuesday

ডাকসুতে ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট, শুনানি মঙ্গলবার

ডাকসুতে ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট, শুনানি মঙ্গলবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট মনোনীত ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জি এস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি শেখ তাহসান আলী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থী বিএম ফাহমিদা আলম এই রিট করেন। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

আদালতের আজকের কার্যতালিকার ২৮৫ নম্বর ক্রমিকে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছিল। তবে ব্যস্ত কার্যসূচির কারণে আদালত তাৎক্ষণিক শুনানি না করে মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Habiganj was arrested on charges of rape

হবিগঞ্জে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

হবিগঞ্জে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

হবিগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. আকবর আলী (৩৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)। গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উবাহাটা ইউনিয়নের নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

রবিবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র‌্যাব-৯। গ্রেপ্তার চুনারুঘাট উপজেলার উসমানপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৯ মার্চ ভুক্তভুগীর সঙ্গে একই বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর স্বামী তার শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করে বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে বাবাকে জানান। পরে বাবার জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগী জানান, গত বছরের ৫ অক্টোবর থেকে একই গ্রামের আবু তাহের ও আকবর আলী বিভিন্ন সময়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন।

গত ৮ মে তাকে মেডিক্যাল টেস্ট করানো হলে জানা যায়, ২৭ সপ্তাহ ৪ দিনের অন্তঃসত্ত্বা তিনি।

এ ঘটনায় গত ১১ মে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প গতকাল শনিবার উবাহাটা ইউনিয়নের নতুন ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতি. পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গ্রেপ্তার আকবরকে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে