বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি

এ সময় গেটস ধূসর রঙের পোলো শার্ট, নেভি প্যান্ট, কালো জুতা, কোমরে বাঁধা ধূসর সোয়েটার, হাতে ঘড়ি এবং বাম হাতের আঙুলে সেই আংটি পরা অবস্থায় ছিলেন।  

বিচ্ছেদ ঘোষণার পর শনিবার প্রথম জনসম্মুখে দেখা গেছে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে। অবাক করা বিষয় হলেও সত্যি, এ সময় বিল গেটসের হাতে ছিল ‘বিয়ের আংটি’।

গত ৩ মে গেটস দম্পতি ২৭ বছর সংসারের ইতি টানার এক যৌথ ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া ওই ঘোষণায় বলা হয়, ‘অনেক ভেবে-চিন্তে এবং আমাদের সম্পর্কের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখে আমরা বৈবাহিক জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

কিন্তু সেই বিচ্ছেদ ঘোষণা ২০ দিন পর যখন জনসম্মুখে দেখা গেলো ওই ধনকুবেরকে তখন হাতে নতুন আংটি পরা।

যুক্তরাজ্যের দ্য সান পত্রিকার খবরে বলা হয়, শনিবার বিকেলে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনের ওয়েস্ট ভিলেজের গ্রিনউইচ হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় ছবিতে ধরা পড়েন তিনি।

এ সময় গেটস ধূসর রঙের পোলো শার্ট, নেভি প্যান্ট, কালো জুতা, কোমরে বাঁধা ধূসর সোয়েটার, হাতে ঘড়ি এবং বাম হাতের আঙুলে সেই আংটি পরা অবস্থায় ছিলেন।

ধূসর রঙের মাস্ক পরা গেটস তখন উঠছিলেন তার এসইউভিতে।

বিল গেটসের হাতে নতুন ‘বিয়ের’ আংটি
মেয়ে ফোবি, মেয়ের বয়ফ্রেন্ড চেজ ফ্লাইনের সঙ্গে বিল গেটস

অবশ্য বিল গেটস একা নন, এ সময় তার পাশেই ছিলেন মেয়ে ফোবি ও তার বয়ফ্রেন্ড চেজ ফ্লাইন।

এর আগে শুক্রবার নিউ জার্সির নিওয়ার্ক বিমানবন্দরে একটি প্রাইভেট বিমান থেকে নামার পরও তাদের তিনজনকে এক সঙ্গে দেখা গেছে।

চরিত্রের সঙ্গে না গেলেও গেটসকে এ সময় তার মেয়ের থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে হাসতে দেখা গেছে।

অবশ্য বিল গেটসে নিয়ে সম্প্রতি কিছুটা বিতর্কও দেখা গেছে।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত হয়ে বিচারাধীন অবস্থায় ২০১৯ সালে কারাগারে মারা যান যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত বিনিয়োগকারী জেফরি এপস্টেইন। অভিযোগ রয়েছে, যৌন নিপীড়নের সংঘবদ্ধ চক্রের হোতাও ছিলেন তিনি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন মেলিন্ডা। গেটস ফাউন্ডেশনের সাবেক এক কর্মীর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে বিল গেটসের ঘনিষ্ঠতাকে স্বাভাবিকভাবে দেখছিলেন না মেলিন্ডা। পরে ২০১৯ সালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই নিজের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেন তিনি।

তবে এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন বিল গেটস। ২০১৯ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এপস্টেইনের সঙ্গে আমার শুধু দেখা হয়েছিল। তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব ছিল না।’

বিচ্ছেদের ঘোষণার পরদিন বিল গেটসের সম্পদ দেখভাল করা প্রতিষ্ঠান ক্যাসাড ইনভেস্টমেন্ট মেলিন্ডার অ্যাকাউন্টে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

লিচু সংরক্ষণের উপায়

লিচু সংরক্ষণের উপায়

কাগজসহ লিচুগুলো পলিথিন ব্যাগে ঢুকিয়ে নিন। এবার পলিথিন ব্যাগটাকে একটা কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।

লিচু সুস্বাদু ফল। এর পুষ্টিগুণও অনেক। লিচুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম থাকে।

এ ছাড়া আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদানও পাওয়া যায়।

এ কারণে দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে লিচু ভূমিকা রাখে। তাই মৌসুমি ফলগুলো যতটা সম্ভব খাওয়াটা খুবই উপকারী।

কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে, সারা বছর লিচু পাওয়া যায় না।

তবে চাইলেই লিচু সংরক্ষণ করে সারা বছর খাওয়া যেতে পারে।

লিচু সংরক্ষণের জন্য প্রথমে বাজার থেকে লাল রঙের তাজা লিচু কিনুন। পোকাযুক্ত ও পচন ধরেছে এমন লিচু আগেই সরিয়ে ফেলুন। বাকি লিচুগুলো এক ইঞ্চি বোঁটাসহ কেটে নিন।

লিচুগুলোকে সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে ভেজান। ১০ মিনিট পর লিচুগুলো তুলে নিন।

লিচু সংরক্ষণের উপায়

শুকনা কাপড় দিয়ে লিচুর গায়ে লেগে থাকা পানি মুছে ফেলুন। এমনভাবে মুছুন যেন লিচুর গায়ে একটুও পানি লেগে না থাকে।

মনে রাখবেন, লিচু রোদে শুকানো যাবে না।

শুকনা লিচুগুলো নিউজপ্রিন্ট কাগজে জড়িয়ে ফেলুন। পুরোনো পত্রিকার কাগজ দিয়েও এটা করা যায়।

কাগজসহ লিচুগুলো পলিথিন ব্যাগে ঢুকিয়ে নিন। এবার পলিথিন ব্যাগটাকে একটা কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।

চাইলে কাপড়ের ব্যাগ ছাড়াও ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কাগজে মোড়ানো লিচুগুলো প্লাস্টিকের বক্সে ঢুকিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন।

এভাবে প্রায় ১২ মাস লিচু তাজা থাকবে।

যখন খেতে ইচ্ছা করবে, তখন লিচু বের করে খেয়ে বাকি লিচু আগের মতো ডিপ ফ্রিজে রেখে দেবেন।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

দীর্ঘ সময় কাপড় সংরক্ষণের উপায়

দীর্ঘ সময় কাপড় সংরক্ষণের উপায়

পরবর্তী সময়ে ব্যবহার করতে চাইলে আপনার দামি পোশাকগুলোর যত্ন শুরু করতে হবে আজই।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ। বিয়ে, জন্মদিন, সংবর্ধনা এমনকি ঘরোয়া পার্টিও হচ্ছে না কোথাও।

চুপিসারে দু-একটা অনুষ্ঠান হলেও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে যাবার সুযোগ একেবারেই নেই।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে আপনার পছন্দের পোশাকগুলো কিন্তু ব্যবহার হচ্ছে না। ওয়ার্ডরোপের কোনায় অযত্ন-অবহেলায় পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

মাঝেমধ্যে যত্ন না নিলে সেগুলোর ভবিষ্যৎ কিন্তু অন্ধকার।

পরবর্তী সময়ে ব্যবহার করতে চাইলে আপনার দামি পোশাকগুলোর যত্ন শুরু করতে হবে আজই।

এখন বর্ষাকাল। মনে রাখতে হবে, দামি পোশাকগুলোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় বর্ষাকালের স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায়। সিনথেটিক ফ্যাব্রিকের গায়ে ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস জন্মায় না। কিন্তু সিল্ক, সুতি, তসর ইত্যাদি কাপড় একটানা অনেক দিন পড়ে থাকলে এর তন্তুর গায়ে জীবাণু জন্মায়।

সিলভার ফিশ পোকাগুলো প্রথমেই আক্রমণ করে সিল্ক কাপড়ে। কারণ, সিল্কের তন্তুর মধ্যে থাকে প্রাণিজ প্রোটিন, সেগুলো আবার ওই পোকার প্রিয় খাদ্য।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে জামাকাপড় রোদে দেয়াই সর্বোত্তম পন্থা। রোদের তাপ এবং অতিবেগুনি রশ্মি পোশাক জীবাণুমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

আরও একটি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দেয়া জরুরি। তুলে রাখা পোশাকের ভাঁজ মাঝেমধ্যে বদলে দিতে হবে।

কারণ, ভাঁজের মাঝে ধুলা জমে। ধুলার প্রভাবে সেই ভাঁজ বরাবর ফ্যাব্রিকে কালো দাগ পড়ে যায়। অনেক সময় চিড় খায়। ফলে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।

সুতরাং কাপড় ভালো রাখতে হলে আপনাকে মাঝেমধ্যে তুলে রাখা পোশাকগুলো বের করে ঝেড়ে নিতে হবে। ভাঁজের মধ্যে থাকা ধুলাগুলো নরম ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

তারপর দিতে হবে রোদে। সারা দিন রোদ পোহানো শেষে পোশাকগুলো ঘরে নিয়ে আসতে হবে। ঠান্ডা হলে নতুনভাবে ভাঁজ করে আবার ওয়ার্ডরোপে তুলে রাখতে হবে।

সিলভার ফিশ পোকার উপদ্রপ থেকে বাঁচতে কাপড়ের ভাঁজে ন্যাপথলিন দিতে পারেন। অনেকে নিমপাতা রাখে। সেটাও দারুণ কাজে দেয়।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয়, তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়। 

১৯ শতকের শেষের দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টারমাইন্ড নিকোলা টেসলা প্রথম দেখান, যখন দুটি শক্তিশালী চৌম্বক একে অপরকে স্পর্শ করে তখন উৎস থেকে তাদের মধ্যে একটি শক্তি স্থানান্তর হয়।

টেসলারের সেই আবিষ্কার সে সময় খুব সাড়া ফেলে। তবে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় তার ১০০ বছর পর এসে। টেসলারের সূত্র ধরে এখন তৈরি হচ্ছে স্মার্টফোনের ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

তারের ঝামেলা এড়িয়ে ফোনটিকে চার্জ করতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এনেছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তির ফোন। ওয়্যারেলেস চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও এটি কীভাবে কাজ করে সে প্রক্রিয়াটি আমরা জানি কি? না জানলে চলুন জেনে নিই।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয় তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়।

ওয়্যারেলস চার্জিং প্রযুক্তির ফোনের হার্ডওয়্যারে একটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে; যা কপারের তৈরি। এটি থাকে ফোনটির পিছনের দিকে। একই ধরনের আরেকটি শক্তিশালী কয়েল থাকে ওয়্যারলেস চার্জারের ভেতরে। যেটি ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে প্লাগ দিয়ে সংযোগ ঘটানো হয়।

এবার সেই ইলেট্রিক সকেট থেকে কেব্‌লের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি চার্জারের কয়েলে আসে। চার্জারের কয়েলে তখন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক একটা অনূভূতি হতে থাকে। এখন স্মার্টফোনটি অর্থাৎ হার্ডওয়্যারের যে পাশে কয়েলটি থাকে, সেটি যখন চার্জারের সংস্পর্শে আসে তখন ফোনে চার্জ হতে শুরু করে।

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

একটা নিরাপদ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এইভাবে একটি কয়েল থেকে আরেকটি কয়েলে ইলেকট্রিক শক্তি স্থানান্তর হয়। যেখানে স্মার্টফোন চার্জ হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনেকেই মনে করেন, তাহলে তো ওয়্যারলেস চার্জারের কাছাকাছি থাকলেও ফোনে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছে যাবে, আর চার্জ হবে! না, সে ক্ষেত্রে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছালেও যতক্ষণ দুটি কয়েল সংস্পর্শে না আসবে ততক্ষণ চার্জ শুরু হবে না।

কেব্‌ল দিয়ে চার্জ হতে যে পরিমাণ সময় প্রয়োজন হয়, ওয়্যারলেস চার্জারে তার অন্তত দ্বিগুণ সময় প্রয়োজন হয়। তাই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও খরচ কমাতে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।

এমনকি ওয়্যারলেস বললেও কিন্তু এখানে কেব্‌লের প্রয়োজন হচ্ছে। চার্জার কিন্তু ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে।

অনেকেই এই প্রক্রিয়ায় চার্জিংকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মানেন। কিন্তু সহজ কিছুর জন্য নতুন প্রযুক্তিতে কোনো না কোনো বিষয়ে তো ছাড় দিতেই হবে।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব

এবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি মাতাবে সৌদি আরব

এক বছরের মধ্যে সৌদি আরবের লক্ষ্য ১০০ ফ্যাশন ব্র্যান্ড তৈরি করা। ছবি; সৌদি গেজেট

বিশ্ববাজারে সৌদি আরবের ফ্যাশন ব্র্যান্ড উন্নয়নে অংশগ্রহণকারীদের এককভাবে বা গ্রুপ আকারে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, অনলাইন সেশন ও পরামর্শ দেয়া হবে।  

ধীরে ধীরে নিজেদের কক্ষপথ ছেড়ে বের হতে শুরু করেছে সৌদি আরব। সম্প্রতি দেশটির পাঠ্য বইয়ে রামায়ণ, মহাভারত পাঠ্য হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।

এবার দেশটি জোর দিয়েছে নিজেদের ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজাইন উন্নয়নে। এ জন্য ‘সৌদি ব্র্যান্ড ১০০’ নামে একটি নতুন প্রোগ্রাম উন্মোচন করেছে দেশটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে সৌদি গেজেট জানায়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন চালু করা সংস্থা দ্য ফ্যাশন কমিশন ‘সৌদি ব্র্যান্ড ১০০’ নামের ওই প্রোগ্রাম ফ্যাশন ম্যাগাজিন ও ব্র্যান্ড ভোগ-এর সঙ্গে শুরুর ঘোষণা দিয়েছে বৃহস্পতিবার।

এই প্রোগ্রাম হবে এক বছরের। বিশ্ববাজারে সৌদি আরবের ফ্যাশন ব্র্যান্ড উন্নয়নে অংশগ্রহণকারীদের এককভাবে বা গ্রুপ আকারে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, অনলাইন সেশন ও পরামর্শ দেয়া হবে।

সৌদি ব্র্যান্ড ১০০ প্রোগ্রামটি বৃহৎ আকারে করা হচ্ছে, যেখানে থাকছে ব্র্যান্ডিং, ধারণা, সেলস পারফরম্যান্স স্ট্র্যাটেজি, জনসংযোগ ও বিপণন, ক্লায়েন্ট নির্বাচন, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি এবং নেতৃত্ব দক্ষতার প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সৌদি ডিজাইনার ও ব্র্যান্ডকে কীভাবে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়া যায় অংশগ্রহণকারীদের সেটিও শেখানো হবে। এ জন্য অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক দলের কাছ থেকে বিষয়গুলো জানতে ও শিখতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এই প্রোগ্রামে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শের কাজটি করবে। এসব ব্র্যান্ডের মধ্যে থাকছে এলভিএমএইচ, কেরিং, ভ্যালেন্তিনো ফ্যাশন গ্রুপ, চানেল, বুলগারি অ্যান্ড স্করোভস্কি। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত প্রশিক্ষণ দেবে সেন্ট্রাল সেন্ট মার্টিনস, রয়েল কলেজ অফ আর্ট, ইয়েল অ্যান্ড পারসনস।

স্থানীয় বাজারে ক্রেতা বাড়াতে এবং সরাসরি বিক্রিকে উৎসাহিত করতে প্রোগ্রামটি প্রথমবারের মতো চলতি বছরের ডিসেম্বরে রিয়াদে একটি সম্মেলন করবে। পাশাপাশি অনলাইনে ই-সেল, পাইকারি ও আন্তর্জাতিক বিক্রি বাড়াতে ২০২২ সালের প্রথমদিকে করা হবে একটি ক্যাম্পেইন।

ফ্যাশন ব্র্যান্ড ১০০ প্রোগ্রামের লক্ষ্য অর্জনে ফ্যাশন কমিশন ভোগের সঙ্গে সহযোগী হয়ে স্থানীয় ও আঞ্চলিক রিটেইল গড়ে তুলবে। ভোগ আরবিয়া শুধু মিডিয়ায় ব্র্যান্ডগুলোর প্রসারেই কাজ করবে এমন নয়, পাশাপাশি ফ্যাশন সম্পর্কিত সম্পাদকীয় ও সামাজিক মাধ্যমে এর প্রসারেও কাজ করবে।

আঞ্চলিক রিটেইলররা ভার্চুয়াল কনফারেন্সে অংশ নিয়ে পেশাদার প্রশিক্ষণ দেবে এবং ২০২২ সালের রমজান মাসকে সামনে রেখে বিক্রি পরিচালনাসহ রিটেইল স্টোর চালুর ব্যবস্থা করবে।

অবশ্য ‘সৌদি ১০০ ব্র্যান্ড’ থেকে কিছু ব্র্যান্ড অধিগ্রহণের মাধ্যমে আর্ন্তজাতিক বাজারে খুচরা ও পাইকারি বিক্রিতে সহায়তাও দেবে ভোগ আরবিয়া।

ফ্যাশন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বুরাক চাকমাক বলেন, ‘সৌদি আরব ফ্যাশনসহ এখন সব খাতেই উন্নতি করছে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য ফ্যাশনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচরণের এটা খুব ভালো সুযোগ।

‘স্থানীয় সৃজনশীলতা, ডিজাইন স্টুডিও, বিপণন ও কমিউনিকেশন এজেন্সি, উৎপাদক ও পরিবেশকদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ফ্যাশন ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। সৌদি ব্র্যান্ড ১০০-এর মতো প্রোগ্রাম দিয়ে আমরা সৌদি ডিজাইনারদের নিয়ে শুধু স্থানীয় নয়, বিশ্বমঞ্চও কাঁপিয়ে দিতে চাই।’

ভোগ আরবিয়ার এডিটর ইন চিফ ম্যানুয়েল আরনাট বলেন, ‘ভোগ আরবিয়া স্থানীয় অনেক উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তুলে আনার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সৌদি ব্র্যান্ড ১০০ প্রোগ্রামের সঙ্গে সহযোগী হওয়া তারই ধারাবাহিকতা। আমরা সৌদি ফ্যাশন কমিশনের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ। আমরা কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, বরং বৈশ্বিকভাবেই উদ্ভাবনের এই যাত্রাকে দীর্ঘ করতে পারব।’

সৌদি ১০০ ব্র্যান্ড প্রোগ্রাম মূলত দেশটির ১০০ ডিজাইনরাকে এবং বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোকে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি করানো, ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোকে অন্যদেশের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়া, ব্যবসায়িক সুবিধা দেয়া। সেই সঙ্গে ফ্যাশন কমিশনের এমন চেষ্টাকে উৎসাহিত করতে ও শক্তিশালী করতে বিনিয়োগসহ অন্য সুবিধা দেয়ার কাজও করবে ভোগ।

এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে ব্র্যান্ডগুলোকে নিবন্ধনের (www.saudi100brands.com ) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

মেয়ের মরদেহ কাঁধে ৩৫ কিলোমিটার

মেয়ের মরদেহ কাঁধে ৩৫ কিলোমিটার

মেয়ের মরদেহ নিয়ে ৩৫ কিলোমিটার হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছান বাবা।

হেঁটে মেয়ের লাশ হাসপাতালে নেয়ার বিষয়ে ধীরপতি বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টার দিকে হাঁটা শুরু করে হাসপাতালে পৌঁছাই বিকেল ৪টা নাগাদ। খাটিয়ায় মরদেহ তুলে সেটি একটি গাছের ডাল দিয়ে ঘাড়ে করে নিয়ে আসতে হয়েছে। এখন আমার অবস্থাও ভালো না। তবে কারও কাছেই কোনো সহায়তা পাইনি।’

ভারতের মধ্যপ্রদেশের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী আত্মহত্যা করে ৫ মে। খবর পেয়ে পুলিশ রাজ্যের সিংরৌলি জেলার গাধাই গ্রামে সেই বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়।

ময়নাতদন্ত করতে হবে জানিয়ে মেয়েটির পরিবারকে মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে পুলিশ। ওই হাসপাতাল ছিল গাধাই গ্রাম থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে।

পরিবারটির আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, মরদেহ তারা কোনোভাবেই গাড়িতে করে নিতে পারেনি।পুলিশও মরদেহ নেয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয় মেয়েটির বাবা ধীরপতি সিং গন্ডকে।

তিনি মেয়ের মরদেহ হাসপাতালে নেয়ার জন্য অনেকের কাছেই গাড়ি চেয়ে অনুরোধ জানান। কিন্তু কেউ গাড়ির ব্যবস্থা করেনি। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় খাটিয়ায় করে মেয়ের মরদেহ নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন ধীরপতি।

৩৫ কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে পৌঁছাতে তার সাত ঘণ্টা সময় লাগে। তাকে সহায়তা করেন আরও কয়েকজন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিংরৌলি জেলার সেই ঘটনার একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

হেঁটে মেয়ের লাশ হাসপাতালে নেয়ার বিষয়ে ধীরপতি বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টার দিকে হাঁটা শুরু করে হাসপাতালে পৌঁছাই বিকেল ৪টা নাগাদ। খাটিয়ায় মরদেহ তুলে সেটি একটি গাছের ডাল দিয়ে ঘাড়ে করে নিয়ে আসতে হয়েছে। এখন আমার অবস্থাও ভালো না। তবে কারও কাছেই কোনো সহায়তা পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘বাড়ির এক কিলোমিটার দূরেই একটি সড়ক আছে হাসপাতালে যাওয়ার। কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল একটি গাড়ির ব্যবস্থা করার।’

এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা অরুণ সিং বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত করতে হাসপাতালে বা থানায় নেয়ার জন্য তাদের কাছে কোনো বাজেট নেই। তাই কোনো যানবাহন জোগাড় করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন

বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ

বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও তার সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস। ছবি: এনডিটিভি

বিল গেটসের কাছ থেকে মেলিন্ডা যে পরিমাণ সম্পদ পাবেন তাতে ধারণা করা হচ্ছে, এটাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিচ্ছেদ। যদিও এখন পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদের ব্যয় কিংবা মেলিন্ডা কত অর্থ পাচ্ছেন তা প্রকাশ হয়নি।

২৭ বছর সংসার করার পর মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস গত সপ্তাহে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। এ দম্পতির সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার কোটি ডলার।

বিচ্ছেদে বিল গেটসের কাছ থেকে মেলিন্ডা যে পরিমাণ সম্পদ পাবেন তাতে ধারণা করা হচ্ছে, এটাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিচ্ছেদ। যদিও এখন পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদের ব্যয় কিংবা মেলিন্ডা কত অর্থ পাচ্ছেন তা প্রকাশ হয়নি।

বিচ্ছেদের পর স্ত্রীর হাজার কোটি ডলারের সম্পদ পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও এমন বেশ কিছু ব্যয়বহুল বিচ্ছেদের ঘটনা আছে। এমনই পাঁচটি বিচ্ছেদের খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

জেফ বেজোস- ম্যাকেঞ্জি স্কট

২০১৯ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিচ্ছেদের তালিকায় নাম লেখান জেফ বেজোস-ম্যাকেঞ্জি স্কট দম্পতি।

সেই বিচ্ছেদে আইন অনুযায়ী অ্যামাজনের কর্ণধার জেফ বেজোসের সম্পদের ৪ শতাংশ পান ম্যাকেঞ্জি। এতে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। বিচ্ছেদের পর ম্যাকেঞ্জি স্কট বিয়ে করেন এক স্কুলশিক্ষককে।

অ্যালেক-জোসেলিন

আগের সব রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিচ্ছেদ ঘটনার রেকর্ড হয় ১৯৯০-এর দশকে। ১৯৯৯ সালে আর্ট ডিলার অ্যালেক উয়াইল্ডেন্সটেইন ও তার স্ত্রী জোসেলিনের মধ্যে এই বিচ্ছেদ হয়। ওই বিচ্ছেদে জোসেলিন পান ২৫০ কোটি ডলার।

সে সময়ের হিসাবে জোসেলিন অনেক সম্পদের মালিক হন। তবে ভাগ্য সহায় হয়নি তার। ২০১৮ সালে এসে দেউলিয়া হয়ে যান তিনি।

ইলন মাস্ক-জাস্টিন উইলসন

দীর্ঘ পরিচয়ের পর ২০০০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক ও কানাডিয়ান লেখিকা জাস্টিন উইলসন। আট বছর সংসারের পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। তবে এই আট বছরে তাদের ঘরে জন্ম নেয় ছয় সন্তান।

বিচ্ছেদের পর মাস্ক ও জাস্টিন দুজন ভাগাভাগি করে ছয় সন্তানের দায়িত্ব নেন। সন্তানদের পরিচর্যার খরচ ছাড়াও সাবেক স্ত্রী জাস্টিনকে কর সংক্রান্ত ব্যয় বাবদ মাসে ২০ হাজার ডলার দেন মাস্ক।

এ ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ায় বেল এয়ারে থাকা বাড়িসহ অন্যান্য আইনি ব্যয় বাবদ জাস্টিনকে মাসে গড়ে এক লাখ ৭০ হাজার ডলার দেন বলে দাবি করেন মাস্ক।

ইলন মাস্ক-টালুলা রাইলি

২০১০ সালে মাস্ক দ্বিতীয় বিয়ে করেন ইংলিশ অভিনেত্রী টালুলা রাইলিকে। দুই বছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। সেবার রাইলি ৪২ লাখ ডলার পান মাস্কের কাছ থেকে। তবে তার এক বছর পর আবার তারা বিয়ে করেন।

এরপর দ্বিতীয়বারের মতো ২০১৫ সালে রাইলির সঙ্গে বিচ্ছেদের আবেদন করেন মাস্ক।

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেবার বিচ্ছেদ করতে ইলন মাস্ককে খরচ করতে হয় এক কোটি ৬০ লাখ ডলার।

বার্নি-স্লাভিকা একলেনস্টোন

ফর্মুলা ওয়ানের সাবেক প্রধান বার্নি একলেনস্টোন ২৪ বছর সংসার করার পর ২০০৯ সালে ক্রোয়েশিয়ান মডেল স্লাভিকার সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন।

তাদের বিচ্ছেদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও বার্নি তার সাবেক স্ত্রীকে অন্তত ১২০ কোটি ডলার দিয়েছেন বলে দ্য সানের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।

টাইগার উডস-এলিন নরডিগ্রেন

গলফ তারকা টাইগার উডস ২০০১ সালের ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে সুইডিশ মডেল এলিন নরডিগ্রেনের সঙ্গে প্রথম পরিচিত হন। এর তিন বছর পর তারা বারবাডোজে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

২০০৯ সালে আট বছরের সংসার ভাঙে ওই দম্পতির। টাইগার উডসের সংসার ভাঙার পেছনে এক নাইটক্লাবের ম্যানেজারের ভূমিকা আছে বলে চাউর হয়। এরপরই বিচ্ছেদে এলিনকে ১১ কোটি ডলার দিতে হয় এ গলফ তারকাকে।

আরও পড়ুন:
বিচ্ছেদের নেপথ্যে বিল গেটসের এপস্টেইন ঘনিষ্ঠতা?
বিল-মেলিন্ডার আগে ব্যয়বহুল ৫ বিচ্ছেদ
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ: কী বললেন বড় মেয়ে
বিল-মেলিন্ডার বিচ্ছেদ ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত সম্পদের বাঁটোয়ারা
বিল-মেলিন্ডা গেটসের অঢেল সম্পদের কী হবে

শেয়ার করুন