দেশে জেডওয়াইএক্সেলের পরিবেশক হলো স্টার টেক

দেশে জেডওয়াইএক্সেলের পরিবেশক হলো স্টার টেক

দেশে তাইওয়ানের জেডওয়াইএক্সেলের নেটওয়ার্কিং পণ্য বিক্রি করবে স্টার টেক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। ছবি: সংগৃহীত

নেটওয়ার্কিং বিভিন্ন পণ্য যেমন রাউটার, মডেম, নেটওয়ার্কিং সুইচ, ফায়ারওয়াল এবং ম্যাস নেটওয়ার্কিং ইকুইপমেন্ট তৈরি করে জেডওয়াইএক্সেল।

তাইওয়ানিজ প্রযুক্তি ব্র্যান্ড জেডওয়াইএক্সেলের বাংলাদেশে পরিবেশক হয়েছে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান স্টার টেক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।

গ্রাহকদের নেটওয়ার্কিং চাহিদা মেটাতে তাইওয়ানের প্রথম সারির নেটওয়ার্কিং ইকুইপমেন্ট প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড জেডওয়াইএক্সেলকে বেছে নিয়েছে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি।

নেটওয়ার্কিং বিভিন্ন পণ্য যেমন রাউটার, মডেম, নেটওয়ার্কিং সুইচ, ফায়ারওয়াল এবং ম্যাস নেটওয়ার্কিং ইকুইপমেন্ট তৈরি করে জেডওয়াইএক্সেল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে স্টার টেক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং জানায়, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই এখন গ্রাহকরা তাদের এসব নেটওয়ার্কিং পণ্য কিনতে পারবেন।

নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা দিতে নেটওয়ার্কিংয়ে ভালো মানের পণ্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই চেষ্টা থেকেই তাইওয়ানের ব্র্যান্ডটির সঙ্গে নিজেদের যাত্রা শুরু করছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এক রেটের ইন্টারনেটে গতির ফাঁকি

এক রেটের ইন্টারনেটে গতির ফাঁকি

প্রতীকী ছবি

আইএসপিএবি-এর সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। তবে এখানে কথা আছে, এ ইন্টারনেট কিন্তু ওয়ান বাই এইট শেয়ারিং ব্র্যান্ডউইথ। তার মানে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস কিন্তু ইন্টারনেট পাবে না, পাবে ৬২৫ কেবিপিএস। এই গতির ইন্টারনেট নিয়ে তারা তেমন কিছুই করতে পাবে না।’

একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে এয়ার টিকেটিং অফিসার হিসাবে কাজ করেন আরিফ হোসেন। এয়ার টিকেট বিক্রির নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, তাই অফিসের বাইরেও সারাক্ষণ ইন্টারনেট সংযোগে থাকতে হয়।

মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যয় বেশি বলে আরিফ হোসেন বাসায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারসংযোগ নিয়েছেন ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকায়। তবে প্রায়ই দেখা যায়, বাসার ইন্টারনেটে ফেসবুক-ইউটিউব চললেও এয়ার টিকেট বুকিং সফটওয়্যার কাজ করে না, তখন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। বাধ্য হয়ে বাড়তি ৩০০ টাকা দিয়ে সংযোগ ১০ এমবিপিএস করে নিয়েছেন। এতে আগের চেয়ে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা বাড়লেও তা মন মতো হচ্ছে না।

আরিফের মতো অনেক গ্রাহকেরই অভিযোগ, সর্বনিম্ন রেটের এ ইন্টারনেট ঠিক মতো কাজ করে না। তারা ইন্টারনেটের সঠিক গতি পাচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কাজ করতে প্রচুর সময় লাগে।

এক রেটে ইন্টারনেট

চলতি মাস থেকে সারা দেশে এক দাম ও সর্বনিম্ন রেটে ইন্টারনেট পাবার পথ তৈরি হয়েছে। এতে গ্রাম বা শহর সব জায়গাতেই সর্বনিম্ন ৫০০ টাকায় ইন্টারনেট পাবেন গ্রাহকরা। এক রেটে ইন্টারনেট কার্যকার হলেও এই ইন্টারনেটের সত্যিকার গতি কত তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ‘এক রেটে’ ইন্টারনেট সেবামূল্য (ট্যারিফ) চালু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। গত ১২ আগস্ট বিটিআরসিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইন্টারনেটের নতুন এই ট্যারিফ ঘোষণা করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নতুন দাম হিসাবে খুচরায় ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৮০০ এবং ২০ এমবিপিএস ১ হাজার ২০০ টাকায় পাবেন গ্রাহক।

এর আগে ৬ জুন ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট ঘোষণা দেয়ার পরে তা বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছিল। ইন্টারনেটের একেক পর্যায়ে একক দর ছিল। তাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তিনটি ধাপে খুচরা পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি), বেসরকারি নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) ও ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ের (আইআইজি) অভিন্ন ট্যারিফ চালু করা হয়েছে। এতে আইআইজি ও এনটিটিএন চালু হওয়ার ১২ বছর পর এ সেবামূল্য নির্ধারণ করা হলো।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, মূল্য নির্ধারণের মধ্যে দিয়ে সারা দেশে ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট বাস্তবায়ন হবে। এতে গ্রাম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষও শহরের মানুষের মতো কম দামে ইন্টারনেট সেবা পাবে। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ দর কার্যকর করতেই হবে।

রেট ৫০০ টাকা, কিন্তু গতি আট ভাগের এক ভাগ

আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সরকারের ঘোষণার পর বেশির ভাগ ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তাদের প্যাকেজে পরিবর্তন এনেছে। একই প্যাকেজের মূল্য আগে বেশি থাকলেও তা কমিয়েছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর থেকেই ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস ব্যান্ডইউথ সেবা দিয়ে আসছে, তবে তা শহরে যেখানে গ্রাহক বেশি সেখানেই সম্ভব ছিল। প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে গ্রাহকদের ব্যান্ডইউথ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সর্বনিম্ন দরে ইন্টারনেট গ্রাহকরা আরও আগে থেকেই পেয়ে আসছে। কিন্তু এখানে একটি ফাঁক রয়েছে। বিশেষ করে সর্বনিম্ন দরে যে লাইন দেয়া হয়, সেগুলো শেয়ারড লাইন। এখানে গ্রাহক চাইলে তার মনমতো স্পিড পাবে না। কারণ ৫০০ টাকায় যারা প্যাকেজ নিচ্ছে, তাদের এ সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে এক জনের ইন্টারনেট সংযোগের গতি আট ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। তাই বেশির ভাগ গ্রাহক এতে সন্তুষ্ট নন। তাদের ব্যান্ডউইথ ও স্পিডের চাহিদা আরও অনেক বেশি। বিশেষ করে করপোরেট অফিস শেয়ারড ইন্টারনেট দিয়ে চলে না। তাদের ডেডিকেটেড ব্যান্ডউইথ নিতেই হয়। তবে এ ক্ষেত্রে মাসিক চার্জও বেশি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। তবে এখানে কথা আছে: এ ইন্টারনেট কিন্তু ওয়ান বাই এইট শেয়ারিং ব্র্যান্ডউইথ। তার মানে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস কিন্তু ইন্টারনেট পাবে না, পাবে ৬২৫ কেবিপিএস। এই গতির ইন্টারনেট নিয়ে তারা তেমন কিছুই করতে পাবে না। ইউজাররা হ্যাপি থাকবে না। এই খানেই একটু বোঝার ভুল রয়েছে।

‘অনেকে মনে করে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস গতি পাবে। এ ডাটা ৮ জনে শেয়ার করলে তা যে ৬২৫ কেবিপিএস হয়, এ কথা অনেকেই বলে না। মনে করেন কেউ শেয়ারড লাইন নিল। তার বাসায় লোক ৪ জন, তাহলে ৬২৫ কেবিপিএস গতিও চার ভাগ হয়ে যাবে, এ গতি দিয়ে সে কী করতে পারবে? তাই কাজ করতে চাইলে তাকে প্যাকেজে আপডেট করে নিতেই হবে। তখন কিন্তু সর্বনিম্ন দাম থাকবে না।’

সর্বনিম্ন এক রেট কি সম্ভব

আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সর্বনিম্ন রেটে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া সম্ভব। তবে তা খুব যে কার্যকর হবে তা নয়। কারণ ৫০০ টাকায় শেয়ারড লাইন ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়। সর্বনিম্ন প্যাকেজ যদিও ভ্যাটসহ ৫২৫ টাকা খরচ পড়ে, অপারেটররা ৫০০ টাকাই রাখছেন। তবে, গ্রাহকের সুবিধার জন্য কেউবা ১ বনাম ৮ এর জায়গায় ১ বনাম ৩ বা ১ বনাম ৪ করছেন। আবার অনেকে ১ বনাম ৮ শেয়ারিং লাইন দিলেও ৫ এমবিপিএসের জায়গায় ৮ এমনকি ১০ এমবিপিএস স্পিডও দিচ্ছে। টাকাও একটু বেশি নিচ্ছে। কারণ, সব গ্রাহকের এক সঙ্গে একই সময় ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে কোনো গ্রাহক ব্যবহার না করলে অন্যরা তখন তুলনামূলক ভালো স্পিড পায়। তবে কেউ বিশেষ কোনো কাজ করতে চাইলে কিংবা বাফারিং (ধীরগতি) মুক্ত নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট চাইলে তাকে ডেডিকেটেড লাইন নিতেই হবে। তবে এক্ষেত্রে বেশি খরচ করতেই হবে।’

এমদাদুল হক বলেন, ‘৫ এমবিপিএস ডেডিকেটেড (এক লাইন এক ইউজার) লাইনে অপারেটরের ২০০০ টাকার মতো খরচ পড়ে। তাহলে সে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস দেবে কীভাবে? কোনো প্রতিষ্ঠান হয়তো বা ১০০ টাকা বেশি নিয়ে ৮ জনের ক্ষেত্রে ৪ বা ৫ জনকে একটি শেয়ার লাইন দিচ্ছে। গ্রাহকও একটু ভালো গতির ইন্টারনেট পাচ্ছে।’

শেয়ার করুন

ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোন কিনে ১০ লাখ টাকা জেতার সুযোগ

ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোন কিনে ১০ লাখ টাকা জেতার সুযোগ

দেশে ভিভো ওয়াই ২১ কিনে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ছবি: সংগৃহীত

ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ডিরেক্টর ডেভিড-লি বলেন, ‘ভিভোর ওয়াই সিরিজ সব ধরণের গ্রাহকদের উপযোগী করে করা হয়েছে। ভিভো সবসময় নতুন ডিজাইনের সব প্রোডাক্ট নিয়ে আসে। ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোনটি শুধু দেখতেই আকর্ষণীয় নয়; পারফরমেন্সেও নির্ভরযোগ্য।’

দেশের বাজারে ওয়াই সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এসেছে শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো। বৃহস্পতিবার থেকে স্মার্টফোনটি প্রি-অর্ডার শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রি-অর্ডারে গ্রাহকরা ফোনটি কিনে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে ভিভো। অফারটি চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ডিরেক্টর ডেভিড-লি বলেন, ‘ভিভোর ওয়াই সিরিজ সব ধরণের গ্রাহকদের উপযোগী করে করা হয়েছে। ভিভো সবসময় নতুন ডিজাইনের সব প্রোডাক্ট নিয়ে আসে। ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোনটি শুধু দেখতেই আকর্ষণীয় নয়; পারফরমেন্সেও নির্ভরযোগ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজারে আমরা ভিভো ওয়াই২০ স্মার্টফোনের অসাধারণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। এই প্রতিক্রিয়া আমাদেরকে আরও উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন আনতে অনুপ্রাণিত করেছে, তারই ফল ভিভো ওয়াই২১।’

বাজেটের মধ্যেই ভিভোর নতুন স্মার্টফোনে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংয়ের সঙ্গে রয়েছে টাইপ সি পোর্ট, রয়েছে দ্বিতীয় প্রজন্মের ৪ জিবি র‌্যাম। এটি বাড়ানো যাবে আরও ১ জিবি পর্যন্ত। আর রম রয়েছে ৬৪ জিবি, মেমোরি কার্ডে যা বাড়ানো যাবে ১ টেরাবাইট পর্যন্ত।

ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫১ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে।

ভিভো ওয়াই২১ এর পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তুলতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। ফোনটির ক্যামেরায় ফিল্টার ২.০ ফিচার রয়েছে যা থেকে বিভিন্ন ধরণের রঙ পছন্দ করে নেয়া যাবে।

ভিভো ওয়াই২১ পাওয়া যাবে মেটালিক ব্লু ও ডায়ামন্ড গ্লো রঙে। দাম ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা।

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আউটলেটে এবং প্রি-বুক করা যাচ্ছে জিএন্ডজি, পিকাবু ডটকম এবং অথবা ডটকম ই-কমার্স প্লাটফর্ম।

শেয়ার করুন

দেশে শাওমির নতুন ৪ সার্ভিস সেন্টার

দেশে শাওমির নতুন ৪ সার্ভিস সেন্টার

দেশে আরও চারটি সার্ভিস সেন্টার চালু করেছে শাওমি। ছবি: সংগৃহীত

নতুন চালু করা সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর, ঢাকার সাভার, নোয়াখালী ও দিনাজপুরে অবস্থিত। চারটিসহ দেশে এখন শাওমির সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যা ২৩টি।

মোবাইল ব্র্যান্ড শাওমি দেশের স্মার্টফোন গ্রাহকদের জন্য নতুন চারটি বিক্রয়োত্তর সেবাকেন্দ্র চালু করেছে।

গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবা আরও সহজে ও হাতের কাছাকাছি পৌঁছে দিতে এসব বিক্রয়োত্তর সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন চালু করা সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর, ঢাকার সাভার, নোয়াখালী ও দিনাজপুরে অবস্থিত।

চারটিসহ দেশে এখন শাওমির সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যা ২৩টি।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ন্যায্য মূল্যে অত্যাধুনিক স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে ফ্যানদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি শাওমি বিক্রয়োত্তার সেবাকে আরও গতিশীল করেছে।

‘শীর্ষস্থানীয় কনজ্যুমার ইন্টেলিজেন্স ফার্ম রেডকোয়ান্টার হিসাবে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রয়োত্তর সেবায় ২০১৯ সালের শেষ প্রান্তিক থেকে শীর্ষ ব্র্যান্ড শাওমি। আমরা সবসময় চেষ্টা করি আমাদের ফ্যান এবং গ্রাহকদের সর্বোত্তম সেবা পাওয়া নিশ্চিত করা।’

সেবা দেয়ার সেই অংশ হিসেবেই নতুন চারটি সার্ভিস সেন্টার চালু। এতে অপেক্ষাকৃত দূরের এলাকায় এসব সার্ভিস সেন্টার খোলার মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও উন্নত সেবা পাবে বলে জানান তিনি।

শাওমির নতুন সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর সদরের জনতার মোড়ের সামসুদ্দিন টাওয়ার, লেভেল ৩-এ; ঢাকার সাভারের ৪২ শাহীবাগ শিমুলতলীর এমকে টাওয়ার, লেভেল ৬; নোয়াখালীর চৌমহনীর করিমপুর রোড, রেলগেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলা এবং আরেকটির অবস্থান দিনাজপুরের স্টেশন রোডের গুলশান ট্রেড সেন্টার, শপ নং ২, লেভেল ২-এ অবস্থিত। এসব সেন্টার থেকে গ্রাহকরা শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেবা নিতে পারবেন।

এ ছাড়া সহজেই গ্রাহকদের সেবা দিতে দেশব্যাপী শাওমির রয়েছে ৩৯টি কালেকশন পয়েন্ট। তরুণরা যেকোন সমস্যায় পড়লেই সেগুলো থেকে দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন। দেশের ফ্যানদের স্বল্পমূল্য সেরা স্পেসিফিকেশনের স্মার্টফোন তুলে দিতে শাওমি দেশব্যাপী তাদের রিটেইল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। বর্তমানে আড়াই শতাধিক অথোরাইজড মি স্টোর, ৫০টি মি প্রেফারড পার্টনার স্টোর, তিন হাজারের বেশি রিটেইল পয়েন্ট রয়েছে শাওমির।

শেয়ার করুন

ডিজিটালাইজড হবে বাংলা একাডেমি: পলক

ডিজিটালাইজড হবে বাংলা একাডেমি: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের ৭৩টি লাইব্রেরি, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় আর্কাইভ এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাতিঘর বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজ করার বিষয়ে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা ৭৩টি লাইব্রেরি ও বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজড করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

বুধবার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩টি সেবা ডিজিটালাইজড অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের ৭৩টি লাইব্রেরি, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় আর্কাইভ এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাতিঘর বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে গত ১২ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এ কারণে করোনা মহামারির সময়েও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও করোনার সময়ে ১৯ মাসে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসনিক, বিচার ব্যবস্থাসহ সবকিছু সচল ছিল।’

তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় ই-নথি ব্যবস্থা প্রবর্তন করায় দুই কোটির অধিক ইলেকট্রনিকস ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। করোনার সময়ে বিভিন্ন অফিসের লক্ষাধিক কর্মকর্তা ইলেকট্রনিক ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেছে।

‘এর মাধ্যমে তারা শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়, সময় ও যাতায়াতের হয়রানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন। লকডাউনেও কোনো প্রশাসনিক কাজ বন্ধ ছিল না।’

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কারিগরি সহায়তায় ‘মাইগভ র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন’ পদ্ধতির আওতায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩টি ডিজিটালাইজড সেবার উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘মাইগভ র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন প্ল্যাটফর্মের আওতায় ইতোমধ্যে যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে, তার মধ্যে মন্ত্রণালয় ভিত্তিক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক সেবার (৩০৩টি) ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে।

‘এ থেকে বোঝা যায়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্র ও কর্মপরিধি কত ব্যাপক। মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ১৭টি দপ্তর সংস্থার মধ্যে ১০টি দপ্তর সংস্থার ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি সাতটি সংস্থার র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হলে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিজিটালাইজড সেবার সংখ্যা আরও বাড়বে।’

শেয়ার করুন

অ্যাপল আনল ওয়াচ সিরিজ ৭, আইপ্যাড

অ্যাপল আনল ওয়াচ সিরিজ ৭, আইপ্যাড

অ্যাপলের নতুন ওয়াচ সিরিজ ৭। ছবি: সংগৃহীত

অ্যাপল ঘোষণা দিলেও ওয়াচ ৭ বাজারে আসতে কিছুটা দেরি হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ উৎপাদন করতে না পারায় এটি দেরিতে বাজারে ছাড়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে আইপ্যাড পাওয়া যাবে চলতি মাস থেকেই।

আইফোন ১৩ সিরিজের পাশাপাশি নতুন ওয়াচ ও আইপ্যাডের ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। করোনাভাইরাস মহামারিতে আইপ্যাড ও ওয়্যারেবল ডিভাইসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নতুন পণ্য আনায় জোর দেয় অ্যাপল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক মঙ্গলবার নতুন এসব পণ্য উন্মোচন করেন।

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৭

আইফোনের পাশাপাশি নতুন ওয়্যারেবল ডিভাইস হিসেবে অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৭ উন্মোচন করেছে অ্যাপল।

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ওয়াচের রিডিজাইন করে কিছুটা বড় আকৃতি দিয়েছে অ্যাপল।

এর ডিসপ্লেতে আগের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি টেক্সট দেখা যাবে; লেখার জন্য থাকছে কিবোর্ড। প্রথমবারের মতো ধূলারোধী ফিচার যুক্ত করা হয়েছে ওয়াচে।

ওয়াচে থাকা আইওএস ৮ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাইসাইকেল চালানোর হিসাব রাখবে এই ওয়াচ।

প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদ সাইট ব্লুমবার্গ বলছে, অ্যাপল ঘোষণা দিলেও ওয়াচ ৭ বাজারে আসতে কিছুটা দেরি হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ উৎপাদন করতে না পারায় এটি দেরিতে বাজারে ছাড়া হবে।

অ্যাপল জানিয়েছে, ওয়াচ পাওয়া যাবে শরতের শেষে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিসিএ ইনসাইটের মতে, বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারের ৪৭ শতাংশ এখন অ্যাপলের দখলে।

আইপ্যাডের নতুন সংস্করণ

অ্যাপল নতুন সংস্করণের একটি আইপ্যাডের ঘোষণা দিয়েছে। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে জানান, গত বছরের চেয়ে আইপ্যাডের বিক্রি ও চাহিদা ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

অ্যাপল আনল ওয়াচ সিরিজ ৭, আইপ্যাড
নতুন সংস্করণে আইপ্যাড আনার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক। ছবি: সংগৃহীত

নতুন আইপ্যাডটিতে রয়েছে অ্যাপলের নিজস্ব এ১৩ চিপ, যা আগের মডেলগুলোর চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি দ্রুতগতির পারফরম্যান্স দেবে।

অ্যাপল বলেছে, ‘ক্রোমবুকের চেয়ে এই আইপ্যাড তিন গুণ বেশি দ্রুতগতির।’

অ্যাপলের নতুন সংস্করণের আইপ্যাডটির দাম শুরু হবে ৩২৯ ডলার থেকে। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য মূল্যছাড়ে পাওয়া যাবে ২৯৯ ডলারে।

এ ছাড়া একটি আইপ্যাড মিনিও উন্মোচন করা হয় মঙ্গলবার। ইউএসবি-সি, পেনসিল সাপোর্ট রাখা হয়েছে এতে। তবে রাখা হয়নি কোনো হোম বাটন। নতুন মিনিতে দেয়া হয়েছে টাচ আইডি।

এর দাম শুরু হবে ৪৭৯ পাউন্ড বা ৬৬০ ডলার থেকে।

শেয়ার করুন

পুরোনো ডিজাইনে নতুন আইফোন ১৩ উন্মোচন

পুরোনো ডিজাইনে নতুন আইফোন ১৩ উন্মোচন

আইফোন ১৩ সিরিজ উন্মোচন করেছে অ্যাপল। ছবি: অ্যাপল

আইফোন ১৩ সিরিজের ডিজাইন আগের ডিজাইন থেকে ভিন্ন করার উপায় নেই। দেখতে একেবারে আইফোন ১২ সিরিজের মতো। অবশ্য ডিজাইনে নতুনত্ব না থাকলেও পারফরম্যান্স বেশ বাড়ছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।

বছর ঘুরে আবারও নতুন আইফোনের ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। আইফোনপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিলেন নতুন কী পাচ্ছেন তারা। তবে খুব একটা চমক নেই নতুন আইফোনে।

আইফোন ১৩ সিরিজের ডিজাইন আগের ডিজাইন থেকে ভিন্ন করার উপায় নেই। দেখতে একেবারে আইফোন ১২ সিরিজের মতো। অবশ্য ডিজাইনে নতুনত্ব না থাকলেও পারফরম্যান্স বেশ বাড়ছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।

সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তাদের একটা রীতি হয়ে গেছে, এ মাসে নতুন পণ্য ঘোষণা দেয়ার।

গত বছর অবশ্য করোনাভাইরাস মহামারিতে সে ধারাবাহিকতায় ব্যাঘাত ঘটে। এক মাস পর গত বছর আইফোন ১২ সিরিজ উন্মোচন করে অ্যাপল। এবার আর দেরি হলো না।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের নতুন পণ্য উন্মোচনের আসর সাজিয়েছিল অ্যাপল। সেখানে আইফোন ১৩ সিরিজ ছাড়াও আনা হয়েছে নতুন আইপ্যাড, অ্যাপল ওয়াচসহ বেশ কয়েকটি নতুন পণ্য।

নতুন আইফোন ১৩ সিরিজে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাপলের নিজের বায়োনিক ১৫ প্রসেসর। এটি ফোনটিকে ১২ সিরিজের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি কর্মদক্ষ করে তুলবে বলে জানায় অ্যাপল।

পেছনে রয়েছে ডুয়েল ক্যামেরা। ক্যামেরায় বেশ নতুনত্ব আনার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বলছে, তাদের নতুন আইফোনে ভিডিও করা যাবে পোর্ট্রেইট মোডে।

রয়েছে সিনেম্যাটিক মোড, কেউ যখন ফ্রেমে প্রবেশ করে এবং ফ্রেম থেকে বের হয় তখন তাকে ফোকাস করার ক্ষেত্রে এটি একটি উদ্ভাবন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক বলেন, ‘এটিই একমাত্র স্মার্টফোন যা ব্যবহারকারীকে শ্যুটিংয়ের পর বিভিন্ন ইফেক্ট সম্পাদনা করতে দেবে।’

আইফোন ১৩ সিরিজে দেয়া হয়েছে ব্রাইটার সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে।

আইফোন ১৩ মিনিও এনেছে অ্যাপল। দাম শুরু হয়েছে ৬৯৯ ডলার থেকে। ফোনটির ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে ৫.৪ ইঞ্চি।

এ ছাড়া আইফোন ১৩ বিক্রি শুরু হচ্ছে ৭৯৯ ডলার থেকে। এতে রয়েছে ৬.১ ইঞ্চির ডিসপ্লে, স্টোরেজ শুরু হয়েছে ১২৮ জিবি থেকে। আর র‍্যাম রয়েছে ৬ জিবি।

পুরোনো সিরিজ থেকে নতুন আইফোনে ব্যাটারি ব্যাকআপ আড়াই ঘণ্টা বেশি পাওয়ার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন আইফোন আনার পাশাপাশি পুরোনো মডেলের দাম কমানোর ঘোষণাও দিয়েছে জায়ান্টটি। নতুন দাম অনুযায়ী আইফোন এসই বিক্রি হবে ৩৯৯ ডলারে, ৪৯৯ ডলার থেকে শুরু আইফোন ১১, আইফোন ১২-এর দাম কমিয়ে বিক্রি শুরু হচ্ছে ৫৯৯ ডলার থেকে।

শেয়ার করুন

চলতি বছরেই ডিজিটালাইজড হচ্ছে ৮০০ পরিষেবা: পলক

চলতি বছরেই ডিজিটালাইজড হচ্ছে ৮০০ পরিষেবা: পলক

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা, ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদের নির্দেশনায় আমরা ইতোমধ্যেই প্রায় ১ হাজার ২৩২টি সরকারি সেবা ডিজিটালাইজড করেছি। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে আরও প্রায় ৮০০টি পরিষেবা ডিজিটালাইজড করার জন্য কাজ করছি।’

ডিজিটাল বাংলাদেশে মানুষের সেবা প্রাপ্তি সহজ করতে ১ হাজার ২৩২টি সরকারি সেবা ডিজিটালাইজড হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে আরও ৮০০ সরকারি পরিষেবা ডিজিটালাইজড করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সোমবার হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে পলক বলেন, ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতে আমরা একটি জাতীয় ওয়েব পোর্টাল চালু করেছি। এই পোর্টালে ৫১ হাজার ৫১২টি সমন্বিত ওয়েবসাইট রয়েছে, যাতে বাংলাদেশের নাগরিকরা পাবলিক অফিস, মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য বিভাগের তথ্য সহজে পেতে পারে।

‘আমরা জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩ চালু করেছি। এই হেল্পলাইন আমাদের ডিজিটালাইজেশন নীতিতে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি সেবা কার্যক্রম সহজ ও সাবলীল করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা, ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদের নির্দেশনায় আমরা ইতোমধ্যেই প্রায় ১ হাজার ২৩২টি সরকারি সেবা ডিজিটালাইজড করেছি। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে আরও প্রায় ৮০০টি পরিষেবা ডিজিটালাইজড করার জন্য কাজ করছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তরুণ ও যুব সমাজই উন্নয়নের চালিকাশক্তি। তাদের ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ফজলি ইলাহী, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো রফিকুল ইসলাম শেখ, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রুবাইয়াত তানভীর হোসেন, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মি ঝাং ঝেংজুন।

বিশ্বব্যাপী এসটিইএম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশলবিদ্যা ও গণিত) এবং নন-এসটিইএম বিষয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, জ্ঞান প্রদান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সম্পর্কে আরও জানাশোনা ও আগ্রহ তৈরিতে কাজ করে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশে চালু হওয়া এই প্রোগ্রামটি সারাবিশ্বে প্রায় দশ বছর ধরে মেধা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন