তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতার সাফল্য

‘আমি যা আমি তা’ সিনেমার প্রচ্ছদ।

তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতার সাফল্য

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ফারজানা নূরের কোর্স ওয়ার্ক স্থান পেয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভালে। 

ফারজানা নূর কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের টেলিভিশন অ্যান্ড ফিল্ম স্টাডিস বিভাগের শিক্ষার্থী। করোনার মধ্যে কোর্স ওয়ার্ক হিসেবে তিনি একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। চলচ্চিত্রটির নাম আমি যা, আমি তা। চলচ্চিত্রটি ঢাকা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভালে প্রদর্শিত হবে।

নিউজবাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারজানা বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় ছয় মাস আগে জহির বিশ্বাস স্যার একদিন ক্লাসে এসে বললেন, তার কোর্সের আন্ডারে আমাদের একটি সিনেমা বানাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সবার মাথা খারাপ হয়ে গেল।

‘করোনার এই সময়ের মধ্যে কীভাবে সিনেমা বানানোর মতো কাজ আমরা করব। তিনি আমাদের উৎসাহ দেয়ার জন্য বললেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালির ফিল্মমেকারদের কথা মনে কর। তাদের কাছেও কিছুই ছিল না তখন। কিন্তু সে সময় তারা যে সিনেমাগুলো বানিয়েছিল, সেগুলো আমাদের কাছে এখন নিওরিয়েলিস্ট ফিল্ম। তোমরাও পারবে, চেষ্টা করে দেখ।’

বিভাগের এই উৎসাহ সবসময়ই তাদের কাজের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। ফারজানাও নেমে যান সিনেমা বানানোর কাজে। কী গল্প তিনি বলবেন, সেটা ভাবতে ভাবতে ঘটে মজার ঘটনা। গল্পের পিছনের ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘুরতে গেলাম নানুর বাসায়। তখন হুট করে এক সন্ধ্যায় দেখলাম আমার এক কাজিন ছাদে উঠেছে। সে কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। তাকে বলা হচ্ছে তুমি ছোট মানুষ সন্ধ্যায় ছাদে কী করো? এখনি নামো।’

এ ঘটনা দেখে ফারজানার মাথায় আসে এই বয়সের গল্প বলা তো জরুরি। তিনি বলেন, ‘কৈশোর এমন এক সময় যখন আমাদের যে কোনো সিদ্ধান্তই হেয় করা হয়। কখনও বলা হয় তুমি ছোট, আবার কখনও বলা হয় তুমি বড় হইসো। তোমার কোনো ধরনের আবদার করা মানায় না।’

‘আমি যা, আমি তা’ সিনেমার দৃশ্য।

অদ্ভুত এ বয়সটিকে নিজের সিনেমায় ধরার চিন্তা মাথায় আসে ফারজানার। সে চিন্তা থেকেই কাজ শুরু। নিজেই পরিচালনা এবং সিনেমাটোগ্রাফির কাজ করেন। দুজন বন্ধুর সহায়তায় বাকি কাজ শেষ করেন। নিজে কাজটি করার পরেও তিনি ভাবতে পারেননি, এটি এতো বড় একটি ফেস্টিভালে দেখানো হবে।

এটির পুরো কৃতিত্ব নিজের ইউনিভার্সিটির বিভাগকে দিতে চান ফারজানা। বিভাগ নিয়ে ফারজানা বলেন, ‘আমাদের বিভাগ সবসময় নানা সুযোগের কথা আমাদের জানায়। আমাদেরকে উৎসাহ দেয় যেনো আমরা কাজগুলো করতে থাকি। এমনকি জহির স্যারের ওই কোর্সটির পরে ভালো কাজগুলোকে পুরস্কৃত করা হয় বিভাগ থেকে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সহচর থেকে রোভার হলেন জবির ১০২ শিক্ষার্থী

সহচর থেকে রোভার হলেন জবির ১০২ শিক্ষার্থী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১০২ শিক্ষার্থী দীক্ষা নিয়ে সহচর থেকে রোভার স্কাউট সদস্য হয়েছেন।

কুমিল্লার লালমাইয়ে আঞ্চলিক স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সহচররা তিন দিনব্যাপী দীক্ষা গ্রহণ করেন। শুক্রবার শেষ দিনে তারা সহচর থেকে রোভার স্কাউটে পরিণত হন।

এ সময় স্কাউট সদস্যরা বিপি পিটি, ফ্ল্যাগ মিটিং, বিশেষ ক্রু মিটিং, হাইকিং, মহাকালী জলসা, বনকলা সব বিভিন্ন কার্যাবলীর মাধ্যমে দীক্ষা লাভ করে।

দীক্ষা গ্রহণকারী রোভার সোলাইমান কবির বলেন, ‘এই দীক্ষা গ্রহণ স্কাউট জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ জীবনে চলার পথে নানা সময়ে কাজে দেবে। নিজেকে সবসময় সমাজ ও দেশের জন্য প্রস্তুত রাখব।’

জবি রোভার স্কাইটের সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, ‘দীক্ষা অনুষ্ঠান হলো এক জন নবাগতের জন্য স্কাউট জীবনের প্রবেশদ্বার। আমি আশা করছি, এই ১০২ জন সহচর দীক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্কাউট আইন ও প্রতিজ্ঞার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। যা তার ব্যক্তিজীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখতে যথেষ্ট সহায়তা করবে। পাশাপাশি এদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অর্জনের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ এবং বাংলাদেশ স্কাউটস।’

১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

দীক্ষাগ্রহণ আয়োজনে জবি রোভার ইন কাউন্সিলের সভাপতি কামরুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায়, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার এই দীক্ষা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কাউট লিডার কাজী ফারুক হোসেন।

জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ মাহমুদ ও এনামুল হাসান কাওছারকে দীক্ষা ক্যাম্পের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

রোভার আনোয়ার হোসেনকে বিগত কাউন্সিলের শ্রেষ্ঠ সিনিয়র রোভার মেটের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ সহচর ও জিনিয়াস সহচরকে পুরস্কার তুলে দেয়া হয় আয়োজনে।

শেয়ার করুন

পোশাকে ফাল্গুন আর ভালোবাসার রং

পোশাকে ফাল্গুন আর ভালোবাসার রং

বিদায় নিচ্ছে শীত। গাছের ঝরাপাতা আর আগুনরাঙা পলাশ জানান দিচ্ছে দুয়ারে ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্ত বরণে প্রস্তুত প্রকৃতি। রঙের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে সবার মনে।

ক্যালেন্ডারের হিসাবে এবারের ফাল্গুন আসছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে সঙ্গী করে। বাঙালির ফাল্গুনের প্রথম দিন মিলেমিশে একাকার হবে সারা বিশ্বের ভালোবাসাপ্রিয় মানুষের উৎসবের সঙ্গে।

পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে বাসন্তী রঙের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে প্রতি বছর। এ উৎসব রাঙিয়ে তুলতে করোনার সংকটের মধ্যেও প্রস্তুতির কমতি নেই ভালোবাসার আমেজে মাততে অপেক্ষায় থাকা মানুষদের ও ফ্যাশন হাউসগুলোর।

ফাল্গুন আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে এরই মধ্যে বৈচিত্র্যময় বাহারি পোশাক এনেছে রঙ, অঞ্জন’স, কে-ক্র্যাফট, দেশাল ও বাংলার মেলার মতো ফ্যাশন হাউসগুলো।

কে-ক্র্যাফট থেকে নারীরা বেশি কিনছেন কোটা, সিল্ক, হাফসিল্ক, কটন, সুতি ও কাতান শাড়ি। এসব শাড়িতে আছে চমৎকার সব হ্যান্ড পেইন্ট, হাতে সুতার কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও ব্লকের কারুকার্য। দাম ২ হাজার ২০০ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।

ছেলেদের জন্য কে-ক্র্যাফট এনেছে হ্যান্ড পেইন্ট ও হাতে সুতার কাজ করা পাঞ্জাবি। রকম ভেদে এসব পাঞ্জাবির দাম ২ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা।

পোশাকে ফাল্গুন আর ভালোবাসার রঙ
বাসন্তী রঙের পোশাক কেনায় ব্যস্ত ক্রেতা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

৬০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে কে-ক্র্যাফটে পাওয়া যাচ্ছে বাচ্চাদের বসন্তের পাঞ্জাবি। আর ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে শিশুদের থ্রিপিস ও টপস।

কে-ক্র্যাফটের বসুন্ধরা সিটি আউটলেটের ব্যবস্থাপক নাসির হোসেন বলেন, ‘একই দিনে দুই দিবস পড়ায় আমরা সেভাবেই পোশাকের বৈচিত্র্য সাজিয়েছি। অন্য বছরে তুলনায় এবার ক্রেতা কিছুটা কম। তবে আশা করছি বাকি কয়েক দিনে বিক্রি ভালো হবে।’

ছোট-বড় বিভিন্ন বয়সীর জন্য ফ্যাশন হাউস ‘রঙ’ এনেছে বাহারি রং ও কাজ করা পোশাক। পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস ঘিরে তাদের আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে ব্যতিক্রমী শাড়ি, পাঞ্জাবি, টপস ও টি-শার্ট।

রঙ-এর বসন্তের হাফসিল্ক, কটন ও তাঁতের শাড়িতে রয়েছে হ্যান্ড পেইন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক ও হাতে সুতার কাজ। দাম ৯০০ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছেলেদের পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায়।

শাড়িতেও লেগেছে বসন্তের হাওয়া। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

মেয়েশিশুদের জন্য বসন্তের শাড়ি ও টপসের দাম ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। আর ছোট ছেলেদের পাঞ্জাবি ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

দেশি ফ্যাশন হাউসের মধ্যে অন্যতম নাম অঞ্জন’স। শুধু ফাল্গুন সামনে রেখেই তারা সাজিয়েছে বৈচিত্র্যময় পোশাক।

বসন্ত উপলক্ষে কটন, কাতান, হাফসিল্ক ও সুতি শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে অঞ্জন’স-এ। এসব শাড়িতে আছে হ্যান্ড পেইন্ট, হাতে সুতার কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও ব্লক প্রিন্ট। দাম শুরু ২ হাজার টাকা থেকে। শুধু বসন্ত উপলক্ষে হাতে সুতার কাজ করা বলাকা সিল্ক শাড়ি নিয়ে এসেছে অঞ্জন’স। সর্বোচ্চ দাম ১৮ হাজার ২০৫ টাকা।

এ ছাড়া ২ হাজার ৬০০ থেকে শুরু করে ৭ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে থ্রিপিস। হ্যান্ড পেইন্টের টপসের দাম ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা।

মেয়েশিশুদের জন্য রয়েছে ৮৩০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা দামের টপস। অঞ্জন’স-এ ১ হাজার ২৫০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড়দের পাঞ্জাবি।

বসন্তের ছোঁয়া নিয়ে নানা ধরনের শাড়ি এনেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

অঞ্জন’স-এর বসুন্ধরা সিটি আউটলেটের ম্যানেজার গৌতম মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বসন্তটাকে ধরে আমরা কাজ বেশি করেছি। আমাদের অন্য শোরুমে একটু কম হলেও এখানে বিক্রি মোটামুটি ভালো চলছে।’

শুধু তাঁতের শাড়িতে বসন্তকে সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউস ‘দেশাল’। ব্লকের কাজ করা এসব শাড়ির সর্বোচ্চ দাম ১ হাজার ২০০ টাকা। হ্যান্ড পেইন্ট ও হাতে সুতার কাজ করা তাঁতের শাড়িও রয়েছে দেশালে।

তাদের বসন্তের কামিজ সাড়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি চলছে।

অন্য বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কিছুটা কম বলে জানালেন বসুন্ধরা সিটির দেশাল ব্যবস্থাপক আশফাক আহমেদ। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবার মানুষ কোনো উৎসব পালন করতে পারবে কি না জানি না। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা বেশি কিছু করিনি, শুধু শাড়িই বেশি রেখেছি।’

প্রতিটি শোরুমেই শোভা পাচ্ছে বসন্তের পোশাক। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

ফ্যাশন হাউস ‘বাংলার মেলা’ ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এনেছে বিশেষ শাড়ি ও পাঞ্জাবি। এখানকার হাফ সিল্কের শাড়িতে রয়েছে হাতে সুতার কাজ ও ব্লক প্রিন্ট। ১ হাজার ৬৫০ থেকে ৪ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে শাড়িগুলো। আর হ্যান্ড প্রিন্ট ও ব্লকের কাজ করা পাঞ্জাবি ৯৫০ থেকে ৪ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ফ্যাশন হাউস ‘বাংলার মেলা’র বসুন্ধরা সিটি শোরুমের ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম জানান, করোনার কারণে এবার তারা বেশি কিছু করেননি। শুধু শাড়ি-পাঞ্জাবিতেই বসন্তকে সাজিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

রোস্টিং ভিডিও বানানো আমার জন্য কষ্টের কাজ: এনায়েত

রোস্টিং ভিডিও বানানো আমার জন্য কষ্টের কাজ: এনায়েত

‘কনটেন্ট ক্রিয়েশন আমার জন্য খুবই নতুন একটি ব্যাপার। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের নিয়ে কাজ করতে পারার অভিজ্ঞতা জীবনের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে’- নিউজবাংলা গপসপে এসে জানান এনায়েত চৌধুরী।

ব্যাখামূলক ভিডিও তৈরি করার কাজ করে থাকেন এনায়েত চৌধুরী। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় আজকের জনপ্রিয়তার বাজারে এ ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েশন কখনও ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছে কিনা। উত্তরে এনায়েত বলেন, ‘একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর যখন কনটেন্টটা তৈরি করে, সেটা তার লাইফস্টাইলের কাছাকাছি হতে হয়। আমি যখন শুরু করি তখন আমার মাথায় আসে, আমি কি নিয়ে কনটেন্ট বানালে আমার লাইফস্টাইলের সঙ্গে মিলবে।’

‘আমি প্রতিনিয়ত যা দেখি, তা নিয়েই কথা বলার চেষ্টা করি। যেমন, আমি মার্কিন নির্বাচনের সময় জো বাইডেন এবং ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে যা হচ্ছিল তা আমি প্রতিনিয়ত খেয়াল করছিলাম। আমি যদি কনটেন্ট ক্রিয়েটর না হতাম তাও কিন্তু আমি সেটা করতাম। পরে সেটা নিয়ে হয়তো ফেসবুকে একটা পোস্ট লিখতাম। তা না করে এখন একটা ভিডিও বানিয়ে ফেলি।’

ব্যাখামূলক ভিডিও এর আগে কেউ বাংলাদেশে বানানোর চেষ্টা করেনি- এটা এনায়েতের মৌলিক চিন্তা ছিল।

তিনি বলেন, ‘আমি এমন কিছু করতে যাব না যেটা ইতিমধ্যে হয়ে গেছে। মানুষ দেখে অভ্যস্ত না এমন কিছু আমাকে বানাতে হবে। সেখান থেকেই এই ভিন্ন জায়গাটা বেছে নেয়া।’


এনায়েত তার ভিডিওতে যে কথাই বলেন না কেন, তার পেছনের তথ্য প্রমাণ হাতে নিয়েই বলেন। ফলে প্রতি সপ্তাহে কনটেন্ট দেয়াটা তার কাছে চাপ মনে হয় কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমি একজন গবেষক। আমাকে প্রতিনিয়ত গবেষণাপত্র প্রকাশ করতে হয়। সেখানে আমি একটা লাইন লিখলেও তার পিছনে সঠিক তথ্যের প্রমাণ থাকতে হয়। ফলে ভিডিওর ক্ষেত্রেও আমার একই জিনিস মনে হয়। আমি যেই তথ্যটা দেব, তা যেন প্রমাণিত হয়। যেন মানুষ সঠিক জিনিসটাই শুধু জানতে পারে।’

রোস্টিং ভিডিও বানানো এনায়েতের জন্য কষ্টের কাজ বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য বরং রোস্টিং ভিডিও বানানো কষ্টের কাজ হবে। আমি একবার বৈজ্ঞানিক রোস্টিং ভিডিও বানানোর চেষ্টা করেছিলাম। পরে দেখলাম ওটা বানানো আমার জন্য বেশ কঠিন।’

শেয়ার করুন

মনের নোঙর পড়ে থাকে সারেঙ বাড়ির ঘরে

মনের নোঙর পড়ে থাকে সারেঙ বাড়ির ঘরে

‘একটু ভালো করে বাঁচবো বলে আর একটু বেশি রোজগার, ছাড়লাম ঘর আমি ছাড়লাম ভালবাসা আমার নীলচে পাহাড়...’

বিয়ের পর তিথির চার জন্মদিনের চারটাতেই আমি দেশের বাইরে! প্রথম জন্মদিনে ছিলাম অস্ট্রেলিয়ায়, দ্বিতীয় জন্মদিনে সিংগাপুরের ক্লেমেন্টি, তৃতীয় জন্মদিনে প্যাসিফিক ওশান আর এবার আছি সিংগাপুর থেকে ইন্দোনেশিয়া যাবার অপেক্ষায়।

বেশ কিছুদিন আগে মেরিনারদের বিয়ে কেন, করলে কী কী সুবিধা ইত্যাদি লেখা একটা পোস্ট দেখেছিলাম। আমি নিশ্চিত নই কতজন মেরিনারের জীবনসঙ্গী বিয়ের আগ থেকেই একা হাতে নিজেকে, সমস্ত পরিবারকে আগলে রাখা লাগবে বিষয়টি পুরোপুরি জেনে-বুঝে একজন মেরিনারকে বিয়ে করে। একটু আধটু জানলেও বাস্তবতা কতটা উপলব্ধি করতে পেরেছিল বিয়ের আগে সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ।

প্রথমদিকে আমি আর তিথি অনেক ফ্যান্টাসিতে ভুগেছি। মনে হয়েছে জাহাজে মাত্র ৬/৭ মাসেরই তো ব্যাপার। আবার আমি সিনিয়র র‍্যাংকে গেলে তিথিকে নিয়েও সেইল করতে পারব ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে এখন মনে হয় মেরিনারদের জীবন যাপন নিয়ে একটু বেশিই স্বপ্নালু ছিলাম তখন। তিথিও বিয়ের আগে যতটা স্মুদলি সবকিছু একা হাতে হ্যান্ডেল করতে পারবে ভেবেছিল, বাস্তবে তার ব্যতিক্রমই বেশি দেখতে পাচ্ছে।

জাহাজে থাকা অবস্থায় শুধু আর্থিক সাপোর্ট ছাড়া আর কোনো সাপোর্ট আমরা আমাদের স্ত্রী বা পরিবারকে দিতে পারি না। বর্তমানে জুনিয়র র‍্যাংকে সেই আর্থিক সাপোর্ট দেয়ার সুযোগও অপ্রতুল।

আর্থিক সাপোর্ট অবশ্যই একটা বড় ইস্যু কিন্তু সব কিছু নয়- এটি বেশিরভাগ মেরিনারদের জীবনসঙ্গী কিছুদিন সংসার করার পর বুঝতে পারেন, শুরুতে নয়।

একজন মেরিনারকে বিয়ে করা হয়ত সহজ, কিন্তু আমাদের লাইফস্টাইলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে পুরো জীবন কাটিয়ে দেয়া মোটেই সহজ ব্যাপার নয়। মেরিনারদের বিয়ে করতে হলে অবশ্যই একজন মেয়েকে 'বিশেষ' এবং ‘অসাধারণ’ হতে হবে। ঢালাওভাবে যে কেউ আমাদের লাইফস্টাইলের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবে না। তাই কেউ যদি মানসিকভাবে তেমনটা শক্ত না হন তাহলে তার জন্য মেরিনার কাউকে বিয়ে না করাই সমীচীন বলে মনে করি।

আজকে তাজমীন (আমার সন্তান) বা আমাদের পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তিথিকেই একা একা সব সামলাতে হবে। একটু সান্ত্বনা বা আমার বুকে মাথা রেখে নিজেকে শক্ত রাখার সুযোগও ওর নেই।

আমার জাহাজে ইন্টারনেট থাকার কল্যাণে হয়ত নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে পারব (সব জাহাজে সেই সুবিধাও নেই) কিন্তু সেটাই কি সব? টাকাও হয়ত প্রয়োজনের দ্বিগুণ দিলাম, কিন্তু বিপদের সময় স্বামীকে পাশে না পাওয়ার যে অপূর্ণতা, যে আক্ষেপ সেটা কী দিয়ে মিটাবে? আমি যতই দামি দামি গিফট-কসমেটিকস-চকলেটস নিয়ে দেশে যাই না কেন সেটা ওর কষ্ট-আফসোস আর আক্ষেপের তুলনায় নিতান্তই তুচ্ছ।

মেরিনাররা যেমন ‘জাহাজি’ ট্যাগ লাগানোর পর থেকেই নিজেরা দেশের প্রায় সবকিছু থেকেই বঞ্চিত হয় তেমনি তাদের স্ত্রী-সন্তানেরাও। নদীর এপার-ওপার দুই পাড়েই একটা হাহাকার-দীর্ঘশ্বাস থাকে সবসময়।

আমি তাজমীনকে কাছে না পেয়ে ধড়ফড়াইয়া মরি, ওদিকে ফোনে তাজমীন ‘বাবা, প্লিজ কাম হেয়ার, দাদা রুম’ বলে আমাকে ডাকে। ঈদের দিন বা অন্য যে কোনো বিশেষ দিনে আমি একা একা জাহাজে ডিউটি করি, ওদিকে ওরাও বাবা-স্বামীছাড়া!

আমি দেশে না থাকায় আমার বা তিথির প্রিয়জনদের বিয়েসহ অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন মিস্ করি তেমনি ওরাও আমাকে ছাড়া একা একা গিয়ে কোন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারে না পুরোপুরি। যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে যেখানে বাকিদের সবাই বাবা-স্বামীর হাত ধরে উপস্থিত হয় তাজমীন-তিথি সেখানে একা, সঙ্গী-সাপোর্টহীন।

এতকিছুর পরেও আমাদের জীবনসঙ্গীরা আমাদের বা আমাদের পরিবারকে কখনো ফেলে যায় না। হয়ত কখনও কখনও আক্ষেপের ঝুড়ি খুলে বসে, অপ্রাপ্তি বা না পাবার কষ্টগুলো মুখ ফুটে বলে ফেলে কিন্তু দিনশেষে আমরা একই জাহাজে আমাদের জীবন-সমুদ্র পাড়ি দেই। কখনও বিক্ষুব্ধ জলরাশি বা পাহাড়সম ঢেউ এসে ভেঙে দিতে চায়, ডুবিয়ে দিয়ে চায় ভালবাসার সে জাহাজ, কিন্তু আমরা শক্ত করে দুজন দুজনার হাত ধরে বসে থাকি একটা দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে, হয়ত একসঙ্গে ভাসবো বা একসঙ্গে ডুববো, কিন্তু কখনও বিচ্ছিন্ন হব না....

আজকে আমার জীবন-তরীর ক্যাপ্টেনের জন্মদিন, যে কিনা সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে জীবন-সমুদ্রে আমাকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে...

জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা রইলো তিথি। আল্লাহ তোমার সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করুন। জানি না তোমার ঠিক কততম জন্মদিনে আমি দেশে থাকতে পারব, আর কত জন্মদিন এভাবে দূর থেকেই উইশ করে যাব। কে জানে কবে তোমার জন্মদিনের কেক সামনে রেখে তাজমীনকে কোলে নিয়ে গাইতে পারব-

‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ, হ্যাপি বার্থডে টু ইউ, হ্যাপি বার্থডে টু ইউ ডিয়ার তিথি। হ্যাপি বার্থডে টু ইউ....’

লেখক: এক্স-ক্যাডেট, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (৪৭তম ব্যাচ)

শেয়ার করুন

ওয়েস্টার্ন জিনিসে আমার আগ্রহ বেশি: রাজ ব্রো

ওয়েস্টার্ন জিনিসে আমার আগ্রহ বেশি: রাজ ব্রো

২০২০ সাল সবার জন্যে খারাপ গেলেও রাজ ব্রোর জন্যে নয়। বছরটি তার জন্যে ছিল দর্শকের কাছে পৌঁছানোর বছর। ২০২১ সালও যেন এমনই ভালো যায় সেই প্রত্যাশার কথা জানান ‘রাজ ব্রো’ পেজের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাজ্জাদ হাসান রাজ।

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের স্যোশাল মিডিয়া লাইভ শো নিউজবাংলা গপসপে এসে রাজ বলেন, ‘আমি নিজেকে নিয়ে থাকতে পছন্দ করি। যখন আমি শুধু কনটেন্ট বানাতাম, তখন আমার খুবই ভালো লাগত। এখনও লাগে। তবে এখন একটি নাটকের সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত। এনটিভিতে প্রচারিত হবে।

‘বছরের শুরুতে আমার ব্যস্ততা চলছিল এটি নিয়ে। তবে এখন সেটা কমেছে। আবার কনটেন্ট ক্রিয়েশনে পুরো মনোযোগ দিব।’

অনলাইন শিক্ষকের অভিনয় করে নিজের ভিডিওকে অনেক জনপ্রিয় করে ফেলেছিলেন রাজ। এই ভিডিও সিরিজটির পিছনের গল্প নিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনার শুরুতে আমাদের মাথা কাজ করা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ এর আগে যেটা হতো, কনটেন্ট বানানোর জন্য আমাদের তো বাইরে বের হতে হবেই। করোনার মধ্যে তো সেটা হওয়ার কোনো উপায় ছিল না।

‘চিন্তা করতে থাকলাম ঘরে বসে কী করা যায়। সেখান থেকে ভাবলাম অনলাইন ক্লাস নিয়ে যদি কিছু করা যায়। কিন্তু এর মধ্যে ঝামেলার কথা মাথায় আসলো যে শিক্ষকের অভিনয় যে করবে, তার বয়স তো একটু বেশি হওয়া দরকার। কিন্তু আমাদের বন্ধুদের মধ্যে তো এমন কেউ নেই। পরে আমি নিজেই বয়স্ক শিক্ষকের লুক নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।’

রাজ আরও বলেন, ‘এই সিরিজের প্রথম ভিডিও করার পর প্রথম দুই দিনের এক মিলিয়নের উপর মানুষ দেখে। যেটা আমাদের চিন্তার বাইরে ছিল। পরের কমেন্টে প্রচুর মানুষ এ সিরিজের আরও ভিডিও দেখতে চায়। তারপর আমরা একের পর এক ভিডিও করা শুরু করলাম।’

জনপ্রিয় হওয়ার আগে যখন কনটেন্ট তৈরি করতেন তখন আসলে তার নিজেকে নিয়ে কী মনে হতো। এ প্রশ্নের জবাবে রাজ বলেন, ‘কনটেন্ট বানাতে গিয়ে আমি দেখি যে আমি আসলে অভিনয় পারি। এর আগে আমি জানতাম আমি মোটরবাইক নিয়ে অনেক কিছু জানি। বাস্কেটবল ফ্রি স্টাইল নিয়ে আমার অনেক আগ্রহ ছিল। আমি ভুলেও জানতাম না যে আমাকে দিয়ে অভিনয় হবে কখনও।’

নিজের ভালো লাগার জায়গা নিয়ে রাজ বলেন, ‘আমার আসলে ওয়েস্টার্ন জিনিসের উপর আগ্রহ বেশি। এই যে টিচারের অভিনয় করি, সেটা শুধুই মানুষকে বিনোদন দেয়ার জন্য। একসময় আমি শুধু নিজের পছন্দের কাজগুলোই করতে চাই।’

নাটকে অভিনয় করা নিয়ে রাজ বলেন, ‘আমি নিজে কখনও নাটক দেখতাম না। মানুষের টেলিভিশনে নাটক দেখা কমে গেছে। আমি এখন নাটকে অভিনয় করছি অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করার জন্য। আমার মূল ভালোবাসার জায়গা আমার কনটেন্ট ক্রিয়েশন। আমি এখান থেকে কখনও সরে যাব না।’

শেয়ার করুন

গান নিয়ে স্বপ্ন অনেক বড়: পুষ্পিতা

গান নিয়ে স্বপ্ন অনেক বড়: পুষ্পিতা

চ্যানেল আই ক্ষুদে গানরাজ চ্যাম্পিয়ন নুজহাত সাবিহা পুষ্পিতা। এখন ব্যস্ত টিভি অনুষ্ঠান নিয়ে। ঢাকা সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা।

গান গাওয়া শুরুটা কীভাবে হলো?

ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। মা গান করতেন। বাবা সাংবাদিকতার পাশাপাশি আবৃত্তি ও উপস্থাপনায় জড়িত ছিলেন। মূলত একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশের মধ্য দিয়েই বড় হয়েছি। মাকে দেখতাম কিংবদন্তি শিল্পীদের গান শুনতে। সেখান থেকেই উৎসাহটা এসেছে। এভাবেই গানের প্রতি ভালোবাসা জন্মে।

এরপরে তো ক্ষুদে গানরাজে এলে। সেখানকার কোনো স্মৃতিময় ঘটনা বলো।

ক্যাম্পে থাকার সময় বিভিন্ন এক্সারসাইজ করানো হতো। এক্সারসাইজ করাতে করাতেই একটি নাচ শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল। হুট করে একদিন শুটিংয়ে ইজাজ খান স্বপন স্যার বললেন, সেই নাচটি পারফর্ম করতে। আমরা সব পার্টিসিপ্যান্টরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ আমরা সংগীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী নই। সেই এপিসোডে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ভাইয়া। আরও ছিলেন সংগীতশিল্পী কণা আপু। তবে ভয় পেলেও শেষ পর্যন্ত আমরা দারুণ নেচেছি। আমার নাচ দেখে সেটে উপস্থিত সবাই মজা পেয়েছিল।

গানের পাশাপাশি আর কী করো?

গানের পাশাপাশি গল্পের বই পড়তে ভালো লাগে। উপস্থাপনাও করি মাঝে মাঝে। উপস্থাপনাটা নিয়মিত চালিয়ে যেতে চাই।

প্রিয় সংগীতশিল্পী কে?

প্রিয় শিল্পীর তালিকা আসলে অনেক বড়। কারণ একেক শিল্পীর স্টাইল একেক রকম। আমি তাদের সবার থেকেই কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি। তারপরও প্রিয় শিল্পীদের মধ্যে প্রথম স্থানে আছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা ম্যাম। ভারতের শ্রেয়া ঘোষাল দিকেও পছন্দ করি।

প্রিয় গান কোনটি?

এটা বলা একদমই সম্ভব না। আমার অসংখ্য প্রিয় প্রিয় গান আছে।

আলাদিনের চেরাগ পেলে কী চাইবে?

সে তো আমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করবে, তাই না? সে ক্ষেত্রে প্রথমেই চাইব আমার কণ্ঠ যেন আরও সুরেলা হয়ে যায়। পৃথিবীর সব ধরনের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট চাইব। সবশেষে বলব পুরো পৃথিবী ভ্রমণ করাতে।

বন্ধুরা কী নামে ডাকে?

কেউ পুষ্পি বলে, কেউ পুষ্পিতা। তবে ক্লোজ ফ্রেন্ডরা পোপো ডাকে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

গান নিয়ে আমার স্বপ্ন অনেক বড়। তবে সবার আগে একজন ভালো মানুষ হতে চাই। দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। সঙ্গে অনেক বড় শিল্পী হতে চাই। এমন কিছু গান করতে চাই, যে গানগুলো মানুষের হৃদয় ছুঁতে পারবে। সফল মিউজিক কম্পোজার হওয়ার ইচ্ছাও আছে।

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg