পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

প্রতীকী ছবি

ঢাকার ২০০ স্থানে ফাইভজি চালু করতে প্রকল্প প্রস্তাব করেছে টেলিটক। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে অপারেটরটির।

আগামী বছরই দেশে পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সেবা ফাইভজি চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক শুরুতে রাজধানীর ২০০টি স্থানে পরীক্ষামূলক ফাইভজি সেবা চালু করবে।

প্রথম ধাপে ১ লাখ গ্রাহককে পাঁচটি সেবার আওতায় আনতে চায় টেলিটক। এ পরিষেবা দিতে আড়াই শ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে অপারেটরটি।

প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, গণভবন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ও বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার গ্রাহক ফাইভজির আওতায় আসবে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট (১০০ এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সেবা পাবে তারা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি সুদান ও উগান্ডার মতো দেশের চেয়েও কম। ইন্টারনেটে গতির হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭ দেশের মধ্যে ১৩৫তম। বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও পারফরম্যান্স অ্যানালিসিস কোম্পানির তথ্য বলছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ডাউনলোডের গতি সেখানে ১৯৩ এমবিপিএসের বেশি। আর বাংলাদেশে এর গতি ১২.৪৮ এমবিপিএস। গ্রাহকদের এবার কমপক্ষে আট গুণ বেশি গতি দিতে চায় টেলিটক।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরীক্ষামূলক ফাইভজি নেটওয়ার্কের জন্য প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরই ফাইভজির যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। টেলিটক ফাইভজি নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ করছে। এ জন্য শুরুতে ঢাকায় কিছু অবকাঠামো তৈরি করা হবে।

‘এটি শেষ হলে সারা দেশের জন্য বড় প্রকল্প নেয়া হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে ফোরজি নেটওয়ার্ক ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব বলছে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জুলাই শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখে। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটি ৩৬ লাখ। আর ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৫ লাখের কিছু বেশি।

টেলিটক বলছে, দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ মানুষ মোবাইল সেবার আওতাভুক্ত। এদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গ্রাহক স্মার্টফোনে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশ ও কিছু উন্নয়নশীল দেশে ফাইভজি সেবা চালু হয়েছে।

বাংলাদেশে এ প্রযুক্তি দেশব্যাপী চালুর আগে স্বল্প মাত্রায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা প্রয়োজন। এমন বাস্তবতায় রাষ্ট্রীয় মোবাইল কোম্পানি হিসেবে টেলিটক ঢাকার উত্তরা, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, রমনা ও শাহবাগের মতো কিছু এলাকায় সীমিত আকারে ২০০টি এজি বিটিএল স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।

‘ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্কে বাণিজ্যিকভাবে পরীক্ষামূলক পাঁচটি প্রযুক্তি চালুকরণ’ নামে এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৫৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। এ বছর শুরু হয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

টেলিটকের প্রকল্প প্রস্তাব পেয়ে তা যাচাই-বাছাই করছে পরিকল্পনা কমিশন।

কমিশন বলছে, এ প্রকল্পে বিশদ কোনো সমীক্ষা হয়নি। ফাইভজি একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক কারিগরি প্রযুক্তি। এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করার আগে ইন-হাউজ সমীক্ষার পরিবর্তে এ বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও কারিগরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তৃতীয় কোনো পক্ষ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন।

ফাইভজির আগে শক্তিশালী ফোরজি সেবা দেয়া উচিত জানিয়ে কমিশন আরও বলছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে টেলিটকের ফোরজি সেবা শুরু হলেও এর কাভারেজের আওতায় এসেছে শুধু বিভাগীয় এবং জেলা শহরগুলো। এ ক্ষেত্রে ফাইভজি সেবা শুরু করার আগে ফোরজির কাভারেজ এরিয়া আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তিনির্ভর টেলিকম যন্ত্রপাতি সংযোজন করতে গিয়ে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হবে কি না, তা পরীক্ষা করাও দরকার।

কমিশন আরও বলছে, সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবে না। এটি ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার সুবিধাভোগীদের আনুমানিক কত শতাংশের কাছে ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস আছে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।

অন্যান্য মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সীমিত ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ কতটুকু ফলপ্রসূ হবে, সে বিষয়টিও আলোচনার বিষয়।

এর আগে গত মাসে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, ‘ঢাকার অন্তত ২০০টি স্থানে ফাইভজি সেবা চালুর জন্য টেলিটকের একটি প্রকল্প প্রস্তাব আগস্ট মাসে আমরা পেয়েছি। আমরা সেটা যাচাই করছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকায় এ সেবা চালু হবে।’

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নতুন নামে আসছে ফেসবুক

নতুন নামে আসছে ফেসবুক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মেনলো পার্কে ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়। ছবি: এএফপি

আগামী ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের বার্ষিক সম্মেলনে কানেক্টে প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলের ঘোষণা দেয়ার পরিকল্পনা করছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তবে এর আগে বা পরেও ঘোষণাটি আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। আগামী সপ্তাহেই নতুন নামে আবির্ভূত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবসায়িক চর্চার ধরন নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনপ্রণেতাদের তোপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক।

বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম এ খবর প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগ দ্য ভার্জ।

ভার্জের তথ্য অনুযায়ী, এ পদক্ষেপের ফলে ফেসবুক ও ফেসবুকের মালিকানাধীন অন্যান্য ব্র্যান্ড, যেমন ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ, একটি সাধারণ প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে এমনই একটি কাঠামো গ্রহণ করেছিল গুগল। ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য উৎপাদন-বিক্রয় ও সেবাদানকারী বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে অ্যালফাবেট নামের একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে পুনর্গঠিত হয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ‘গুজব বা জল্পনাকল্পনা’ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই বলে জানিয়েছে ফেসবুক।

কিন্তু ভার্জ বলছে, আগামী ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের বার্ষিক সম্মেলনে কানেক্টে প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলের ঘোষণা দেয়ার পরিকল্পনা করছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তবে এর আগে বা পরেও ঘোষণাটি আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

জাকারবার্গের হাতে বর্তমানে আছে ‘মেটাভার্স’-এর মতো উচ্চাভিলাষী প্রকল্প। মেটাভার্সকে বলা হচ্ছে এমন এক ডিজিটাল বিশ্ব, যেখানে মানুষের পক্ষে বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে স্থান পরিবর্তন করা সম্ভব হবে এবং তারা এক ধরনের ভার্চুয়াল পরিবেশে যোগাযোগ করতে পারবে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ভার্চুয়াল বাস্তবতা (ভিআর) ও অগমেন্টেড বাস্তবতার (এআর) ওপর বিপুল বিনিয়োগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাস্তব জগতের মতো কিংবা সম্পূর্ণ ভিন্ন কৃত্রিম অভিজ্ঞতা হলো ভার্চুয়াল বাস্তবতা।

অন্যদিকে, অগমেন্টেড বাস্তবতা বলতে বোঝানো হয় বাস্তব শারীরিক বিশ্বের একটি সম্প্রসারিত সংস্করণকে। প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল ভিজুয়াল উপকরণ, শব্দ ও অন্যান্য সংবেদনশীল উদ্দীপনা ব্যবহারের মাধ্যমে অগমেন্টেড বাস্তবতা অর্জন করা সম্ভব। মোবাইল কম্পিউটিং ও ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনসের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগমেন্টেড বাস্তবতার ধারণা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

ভার্চুয়াল ও অগমেন্টেড বাস্তবতাকে দৈনন্দিন জীবনে পরিচিত করতে অকুলাস ভিআর হেডসেট, এআর চশমা, প্রযুক্তি যুক্ত রিস্টব্যান্ডসহ নানা পণ্য তৈরিতে গবেষণা করছে ফেসবুক।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

ভুয়া তথ্য: বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার বন্ধ

ভুয়া তথ্য: বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার বন্ধ

নিজেদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুখপাত্র দাবি করা বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয় চলতি বছর জানুয়ারিতে। টুইটার অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি আর কোনো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ‘বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিল’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

ওই টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন ধরনের ভুয়া তথ্য, ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ পায় টুইটার।

নিজেদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুখপাত্র দাবি করা বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয় চলতি বছর জানুয়ারিতে।

টুইটার অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি আর কোনো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ওই অ্যাকাউন্ট থেকে গত কিছু দিন ধরে ক্রমাগত বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালানোর ছবি ও তথ্য শেয়ার করা হচ্ছিল।

সংগঠনটির টুইটারে চলতি বছরে সব মিলিয়ে ৩৮৬টি টুইট করা হয়েছে।

অ্যাকাউন্টটির ফেরিফায়েড টুইটারে ২৭ হাজার ফলোয়ার ছিল।

বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্য সংঘ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় কাজ করে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

কুমিল্লায় দুর্গাপূজার সময় এক মণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে হামলা চালিয়ে মণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। এরপর দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাতে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিল অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়া তথ্য ও ছবি ছড়ানোর অভিযোগ পায় টুইটার।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

৮০০ সেলার নিয়ে সামিট করল দারাজ

৮০০ সেলার নিয়ে সামিট করল দারাজ

আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে ই-কমার্সে বিক্রেতারা কীভাবে দারাজের অধীনে আরও সহজ ও কার্যকরী উপায়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন সে প্রসঙ্গে জোর দেয়া হয় সামিটে।

বিক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে চতুর্থবারের মতো দারাজ আয়োজন করেছে ‘দারাজ সেলার সামিট’।

প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ফলস্বরূপ দারাজের কার্যক্রমে যে সব নতুন পরিবর্তন এসেছে, সে প্রসঙ্গে নিজেদের বিক্রেতাদের জানাতেই এই আয়োজন করে আলীবাবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সন্ধ্যায় আট শতাধিক সেলার নিয়ে আয়োজনটি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের এটুআই প্রোগ্রামের হেড অফ ইকমার্স রেজওয়ানুল হক জামি।

আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে ই-কমার্সে বিক্রেতারা কীভাবে দারাজের অধীনে আরও সহজ ও কার্যকরী উপায়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন সে প্রসঙ্গে জোর দেয়া হয় সামিটে।

সেলার সামিটে অন্যতম সেলস ক্যাম্পেইন ১১.১১ থেকে শুরু করে দারাজ অ্যাপের নতুন সব ফিচার ব্যবহার ও দারাজের অন্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দারাজ জানায়, তাদের আড়াই কোটিরও বেশি পণ্য নিয়ে বর্তমানে প্লাটফর্মে যুক্ত আছে ৪০ হাজার বিক্রেতা এবং সহস্রাধিক ব্র্যান্ড।

মূল আলোচনার বাইরেও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এবারের দারাজ সেলার সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলের গানের সংগীত আয়োজন।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

বায়োস্কোপ-মাইজিপিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বায়োস্কোপ-মাইজিপিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির খেলা দেখাতে জিপি ও র‍্যাবিটহোলের চুক্তি হয়।

নিজেদের অ্যাপ ও পোর্টালের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপেও সরাসরি খেলা দেখাবে জনপ্রিয় স্পোর্টস ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি-র‍্যাবিটহোল।  

টানটান উত্তেজনায় ভরা আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব ম্যাচ ঘরে বসে উপভোগ করতে দিচ্ছে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ডিজিটাল ব্রডকাস্টার ‘র‍্যাবিটহোল’।

নিজেদের অ্যাপ ও পোর্টালের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপেও সরাসরি খেলা দেখাবে জনপ্রিয় স্পোর্টস ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি- র‌্যাবিটহোল।

সম্প্রতি রাজধানীর জিপি হাউজে টেলি-অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের সঙ্গে এ সংক্রান্ত এক চুক্তি করেছে র‌্যাবিটহোল।

চুক্তি স্বাক্ষরে র‌্যাবিটহোলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সালাউদ্দিন চৌধুরী, সহপ্রতিষ্ঠাতা জিয়াউদ্দিন আদিল এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম রফিক উল্লাহ।

আর গ্রামীণফোনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানিটির ডিজিটাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অফিসার সোলাইমান আলম, হেড অফ করপোরেট স্ট্র্যাটেজি তালাল রেজা চৌধুরী এবং স্ট্র্যাটেজিক সোর্সিংয়ের জেনারেল ম্যানেজার শামিউর রহমান খান।

চুক্তি অনুযায়ী, পুরো বিশ্বকাপজুড়েই বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপে র‌্যাবিটহোল দেখা যাবে। নির্দিষ্ট কিছু ডেটা ও কম্বো প্যাক কেনার মাধ্যমে দেখা যাবে।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডিজিটাল ব্রডকাস্টার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে অফিসিয়াল সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে র‌্যাবিটহোল। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি যাত্রা শুরু করে।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

ফেসবুকের নতুন ফিচার প্রটেক্ট নিয়ে হচ্ছে নানা আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এমনকি অনেক সংবাদমাধ্যমেও খবর বেরিয়েছে, ফেসবুক প্রটেক্ট অন না করলে আগামী ২৮ অক্টোবরের পর অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। সত্যিই কি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে ফেসবুক?

প্রটেক্ট ফিচার অন ছাড়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে গ্রাহকদের অধিক সুরক্ষা দিতে ফিচারটি এনেছে ফেসবুক। সেই সঙ্গে নোটিফিকেশন দিয়ে সেটি অন করার জন্য কিছু ব্যবহারকারীকে জানিয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

ফেসবুক প্রটেক্ট কী

ফেসবুক প্রটেক্ট ফিচারটি কী, তা নিজেদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জানি যে, প্রার্থী, তাদের প্রচার দল ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতো কিছু ব্যক্তি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মগুলোতে হীন তৎপরতায় লিপ্ত ব্যক্তিদের শিকার হতে পারেন। একটি নির্বাচনি সময়সীমার মধ্যে যেসব অ্যাকাউন্ট বাড়তি ঝুঁকিতে থাকে, সেগুলোকে বাড়তি সুরক্ষা দেয়ার দরকার হতে পারে। এ কারণে আমরা ফেসবুক প্রটেক্ট নামের একটি কর্মসূচি চালু করেছি।

‘এটি যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির প্রার্থী, তাদের প্রচার দল এবং নির্বাচিত কর্মকর্তাদের জন্য একটি স্বেচ্ছাধীন কর্মসূচি, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট ও পেজের বাড়তি সুরক্ষা দেয়া হয়।’

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘তালিকাভুক্তির (ওই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি) মাধ্যমে আমরা এসব অ্যাকাউন্টকে জোরদার সুরক্ষা গ্রহণে সহায়তা করব।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এতে দুই ধাপে বৈধতা যাচাই (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিক্যাশন) এবং সম্ভাব্য হ্যাকিং ঝুঁকি তদারকি করা।

‘তালিকাভুক্ত পেজগুলোর সব অ্যাডমিনকে পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যাতে করে পেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এটি নির্দিষ্ট পেজের অ্যাডমিনদের এ কর্মসূচিতে (ফেসবুক প্রটেক্ট) অন্তর্ভুক্ত হতে চাওয়া বা না চাওয়ার ওপর নির্ভর করবে না।’

ফেসবুক বলে, ‘পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশন বা কোনো কনটেন্ট প্রকাশের অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়, কারা পেজের নিয়ন্ত্রণ করেন। এ প্রক্রিয়ায় দুই ধাপ বৈধতা যাচাই এবং প্রাথমিক দেশের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত নামের প্রোফাইল থেকে অ্যাডমিনদের পেজ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

‘হীন তৎপরতায় লিপ্তদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পথ খুঁজছি। আমরা হয়তো কখনোই অপতৎরতায় যুক্ত সবাইকে ধরতে পারব না, তবে এ কর্মসূচি অনেকগুলো পদক্ষেপের একটি যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোয়ানোর মতো ঘটনা কঠিন হয়ে পড়বে।’

‘কীভাবে তালিকাভুক্ত হব’

ফেসবুক প্রটেক্ট কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সম্ভাব্য যোগ্য ব্যক্তিরা ফেসবুকে প্রম্পট (এক ধরনের ফিচার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে কোনো বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়) দেখতে পাবেন। এর মাধ্যমে তারা কর্মসূচিটি সম্বন্ধে জানার পাশাপাশি তাতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।

ফেসবুক বলছে, ‘আমরা ২০২১ সালে এ কর্মসূচিটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং এর অগ্রগতির নিয়ে নিয়মিত আপডেট জানাব।’

এ মুহূর্তে কোথায় কোথায় ফেসবুক প্রটেক্ট আছে?

বর্তমানে ফেসবুক প্রটেক্ট সক্রিয় আছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও কানাডাতে।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

১১ ঘণ্টা পর ইন্টারনেট ফিরল মোবাইলে

১১ ঘণ্টা পর ইন্টারনেট ফিরল মোবাইলে

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিটিআরসি থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে ঢাকায় মোবাইল ইন্টারনেট চালু করতে বলা হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই তা চালু হবে। পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

১১ ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন থাকার পর অনলাইন দুনিয়ায় যুক্ত হওয়া যাচ্ছে মোবাইল ফোন থেকে।

শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে বন্ধ করে দেয়া হয় মোবাইল ইন্টারনেট। বিকেল ৪টার পর থেকে আবার মোবাইলে ইন্টারনেট পেতে শুরু করেন রাজধানীর গ্রাহকরা।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিটিআরসি থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে ঢাকায় মোবাইল ইন্টারনেট চালু করতে বলা হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই তা চালু হবে।

পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ছুটির দিন ভোর থেকে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে কোনো ঘোষণা না থাকায় ব্যবহারকারীদের বহুজন ফোনে কারিগরি সমস্যার কথা ভেবে ফোন রিস্টার্টও করেন। কিন্তু এতে কাজ হয়নি।

তবে মোবাইল ডাটা কাজ না করলেও ব্রডব্র্যান্ড ডাটা চালু ছিল। ওয়াই-ফাইয়ে মোবাইল ফোনকে যুক্ত করলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছিল।

বিষয়টি জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পরে সংস্থাটির কমিশনার এ কে এম শহিদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার আওতার মধ্যে পড়ে না, তবে আমি ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। এটা যেকোনো সময় ঠিক হয়ে যাবে।’

মোবাইলে ইন্টারনেট না পাওয়া নিয়ে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে কল করে পাওয়া যায় ভিন্ন তথ্য। সেখান থেকে জানানো হয়, বিটিআরসির নির্দেশনায় মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটে বিঘ্নের বিষয়ে সেটি চালুর বিষয়েও মোবাইল সেবাদানকারী কোম্পানি বা সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন

মোবাইল ডেটায় বিভ্রাট

মোবাইল ডেটায় বিভ্রাট

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোস্তাফিজ বলেন, ‘সকালে উঠে নিয়মিত ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখি, নেট কাজ করছে না। বেশ কয়েকবার ফোন রিস্টার্ট দিয়েও সমাধান হয়নি। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে জানলাম, তাদেরও একই অবস্থা।’

রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল ফোনে ডেটা ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না।

ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, কয়েক দফা চেষ্টা করেও ইন্টারনেট সংযোগ পাননি তারা।

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোস্তাফিজ বলেন, ‘সকালে উঠে নিয়মিত ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখি, নেট কাজ করছে না। বেশ কয়েকবার ফোন রিস্টার্ট দিয়েও সমাধান হয়নি। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে জানলাম, তাদেরও একই অবস্থা।’

ঢাকার বাইরে মোবাইল ইন্টারনেটের পরিস্থিতি জানতে কথা হয় নিউজবাংলার বরিশাল ব্যুরোর প্রধান তন্ময় তপুর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মোবাইল ডেটা চলছে না। ব্রডব্যান্ডে কাজ করতে হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম ব্যুরোর প্রধান সিফায়েত উল্লাহ বলেন, ‘ইন্টারনেট না থাকার কারণে সংবাদ সংগ্রহের কাজে স্পটে গিয়ে ছবি, ভিডিও পাঠানো যাচ্ছে না।’

কী বলছে বিটিআরসি

বিষয়টি জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পরে সংস্থাটির কমিশনার এ কে এম শহিদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার আওতার মধ্যে পড়ে না, তবে আমি ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। এটা যেকোনো সময় ঠিক হয়ে যাবে।’

মোবাইলে ইন্টারনেট না পাওয়া নিয়ে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে কল করে পাওয়া গেছে ভিন্ন তথ্য। কাস্টমার কেয়ার থেকে জানানো হয়, বিটিআরসির নির্দেশনায় মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়
ফাইভজিতে কী সুবিধা

শেয়ার করুন