× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

তারুণ্য
Bangladesh Bank recruitment exam hurdles cleared
hear-news
player
google_news print-icon

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবারই

বাংলাদেশ-ব্যাংকের-নিয়োগ-পরীক্ষা-শুক্রবারই
গত ১০ মে সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদের জন্য করা বিজ্ঞপ্তিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুনরায় প্রকাশ করা হয়নি।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার বাধা কেটেছে। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবরই এই পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এই পরীক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন। এই পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর নিতে সূচি ঠিক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে একটি রিট আবেদনে গত ২৩ অক্টোবর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক মাসের জন্য পরীক্ষাটি স্থগিত করে দেয়। হাইকোর্টের সেই স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আদালতে ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন খান মুহাম্মদ শামীম আজিজ। হাইকোর্টের রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রাশেদুল হক।

রাশেদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের রিটে হাইকোর্ট নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছিল। হাইকোর্টের সেই আদেশটি চেম্বার বিচারপতি স্থগিত করেছেন। আদালত বলেছে, আপনারা আরও আগে আসলে এই আদেশ বহাল রাখা সম্ভব হতো। এখন এই পরীক্ষাটা হয়ে যাক। নেক্সট পরীক্ষাগুলোতে যেন সার্কুলারটা মানে সেই নির্দেশনা আমরা দিয়ে দিচ্ছি। না মানলে আপনারা আবার কোর্টে আসতে পারেন।’

হাইকোর্ট পরীক্ষা স্থগিতের পাশাপাশি একটি রুলও দিয়েছিল। তাতে এই নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করে চাকরি প্রত্যাশীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণ করার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

গত ১০ মে বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। এর মধ্যে গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের বয়সসীমার ক্ষেত্রে ৩৯ মাস ছাড় দেয়। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করতে হবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নিয়োগের ক্ষেত্রে ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে পুনরায় জারি করা হয়নি উল্লেখ করে রাশেদুল বলেছিলেন, এতে অনেক চাকরি প্রত্যাশী আবেদন থেকে বঞ্চিত হন। বঞ্চিত একজন চাকরি প্রত্যাশী বয়সের ছাড় দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি পুনরায় জারি করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদনও করেন।

সেই আবেদনে বলা হয়, এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (গবেষণা), সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান), অফিসার (পুরকৌশল), অফিসার (তড়িৎকৌশল), অফিসার (যন্ত্রকৌশল) ও অফিসার (সাধারণ) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে ২০২১ সালের বিভিন্ন তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিসমূহ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্ধারণ করে পুনঃবিজ্ঞপ্তি জারি করে। কিন্তু গত ১০ মে সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদের জন্য করা বিজ্ঞপ্তিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুনরায় প্রকাশ করা হয়নি।

পরে মির্জা রকিবুল হাসান নামের এক চাকরি প্রত্যাশী বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার বাধা কেটেছে। ২৮ অক্টোবর যথারীতি এই পরীক্ষা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক’ (সাধারণ) পদে নিয়োগ পরীক্ষার স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রিট পিটিশনের ওপর হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক গত ২৩ অক্টোবর স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ হাইকোর্ট বিভাগ উল্লিখিত আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।

‘এর ফলে আগামী ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।’

‘মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬৫ জন প্রার্থীর ১ ঘণ্টাব্যাপী ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি টেস্ট ২৮ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা শহরের ৪৫টি কেন্দ্রে একযোগে হবে। প্রিলিমিনারি টেস্টের সময়সূচি, পরীক্ষার কেন্দ্র এবং আসন বিন্যাস-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চাকরি
কর্মী নেবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি
প্রশ্নপত্র ফাঁস: বিমানের ৫ কর্মী চাকরিচ্যুত
১২৫ চাকরি দিচ্ছে আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার
যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৩ চাকরি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

তারুণ্য
K Crafts spring love day event

কে-ক্রাফটের বসন্ত-ভালোবাসা দিবসের আয়োজন

কে-ক্রাফটের বসন্ত-ভালোবাসা দিবসের আয়োজন
পোশাকগুলোর ডিজাইন, কম্পোজিশন ও রঙে থাকছে বসন্তের ছোঁয়া ও ভালোলাগার অনুভূতি। পোশাকের সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন রকমের ফ্যাশন এক্সেসরিস। এ ছাড়া যুগল পোশাকের রয়েছে বিশেষ সম্ভার।

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউস কে-ক্রাফট নিয়ে এলো বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের কালেকশনে। এই কালেকশনে থাকছে নতুন নতুন ডিজাইনের শাড়ি, টপস, সালোয়ার-কামিজ, পুরুষদের ফতুয়া, শর্ট-পাঞ্জাবি ও শিশুদের পোশাক। রং হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে বাসন্তি, হলুদ, কমলা, গোল্ডেন ইয়েলো, ম্যাজেন্টা ও নীল।

পোশাকগুলোর ডিজাইন, কম্পোজিশন ও রঙে থাকছে বসন্তের ছোঁয়া ও ভালোলাগার অনুভূতি। পোশাকের সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন রকমের ফ্যাশন এক্সেসরিস। এ ছাড়া যুগল পোশাকের রয়েছে বিশেষ সম্ভার।

কে-ক্রাফটে শাড়ির দাম ৮৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা। এছাড়া টপস ৬৫০ টাকা থেকে ১২০০, সালোয়ার কামিজ ২১০০ টাকা থেকে ৩০০০, ফতুয়া ৫০০ থেকে ৮৫০, শর্ট-পাঞ্জাবি ৮৫০ থেকে ১৩০০ টাকা এবং শার্ট ৫৫০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

মন্তব্য

তারুণ্য
Twenty three ways to be better in 2023

২০২৩-এ ভালো থাকার ‘তেইশ’ উপায়

২০২৩-এ ভালো থাকার ‘তেইশ’ উপায় ছবি: ভাইস
অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে পার্থক্য করে সময়। তাই সময়কে রাতারাতি বদলানোর কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। পুরোনো বছর থেকে পাওয়া শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সুন্দর একটা বছর কাটাতে পারেন আপনিও।

দেখতে দেখতে কেটে গেল আরও একটি বছর। নতুন বছর আসলে জীবনকে নতুনভাবে শুরু করার দারুণ এক সুযোগ এনে দেয়। তাই শুরু থেকে যদি পরিকল্পনা সাজানো যায়, তবে মনে রাখার মতো আরেকটি বছরে পা রাখতে যাচ্ছেন আপনি!

২০২৩ সালকে আরও উপভোগ্য করতে নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো। লেখক রোমানো স্যান্টোসের দেয়া এসব টিপস আপনার জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে-

১. বদলাবেন না

নতুন বছরের আগমন আপনাকে মনে করিয়ে দিতে পারে যে জীবনে কিছু বড় পরিবর্তন করতে হবে। তবে বর্তমান জীবনকে আপনি যদি উপভোগ করেন, তবে বদলানোর প্রয়োজন নেই... অন্তত এই মুহূর্তে।

ছুটির দিনে যদি আপনি বাড়িতে ঘুমিয়ে কাটাতে পছন্দ করেন, তবে তাই করুন। এমনটা করে যদি সবকিছু ঠিকঠাক চলে, তাহলে সমস্যা কী!

২. পরিবারকে ফোন করুন

হ্যাঁ, পরিবারের সঙ্গে আপনার আরও বেশি সময় কাটানো উচিত। তবে এতে যদি পরিবার বিরক্ত হয়, তবে বাদ দিন। পরিবারের বাইরের মানুষেরা কিন্তু সব সময় খারাপ হয় না। তাদের সঙ্গে প্রাণ খুলে আড্ডা দিন। পরিচিত কেউ অসুস্থ হলে তার কাছে ছুটে যান। তবে এতে যদি দীর্ঘ মেয়াদে আপনার মন খারাপ থাকে, তাহলে না গেলেই ভালো। ফোনে খোঁজখবর নিতে পারেন।

৩. অফিসের সব ছুটি কাজে লাগান

অসুস্থ হলে কাজ করবেন না। অফিসকে জানান, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আপনার একটা ব্রেক দরকার। ছুটির ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পরিকল্পনা সাজিয়ে নিন এবং এটি অনুসরণ করুন।

৪. অফিস থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিন

অফিসে আপনার পাওয়া ছুটিগুলো বুঝে নিন। এ কাজ করে আপনি কী কী সুবিধা পাচ্ছেন তার তালিকা করুন। বসকে আরও বেশি বেশি প্রশ্ন করুন। হয়তো দেখা যাবে, নতুন বছরে আপনার ইন্টারনেট খরচ আপনার অফিস বহন করতে পারে অথবা নতুন কিছু একটা কেনার জন্য টাকা দিতে পারে। মনে রাখবেন, এমন আবদারের জন্য বস আপনাকে ছাঁটাই করবেন না।

৫. পরিস্থিতি তৈরি করুন

নিজেকে খুশি রাখার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। আপনিই আপনার দুনিয়া। তাই সব সময় চারপাশে হাসিখুশি আবহ তৈরির চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, জীবন অল্প দিনের। দেখতে দেখতে কেটে যায়। তাই যতটা সম্ভব জীবনকে উপভোগ করুন।

৬. ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লাইক দেয়া বন্ধ করুন

অন্যদের আনন্দ-কষ্ট নিজের মধ্যে ধারণ করা বিরাট ব্যাপার। আপনার বন্ধুদের স্টোরিতে অন্তত একটি ইমোজির সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহস জোগাড় করুন।

৭. সুখের সন্ধান করুন

দূষিত আনন্দ (গিলটি প্লেজার) বলে কিছু নেই। কারণ ভালো বোধ করলে আপনার খারাপ বোধ হবে না। ফৌজদারি অপরাধ কিংবা কাউকে আঘাত করা বাদে যে জিনিসগুলো আপনি উপভোগ করেন সেগুলোর জন্য লজ্জিত হওয়ার দরকার নেই। সেগুলো উপভোগ করতে থাকুন।

৮. রহস্যময় কিছুর চেষ্টা করুন

এর জন্য আপনাকে খুব বেশি ভাবতে হবে না। জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করুন। আপনার যে বন্ধু এ বিষয়ে পারদর্শী তার সঙ্গে কথা বলুন। এটা ভালো না লাগলে সামাজিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ঘুরে আসুন। এখানে অন্য এক আপনাকে খুঁজে পাবেন হয়তো।

৯. ব্যবহারিক কিছু শিখুন

আমরা এমন একটি সমাজে বাস করি যেখানে একটি স্ক্রিনে কয়েকটি বোতাম টিপে বেশির ভাগ কাজ করা যায়। মনে রাখবেন, আপনার মন ও শরীর এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু করতে সক্ষম। মিউজিক বাজান, খাবার রান্না করেন কিংবা গাড়ি চালান- এগুলো আপনাকে ব্যবহারিক কাজের আনন্দ দেবে।

১০. সামর্থ্যের সবটুকু ব্যবহার করুন

বেঁচে থাকার জন্য আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তার বাইরে কখন কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং কখন এটিকে সহজভাবে নিতে হবে তা পুরোপুরি আপনার ওপর নির্ভর করে।

যে বিষয়গুলো মনকে ক্লান্ত করে এগুলো এড়ানো উচিত। আপনি যদি আপনার চাকরিকে সত্যিই উপভোগ করেন এবং এটি যদি আপনার জীবনে গতি আনে তবে সেখানে সর্বোচ্চটা ঢেলে দিন।

১১. আরও ভালো ছবি এবং ভিডিও করুন

আপনি যা মনে রাখতে চান তা মনে রাখার আরও উপায় আছে। আপনি কীভাবে আরও ভালো ছবি এবং ভিডিও তুলতে পারেন সে সম্পর্কে হাজার হাজার নিবন্ধ এবং ভিডিও রয়েছে৷ ঘেঁটে দেখুন।

১২. স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হোন

এই বিষয়গুলো আমরা সবাই কমবেশি জানি। তারপরও নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে যে- আরও পানি খেতে হবে, ভালো ঘুম প্রয়োজন, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সূর্য থেকে কিছু ভিটামিন গ্রহণ করুন। সবশেষ, অবশ্যই মাঝেমধ্যে শারীরিক পরীক্ষা করুন৷

১৩. সামাজিক প্ল্যাটফর্মের কিছু বিষয় সম্পর্কে বই পড়ুন

টিকটক বা পডকাস্টে শুনেছেন এমন কোনো বিষয় যদি আপনার মনকে আন্দোলিত করে তবে আরও তথ্যের জন্য আপনি এ বিষয়ের ইতিহাস ঘেঁটে দেখতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে এতে মন আরও প্রফুল্ল হয়।

১৪. খারাপ মেজাজকে জড়িয়ে ধরুন

কেউই সব সময় খুশি থাকে না। আর কেউ থাকেলও তার মানে এই নয় যে, আপনাকে তা হতে হবে। আপনার অনুভূতি অনুভব করুন। নেতিবাচক আবেগ থেকে বেরোতে আপনার যতটা সময় প্রয়োজন, তা নিন। এসব আবেগ যত পুষে রাখবেন, আপনি ততই অসুখী হবেন।

১৫. এড়িয়ে যাওয়া শিখুন

চারপাশের কিছু মানুষ আছে যারা প্রতিনিয়ত আপনাকে বিরক্ত, অপমান কিংবা আঘাত করার চেষ্টায় থাকে। এগুলো হয়তো সব সময় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। নতুন বছরে আপনাকে এগুলোকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা শিখতে হবে। তাদের সম্পর্কে চিন্তা করাও যাবে না।

১৬. কিছু মানুষকে ক্ষমা করুন

আমাদের রেগে যাওয়া কিংবা হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। এর পাশাপাশি ক্ষমা করারও অনেক কারণ থাকে। হতে পারে ব্রেকআপ হয়ে গেছে কিংবা বন্ধুত্বের সম্পর্কটা খারাপ হয়ে গেছে। চেষ্টা করুন, সম্পর্কটাকে সুন্দর করা যায় কি না। যাদের অপর রেগে আছেন তাদের ক্ষমা করে দিন। যদিও বিষয়টা এতটা সহজ না। তবে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আপনার ভালো স্মৃতিগুলো এ ক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে নিশ্চিতভাবে।

১৭. নির্ভার হোন

অনেকে আছেন যারা নিজের বা অন্যের প্রত্যাশার ভার বহন করেন। কাঁধ থেকে এই ভার নামিয়ে ফেলুন। কারণ যখন থেকে এটা আপনার কাছে বোঝা মনে হবে, সেদিন থেকে আপনি পিছিয়ে পড়তে শুরু করবেন। এভাবে কখনোই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আপনার কাছে ধরা দেবে না। তাই নির্ভার থাকুন, জীবনটাকে উপভোগ করুন।

১৮. কিছু নতুন যৌনকৌশল শিখুন

হতে পারে আপনি যৌন সম্পর্কে দারুণ। তবে এর অর্থ এই নয় যে অভিনব নতুন কৌশল বা আপনি শিখবেন না। এগুলো আপনার জীবনে বৈচিত্র্য আনবে। মনকে সতেজ রাখবে।

১৯. কিছু সম্পর্কে যত্ন নেয়া শুরু করুন

পৃথিবীতে অনেক কিছুই ঘটছে। অনেক কিছুর পরিবর্তন হচ্ছে। কিছু বিষয় ৫ বা ১০ বছরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হবে, অন্যগুলো কেবল সময়ের অপচয়। আপনার কাজে আসবে সে বিষয়গুলো বাছাই করুন। তারপর সেসবের ওপর বেশি গুরুত্ব দিন। এতে সময়ের অপচয় কমার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আপনি লাভবানও হতে পারেন।

২০. কিছু বিষয় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন

সবকিছু সবার সঙ্গে শেয়ার না করাই ভালো। কিছু বিষয় আছে যেগুলো গোপন রাখার মতো আনন্দ আর কোথাও পাবেন না। ধরেন, কারও সঙ্গে আপনি ডেটে গেছেন, চমৎকার একটা সন্ধ্যা উপভোগ করলেন। অথবা বন্ধুমহলে আলোচিত একটি বারে ঢুকে দু-পেগ পান করেছেন। এ বিষয়গুলো নিজের মধ্যেই রাখা ভালো।

২১. বই পড়ুন, গান শুনুন, সিনেমা দেখুন

দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বিনোদনের জন্য বরাদ্দ রাখুন। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে বাড়ি ফিরে পছন্দের বইটি নিয়ে নড়াচড়া করুন। ভালো না লাগলে, সিনেমা দেখুন। গান তো সব সময় আপনার চারপাশে থাকেই।

২২. অনলাইনে খুঁতখুঁতে হওয়া ভালো

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কিছুই আপনার পছন্দ হয় না। তাই বলে এসব নিয়ে ভেবে সময়ের অপচয় করবেন না। যে চ্যানেল বা প্রোফাইল আপনার ভালো লাগে, তাদের সঙ্গেই বেশি সময় কাটান। আর যেগুলো আপনাকে বিরক্ত করে সেগুলোকে আনফলো করতে দ্বিতীয়বার ভাববেন না।

২৩. হাসুন এবং হাসান

মনে রাখবেন, আপনি ছাড়া কিন্তু চারপাশের অস্তিত্ব একেবারেই মূল্যহীন। নিজেকে সব সময় প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি অন্যকেও আনন্দ দেয়ার উপায় খুঁজুন। দেখবেন, জীবনটা মন্দ না।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে নববর্ষের আয়োজনে মুখোশ-বাঁশি নিষিদ্ধ
নববর্ষে শোভাযাত্রা করবে আ. লীগ
টমটম-টেপা পুতুলের মন খারাপ
জঙ্গি তৎপরতার তথ্যে রমনায় বাড়তি নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার
দুপুর ২টার মধ্যে শেষ করতে হবে নববর্ষের অনুষ্ঠান

মন্তব্য

তারুণ্য
Thousands of voices celebrate the victory with national anthem

হাজারো কণ্ঠে দেশগানে বিজয় উদযাপন

হাজারো কণ্ঠে দেশগানে বিজয় উদযাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শুক্রবার বিকেলে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মুক্ত প্রাণের প্রতিধ্বনি হয়ে সকলের সম্মিলিত কণ্ঠে দেশের গান উচ্চারিত হওয়ার ঘোষণায় ২০১৫ সাল থেকে মহান বিজয় দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠে দেশগান গাইবার আয়োজন করে থাকে ছায়ানট। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে বন্ধ ছিল এই আয়োজন। ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানের জন্য বিজয় দিবসের আয়োজন উক্ত স্থানে করা সম্ভব হয়নি।

বিজয় দিবসে একই মঞ্চে হাজারো কণ্ঠে পরিবেশন হলো দেশের গান। এর নাম রাখা হয় ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান।’

ছায়ানটের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শুক্রবার বিকেলে হয় এ অনুষ্ঠান।

মুক্তকণ্ঠে দেশের গান ছাড়াও ছিল দেশকথা শোনা, বলা এবং ‘সবাই মিলে নৃত্যশৈলী’র আয়োজন। পুরো আয়োজন জুড়ে প্রতীকীভাবে জাতীয় পতাকার রঙ দিয়ে সজ্জিত করার প্রয়াস লক্ষ্য করা গেছে।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

গৌতম সরকার ও স্বরূপ হোসেনের তবলা, শিবু দাসের ঢোল ও প্রদীপ কুমার রায়ের মন্দিরার দ্যোতনায় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ ও বাঙালির পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের ক্ষণকে স্মরণ করে সম্মিলিত কণ্ঠে ৪টা ৩১ মিনিটে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

রবিন্স চৌধুরীর কিবোর্ডে ও রতন কুমারের দোতরায় এবারের আয়োজনে পরিবেশিত হয় আটটি সম্মেলক গান, সাথে সম্মেলক নৃত্য। সঙ্গে ছিল একক পরিবেশনাও।

নৃত্যগীত পর্বে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আজ বাংলাদেশের হৃদয় হতে’, ‘এখন আর দেরি নয়’; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা’ ও ‘চল্ চল্ চল্’ সঙ্গীতে সম্মিলিত নৃত্যগীত পরিবেশন করে ছায়ানটের শিল্পীরা।

সুরকার শ্যামল মিত্র ও গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের ‘বাংলার হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ’, মোঃ মোশাদ আলীর ‘বলো বলোরে বলো সবে’; আবদুল লতিফের ‘লাখো লাখো শহিদের রক্তমাখা’; আব্দুল করিমের ‘হেঁইয়ো রে হেঁইয়ো’ উচ্চারিত হয় সম্মিলিত কণ্ঠে ও নৃত্যে।

একক আবৃত্তি পর্বে কবি শামসুর রাহমানের ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের ‘ছবি’ আবৃত্তি করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। একক গান অংশে গীতিকার গোবিন্দ হালদার ও সুরকার আপেল মাহমুদের ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ আবৃত্তি করেন নাসিমা শাহীন ফ্যান্সী। জীবনানন্দ দাশের ‘বাংলার মুখ, আমি দেখিয়াছি’ গান পরিবেশন করেন সুমন মজুমদার। গানের সুরদাতা হলেন অজিত রায়।

মুক্ত প্রাণের প্রতিধ্বনি হয়ে সকলের সম্মিলিত কণ্ঠে দেশের গান উচ্চারিত হওয়ার ঘোষণায় ২০১৫ সাল থেকে মহান বিজয় দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠে দেশগান গাইবার আয়োজন করে থাকে ছায়ানট।

হাজারো কণ্ঠে দেশগানে বিজয় উদযাপন

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে বন্ধ ছিল এই আয়োজন। ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানের জন্য বিজয় দিবসের আয়োজন উক্ত স্থানে করা সম্ভব হয়নি।

আয়োজকেরা জানান, পাকিস্তান আমলে বাঙালির মনে আত্ম-পরিচয়ে বাঁচার বিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে ১৯৬৭ সালে ছায়ানট বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান শুরু করেছিল। বিশ্ব জুড়ে ধর্ম-বর্ণ-আদর্শ নির্বিশেষে পহেলা বৈশাখ বর্তমানে বাঙালির সবচেয়ে বড় প্রাণের উৎসব। সেই সাংস্কৃতিক জাগরণের সঙ্গে মানবিক বোধ সঞ্চারের লক্ষ্যে ‘সকলে মিলে দেশ-গান গাইবার, দেশ-কথা বলবার’ এই অনুষ্ঠান শুরু হয় ২০১৫ সালের বিজয়-দিবসে।

মহান বিজয়-দিবসের দিনে ভেদাভেদ দূরে ঠেলে জাতীয় পতাকার সবুজে দেহ ও মন রাঙিয়ে সর্বান্তকরণে ষোল আনা বাঙালি হয়ে উঠবার ব্রত নিতে সবাইকে আহ্বান জানায় তারা।

বিজয় দিবসে ভোর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল নানা আযোজন। দিবসটিতে কলা ভবন, কার্জন হল, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও স্মৃতি চিরন্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিএনপির বিজয় মিছিল
বিএনপির বিজয় শোভাযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত ৫৫
অর্থ পাচার করে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সরকার: মোশাররফ
দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়নি: নুর

মন্তব্য

তারুণ্য
Human Rights Day Celebration at CUB

সিইউবিতে মানবাধিকার দিবস উদযাপন

সিইউবিতে মানবাধিকার দিবস উদযাপন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের (সিইউবি) মানবাধিকার দিবস উদযাপন। ছবি: নিউজবাংলা
‘মানবধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা’ স্লোগান সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছাড়াও অন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। পরে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়।

আইন বিভাগের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন করল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে সোমবার আয়োজনটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক।

এ সময় সিইউবির কোষাধ্যক্ষ ও স্কুল অফ আর্টসের ডিন এ এস এম সিরাজুল হক, আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক সানজাদ শেখসহ অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

একটি উন্নত বিশ্ব গড়তে শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

‘মানবধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা’ স্লোগান সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছাড়াও অন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। পরে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়।

এ ছাড়াও ছিল পোস্টার প্রেজেন্টেশন। এতে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি তারা বছর ধরে মানবাধিকার দিবসের চেতনা বহন করার আহ্বান জানান।

সিইউবির আইন বিভাগের উপদেষ্টা ড. মো. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে পোস্টার প্রেজেন্টেশনে পুরস্কারও বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে পেশাজীবীদের জন্য ৬০% ছাড়ে ই-এমবিএ
সিইউবিতে শিপিং অ্যান্ড মেরিটাইম সায়েন্সে পড়ার সুযোগ
সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের
সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী
সিইউবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের রোড শো

মন্তব্য

তারুণ্য
Three young architects received KSRM Award

কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন তরুণ স্থপতি

কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন তরুণ স্থপতি বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে আইএবি সেন্টারে অতিথিদের সঙ্গে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস: বেস্ট আন্ডার গ্র্যাজুয়েট থিসিস’ জয়ীরা। ছবি: নিউজবাংলা
পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তাওরিম রাহুল সিংহ। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) মাহির অরিত্র ও তৃতীয় হয়েছেন ইউনির্ভাসিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) মো. নাফিউ।

‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস: বেস্ট আন্ডার গ্র্যাজুয়েট থিসিস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিন মেধাবী ও তরুণ ভবিষ্যৎ স্থপতি। চতুর্থবারের মতো এই অ্যাওয়ার্ড দিল কেএসআরএম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইনস্টিটিউট অফ আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি) সেন্টারে কেএসআরএমের পক্ষে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হয়।

পাঁচজন বিশিষ্ট স্থপতিকে নিয়ে গঠিত বিচারক প্যানেল আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর দূরদর্শিতা ও মেধার ভিত্তিতে এ তিনজনকে মনোনীত করে।

পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তাওরিম রাহুল সিংহ। দ্বিতীয় হয়েছেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) মাহির অরিত্র ও তৃতীয় হয়েছেন ইউনির্ভাসিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) মো. নাফিউ।

বিজয়ীদের হাতে যথাক্রমে ১ লাখ, ৭৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকার চেক এবং সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। কেএসআরএম ও আইএবি যৌথ উদ্যোগে সেরা গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে প্রকল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মানজুরুর রহমান। তিনি বিজয়ীদের হাতে অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এতে বক্তব্য দেন কেএসআরএম মার্কেট রিসার্স অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট উইংসের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম ও আইএবির সাধারণ সম্পাদক স্থপতি ফারহানা শারমীন ইমু।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থপতি রাশেদ চৌধুরী। সূচনা বক্তব্য দেন আইএবি সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও সম্পাদক (শিক্ষা) আরেফিন ইব্রাহিম।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (ব্রান্ড) শাহেদ পারভেজ, ডেপুটি ম্যানেজার মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সিনিয়র অফিসার মিজান উল হক, মিথুন বড়ুয়া।

অনুষ্ঠান আয়োজনের সমন্বয়ক ছিলেন স্থপতি সায়মুম কবীর।

কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম বলেন, তারুণ্যের উচ্ছ্বল মনন আমাদের ভবিষ্যৎ নাগরিক নির্মাণের মূলশক্তি; ঠিক যেমন কেএসআরএম স্টিল। আগামীদিনের এই সুন্দর মননগুলোকে চিনতে পারলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের স্বপ্ন আর আকাঙ্ক্ষা নির্মাণে তা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যেসব মেগা স্ট্রাকচার উদ্বোধন করা হচ্ছে কিংবা যেগুলো নির্মাণাধীন সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতেও একই ভাবনা কাজ করে।

দেশের অন্যতম ইস্পাত প্রস্তুতকারী শিল্প গ্রুপ কেএসআরএম প্রতিবছর তিন উদীয়মান, মেধাবী ও নবীন স্থপতিকে অ্যাওয়ার্ড দিয়ে থাকে। এ উপলক্ষে কেএসআরএম ও আইএবি’র মধ্যে ১০ বছরের একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয় ২০১৯ সালে। সেই চুক্তির আওতায় আইএবি স্বীকৃত দেশের স্বনামধন্য ১১টি আর্কিটেকচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্নাতক পর্যায়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এ অ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে থাকেন।

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সেরা তিন প্রতিযোগী চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এবার ২৮ জন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর প্রজেক্টের মধ্য থেকে সেরা তিনজনকে বাছাই করে পাঁচজন স্থপতির জুরি বোর্ড। ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে আইএবি সেন্টারে প্রজেক্টগুলোর প্রদর্শনী হয়।

আরও পড়ুন:
নাশিদ-আরমীনের অ্যালবাম পেল গ্র্যামি মনোনয়ন
তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নেবে: জয়
ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড: সেরা রণবীর-কৃতি
ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি তরুণ
সিইউবির আনুশা পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড

মন্তব্য

তারুণ্য
Indian youth came to Bangladesh by bicycle

বৈষম্যবিরোধী বার্তা নিয়ে সাইকেলে ভারত থেকে বাংলাদেশে

বৈষম্যবিরোধী বার্তা নিয়ে সাইকেলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ধিরাজ কুমার গুপ্তার বাড়ি ভারতের পাঞ্জাবে। ছবি: নিউজবাংলা
২০১১ সালের ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হয় ধিরাজের সাইকেলযাত্রা। পাঞ্জাব, দিল্লি, বিহার, সিকিম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়সহ এ পর্যন্ত ভারতের ১৪টি রাজ্য ঘুরেছেন।

লিঙ্গ, জাতি, বর্ণসহ সব ধরনের বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়ে এক বছর ধরে সাইকেল নিয়ে ঘুরছেন ভারতীয় নাগরিক ধিরাজ কুমার গুপ্তা। ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ঘুরে এবার বাংলাদেশে এসেছেন পাঞ্জাবের এই তরুণ।

১৩ নভেম্বর সিলেটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন ধিরাজ। আগামী ২০ দিন সাইকেল নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরবেন তিনি। এরপর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আবার ভারতে ফিরে যাবেন।

২০১৯ সালে পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল করা ধিরাজ বলেন, ছোটবেলা থেকে প্রচুর বৈষম্য দেখেছি। আমাদের দেশে লিঙ্গ ও বর্ণের পাশাপাশি জাত নিয়েও বৈষম্য প্রবল। একসময় ভাবলাম, বৈষম্য দূর করার জন্য কিছু একটা করা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই সাইকেল ভ্রমণ।

২০১১ সালের ১১ নভেম্বর শুরু হয় ধিরাজের সাইকেল যাত্রা। পাঞ্জাব, দিল্লি, বিহার, সিকিম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়সহ এ পর্যন্ত ভারতের ১৪টি রাজ্য ঘুরেছেন।

ধিরাজ বলেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে আসার কোন পরিকল্পনা ছিল না। আমার পরবর্তী গন্তব্য পশ্চিমবঙ্গ। আসাম থেকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ যাওয়া সহজ। তাই এখানে এসেছি।

তিনি জানান, যেহেতু এসেছি, তাই বাংলাদেশেও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করব। ২০ দিন বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই আহ্বান জানাব।

বাংলাদেশে সাইকেল কমিউনিটির সদস্যরা ধিরাজকে সহায়তা করছেন জানিয়ে সিলেটের বাইসাইকেল রাইডার হিমাংশু হিমু বলেন, ধিরাজের উদ্দেশ্য খুব সুন্দর। এখানকার রাইডাররা তাকে সব ধরনের সহায়তা করছেন। তিনি বাংলাদেশের রাস্তা চেনেন না। বিভিন্ন এলাকার রাইডাররা তাকে এ ব্যাপারে সহায়তা করছেন। তার থাকারও ব্যবস্থা করছেন।

আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণও বাতিল
‘ক্ষমা চাওয়াতেই শাস্তি শেষ’ রেলমন্ত্রীর ভাগনের
সত্যের জয়ে আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা টিটিই শফিকুলের
টিটিই শফিকুল অন্যায় করেননি, তিনি নির্দোষ: তদন্ত প্রতিবেদন
টিটিই শফিকুলের বিরুদ্ধে তদন্ত: প্রতিবেদন জমা দেয়নি কমিটি

মন্তব্য

তারুণ্য
Today is the day to enjoy solitude

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে সিঙ্গল ডে বা সঙ্গীহীনতা দিবস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
১১ নভেম্বরকে সংখ্যায় প্রকাশ করতে হলে লিখতে হয় ১১-১১। আর সেখানেই সিঙ্গল বা একাকী জীবনের প্রতিনিধিত্ব করছে দিনটি। তাই পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।

‘ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে/ আমার নামটি লিখো/ তোমার মনের মন্দিরে’—এমন আকুতি জানিয়েও প্রত্যাখ্যানের নীল বেদনা বরণ করেছেন অনেকেই। প্রেয়সীর আঘাত কিংবা প্রিয়তম না করে দেয়ার ভারে অনেকে হয়েছেন বিমর্ষ। কিন্তু তাতে অবশ্য জীবন থমকে যাওয়ার কথা নয়।

প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা নিয়ে বিরহী মনকে শুধু দুঃখের গানের মধ্যেও আটকে ফেলা সম্ভবত উচিত হবে না। বরং আপনি যে একা, আপনার যে একাকিত্ব সেটিকে বরং উদযাপন করুন আজ। আজকের তারিখের দিকে একটু মনোযোগ দিলেই দেখবেন একাকিত্বের যে উজ্জ্বলতা, তার ছাপ রয়ে গেছে।

১১ নভেম্বরকে সংখ্যায় প্রকাশ করতে হলে লিখতে হয় ১১-১১। আর সেখানেই সিঙ্গল বা একাকী জীবনের প্রতিনিধিত্ব করছে দিনটি। তাই পৃথিবীর অনেক দেশে আয়োজনের মধ্য দিয়ে কিংবা নিভৃতে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।

চীন দেশে এটিকে দেখা হয় বাণিজ্যিক ছুটির দিন হিসেবে। যেখানে একজন সঙ্গীহীন মানুষ নিজের এবং তার প্রিয় মানুষের জন্য কেনাকাটার মধ্য দিয়ে নিজের একাকিত্বকে উদযাপন করেন।

দিনটির গোড়াপত্তনও হয়েছিল চীন থেকে। দেশটির নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নিঃসঙ্গ শিক্ষার্থী, যারা ভালোবাসা চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন কিংবা সম্পর্কের টানাপড়েনে নিঃসঙ্গতা বেছে নিয়েছিলেন, তাদের হাত ধরে শুরু হয় সিঙ্গল ডে বা সঙ্গীহীনতা উদযাপন।

এই দলের সবাই ভালোবেসে ব্যর্থ হলেও জীবনের প্রতি ছিল তাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। তাই ভাবলেন, ভালোবাসার মানুষের জন্য বিলাপের বদলে একা থাকাকে উদযাপন করবেন দারুণ ছন্দে।

তাই ১৯৯৩ সালের ১১ নভেম্বরকে বেছে নিলেন তারা। যুক্তি? রোমান হরফে ১১ নভেম্বরকে লেখা হয় 11-11। এক মানেই একক, একা। কিন্তু লাঠির মতো দেখতে চারটি এক মিলে যেন সম্মিলিত শক্তি, জীবনকে উপভোগের নতুন প্রেরণা।

একাকিত্ব উপভোগের দিন আজ

তাই ভালোবাসা কিংবা ভ্যালেন্টাইনস ডে বিরোধী একটি আয়োজন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আনন্দ উদযাপন, বন্ধুদের সঙ্গে মজা করে দিনটি কাটাতে চান নিঃসঙ্গ মানুষেরা।

নিঃসঙ্গতার দিনটি উদযাপনের একটি উদাহরণ দেয়া যাক। একবার এক ছাত্র একটি সিনেমা হলের একটি আসন ফাঁকা রেখে রেখে পরের সব আসনের টিকিট কেটে নেয়। ফলে বেইজিং লাভ স্টোরি চলচ্চিত্রটি দেখতে আগ্রহী প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা দম্পতিরা আর পাশাপাশি বসে রোমান্টিক চলচ্চিত্র উপভোগ করতে পারলেন না। তাদের বসতে হলো দূরে দূরে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন কেনাকাটাকেন্দ্রিক দিনে পরিণত হয়েছে। আর তা শুরু করেছিলেন বাহারি পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলিবাবার প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল ঝাং। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো ‘সিঙ্গলস ডে সেল’ ঘোষণা করে পণ্যমূল্যে ছাড় দিয়েছিলেন তিনি। আর তাতে দেখা গেছে ওই একদিনের বিক্রি ‘সাইবার মানডে’-এর বিক্রিকেও ছাড়িয়ে গেছে।

২০১৭ সালের দিনটিকে ঘিরে ২৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে। ফলে ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ এবং ‘সাইবার মানডে’ দিনটির কাছে অর্থনৈতিক হিসেবে হয়েছে ধরাশায়ী।

আলিবাবা-এর মোবাইল ওয়ালেট অ্যাপ ‘আলিপে’-তে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর প্রতি সেকেন্ডে ট্রানজেকশন হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার বার।

যদিও দিনটি বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু উদযাপনটি এখনও যে উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছিল তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই আপনার সম্পর্কের অবস্থা যেটাই হোক, দিনটি উদযাপন করতে পারেন নিঃসংকোচে।

মন্তব্য

p
উপরে