রিয়েলমি বুক স্লিম: দুর্দান্ত ডিজাইন, সেরা পারফরম্যান্স

রিয়েলমি বুক স্লিম: দুর্দান্ত ডিজাইন, সেরা পারফরম্যান্স

দেশের বাজারে নতুন ল্যাপটপ এনেছে রিয়েলমি।

সারাদিন কোনো ঝামেলা ছাড়াই এ ল্যাপটপে কাজ করা যাবে। ৬৫ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জারের রিয়েলমি বুক স্লিম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হতে সময় নেয় ৩০ মিনিট।

বাংলাদেশের বাজারে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসাবে শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। ব্র্যান্ডটি ‘১+৫+টি’ কৌশলের সঙ্গে এআইওটি ২.০ বিকাশের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফাইভজি পণ্যের একটি বিস্তৃত পোর্টফলিও তৈরিতেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন কৌশলে প্রতিষ্ঠানটি তরুণদের কথা মাথায় রেখে প্রথমবারের মতো বাজারে এনেছে ল্যাপটপ ‘রিয়েলমি বুক স্লিম’।

চলুন দেখা যাক কী আছে রিয়েলমির ল্যাপটপে।

২কে ফুল ভিশন ডিসপ্লে সঙ্গে ফুল অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় বডি

রিয়েলমি বুক স্লিমে রয়েছে এই প্রাইজ রেঞ্জের মধ্যে একমাত্র ১৪ ইঞ্চি ২কে ফুল ভিশন ডিসপ্লে, ডিসপ্লের স্ক্রিন রেশিও ৩:২। কর্নিং গরিলা ও অলিওফোবিক আবরণ থাকায় ল্যাপটপটিতে কোনো ধরণের স্ক্র্যাচ পড়বে না।

এই ল্যাপটপের ন্যানো-এজ ডিজাইনের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা পাবেন দুর্দান্ত ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট। শুধু তাই নয়, এর উচ্চ রেজ্যুলশন (২১৬০×১৪৪০ পিক্সেল) ক্ষমতা থাকায় ব্যবহারকারীরা ল্যাপটপে পরিপূর্ণ ও নিখুঁতভাবে যেকোনো ছবি, দৃশ্য ও রঙ স্পষ্টভাবে দেখতে পারবেন।

ফুল মেটাল বডির দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনের রিয়েলমি বুক স্লিমের পুরুত্ব মাত্র ১৪.৯ মিলিমিটার; ওজন মাত্র ১.৩৮ কিলোগ্রাম। ওজনে অনেক হালকা হওয়ায় ল্যাপটপটি যেকোন জায়গায় অনায়াসে বহন করা যাবে। ল্যাপটপের বাইরের অংশ অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় বডি ও মিরর লোগো ডিজাইন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আলট্রা স্লিম অসাধারণ ডিজাইনের ল্যাপটপটি দেখতে খুবই দৃষ্টিনন্দন।

১১ জেনারেশন ইন্টেল কোর প্রসেসর, ১১ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ

১১ জেনারেশন ইন্টেল কোর প্রসেসরের রিয়েলমি বুক স্লিমে রয়েছে ইন্টেল আইরিশ এক্সই গ্রাফিক্স কার্ড। শক্তিশালী প্রযুক্তি ও হার্ডওয়্যারের ফলে রিয়েলমি বুক স্লিম বাজারের অন্য ল্যাপটপের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ব্যবহারকারীরা যেকোনো সৃজনশীল কাজে এ ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারবেন স্বচ্ছন্দ্যে। এ ল্যাপটপের প্রসেসর আগের সিঙ্গেল-কোর পারফরম্যান্সের তুলনায় ২৬ শতাংশ ও সিঙ্গেল মাল্টি-কোরের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম।

ফলে, ব্যবহারকারীরা সহজেই মাল্টিটাস্ক করতে পারবেন এবং গেম, বিনোদন ও অন্য সৃজনশীল কাজগুলো একই সময়ে দ্রুতগতিতে করতে পারবেন।

রিয়েলমি বুক স্লিম: দুর্দান্ত ডিজাইন, সেরা পারফরম্যান্স
দেশের বাজারে নতুন বুক স্লিম ল্যাপটপ এনেছে রিয়েলমি।

সারাদিন কোনো ঝামেলা ছাড়াই এ ল্যাপটপে কাজ করা যাবে। ৬৫ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জারের রিয়েলমি বুক স্লিম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হতে সময় নেয় ৩০ মিনিট।

পাশাপাশি, রিয়েলমি বুক স্লিমের একই চার্জার ব্যবহার করে নারজো ৩০ স্মার্টফোনটি ৩০ ওয়াট ডার্ট চার্জ করা যাবে। নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারের জন্য ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ উপভোগ করা যাবে।

ডুয়াল-ফ্যান স্টর্ম কুলিং ব্যবস্থা থাকায় দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলেও কোনো হিটিং সমস্যা পাওয়া যাবে না স্লিম বুকে। ফাস্ট চার্জিং ও শক্তিশালী প্রসেসরের ল্যাপটপটি তরুণদের জন্য চমৎকার একটি পছন্দ হবে।

স্টেরিও ও কানেক্টিভিটি ফিচার

হারমান ডিটিএস এইচডি স্টেরিও ডুয়াল স্পিকার থাকায় রিয়েলমি বুক স্লিমে স্পষ্ট ও দুর্দান্ত সাউন্ড পাওয়া যাবে। এ ছাড়া এটি ডুয়াল নয়েজ ক্যান্সেলেশন মাইক সাপোর্ট করে। ফলে রিয়েলমি বুক স্লিম ব্যবহার করে কোনো সেমিনারে বা অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নিলে বা কারও সঙ্গে কথা বললে স্পষ্ট শব্দ শোনা যাবে। যোগাযোগ আরও কার্যকর করার জন্য এতে বিল্ট-ইন এইচডি ক্যামেরাও রয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসকে রিয়েলমি বুক স্লিমের সঙ্গে কানেক্ট করা যাবে। অত্যাধুনিক পিসি কানেক্ট সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন ও কম্পিউটারকে সংযুক্ত করতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের ইচ্ছেমতো অন্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে এ ল্যাপটপে অনেকগুলো পোর্ট রাখা হয়েছে। নতুন ল্যাপটপটি ওয়াইফাই ৬ প্রযুক্তি সাপোর্ট করে, যা আগের প্রজন্মের তুলনায় ২.৭ গুণ দ্রুত।

৮ জিবি র‍্যাম ও ৫১২ জিবি স্টোরেজ ক্ষমতার এ ল্যাপটপ পাওয়া যাবে নীল ও ধূসর রঙে। দুটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের রিয়েলমি বুক স্লিম ল্যাপটপটির আই৩/৮+২৫৬জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৫৫ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং আই৫/৮+৫১২জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৫ হাজার ৯৯৯ টাকা। ল্যাপটপটি কিনতে এই ঠিকানায় ক্লিক করুন

পাশাপাশি, ল্যাপটপটিতে অরিজিনাল উইন্ডোজ ১০ আগে থেকেই ইনস্টল করা রয়েছে, এটি উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেডেবল। ব্যবহারকারীরা এ ডিভাইসে টু-ইন-ওয়ান ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়ার বাটন, তিন স্তরের ব্যাকলিট কিবোর্ড ও দ্রুত ফাইল ইন্টারচেঞ্জের মত আরও অনেক দুর্দান্ত ফিচার উপভোগ করতে পারবেন। এর আকর্ষণীয় ফিচারগুলো তরুণ প্রজন্মের উৎপাদনশীলতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

গাজীপুরে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের গ্রাউন্ড স্টেশন। ছবি: বিএসসিএল

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

সৌর ব্যতিচার বা সান আউটেজের কারণে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ৮ দিন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।

ওই সময়গুলোতে প্রতিদিন সকালে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য সম্প্রচার সমস্যা হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড- বিএসসিএল।

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর ৫ মিনিট, ৩০ সেপ্টেম্বর ১০ মিনিট, ১ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ২ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৩ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৪ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ৫ অক্টোবর ১২ মিনিট ও ৬ অক্টোবর ১০ মিনিটের জন্য এই সমস্যা হতে পারে।

প্রাকৃতিক কারণে সাময়িক এমন অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পান লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

প্রতীকী ছবি

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের চীনা সংস্করণ দুইনে দিনে সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট সময় কাটাতে পারবে চীনের শিশুরা। ১৪ বছরের কমবয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে এ নিয়ম।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যে কোনো সময় সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে শিশুরা।

বেইজিংভিত্তিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স নিয়ন্ত্রণ করে দুইনে অ্যাপ। এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপটির ইয়ুথ মোড চালু করার কথা জানিয়েছে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে এরকম নিষেধাজ্ঞা এটাই প্রথম।

জানা গেছে, নতুন নিয়মে কেবল আসল নাম ব্যবহারকারীরাই দুইনে অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহারে কোনো ন্যূনতম বয়স বেঁধে দেয়া নেই। তবে ১৮ বছরের কমবয়সীদের বৈধ অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে অ্যাপটি ব্যবহার করতে হয়।

টিকটক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর।

দুইনের ইয়ুথ মোডে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, জাদুঘরের প্রদর্শনী বা ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাসহ শিক্ষাবিষয়ক কোনো কনটেন্ট নেই।

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

গত মাসে অনলাইন ভিডিও গেমসেও শিশুদের দৈনিক সময়সীমা বেঁধে দেয় চীনা সরকার। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সাপ্তাহিক কর্মদিবস, অর্থাৎ স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে ভিডিও গেমসে সময় দেয়া নিষিদ্ধ করেছে বেইজিং। শুধু শুক্রবার আর সাপ্তাহিক ও অন্য ছুটির দিনগুলোতে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা করে ভিডিও গেমস খেলতে পারবে শিশুরা।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে স্কুলে মোবাইল ফোন নেয়া নিষিদ্ধ করে বেইজিং।

ইন্টারনেটে চীনের শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম প্রচুর বাড়তি সময় কাটাচ্ছে বলে গত তিন বছর ধরে সতর্ক করে আসছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছিল, বিষয়টি পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

চীনের সঙ্গে টক্কর দিতে চিপ বানাবে ৪ দেশ  

চীনের সঙ্গে টক্কর দিতে চিপ বানাবে ৪ দেশ  

চীনকে রুখতে চিপ তৈরিতে জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে চার দেশ। ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক চিপ তৈরিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চীন। চিপ তৈরিতে সেই চীনকে ঠেকাতে জোট বাঁধছে চার দেশ। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া জোট তৈরি করে সেমিকন্ডাক্টার উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে।

বিশ্বে গত কয়েক বছর থেকেই সেমিকন্ডাক্টার বা চিপ সংকট দেখা দিয়েছে। গাড়ি, মোবাইল ফোন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক পণ্য তৈরিতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদানটির চাহিদা করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বেড়ে যায় বহুগুন।

বৈশ্বিক চিপ তৈরিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চীন। চিপ তৈরিতে সেই চীনকে ঠেকাতে জোট বাঁধছে চার দেশ। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া জোট তৈরি করে সেমিকন্ডাক্টার উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে।

জাপানের পত্রিকা নিক্কেই-এর বরাত দিয়ে সোশ্যাল নিউজের এক প্রতিবেদনে জানায়, আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চার দেশ বৈঠকে বসছে। সেখানেও অন্যতম এজেন্ডা হবে চিপ উৎপাদনে সেই জোট নিয়ে।

ধীরে ধীরে চিপের ক্ষেত্রে বিশ্ব নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে চীনের ওপর। সে নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে দেশগুলো। আর সে কারণে এমন জোট গঠন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জো বাইডেনের আমন্ত্রণে চার জাতি জোটের সম্মেলনে যোগ দিতে যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে।

এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, খসড়া ওই প্রস্তাবে চার দেশ যতটা দ্রুত সম্ভব উৎপাদনে যেতে চাওয়ার কথা জানায়। এ ক্ষেত্রে চার দেশ তাদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করবে।

চিপের স্বল্পতা বিশ্বব্যাপীই। সেটা ভারতের মতো চাহিদাসম্পন্ন দেশে আরও প্রকট হয়েছে। যে কারণে দেশটিতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় গাড়ি, স্মার্টফোন তৈরি বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

চিপের উৎপাদন বাড়াতে ও চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে এরইমধ্যে ১৯০ বিলিয়ন ডলারের একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রযুক্তি বিশেষ করে চিপের উৎপাদন বাড়াতে এটি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নে সে বরাদ্দ দেশটিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সচিব গিনা রেইমন্ডো বলেন, এটি এমন একটি বরাদ্দ যা দিয়ে ৭ থেকে ১০টি সেমিকন্ডাক্টার কারখানা স্থাপন করা সম্ভব হবে।

চীনের প্রযুক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর ঘটনা এটা প্রথম নয়। জো বাইডেনের আগে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চীনের বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে দেশটিতে কালো তালিকাভুক্তি করে নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন।

তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বাইডেন। তিনিও চীনের অর্ধশত কোম্পানিকে দেশটিতে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে কড়াকাড়ি আরোপ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারতেও চীনের শতাধিক প্রতিষ্ঠান ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করে আদেশ দিয়েছে। ২০২০ সালের মে মাসে লাদাখ সীমান্তে চীন-ভারত সেনাদের মধ্যে এক সংঘর্ষের পর ভারত চীনের বেশ কিছু অ্যাপ নিষিদ্ধ করে।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

এক রেটের ইন্টারনেটে গতির ফাঁকি

এক রেটের ইন্টারনেটে গতির ফাঁকি

প্রতীকী ছবি

আইএসপিএবি-এর সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। তবে এখানে কথা আছে, এ ইন্টারনেট কিন্তু ওয়ান বাই এইট শেয়ারিং ব্যান্ডউইথ। তার মানে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস কিন্তু ইন্টারনেট পাবে না, পাবে ৬২৫ কেবিপিএস। এই গতির ইন্টারনেট নিয়ে তারা তেমন কিছুই করতে পাবে না।’

একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে এয়ার টিকেটিং অফিসার হিসাবে কাজ করেন আরিফ হোসেন। এয়ার টিকেট বিক্রির নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, তাই অফিসের বাইরেও সারাক্ষণ ইন্টারনেট সংযোগে থাকতে হয়।

মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যয় বেশি বলে আরিফ হোসেন বাসায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারসংযোগ নিয়েছেন ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকায়। তবে প্রায়ই দেখা যায়, বাসার ইন্টারনেটে ফেসবুক-ইউটিউব চললেও এয়ার টিকেট বুকিং সফটওয়্যার কাজ করে না, তখন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। বাধ্য হয়ে বাড়তি ৩০০ টাকা দিয়ে সংযোগ ১০ এমবিপিএস করে নিয়েছেন। এতে আগের চেয়ে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা বাড়লেও তা মন মতো হচ্ছে না।

আরিফের মতো অনেক গ্রাহকেরই অভিযোগ, সর্বনিম্ন রেটের এ ইন্টারনেট ঠিক মতো কাজ করে না। তারা ইন্টারনেটের সঠিক গতি পাচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কাজ করতে প্রচুর সময় লাগে।

এক রেটে ইন্টারনেট

চলতি মাস থেকে সারা দেশে এক দাম ও সর্বনিম্ন রেটে ইন্টারনেট পাবার পথ তৈরি হয়েছে। এতে গ্রাম বা শহর সব জায়গাতেই সর্বনিম্ন ৫০০ টাকায় ইন্টারনেট পাবেন গ্রাহকরা। এক রেটে ইন্টারনেট কার্যকার হলেও এই ইন্টারনেটের সত্যিকার গতি কত তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ‘এক রেটে’ ইন্টারনেট সেবামূল্য (ট্যারিফ) চালু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। গত ১২ আগস্ট বিটিআরসিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইন্টারনেটের নতুন এই ট্যারিফ ঘোষণা করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নতুন দাম হিসাবে খুচরায় ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৮০০ এবং ২০ এমবিপিএস ১ হাজার ২০০ টাকায় পাবেন গ্রাহক।

এর আগে ৬ জুন ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট ঘোষণা দেয়ার পরে তা বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছিল। ইন্টারনেটের একেক পর্যায়ে একক দর ছিল। তাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তিনটি ধাপে খুচরা পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি), বেসরকারি নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) ও ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ের (আইআইজি) অভিন্ন ট্যারিফ চালু করা হয়েছে। এতে আইআইজি ও এনটিটিএন চালু হওয়ার ১২ বছর পর এ সেবামূল্য নির্ধারণ করা হলো।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, মূল্য নির্ধারণের মধ্যে দিয়ে সারা দেশে ‘এক দেশ এক রেট’ ইন্টারনেট বাস্তবায়ন হবে। এতে গ্রাম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষও শহরের মানুষের মতো কম দামে ইন্টারনেট সেবা পাবে। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ দর কার্যকর করতেই হবে।

রেট ৫০০ টাকা, কিন্তু গতি আট ভাগের এক ভাগ

আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সরকারের ঘোষণার পর বেশির ভাগ ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তাদের প্যাকেজে পরিবর্তন এনেছে। একই প্যাকেজের মূল্য আগে বেশি থাকলেও তা কমিয়েছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর থেকেই ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস ব্যান্ডইউথ সেবা দিয়ে আসছে, তবে তা শহরে যেখানে গ্রাহক বেশি সেখানেই সম্ভব ছিল। প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে গ্রাহকদের ব্যান্ডইউথ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সর্বনিম্ন দরে ইন্টারনেট গ্রাহকরা আরও আগে থেকেই পেয়ে আসছে। কিন্তু এখানে একটি ফাঁক রয়েছে। বিশেষ করে সর্বনিম্ন দরে যে লাইন দেয়া হয়, সেগুলো শেয়ারড লাইন। এখানে গ্রাহক চাইলে তার মনমতো স্পিড পাবে না। কারণ ৫০০ টাকায় যারা প্যাকেজ নিচ্ছে, তাদের এ সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে এক জনের ইন্টারনেট সংযোগের গতি আট ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। তাই বেশির ভাগ গ্রাহক এতে সন্তুষ্ট নন। তাদের ব্যান্ডউইথ ও স্পিডের চাহিদা আরও অনেক বেশি। বিশেষ করে করপোরেট অফিস শেয়ারড ইন্টারনেট দিয়ে চলে না। তাদের ডেডিকেটেড ব্যান্ডউইথ নিতেই হয়। তবে এ ক্ষেত্রে মাসিক চার্জও বেশি।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। তবে এখানে কথা আছে: এ ইন্টারনেট কিন্তু ওয়ান বাই এইট শেয়ারিং ব্যান্ডউইথ। তার মানে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস কিন্তু ইন্টারনেট পাবে না, পাবে ৬২৫ কেবিপিএস। এই গতির ইন্টারনেট নিয়ে তারা তেমন কিছুই করতে পাবে না। ইউজাররা হ্যাপি থাকবে না। এই খানেই একটু বোঝার ভুল রয়েছে।

‘অনেকে মনে করে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস গতি পাবে। এ ডাটা ৮ জনে শেয়ার করলে তা যে ৬২৫ কেবিপিএস হয়, এ কথা অনেকেই বলে না। মনে করেন কেউ শেয়ারড লাইন নিল। তার বাসায় লোক ৪ জন, তাহলে ৬২৫ কেবিপিএস গতিও চার ভাগ হয়ে যাবে, এ গতি দিয়ে সে কী করতে পারবে? তাই কাজ করতে চাইলে তাকে প্যাকেজে আপডেট করে নিতেই হবে। তখন কিন্তু সর্বনিম্ন দাম থাকবে না।’

সর্বনিম্ন এক রেট কি সম্ভব

আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সর্বনিম্ন রেটে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া সম্ভব। তবে তা খুব যে কার্যকর হবে তা নয়। কারণ ৫০০ টাকায় শেয়ারড লাইন ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়। সর্বনিম্ন প্যাকেজ যদিও ভ্যাটসহ ৫২৫ টাকা খরচ পড়ে, অপারেটররা ৫০০ টাকাই রাখছেন। তবে, গ্রাহকের সুবিধার জন্য কেউবা ১ বনাম ৮ এর জায়গায় ১ বনাম ৩ বা ১ বনাম ৪ করছেন। আবার অনেকে ১ বনাম ৮ শেয়ারিং লাইন দিলেও ৫ এমবিপিএসের জায়গায় ৮ এমনকি ১০ এমবিপিএস স্পিডও দিচ্ছে। টাকাও একটু বেশি নিচ্ছে। কারণ, সব গ্রাহকের এক সঙ্গে একই সময় ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে কোনো গ্রাহক ব্যবহার না করলে অন্যরা তখন তুলনামূলক ভালো স্পিড পায়। তবে কেউ বিশেষ কোনো কাজ করতে চাইলে কিংবা বাফারিং (ধীরগতি) মুক্ত নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট চাইলে তাকে ডেডিকেটেড লাইন নিতেই হবে। তবে এক্ষেত্রে বেশি খরচ করতেই হবে।’

এমদাদুল হক বলেন, ‘৫ এমবিপিএস ডেডিকেটেড (এক লাইন এক ইউজার) লাইনে অপারেটরের ২০০০ টাকার মতো খরচ পড়ে। তাহলে সে ৫০০ টাকায় ৫ এমবিপিএস দেবে কীভাবে? কোনো প্রতিষ্ঠান হয়তো বা ১০০ টাকা বেশি নিয়ে ৮ জনের ক্ষেত্রে ৪ বা ৫ জনকে একটি শেয়ার লাইন দিচ্ছে। গ্রাহকও একটু ভালো গতির ইন্টারনেট পাচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোন কিনে ১০ লাখ টাকা জেতার সুযোগ

ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোন কিনে ১০ লাখ টাকা জেতার সুযোগ

দেশে ভিভো ওয়াই ২১ কিনে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ছবি: সংগৃহীত

ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ডিরেক্টর ডেভিড-লি বলেন, ‘ভিভোর ওয়াই সিরিজ সব ধরণের গ্রাহকদের উপযোগী করে করা হয়েছে। ভিভো সবসময় নতুন ডিজাইনের সব প্রোডাক্ট নিয়ে আসে। ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোনটি শুধু দেখতেই আকর্ষণীয় নয়; পারফরমেন্সেও নির্ভরযোগ্য।’

দেশের বাজারে ওয়াই সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এসেছে শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো। বৃহস্পতিবার থেকে স্মার্টফোনটি প্রি-অর্ডার শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রি-অর্ডারে গ্রাহকরা ফোনটি কিনে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে ভিভো। অফারটি চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ডিরেক্টর ডেভিড-লি বলেন, ‘ভিভোর ওয়াই সিরিজ সব ধরণের গ্রাহকদের উপযোগী করে করা হয়েছে। ভিভো সবসময় নতুন ডিজাইনের সব প্রোডাক্ট নিয়ে আসে। ভিভো ওয়াই২১ স্মার্টফোনটি শুধু দেখতেই আকর্ষণীয় নয়; পারফরমেন্সেও নির্ভরযোগ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজারে আমরা ভিভো ওয়াই২০ স্মার্টফোনের অসাধারণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। এই প্রতিক্রিয়া আমাদেরকে আরও উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন আনতে অনুপ্রাণিত করেছে, তারই ফল ভিভো ওয়াই২১।’

বাজেটের মধ্যেই ভিভোর নতুন স্মার্টফোনে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিংয়ের সঙ্গে রয়েছে টাইপ সি পোর্ট, রয়েছে দ্বিতীয় প্রজন্মের ৪ জিবি র‌্যাম। এটি বাড়ানো যাবে আরও ১ জিবি পর্যন্ত। আর রম রয়েছে ৬৪ জিবি, মেমোরি কার্ডে যা বাড়ানো যাবে ১ টেরাবাইট পর্যন্ত।

ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫১ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে।

ভিভো ওয়াই২১ এর পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তুলতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। ফোনটির ক্যামেরায় ফিল্টার ২.০ ফিচার রয়েছে যা থেকে বিভিন্ন ধরণের রঙ পছন্দ করে নেয়া যাবে।

ভিভো ওয়াই২১ পাওয়া যাবে মেটালিক ব্লু ও ডায়ামন্ড গ্লো রঙে। দাম ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা।

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আউটলেটে এবং প্রি-বুক করা যাচ্ছে জিএন্ডজি, পিকাবু ডটকম এবং অথবা ডটকম ই-কমার্স প্লাটফর্ম।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

দেশে শাওমির নতুন ৪ সার্ভিস সেন্টার

দেশে শাওমির নতুন ৪ সার্ভিস সেন্টার

দেশে আরও চারটি সার্ভিস সেন্টার চালু করেছে শাওমি। ছবি: সংগৃহীত

নতুন চালু করা সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর, ঢাকার সাভার, নোয়াখালী ও দিনাজপুরে অবস্থিত। চারটিসহ দেশে এখন শাওমির সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যা ২৩টি।

মোবাইল ব্র্যান্ড শাওমি দেশের স্মার্টফোন গ্রাহকদের জন্য নতুন চারটি বিক্রয়োত্তর সেবাকেন্দ্র চালু করেছে।

গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবা আরও সহজে ও হাতের কাছাকাছি পৌঁছে দিতে এসব বিক্রয়োত্তর সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন চালু করা সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর, ঢাকার সাভার, নোয়াখালী ও দিনাজপুরে অবস্থিত।

চারটিসহ দেশে এখন শাওমির সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যা ২৩টি।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ন্যায্য মূল্যে অত্যাধুনিক স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে ফ্যানদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি শাওমি বিক্রয়োত্তার সেবাকে আরও গতিশীল করেছে।

‘শীর্ষস্থানীয় কনজ্যুমার ইন্টেলিজেন্স ফার্ম রেডকোয়ান্টার হিসাবে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রয়োত্তর সেবায় ২০১৯ সালের শেষ প্রান্তিক থেকে শীর্ষ ব্র্যান্ড শাওমি। আমরা সবসময় চেষ্টা করি আমাদের ফ্যান এবং গ্রাহকদের সর্বোত্তম সেবা পাওয়া নিশ্চিত করা।’

সেবা দেয়ার সেই অংশ হিসেবেই নতুন চারটি সার্ভিস সেন্টার চালু। এতে অপেক্ষাকৃত দূরের এলাকায় এসব সার্ভিস সেন্টার খোলার মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও উন্নত সেবা পাবে বলে জানান তিনি।

শাওমির নতুন সার্ভিস সেন্টারগুলো ফরিদপুর সদরের জনতার মোড়ের সামসুদ্দিন টাওয়ার, লেভেল ৩-এ; ঢাকার সাভারের ৪২ শাহীবাগ শিমুলতলীর এমকে টাওয়ার, লেভেল ৬; নোয়াখালীর চৌমহনীর করিমপুর রোড, রেলগেট, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলা এবং আরেকটির অবস্থান দিনাজপুরের স্টেশন রোডের গুলশান ট্রেড সেন্টার, শপ নং ২, লেভেল ২-এ অবস্থিত। এসব সেন্টার থেকে গ্রাহকরা শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেবা নিতে পারবেন।

এ ছাড়া সহজেই গ্রাহকদের সেবা দিতে দেশব্যাপী শাওমির রয়েছে ৩৯টি কালেকশন পয়েন্ট। তরুণরা যেকোন সমস্যায় পড়লেই সেগুলো থেকে দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন। দেশের ফ্যানদের স্বল্পমূল্য সেরা স্পেসিফিকেশনের স্মার্টফোন তুলে দিতে শাওমি দেশব্যাপী তাদের রিটেইল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। বর্তমানে আড়াই শতাধিক অথোরাইজড মি স্টোর, ৫০টি মি প্রেফারড পার্টনার স্টোর, তিন হাজারের বেশি রিটেইল পয়েন্ট রয়েছে শাওমির।

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন

ডিজিটালাইজড হবে বাংলা একাডেমি: পলক

ডিজিটালাইজড হবে বাংলা একাডেমি: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের ৭৩টি লাইব্রেরি, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় আর্কাইভ এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাতিঘর বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজ করার বিষয়ে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা ৭৩টি লাইব্রেরি ও বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজড করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

বুধবার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩টি সেবা ডিজিটালাইজড অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের ৭৩টি লাইব্রেরি, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় আর্কাইভ এবং আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাতিঘর বাংলা একাডেমিকে ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে গত ১২ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এ কারণে করোনা মহামারির সময়েও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও করোনার সময়ে ১৯ মাসে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসনিক, বিচার ব্যবস্থাসহ সবকিছু সচল ছিল।’

তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় ই-নথি ব্যবস্থা প্রবর্তন করায় দুই কোটির অধিক ইলেকট্রনিকস ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। করোনার সময়ে বিভিন্ন অফিসের লক্ষাধিক কর্মকর্তা ইলেকট্রনিক ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেছে।

‘এর মাধ্যমে তারা শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়, সময় ও যাতায়াতের হয়রানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন। লকডাউনেও কোনো প্রশাসনিক কাজ বন্ধ ছিল না।’

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কারিগরি সহায়তায় ‘মাইগভ র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন’ পদ্ধতির আওতায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ৩০৩টি ডিজিটালাইজড সেবার উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘মাইগভ র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন প্ল্যাটফর্মের আওতায় ইতোমধ্যে যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে, তার মধ্যে মন্ত্রণালয় ভিত্তিক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক সেবার (৩০৩টি) ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে।

‘এ থেকে বোঝা যায়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্র ও কর্মপরিধি কত ব্যাপক। মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ১৭টি দপ্তর সংস্থার মধ্যে ১০টি দপ্তর সংস্থার ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি সাতটি সংস্থার র্যাপিড ডিজিটালাইজেশন সম্পন্ন হলে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিজিটালাইজড সেবার সংখ্যা আরও বাড়বে।’

আরও পড়ুন:
দেশে বাজার সম্প্রসারণ করতে চায় রিয়েলমি-দারাজ
রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন বিক্রি শুরু
দেশে রিয়েলমির দুই ফোন ৮ প্রো, সি২১
গেমিং প্রসেসরে এলো রিয়েলমি নারজো ৩০এ  

শেয়ার করুন