তরুণদের নিয়ে আবার শুরু হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার

তরুণদের নিয়ে আবার শুরু হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার

দেশে অষ্টমবারের মতো শুরু হওয়া হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামটির আমাদের যুব সমাজের ভবিষ্যৎ উপযোগী তথ্য ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশেই নয়, পাশাপাশি এটি এমন একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে যা ইন্ডাস্ট্রিতে এই খাতে দক্ষ ব্যক্তিদের কাজের সুযোগ করে দিচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) দক্ষ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে অষ্টমবারের মতো দেশে আবারও শুরু হয়েছে হুয়াওয়ের ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২১ বাংলাদেশ।’

এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সোমবার এই আয়োজনের ঘোষণা দেয়া হয়।

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় যুক্ত ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ, আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য ড. মো. ফজলে ইলাহী এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন।

সেখানে বিশেষ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. মো. রুবাইয়াত তানভীর হোসেন।

বিশ্বব্যাপী এসটিইএম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশলবিদ্যা ও গণিত) এবং নন-এসটিইএম বিষয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, জ্ঞান প্রদান এবং আইসিটি খাত সম্পর্কে আরও জানাশোনা ও আগ্রহ তৈরিতে কাজ করে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশে চালু হওয়া প্রোগ্রামটি সারাবিশ্বে প্রায় দশ বছর ধরে মেধা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামটির আমাদের যুব সমাজের ভবিষ্যৎ উপযোগী তথ্য ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশেই নয়, পাশাপাশি এটি এমন একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে যা ইন্ডাস্ট্রিতে এই খাতে দক্ষ ব্যক্তিদের কাজের সুযোগ করে দিচ্ছে।’

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন বলেন, ‘তরুণরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। সামনের বছরগুলোতে, আইসিটি দক্ষতার ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিষয়টি বিবেচনা করেই হুয়াওয়ে আইসিটি খাতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশ করতে এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে।

চলতি বছর প্রোগ্রামে দেশের বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। তাদের অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট, জ্ঞান, উদ্ভাবনী চিন্তার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ থেকে ১৮ জনকে বিজয়ী করা হবে। তারা সারা বিশ্বের অন্য বিজয়ীদের সঙ্গে পরের পর্যায়ে অংশ নেবেন।

২০০৮ সালে থাইল্যান্ডে বৈশ্বিকভাবে চালু হওয়ার পর ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সারা বিশ্বের প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থী এবং পাঁচ শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন পর্যন্ত এই প্রোগ্রাম থেকে উপকৃত হয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  

৩০ সেকেন্ডে ৫০টি পেনসিল ব্যালান্স করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে গিনেস রেকর্ডের ওয়েবসাইটে আমি আবেদনের নিয়ম-কানুনগুলো পড়ি। এরপর সে অনুযায়ী, ভিডিও করে পাঠাই। খুব শিগগিরই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করব।

এক হাতের উপর সর্বোচ্চ সংখ্যক পেন্সিলের ভারসাম্য রক্ষা করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম। ৩০ সেকেন্ডে ৫০টি পেন্সিল ব্যালান্স করে এ কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক কর্তৃপক্ষ শুক্রবার তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শনিবার সকালে নিউজবাংলাকে স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন মনিরুল নিজেই। এ বছরের ৩ জুন এটি করেছিলেন মনিরুল।

মনিরুল জানান, ফেব্রুয়ারিতে ইউটিউবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুক প্রতিযোগিতার এই ইভেন্টটি দেখতে পান তিনি। তিনি পারবেন মনে হওয়ায় ওই দিনই ৫০টি পেন্সিল কিনে আনেন অনুশীলনের জন্য।

প্রথম দিকে পারছিলেন না, তবে বাবা-মা আর বন্ধুদের অনুপ্রেরণায় বারবার চেষ্টা করে সফল হয়েছেন বলে জানান তিনি।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে গিনেস রেকর্ডের ওয়েবসাইটে আমি আবেদনের নিয়ম-কানুনগুলো পড়ি। এরপর সে অনুযায়ী, ভিডিও করে পাঠাই। খুব শিগগিরই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করব। আরও কয়েকটি ইভেন্টের জন্য আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি।

‘বাংলাদেশের হয়ে এমন কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আগামীতে যেন দেশের জন্য আরও বড় কিছু করতে পারি সে জন্য সবার দোয়া চাই।’

পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল

মনিরুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। বাবা জহিরুল ইসলাম ও মা খায়রুন নাহার। দুই ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড়।

বাংলাদেশের হয়ে ১৫তম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী মনিরুল ইসলামের কৃতিত্বে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন।

অবশ্য এই ইভেন্টে আগের রেকর্ডটিও ছিল বাংলাদেশির। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের সিয়াম রেজোয়ান খান ৩০ সেকেন্ডে ৪৪টি পেন্সিল ব্যালান্স করে রেকর্ডটি করেছিলেন।

শেয়ার করুন

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’ সোসাইটি নিবন্ধন পেয়েছে।

পথশিশুদের জীবন পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি সংকল্প তার যাত্রা করেছিল।

সংকল্প ফাউন্ডেশন ‘অফিস অফ রেজিস্টার ফর জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস অ্যান্ড ফার্মস’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ‘সোসাইটিস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০’ অধীনে নিবন্ধিত হয়েছে। সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন নম্বর এস-১৩৬৭৩/২০২১।

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

সংকল্প ফাউন্ডেশনের অন্যতম হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম যা শুরু হয় সংকল্প স্কুলের মাধ্যমে। ২০১৬ সালে ৬ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছিল সংকল্প স্কুল। স্কুলে বর্তমানে ৪টি ভিন্ন শ্রেণিতে ৭০ জন শিক্ষার্থী আছে।

সংকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হলো জীবিকা উন্নয়ন, আর এই লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে পরিবর্তন উদ্যোগ শুরু করে।

এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মেহেদী ইসলাম আকাশ বলেন, ‘আট বছর আমাদের জন্য সহজ ছিল না, এই আট বছরে আমরা অনেক উত্থান-পতনের সম্মুখীন হয়েছি। এখন এই স্বীকৃতি সংকল্পকে আরও বেশি কাজ করতে ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবনে উন্নতি ও তাদের মৌলিক চাহিদা ফিরিয়ে দিতে উৎসাহিত করবে।’

সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নাহার আক্তার বলেন, ‘সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধনের খবর সংকল্প পরিবারের সকল সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে। এখন আমরা আমাদের সমাজকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হব।’

শেয়ার করুন

আইজেএসওর জন্য ৬ তরুণের বাংলাদেশ দল

আইজেএসওর জন্য ৬ তরুণের বাংলাদেশ দল

৬ সদস্যের বাংলাদেশ দল লড়বে আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে। ছবি: সংগৃহীত

৬ সদস্যের আইজেএসও বাংলাদেশ দলে আছে খুলনা জিলা স্কুলের এসএম আব্দুল ফাত্তাহ (৯ম), বরিশাল ক্যাডেট কলেজের মুহতাসিন আল ক্বাফি (এসএসসি-২১), ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের অম্লান দে অভীক (এসএসসি -২১), আকিজ ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আবদুর রহমান (৯ম) এবং খুলনা জিলা স্কুলের কাজী নাদিদ হোসেন (৯ম) ও স্বাধীন রায় সানি (এসএসসি-২১)।

১৮তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে (আইজেএসও) বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে ৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।

আল আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক ৭ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (বিডিজেএসও-২১) এর মাধ্যমে সারা দেশ থেকে এই ৬ জনকে বাছাই করা হয়েছে।

২০১৫ সাল থেকে দেশে নিয়মিত এই অলিম্পিয়াড আয়োজন হয়ে আসছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে জুলাই মাস থেকে অনলাইনে এই আয়োজনের কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ প্রচারণা, অনলাইন আঞ্চলিক পর্ব, জাতীয় পর্ব ও ক্যাম্প আয়োজনের পর নির্বাচন করা হয়েছে দেশসেরা ৬ শিক্ষার্থীকে।

৬ সদস্যের আইজেএসও বাংলাদেশ দলে আছে খুলনা জিলা স্কুলের এসএম আব্দুল ফাত্তাহ (৯ম), বরিশাল ক্যাডেট কলেজের মুহতাসিন আল ক্বাফি (এসএসসি-২১), ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের অম্লান দে অভীক (এসএসসি -২১), আকিজ ফাউন্ডেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আবদুর রহমান (৯ম) এবং খুলনা জিলা স্কুলের কাজী নাদিদ হোসেন (৯ম) ও স্বাধীন রায় সানি (এসএসসি-২১)।

আইজেএসও বাংলাদেশ দলের দলপতি হিসেবে আছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্যবিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। সহকারী দলনেতা হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির স্বেচ্ছাসেবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান।

পর্যবেক্ষক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির অনুষ্ঠান সমন্বয়ক মাহমুদ মীম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গৌতম পাল। সুপারভাইজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোরশেদা আক্তার মীম ও গ্রিন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রেজাউল ইসলাম।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি আগামী ৩ মাস বাংলাদেশ আইজেএসও দলের প্রস্তুতির জন্য বেশ কিছু ক্যাম্প আয়োজন করবে। সেই সঙ্গে মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে (ম্যাসল্যাব) ব্যবহারিক বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করবে।

এ বছর বিডিজেএসও-২০২১ এ অংশ নেয়ার জন্য তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া ১৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে। দেশের ৬৪ জেলার ৪৩৭টি উপজেলার হতে শিক্ষার্থীরা এই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে। করোনায় এবারের অলিম্পিয়াড হয়েছে পুরোটাই অনলাইনে।

বিডিজেএসও-২০২১ যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন।

আয়োজনটির টাইটেল স্পন্সর আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

শেয়ার করুন

মধুর চাকের খবর পেলেই ছোটেন মামুন

মধুর চাকের খবর পেলেই ছোটেন মামুন

কোথাও মধুর চাকের খবর পেলেই ছুটে যান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুয়েল মামুন। ছবি: নিউজবাংলা

মধু সংগ্রহের পাশাপাশি সরিষার তেল, খেজুরের গুড়, রাজশাহীর আম, আমসত্ব বিক্রি করেন মামুন। অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে এসব পণ্য বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকার বেশি মূল্যে বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।

কোথাও মধুর চাকের খবর পেলেই সাইকেল চালিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে যান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুয়েল মামুন। সঙ্গে রাখেন আগুন জ্বালিয়ে ধোঁয়া তৈরির সরঞ্জাম এবং মধু রাখার বালতি। সংগ্রহ করেন মধু। আর এভাবে উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন তিনি।

এক মৌচাক ভাঙলে পাওয়া যায় ১৫-২০ কেজি মধু। শতভাগ খাঁটি ও বিশুদ্ধ মধু ক্রেতাকে পৌঁছে দেয়ার নিশ্চয়তা দেন মামুন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মামুনের বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের রতন বরিষ গ্রামে।

২০১৯ থেকে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন মধু সংগ্রহের কাজ। তবে গত বছর করোনা মহামারির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টাঙ্গাইলে নিজের বাড়ি চলে আসেন তিনি। পরে নিজের এলাকার কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়েই আবার শুরু করেন মধু সংগ্রহ।

মধু সংগ্রহের পাশাপাশি সরিষার তেল, খেজুরের গুড়, রাজশাহীর আম, আমসত্ব বিক্রি করেন মামুন। অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে এসব পণ্য বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকার বেশি মূল্যে বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।

তবে মধুর ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন মামুন। তিনি বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাকের মধু সংগ্রহ করা গেলে এই মধু বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। অনলাইনে মধু বিক্রি করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।’

মামুন জানান, মূলত মৌমাছিরা নিজেদের খাদ্য হিসেবেই মধু ফুল থেকে আহরণ করে। ফুলের মধ্যে নেক্টার নামের এক প্রকার মিষ্টি তরল পদার্থ থাকে। প্রথমে ফুল থেকে এই নেক্টার কর্মী মৌমাছিরা পান করে তাদের দেহের মধু থলিতে সংরক্ষণ করে মৌচাকে নিয়ে যায়। পরে মৌচাকে থাকা মৌমাছির মুখে দিয়ে দেয় কর্মী মৌমাছিরা। এরপর মৌচাকের মৌমাছিগুলো ফুলের রসের সঙ্গে তাদের শরীর থেকে নিঃসৃত বেশ কয়েক ধরনের এনজাইম যোগ করে মৌচাকে সেগুলো জমা করে।

মধু শক্তি প্রদানকারী খাদ্যগুলোর মধ্যে একটি। দেহে তাপ ও শক্তি সঞ্চার করে শরীরকে সুস্থ রাখে। মধুতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। প্রাকৃতিক মধুর অনেক চাহিদা রয়েছে।

মামুন বলেন, ‘মধু সংগ্রহের কাজে সহযোগী হিসেবে আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন কাজ করেন। আমরা সারা বছর গ্রামগঞ্জে সাইকেল চালিয়ে প্রাকৃতিক চাকের মধুর সন্ধান করি। কোথাও মধুর সন্ধান পেলে ছুটে যাই সেখানে। মধু সংগ্রহ করার সরঞ্জাম সব সময় আমাদের সঙ্গেই থাকে। এরপর চোখ খোলা রেখে পুরো শরীর ঢেকে আমাদের একজন মৌচাক কাটি। সঙ্গে রাখা সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই আমরা মধু সংগ্রহ করি।’

এই উদ্যোক্তা জানান, শীতকালে প্রকৃতিতে ফুল বেশি ফোটে। অন্যান্য ঋতুর তুলনায় এই সময়েই মৌচাকগুলোতে মধুও বেশি পাওয়া যায়।

মধু চেনার সঠিক উপায়ও জানালেন মামুন। বলেন, ‘মানুষ মধু কিনতে গিয়ে ব্যাপক সংশয়ে পড়েন। মধু চেনার বেশ কিছু প্রচলিত উপায় রয়েছে। সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কও আছে। চুন দিয়ে পরীক্ষা, ফ্রিজে রেখে পরীক্ষা, পিঁপড়া দিয়ে পরীক্ষা-এগুলো আসলে সঠিক উপায় না।

‘আবার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা ক্রেতাদের ঠকানোর জন্য মধুতে আগুনে জ্বেলে ও পানি ঢেলে পরীক্ষা করে দেখান। এগুলো মধু চেনার সঠিক উপায় নয়। একমাত্র ল্যাবটেস্টই আসল মধু চেনা যায়। তবে আসল মধুর নিজস্ব স্বাদ ও ঘ্রাণ থাকে যেটি অনুধাবন করা যায়।’

শেয়ার করুন

এক মার্কে মেডিক্যাল মিস, ডেন্টালে দেশসেরা

এক মার্কে মেডিক্যাল মিস, ডেন্টালে দেশসেরা

নাজমুস সাকিব রাহাত। ছবি: নিউজবাংলা

মাত্র এক নম্বরের জন্য মেডিক্যালে ভর্তির স্বপ্ন পূরণ হয়নি পঞ্চগড়ের নাসমুস সাকিব রাহাতের। তবে দমে যাননি তিনি। নতুন উদ্যমে চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। ফল পেলেন ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষায়।

সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় এবার জাতীয় মেধা তালিকায় দেশসেরা হয়েছেন পঞ্চগড়ের নাজমুস সাকিব রাহাত।

এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া রাহাত ভর্তি পরীক্ষায় ১০০-এর মধ্যে ৯৫ পেয়েছেন। এভাবে তার সর্বমোট নম্বর দাঁড়িয়েছে ২৯৫। রোববার প্রকাশিত হয় পরীক্ষার ফল।

নাজমুস সাকিব রাহাতের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলারহাট ইউনিয়নের শিং রোড রতনী বাড়ি এলাকায়। তিনি ওই এলাকার সোলেমান আলীর ছোট ছেলে।

২০১৮ সালে পঞ্চগড় বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২০ সালে সেন্ট জোসেফ সেকেন্ডারি স্কুল থেকে এইচএসসি পাস করেন রাহাত।

ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট পেয়েছি আমার বড় ভাই ইব্রাহিম খলিলের কাছ থেকে।’

তিনি বলেন, ‘আগে থেকেই মানবতার সেবক হিসেবে নিজেকে দেখতে চেয়েছিলাম। স্বপ্ন ছিল একজন চিকিৎসক হয়ে সমাজের গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াব। এবার মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। মাত্র এক নম্বর কম থাকায় সেখানে ভর্তির সুযোগ পাইনি।’

ডেন্টালে দেশসেরা হতে পারলেও মেডিক্যালে সুযোগ না পাওয়ার বিষয়ে রাহাত বলেন, ‘পরিশ্রমের পাশাপাশি ভাগ্যেরও একটা ব্যাপার থাকে।’

রাহাতের সাফল্য সম্পর্কে বড় ভাই মাদ্রাসাশিক্ষক ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘আমার ভাই ছোটবেলা থেকেই অনেক মেধাবী ছিল। ভদ্র ও বিনয়ী ছাত্র ছিল৷ আমি ভাই হলেও অন্য পরিচয়ে আমি তার শিক্ষক। পরিবার থেকে আমাদের স্বপ্ন ছিল রাহাতকে চিকিৎসক বানাব। সেভাবেই তাকে সহযোগিতা দিয়েছি। সবার দোয়া চাই, যেন বড় হয়ে অনেক বড় চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে পারে।’

শেয়ার করুন

মাঠে থেকে অনলাইনে ব্যবসায় সফল

মাঠে থেকে অনলাইনে ব্যবসায় সফল

ইউটিউবে দেখে রুটি তৈরির যন্ত্র বানিয়ে সফল হয়েছেন মাগুরার তৌহিদ। ছবি: নিউজবাংলা

তৌহিদ বলেন, ‘শহরে এক চায়ের দোকানে এক ছোট ভাই ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখায়, লোহা দিয়ে তৈরি রুটি তৈরির একটি যন্ত্র। আমি ভিডিও দেখে বাড়ি গিয়ে কাঠ দিয়ে বানানোর চেষ্টা করি এবং সফলতা পাই মাত্র চার দিনে। সেই থেকে এই ব্যবসার শুরু।’

মাগুরা পৌরসভার নালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ তৌহিদের বাড়ির চারপাশে পাট ও ধানক্ষেত। বাড়ির রাস্তা বলতে অন্যের জমির আইল ধরে আধা কিলোমিটার হেঁটে প্রথমে যেতে হয় গ্রামের পাকা সড়কে। সেখান থেকে গন্তব্যে।

বর্ষায় কর্দমাক্ত সেই মাঠ পাড়ি দিয়েই প্রতিদিন মাগুরা শহরে যান তৌহিদ। হাতে থাকে ‘রুটি মেকার’ নামে একটি যন্ত্র। অনলাইনে অর্ডার পেয়ে সেগুন কাঠের যন্ত্রটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে পাঠান তিনি।

এলাকায় তিনি পরিচিত তৌহিদ মিস্ত্রি নামে। বাপ-দাদার আমল থেকে তারা কাঠের আসবাবপত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত। তৌহিদের শুরুও আসবাবপত্র বানানো দিয়ে। তবে পুঁজি কম থাকায় দুই বছর আগে এটি ছেড়ে দেন। এখন রুটি তৈরির কাঠের যন্ত্রটি বানান তিনি।

মাঠে থেকে অনলাইনে ব্যবসায় সফল

ফেসবুক পেজের মাধ্যমে কাঠের এই রুটি মেকার বেচে এখন স্বাবলম্বী তিনি। তার কারখানায় কাজ করেন আরও পাঁচজন। মাসে বিক্রি ৪-৬ লাখ টাকা।

তবে তৌহিদের শুরুটা এত সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এতদূর এসেছেন।

তৌহিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাঠের আসবাবপত্র তৈরির জন্য ভালো পুঁজি লাগে। তাই আমার মতো হতদরিদ্র মানুষের কাজটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। এরপর শহরে এক চায়ের দোকানে এক ছোট ভাই ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখায়।

‘লোহা দিয়ে তৈরি রুটি তৈরির একটি যন্ত্র। আমি ভিডিও দেখে বাড়ি গিয়ে কাঠ দিয়ে বানানোর চেষ্টা করি এবং সফলতা পাই মাত্র চার দিনে। সেই থেকে এই ব্যবসার শুরু।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে মাগুরার বিভিন্ন প্রান্তে ফেরি করে বিক্রি করতাম। রোদের মধ্যে সারা দিন ছেলেকে নিয়ে বসে থাকতাম। খুব কষ্ট। বিক্রি হতো, তবে সন্তোষজনক না।

‘তবে করোনা যখন শুরু হলো, তখন আমার হাতে একটি নতুন সুযোগ এলো। এলাকার যুবক ছেলেরা আমার রুটি মেকার বিক্রি করতে একটা ফেসবুক পেজ খুলে দিল। সেখানে ছবিসহ ভিডিও দিলাম। এরপর অর্ডার পেতে থাকলাম। আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।’

এখন তার কারখানায় আরও পাঁচজন কাজ করেন জানিয়ে তৌহিদ বলেন, ‘সারা দেশের নানা প্রান্ত থেকে অর্ডার পাচ্ছি ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আমার বাড়ি মাঠের মাঝে বলে নেটওয়ার্ক পেতে সমস্যা হয়। তবু আমি এসব বাধাকে মেনেই ব্যবসা করছি।’

মাঠে থেকে অনলাইনে ব্যবসায় সফল

এখন অর্ডারের পরিমাণ এত বেশি যে সময়মতো ডেলিভারি দেয়া চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে বলে জানান তৌহিদ। তিনি বলেন, ‘মাল ডেলিভারি দিতে হিমশিম খাচ্ছি এখন। আমার মাল যারা নিয়েছে তারা আবার নিচ্ছে। কারণ আমি ভালো জিনিস তৈরি করি। এ কারণে আমার অনলাইন ব্যবসা এখন মাসে ৪-৬ লাখ টাকার বিক্রিতে পড়েছে।’

রুটি মেকারের বিষয়ে তৌহিদ জানান, সেগুন কাঠের তৈরি যন্ত্রটি তৈরিতে সময় লাগে চার ঘণ্টা। তবে এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। খামির গোল করে যন্ত্রটির মাঝে রেখে ওপর থেকে একটি পাটাতন হাতে ধরে চাপ দিলে বড় গোল আকারের রুটি তৈরি হয়।

তিনি আরও জানান, এই রুটি মেকার দিয়ে এক মিনিটে ১০টি রুটি তৈরি সম্ভব। এতে মানুষের শ্রম বাঁচে, সঙ্গে কষ্টও কমে; এ জন্য চাহিদা বেশি। গত দুই বছরে দেশের প্রায় সব জেলায় তিনি এটি পাঠিয়েছেন।

দামের বিষয়ে জানান, মানভেদে তিন ধরনের দাম রয়েছে তার রুটি মেকারের। ৭৫০, ৯০০ এবং ১ হাজার ১৫০ টাকায় একটি যন্ত্র বিক্রি করেন তিনি।

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক জামান হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পড়ালেখা না জেনেও তৌহিদ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করছেন। এটা খুবই পজিটিভ একটা বিষয়। কত শিক্ষিত বেকার কত কিছুই জানে। তারাও অনেকে অনলাইনে ব্যবসা করছে, কিন্তু দুদিন পর লস গুনে হতাশ হচ্ছে।

‘অথচ তৌহিদ মিস্ত্রি কাদা মাঠে বসবাস করে। একটা পিসিও নেই। শুনেছি তার এক ভাস্তের (ভাইয়ের ছেলে) মোবাইল ব্যবহার করে সে লক্ষ টাকার ব্যবসা করছে। তার মাল সারা দেশের মানুষ কিনছে। ভাবতে ভালো লাগে যে আমার এলাকায় এ রকম একজন উদ্যোক্তা কাজ করছে।’

শেয়ার করুন