কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির দুজন পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির দুজন পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড

ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উপমা আহমেদ এবং শিক্ষার্থী মো. জহিরুল ইসলামের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

অনন্য এই স্বীকৃতি উদযাপনে মঙ্গলবার দুপুরে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে নিজস্ব ক্যাম্পাসে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত দুজনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

সামাজিক পরিবর্তনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর দুজন। তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উপমা আহমেদ এবং শিক্ষার্থী মো. জহিরুল ইসলাম।

উপমা আহমেদ যুব সংগঠন ‘ইভোলিউশন ৩৬০’-এর মাধ্যমে সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। অন্যদিকে দৈনন্দিন কাজের বাইরে গিয়ে সামাজিক পরিবর্তন এবং উন্নতিতে ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন জহিরুল ইসলাম।

অনন্য এই স্বীকৃতি উদযাপনে মঙ্গলবার দুপুরে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে নিজস্ব ক্যাম্পাসে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত দুজনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডকে ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেক বড় অ্যাওয়ার্ড মনে করি। তিনি (প্রিন্সেস ডায়ানা) প্রতিটি মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র। তার জন্মদিন উপলক্ষে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে।’

ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত আরও বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ সব সময় সেরা শিক্ষকদের নেয়, এটা আবার প্রমাণ হলো। আমাদের সেরা ছাত্র অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করছি, আগামী বছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নতুন কেউ এই অ্যাওয়ার্ড নিয়ে আসবে।’

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র অ্যাডভাইজর প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার দিলদার আহমেদ, সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. শাহরুখ আদনান খান, বিজনেস স্কুল বিভাগের প্রধান এস এম আরিফুজ্জামান, আরবিএমকো লিমিটেড টিনকো এনভির প্রধান নির্বাহী মারুফ এইচ খান উপস্থিত ছিলেন।

উপমা আহমেদ ২০১৬ সালে গঠন করেন ‘ইভোলিউশন ৩৬০’। এর উদ্দেশ হলো, লিঙ্গবৈষম্যহীন এবং এসডিজি-৫ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়া। বর্তমানে প্রায় ৩০০ স্বেচ্ছাসেবী এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য হচ্ছে, ছেলেশিশুদের বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সহনশীল আচরণ শিক্ষা দেয়ার মাধ্যমে লিঙ্গীয় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।

উপমা আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত চার-পাঁচ বছর ধরে আমরা বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। আমরা ছেলেদের বিপরীত জেন্ডারের প্রতি অ্যাটিচিউড সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকি। ছোট বাচ্চাদের গুড টাচ এবং ব্যাড টাচ সম্পর্কে সচেতন করে থাকি। আর মেয়েদের জন্য রয়েছে আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর কিছু সেশন এবং কিছু কোর্স। এটা বাদেও আমরা করোনাকালে বিভিন্নভাবে মানুষকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি। এসব সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্যই মূলত আমাকে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে।’

জহিরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ, বৈষম্য দূর, আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে ২০১৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘ইগনাইট ইয়ুথ ফাউন্ডেশন’। বর্তমানে এই ফাউন্ডেশনের একটি স্কুল রয়েছে, যেখানে প্রায় ৬৭ দরিদ্র শিশু শিক্ষা পাচ্ছে। এ ছাড়া সাত জেলায় প্রায় ২৩ হাজার ইগনাইট কর্মী সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছেন।

ইগনাইট ইয়ুথ ফাউন্ডেশনে কাজ করার পাশাপাশি জহিরুল ইসলাম ট্রেনিং, মোটিভেশনাল স্পিচের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছেন। সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও এর আগে তিনি আরও ৯টি পুরস্কার পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য হলেন ড. শেখ মামুন খালেদ
উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ: বিশেষজ্ঞরা জানালেন করণীয়
শেখ হাসিনা দারিদ্র্য দূরীকরণের জাদুকর: ড. নাফিজ সরাফাত
উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশ: চলছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ওয়েবিনার
উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশ: কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ওয়েবিনার আজ

শেয়ার করুন

মন্তব্য