× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

তারুণ্য
Four Bangladeshi adventurers conquered the Dolma Khan peak
hear-news
player
google_news print-icon

ডোলমা খাং শিখর জয় করলেন চার বাংলাদেশি অভিযাত্রিক

ডোলমা-খাং-শিখর-জয়-করলেন-চার-বাংলাদেশি-অভিযাত্রিক
হিমালয়ের ডোলমা খাং শিখর জয় করেছেন এম এ মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশের তিন অভিযাত্রিক কাজী বাহালুল মজনু বিপ্লব, ইকরামুল হাসান শাকিল এবং রিয়াসাদ সানভী। ছবি: ইমাজিন নেপাল
বাংলাদেশ দলের দলনেতা এম এ মুহিত বলেন, ‘কষ্টকর সেই আরোহণ শেষে প্রায় ২৫ মিটারের ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ এক সরু রিজ লাইন পেরিয়ে আমরা ডোলমা খাং শীর্ষে পৌঁছাই। প্রথম বাংলাদেশি দল হিসেবে অভিযান এবং আরোহণের সাফল্যে আমরা আনন্দিত।’

প্রথমবারের মতো হিমালয় পর্বতমালার ডোলমা খাং শিখর জয় করেছেন বাংলাদেশের চার অভিযাত্রিক। সঙ্গে ছিলেন নেপালেরও দুজন পর্বতারোহী।

নেপালের গৌরিশঙ্কর হিমালয় রেঞ্জে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ২০ হাজার ৭৭৪ ফুট উচ্চতার এই শিখরে লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছেন তারা।

বাংলাদেশ ও নেপালের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডোলমা খাং আরোহণ করেন দুই দেশের ছয় পর্বতারোহী।

দুই বারের এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর তিন অভিযাত্রিক হলেন কাজী বাহালুল মজনু বিপ্লব, ইকরামুল হাসান শাকিল এবং রিয়াসাদ সানভী। আর নেপাল দলে ছিলেন কিলু পেম্বা শেরপা এবং নিমা নুরু শেরপা।

ডোলমা খাং শিখর জয় করলেন চার বাংলাদেশি অভিযাত্রিক

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে দোগারি হিমাল নামের একটি অবিজিত শিখরে অভিযানে ৭ অক্টোবর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে পৌঁছান বাংলাদেশের চার সদস্যের দলটি।

বাংলাদেশ দলের দলনেতা এম এ মুহিত বলেন, ‘১২ অক্টোবর পশ্চিম নেপালের রুকুম জেলার কাংড়ির উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়। কাংড়ি থেকে জিপে তাকসারা পৌঁছে শুরু হয় দোগারি হিমাল বেসক্যাম্পের উদ্দেশ্যে ট্রেকিং। যেহেতু এই দোগারি হিমাল পর্বতে ইতিপূর্বে কখনও কোনো অভিযান হয়নি বলে বেস ক্যাম্পের পথ চেনার জন্য মাইকোট গ্রাম থেকে ভক্ত পুন মাগার নামে স্থানীয় একজনকে গাইড হিসেবে সঙ্গে নিই।’

মাইকোট থেকে যাত্রা করে ডোলে ও ফেদী নামের জায়গা পার হয়ে আমরা ১৫ হাজার ৯২ ফুট উচুঁতে নিমকুন্ড ফুলগাড়ি নামের একটি উপত্যকায় ক্যাম্প করে অভিযাত্রিক দলটি।

ডোলমা খাং শিখর জয় করলেন চার বাংলাদেশি অভিযাত্রিক

তিনি বলেন, ‘সাধারণত এ ধরনের জায়গায় ঘাসে আবৃত থাকে। কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরু পর্যন্ত নেপাল হিমালয়ে ভারি তুষারপাতের কারণে ৩ থেকে ৪ ফুট উচুঁ বরফ জমে ছিল।’

দুই দিন ধরে সেখানে অবস্থান করে অভিযাত্রিক দলটি। প্রতিদিনই দুই দেশের পর্বতারোহীরা বেসক্যাম্পের খোঁজে আরও উপরে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পাঁচ হাজার মিটারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও সাত থেকে আট ফুট উচুঁ বরফের কারণে আর সামনে আগাতে পারেননি তারা।

মুহিত বলেন, ‘এর মধ্যে আবার তুষারপাত শুরু হয়। সার্বিক বিষয় নিয়ে নেপাল দলের নেতা কিলু পেম্বা শেরপার সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা হয়। সবদিক বিবেচনা করে আমরা দোগারি হিমাল অভিযান পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে ২৪ অক্টোবর কাঠমান্ডু ফিরে আসি।’

শেষে অভিযান আয়োজনকারী সংস্থা ইমাজিন নেপালের কর্ণধার পর্বতারোহী মিংমা গ্যালজে শেরপার সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ অভিযানটি ডোলমা খাং শিখরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ডোলমা খিং বিজয়ে ২৮ অক্টোবর সিমিগাওয়ের পৌঁছাতে কাঠমান্ডু থেকে যাত্রা শুরু হয় তাদের।

এম এ মুহিত জানান, ‘সিমিগাও থেকে ট্রেকিং করে আমরা ৩০ অক্টোবর ১২ হাজার ২৭০ ফুট উচ্চতার বেদিং গ্রামে পৌঁছাই, যেটি ছিল এ অভিযানের বেসক্যাম্প।’

এক রাত বেদিংয়ে থেকে ১ নভেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ১৬ হাজার ৭৬ ফুট উচ্চতায় হাইক্যাম্পে পৌঁছান তারা।

মুহিত জানান, ‘সেদিন দিবাগত রাত ১টায় আমরা হাইক্যাম্প থেকে শিখর জয়ের উদ্দেশ্যে চূড়ান্ত আরোহণ শুরু করি। প্রথমে পাথরের বোল্ডার পেরিয়ে রাত ৩টার দিকে বরফে মোড়ানো প্রান্তরের কাছে পৌঁছি। সেখান থেকে ক্র্যাম্পনসহ প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সরঞ্জামাদি পরে এক দড়িতে নিজেদের বেধে যাত্রা করি। ভোর ৬টার কাছকাছি সময়ে আমরা প্রায় ৭০ থেকে ৯০ ডিগ্রি খাড়া কয়েকশ মিটার উচ্চতার একটি দেয়ালের নিচে আসি।’

সেই কঠিন দেয়ালে রোপ ফিক্স করেন নেপালি দলের নেতা কিলু পেম্বা শেরপা ও নিমা নুরু শেরপা। দড়ি বেয়ে শুরু হয় কষ্টকর জুমার ক্লাইম্বিং। আর এটি ছিল খুব ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ দড়িতে উপরে যিনি ছিলেন তার পায়ের চাপে বরফ ও পাথর খসে পড়ছিল, ফলে যে কোনো মুহুর্তে ঘটতে পারতো দুর্ঘটনা। কিন্তু দমবার পাত্র ছিলেন ৬ সদস্যের অভিযাত্রিক দলটি।

মুহিত বলেন, ‘কষ্টকর সেই আরোহণ শেষে প্রায় ২৫ মিটারের ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ এক সরু রিজ লাইন পেরিয়ে আমরা ডোলমা খাং শীর্ষে পৌঁছাই। প্রথম বাংলাদেশি দল হিসেবে অভিযান এবং আরোহণের সাফল্যে আমরা আনন্দিত।’

অভিযানটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব ও ইমাজিন নেপাল। পৃষ্টপোষকতা করেছেন ইস্পাহানী টি, স্কয়ার টয়লেট্রিজ ও ফার্ষ্ট সিকিওরিটি ইসলামী ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
ভারতে হিমবাহ ধসে ৪ পর্বতারোহীর মৃত্যু, আটকা ২৯
২৬ বার এভারেস্টের চূড়ায়, ভাঙলেন নিজের রেকর্ড
ইতিহাস গড়লেন নেপালি পর্বতারোহীরা

মন্তব্য

তারুণ্য
Three young architects received KSRM Award

কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন তরুণ স্থপতি

কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন তরুণ স্থপতি বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে আইএবি সেন্টারে অতিথিদের সঙ্গে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস: বেস্ট আন্ডার গ্র্যাজুয়েট থিসিস’ জয়ীরা। ছবি: নিউজবাংলা
পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তাওরিম রাহুল সিংহ। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) মাহির অরিত্র ও তৃতীয় হয়েছেন ইউনির্ভাসিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) মো. নাফিউ।

‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস: বেস্ট আন্ডার গ্র্যাজুয়েট থিসিস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিন মেধাবী ও তরুণ ভবিষ্যৎ স্থপতি। চতুর্থবারের মতো এই অ্যাওয়ার্ড দিল কেএসআরএম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইনস্টিটিউট অফ আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি) সেন্টারে কেএসআরএমের পক্ষে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হয়।

পাঁচজন বিশিষ্ট স্থপতিকে নিয়ে গঠিত বিচারক প্যানেল আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর দূরদর্শিতা ও মেধার ভিত্তিতে এ তিনজনকে মনোনীত করে।

পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তাওরিম রাহুল সিংহ। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) মাহির অরিত্র ও তৃতীয় হয়েছেন ইউনির্ভাসিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) মো. নাফিউ।

বিজয়ীদের হাতে যথাক্রমে ১ লাখ, ৭৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকার চেক এবং সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। কেএসআরএম ও আইএবি যৌথ উদ্যোগে সেরা গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে প্রকল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মানজুরুর রহমান। তিনি বিজয়ীদের হাতে অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এতে বক্তব্য দেন কেএসআরএম মার্কেট রিসার্স অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট উইংসের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম ও আইএবির সাধারণ সম্পাদক স্থপতি ফারহানা শারমীন ইমু।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থপতি রাশেদ চৌধুরী। সূচনা বক্তব্য দেন আইএবি সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও সম্পাদক (শিক্ষা) আরেফিন ইব্রাহিম।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (ব্রান্ড) শাহেদ পারভেজ, ডেপুটি ম্যানেজার মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সিনিয়র অফিসার মিজান উল হক, মিথুন বড়ুয়া।

অনুষ্ঠান আয়োজনের সমন্বয়ক ছিলেন স্থপতি সায়মুম কবীর।

কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম বলেন, তারুণ্যের উচ্ছ্বল মনন আমাদের ভবিষ্যৎ নাগরিক নির্মাণের মূলশক্তি; ঠিক যেমন কেএসআরএম স্টিল। আগামীদিনের এই সুন্দর মননগুলোকে চিনতে পারলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের স্বপ্ন আর আকাঙ্ক্ষা নির্মাণে তা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যেসব মেগা স্ট্রাকচার উদ্বোধন করা হচ্ছে কিংবা যেগুলো নির্মাণাধীন সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতেও একই ভাবনা কাজ করে।

দেশের অন্যতম ইস্পাত প্রস্তুতকারী শিল্প গ্রুপ কেএসআরএম প্রতিবছর তিন উদীয়মান, মেধাবী ও নবীন স্থপতিকে অ্যাওয়ার্ড দিয়ে থাকে। এ উপলক্ষে কেএসআরএম ও আইএবি’র মধ্যে ১০ বছরের একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয় ২০১৯ সালে। সেই চুক্তির আওতায় আইএবি স্বীকৃত দেশের স্বনামধন্য ১১টি আর্কিটেকচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্নাতক পর্যায়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এ অ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে থাকেন।

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সেরা তিন প্রতিযোগী চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এবার ২৮ জন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর প্রজেক্টের মধ্য থেকে সেরা তিনজনকে বাছাই করে পাঁচজন স্থপতির জুরি বোর্ড। ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে আইএবি সেন্টারে প্রজেক্টগুলোর প্রদর্শনী হয়।

আরও পড়ুন:
নাশিদ-আরমীনের অ্যালবাম পেল গ্র্যামি মনোনয়ন
তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নেবে: জয়
ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড: সেরা রণবীর-কৃতি
ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি তরুণ
সিইউবির আনুশা পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড

মন্তব্য

তারুণ্য
Indian youth came to Bangladesh by bicycle

বৈষম্যবিরোধী বার্তা নিয়ে সাইকেলে ভারত থেকে বাংলাদেশে

বৈষম্যবিরোধী বার্তা নিয়ে সাইকেলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ধিরাজ কুমার গুপ্তার বাড়ি ভারতের পাঞ্জাবে। ছবি: নিউজবাংলা
২০১১ সালের ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হয় ধিরাজের সাইকেলযাত্রা। পাঞ্জাব, দিল্লি, বিহার, সিকিম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়সহ এ পর্যন্ত ভারতের ১৪টি রাজ্য ঘুরেছেন।

লিঙ্গ, জাতি, বর্ণসহ সব ধরনের বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়ে এক বছর ধরে সাইকেল নিয়ে ঘুরছেন ভারতীয় নাগরিক ধিরাজ কুমার গুপ্তা। ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ঘুরে এবার বাংলাদেশে এসেছেন পাঞ্জাবের এই তরুণ।

১৩ নভেম্বর সিলেটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন ধিরাজ। আগামী ২০ দিন সাইকেল নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরবেন তিনি। এরপর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আবার ভারতে ফিরে যাবেন।

২০১৯ সালে পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল করা ধিরাজ বলেন, ছোটবেলা থেকে প্রচুর বৈষম্য দেখেছি। আমাদের দেশে লিঙ্গ ও বর্ণের পাশাপাশি জাত নিয়েও বৈষম্য প্রবল। একসময় ভাবলাম, বৈষম্য দূর করার জন্য কিছু একটা করা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই সাইকেল ভ্রমণ।

২০১১ সালের ১১ নভেম্বর শুরু হয় ধিরাজের সাইকেল যাত্রা। পাঞ্জাব, দিল্লি, বিহার, সিকিম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়সহ এ পর্যন্ত ভারতের ১৪টি রাজ্য ঘুরেছেন।

ধিরাজ বলেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে আসার কোন পরিকল্পনা ছিল না। আমার পরবর্তী গন্তব্য পশ্চিমবঙ্গ। আসাম থেকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ যাওয়া সহজ। তাই এখানে এসেছি।

তিনি জানান, যেহেতু এসেছি, তাই বাংলাদেশেও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করব। ২০ দিন বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই আহ্বান জানাব।

বাংলাদেশে সাইকেল কমিউনিটির সদস্যরা ধিরাজকে সহায়তা করছেন জানিয়ে সিলেটের বাইসাইকেল রাইডার হিমাংশু হিমু বলেন, ধিরাজের উদ্দেশ্য খুব সুন্দর। এখানকার রাইডাররা তাকে সব ধরনের সহায়তা করছেন। তিনি বাংলাদেশের রাস্তা চেনেন না। বিভিন্ন এলাকার রাইডাররা তাকে এ ব্যাপারে সহায়তা করছেন। তার থাকারও ব্যবস্থা করছেন।

আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণও বাতিল
‘ক্ষমা চাওয়াতেই শাস্তি শেষ’ রেলমন্ত্রীর ভাগনের
সত্যের জয়ে আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা টিটিই শফিকুলের
টিটিই শফিকুল অন্যায় করেননি, তিনি নির্দোষ: তদন্ত প্রতিবেদন
টিটিই শফিকুলের বিরুদ্ধে তদন্ত: প্রতিবেদন জমা দেয়নি কমিটি

মন্তব্য

তারুণ্য
Today is the day to enjoy solitude

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে সিঙ্গল ডে বা সঙ্গীহীনতা দিবস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
১১ নভেম্বরকে সংখ্যায় প্রকাশ করতে হলে লিখতে হয় ১১-১১। আর সেখানেই সিঙ্গল বা একাকী জীবনের প্রতিনিধিত্ব করছে দিনটি। তাই পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।

‘ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে/ আমার নামটি লিখো/ তোমার মনের মন্দিরে’—এমন আকুতি জানিয়েও প্রত্যাখ্যানের নীল বেদনা বরণ করেছেন অনেকেই। প্রেয়সীর আঘাত কিংবা প্রিয়তম না করে দেয়ার ভারে অনেকে হয়েছেন বিমর্ষ। কিন্তু তাতে অবশ্য জীবন থমকে যাওয়ার কথা নয়।

প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা নিয়ে বিরহী মনকে শুধু দুঃখের গানের মধ্যেও আটকে ফেলা সম্ভবত উচিত হবে না। বরং আপনি যে একা, আপনার যে একাকিত্ব সেটিকে বরং উদযাপন করুন আজ। আজকের তারিখের দিকে একটু মনোযোগ দিলেই দেখবেন একাকিত্বের যে উজ্জ্বলতা, তার ছাপ রয়ে গেছে।

১১ নভেম্বরকে সংখ্যায় প্রকাশ করতে হলে লিখতে হয় ১১-১১। আর সেখানেই সিঙ্গল বা একাকী জীবনের প্রতিনিধিত্ব করছে দিনটি। তাই পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।

চীন দেশে এটিকে দেখা হয় বাণিজ্যিক ছুটির দিন হিসেবে। যেখানে একজন সঙ্গীহীন মানুষ নিজের এবং তার প্রিয় মানুষের জন্য কেনাকাটার মধ্য দিয়ে নিজের একাকিত্বকে উদযাপন করেন।

দিনটির গোড়াপত্তনও হয়েছিল চীন থেকে। দেশটির নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নিঃসঙ্গ শিক্ষার্থী, যারা ভালোবাসা চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন কিংবা সম্পর্কের টানাপড়েনে নিঃসঙ্গতা বেছে নিয়েছিলেন, তাদের হাত ধরে শুরু হয় সিঙ্গল ডে বা সঙ্গীহীনতা উদযাপন।

এই দলের সবাই ভালোবেসে ব্যর্থ হলেও জীবনের প্রতি ছিল তাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। তাই ভাবলেন, ভালোবাসার মানুষের জন্য বিলাপের বদলে একা থাকাকে উদযাপন করবেন দারুণ ছন্দে।

তাই ১৯৯৩ সালের ১১ নভেম্বরকে বেছে নিলেন তারা। যুক্তি? রোমান হরফে ১১ নভেম্বরকে লেখা হয় 11-11। এক মানেই একক, একা। কিন্তু লাঠির মতো দেখতে চারটি এক মিলে যেন সম্মিলিত শক্তি, জীবনকে উপভোগের নতুন প্রেরণা।

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ

তাই ভালোবাসা কিংবা ভ্যালেন্টাইনস ডে বিরোধী একটি আয়োজন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আনন্দ উদযাপন, বন্ধুদের সঙ্গে মজা করে দিনটি কাটাতে চান নিঃসঙ্গ মানুষেরা।

নিঃসঙ্গতার দিনটি উদযাপনের একটি উদাহরণ দেয়া যাক। একবার এক ছাত্র একটি সিনেমা হলের একটি আসন ফাঁকা রেখে রেখে পরের সব আসনের টিকিট কেটে নেয়। ফলে বেইজিং লাভ স্টোরি চলচ্চিত্রটি দেখতে আগ্রহী প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা দম্পতিরা আর পাশাপাশি বসে রোমান্টিক চলচ্চিত্র উপভোগ করতে পারলেন না। তাদের বসতে হলো দূরে দূরে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন কেনাকাটাকেন্দ্রিক দিনে পরিণত হয়েছে। আর তা শুরু করেছিলেন বাহারি পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলিবাবার প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল ঝাং। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো ‘সিঙ্গলস ডে সেল’ ঘোষণা করে পণ্যমূল্যে ছাড় দিয়েছিলেন তিনি। আর তাতে দেখা গেছে ওই একদিনের বিক্রি ‘সাইবার মানডে’-এর বিক্রিকেও ছাড়িয়ে গেছে।

২০১৭ সালের দিনটিকে ঘিরে ২৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে। ফলে ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ এবং ‘সাইবার মানডে’ দিনটির কাছে অর্থনৈতিক হিসেবে হয়েছে ধরাশায়ী।

আলিবাবা-এর মোবাইল ওয়ালেট অ্যাপ ‘আলিপে’-তে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর প্রতি সেকেন্ডে ট্রানজেকশন হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার বার।

যদিও দিনটি বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু উদযাপনটি এখনও যে উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছিল তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই আপনার সম্পর্কের অবস্থা যেটাই হোক, দিনটি উদযাপন করতে পারেন নিঃসংকোচে।

মন্তব্য

তারুণ্য
Yamarupi VR headset is death if you lose the game

যমরূপী ভিআর হেডসেট, খেলায় হারলেই মৃত্যু

যমরূপী ভিআর হেডসেট, খেলায় হারলেই মৃত্যু খেলায় হারলেই বিস্ফোরণে খুলি উড়িয়ে দেবে এই ভিআর হেডসেট। ছবি: সংগৃহীত
এই ভিআর হেডসেটের উদ্ভাবক বলছেন, ‘নিখুঁত গ্রাফিক্স একটি গেমটিকে আরও বাস্তবধর্মী হিসেবে দেখাতে পারে, তবে গুরুতর পরিণতির পরিবেশই কেবল পারে একটি গেমকে প্রতিটি মানুষের কাছে বাস্তবসম্মত করে তুলতে।’

প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যে গ্লাডিয়েটরদের নির্মম জীবনকাহিনি মোটামুটি সবার জানা। কখনও হিংস্র পশু, আবার কখনও প্রতিপক্ষ গ্লাডিয়েটরের মুখোমুখি হতেন তারা। অভিজাত রোমান দর্শকদের তুমুল হর্ষধ্বনির মাঝে চলত তুমুল লড়াই। এই লড়াইয়ে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। অ্যারেনা থেকে প্রাণ নিয়ে বের হতে হলে অবশ্যই হত্যা করতে হবে প্রতিপক্ষ গ্লাডিয়েটর বা হিংস্র পশুকে।

সেই রোমান সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে বহুকাল আগে, গ্লাডিয়েটর-প্রথাও বিলুপ্ত। তবে আধুনিক কালে ভিন্ন রূপে আবার ফিরে আসছে প্রাণঘাতী খেলা।

দ্য ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জের মতো অনলাইন ‘সুইসাইড গেম’-এর কথা সবার জানা। বিশেষত টিনএজারদের আকৃষ্ট করা এ ধরনের গেম কেড়ে নিয়েছে অনেকের জীবন।

এবার এমন এক ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেট তৈরির খবর বেরিয়েছে, যেটি পরে ভিডিও গেম খেললে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। খেলায় হারামাত্র সত্যি সত্যি খুন হয়ে যাবেন হেডসেট পরা মানুষটি।

প্রতিরক্ষা ঠিকাদার ও আধুনিক ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জনক পামার লাকি এমন ভিআর হেডসেট তৈরির কথা জানিয়েছেন। ব্যবহারকারীরা এটি পরে ভিডিও গেম খেলার পর হেরে গেলে ভিআরসেটটি তাকে মেরে ফেলবে।

সোর্ড আর্ট অনলাইন গেমটির কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি করেছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওকুলাস-এর প্রতিষ্ঠাতা পামার। একটি ব্লগ পোস্টে তিনি তিনি সোর্ড আর্ট অনলাইন সিরিজের একটি কাল্পনিক ইভেন্ট বর্ণনা করেছেন। এতে ১০ হাজার খেলোয়াড় একটি ভিআরএমএমএমওআরপিজি পরিবেশে আটকে পড়েন। এর মধ্যে ৪ হাজার খেলা চলাকালীন বিভিন্ন ভুলের কারণে মারা যান।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ম্যাসিভ মাল্টিপ্লেয়ার অনলাইন রোল-প্লেয়িং গেম (ভিআরএমএমএমওআরপিজি) হলো ভিডিও গেম ইন্টারফেসের একটি ফর্ম যেখানে মাথার সঙ্গে যুক্ত ডিসপ্লে, অডিও এবং ইনপুট ডিভাইস থাকে। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা ভিডিও গেমের পরিবেশের সঙ্গে পুরোপুরি একাত্ম হয়ে যান।

সোর্ড আর্ট অনলাইনের ইভেন্টটি ৬ নভেম্বর শুরু হয়েছে। আর এ উপলক্ষেই ব্লগ পোস্টে নিজের 'প্লে-অর-ডাই' ভিআর হেডসেট তৈরির তথ্য জানিয়েছেন পামার।

পামার তার ওকুলাস কোম্পনি ২০১৪ সালে ফেসবুকের কাছে ২০০ কোটি ডলারে বিক্রি করে দেন। এরপর তার ভার্চুয়াল প্রযুক্তি মেটার ভিত্তি হিসেবে রিব্র্যান্ড করেন মার্ক জাকারবার্গ।

পামারের উদ্ভাবিত প্রাণসংহারী হেডসেটটি দেখতে অনেকটা মেটা কোয়েস্ট প্রো-এর মতো। তবে এর স্ক্রিনের ওপরে তিনটি বিস্ফোরক চার্জ মডিউল যুক্ত রয়েছে। এই মডিউলগুলো সরাসরি ব্যবহারকারীর কপালের সঙ্গে যুক্ত এবং খেলায় হেরে গেলেই তা বিস্ফোরিত হয়ে ব্যবহারকারীর খুলি উড়িয়ে দেবে।

প্রাণঘাতী প্রকল্পে জড়িত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ব্লগ পোস্টে পামার লিখেছেন, ‘আপনার বাস্তব জীবনকে ভার্চুয়াল অবতারের সঙ্গে যুক্ত রাখার ধারণাটি আমাকে সব সময় উদ্দীপ্ত করেছে। আপনি সর্বোচ্চ স্তরে বাজি ধরেছেন এবং লোকজনকে মৌলিকভাবে ভাবতে বাধ্য করেছেন তারা কীভাবে ভার্চুয়াল জগৎ এবং এর ভেতরের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাস্তবের মতো যোগাযোগ করতে পারেন।’

তিনি বলছেন, ‘নিখুঁত গ্রাফিক্স একটি গেমটিকে আরও বাস্তবধর্মী হিসেবে দেখাতে পারে, তবে গুরুতর পরিণতির হুমকির পরিবেশই কেবল পারে একটি গেমকে প্রতিটি মানুষের কাছে বাস্তবসম্মত করে তুলতে।’

পামার মনে করছেন, জাপানের মতো দেশে অ্যানিমেশন এবং হালকা ঢঙের গল্পের সিরিজ সোর্ড আর্ট অনলাইন মানুষকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে আগ্রহী করে তুলছে।

এই গেমে খেলোয়াড়রা একটি নার্ভগিয়ার ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট পরে একটি নতুন গেমে লগ ইনের পর একজন পাগল বিজ্ঞানীর সন্ধান পান, যিনি তাদের ভার্চুয়াল জগতে আটকে রেখেছেন। পালানোর জন্য খেলোয়াড়দের ১০০ তলা অন্ধকূপের পথে পথে লড়াই চালাতে হয়।

ব্লগ পোস্টে পামার লেখেন, ‘সুসংবাদটি হলো আমরা একটি সত্যিকারের নার্ভগিয়ার তৈরির অর্ধেক পথে রয়েছি। আর খারাপ খবর হলো, এখন পর্যন্ত আমি ব্যবহারকারীকে হত্যার কেবল অর্ধেক উপায় সেখানে খুঁজে পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সোর্ড আর্ট অনলাইন গেমে নার্ভগিয়ার একটি মাইক্রোওয়েভ ইমিটার দিয়ে খেলোয়াড়দের হত্যা করে। তবে আমি বেশ স্মার্ট লোক, আমি এই হেডসেটটিকে বিশাল যন্ত্রপাতির সঙ্গে যুক্ত না করে আসল কাজটি (ব্যবহারকারীকে হত্যা) করার কোনো উপায় বের করতে পারিনি।’

সত্যি সত্যি হত্যার ঘটনা ঘটাতে পামার তার হেডসেটে বিস্ফোরক মডুলার যুক্ত করেছেন। তিনি এগুলোকে একটি সরু ব্যান্ড ফটো সেন্সরের সঙ্গে বেঁধে দেন। হেডসেটের স্ত্রিনে ‘গেম-ওভার’ লেখা প্রদর্শিত হলেই চার্জগুলো গরম হয়ে বিস্ফোরিত হয় এবং খুলি উড়িয়ে দেয়।

প্রাণঘাতী হেডসেটে তিনটি বিস্ফোরক চার্জ ব্যবহার করলেও এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেননি পামার। তবে বিস্ফোরক সম্পর্কে তার ধারণা ব্যাপক। পামার আন্দুরিল নামের একটি কোম্পানিরও প্রতিষ্ঠাতা। এই কোম্পানি অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ঠিকাদার হিসেবে আমেরিকার বিশেষ বাহিনীর জন্য যুদ্ধাস্ত্র, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করছে।

তিনি হেডসেটটির আরও ‘উন্নয়নের’ পরিকল্পনা করছেন। সে ক্ষেত্রে জালিয়াতি করে বা ভয় পেয়ে খেলার মাঝে হেডসেট খুলে ফেলা যাবে না।

পামার বলেন, ‘আমার একটি অ্যান্টি-টেম্পার মেকানিজমের পরিকল্পনা আছে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে হেডসেট অপসারণ বা ধ্বংস করা অসম্ভব হয়ে যাবে।

‘যতদূর জানি, এটি একটি ভিআর ডিভাইসের প্রথম নন-ফিকশন উদাহরণ, যা ব্যবহারকারীকে হত্যা করতে পারে।‘

আরও পড়ুন:
নাক দিয়েও দেখতে পায় কুকুর
সন্তান পরিবর্তন আনে বাবাদের মস্তিষ্কেও
হঠাৎ ব্রেকআপ? সামলাবেন কীভাবে?
প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে মানুষের খাবার!  
নিঃসঙ্গ বলেই কি বাড়ছে বয়স?

মন্তব্য

তারুণ্য
Rishi Sunak worked in a Bangladeshi restaurant in the UK

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন ঋষি

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন ঋষি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কুটি মিয়া (বাঁয়ে), লন্ডনে রেস্তোঁরায় ওয়েটারের কাজ করেছিলেন ঋষি সুনাক। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ছাত্রজীবনে সাউদাম্পটনে বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ‘কুটিস ব্রাসারি’ নামের ওই রেস্তোরাঁর মালিক কুটি মিয়া। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। কলেজে পড়াকালীন কুটিস ব্রাসারিতে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন ঋষি।

প্রথম হিন্দু ও মিশ্র বর্ণের ব্যক্তি হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক।

৪২ বছর বয়সী ঋষি ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে একটি হিন্দু-পাঞ্জাবি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবনে সাউদাম্পটনে বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন তিনি।

‘কুটিস ব্রাসারি’ নামের ওই রেস্তোরাঁর মালিক কুটি মিয়া। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে।

কলেজে পড়াকালীন কুটিস ব্রাসারিতে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন ঋষি।

এমন তথ্য জানিয়ে কুটি মিয়া বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সব শিক্ষার্থীই পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন ও ছুটি কাটাতে ছাত্রজীবনেই বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হন। ঋষি সুনাকও অভিজ্ঞতা অর্জনে আমার রেস্তোরাঁয় নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে কিছুদিন কাজ করেন।’

কুটি বলেন, ‘তখন ঋষি কলেজে পড়তেন। কলেজ ছুটি চলাকালীন সপ্তাহে দুই দিন তিনি রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ করতেন।’

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন ঋষি

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কুটি মিয়ার মালিকানাধীন রেস্তোরাঁ কুটিস ব্রাসারি। ছবি: নিউজবাংলা

ঋষি নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন জানালেও নির্দিষ্ট করে কোনো সাল মনে করতে পারেননি কুটি মিয়া।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গ্র্যাজুয়েশন করেন ২০০৩ সালে। ১৯৯৮-৯৯ সালের দিকে তিনি ওই রেস্তোরাঁয় কাজ করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঋষির দাদা রামদাস সুনাক চাকরিসূত্রে পাকিস্তানের গুজরানওয়ালা ছেড়ে ১৯৩৫ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে চলে যান। রামদাস ও সুহাগ দম্পতির ৬ সন্তান (৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে)।

ঋষির বাবা যশবীর সুনাক চিকিৎসাবিজ্ঞানে লেখাপড়ার জন্য ১৯৬৬ সালে লিভারপুলে চলে আসেন। এরপর ১৯৮০ সালে সাউদাম্পটনে ঋষির জন্ম হয়।

চিকিৎসাজনিত কারণেই যশবীর সুনাকের সঙ্গে পরিচয় হয় যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী কুটি মিয়ার। এরপর তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে।

ঋষির বাবা যশবীর সুনাককে বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে কুটি মিয়া জানান, বাবার (যশবীর) সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরেই ঋষি তার রেস্তোরাঁয় কাজ করতে আসেন।

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন ঋষি

লন্ডনে রেস্তোঁরায় ওয়েটার হিসেবেও কাজ করেছিলেন ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ছবি: নিউজবাংলা

কাজের ব্যাপারে ঋষি খুব মনোযোগী ছিলেন জানিয়ে কুটি মিয়া বলেন, ‘অসাধারণ ভালো মানুষ তিনি। খণ্ডকালীন কাজ হলেও তিনি কাজে খুব সিরিয়াস ছিলেন। তরুণ বয়স থেকেই কাজের প্রতি তার একাগ্রতা ছিল।’

কুটি মিয়া বলেন, ‘আমি এসব কথা বলতে চাইনি, কিন্তু এখন এটা বলছি, যাতে এখানকার অভিবাসীরা ঋষির জীবন থেকে শিক্ষা নিতে পারে। যদি অভিবাসীরা তাদের সন্তনদের ভালো শিক্ষা দিতে পারেন, তাহলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদেও আরোহণ করা সম্ভব।’

ঋষি সুনাক তার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারেও কুটিস ব্রাসারিতে কাজের কথা উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাজ্যের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রেস্তোরাঁয় কাজের কথা উল্লেখ করে ঋষি বলেন, ‘রেস্তোরাঁয় কাজের অভিজ্ঞতা খুব ভালো ছিল। নিজে খাবারের অর্ডার নেয়া থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশন, টেবিল পরিষ্কারের মতো সব কাজই করতাম। কাজটি সহজ ছিল না।’

গত ২৫ অক্টোবর বাকিংহাম প্যালেসে যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঋষি সুনাক। এরপর রাজপ্রাসাদ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ঋষি সুনাককে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় ঋষি সুনাককে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ঋষিকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন
ঋষি আসলে কতটা ভারতীয়  
গীতায় হাত রেখেই শপথ নেবেন ঋষি

মন্তব্য

তারুণ্য
Bangladesh Bank recruitment exam hurdles cleared

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবারই

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবারই
গত ১০ মে সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদের জন্য করা বিজ্ঞপ্তিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুনরায় প্রকাশ করা হয়নি।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার বাধা কেটেছে। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবরই এই পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এই পরীক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন। এই পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর নিতে সূচি ঠিক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে একটি রিট আবেদনে গত ২৩ অক্টোবর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক মাসের জন্য পরীক্ষাটি স্থগিত করে দেয়। হাইকোর্টের সেই স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আদালতে ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন খান মুহাম্মদ শামীম আজিজ। হাইকোর্টের রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রাশেদুল হক।

রাশেদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের রিটে হাইকোর্ট নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছিল। হাইকোর্টের সেই আদেশটি চেম্বার বিচারপতি স্থগিত করেছেন। আদালত বলেছে, আপনারা আরও আগে আসলে এই আদেশ বহাল রাখা সম্ভব হতো। এখন এই পরীক্ষাটা হয়ে যাক। নেক্সট পরীক্ষাগুলোতে যেন সার্কুলারটা মানে সেই নির্দেশনা আমরা দিয়ে দিচ্ছি। না মানলে আপনারা আবার কোর্টে আসতে পারেন।’

হাইকোর্ট পরীক্ষা স্থগিতের পাশাপাশি একটি রুলও দিয়েছিল। তাতে এই নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করে চাকরি প্রত্যাশীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণ করার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

গত ১০ মে বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। এর মধ্যে গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের বয়সসীমার ক্ষেত্রে ৩৯ মাস ছাড় দেয়। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করতে হবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নিয়োগের ক্ষেত্রে ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে পুনরায় জারি করা হয়নি উল্লেখ করে রাশেদুল বলেছিলেন, এতে অনেক চাকরি প্রত্যাশী আবেদন থেকে বঞ্চিত হন। বঞ্চিত একজন চাকরি প্রত্যাশী বয়সের ছাড় দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি পুনরায় জারি করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদনও করেন।

সেই আবেদনে বলা হয়, এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (গবেষণা), সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান), অফিসার (পুরকৌশল), অফিসার (তড়িৎকৌশল), অফিসার (যন্ত্রকৌশল) ও অফিসার (সাধারণ) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে ২০২১ সালের বিভিন্ন তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিসমূহ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্ধারণ করে পুনঃবিজ্ঞপ্তি জারি করে। কিন্তু গত ১০ মে সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদের জন্য করা বিজ্ঞপ্তিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুনরায় প্রকাশ করা হয়নি।

পরে মির্জা রকিবুল হাসান নামের এক চাকরি প্রত্যাশী বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার বাধা কেটেছে। ২৮ অক্টোবর যথারীতি এই পরীক্ষা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক’ (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রিট পিটিশনের ওপর হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক গত ২৩ অক্টোবর স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ হাইকোর্ট বিভাগ উল্লিখিত আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।

‘এর ফলে আগামী ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।’

‘মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬৫ জন প্রার্থীর ১ ঘণ্টাব্যাপী ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি টেস্ট ২৮ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা শহরের ৪৫টি কেন্দ্রে একযোগে হবে। প্রিলিমিনারি টেস্টের সময়সূচি, পরীক্ষার কেন্দ্র এবং আসন বিন্যাস-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চাকরি
কর্মী নেবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি
প্রশ্নপত্র ফাঁস: বিমানের ৫ কর্মী চাকরিচ্যুত
১২৫ চাকরি দিচ্ছে আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার
যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৩ চাকরি

মন্তব্য

p
উপরে