বাড়ি থেকে অফিস

বাড়ি থেকে অফিস

বাড়ির পোশাকে অফিসের কাজ করলে তেমন ক্ষতি নেই, তবে মিটিংয়ের সময় বাড়তি সতর্ক হতেই হবে।

করোনার প্রকোপ বাড়ার পর থেকেই আমাদের পেশাজীবনেও এসেছে নানান পরিবর্তন। লকডাউনের কারণে অনেকেই অফিস করছেন ঘরে বসে। অফিস আওয়ার শুরু হতেই ল্যাপটপ নিয়ে বসে পড়ছেন সুবিধাজনক স্থানে। অফিসের খুঁটিনাটি কাজসহ মিটিং, ওয়েব কনফারেন্স সবই চলছে বাড়িতে বসেই।

সবই ঠিক আছে, শুধু সমস্যা হচ্ছে ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে। বাড়ির পোশাকেই অফিসের কাজ করছেন অনেকে। এমনকি ওভাবেই বসে পড়ছেন জুম মিটিংয়ে। বাড়ির রংচটা পোশাক পরে ভিডিও মিটিংয়ে বসা যেমন পেশাদারত্বের পরিচয় নয়, তেমনি খেয়াল রাখতে হবে আচরণের দিকেও।

বাড়ির পোশাকে অফিসের কাজ করলে তেমন ক্ষতি নেই, তবে মিটিংয়ের সময় বাড়তি সতর্ক হতেই হবে। বাড়ির আরামদায়ক পোশাক পাল্টে এমন পোশাক পরতে হবে, যেমনটা পরে আপনি অফিসে যেতেন।

শুধু তা-ই নয়, মিটিংয়ে বসার আগে নিজেকে একটু গুছিয়ে নিতে হবে। মেকআপ না করে শুধু চুলটা আঁচড়ে নিতে পারেন। মুখে ময়শ্চারাইজার মেখে হালকা কমপ্যাক্ট বুলিয়ে নিতে পারেন তার ওপর। ঠোঁটে দিতে পারেন লিপগ্লস।

মিটিংয়ের স্থানটাও কিন্তু সমান গুরুত্বপূর্ণ। মিটিংয়ের জন্য এমন জায়গা বেছে নিতে হবে, যেখানে কেউ আসবে না। চাইলে আগে থেকে পরিবারের সদস্যদের বলে রাখতে পারেন। জায়গাটায় যেন পর্যাপ্ত আলো থাকে।

ব্যাকগ্রাউন্ডের দিকেও সমান নজর দিতে হবে। তাই মিটিংয়ের আগে ব্যাকগ্রাউন্ডটা গুছিয়ে নিন। অপ্রয়োজনীয় ও আজেবাজে জিনিস সরিয়ে ফেলুন। ওয়াইফাইয়ের কানেকশন চেক করে নিন। বিশেষ নিরাপত্তার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগও চালু রাখতে পারেন। তাতে ওয়াইফাই চলে গেলেও আপনি লাইনে থাকবেন।

বাড়ি থেকে অফিস

মিটিং শুরুর অন্তত পাঁচ মিনিট আগে লগইন করে প্রস্তুত থাকুন। সঙ্গে কলম আর নোটবুক রাখুন। মোবাইল ফোন সাইলেন্ট করুন।

যেহেতু ভিডিও মিটিং, সেহেতু এটা চলাকালে দাঁত দিয়ে নখ কাটা অশোভন। খুব প্রয়োজন না পড়লে চেয়ার ছেড়ে উঠে যাওয়াও ঠিক নয়। মিটিংয়ের মাঝখানে খাওয়াদাওয়া করা একেবারেই বারণ। খুব প্রয়োজন হলে পানি পান করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

হিজাবকে বিশ্বের সামনে ভিন্নভাবে তুলে ধরছেন ভারতীয় ডিজাইনার কল্লোল দত্ত। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে কল্লোলকে ‘উসকানিদাতা’, ‘প্রতিবন্ধী শিশু‘ থেকে শুরু করে ফ্যাশনের ‘বিদ্রোহী’ ও ‘লেডি গাগা’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। তবে এসবে পাত্তা দেন না কল্লোল। নিজেকে ‘ডিজাইনারের’ চেয়ে ‘পোশাক প্রস্তুতকারী’ হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

ভারতীয় ডিজাইনার কল্লোল দত্ত তার ফ্যাশনভাবনায় যোগ করেছেন অনন্য বৈচিত্র্য। ভারতে হিজাব বা বোরকা ঘিরে বিদ্বেষমূলক দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জ করে এটিকেই কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে তিনি। কল্লোলের ডিজাইন করা পোশাকে রয়েছে ঢেউয়ের খেলা, স্তরে স্তরে ভাঁজে অনুসৃত হয়েছে হিজাবের বৈশিষ্ট্য।

মধ্যপ্রাচ্যে বড় হওয়া কল্লোল মনে করেন, ধর্মীয় কারণেই একমাত্র পর্দা করা হয় এমনটি ভাবার কারণ নেই। কারণ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর সময়কালের আগেও আরবে পর্দাপ্রথা ছিল।

২০১৯ সালে ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘কারা বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগাচ্ছে, তা তাদের পোশাক দেখে চিহ্নিত করা হবে।’

দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলমানদের প্রতি মোদির ওই উক্তিতে পরিষ্কার, পোশাক শুধু পোশাকই নয়, এটি রাজনীতিরও অংশ।

এ বিষয়ে কল্লোল দত্ত ভাইসকে বলেন, ‘ক্ষমতার শীর্ষে বসা ব্যক্তিরা বিশেষ কোনো সম্প্রদায়কে যখন তাদের পোশাক দিয়ে মূল্যায়ন করেন, তখন ফ্যাশন রাজনৈতিক হয়ে যায়।’

দীর্ঘদিন ধরে ভারতে কল্লোলকে ‘উসকানিদাতা’, ‘প্রতিবন্ধী শিশু‘ থেকে শুরু করে ভারতীয় ফ্যাশনের ‘বিদ্রোহী’ ও ‘লেডি গাগা’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

তবে এসবে পাত্তা দেন না কল্লোল। নিজেকে ‘ডিজাইনারের’ চেয়ে ‘পোশাক প্রস্তুতকারী’ হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

আন্তর্জাতিক জামিল পুরস্কারের জন্য কল্লোলকে সম্প্রতি সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ইসলামি ঐতিহ্যের অনুপ্রেরণায় তৈরি করা সমসাময়িক আর্ট ও ডিজাইনের জন্য এ পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে।

লন্ডনের ভিক্টোরিয়া ও অ্যালবার্ট জাদুঘরে চলছে কল্লোলের ডিজাইন করা পোশাকের প্রদর্শন, সেখানে পুরুষ এক মডেলকেও হিজাব পরতে দেখা গেছে।

তবে ভারতের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন শোর বিষয়ে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। কল্লোল বলেন, ‘আমি সাধারণত ইসলামি ঘরানার পোশাক বেশি পরি। বন্ধুরা সতর্ক করে বলে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আমাকে একবার নয়, দুবার পরীক্ষা করবে। আসলেই তা হয়।’

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

কল্লোল মনে করছেন, ভারতে পোশাক ডিজাইনে ‘জাতীয়তাবাদ’ ভয়ানক ও উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই হাজার বছর আগে মধ্য অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যেও পর্দাপ্রথা ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘অ্যাসিরীয় আইনের ৪০ অনুচ্ছেদে কে পর্দা করবে আর কে করবে না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবাহিত নারী, বিধবা ও অ্যাসিরীয় নারীরা রাস্তায় বের হলে তাদের মাথা অবশ্যই অনাবৃত রাখা যাবে না বলে ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।’

কল্লোলের ফ্যাশন ডিজাইনে স্টাইলিশ হিজাব

পর্দাপ্রথার সঙ্গে একমাত্র ইসলামকে যুক্ত করার মানসিকতাকে তাই ‘অজ্ঞতা’ হিসেবে দেখেন কল্লোল।

তিনি বলেন, ‘অনেক ভারতীয়ই জানেন না, ১৯২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে বসবাসরত নিম্নবর্ণ ও অস্পৃশ্য হিন্দু নারীরা প্রকাশ্যে বুক ঢাকতে চাইলে তাদের স্তন-কর দিতে হতো।

‘এমনকি সাম্প্রতিক সময়েও কোরিয়া ও জাপানে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে পর্দাপ্রথার চল রয়েছে।

‘মুসলিম নারীরাও বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক পরেন। তাদের সবার পোশাক এক নয়, এতে বৈচিত্র্য রয়েছে।‘

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

নিজে কাঁদা আর প্রিয়াকে কাঁদানোর দিন আজ

নিজে কাঁদা আর প্রিয়াকে কাঁদানোর দিন আজ

প্রতীকী ছবি

জীবনের প্রথম প্রেমে সফল হওয়ার নিদর্শন একেবারেই হাতেগোনা। এই প্রেমে প্রাপ্তির চেয়ে বিরহ বেশি, যার রেশ থাকে আজীবন। আজ প্রথম সেই প্রেমকে উদযাপন করার দিন। 

জীবনে প্রেম আসেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সে প্রেম যে কেবল একবারই আসে, তা নয়।

প্রেম জীবনে আসতে পারে অনেকবার, অনেক রূপে। তবে প্রথম প্রেমের অনুভূতির সঙ্গে অন্যগুলোর তুলনা হয় না।

জীবনের প্রথম প্রেমে সফল হওয়ার নিদর্শন অবশ্য একেবারেই হাতেগোনা। তাই প্রথম প্রেমে প্রাপ্তির চেয়ে বিরহ বেশি, যার রেশ থাকে আজীবন।

প্রণব রায়ের লেখা, আর জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে ‘তুমি আজ কত দূরে’ গানে রয়েছে সেই ‘বিরহ-মধুর’ প্রথম প্রেমের মন ছুঁয়ে যাওয়া কথা-

প্রথম প্রেমের এই রীতি হায়

নিজে কাঁদে আর প্রিয়েরে কাঁদায়

দূরে যেতে তাই মন নাহি চায়গো, কাছে কাছে মরে ঘুরে

তুমি আজ কত দূরে?

আজীবন আবেশ ছড়িয়ে রাখা সেই প্রথম প্রেম উদযাপনের দিন আজ।

‘প্রথম প্রেম দিবস’ কীভাবে শুরু হলো তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায় না। বলা হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই শুরু হয় এ দিন উদযাপন।

২০১৫ সাল থেকে প্রতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালন হচ্ছে দিনটি।

প্রথম প্রেম নিয়ে গান-কবিতা কম লেখা হয়নি। অঞ্জন দত্তের রঞ্জনা কিংবা নচিকেতার নীলাঞ্জনার মতো প্রত্যেকের জীবনেই ছাপ রেখেছে প্রথম প্রেম। শুরুর প্রেম এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে, এটিই প্রথম মানুষের মনে বিপরীত লিঙ্গের কারও প্রতি ভালোলাগার অনুভূতির দোলা ছড়িয়ে দেয়।

প্রথম প্রেমের স্মৃতি-বিস্মৃতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সক্রিয় হয়েছেন অনেকেই। নানা শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি প্রথম প্রেমের স্মৃতিচারণও করতে দেখা গেছে তাদের।

ওয়াহিদ হাসান নামের একজন নিজের ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, ‘আজ নাকি প্রথম প্রেম দিবস। আমার প্রথম যে কী ছিল, নিজেই কনফিউজড।’

সোনিয়া আলিম নুর নামে একজন লিখেন, ‘উন্মাদনায় মেতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়বার প্রেম হয়, তবে শেষ প্রেমই জীবনের সব মানে বুঝিয়ে দিয়ে যায়।

‘এরপর আর উন্মাদনায় মাতামাতি হয় না। জীবনের প্রতি ক্ষণে, হৃদয় মন শরীর নিজের ভালো থাকা নিয়ে ভাবে।’

লিমন কবির লিখেন, ‘প্রথম প্রেমের স্মৃতি, ক্যামন করে ভুলি।’

ওমর ফারুক নামের একজন লিখেন, ‘প্রথম প্রেমিকার এখন দুই ছেলে, এক মেয়ে। সুখী সংসার।’

মেহবুবা আফসানা নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেন, ‘প্রথম প্রেম বলতে কিছু নাই। মানুষ যখনই প্রেমে পড়ে, ওইটাই তখন প্রথম প্রেম।’

কামরুল হাসান নামের একজন লিখেন, ‘প্রথম প্রেমে পড়ছিলাম ক্লাস টুতে। তাকে সে কথা বলার মতো সাহস তখন ছিল না।

‘কয়েক বছর পর যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, আশ্চর্যজনকভাবে তার বিয়ে হয়ে গেল।’

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

র‍্যাব হেফাজতে পরিচালক রাজও

র‍্যাব হেফাজতে পরিচালক রাজও

চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের সঙ্গে পরীমনি।

পরীমনির বাসায় অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকে আটক করে র‍্যাব। এরপর তাকে বাহিনীর সদর দপ্তরে নেয়া হয়েছে।

অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই বনানী থেকে চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বনানীতে রাজের বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ অভিযান শেষ হয়।

অভিযানের সময় র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক মেজর হুসাইন রইসুল আজম মণি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রাজের বাসায় অভিযান চলছে।’

র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন নিউজবাংলাকে জানান, মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার সহযোগী মিশুকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতেই রাজকে আটক করেছে র‍্যাব।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের দুর্গাপুরে। চলচ্চিত্র ও নাটক প্রযোজনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অভিনয়ও করেন।

দেশের শোবিজ অঙ্গনকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে যাত্রা শুরু করে রাজ মাল্টিমিডিয়া।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ ১ জন নাতাশা

বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ ১ জন নাতাশা

প্রতীকী ছবি

ভারতীয়-আমেরিকান নাতাশা পেরি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির থেলমা এল স্যান্ডমায়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পেরি তার দক্ষতার মাধ্যমে এই অসামান্য সম্মান অর্জন করেছে।

নাতাশা পেরি, ১১ বছরের এই শিশু ভারতীয়-আমেরিকান। এখন সে বিশ্বের সবচেয়ে ‘মেধাবীদের’ একজন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় দুটি মানের পরীক্ষা এসএটি ও এসিটি নেয়ার পর এই ঘোষণা দিয়েছে।

স্কলাসটিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট (এসএটি) এবং আমেরিকান কলেজ টেস্টিং (এসিটি) হচ্ছে এমন একটি স্ট্যান্ডার্ড বা মান যা নিয়ে যাচাই করা হয়, কোনো কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে কি না।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কিছু কোম্পানি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষার নম্বরের ওপর ভিত্তি করে বৃত্তিও প্রদান করে।

দেশটিতে সব কলেজে এসএটি এবং এসিটি পরীক্ষা নিতে হয়, পরীক্ষায় পাওয়া নম্বর জমা দিতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।

নাতাশা পেরি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির থেলমা এল স্যান্ডমায়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পেরি তার দক্ষতার মাধ্যমে এই অসামান্য সম্মান অর্জন করেছে।

এক বিবৃতিতে সোমবার জানানো হয়, জন হপকিনস সেন্টার ফর ট্যালেন্টেড ইয়ুথ ট্যালেন্ট (সিটিওয়াই) ব্যতিক্রমী দক্ষতার এমন শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করতে এসএটি, এসিটি অথবা সমমানের পরীক্ষা নেয়।

সিটিওয়াই-এর ২০২০-২১ সালের সেরা ‘মেধাবী’ খুঁজে বের করার সেই পরীক্ষায় ৮৪ দেশের ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে পেরি একজন।

সিটিওয়াই বিশ্বব্যাপী ‘মেধাবী’ শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের প্রকৃত অ্যাকাডেমিক দক্ষতার একটি পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরতে উচ্চ স্তরের এই পরীক্ষা নেয়।

পেরি জন হপকিনসের এই মেধাবীদের খুঁজে বের করা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বসন্ত ২০২১ সেশনে। এটা ছিল পঞ্চম স্তরের পরীক্ষা। সেখানে পেরি মৌখিক ও কোয়ান্টিটিভ সেকশনে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে, যা আরও উন্নত বা অষ্টম লেভেলের সমান।

এরপর পেরি জন হপকিনসের সিটিওয়াই-এর ‘হাই অনার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।

পেরি বলে, ‘এটি আমাকে আরও বেশি কিছু করতে অনুপ্রাণিত করবে।’

ডুডলিং ও জে আর আর টোলকিনের উপন্যাস পড়া তার জন্যে এমন কাজে আরও বেশি ফল দিয়েছে বলেও যুক্ত করে পেরি।

সিটিওয়াই মেধাবী খোঁজার সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২০ শতাংশের কম উত্তীর্ণ হয়ে ‘হাই অনার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

করোনার মধ্যে বরিসের ঘরে আসছে দ্বিতীয় সন্তান

করোনার মধ্যে বরিসের ঘরে আসছে দ্বিতীয় সন্তান

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি জনসন। ছবি এএফপি

ক্যারি জনসন লেখেন, ‘চলতি বছরের শুরুতে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত আমাকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে। আমি গর্ভধারণ করে সৌভাগ্য মনে করছি, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আমি খুব চাপও অনুভব করছি।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি জনসন দ্বিতীয় সন্তানের বাবা-মা হতে চলেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের হৃদয়বিদারক ঘটনায় কয়েক মাস পরে এমন সুসংবাদ দিয়েছেন ওই দম্পতি।

ইনস্টাগ্রামে খবরটি শেয়ার করে বরিস জনসনের স্ত্রী ক্যারি জানান, তিনি এই ক্রিসমাসে সন্তান (রেইনবো বেবি) জন্মদানের প্রত্যাশা করছেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ৩৩ বছর বয়সী ক্যারি জনসন লেখেন, তিনি গর্ভধারণের বিষয়টিকে খুবই সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন। সেই সঙ্গে তিনি এমন বিষয়কে তার জন্য মানসিক চাপের হিসেবেও দেখছেন।

২০২০ সালের এপ্রিলে ক্যারি তাদের প্রথম সন্তান ইউলফ্রেডের জন্ম দেন।

‘রেইনবো বেবি’ নামের যে শব্দ ব্যবহার করেছেন ক্যারি, এর অর্থ অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের পর বা নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর যে বাচ্চা জন্ম নেয় তাকেই বোঝায়।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ক্যারি জনসন লেখেন, ‘চলতি বছরের শুরুতে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত আমাকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে।

‘আমি গর্ভধারণ করে সৌভাগ্য মনে করছি, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আমি খুব চাপও অনুভব করছি।’

তিনি লেখেন, ‘অনেকের জন্য সন্তান জন্মদান বিষয়টি খুব কঠিন। কিন্তু ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম দেখে মনে হতে পারে সবই স্বাভাবিক ও সুন্দরভাবে চলছে।

‘আমি ইনস্টাগ্রামে অনেকের কাছ থেকেই ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তাদের একই ধরনের কষ্টের কথা আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। আমি আশাবাদী হয়ে উঠেছি।’

পাশাপাশি তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন যেখানে নীল ক্রিসমাসের সাজ দেখা যাচ্ছে।

চলতি বছরের মে মাসে ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাথেড্রালে সীমিত পরিসরে বিয়ে করেন বরিস জনসন ও ক্যারি সিমন্ডস।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

হাতিকে উত্ত্যক্ত করলে কী হয়

হাতিকে উত্ত্যক্ত করলে কী হয়

সংগৃহীত ছবি

ভিডিওতে দেখা যায়, হাতিল দলটির অধিকাংশই রাস্তা পার হওয়ার পর একটি বড় হাতি পার হচ্ছিল। কিন্তু উত্ত্যক্তের একপর্যায়ে সহ্যসীমা ছাড়িয়ে গেলে হাতিটি ধাওয়া দেয় স্থানীয়দের। ধাওয়া খেয়ে ছুটে পালায় লোকজন।

ভারতের অসমে চা-বাগানের ভেতর দিয়ে একদল হাতি সেখানে জাতীয় সড়ক পার হয়ে অন্যদিকে যাচ্ছিল। বিশাল সেই বন্যহাতির দলটি খুব শান্তভাবে পার হওয়ার সময় স্থানীয় অসংখ্য মানুষ দলটিকে উত্ত্যক্ত করছিল।

অসমের গোলাঘাট এলাকায় রোববার বিকেলে হাতির দলটিকে উত্ত্যক্ত করার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় হাতিদের উত্ত্যক্তের একটা সময় এক হাতি ধাওয়া করে মানুষকে।

ভিডিওতে দেখা যায়, হাতির দলটির অধিকাংশই রাস্তা পার হওয়ার পর একটি বড় হাতি পার হচ্ছিল। কিন্তু উত্ত্যক্তের একপর্যায়ে সহ্যসীমা ছাড়িয়ে গেলে হাতিটি ধাওয়া দেয় স্থানীয়দের। ধাওয়া খেয়ে ছুটে পালায় লোকজন।

পালানোর সময় এক যুবক তাড়া খেয়ে পড়ে যান রাস্তার পাশে। এরপর হাতিটি যুবকটিকে পা দিয়ে বারবার পিষ্ট করে।

ঘটনাস্থলেই নিহত হন সেই যুবক।

জানা গেছে, যুবকের নাম পাস্কাল মুন্ডা। তিনি অসমের নুমালিগড়ের মরঙ্গি চা-বাগানের বাসিন্দা।

রোববার বিকেলে হাতির দল চা-বাগানসংলগ্ন ৩৯ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে যাচ্ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, হাতির দলটিকে উত্ত্যক্ত করা বেশির ভাগই লোকই বয়সে একেবারে তরুণ।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন

বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

বিপজ্জনক টিকটক চ্যালেঞ্জে শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

কয়েক বছর ধরে টিকটক ব্যবহারকারী কিছু তরুণের মধ্যে বিপজ্জনক ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। চলতি বছর তেমন ট্রেন্ডে যুক্তরাষ্ট্রেই তিন শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া বিষয়টিকে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ। যেখানে অজ্ঞান হওয়ার আগ পর্যন্ত দম বন্ধ করে রাখতে হয় চ্যালেঞ্জগ্রহণকারীদের।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বেথানিতে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ১২ বছর বয়সী বালকের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় সে শ্বাস নিতে এমন কি কোনো ধরনের সাড়াও দিতে পারছিল না।

ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক ওই বালককে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ধারণা করছে, ওই বালক ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েই মারা গেছে।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বেথানি পুলিশের কর্মকর্তা অ্যাঞ্জেলো ওরিফিস বলেন, ‘এটা এমন একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে শিশুরা দম বন্ধ করে রেখে অজ্ঞান হয়ে যেতে থাকে। একটা পর্যায় পর তারা আবার শ্বাস নিতে শুরু করে, এতে যে অনুভূতি হয়, তাতে তারা প্রচণ্ডরকম আনন্দ পায়।’

ভাইস ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ট্রেন্ডে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ওকলাহোমায় ওই এক বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এটা প্রথম নয়। গত জুনে মেমফিসের ৯ বছরের এক শিশুও মারা যায়। তার পরিবার জানায়, সেও একই চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল। তারা তাদের শিশুকে ঘরের মধ্যে নিথর অবস্থায় পায়। তার গলায় বেল্ট বাঁধা ছিল।

তার আগে মার্চে কলোরাডো রাজ্যে ১২ বছর বসয়ী যমজ দুই ভাই একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জটি নিতে গিয়ে মারা যায়। তাদের নিথর দেহ পাওয়া যায় ফ্ল্যাটের বাথরুমে। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ১৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায় তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে চ্যালেঞ্জ নিতে গিয়ে মারা যায় এক মেয়ে। এরপর ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য দেশটিতে যেন টিকটক ব্যবহার করতে না দেয়া হয় সেই দাবি ওঠে।

বেথনি পুলিশ বলছে, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেয়া লকডাউনে শিশুরা বাইরে বের হতে পারছে না। এতে তারা বিরক্ত হচ্ছে। সেই জায়গা দখল করেছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মাধ্যমগুলো তাদের প্রভাবিত করছে বেশি। বিষয়টি নিয়ে বাবা-মাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।’

বিষয়টি নিয়ে টিকটকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মাধ্যমটি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ আসলে নতুন কিছু নয়। বিপজ্জনক এই চ্যালেঞ্জটি বিভিন্ন নামে পরিচিতি পেয়ে এসেছে অনেক বছর আগে থেকেই; ‘দমবন্ধ খেলা’, ‘ফ্ল্যাটলাইনার’, ‘ক্যালিফোর্নিয়া হাই’ নামেও পরিচিত এটি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংস্থা জিএএসপি ২০০৫ সালে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার সময় এর অস্বাভাবিক অস্তিত্ব খুঁজে পায়। অবশ্য এটি ১৯৩০ দশক থেকেই চলে আসছে বলে তাদের দাবি।

দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র ২০১০ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ৮২ শিশু ও কিশোর মারা গেছে যাদের বয়স ৬ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে।

গত কয়েক বছর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি ব্ল্যাকআউট।

২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ফায়ার চ্যালেঞ্জ নামে একটি ট্রেন্ড হয়। যেখানে তরল জ্বালানি গায়ে মেখে আগুন ধরিয়ে দিয়ে তা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অনেক শিশু-কিশোর আহত হয়।

সে বছরই টাইপড চ্যালেঞ্জ নামে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ট্রেন্ড হয়। যেখানে লন্ড্রির ডিটারজেন্ট কামড়ে খাওয়া হয়। সে চ্যালেঞ্জে শুধু শিশু বা কিশোর নয়, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিও বিষক্রিয়ার শিকার হন।

আরও পড়ুন:
লম্বা চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পু ব্যবহারের নিয়মকানুন
কফি ও চিনির ফেস স্ক্রাব
দূর করুন ঠোঁটের কালচেভাব
সারা বছর রেখে আম খাবেন কীভাবে

শেয়ার করুন