ইলেভেন প্রজন্মের গেমিং ল্যাপটপ আনল এমএসআই

ইলেভেন প্রজন্মের গেমিং ল্যাপটপ আনল এমএসআই

দেশে এমএসআইয়ের নতুন ল্যাপটপ এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

আগের মডেলের চেয়ে নতুন মডেলে ৩০ শতাংশ বেশি পারফরমেন্স পাওয়া যাবে। এতে যুক্ত হয়েছে হাই স্পিড কম্বো পিসিআইই জেন ৪, থান্ডারবোল্ট ৪, ওয়াইফাই ৬ই।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গেমিং প্রযুক্তি নির্মাতা এমএসআই নতুন ল্যাপটপ উন্মোচন করেছে।

দেশের বাজারে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে এসেছে ইলেভেন প্রজন্মের ইন্টেল কোর এইচ সিরিজ প্রসেসর ও এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ৩০৮০ জিপিইউয়ের এমএসআই ল্যাপটপ।

এমএসআইয়ের নতুন এই ল্যাপটপ বর্তমান ট্রেন্ডের সঙ্গে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আগের মডেলের চেয়ে নতুন মডেলে ৩০ শতাংশ বেশি পারফরমেন্স পাওয়া যাবে। এতে যুক্ত হয়েছে হাই স্পিড কম্বো পিসিআইই জেন ৪, থান্ডারবোল্ট ৪, ওয়াইফাই ৬ই।

গেমিং সিরিজগুলোতে এসেছে ডিসক্রিট গ্রাফিকস মোড নামের ফিচার দেয়া হয়েছে ল্যাপটপটিতে।

এমএসআই নতুন গেমিং ল্যাপটপ শুরু হয়েছে জিই রেইডার সিরিজ দিয়ে। জিই ৭৬ ও জিই৬৬ রেইডার মডেলে ওয়াইফাই ৬ই, এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ৩০৮০ জিপিইউ থাকায় স্মুথ গেমিং পাওয়া যাবে।

এর ডিসপ্লেটি ৩৬০ হার্জের এবং কিউএইচডি ২৪০ হার্জ। এমএসআই কুলার বুস্ট ৫ প্রযুক্তি দেয়া হয়েছে এতে।

জিপি লিওপার্ড সিরিজেও যুক্ত হয়েছে এনভিডিয়া হালনাগাদ জিপিইউ ও ইলেভেন প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসর।

স্টেলথ সিরিজের হালকা ল্যাপটপেও শক্তিশালী গেমিং সক্ষমতা যুক্ত হয়েছে। জিএস ৭৬ স্টেলথে এখন উন্নত ভিজুয়াল পারফরমেন্সের জন্য কিউএইচডি ২৪০ হার্জের নতুন প্যানেল দেয়া হয়েছে।

পালস জিএল৭৬ ও ৬৬ মডেলগুলো আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ৩০৬০ জিপিইউ ও নতুন নকশার হিটপাইপ ও এমএসআই থার্মাল গ্রিজ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে বায়ু চলাচল বেশি হয়ে ল্যাপটপ ঠান্ডা থাকে।

সোর্ড ১৭ ও ১৫, কাতানা জিএফ ৭৬ ও ৬৬ মডেলেও গেমিং অভিজ্ঞতা মিলবে। এতে রয়েছে এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ৩০৬০ জিপিইউ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দেশে আগামী বছর রোবটিকস উৎসব: পলক

দেশে আগামী বছর রোবটিকস উৎসব: পলক

বাংলাদেশ রোবটিকস অলিম্পিয়াডের সমাপনীতে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

পলক বলেন, ‘আগামী প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় উপযোগী করে গড়ে তুলতে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফ্রন্ট্রিয়ার টেকনোলজি স্থাপন করা হচ্ছে। রোবটিকস সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে দেশে ৩০০টি স্কুল অব ফিউচার প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। যা ২০২২ সাল থেকে চালু হবে।’

রোবট এখন বিলাসী বস্তু নয়, এটি আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তরুণ শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উৎসাহিত করতে আগামী বছর দেশে রোবটিকস উৎসব করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সোমবার ভার্চুয়ালি ‘চতুর্থ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল ইকোনমি গড়ে তোলা অপরিহার্য। তাই আমাদের আগামী দিনের লক্ষ্য হচ্ছে একটি ডিজিটাল ইকোনমি ও নলেজ বেইজড সোসাইটি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্মার্ট নেশন বিনির্মাণ করা। সে লক্ষ্য অর্জনে রোবটিকসকে প্রাধান্য দিতে হবে।’

পলক বলেন, ‘আগামী প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় উপযোগী করে গড়ে তুলতে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফ্রন্ট্রিয়ার টেকনোলজি স্থাপন করা হচ্ছে। রোবটিকস সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে দেশে ৩০০টি স্কুল অব ফিউচার প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। যা ২০২২ সাল থেকে চালু হবে।

‘মানুষের জীবনের ঝুঁকি থাকে এমন কাজগুলোতে রোবটের ব্যবহার আরও বাড়াতে অর্থায়নসহ তরুণ শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের উৎসাহিত করতে হবে। আগামী বছর তাই দেশে রোবটিকস উৎসব করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১২ বছরে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের নেতৃত্বে আইসিটি খাত শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যন্ত ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি পৌঁছে গেছে। যে কারণে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি দাঁড়িয়েছে এবং ই-গভর্নেন্সে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। ১২ বছর আগে বাংলাদেশ ছিল প্রযুক্তিবিহীন, দুর্নীতিগ্রস্ত, দরিদ্র রাষ্ট্র। বাংলাদেশ আজ প্রযুক্তিনির্ভর, দুর্নীতিমুক্ত।’

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন

২৪ বছরে গুগল

২৪ বছরে গুগল

২৩তম জন্মদিনে কেক-মোমবাতিতে গুগলের ডুডল। ছবি: সংগৃহীত

১৯৯৮ সালে ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা কাজের অংশ হিসেবেই সার্চ ইঞ্জিনটি তৈরি করেছিলেন ওই দুজন।

গুগলে আজ কিছু সার্চ করতে গেলেই চোখে পড়ছে একটি ডুডল। কেক, মোমবাতিতে সাজানো সে ডুডলে জানানো হচ্ছে গুগলের ২৩তম জন্মদিনের খবর।

সার্চ জায়ান্ট গুগল সোমবার ২৪ বছরে পা দিয়েছে।

বিশ্বের দেশগুলো থেকে দেড় শতাধিক ভাষায় কয়েক বিলিয়ন বার সার্চ করা হয় বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে।

বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সামলাতে অবশ্য প্রতিষ্ঠানটিকে কম খাটতে হয় না। এসব তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও তথ্য সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী গুগল গড়ে তুলেছে বিশালাকার একেকটি ডেটা সেন্টার।

২৩ বছর অতিক্রমে এসে গুগলের ডেটা সেন্টারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০টিতে।

১৯৯৮ সালে ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা কাজের অংশ হিসেবেই সার্চ ইঞ্জিনটি তৈরি করেছিলেন ওই দুজন।

তার আগে অবশ্য ১৯৯৫ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর গুগল ডটকম নিবন্ধন করেন পেজ ও ব্রিন। পরে ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দুই গবেষক গুগলকে একটি কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন করেন। ১৯৯৬ সালে তাদের তৈরি করা সার্চ ইঞ্জিন ব্যাকরাবকে গুগল হিসেবে নামকরণ করেন।

বর্তমানে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন সুন্দর পিচাই। তিনি প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব নেন ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর।

শেয়ার করুন

স্মার্টফার্মিংয়ে আসবে হাজার গ্রাম: পলক

স্মার্টফার্মিংয়ে আসবে হাজার গ্রাম: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: ফেসবুক

জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ গ্রামকে স্মাটফার্মিংয়ের জন্য ডিজিটালাইজ করতে চাই। এতে ২০ হাজার কৃষক, তাদের জন্য ২০ হাজার আধুনিক কৃষি ডিভাইস, সাড়ে ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হবে। এভাবে ফেইজ ওয়ান, টু, থ্রি করে ২০৪১ সালের মধ্যে এক হাজার গ্রামের ২০ লাখ কৃষক এবং সাড়ে ৩ লাখ উদ্যোক্তা স্মার্টফার্মিংয়ের আওতায় আসবে।’

২০৪১ সালের মধ্যে দেশের এক হাজার গ্রামকে স্মার্টফার্মিংয়ের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এতে ২০ লাখ কৃষক ও সাড়ে ৩ লাখ উদ্যোক্তা যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির উদ্যোগে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে রোববার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এন জিয়াউল আলম ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান।

পলক বলেন, ‘উন্নত সমৃদ্ধ জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য সব ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। আমরা স্মার্টফার্মিংয়ে উৎসাহিত করতে চাই, উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই। বিভিন্ন ধাপে এ লক্ষ্য পূরণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, পাইলট প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ গ্রামকে স্মাটফার্মিংয়ের জন্য ডিজিটালাইজ করতে চাই। এতে ২০ হাজার কৃষক, তাদের জন্য ২০ হাজার আধুনিক কৃষি ডিভাইস, সাড়ে ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হবে।

‘এভাবে ফেইজ ওয়ান, টু, থ্রি করে ২০৪১ সালের মধ্যে এক হাজার গ্রামের ২০ লাখ কৃষক এবং সাড়ে ৩ লাখ উদ্যোক্তা স্মার্টফার্মিংয়ের আওতায় আসবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ ইকোসিস্টেমের জন্য আমাদের ডিজিটাল ভিলেজ সেন্টার, ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার, ডিজিটাল ভিলেজেস, এমএফএস, ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল ট্রান্সজেকশন প্লাটফর্মসহ অন্যান্য অনুষঙ্গগুলোকে একত্র করে কাজ করব।

‘কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষিবিদ অর্থনীতি সমিতি এবং আইসিটি ডিভিশন মিলে সমন্বিতভাবে এ কাজ করা হবে। এর মাধ্যমে এই ২০৪১ সাল পর্যন্ত যে টার্গেট, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের আধুনিক রূপ, প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নত সমৃদ্ধ জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ তৈরি হবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল আলম। আলোচক ছিলেন এসিআই অ্যাগ্রো লিংক লিমিটেডের এমডি ও সিইও এফএইচ আনসারী।

শেয়ার করুন

লাখ লাখ ফোনে বন্ধ হচ্ছে ইউটিউব, জিমেইল, প্লে স্টোর

লাখ লাখ ফোনে বন্ধ হচ্ছে ইউটিউব, জিমেইল, প্লে স্টোর

গুগল বলছে, এসব হ্যান্ডসেটের মধ্যে যাদের অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ থেকে ৩.০ সংস্করণে আপগ্রেড করার সুবিধা থাকবে, সেগুলোতে সেবাটি অব্যাহত থাকবে।

লাখ লাখ স্মার্টফোনে গুগলের ইউটিউব, জিমেইল, ম্যাপসহ আরও বিছু সেবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার থেকে সেসব ফোনে আর এই সেবাগুলো পাওয়া যাবে না।

সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ডট কো ডট ইউকে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গুগল নিজেও সম্প্রতি দাপ্তরিক পোস্টে এই তথ্য জানায়।

সেখানে বলা হয়, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে টেক জায়ান্টটি।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, যেসব ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ বা জিঞ্জারব্রেড সংস্করণ ব্যবহার করছেন, তারা আর গুগলের এসব সেবা পাবেন না।

জিঞ্জারব্রেড মূলত অ্যান্ড্রয়েরে খুবই পুরাতন একটি সংস্করণ। ২০১০ সালে সেটি ব্যবহারকারীদের জন্য বাজারে ছাড়া হয়। শুরুর দিকের সপ্তম সংস্করণ সেটি।

নিরাপত্তার জন্যই মূলত জিঞ্জারব্রেড সংস্করণে সেবাগুলো বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে গুগল। ইউটিউব, জিমেইল, গুগল ম্যাপের পাশাপাশি প্লে স্টোর, ক্যালেন্ডার ও অন্যান্য গুগল সেবাও বন্ধ হয়ে যাবে সেসব হ্যান্ডসেটে।

বিশ্বে এখন অ্যান্ড্রয়েডের সেই সংস্করণের ১০ লাখের বেশি হ্যান্ডসেট রয়েছে।

গুগল বলছে, এসব হ্যান্ডসেটের মধ্যে যাদের অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ থেকে ৩.০ সংস্করণে আপগ্রেড করার সুবিধা থাকবে, সেগুলোতে সেবাটি অব্যাহত থাকবে।

সেসব হ্যান্ডসেটে অ্যান্ড্রয়েড ওএস আপডেট পেতে সেটিংস অপশন থেকে সিস্টেম > অ্যাডভান্সড > সিস্টেম আপডেট-এ গিয়ে ট্যাপ করতে হবে।

২০১৭ সালে অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ চালিত হ্যান্ডসেটের গুগল পে থেকে কন্টাক্টলেস পেমেন্ট বন্ধ করে দেয় গুগল।

যেসব হ্যান্ডসেটে সেবাগুলো বন্ধ হবে

গুগল একটি তালিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে কোন সেটগুলোতে এই সেবা বন্ধ হবে। সেসব হলো:

সনি এক্সপেরিয়া অ্যাডভান্স, লেনেভো কে৮০০, সনি এক্সপেরিয়া গো, সনি এক্সপেরিয়া পি, সনি এক্সপেরিয়া এস, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২, ভোডাফোন স্মার্ট ২, এলজি স্পেকট্রাম, এলজি প্রাডা ৩.০, এইচটিসি ভেলোসিটি, এইচসিটি ইভো ৪জি, মটোরোলা ফায়ার ও মটোরোলা এক্সটি৫৩২।

শেয়ার করুন

বৈশ্বিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের সেরা ছয়ে রিয়েলমি

বৈশ্বিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের সেরা ছয়ে রিয়েলমি

রিয়েলমি স্মার্টফোন।

রিয়েলমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী স্কাই লি এক বলেন, ‘৩ বছরে আমরা শাবক হিসেবে যাত্রা শুরু করে ধীরে ধীরে এখন সত্যিকারের বাঘে পরিণত হয়েছি। তরুণদের কাছে পছন্দের মানসম্মত পণ্য পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের তালিকার শীর্ষ ছয়ে জায়গা করে নিয়েছে রিয়েলমি। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সবশেষ মার্কেট রিপোর্ট অনুসারে, বৈশ্বিকভাবে সেরা ৬ স্মার্টফোন বিক্রেতার তালিকায় উঠে এসেছে চীনের প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেড় কোটি রপ্তানি ও ১৩৫ দশমিক ১ শতাংশ বছরপ্রতি প্রবৃদ্ধি নিয়ে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে। ৩ বছরের মধ্যে রিয়েলমি এ সাফল্য অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

রিয়েলমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী স্কাই লি এক বলেন, ‘৩ বছরে আমরা শাবক হিসেবে যাত্রা শুরু করে ধীরে ধীরে এখন সত্যিকারের বাঘে পরিণত হয়েছি।তরুণদের কাছে পছন্দের মানসম্মত পণ্য পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিক্স চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য অনুসারে, গত মাসে দ্রুততম সময়ে ১০ কোটি স্মার্টফোন ডেলিভারি দেয়া স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে রিয়েলমি। খুব অল্প কয়েক বছরের মধ্যে রিয়েলমি বিশ্বব্যাপী ৬১টিরও বেশি বাজারে কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। এ বাজারগুলোর মধ্যে রিয়েলমি অন্তত ১৮টি বাজারে শীর্ষ পাঁচ ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে।

রিয়েলমি বাংলাদেশের বাজারেও শীর্ষ ব্র্যান্ড। ক্যানালিসের তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রিয়েলমি।

রিয়েলমি জানায়, ৩ বছরের মধ্যে তরুণ ব্যবহারকারীদের কাছে ১০ কোটি ফাইভজি ফোন সরবরাহের লক্ষ্যে, ফাইভজি পণ্যের এক বিস্তৃত পোর্টফলিও তৈরিতে কাজ করছে তারা।

পাশাপাশি স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি তাদের উন্নত ‘১+৫+টি’ কৌশলের সাথে এআইওটি ২.০ বিকাশের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এতে সাশ্রয়ী মূল্যে তরুণরা আইওটি পণ্য পাবেন।

শেয়ার করুন

দেশে অ্যামেজফিট স্মার্টওয়াচের পরিবেশক হলো সেলেক্সট্রা

দেশে অ্যামেজফিট স্মার্টওয়াচের পরিবেশক হলো সেলেক্সট্রা

দেশে অ্যামেজফিটের স্মার্টওয়াচ পাওয়া যাবে সেলেক্সট্রায়।

এসব স্মার্টওয়াচে সর্বোচ্চ ১০০টি পর্যন্ত স্পোর্টস মোড রয়েছে। আপনি কত স্টেপ হাঁটলেন, হার্ট রেট, কত ক্যালোরি বার্ন হলো, ঘুমের সময় পরিমাপ, স্ট্রেস মনিটর, রক্তে অক্সিজেন পরিমাপক, সাইক্লিং, সাঁতার, ফোনের নোটিফিকেশন, স্পিকার, মিউজিক স্টোরেজসহ আরও অনেক সুবিধা রয়েছে অ্যামেজফিট স্মার্টওয়াচে।

স্মার্টওয়াচে বিশ্বের অন্যতম ব্র্যান্ড অ্যামেজফিট। সম্প্রতি সেলেক্সট্রা দেশের বাজারে অ্যামেজফিটের পরিবেশক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে আকার, ডিজাইন ও ফাংশন বিবেচনায় ১১টি মডেলের স্মার্টওয়াচ পাচ্ছেন এনেছে। অ্যামেজফিট ব্যান্ড, নিও, অ্যামেজফিট বিপ সিরিজ, জিটিআর সিরিজ, জিটিএস সিরিজ এবং অ্যামেজফিট টি-রেক্স সিরিজ।

সবগুলো স্মার্ট ওয়াচ বাজেট অনুসারে আপনার চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসব স্মার্টওয়াচে সর্বোচ্চ ১০০টি পর্যন্ত স্পোর্টস মোড রয়েছে। আপনি কত স্টেপ হাঁটলেন, হার্ট রেট, কত ক্যালোরি বার্ন হলো, ঘুমের সময় পরিমাপ, স্ট্রেস মনিটর, রক্তে অক্সিজেন পরিমাপক, সাইক্লিং, সাঁতার, ফোনের নোটিফিকেশন, স্পিকার, মিউজিক স্টোরেজসহ আরও অনেক সুবিধা রয়েছে অ্যামেজফিট স্মার্টওয়াচে।

এ ছাড়া উন্নতমানের সেন্সর রয়েছে যা সর্বোচ্চ ১০০ মিটার পর্যন্ত পানির গভীরতায় কোনো ক্ষতি সমস্যা হয় না এতে।

অ্যামেজফিটের স্মার্টওয়াচগুলোর দাম ২ হাজার ৭৯০ টাকা থেকে ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত। এগুলোতে রয়েছে এক বছরের ওয়ারেন্টি।

শেয়ার করুন

পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

প্রতীকী ছবি

ঢাকার ২০০ স্থানে ফাইভজি চালু করতে প্রকল্প প্রস্তাব করেছে টেলিটক। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে অপারেটরটির।

আগামী বছরই দেশে পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সেবা ফাইভজি চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক শুরুতে রাজধানীর ২০০টি স্থানে পরীক্ষামূলক ফাইভজি সেবা চালু করবে।

প্রথম ধাপে ১ লাখ গ্রাহককে পাঁচটি সেবার আওতায় আনতে চায় টেলিটক। এ পরিষেবা দিতে আড়াই শ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে অপারেটরটি।

প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, গণভবন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ও বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার গ্রাহক ফাইভজির আওতায় আসবে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট (১০০ এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সেবা পাবে তারা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি সুদান ও উগান্ডার মতো দেশের চেয়েও কম। ইন্টারনেটে গতির হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭ দেশের মধ্যে ১৩৫তম। বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও পারফরম্যান্স অ্যানালিসিস কোম্পানির তথ্য বলছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ডাউনলোডের গতি সেখানে ১৯৩ এমবিপিএসের বেশি। আর বাংলাদেশে এর গতি ১২.৪৮ এমবিপিএস। গ্রাহকদের এবার কমপক্ষে আট গুণ বেশি গতি দিতে চায় টেলিটক।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরীক্ষামূলক ফাইভজি নেটওয়ার্কের জন্য প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরই ফাইভজির যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। টেলিটক ফাইভজি নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ করছে। এ জন্য শুরুতে ঢাকায় কিছু অবকাঠামো তৈরি করা হবে।

‘এটি শেষ হলে সারা দেশের জন্য বড় প্রকল্প নেয়া হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে ফোরজি নেটওয়ার্ক ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব বলছে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জুলাই শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখে। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটি ৩৬ লাখ। আর ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৫ লাখের কিছু বেশি।

টেলিটক বলছে, দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ মানুষ মোবাইল সেবার আওতাভুক্ত। এদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গ্রাহক স্মার্টফোনে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশ ও কিছু উন্নয়নশীল দেশে ফাইভজি সেবা চালু হয়েছে।

বাংলাদেশে এ প্রযুক্তি দেশব্যাপী চালুর আগে স্বল্প মাত্রায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা প্রয়োজন। এমন বাস্তবতায় রাষ্ট্রীয় মোবাইল কোম্পানি হিসেবে টেলিটক ঢাকার উত্তরা, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, রমনা ও শাহবাগের মতো কিছু এলাকায় সীমিত আকারে ২০০টি এজি বিটিএল স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।

‘ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্কে বাণিজ্যিকভাবে পরীক্ষামূলক পাঁচটি প্রযুক্তি চালুকরণ’ নামে এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৫৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। এ বছর শুরু হয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

টেলিটকের প্রকল্প প্রস্তাব পেয়ে তা যাচাই-বাছাই করছে পরিকল্পনা কমিশন।

কমিশন বলছে, এ প্রকল্পে বিশদ কোনো সমীক্ষা হয়নি। ফাইভজি একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক কারিগরি প্রযুক্তি। এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করার আগে ইন-হাউজ সমীক্ষার পরিবর্তে এ বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও কারিগরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তৃতীয় কোনো পক্ষ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন।

ফাইভজির আগে শক্তিশালী ফোরজি সেবা দেয়া উচিত জানিয়ে কমিশন আরও বলছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে টেলিটকের ফোরজি সেবা শুরু হলেও এর কাভারেজের আওতায় এসেছে শুধু বিভাগীয় এবং জেলা শহরগুলো। এ ক্ষেত্রে ফাইভজি সেবা শুরু করার আগে ফোরজির কাভারেজ এরিয়া আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তিনির্ভর টেলিকম যন্ত্রপাতি সংযোজন করতে গিয়ে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হবে কি না, তা পরীক্ষা করাও দরকার।

কমিশন আরও বলছে, সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবে না। এটি ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার সুবিধাভোগীদের আনুমানিক কত শতাংশের কাছে ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস আছে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।

অন্যান্য মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সীমিত ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ কতটুকু ফলপ্রসূ হবে, সে বিষয়টিও আলোচনার বিষয়।

এর আগে গত মাসে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, ‘ঢাকার অন্তত ২০০টি স্থানে ফাইভজি সেবা চালুর জন্য টেলিটকের একটি প্রকল্প প্রস্তাব আগস্ট মাসে আমরা পেয়েছি। আমরা সেটা যাচাই করছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকায় এ সেবা চালু হবে।’

শেয়ার করুন