আইজেএসওর জন্য ৬ তরুণের বাংলাদেশ দল

আইজেএসওর জন্য ৬ তরুণের বাংলাদেশ দল

৬ সদস্যের বাংলাদেশ দল লড়বে আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে। ছবি: সংগৃহীত

৬ সদস্যের আইজেএসও বাংলাদেশ দলে আছে খুলনা জিলা স্কুলের এসএম আব্দুল ফাত্তাহ (৯ম), বরিশাল ক্যাডেট কলেজের মুহতাসিন আল ক্বাফি (এসএসসি-২১), ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের অম্লান দে অভীক (এসএসসি -২১), আকিজ ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আবদুর রহমান (৯ম) এবং খুলনা জিলা স্কুলের কাজী নাদিদ হোসেন (৯ম) ও স্বাধীন রায় সানি (এসএসসি-২১)।

১৮তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে (আইজেএসও) বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে ৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।

আল আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক ৭ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (বিডিজেএসও-২১) এর মাধ্যমে সারা দেশ থেকে এই ৬ জনকে বাছাই করা হয়েছে।

২০১৫ সাল থেকে দেশে নিয়মিত এই অলিম্পিয়াড আয়োজন হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে জুলাই মাস থেকে অনলাইনে এই আয়োজনের কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ প্রচারণা, অনলাইন আঞ্চলিক পর্ব, জাতীয় পর্ব ও ক্যাম্প আয়োজনের পর নির্বাচন করা হয়েছে দেশসেরা ৬ শিক্ষার্থীকে।

৬ সদস্যের আইজেএসও বাংলাদেশ দলে আছে খুলনা জিলা স্কুলের এসএম আব্দুল ফাত্তাহ (৯ম), বরিশাল ক্যাডেট কলেজের মুহতাসিন আল ক্বাফি (এসএসসি-২১), ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের অম্লান দে অভীক (এসএসসি -২১), আকিজ ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আবদুর রহমান (৯ম) এবং খুলনা জিলা স্কুলের কাজী নাদিদ হোসেন (৯ম) ও স্বাধীন রায় সানি (এসএসসি-২১)।

আইজেএসও বাংলাদেশ দলের দলপতি হিসেবে আছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্যবিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। সহকারী দলনেতা হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির স্বেচ্ছাসেবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান।

পর্যবেক্ষক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির অনুষ্ঠান সমন্বয়ক মাহমুদ মীম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গৌতম পাল। সুপারভাইজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোরশেদা আক্তার মীম ও গ্রিন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রেজাউল ইসলাম।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি আগামী ৩ মাস বাংলাদেশ আইজেএসও দলের প্রস্তুতির জন্য বেশ কিছু ক্যাম্প আয়োজন করবে। সেই সঙ্গে মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে (ম্যাসল্যাব) ব্যবহারিক বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করবে।

এ বছর বিডিজেএসও-২০২১ এ অংশ নেয়ার জন্য তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া ১৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে। দেশের ৬৪ জেলার ৪৩৭টি উপজেলার হতে শিক্ষার্থীরা এই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে। করোনায় এবারের অলিম্পিয়াড হয়েছে পুরোটাই অনলাইনে।

বিডিজেএসও-২০২১ যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন।

আয়োজনটির টাইটেল স্পন্সর আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু

আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু

আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বিসিসি অডিটরিয়ামে ‘আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড ২০২১’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, ‘ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের বিজয়ী ১২টি দল এই আয়োজনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।’ হংকং ব্লকচেইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. লরেন্স মা বলেন, ‘এ বছর করোনা পরিস্থিতির জন্য এমন একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজন করা অনেক কঠিন ছিল। বাংলাদেশ এত সুন্দরভাবে এই কাজটা সফলতার সঙ্গে করতে পেরেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

তথ্য সংরক্ষণের আধুনিক উপায় ব্লকচেইন প্রযুক্তি সম্পর্কে তরুণদের উৎসাহ বাড়াতে দেশে শুরু হয়েছে তিন দিনের ‘আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড ২০২১’।

এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘অনুপ্রেরণামূলক ক্ষমতায়ন ও উদ্ভাবন। হংকং থেকে শুরু হওয়া বহুল প্রত্যাশিত এই অলিম্পিয়াড এবারই প্রথম হংকংয়ের বাইরে বাংলাদেশে আয়োজিত হচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বিসিসি অডিটরিয়ামে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ এবং টেকনোহেভেন কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এই আয়োজন করছে।

ব্লকচেইন হচ্ছে তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি। এটি একটি অপরিবর্তনযোগ্য ডিজিটাল লেনদেন, যা শুধু অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্যই প্রযোজ্য নয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনো কার্য-পরিচালনা রেকর্ড করা যেতে পারে। একবার লেজারে কোনো তথ্য প্রবেশ করলে স্থায়ীভাবে তা থেকে যায় এবং কখনো মুছে ফেলা যায় না।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘শুধু স্বপ্ন দেখেই নয়, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে হবে। চাইলে নিজেই নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করা যায়। এ বিষয়টি তরুণদের হাতেই আছে। কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি চিন্তা, গবেষণা, বাইরে যাওয়া, অ্যাডভেঞ্চার, ঝুঁকিগ্রহণ, স্টার্টআপ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও নিজেকে যুক্ত করতে হবে।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, ‘ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের বিজয়ী ১২টি দল এই আয়োজনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তরুণরাই ভবিষ্যতের অগ্রগতির মশাল বহনকারী। আমি বিশ্বাস করি, ২০২২ সালের আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে আরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিবেন।’

হংকং ব্লকচেইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. লরেন্স মা বলেন, ‘এ বছর করোনা পরিস্থিতির জন্য এমন একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজন করা অনেক কঠিন ছিল। বাংলাদেশ এত সুন্দরভাবে এই কাজটা সফলতার সঙ্গে করতে পেরেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বিসিসির নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড-২০২১ এর চেয়ারম্যান ও টেকনোহেভেন কোম্পানি লিমিটেডের এবং সিইও হাবিবুল্লাহ এন করিম, গ্লোবাল ব্লকচেইন বিজনেস কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক সান্দ্রা রো, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

আয়োজনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এফবিসিসিআই, বেসিস, আইবিএ, এসিআই লিমিটেড, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইয়ূথ পলিসি ফোরাম ও একাত্তর টিভি।

শেয়ার করুন

তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালার তৃতীয় ব্যাচ সম্পন্ন

তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালার তৃতীয় ব্যাচ সম্পন্ন

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবু বকর। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপকমিটির সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা বলেন, ‘আগামী দিনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আজকের তরুণরাই নেতৃত্ব দেবে। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অবশ্যই দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। নিজের ক্যারিয়ারের পরিকল্পনা করে তারা যাতে এগিয়ে যেতে পারে এবং দক্ষ হয়ে নিজের ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে সে জন্যই এ আয়োজন।’

তরুণ প্রজন্মকে ক্যারিয়ার সচেতন করতে ‘কর্মজীবনের কর্মশালা’র তৃতীয় ব্যাচের প্রাথমিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে।

আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপকমিটির উদ্যোগে, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন- সিআরআই এর সহযোগিতায় কর্মশালাটি হয়েছে।

তৃতীয় ব্যাচের কার্যক্রম উদ্বোধনে আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপকমিটির সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা বলেন, ‘আগামী দিনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আজকের তরুণরাই নেতৃত্ব দেবে। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অবশ্যই দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। নিজের ক্যারিয়ারের পরিকল্পনা করে তারা যাতে এগিয়ে যেতে পারে এবং দক্ষ হয়ে নিজের ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে সে জন্যই এ আয়োজন।’

আওয়ামী লীগ চায় দেশের সব তরুণ-তরুণীকে ক্যারিয়ার সম্পর্কে সচেতন করতে। তাই দক্ষতা অর্জনে সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের সম্পদে রূপান্তরের চেষ্টা করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কর্মজীবনের কর্মশালার তৃতীয় ব্যাচ সম্পর্কে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবু বকর বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নত অবকাঠামো তৈরি করছেন তার সঙ্গে মানানসই একটি তরুণ সমাজ তৈরি করতেই আমাদের এই প্রয়াস। নিজেদের উন্নত করে, উন্নত অবকাঠামোর সঠিক ব্যবহার করতে পারলেই আমরা উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।’

তৃতীয় ব্যাচের অংশগ্রহণকারী পঞ্চগড় জেলার যুবায়ের হোসেন বলেন, ‘কর্মশালায় সুন্দর করে আমাদের ক্যারিয়ার নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেয়া হয়েছে। ক্যারিয়ার নিয়ে যে পরিকল্পনা করতে হয়, কীভাবে পরিকল্পনা করতে হয় তার সঠিক ও সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি কর্মশালা থেকে।’

কর্মশালার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) এর সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ।

তিনি জানান, গত ৯ জানুয়ারিতে উদ্বোধনের পর ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলে। প্রায় ৬ হাজার তরুণ-তরুণী কর্মশালার জন্য নিবন্ধন করেন। প্রাথমিক বাছাই শেষে ৭০ জনকে নিয়ে প্রথম ব্যাচের কর্মশালা হয় গত ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি। ১ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে রেজিস্ট্রেশন চলে, সেখানে ১ হাজার তরুণ-তরুণী রেজিস্ট্রেশন করেন। দুই ধাপের রেজিস্ট্রেশনকারীদের মধ্য থেকে বাছাই করে ১২৬ জনকে নিয়ে কর্মশালার দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম চলে ১০ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত।

১২ সেপ্টেম্বর আবারও রেজিস্ট্রেশন সুযোগ দেয়া হয়। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত যারা নিবন্ধন করেছেন তাদের মধ্য থেকে ৮০ জনকে নিয়ে কর্মজীবনের কর্মশালার তৃতীয় ধাপ শেষ হয়।

প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচ যারা শেষ করেছেন তাদের নিয়ে ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন’ বিষয়ে আরেকটি কর্মশালা হয়।

সিআরআইয়ের সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ বলেন, ‘কর্মজীবনের কর্মশালা বিষয়ক আয়োজনে তরুণদের কাছ থেকে আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। তিনটি ব্যাচের প্রাথমিক কার্যক্রম ও একটি দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আমরা পরের ব্যাচের কার্যক্রম শুরু করতে পারব বলে আশা করছি।’

৯ জানুয়ারি তরুণদের কর্মদক্ষতা ও কর্ম-পরিকল্পনা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মসূচি ‘কর্মজীবনের কর্মশালা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শেয়ার করুন

নিজের তৈরি বিমানে চড়ার স্বপ্ন আশিরের

নিজের তৈরি বিমানে চড়ার স্বপ্ন আশিরের

খেলনা বিমান বানাতে বানাতেই সত্যিকারের বিমান বানাবেন একদিন, সেই স্বপ্ন আশিরের। ছবি: নিউজবাংলা

আশিরের তৈরি খেলনা বিমানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমানের ড্রিমলাইনার বোয়িং-৮৭৮, ফাইটার বিমান মিগ-২৯, চেসনা ও ইউএস বাংলার বিমানের মডেল। এর মধ্যে তিন কিলোগ্রাম ওজনের বোয়িং-৮৭৮ ড্রিমলাইনারটি ঘণ্টায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম বলে দাবি তার।

বিমান উড়তে দেখে তাতে চড়ার সাধ তো অনেকেরই জাগে, কিন্তু সাধ মেটাতে নিজেই বিমান বানিয়ে তাতে উঠবেন বলে স্বপ্ন দেখছেন চট্টগ্রামের বাঁশখালীর আশির উদ্দিনের। বিমান বানাতে বাড়িতে ছোটখাটো একটা ল্যাবরেটরিও গড়ে তুলেছেন এই যুবক।

বাঁশখালীর পুইছড়ি ইউনিয়নে বাড়ি আশিরের। ২০১৭ সাল থেকে তিনি বানিয়ে আসছেন খেলনা বিমান, যেগুলো কিছুদূর উড়তে সক্ষম।

আশিরের ওই ল্যাবে গিয়ে দেখা গেল বাংলাদেশ বিমানের ড্রিমলাইনার বোয়িং-৭৮৭, ফাইটার বিমান মিগ-২৯, চেসনা ও ইউএস বাংলার বিমানের আদলে বানানো ১২টির মতো খেলনা বিমান।

এর মধ্যে তিন কিলোগ্রাম ওজনের বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি ঘণ্টায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম বলে দাবি আশিরের।

বিমান বানাতে বানাতে তার মাথায় এলো ওয়াটার বোট তৈরির বুদ্ধি। বানিয়েও ফেললেন একটি। জ্বালানি নয়, বাতাসের শক্তিতে চলে সেটি।

এসবের পাশাপাশি একটি ড্রোনও তৈরি করেছেন আশির। সেটি দুর্গম বা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি তুলতে ও ফসলের ক্ষেতে কীটনাশক ছিটাতে কাজে আসবে বলে জানান তিনি।

আশির নিউজবাংলাকে জানালেন, কীভাবে এসব তৈরির সরঞ্জাম তিনি জোগার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাঁশখালীর প্রত্যন্ত গ্রামে বসে বিমানের মডেল তৈরির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতে হয়েছে অনেক কষ্টে। ঢাকায় থাকা আত্মীয়রা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তা পাঠানো হতো বাড়ি থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরের গুনাগরি বাজারে। সেই বাজার থেকে যন্ত্রাংশগুলো সংগ্রহ করতাম।

‘কলেজে পড়ার সময় বন্ধুরা যখন মাঠে খেলত, তখন আমি আমার ছোট্ট ল্যাবে সময় কাটাতাম নানা যন্ত্রাংশের সঙ্গে। অবসরের পুরো সময়টা ল্যাবেই দিয়েছি।’

খেলনা বিমান তৈরির কীভাবে শুরু করেন?

আশির বলেন, ‘আমি কোনো মডেল তৈরি করব ঠিক করলে আগে কাগজে তার একটা স্কেচ আঁকি, তারপর সেটা নিয়ে কাজ শুরু করি। স্কেচ অনুযায়ী যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে তা সংযোজনের উপযোগি করি। তারপর প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রি্ক্যাল কাজ শেষ করে আটা বা গাম দিয়ে লাগিয়ে তার একটা শেপ দেয়ার চেষ্টা করি।

‘এখন বিমানগুলো আকাশে উড়ছে। মানুষ দেখে খুশি হয়। একটা সময় ছিল অনেকে হাসাহাসি করত। আমার অনেকগুলো বিমান উড়ানোর আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কিছু তৈরি করতে চাইলে আর নষ্ট হয় না।’

নিজের তৈরি বিমানে চড়ার স্বপ্ন আশিরের

এসব কাজের জন্য খরচাপাতি দিতে মা-বাবা কখনও পিছপা হননি বলে জানান এই তরুণ।

তিনি বলেন, ‘আমার তো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কেনার জন্য টাকা লাগত। টাকা বাবাই দিতেন মূলত। মা-বাবাসহ পরিবারের সবাই সবসময় আমার পাশে ছিলেন। তারা নানাভাবে আমাকে অনুপ্রেরণা দিতেন। আমি যা চাইতাম তাই করতে দিতেন। তবে এখন ফেসবুক ও ইউটিউবে আমার অ্যাকাউন্ট আছে। ব্লগিং করে টাকা পাই। সেই টাকা দিয়েই মোটামুটি চলে এখন।’

আশির মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছেন স্থানীয় স্কুল ও কলেজে। এখন চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন তিনি।

আশিরের বাবা লবণ ব্যবসায়ী মো. শাহাবুদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আশির ছোট থেকেই বাইরে অন্য কাজ না করে বাসায় বসে এসব মেকানিক্যাল কাজগুলো করত। আমরা চাই ও যথাযথ সুযোগ-সুবিধা পাক এবং ওর মেধাটা দেশের কাজে লাগাক। ওর মেধাটারও মূল্যায়ন হোক।’

এলাকার তরুণ সংগঠক এম এইচ আর শাকের উল্লাহ সাগর আশিরের এই কাজগুলো কাছ থেকে দেখেন সবসময়।

তিনি বলেন, ‘আশির যে বিমান তৈরি করতেছে এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আমি পুইছড়িবাসীর পক্ষ থেকে তাকে দোয়া ও শুভকামনা জানাচ্ছি। সরকার যদি তাকে প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে গড়ে তোলে, তাহলে আমি মনে করি সে দেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারবে।’

শেয়ার করুন

পিএমও গ্লোবাল আমেরিকার সিইও হলেন বাংলাদেশি আবদুল্লাহ

পিএমও গ্লোবাল আমেরিকার সিইও হলেন বাংলাদেশি আবদুল্লাহ

পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউট আমেরিকার সিইও হয়েছেন বাংলাদেশি আবদুল্লাহ আল মামুন। ছবি: ফেসবুক

পিএমঅ্যাস্পায়ারের রয়েছে ১২০টি দেশে সাতটি আন্তর্জাতিক ভাষায় পেশাদারদের সাহায্যকারী শীর্ষস্থানীয় প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। সিঙ্গাপুর, কানাডা, বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈশ্বিক অফিস রয়েছে তাদের।

পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউট করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী হয়েছেন বাংলাদেশি আবদুল্লাহ আল মামুন। এর আগে তিনি পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত সিইও ছিলেন।

আবদুল্লাহ একজন তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা, এঞ্জেল ইনভেস্টর এবং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল। তিনি গ্লোবাল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও ই-ল্যার্নিং সলিউশন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পিএমঅ্যাস্পায়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

পিএমঅ্যাস্পায়ারের রয়েছে ১২০টি দেশে সাতটি আন্তর্জাতিক ভাষায় পেশাদারদের সাহায্যকারী শীর্ষস্থানীয় প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। সিঙ্গাপুর, কানাডা, বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈশ্বিক অফিস রয়েছে তাদের।

যুক্তরাজ্যের করপোরেট ভিশন ম্যাগাজিন তাকে ২০১৮ সালের সবচেয়ে প্রভাবশালী সিইও হিসেবে তুলে ধরেছিল। তার কোম্পানি পিএমঅ্যাস্পায়ার এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দ্রুততম ৩০টি ক্রমবর্ধমান সংস্থার মধ্যে স্থান পেয়েছে।

এ ছাড়া পিএমঅ্যাস্পায়ার জিতেছে ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং এআইভিত্তিক পিএমও সফটওয়্যারের জন্য যথাক্রমে ২০১৮ এবং ২০১৯-এর জাতীয় আইসিটি পুরস্কার। পিএমও সফটওয়্যারের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার করেছে তারা।

পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ইনকরপোরেটেড হলো পিএমও সার্টিফিকেটের বিশ্বব্যাপী সংস্থা, যা প্রকল্প, প্রোগ্রাম এবং পোর্টফোলিও ম্যানেজারসহ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে।

পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের উদ্দেশ্য হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিস যারা শিখতে চায় তাদের হাতে-কলমে শেখানোর পাশাপাশি সার্টিফিকেশন, ইভেন্ট ও বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কিং তৈরি করা।

পিএমও গ্লোবাল ইনস্টিটিউট করপোরেশনের সিইও আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমার লক্ষ্য কমিউনিটি এনগেজমেন্ট, পিএমও সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম এবং পার্টনারশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ২০০টি দেশে পিএমও বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া। যার অন্যতম বাংলাদেশ।’

শেয়ার করুন

প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে নলেজ শেয়ারিং সেমিনার

প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে নলেজ শেয়ারিং সেমিনার

প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনারে আলোচকরা। ছবি: সংগৃহীত

এ ধরনের নলেজ শেয়ারিং সেশনের উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারীরা। এমন উদ্যোগে প্রভিডেন্ট ফান্ড সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবে এবং কমপ্লায়েন্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে জানান আলোচকরা।

প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যবস্থাপনা, এর তাৎপর্যপূর্ণসহ নানা দিক নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং, এইচআরএস-এর উদ্যোগে অনলাইনে মঙ্গলবার এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজনে প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এটি নিয়ে নানা জনের নানা ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের ডিরেক্টর মহসিন হক।

ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন বিশিষ্ট চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট স্নেহাশীষ বড়ুয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট সুকান্ত ভট্টাচার্য্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ আলোচনা শেষে উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা প্রশ্ন করার সুযোগ পান। সেসব প্রশ্নের উত্তর দেন আলোচকরা।

এ ধরনের নলেজ শেয়ারিং সেশনের উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারীরা।

এমন উদ্যোগে প্রভিডেন্ট ফান্ড সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবে এবং কমপ্লায়েন্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে জানান আলোচকরা।

শেয়ার করুন

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  

৩০ সেকেন্ডে ৫০টি পেনসিল ব্যালান্স করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে গিনেস রেকর্ডের ওয়েবসাইটে আমি আবেদনের নিয়ম-কানুনগুলো পড়ি। এরপর সে অনুযায়ী, ভিডিও করে পাঠাই। খুব শিগগিরই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করব।

এক হাতের উপর সর্বোচ্চ সংখ্যক পেন্সিলের ভারসাম্য রক্ষা করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম। ৩০ সেকেন্ডে ৫০টি পেন্সিল ব্যালান্স করে এ কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক কর্তৃপক্ষ শুক্রবার তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শনিবার সকালে নিউজবাংলাকে স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন মনিরুল নিজেই। এ বছরের ৩ জুন এটি করেছিলেন মনিরুল।

মনিরুল জানান, ফেব্রুয়ারিতে ইউটিউবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুক প্রতিযোগিতার এই ইভেন্টটি দেখতে পান তিনি। তিনি পারবেন মনে হওয়ায় ওই দিনই ৫০টি পেন্সিল কিনে আনেন অনুশীলনের জন্য।

প্রথম দিকে পারছিলেন না, তবে বাবা-মা আর বন্ধুদের অনুপ্রেরণায় বারবার চেষ্টা করে সফল হয়েছেন বলে জানান তিনি।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে গিনেস রেকর্ডের ওয়েবসাইটে আমি আবেদনের নিয়ম-কানুনগুলো পড়ি। এরপর সে অনুযায়ী, ভিডিও করে পাঠাই। খুব শিগগিরই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করব। আরও কয়েকটি ইভেন্টের জন্য আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি।

‘বাংলাদেশের হয়ে এমন কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আগামীতে যেন দেশের জন্য আরও বড় কিছু করতে পারি সে জন্য সবার দোয়া চাই।’

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল

মনিরুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। বাবা জহিরুল ইসলাম ও মা খায়রুন নাহার। দুই ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড়।

বাংলাদেশের হয়ে ১৫তম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী মনিরুল ইসলামের কৃতিত্বে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন।

অবশ্য এই ইভেন্টে আগের রেকর্ডটিও ছিল বাংলাদেশির। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের সিয়াম রেজোয়ান খান ৩০ সেকেন্ডে ৪৪টি পেন্সিল ব্যালান্স করে রেকর্ডটি করেছিলেন।

শেয়ার করুন

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’ সোসাইটি নিবন্ধন পেয়েছে।

পথশিশুদের জীবন পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি সংকল্প তার যাত্রা করেছিল।

সংকল্প ফাউন্ডেশন ‘অফিস অফ রেজিস্টার ফর জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস অ্যান্ড ফার্মস’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ‘সোসাইটিস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০’ অধীনে নিবন্ধিত হয়েছে। সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন নম্বর এস-১৩৬৭৩/২০২১।

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

সংকল্প ফাউন্ডেশনের অন্যতম হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম যা শুরু হয় সংকল্প স্কুলের মাধ্যমে। ২০১৬ সালে ৬ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছিল সংকল্প স্কুল। স্কুলে বর্তমানে ৪টি ভিন্ন শ্রেণিতে ৭০ জন শিক্ষার্থী আছে।

সংকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হলো জীবিকা উন্নয়ন, আর এই লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে পরিবর্তন উদ্যোগ শুরু করে।

এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মেহেদী ইসলাম আকাশ বলেন, ‘আট বছর আমাদের জন্য সহজ ছিল না, এই আট বছরে আমরা অনেক উত্থান-পতনের সম্মুখীন হয়েছি। এখন এই স্বীকৃতি সংকল্পকে আরও বেশি কাজ করতে ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবনে উন্নতি ও তাদের মৌলিক চাহিদা ফিরিয়ে দিতে উৎসাহিত করবে।’

সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নাহার আক্তার বলেন, ‘সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধনের খবর সংকল্প পরিবারের সকল সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে। এখন আমরা আমাদের সমাজকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হব।’

শেয়ার করুন