× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

তারুণ্য
8th class pass application for delivery tiger job even if age is 55
google_news print-icon

অষ্টম শ্রেণি পাসে ডেলিভারি টাইগারে চাকরি, বয়স ৫৫ হলেও আবেদন

অষ্টম-শ্রেণি-পাসে-ডেলিভারি-টাইগারে-চাকরি-বয়স-৫৫-হলেও-আবেদন
ডেলিভারি টাইগারের লোগো। ছবি: সংগৃহীত
আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

লজিস্টিক মার্কেটপ্লেস ডেলিভারি টাইগার সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ডেলিভারি টাইগার

পদের নাম: ডেলিভারিম্যান

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন

বয়স: বয়স ১৮ থেকে ৫৫ বছর

বেতন: মাসিক ৯ হাজার টাকা (প্রতি মাসের ১০ তারিখের আগে দেয়া হবে)

প্রতি ডেলিভারিতে ১৫ টাকা করে (কমিশনের টাকা প্রতিদিন বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলনের সুযোগ)

অন্যান্য সুবিধা:

  • বেতন ও কমিশন মিলে মাসিক ২০,০০০ টাকা আয়ের সুযোগ
  • কোম্পানির হাবে থাকার ব্যবস্থা
  • কমিশনের টাকা প্রতিদিন বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলনের সুযোগ

কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা বিডিজবস ডটকম-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন

আবেদনের শেষ সময়: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

আরও পড়ুন:
২০ জনকে চাকরি দিচ্ছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, প্রতি বছর বাড়বে বেতন
কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইডে চাকরি, ৬০ বছর বয়সেও আবেদন  
এপেক্স ফুটওয়্যারে চাকরি, থাকছে অনেক সুবিধা
ঢাকায় চাকরি দিচ্ছে আকিজ গ্রুপ, থাকছে অনেক সুবিধা
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে চাকরি, যেতে হবে না অফিসে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

তারুণ্য
Stop and go chase in DU campus

ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যাম্পাসে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। অপরদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। এই অবস্থানের মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামাপাসে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে।

ক্যাম্পাসে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। অপরদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। এই অবস্থানের মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ দুপক্ষই তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে জমায়েত হয়েছেন।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। আর আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আছেন।

শহিদ মিনারে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা গতকাল পর্যন্ত কোনো লাঠিসোটা হাতে নেইনি। কিন্তু আমাদের বোনদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা আত্মরক্ষার জন্য আজ লাঠিসোটা হাতে নিয়েছি। যত কিছুই হয়ে যাক আমরা শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ ছাড়ব না।’

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওয়াদা নেন। এবং বলেন, ‘গতকাল আমাদের বোনদের ওপর যখন হামলা করা হয়েছে তখন আমরা অনেক ভাই পালিয়ে গিয়েছি। আজও কি আমরা পালিয়ে যাবো?’

জবাবে সমবেত শিক্ষার্থীদের সবাই সমস্বরে বলে ওঠেন- ‘না না।’

নাহিদ বলেন, ‘আমাদের বোনেরা হলে হলে অবস্থান নিয়ে আছেন। আমরা যদি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করতে পারি তাহলে আমাদের বোনেরা হল থেকে সবাই চলে আসবেন।’

এদিকে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ সমাবেশ করছে ছাত্রলীগ। সেখানে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

তিনি বলেন, ‘এতদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলনকারীদের কোনো বাধা দেইনি। কিন্তু এখন এই আন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এটি বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সরকার পতনের আন্দোলন হয়ে গেছে। আমরা এগুলো বরদাষত করব না।’

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল থেকে বের হয়ে শহীদ মিনারের দিকে যাওয়ার পথে ভিসি চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বাস ভাংচুর করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব বাসে করে ছাত্রলীগের বহিরাগত নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে এসেছেন। তাই এসব বাস ভাংচুর করা হয়েছে।

বাস ভাংচুরের শব্দ পেয়ে ভিসি চত্বরে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় দুগ্রুপের মধ্যে কিছুক্ষণ ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। কিছ সময় পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ফুলার রোড হয়ে শহিদ মিনারের দিকে চলে যান। এ সময় সেখানে ককটেল বিস্ফোরণেরও শব্দ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২
রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত
শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

তারুণ্য
2 killed in Chittagong clash with quota activists

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নেমেছে চট্টগ্রাম নগরীর সড়কে। ছবি: নিউজবাংলা
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। দুজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী এবং অপরজন পথচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

জানা গেছে, বিকেল ৩টা থেকে বন্দর নগরের মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট ও ষোলশহরসহ আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে দুপুর থেকে বিভিন্ন মোড়ে অবস্থা নেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

সবশেষ পাওয়া তথ্যমতে, ষোলশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকায় কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। মুরাদপুর অংশে অবস্থান নিয়েছেন কোটা আন্দোলনকারীরা। আর দুই নম্বর ও ষোলশহর এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। কোটা আন্দোলনকারীরাও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত
ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

মন্তব্য

তারুণ্য
Protesting students killed in clash with police in Rangpur

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত বেরোবি কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ছাত্র নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত আবু সাঈদ রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মঙ্গলবার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। তিনি কীভাবে মারা গেছেন তা বলতে পারছি না।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘দুপুরে বেরোবির কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের লালবাগ এলাকা থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যান। তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ে। সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী নিহত হন।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের

মন্তব্য

তারুণ্য
DU assistant proctor victimized by students

শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর

শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার বিকেলে সহকারী প্রক্টরদের ধাওয়া করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত ও বদরুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে শহিদ মিনারে এলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। শিক্ষার্থীরা তাদেরকে উদ্দেশ করে ‘দালাল’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী অধ্যাপক মুহিতকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সহকারী প্রক্টর বদরুল ইসলামকেও ধাওয়া দেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বিকেলে সহকারী প্রক্টররা শহিদ মিনারে এলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। শিক্ষার্থীরা তাদেরকে উদ্দেশ করে ‘দালাল’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

এক পর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদেরকে ধাওয়া করেন। এ সময় শিক্ষকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে চাইলে আন্দোলনকারীরা তাদের দিকে বিভিন্ন বস্তু এবং কাঠের টুকরো ছুড়ে মারেন। একটু পর পেছন থেকে কয়েকজন আন্দোলনকারী এসে অধ্যাপক মুহিতকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। পরপর কয়েকটি আঘাতের পর মাটিতে পড়ে যান অধ্যাপক মুহিত।

এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন শুরু থেকেই শিক্ষকদের ওপর আক্রমণ না করার আহ্বান জানান। তারা শিক্ষকদের ওপর হামলা চালাতে উদ্যত অনেক শিক্ষার্থীকে বাধা দেন।

অধ্যাপক মুহিত যখন মাটিতে পড়ে যান তখন একজন শিক্ষার্থী তাকে রিকশায় তুলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

জানা যায়, বহিরাগত তাড়াতে শহিদ মিনার এলাকায় গিয়েছিলেন সহকারী প্রক্টরবৃন্দ। বহিরাগতদের ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করেন- গতকাল কই ছিলেন, যখন আমাদের বোনদের ওপর হামলা করা হয়েছে?

এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আন্দোলনকারীরা। এর আগে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের বহিরাগত নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে মাইকিংও করেন সহকারী প্রক্টরবৃন্দ।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত
ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০

মন্তব্য

তারুণ্য
Demonstration in EB against attack on students

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মঙ্গলবার সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ছবি: নিউজবাংলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

দেশব্যাপী চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্র সমাবেশ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়।

শিক্ষার্থীরা এ সময় ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘কোটার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’; ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’; ‘আমার ভাইকে মারল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’; ‘’রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়; ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’; ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু গতকাল আমরা দেখতে পেয়েছি যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ভাইবোনদের ওপর ছাত্রলীগের পেটোয়া বাহিনী বর্বরোচিত, ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। আমরা পাকিস্তানি বাহিনীর বিপরীতে শহীদ শামসুজ্জোহা স্যারকে পেয়েছিলাম। কিন্তু এই আন্দোলনে আমরা আমাদের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, প্রাধ্যক্ষবৃন্দ কাউকেই পাইনি যা অত্যন্ত হতাশাজনক। অনতিবিলম্বে আমরা ছাত্রলীগের হামলার বিচার চাই।’

এসময় সমাবেশে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহা তানজীম তিতিল। তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। তবে আমি মনে করি আদিবাসী, প্রতিবন্ধীর মতো কিছু কিছু জায়গায় কোটা থাকা দরকার।

‘এখানে হতে পারে যে নানা কারণে নানাজন সংশ্লিষ্ট আছে। কিন্তু আমাদের মূলত যে দাবি তা হলো বেকারত্বের সংকট ঘোচানো। ছাত্ররা এই ন্যায্য দাবিতে মাঠে রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

আরও পড়ুন:
সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের

মন্তব্য

তারুণ্য
School college students blocked Science Lab intersection

সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা

সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে  স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার দুপুরের পর রাজধানীয় সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় অবরোধ করে। ছবি: নিউজবাংলা
জানা যায়, এই অবরোধে অংশ নিয়েছে ঢাকা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ, নূর মোহাম্মদ কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সারাদেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং চলমান কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় অবরোধ করেছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এতে যোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের এই অবরোধ শুরু হয়। এতে আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, এই অবরোধে অংশ নিয়েছে ঢাকা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ, নূর মোহাম্মদ কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সারাদেশে আজ বিকেল ৩টা থেকে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে আরেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে লিখেন, ‘ঢাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে যে যেখানে পারেন বিক্ষোভ কর্মসূচি, সড়কপথ, রেলপথ অবরোধ করুন। দেশ অচল করে দিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়ান।’

এদিকে রাজাকারদের প্রতি সাফাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা তৈরি এবং সাধারণ শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন:
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

তারুণ্য
Quota activists will protest across the country tomorrow

সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের

সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বাইরের সড়কে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ছবি: নিউজবাংলা
কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এই আন্দোলন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এই আন্দোলন যখন সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা করে ও উস্কানি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে, তখন সব মানুষকে এই আন্দোলনে নেমে আসতে হবে। আগামীকাল আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করব। এরপর সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারামারি ও হামলার ঘটনার পর আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বাইরের সড়কে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে হওয়া অবস্থান কর্মসূচিতে আসা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। যদিও ঘটনার সূত্রপাত বিজয় একাত্তর হলে হল ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাবাত আল ইসলামের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে।

এই ঘটনার পর থেকে শুরু হওয়া উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ছাত্রলীগের মারধর চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

কর্মসূচি ঘোষণা করে নাহিদ বলেন, ‘আজকের হামলার প্রতিবাদ, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার সারাদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

‘শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান থাকবে, এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে বড় ধরনের গণজমায়েত তৈরি করুন। আমাদেরকে বৃহত্তর গণআন্দোলনের দিকে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কার দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এই আন্দোলন যখন সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা করে ও উস্কানি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে, তখন সব মানুষকে এই আন্দোলনে নেমে আসতে হবে। আগামীকাল আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করব। এরপর আমরা সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

বিজয় একাত্তর হলে রাতে শিক্ষার্থীদের মারধর

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের যেসব শিক্ষার্থী কোটা সংস্কারের আন্দোলনে গিয়ে সন্ধ্যার পর হলে প্রবেশ করছেন তাদেরকে স্টাম্প দিয়ে অতর্কিতভাবে মারছে ছাত্রলীগ। হলের এক হাউজ টিউটর তাদের বাধা দিলে তাকেও ধমক দিয়ে সরে যেতে বলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছিরকে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জানা যায়, হল প্রাধ্যক্ষ কোনো সংবাদকর্মীর ফোন রিসিভ করছেন না। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালকে জানালে তিনি হল প্রাধ্যক্ষকে ফোন দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হল গেট থেকে সরিয়ে দিতে বলেন। এই নির্দেশনা পেয়ে প্রাধ্যক্ষ তাদের সরে যেতে নির্দেশনা দিলেও তারা সরেনি।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে