বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

কয়েক বছর ধরে টিকটক ব্যবহারকারী কিছু তরুণের মধ্যে বিপজ্জনক ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। চলতি বছর তেমন ট্রেন্ডে যুক্তরাষ্ট্রেই তিন শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া বিষয়টিকে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ। যেখানে অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত দম বন্ধ করে রাখতে হয় চ্যালেঞ্জগ্রহণকারীদের।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক ওই বালককে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ধারণা করছে, ওই বালক ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েই মারা গেছে।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বেথানি পুলিশের কর্মকর্তা অ্যাঞ্জেলো ওরিফিস বলেন, ‘এটা এমন একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে শিশুরা দম বন্ধ করে রেখে অজ্ঞান হয়ে যেতে থাকে। একটা পর্যায় পর তারা আবার শ্বাস নিতে শুরু করে, এতে যে অনুভূতি হয়, তাতে তারা প্রচণ্ডরকম আনন্দ পায়।’

ভাইস ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ট্রেন্ডে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ওকলাহোমায় ওই এক বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এটা প্রথম নয়। গত জুনে মেমফিসের ৯ বছরের এক শিশুও মারা যায়। তার পরিবার জানায়, সেও একই চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল। তারা তাদের শিশুকে ঘরের মধ্যে নিথর অবস্থায় পায়। তার গলায় বেল্ট বাঁধা ছিল।

তার আগে মার্চে কলোরাডো রাজ্যে ১২ বছর বসয়ী যমজ দুই ভাই একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জটি নিতে গিয়ে মারা যায়। তাদের নিথর দেহ পাওয়া যায় ফ্ল্যাটের বাথরুমে। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ১৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায় তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে চ্যালেঞ্জ নিতে গিয়ে মারা যায় এক মেয়ে। এরপর ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য দেশটিতে যেন টিকটক ব্যবহার করতে না দেয়া হয় সেই দাবি ওঠে।

বেথনি পুলিশ বলছে, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেয়া লকডাউনে শিশুরা বাইরে বের হতে পারছে না। এতে তারা বিরক্ত হচ্ছে। সেই জায়গা দখল করেছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মাধ্যমগুলো তাদের প্রভাবিত করছে বেশি। বিষয়টি নিয়ে বাবা-মাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।’

বিষয়টি নিয়ে টিকটকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মাধ্যমটি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ আসলে নতুন কিছু নয়। বিপজ্জনক এই চ্যালেঞ্জটি বিভিন্ন নামে পরিচিতি পেয়ে এসেছে অনেক বছর আগে থেকেই; ‘দমবন্ধ খেলা’, ‘ফ্ল্যাটলাইনার’, ‘ক্যালিফোর্নিয়া হাই’ নামেও পরিচিত এটি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংস্থা জিএএসপি ২০০৫ সালে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার সময় এর অস্বাভাবিক অস্তিত্ব খুঁজে পায়। অবশ্য এটি ১৯৩০ দশক থেকেই চলে আসছে বলে তাদের দাবি।

দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র ২০১০ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৮২ শিশু ও কিশোর মারা গেছে যাদের বয়স ৬ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে।

গত কয়েক বছর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি ব্ল্যাকআউট।

২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ফায়ার চ্যালেঞ্জ নামে একটি ট্রেন্ড হয়। যেখানে তরল জ্বালানি গায়ে মেখে আগুন ধরিয়ে দিয়ে তা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অনেক শিশু-কিশোর আহত হয়।

সে বছরই টাইপড চ্যালেঞ্জ নামে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ট্রেন্ড হয়। যেখানে লন্ড্রির ডিটারজেন্ট কামড়ে খাওয়া হয়। সে চ্যালেঞ্জে শুধু শিশু বা কিশোর নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিও বিষক্রিয়ার শিকার হন।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইন্টারনেটে ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ

ইন্টারনেটে ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ

প্রতীকী ছবি

ইন্টারনেট স্বাধীনতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে দেশ বিবেচিত হয়েছে চীন। সব মিলিয়ে ১০ স্কোরের দেশটি ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতায় ৯ ধরনের হস্তক্ষেপ করেছে। সবচেয়ে ‘স্বাধীন’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ইউরোপের ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ড, যার স্কোর ৯৬।

বিশ্বজুড়ে গত ১০ বছরের মতো ২০২১ সালেও ব্যাপকভাবে খর্ব হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা। এ বছর সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে মিয়ানমার, বেলারুশ ও উগান্ডায়।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ‘পার্টলি ফ্রি’ বা ‘আংশিক স্বাধীন’। আগের দুই বছরের চেয়ে দেশে এবার ইন্টারনেটে নিয়ন্ত্রণ আরোপের ক্ষেত্র বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক অলাভজনক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ফ্রিডম হাউসের প্রকাশ করা ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট’ শিরোনামের প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয় মঙ্গলবার।

কী আছে প্রতিবেদনে

প্রতিবেদনের সারাংশে ছয়টি বিষয় তুলে ধরেছে ফ্রিডম হাউস। এতে বলা হয়, টানা ১১ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা কমছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে মিয়ানমার, বেলারুশ ও উগান্ডায়। মিয়ানমারের স্কোর কমেছে ১৪ পয়েন্ট, যা ‘ফ্রিডম অব দ্য নেট’ প্রকল্প চালু হওয়ার পর একক কোনো দেশের সর্বনিম্ন অবনমন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার। গত এক বছরে অন্তত ৪৮টি দেশ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর কনটেন্ট, ডেটা বিষয়ে নতুন আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন মত প্রকাশ রুদ্ধ করে দেয়া ও ব্যক্তিগত ডেটায় প্রবেশ বাড়ানো।

এতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে সম্প্রতি অনলাইনে স্বাধীন মতপ্রকাশ নজিরবিহীন চাপে আছে। অহিংস রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ধর্মীয় বক্তব্যের জন্য দেশে দেশে ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তারের মাত্রা বেড়েছে। অন্তত ২০টি দেশ ইন্টারনেটে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে, ২১টি দেশে বন্ধ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অন্তত ৪৫টি দেশের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বেসরকারি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে স্পাইওয়্যার বা ডেটা সংগ্রহের প্রযুক্তি কেনার অভিযোগ উঠেছে।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি

‘ফ্রিডম অব দ্য নেট’ (এফওটিএন) প্রতিবেদনে টানা সপ্তম বছরের মতো ইন্টারনেট স্বাধীনতা দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে দেশ বিবেচিত হয়েছে চীন। দেশটি ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতায় ৯ ধরনের হস্তক্ষেপ করেছে। তাদের স্কোর ১০। প্রতিবেদনে চীনকে ‘নট ফ্রি’ (স্বাধীন নয়) ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

ইন্টারনেটে সবচেয়ে কম স্বাধীনতার দিক থেকে চীনের পরের অবস্থান ইরানের। দেশটির স্কোর ১৬। তারা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর আট ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ইরানকেও রাখা হয়েছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে।

অনলাইনে স্বাধীনতায় নিচের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছে সামরিক অভ্যুত্থান হওয়া দেশ মিয়ানমার। ৯টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটির স্কোর ১৭। দেশটি আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে স্বাধীন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ইউরোপের ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ড, যার স্কোর ৯৬। ‘ফ্রি’ বা মুক্ত ক্যাটাগরির দেশটি কোনোভাবেই ব্যবহারকারীদের বাধার মুখে ফেলছে না।

মুক্ত ইন্টারনেটের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ইউরোপের আরেক দেশ এস্তোনিয়া, যার স্কোর ৯৪। ফ্রি ক্যাটাগরির এ দেশটিও ব্যবহারকারীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেনি।

অনলাইন ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতার দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। মুক্ত ক্যাটাগরির দেশটির স্কোর ৮৭।

বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আছে ফ্রি ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ৭৫। তবে টানা পঞ্চম বছরের মতো স্কোর কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের। ভুয়া, বিভ্রান্তিকর ও কারসাজি করা তথ্যে সয়লাব হয়েছে অনলাইন। অবস্থা এমন পর্যায়ে গেছে যে, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

আরেক বৈশ্বিক পরাশক্তি যুক্তরাজ্যের অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ভালো। ফ্রি ক্যাটাগরির দেশটির স্কোর ৭৮। আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া ৩০ স্কোর নিয়ে আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটি সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের স্কোর ২২। নট ফ্রি ক্যাটাগরির দেশটি পাঁচটি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে।

ছয়টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ২৪।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা মধ্যপ্রাচ্যের আরেক প্রভাবশালী দেশ তুরস্ক আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ৩৪।

আফ্রিকার দেশ উগান্ডা আছে ‘আংশিক মুক্ত’ ক্যাটাগরিতে। সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটির স্কোর ৪৯।

বাংলাদেশের অবস্থান

৭০টি দেশের তালিকায় ‘পার্টলি ফ্রি’ বা আংশিক মুক্ত ক্যাটাগরিতে আছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪০ স্কোর পাওয়া বাংলাদেশ ৯টির মধ্যে সাতটি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম ব্লক করা; রাজনৈতিক, সামাজিক বা ধর্মীয় কনটেন্ট ব্লক করা; ইচ্ছাকৃতভাবে আইসিটি নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করা; অনলাইন আলোচনায় সরকারপন্থি ভাষ্যকারদের প্রভাব; রাজনৈতিক বা সামাজিক কনটেন্টের জন্য ব্লগার বা আইসিটি ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তার, কারারুদ্ধ কিংবা দীর্ঘ সময় কারাবন্দি রাখা; ব্লগার কিংবা আইসিটি ব্যবহারকারীদের শারীরিক হামলার শিকার হওয়া কিংবা নিহত হওয়া (এর মধ্যে কারা হেফাজতে মৃত্যুও রয়েছে) এবং সরকারের সমালোচনাকারী কিংবা মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ওপর কৌশলগত হামলা।

এ বছর বাংলাদেশ সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে দক্ষিণ নিয়ন্ত্রণ ছিল ছয়টি ক্ষেত্রে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর কী অবস্থা

তালিকায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশ রয়েছে। অন্য তিন দেশ হলো, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। প্রতিবেদনে ৫১ স্কোর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। চারটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটিতে ব্যবহারকারীরা ‘আংশিক স্বাধীন’।

এর পরের অবস্থানে থাকা ভারতের স্কোর ৪৯। আটটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ‘আংশিক স্বাধীন’।

আর সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা পাকিস্তানকে রাখা হয়েছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ২৫।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ফেসবুক লাইভে গাঁজা সেবন: যুবককে খুঁজছে পুলিশ

ফেসবুক লাইভে গাঁজা সেবন: যুবককে খুঁজছে পুলিশ

দিনাজপুর কোতয়ালি থানার পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি লাইভ পুলিশের নজরে এসেছে। “Saddam K” নামের যে আইডি থেকে লাইভ করা হয়েছে, সেই আইডির মালিককে খোঁজা হচ্ছে।

দিনাজপুর শহরের রামনগরে ফেসবুকে লাইভে এসে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে গাঁজা সেবন করানোর অভিযোগে এক যুবককে খুঁজছে পুলিশ।

দিনাজপুর কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি লাইভ পুলিশের নজরে এসেছে। “Saddam K” নামের আইডি থেকে এক যুবক লাইভে এসে এক ব্যক্তিকে গাঁজা সেবনে সাহায্য করছেন। ফেসবুক আইডিটি যার, তাকে খোঁজা হচ্ছে।

লাইভের ওই মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে শহরের রামনগর এলাকায় প্রায়ই দেখা যায় বলে জানান ওই এলাকার একটি দোকানের মালিক আব্দুর রশিদ। ভিডিওটিও ওই এলাকার বলে তিনি জানান।

রশিদের দাবি, ওই লাইভের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। ঘটনাটি দুই দিন আগের। সাদ্দাম নামের এলাকার এক যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন লোকটিকে ধরে এনে গাঁজা খেতে দিয়েছিলেন।

তবে সাদ্দামের বিস্তারিত পরিচয় জানা নেই বলে জানান রশিদ।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

তালাক হওয়া বাবা-মায়ের সন্তান থাকবে কার জিম্মায়?

তালাক হওয়া বাবা-মায়ের সন্তান থাকবে কার জিম্মায়?

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: তালাক হওয়া বাবা-মায়ের সন্তান থাকবে কার জিম্মায়?’। প্রচার হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/ NewsBangla24.Official এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ ‘কর্মক্ষেত্রে হয়রানি রোধে আইনের প্রয়োগ’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ ‘কর্মক্ষেত্রে হয়রানি রোধে আইনের প্রয়োগ’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: কর্মক্ষেত্রে হয়রানি রোধে আইনের প্রয়োগ’। প্রচার হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও আমেরিকান-বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট এক্সিলেন্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ফাউন্ডার কাজী রাকিবউদ্দীন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/NewsBangla24.Official এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

শিখর-আয়েশার বিচ্ছেদ

শিখর-আয়েশার বিচ্ছেদ

ভারতীয় ক্রিকেট তারকা শিখর ধাওয়ান ও বক্সার আয়েশা মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানিয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে মঙ্গলবার একটি পোস্ট দেন আয়েশা মুখোপাধ্যায়। একটি বড়সড় পোস্টে তার দ্বিতীয় বিচ্ছেদের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তিনি।

আট বছরের সংসারজীবনের ইতি টেনেছেন ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা শিখর ধাওয়ান ও বক্সার আয়েশা মুখোপাধ্যায়।

সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মঙ্গলবার বিচ্ছেদের কথা জানান আয়েশা মুখোপাধ্যায়। একটি বড়সড় পোস্টে তার দ্বিতীয়বারের মতো বিচ্ছেদের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ২০০৯ সালে তাদের বাগদান হলে তার তিন বছর পর ২০১২ সালে বিয়ে করেন শিখর ধাওয়ান-আয়েশা মুখোপাধ্যায়। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। যার বয়স এখন সাত বছর।

আয়েশা অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে থাকেন। তিনি একজন অপেশাদার বক্সার। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছিলেন। সে পক্ষের দুই মেয়ে রয়েছে। যার দায়িত্ব নিয়েছিলেন শিখর ধাওয়ান।

যদিও এখন পর্যন্ত বিচ্ছেদ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য বা বিবৃতি দেননি আয়েশা কিংবা শিখর ধাওয়ান।

শিখরের সঙ্গে আয়েশার সম্পর্ক বেশ কিছুদিন থেকেই খারাপ যাচ্ছিল। শোনা যাচ্ছিল, তারা একে অপরকে ইনস্টাগ্রাম থেকে আনফলোও করেছিলেন। শুধু তাই নয়, নিজের নিউজফিড থেকে শিখরের সব ধরনের ছবিও সরিয়ে ফেলেন আয়েশা।

সামনেই আইপিএল ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ঠিক তার আগে আগেই এমন খবরে কতটা প্রস্তুতি নিতে পারবেন শিখর ধাওয়ান তা দেখার অপেক্ষায়।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মুসলিম আইনে তালাক’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মুসলিম আইনে তালাক’

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: মুসলিম আইনে তালাক’।

অনুষ্ঠানটি প্রচার করা হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, ‘আইন জানা নাগরিকের একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী শব্দগুলো নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

‘নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।’

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’; দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় ভুক্তভোগীরা এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘মশা যাক, মানুষ থাক’

‘মশা যাক, মানুষ থাক’

২০২১ সালের ২৭ মার্চ তরুণদের সমন্বয়ে সাইক্লিস্ট সোসাইটি যাত্রা শুরু করে। এটি  স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। বর্তমানে এই সংগঠনে শতাধিক সদস্য রয়েছেন।

ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনা তৈরিতে ‘মশা যাক, মানুষ থাক’ স্লোগানে বরগুনায় সাইকেল র‌্যালি করেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনা পৌর শহরে সাইক্লিস্ট সোসাইটি এ র‍্যালির আয়োজন করে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালি শুরু হয়ে শহরের অগ্নিঝরা একাত্তর, টাউনহল ব্রিজ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রদক্ষিণ শেষে একাডেমির গোল চত্বরে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে সাইক্লিস্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ জানান, ২০২১ সালের ২৭ মার্চ তরুণদের সমন্বয়ে সাইক্লিস্ট সোসাইটি যাত্রা শুরু করে। এটি স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। বর্তমানে এই সংগঠনে শতাধিক সদস্য রয়েছেন।

জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে এ সংগঠন অবদান রাখছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে উপকূলের বেড়িবাঁধ রক্ষায় বাঁধের দুপাশে এক লাখ খেজুরের বীজ রোপন করা হয়েছে।

‘অসহায়দের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে সহায়তা এবং কোভিড-১৯ সচেতনতায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছে সংগঠনের সদস্যরা। এরই ধারবাহিকতায় আমরা আজকে এ কর্মসূচি করেছি।’

আরও পড়ুন:
টিকটককে ছাড়িয়ে যেতে চায় কোয়াই
ভারতে তরুণীকে নির্যাতন: টিকটক হৃদয়ের সহযোগী অনিক কারাগারে
টিকটক হৃদয়ের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ আগস্ট
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী রিমান্ডে
টিকটক হৃদয়ের ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন