× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

তারুণ্য
Talukdar Sabbir left BITM
hear-news
player
google_news print-icon

বিআইটিএম ছাড়লেন তালুকদার সাব্বির

বিআইটিএম-ছাড়লেন-তালুকদার-সাব্বির
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১২ সাল থেকে বিআইটিএম দেশের আইটি সেবা খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে কাজ করে আসছে।

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরির অন্যতম প্রতিষ্ঠান বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (বিআইটিএম)-এর প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির অব্যাহতি নিয়েছেন।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১২ সাল থেকে বিআইটিএম দেশের আইটি সেবা খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে কাজ করে আসছে। তারও আগে ২০১০ থেকে জনাব সাব্বির বেসিস এবং বিআইটিএমের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে ভাবে কাজ করেছেন।

এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৫০ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ত্ব গ্রহণের পূর্বে বেসিস এবং অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং এডিবির অর্থায়নে বেসিস-এসইআইপি প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ছয় বছর সফলতার দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই প্রকল্পের আওতায় বেসিস ৩০ হাজার প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন যার ভেতরে ৬৫ শতাংশের বেশি প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে কর্মরত রয়েছেন।

তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির গত কয়েকবছরে একাধিক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়ছেন বিনিয়োগকারী হিসেবে, গড়ে তুলেছেন গ্রিন গ্রোসারি নামে ডিটুসি ইকমার্স।

এখন থেকে নিজের প্রতিষ্ঠানেই সময় দেবেন বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

তারুণ্য
DNCC is making birth registration easier

জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি

জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি নগরভবনে ডিএনসিসির ১৮তম করপোরেশন সভা। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র আতিকুল জানান, প্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া গেলে জন্মনিবন্ধন দিতে স্থানীয় কাউন্সিলর হবেন নিবন্ধক, আর সহকারী নিবন্ধক হবেন কাউন্সিলর দপ্তরের সচিব। ফলে কাউকে আর কষ্ট করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হবে না।

জনদুর্ভোগ কমাতে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর করতে চায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। কাউন্সিলর অফিস থেকেই নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এ বিষয়ে অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন এ তথ্য।

রোববার ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনে ১৮তম করপোরেশন সভা হয়।

সভায় মেয়র আতিকুল জানান, প্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া গেলে জন্মনিবন্ধন দিতে স্থানীয় কাউন্সিলর হবেন নিবন্ধক, আর সহকারী নিবন্ধক হবেন কাউন্সিলর দপ্তরের সচিব। ফলে কাউকে আর কষ্ট করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হবে না। মানুষের দুর্দশা আর ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এটি ওয়ার্ড পর্যায়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।

সভায় মশা নিধন ও জলাশয় পরিষ্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া গোরস্থানের জন্য জমি কেনা, বৃক্ষরোপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। মিরপুর ১৩ ও ১৪ নম্বরের তিনটি সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, ডিএনসিসির কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করল ডিএনসিসি
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা ডিএনসিসির
দ্বিতীয়বার লার্ভা, দুটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ
৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক করবে ডিএনসিসি
নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স দিন, সুবিধা বাড়বে: মেয়র আতিক

মন্তব্য

তারুণ্য
The ambulance went to the tea garden

অ্যাম্বুলেন্স গেল চা বাগানে

অ্যাম্বুলেন্স গেল চা বাগানে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
শ্যামলী গোয়ালা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু এত দ্রুত দাবি পুরণ হবে, তা কল্পনা করিনি। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘজীবী হোন, আমাদের মাথার উপরে যেন তিনি ছায়া হয়ে থাকেন।’

সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানের শ্রমিক শ্যামলী গোয়ালা। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলেন বাগানে একটি অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজনীয়তার কথা। দুই মাসের মধ্যে সেই অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে গেছে বাগানে। শ্রমিকরা খুশি প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে লাক্কাতুরা চা বাগান কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি তুলে দিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান।

তিনি বলেন, ‘চা শ্রমিকদের সঙ্গে ৩ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় লাক্কাতুরা চা বাগানের শ্রমিকরা একটি অ্যাম্বুলেন্স চেয়েছিলেন। সভার পরই প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কে নির্দেশ দেন। ‘মন্ত্রণালয় থেকে তখনই আমাকে অ্যাম্বুলেন্স নিতে বলেছিল। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাপনা, কোথায় তা রাখা হবে- এমন বিষয় নিয়ে একটু সমস্যা দেখা দেয়। এগুলো সমাধান করতে দেরি হয়ে গেছে।’

প্রধানমন্ত্রীর কাছে অ্যাম্বুলেন্স দাবি করা শ্রমিক শ্যামলী গোয়ালাও উপস্থিত ছিলেন চাবি হস্তান্তরকালে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বাগানে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নিতে সমস্যা হচ্ছিল। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য তা ছিল অনেক কষ্টের। অনেক সময় ট্রাক্টর দিয়ে রোগী হাসপাতালে নিতে হয়েছে। হাসপাতালে নিতে না পারায় অনেক রোগী মারাও গেছে।

‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু এত দ্রুত দাবি পুরণ হবে, তা কল্পনা করিনি। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘজীবী হোন, আমাদের মাথার উপরে যেন তিনি ছায়া হয়ে থাকেন।’

বাগানের ম্যানেজার বাংলোর সামনে চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বাগান কর্তৃপক্ষ ও চা শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজু গোয়ালা বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স পেয়ে বাগানের সব শ্রমিক খুশি। অবেহলিত চা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’

গত অক্টোবরে মজুরি বৃদ্ধির দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামেন চা শ্রমিকরা। এ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে ৩ সেপ্টেম্বর গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রমিকরা তাদের নানা সমস্যার কথা এ সময় তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী একদিন সত্যিই চা খেতে আসবেন, বিশ্বাস শ্যামলীর
‘মা’ হাসিনার জন্য চা-শ্রমিকরা বালা কেনেন যেভাবে
অমূল্য উপহার
প্রধানমন্ত্রীকে চায়ের দাওয়াত দিলেন শ্যামলী গোয়ালা
চা শ্রমিকদের ঘর দেয়া আমার কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

তারুণ্য
Dhaka Narita flight not before March

ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট মার্চের আগে নয়

ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট মার্চের আগে নয় টরন্টোতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বাংলাদেশ বিমান। ফাইল ছবি
বিমানের পরিকল্পনা ছিলো প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের দিনই নারিতায় নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করার। তবে তাতে সম্মতি দেয়নি জাপান কর্তৃপক্ষ। ফলে নিয়মিত ফ্লাইটের জন্য বিমানকে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত।

আগামী বছরে মার্চে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পাখা মেলতে পারে জাপানের আকাশে। বাংলাদেশের প্রস্তুতি চুড়ান্ত হলেও তা উদ্বোধনে জাপান মার্চ পর্যন্ত সময় চায়।

বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট শুরু হলে জাপান হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং এশিয়ার অন্য অঞ্চলগুলোর সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগের পথ খুলবে বাংলাদেশের।

জাপানের নারিতায় ফ্লাইট চালু করতে কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছিল বিমান। ফ্লাইট শুরুর বিষয়ে জাপান সরকারের অনুমোদনও বেশ আগেই পায় বিমান।

অবশ্য বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিলো নভেম্বরেই এই রুটটি চালু করার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৯ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাবে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দেশটিতে অবস্থান করবেন।

বিমানের পরিকল্পনা ছিলো প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের দিনই নারিতায় নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করার। তবে তাতে সম্মতি দেয়নি জাপান কর্তৃপক্ষ। ফলে নিয়মিত ফ্লাইটের জন্য বিমানকে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত।

বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নারিতায় আমদের প্রত্যাশা ছিলো যে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের দিনই উদ্বোধন করার। কিন্তু জাপান সরকার চাচ্ছে এটা সাধারণ ফ্লাইট না হয়ে ভিভিআইপি ফ্লাইট হিসেবে যাবে। এটা জাপানের ডিজায়ার।

‘তবে আমরা মার্চে নিয়মিত ফ্লাইট অপারেট শুরু করবো। এটাও তাদের ইচ্ছা। আমাদের দিক দিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। তবে জাপান মার্চ পর্যন্ত সময় চায়।’

জাপানে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বিমানকে ফিফথ ফ্রিডম সুবিধাও দিয়েছে দেশটি। অর্থাৎ ঢাকা ও নারিতার মধ্যবর্তী একটি বিমানবন্দর থেকে যাত্রী নিয়েও এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে।

এতদিন তা আটকে ছিল করোনাভাইরাসজনিত বিধিনিষেধের কারণে। করোনার মধ্যে জাপান সরকার দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের আগমনে এতদিন নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছিল। তবে সম্প্রতি সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে দেশটি। এরপর থেকেই দেশটিতে ফ্লাইট শুরু করতে তোড়জোর শুরু করে বিমান।

বিমানের আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী জাপান এয়ারের সঙ্গে কোড শেয়ার চুক্তিতে যাওয়ার কথা সংস্থাটির। দুটি এয়ারলাইনসের মধ্যে এ ধরনের চুক্তি থাকলে একজন যাত্রী কোনো একটি এয়ারলাইনসের টিকিট কেটেই অন্য এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে পারেন।

বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইনস এ ধরনের চুক্তির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করলেও এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম উদ্যোগ। অবশ্য শুরুতেই এ ধরনের চুক্তি হওয়ার আশা ক্ষীন।

বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পয়েন্ট টু পয়েন্ট সেবা দিয়ে থাকে বিমান। একসময় অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট চলাচল করলেও এখন সেগুলো বন্ধ।

বিমানের বহরে লম্বা দূরত্বে উড়তে সক্ষম অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ থাকলেও রুট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলোর সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ছয়টি বোয়িং সেভেন এইট সেভেন ও চারটি বোয়িং ট্রিপল সেভেন মডেলের উড়োজাহাজ। এর প্রত্যেকটি টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম।

এতদিন বিমানের লম্বা দূরত্বের ফ্লাইট চালু ছিল শুধু লন্ডন রুটে। টরন্টোতে ফ্লাইট শুরুর পর এটিও যোগ হয় লম্বা দূরত্বের রুটের তালিকায়।

ঢাকা থেকে সরাসরি আকাশপথে নারিতা যেতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা। চালু হলে এটিও বিমানের লম্বা দূরত্বের রুট হবে।

টরন্টোতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করায় ভারত, নেপালসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের মধ্যে রুটটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বিমান আশা করছে নারিতা রুটেও মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক যাত্রী পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক
বিমানের ৩,৪৪৯ কোটি টাকার সারচার্জ মওকুফ
ঢাকা-তাসখন্দ বিমান চলাচলে কোড শেয়ারিং চায় উজবেকিস্তান
বিমানের সিলেট-শারজাহ ফ্লাইট মঙ্গলবার থেকে

মন্তব্য

তারুণ্য
300 species of trees have also been employed in Jasmines nursery

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও গৃহিণীর পরিচয়ের পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তার পরিচয় গড়ে তুলেছেন জেসমিন আরা। ছবি: নিউজবাংলা
জেসমিন বলেন, ‘শুধু গৃহিণী হিসেবে নয়, নিজেকে দেখতে চেয়েছিলাম একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে। স্বামীর পরামর্শে সারাদিন স্বপ্নের নার্সারিতে সময় দিয়েছি। ধীরে ধীরে সফলতা পেয়েছি। বর্তমানে ৩০০ প্রজাতির উন্নত মানের ৪ লক্ষাধিক চারা রয়েছে। এগুলো বিক্রি করা হচ্ছে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।’

নিজের ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গৃহিণীর পরিচয়ের পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তার পরিচয় গড়ে তুলেছেন জেসমিন আরা। নার্সারির মাধ্যমে নিজে আর্থিকভাবে সফলতার পাশাপাশি অনেকের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি করেছেন তিনি।

ময়মনসিংহের পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ঘেঁষা গৌরীপুর উপজেলার কাশিয়ারচর এলাকায় গড়ে তোলা এই নার্সারির নাম ‘আধুনিক নার্সারি অ্যান্ড হর্টিকালচার ফার্ম।’

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

নার্সারিতে গিয়ে দেখা গেছে, বনজ চারা ছাড়াও দেশি-বিদেশি জাতের আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, কমলা, আমড়া, লেবু, জাম্বুরা, লটকনসহ বিভিন্ন জাতের অসংখ্য চারা রয়েছে সেখানে। শ্রমিকরা এসব চারা পরিচর্যাসহ নানা কাজ করছেন। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন জেসমিন৷

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

এ সময় কথা হয় কয়েকজন নারী শ্রমিকের সঙ্গে। নাসিমা নামে এক শ্রমিক নিউজবাংলাকে জানান, কেউ অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। আবার কেউ ছিলেন গৃহিণী। এ নার্সারিতে কাজ পাওয়ায় বেতনের টাকা দিয়ে স্বামীর পাশাপাশি তারাও সন্তানদের লালনপালনে ভূমিকা রাখছেন। কাজ পেয়ে অনেকে হয়েছেন স্বচ্ছল।

জেসমিন জানান, আপাদমস্তক গৃহিণী ছিলেন তিনি। তবে কিছু একটা করার প্রবল ইচ্ছে ছিল মনে।

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

জেসমিনের স্বামী শামছুল আলম মিঠু ময়মনসিংহে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিনা) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। কাজ করার ইচ্ছার কথা জানালে শামছুল আলম নার্সারি গড়ে তোলার পরামর্শ দেন৷ ২০১৯ সালে জেসমিন শুরু করেন নার্সারির কাজ। সফলতা পাওয়ায় বর্তমানে ১২ একর জায়গাজুড়ে তিনি নার্সারি গড়ে তুলেছেন। এজন্য তিনি সরকারিভাবে পেয়েছেন স্বীকৃতি, হয়েছেন সম্মানিত।

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদান রাখায় প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়। ১৯৯৩ সাল থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কারের প্রতিটি শ্রেণির পুরস্কারপ্রাপ্তদের সনদপত্রসহ প্রথম স্থান অধিকারীকে ৩০ হাজার, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ২০ হাজার ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে ১৫ হাজার টাকার চেক দেয়া হয়। এবার জেসমিন আরা প্রথম হয়েছেন।

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

জেসমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুধু গৃহিণী হিসেবে নয়, নিজেকে দেখতে চেয়েছিলাম একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে। স্বামীর পরামর্শে সারাদিন স্বপ্নের নার্সারিতে সময় দিয়েছি। ধীরে ধীরে সফলতা পেয়েছি। বর্তমানে ৩০০ প্রজাতির উন্নত মানের ৪ লক্ষাধিক চারা রয়েছে। এগুলো বিক্রি করা হচ্ছে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। নিয়মিত ২১ জনসহ ৩৫ জন শ্রমিক এ নার্সারিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বছরে ৩৫ লাখ টাকার চারা বিক্রি করতে পারি।’

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

তিনি বলেন, ‘নারীরা ইচ্ছে করলেই আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। সেজন্য প্রয়োজন নিজের ইচ্ছেশক্তি ও পরিশ্রম। পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তার পরামর্শ কিংবা প্রশিক্ষণ নিলে তা আরও সহজ হয়। সেক্ষেত্রে আমি সফল হয়েছি। আমার কাছে অনেকে আসে নার্সারি করার জন্য। আমি তাদের পরামর্শ দিচ্ছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন নার্সারি গড়ে তুলেছেন।

জেসমিনের নার্সারিতে ৩০০ প্রজাতির গাছ, করেছেন কর্মসংস্থানও

জেসমিনের স্বামী শামছুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। পরিবেশে রক্ষায় বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। কারণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে গাছের অবদান অপরিসীম।’

তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী নার্সারিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দেন৷ তার কঠোর মনোবল ও পরিশ্রমের কারণে সফলতা এসেছে।’

আরও পড়ুন:
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্রিপেইড কার্ড চালু
চাকরি ছেড়ে নার্সারি, মাসে আয় ২ লাখ
নারী উদ্যোক্তা ফোরামের আয়োজনে জুসি ফেস্ট অনুষ্ঠিত
নারী উদ্যোক্তাদের জুসি ফেস্ট শনিবার
গুলশান লেডিস ক্লাবে তিন দিনের বৈশাখী মেলা

মন্তব্য

তারুণ্য
Childrens health protection materials were given by cash and childrens heaven

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী দিল নগদ ও শিশুস্বর্গ

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী দিল নগদ ও শিশুস্বর্গ
‘প্রত্যেক নারীর পিরিয়ড স্বাভাবিক ও জীবনচক্রের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। তবে এ বিষয়ে দেশের অনেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও স্বাভাবিক নয়। দারিদ্র্যের কারণে অনেক নারী মানসম্মত স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করতে পারছেন না। নগদ ও শিশুস্বর্গের এ কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে উপকৃত হয়েছে তেঁতুলিয়া উপজেলার প্রায় ৭শ শিক্ষার্থী।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার কাজী শাহাবুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলেজে সম্প্রতি

আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলেজের অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া, ‘নগদ’-এর রংপুর রিজিওনাল সেলস্ ম্যানেজার শাহ নেওয়াজ আহমেদ, এরিয়া ম্যানেজার মতিউর চৌধুরী রুশৌ, টেরিটরি ম্যানেজার আবুল কাশেম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মন্নি আক্তার প্রমুখ উপস্থিত এ সময় ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, প্রত্যেক নারীর পিরিয়ড স্বাভাবিক ও জীবনচক্রের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। তবে এ বিষয়ে দেশের অনেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও স্বাভাবিক নয়।

বর্তমানে সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও দারিদ্র্যের কারণে এখনও অনেক নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বা মানসম্মত স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করতে পারছেন না। ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিশুস্বর্গের এ কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়।

অনুষ্ঠানে ‘বাল্য বিবাহ এবং আত্মহত্যাকে না বলব’ স্লোগানের পাশাপাশি বাল্যবিয়ে ও আত্মহত্যাকে লাল কার্ড প্রদর্শন করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মন্নি আক্তার। পরে বিনামূল্যে ছাত্রীদের মাঝে স্যানেটারি ন্যাপকিন বিতরণসহ তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

‘নগদ’-এর চিফ বিজনেস অফিসার শেখ আমিনুর রহমান বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নগদ শুরু থেকেই জনহিতকর এমন নানা কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা চাই দেশের নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা সামনের দিনে দেশের হাল ধরুক এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ নির্মাণ করুক। সেই চাওয়ার সামান্য একটু প্রচেষ্টা ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম।’

এ সময় শিশুস্বর্গ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক কবীর আকন্দ বলেন, ‘সীমান্ত জনপদে দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারের মেয়েরা মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়। সামাজিক লজ্জায় তারা অনেক কিছু গোপন করে। সামান্য অসচেতনতার কারণে শরীরে বড় বড় রোগ বাসা বাঁধে।

‘বাল্যবিয়ে নিরুৎসাহিত করতে এবং মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যালয়গুলোতে মেয়েদের সুবিধার জন্য ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন দেয়া হবে।

‘নগদ’ এর আগে করোনা মহামারি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ৬০ লাখ টাকা সহায়তা প্রদান, সিলেটে বন্যাকবলিতদের সহায়তায় কর্মীদের একদিনের বেতন ও শীতকালে পথশিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণসহ এমন নানা কার্যক্রমে এগিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন:
নগদ দিচ্ছে মোবাইল রিচার্জে ১০ টাকা ক্যাশব্যাক
‘নগদ’ ডিস্ট্রিবিউটরদের অর্থ লেনদেনের নিরাপত্তা দেবে সিএমপি
৫০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাকে ‘নগদ’-এ ট্রেনের টিকিট
সিলেটে বন্যাদুর্গতদের পাশে ‘নগদ’
নগদ-এর মাধ্যমেই যাবে প্রাথমিকের উপবৃত্তি

মন্তব্য

তারুণ্য
Huawei chose the best 6 startups in the country

দেশসেরা ৬ স্টার্টআপ বেছে নিল হুয়াওয়ে

দেশসেরা ৬ স্টার্টআপ বেছে নিল হুয়াওয়ে স্টার্টআপদের নিয়ে ইউকিউবেটর প্রোগ্রামের সমাপনীতে ছয় উদ্যোগ বেছে নিয়েছে হুয়াওয়ে। ছবি: সংগৃহীত
পলক বলেন, ‘একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র ৩৫ বছরে হুয়াওয়ে আজকে বিশাল একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়টি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।’

আইসিটি ইনকিউবেটর ২০২২ প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশসেরা ছয়টি স্টার্টআপ বা উদ্যোগ বেছে নিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

বিজয়ী স্টার্টআপগুলো খাত সম্পর্কে বিশদ জানতে বিশ্বের সফল সব স্টার্টআপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া পুরস্কার হিসেবে পাবেন সিড মানি।

বুধবার এক আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে হুয়াওয়ে।

স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রিনিউরশিপ একাডেমির (আইডিয়া) সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

এই প্রতিযোগিতায় ‘আইডিয়া স্টেজ’ ও ‘আর্লি স্টেজ’– দুটি গ্রুপ থেকেই তিন জন করে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়েছে।

আইডিয়া স্টেজে বিজয়ী স্টার্টআপগুলো হলো- ইনসিউরকাউ (চ্যাম্পিয়ন), দুর্জয় ডিএসএস (প্রথম রানার্স আপ) ও রিল্যাক্সি (দ্বিতীয় রানার্স আপ)।

আর্লি স্টেজে বিজয়ী হয়েছে- জাহাজী লিমিটেড (চ্যাম্পিয়ন), পালকি (প্রথম রানার্স আপ) ও উইগ্রো টেকনোলোজিস লিমিটেড (দ্বিতীয় রানার্স আপ)।

চ্যাম্পিয়ন স্টার্টআপরা পুরস্কার হিসেবে পাবে ৫ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার সমমূল্যের হুয়াওয়ে ক্লাউড ক্রেডিট।

অন্যদিকে প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ পাবে যথাক্রমে ৩ লাখ ও ১ লাখ টাকা প্রাইজ মানি এবং ৮০ হাজার ডলার সমমূল্যের হুয়াওয়ে ক্লাউড ক্রেডিট।

এ ছাড়া প্রত্যেক স্টার্টআপের একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা দেশের বাইরে সফল স্টার্টআপের প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করা সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

তিনি বলেন, ‘একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র ৩৫ বছরে হুয়াওয়ে আজকে বিশাল একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়টি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।’

হুয়াওয়ে আইসিটি ইনকিউবেটর-২০২২ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের শুভকামনা জানান তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে কাজ করে। ২০১০ সাল থেকে ১২ বছর ধরে চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখছে এবং এফডিআই -এও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমি আত্মবিশ্বাসী, এ দুই দেশ আরও ভালোভাবে আইসিটি খাতে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে পারবে এবং আমার মনে হয় চীন ও বাংলাদেশ উভয়ই এর সুফল পাবে।’

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থতি ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ভিনসেন্ট চ্যাং, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী প্যান জুনফেং, স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ, আইসিটি বিভাগের বিসিসির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আলতাফ হোসেন।

আরও পড়ুন:
উন্নত ক্লাউড ও ডিজিটাল পাওয়ার সেবা দিতে হুয়াওয়ের দল
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি
ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের ক্লাউড সল্যুশন
থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী
তরুণদের আইসিটির দক্ষতা বিকাশে হুয়াওয়ের ৩ প্রতিযোগিতা

মন্তব্য

তারুণ্য
Huaweis fourth ICT Academy in Yabipravi

যবিপ্রবিতে হুয়াওয়ের চতুর্থ আইসিটি অ্যাকাডেমি

যবিপ্রবিতে হুয়াওয়ের চতুর্থ আইসিটি অ্যাকাডেমি যবিপ্রবিতে আইসিটি অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা করতে এমওইউ করেছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত
এই আইসিটি অ্যাকাডেমির উদ্দেশ্য হবে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞান, দক্ষতা বিকাশ এবং দেশে একটি আইসিটি ইকোসিস্টেম তৈরি করা।  

আইসিটি অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সঙ্গে একটি সমঝোতা সই করেছে শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

এই আইসিটি অ্যাকাডেমির উদ্দেশ্য হবে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক জ্ঞান, দক্ষতা বিকাশ এবং দেশে একটি আইসিটি ইকোসিস্টেম তৈরি করা।

বুধবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই এমওইউ স্বাক্ষর হয়।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যালয়ের প্রধানসহ হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই আইসিটি একাডেমিটি শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞান ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে বুয়েটে আইসিটি অ্যাকাডেমি চালু করে হুয়াওয়ে। এই বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে আইসিটি অ্যাকাডেমি স্থাপনের লক্ষ্যে যথাক্রমে কুয়েট ও রুয়েটের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে হুয়াওয়ে।

হুয়াওয়ে এর নিজস্ব লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের অনলাইন প্রশিক্ষণসামগ্রী এবং বিভিন্ন ধরনের কোর্স প্রদান করবে। পাশাপাশি, এ অ্যাকাডেমি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হুয়াওয়ে কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রশিক্ষক হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দিবে। প্রশিক্ষণ লাভের পর বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই শিক্ষকরা আইসিটি অ্যাকাডেমিতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিবেন।

হুয়াওয়ে ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কো-অপারেশন প্রকল্প হিসেবে আইসিটি অ্যাকাডেমি চালু করে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ বিশ্বজুড়ে ৯০টির বেশি দেশে হুয়াওয়ের পরিচালনায় ১৫০০ আইসিটি অ্যাকাডেমি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ উদ্যোগের সঙ্গে সব মিলিয়ে ৯২৭টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি
ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের ক্লাউড সল্যুশন
থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী
তরুণদের আইসিটির দক্ষতা বিকাশে হুয়াওয়ের ৩ প্রতিযোগিতা
সিডস ফর দ্য ফিউচারের তৃতীয় রাউন্ডে ৩০ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

p
উপরে