গ্লোবাল পিস অ্যাওয়ার্ডে ২০ বাংলাদেশি

player
গ্লোবাল পিস অ্যাওয়ার্ডে ২০ বাংলাদেশি

বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ডে ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজায় ৬ ক্যাটাগারিতে ১৮ জন সাহসী, সৃজনশীল উদ্যোক্তা, নেতা ও সংগঠনকে এই সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হবে।

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গ্লোবাল পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাওয়ার্ড ২০২১। এই আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজায় ৬ ক্যাটাগারিতে ১৮ জন সাহসী, সৃজনশীল উদ্যোক্তা, নেতা ও সংগঠনকে এই সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হবে।

পুরস্কার আয়োজন করেছে ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন ফোরাম।

পুরস্কার পেতে বিশ্বের ৩১টি দেশ থেকে আবেদন করেন ১ হাজার ৬৭৫ জন। এদের মধ্য ২০ জন বাংলাদেশিসহ ৪৮ জন মনোনীত হন।

মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন ইকো নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা শামীম আহমেদ মৃধা, সেভ সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা আয়ান মুমিনুল, শিক্ষাবিদ তন্ময় পাল চৌধুরী, ড্রিম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুর রহমান শাফায়েত, সিজ দ্য ডে’র হেড অফ মার্কেটিং আকিদা বিনতে ইসলাম নুহা, ডা. রিফাত আল মাজিদ ভূঁইয়া, গিভ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ সাইফুল্লাহ মিঠু, ডিবে অর্গানাইজার বিডির প্রেসিডেন্ট এইচ এম মারজান, প্রত্যুষ প্রতিষ্ঠাতা তানভির হাসান, নন্দিতা সুরক্ষা প্রতিষ্ঠাতা তাহিয়াতুল জান্নাত, হেল্প দ্য ফিউচার প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল্লাহ খালেদ এবং ওয়ান অফ ইউ প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল ইসলাম নিলয়।

বাংলাদেশে থেকে আরও নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার্স প্রতিষ্ঠাতা এ এস এম সাদমান সাকিব, ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব হুইলচেয়ার ক্রিকেটের সিইও মাহবুবুর রহমান, কলামিস্ট সাজিয়া আফরিন সুলতানা, বাংলাদেশ ইয়্যুথ মেন্টাল হেলথ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা আইমান মাহমুদ, আর্শি কো-ফাউন্ডার সৈয়দা নাজনিন আহমেদ, পেনি ফর মানির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জেসান রেহমান এবং খন্দকার আবদুল্লাহ আল তাহমীদ, প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, ইয়ুথপ্রেনার নেটওয়ার্ক।

পাশাপাশি টিম ব্যর্থ ও ইয়্যুথ অ্যাকশন ফর বাংলাদেশ নামের দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আরও ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন পায়।

আয়োজনের বিষয়ে বিডিএসআইএফ ও ডিএসআইএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলী আকবর বলেন, মূলত যাদের অনুকরণীয় প্রচেষ্টা অন্যদের জীবনকে উন্নত করেছে এবং শান্তি ও মানবিক সেবার সংস্কৃতিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান রেখেছে তাদেরকেই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

ইন্টারফেইথ লিডারশিপ, লিডারশিপ ইন স্ট্রেনথেনিং ফ্যামেলিস, আউটস্টান্ডিং সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড, গুড গভার্নেন্স অ্যাওয়ার্ড, ইনোভেটিভ স্কলারশিপ ফর পিস এবং গ্লোবাল পিস অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে এই মনোনয়ন দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জেসিআই ঢাকা অ্যাস্ট্রালের নতুন বোর্ড

জেসিআই ঢাকা অ্যাস্ট্রালের নতুন বোর্ড

জেসিআই ঢাকার নতুন কমিটি। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি সংগঠনটির সাধারণ সভায় সৈয়দা শাহগুফতা নাজ বোর্ডের নতুন স্থানীয় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশ্বব্যাপী তরুণদের সেবাদান প্রতিষ্ঠান জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ঢাকা অ্যাস্ট্রালের ২০২২ সালের জন্য নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

সম্প্রতি সংগঠনটির সাধারণ সভায় সৈয়দা শাহগুফতা নাজ বোর্ডের নতুন স্থানীয় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

বোর্ডের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্থানীয় সভাপতি ফারাহ আহমেদ, নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল মাহমুদ সজীব, স্থানীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট শিবলী আমরান ও নাসের মহসিন; মহাসচিব মাসরুর মাহমুদ শুভ, কোষাধ্যক্ষ মো. শাফায়েত হাসান, সাধারণ আইনজীবী মনজুর মোরশেদ, প্রশিক্ষণ কমিশনার রোমানা আক্তার ইতি এবং পরিচালক রাজিন হালিম ও এম ফরহাদ হোসেন।

নির্বাচন পরিচালনা করেন নির্বাচন কমিশনার ও পরামর্শদাতা সৈয়দ মোসায়েব আলম। তিনি জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় সহসভাপতিও।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ উন নবী, সহসভাপতি সৈয়দ মোসায়েব আলম, এজাজ মোহাম্মদ; জাতীয় দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ সাফি ইমন, পরিচালক তাহা ইয়াসিন।

শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ দিনের অ্যাডমিশন ফেয়ার

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ দিনের অ্যাডমিশন ফেয়ার

আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত এডমিশন ফেয়ার চলাকালীন ভর্তির ওপর ১০ শতাংশ বিশেষ টিউশন ফিতে ছাড় দেয়া হবে। এ ছাড়া বিশেষ উপহার এবং ভর্তি ফির ওপর ৫০ শতাংশ ওয়েভার দেয়া হবে।

বেসরকারি প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ভর্তি মেলা।

মঙ্গলবার সকালে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় গুলশান ক্যাম্পাসে ‘এডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২২’ এর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল লাইস এমএস হক এবং বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত অ্যাডমিশন ফেয়ার চলাকালীন ভর্তির ওপর ১০ শতাংশ বিশেষ টিউশন ফিতে ছাড় দেয়া হবে। এ ছাড়া বিশেষ উপহার এবং ভর্তি ফির ওপর ৫০ শতাংশ ওয়েভার দেয়া হবে।

উপাচার্য তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আহ্বান জানান।

এমন আয়োজন করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান উপাচার্য।

শেয়ার করুন

ইউল্যাব এমএসজে অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি

ইউল্যাব এমএসজে অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি

ইউল্যাবের অ্যালামনাই নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অ্যালামনাই অফিয়া পিনা এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম (এমএসজে) বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে আরিফুল ইসলাম আরমান সভাপতি ও সিউল আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্প্রতি অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় ১১ সদস্যের নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির বিভিন্ন পদে নির্বাচিতরা হলেন সহসভাপতি মাহফুজুর রহমান মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক মালিহা ওয়াদুদ চাঁদনী, অর্থ সম্পাদক এম দিদারুল করিম সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক অরিত্র অংকন মিত্র, প্রচার সম্পাদক তাসলিমা আক্তার শিখা।

এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে দাউদ রশিদ, প্রমা সঞ্চিতা অত্রি, এস এস আল আরেফিন ও নিয়াজ শুভ ​নির্বাচিত হয়েছেন।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন এমএসজে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অ্যালামনাই অফিয়া পিনা এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন

যেকোনো চ্যালেঞ্জ জিততে পারে তরুণরা: রাষ্ট্রপতি

যেকোনো চ্যালেঞ্জ জিততে পারে তরুণরা: রাষ্ট্রপতি

ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল-২০২০ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘তারুণ্যের এই উদযাপন আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে আগামী দিনগুলোতে সুন্দর কিছু হবে। যে চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, তরুণরা সাহসিকতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করবে, শক্তভাবে লড়াই করবে এবং শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে। কারণ, আমার অভিজ্ঞতায় সব সময় লক্ষ্য করেছি যে তারুণ্যের শক্তির জয় সব সময়ই হয়।’

নিয়ত পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণরা দ্রুত নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, তারাই অগ্রগতির সূচনাকারী। যেকোনো চ্যালেঞ্জ সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে জয়ী হওয়ার সামর্থ্য তরুণদেরই আছে।

ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল-২০২০-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘তারুণ্যের এই উদযাপন আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে, আগামী দিনগুলোতে সুন্দর কিছু হবে। যে চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, তরুণরা সাহসিকতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করবে, শক্তভাবে লড়াই করবে এবং শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে। কারণ, আমার অভিজ্ঞতায় সব সময় লক্ষ্য করেছি যে তারুণ্যের শক্তির জয় সব সময়ই হয়।’

ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল বিশ্ব ও বাংলাদেশের তরুণদের জন্য একটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি তরুণরা পারস্পরিক তথ্য বিনিময় এবং কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার মাধ্যমে একত্রিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তরুণদের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। সেই নেটওয়ার্ক ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে তরুণরা সহযোগিতা ও সহাবস্থানের একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলবে।’

এবার ইয়ুথ ক্যাপিটালের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সমতা ও সমৃদ্ধির জন্য স্থিতিস্থাপকতা।’ এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘সংকটে যুবকরা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। যেমনটা তারা রেখেছে সাম্প্রতিক মহামারিতেও। একটি শক্তিশালী যুব নেটওয়ার্ক হলো এমন বলিষ্ঠ শক্তি যা সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে সমতা ও সমৃদ্ধির পথে স্থিতি তৈরি করে। আমি আশা করি, তরুণরা এই দর্শনকে নিজের মধ্যে ধারণ করে সমাজ ও মানবতার জন্য অবদান রাখবে।’

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিষয়টিও উঠে আসে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ গত এক দশক ধরে উন্নয়নের পথে হাঁটছে। যা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন কারণ তিনি তার বাবার মতোই তরুণদের অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। এটা বলতে আমার গর্ব অনুভব হয় যে তরুণরা আমাদের সাম্প্রতিক উন্নয়নের সীমানা শক্তি।’

‘একত্রিত হয়ে তরুণরা যেকোনো কিছুই অর্জন করতে পারে’ বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০ তরুণদের একত্রিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় প্ল্যাটফর্ম।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথাও উঠে আসে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের বলতে চাই, বিশেষ করে বিশ্বের তরুণদের কাছে, বঙ্গবন্ধুর তারুণ্য ও তারুণ্যের চেতনা এবং বাংলাদেশের সোনালি তারুণ্যের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু তার জীবদ্দশায় যা করেছেন তা মানবজাতির ইতিহাসে খুব কম মানুষই করেছেন। বঙ্গবন্ধুর কথা বললেই ইতিহাস ও ইতিহাসের বৃত্তান্ত আপনা-আপনি উঠে আসে।’

বঙ্গবন্ধু সব সময় অন্যের কথা ভাবতেন জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ‘নিজের সুখ-দুঃখের চিন্তা না করে অন্যের চিন্তা করতেন। এটাই ছিল শুরু। তিনি যখনই অন্যায়, শোষণ ও দমন-পীড়ন দেখেন, তখনই প্রতিবাদ করতে থাকেন। তিনি কখনও তার নিজের বা তার পরিবারের মধ্যে আটকে ছিলেন না।’

ঢাকার পর পরবর্তী ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটালের ভেন্যু ঠিক করা হয়েছে তাতারাস্তানের রাজধানী কাজানে। সেই যুব সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

শেয়ার করুন

প্রযুক্তিতে ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা’ পেলেন লাফিফা জামাল

প্রযুক্তিতে ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা’ পেলেন লাফিফা জামাল

প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করে অনন্যা সম্মাননা পেয়েছেন অধ্যাপক লাফিফা জামাল। ছবি: ফেসবুক

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ড. লাফিফা জামালের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন। ড. লাফিফা জামাল শিক্ষকতার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নারীদের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশের বহুল আলোচিত ও ঐহিত্যবাহী পাক্ষিক নারীবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘অনন্যা শীর্ষদশ ২০২০ সম্মাননা’ পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল।

অনন্যা বর্ষব্যাপী আলোচিত-আলোকিত দশ কৃতী নারীর একজন হিসেবে এই সম্মাননা দেয়া হয়।

দেশের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

প্রতিবছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজে আলোচিত ও আলোকিত নারীদের মধ্য থেকে ১০ জন কৃতী নারীকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ড. লাফিফা জামালের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।

ড. লাফিফা জামাল শিক্ষকতার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নারীদের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের কাজ করে যাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল ও কনফারেন্সে তার প্রায় ৬০টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তিনি বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

গবেষণা নিয়ে তার আগ্রহের জায়গাগুলো হচ্ছে রোবটিক্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম, ভিএলএসআই ডিজাইন, রিভার্সিবল লজিক সিনথেসিস, জেন্ডার অ্যান্ড ডাইভারসিটি ও স্টেম এডুকেশন।

ড. লাফিফা জামাল বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ গড়ার দায়িত্ব দেয়। তার নেতৃত্বে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ২০তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড ২০১৮-এ বাংলাদেশ প্রথম স্বর্ণপদক পায়।

তিনি বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

ড. লাফিফা জামাল আইইই-এর সিনিয়র মেম্বার এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির ফেলো।

প্রযুক্তিতে ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা’ পেলেন লাফিফা জামাল
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হাত থেকে সম্মাননা নেয়া কৃতী ১০ নারী। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আইইইই ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ অ্যাফিনিটি গ্রুপ এবং আইইইই রোবোটিক্স অ্যান্ড অটোমেশন সোসাইটি ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টারের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মডারেটর।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যকরী পরিষদের সাবেক নির্বাচিত সদস্য। সেই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির (বিসিএস) সাবেক কোষাধ্যক্ষ।

লাফিফা জামাল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ড, রিভিউ প্যানেল এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রোগ্রাম কমিটির ভূমিকায় কাজ করেন।

তিনি ইউরোপিয়ান করপোরেশন ইন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধীনে ‘ইউরোপিয়ান নেটওয়ার্ক ফর জেন্ডার ব্যালেন্স ইনফরমেটিক্স’ প্রজেক্টে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি।

ড. জামাল বর্তমানে যুক্ত আছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নারীদের উন্নয়নে গঠিত সংগঠন বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) প্রেসিডেন্ট হিসেবে।

এ ছাড়া তিনি দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ফ্লাইং ল্যাবসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে।

১৯৯৩ সাল থেকে অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

টেন মিনিট স্কুলের নতুন একাডেমিক কোর্স

টেন মিনিট স্কুলের নতুন একাডেমিক কোর্স

নতুন একাডেমিক কোর্সের উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। ছবি: সংগৃহীত

টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক বলেন, ‘টেন মিনিট স্কুলের মাধ্যমে আমরা সব সময় চেয়েছি শিক্ষার্থীদের গতানুগতিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নতুনভাবে সবকিছুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার। যাতে তাদের পড়াশোনা আরও আনন্দময় হয়।’

দেশের অন্যতম শীর্ষ ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম টেন মিনিট স্কুল নতুন একাডেমিক প্রোডাক্ট ‘অনলাইনে অফলাইন লার্নিং’ কোর্স চালু করেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে রোববার সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিষ্ঠানটি নতুন পণ্যের ঘোষণা দেয়।

টেন মিনিট স্কুলের হেড অফ এইচ আর মুনজেরিন শহীদ, মার্কেটিং লিড মুফাসসাল সাইফ, পিআর অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল শিহাবসহ অন্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে একাডেমিক প্রোডাক্ট সম্পর্কে বলা হয়, কোর্সটি সাজানো হয়েছে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির জন্য গণিত, অষ্টম শ্রেণির গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞান এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের মূল বিষয়গুলোর ওপর নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে।

এখানে শিক্ষার্থীরা রেকর্ডেড ক্লাস পাবেন, ক্লাসের মধ্যে শিক্ষককে প্রশ্ন করার সুযোগ এবং নবম-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে টেস্ট পেপার সলভের ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইনে 10ms.app লিংকটি ব্যবহার করে ক্লাসগুলো করতে পারবেন।

টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক বলেন, ‘টেন মিনিট স্কুলের মাধ্যমে আমরা সব সময় চেয়েছি শিক্ষার্থীদের গতানুগতিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নতুনভাবে সবকিছুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার। যাতে নিজেদের পড়াশোনা আরও আনন্দময় হয়।

‘আমাদের নতুন এই একাডেমিক নির্দেশিকা শিক্ষার্থীদের যেমন পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে, পাশাপাশি তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করতেও সাহায্য করবে।’

টেন মিনিট স্কুল একটি অনলাইন ই-লার্নিং প্লাটফর্ম, যেটি ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু করে।

প্রথমে একাডেমিক বিষয় শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিভিন্ন একাডেমিক, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, চাকরির প্রস্তুতি কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সের সমন্বয়ে লক্ষাধিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছে।

শেয়ার করুন

পাওয়ার ব্যাংকের বিকল্প ভিভোর দুই স্মার্টফোন

পাওয়ার ব্যাংকের বিকল্প ভিভোর দুই স্মার্টফোন

ভিভোর শক্তিশালী ব্যাটারির দুই স্মার্টফোন।

স্মার্টফোনগুলোর সঙ্গে একটি ওটিজি রিভার্স চার্জিং কেব্‌ল যুক্ত করে পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। শুধু তা-ই নয়, এই কেব্‌ল দিয়ে অন্য স্মার্টফোনও চার্জ করা যাবে। চার্জ করা যাবে স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ ডিভাইসের মতো গ্যাজেটও।

শক্তিশালী ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির দুটি স্মার্টফোন এনেছে ভিভো। ভিভো ওয়াই সিরিজের দুই স্মার্টফোনে পাওয়ার ব্যাংকের মতো চার্জিং প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্মার্টফোন দুটি হলো ভিভো ওয়াই২১ এবং ওয়াই১৫এস। এর মধ্যে ওয়াই১৫এস স্মার্টফোনটি চলতি মাসেই দেশের বাজারে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্মার্টফোনগুলোর সঙ্গে একটি ওটিজি রিভার্স চার্জিং কেব্‌ল যুক্ত করে পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। শুধু তা-ই নয়, এই কেব্‌ল দিয়ে অন্য স্মার্টফোনও চার্জ করা যাবে। চার্জ করা যাবে স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ ডিভাইসের মতো গ্যাজেটও।

ভিভো ওয়াই১৫এস

স্মার্টফোনটির ব্যাটারি ৫০০০ এমএএইচ সক্ষমতার। একবারের সম্পূর্ণ চার্জে স্মার্টফোনটি প্রায় দেড় দিন ব্যবহার করা যায়। টানা ১৮ ঘণ্টা অনলাইন স্ট্রিমিং করা যাবে এবং অনলাইন গেমিং করা যাবে টানা ৭ ঘণ্টার ওপরে।

ভিভো ওয়াই১৫এস এ রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম এবং ৩২ জিবি রম। রমটিকে ১ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। স্মার্টফোনটির দাম ১২ হাজার ৯৯০ টাকা। পাওয়া যাচ্ছে ওয়েভ গ্রিন এবং মিসটিক ব্লু রঙে।

ভিভো ওয়াই২১

দেশের বাজারে ভিভো ওয়াই২১ উন্মোচন করা হয় গত সেপ্টেম্বরে। পাওয়ার ব্যাংক প্রযুক্তির কারণেই দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ভিভো ওয়াই২১।

এ ছাড়া ১৪ হাজার ৯৯০ টাকার এই বাজেট স্মার্টফোনে কিছু ফ্ল্যাগশিপ ফিচার যুক্ত করেছে ভিভো; যা সাড়া ফেলেছিল ভিভো গ্রাহকদের মধ্যে।

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ভিভো এনার্জি গার্ডিয়ান (ভি-ই-জি) প্রযুক্তি। এটি এমন একটি অ্যালগরিদম, যা স্মার্টফোন চার্জ হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চার্জ নেয়া বন্ধ করে দেয়।

মাল্টি টারবো ফিচারের কারণে ভিভো ওয়াই২১ দিয়ে টানা ১০ ঘণ্টা গেম খেলা যাবে, আর ভিডিও দেখা যাবে টানা সাড়ে ১৫ ঘণ্টা।

ভিভো ওয়াই২১-এ রয়েছে এক্সটেন্ডেড র‌্যাম ২.০ প্রযুক্তি। এর র‌্যাম ৪ জিবি এবং রম ৬৪ জিবি। ৪ জিবি র‌্যামকে ভার্চুয়ালি ১ টেরাবাইট পর্যন্ত এক্সটেন্ড করা যাবে। ভিভো ওয়াই২১ পাওয়া যাচ্ছে ডায়ামন্ড গ্লো ও মেটালিক ব্লু রঙে।

শেয়ার করুন