ঘরের কাজ করেই সেরে নিন দিনের ব্যায়াম

ঘরের কাজ করেই সেরে নিন দিনের ব্যায়াম

ঘষে ঘষে বাসন মেজে পরিষ্কার করলে হাতের পেশি সক্রিয় থাকে। ক্যালরিও পোড়ে অনেকটাই।

অনেকেই ব্যায়াম করতে চান কিন্তু নানা কারণে সেটা হয় না। আবার লকডাউনের কারণে জিম বন্ধ বলে যারা নিয়মিত জিমে যেতেন, তারাও ব্যায়াম করতে পারছেন না। মন খারাপ করার কিছু নেই। চাইলে ঘরের টুকটাক কাজ করেই আপনি দিনের ব্যায়ামটা সেরে নিতে পারবেন।

চলুন দেখে নিই, কী ধরনের ঘরের কাজ করলে অটোমেটিক ব্যায়ামটাও হয়ে যাবে।



ঘর মোছার কাজটা নিজেই করুন

ঘর মোছা দারুণ পরিশ্রমের কাজ। তবে মপার দিয়ে মুছলে হবে না, মেঝেতে ঝুঁকে বসে মুছতে হবে। হাঁটু গেড়ে ঘর মোছার সময় পেট আর কোমরে চাপ পড়ে। পায়ের মাসলেরও ওয়ার্ক আউট হয়।

মাজতে পারেন এঁটো বাসন

ঘষে ঘষে বাসন মেজে পরিষ্কার করলে হাতের পেশি সক্রিয় থাকে। ক্যালরিও পোড়ে অনেকটাই। তাই সকাল-সন্ধ্যা দুই বেলা বাসন মাজলে হাতের ব্যায়ামটা হয়ে যাবে।

কাপড় কেচে ক্যালরি ঝড়ান

হাতে কাপড় কাচলে যথেষ্ট পরিশ্রম হয়। ফলে ক্যালরি পোড়ে। শরীর ছিপছিপে থাকে। পুরো হাতের ব্যায়াম হয় কাপড় কাচলে। তেমনি বিছানার চাদরের মতো ভারী জিনিস অনেকেই পা দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করেন, ফলে পায়ের পেশিগুলো অনেক বেশি সক্রিয় থাকে।


আলমারি গোছানো যেতে পারে

মাসে অন্তত একবার হাত উঁচু করে আলমারির ওপরের তাক গোছালে বা দেয়ালের ওপরে লাগানো বইয়ের তাক পরিষ্কার করলেও পিঠের মেদ কমবে। একইভাবে নিচু হয়ে আলমারির নিচের তাক গোছালেও কোমর আর পায়ের ব্যায়াম করার মতোই ফল পাবেন।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তাৎক্ষণিক এনার্জি দেবে যে খাবারগুলো

তাৎক্ষণিক এনার্জি দেবে যে খাবারগুলো

একটি মাঝারি আকারের আপেলে ২৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। থাকে প্রায় ২০ গ্রাম চিনি আর ৫ গ্রাম ফাইবার। এই ফাইবার আর প্রাকৃতিক সুগারের কারণেই যে এনার্জিটা পাওয়া যায়, তা অনেকক্ষণ শরীরে থাকে।

সারা দিন পরিশ্রমের পর অনেক সময় তাৎক্ষণিক এনার্জির দরকার হয়। আমাদের আশপাশেই এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের শরীরে তাৎক্ষণিক এনার্জি সরবরাহ করে এবং সেটা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে। চলুন দেখে নিই কী সেই খাবারগুলো।



কলা

কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম আর ভিটামিন বি সিক্সের আধার হচ্ছে কলা। খুব দ্রুত এনার্জি বাড়াতে সক্ষম। দেখবেন, অধিকাংশ টেনিস খেলোয়াড়ই লম্বা ম্যাচের মাঝের বিরতিতে এনার্জি পাওয়ার জন্য কলা খেতে পছন্দ করেন। সিন্থেটিক এনার্জি ড্রিঙ্কের চেয়ে তা শতগুণে ভালো। দুধ আর কলা দিয়ে মিল্কশেক তৈরি করে নিতে পারলে তো কথাই নেই, শরীরের পাশাপাশি ত্বকও ভালো থাকবে।

লাল চালের ভাত

লাল চালের ভাতে চালের পুষ্টিগুণের বেশির ভাগটাই সঞ্চিত থাকে। এর ফাইবার, প্রোটিন আর খনিজ খুব তাড়াতাড়ি প্রচুর এনার্জি উৎপাদনে সাহায্য করে। বাড়তি ফাইবারের কারণে নিয়ন্ত্রণে থাকে আপনার রক্তের শর্করার পরিমাণও।

আপেল

একটি মাঝারি আকারের আপেলে ২৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। থাকে প্রায় ২০ গ্রাম চিনি আর ৫ গ্রাম ফাইবার। এই ফাইবার আর প্রাকৃতিক সুগারের কারণেই যে এনার্জিটা পাওয়া যায়, তা অনেকক্ষণ শরীরে থাকে। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখবেন, আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টও মেলে।

ওটমিল

রোলড বা হোল ওটস থেকে দ্রুত এনার্জি পাওয়া যায় এবং সেটা দীর্ঘক্ষণ চাঙা থাকতে সাহায্য করে। ওটসে বিটা-গ্লুকান নামের একটি সলিউবল ফাইবার থাকে যা পানির সঙ্গে মিশে যখন রান্না হয়, তখন গাঢ় একটি জেল তৈরি করে। এই জেল আপনার পাচনতন্ত্রে অনেকক্ষণ থাকে, ফলে পেট বেশিক্ষণ ভরা আছে বলে মনে হয়। তার সঙ্গে এর ভিটামিন আর খনিজ পদার্থগুলো এনার্জি জোগায়।

বাদাম

এনার্জি বাড়াতে কাজুবাদাম, আখরোট আর কাঠবাদামের কোনো বিকল্প নেই। ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই বাদাম থেকে কার্বোহাইড্রেট আর ফাইবারও মেলে যথেষ্ট পরিমাণে। তাই এনার্জি সংরক্ষণ করার কাজে বাদামের ভূমিকা অপরিসীম।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

একই ধরনের খাবার খেয়ে বিরক্তি এলে

একই ধরনের খাবার খেয়ে বিরক্তি এলে

ডিম মানেই আমরা বুঝি সেদ্ধ, ভাজা অথবা পোচ। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ‘শাকশুকা’ নামে একটি পদ দারুণ জনপ্রিয়। সেটি মূলত টমেটো, আদা, রসুন, পেঁয়াজের গ্রেভি।

করোনাভাইরাস মহামারিতে লকডাউনের মধ্যে যারা মেসে থাকছেন, তারা হয়তো তিন বেলা একই ধরনের খাবার খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে উঠেছেন। তাদের জন্য দিচ্ছি স্বস্তির খবর। খুব বেশি কষ্ট না করে চাল, ডাল ও ডিম দিয়েই রান্না করতে পারেন নানা ধরনের খাবার।

ফ্রাইড রাইস

একটা ডিম, খানিকটা চিকেন অথবা চিংড়ি, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ আর কিছু সবজিসহ তেলে ভেজে নিন। হাতের কাছে কোনো সস থাকলে মেশান। লবণ-চিনি দিন। শেষে ভাত দিয়ে ভেজে নিলেই চমৎকার ফ্রাইড রাইস তৈরি হয়ে যাবে।

ডালের বড়া

লকডাউনে প্রোটিনের সেরা উৎস হতে পারে ডাল। মটর ডাল মিক্সারে বেটে নিন। এর সঙ্গে অল্প আদা, কাঁচা মরিচ, জিরা দিন। সামান্য তেল, কালোজিরা, লবণ, হলুদ দিয়ে তেলে ভেজে নিন। সুস্বাদু বড়া তৈরি হবে।


শাকশুকা
ডিম মানেই আমরা বুঝি সেদ্ধ, ভাজা অথবা পোচ। আফ্রিকার বিভিন্ন জায়গায় ‘শাকশুকা’ নামে একটি পদ দারুণ জনপ্রিয়। সেটি মূলত টমেটো, আদা, রসুন, পেঁয়াজের গ্রেভি। ঝোল ফুটতে শুরু করলে তার ওপর সাবধানে একটি একটি করে ডিম ভেঙে দিন। ঝোল আর পোচ একসঙ্গে রেডি হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

ম্যাসাজ কেন করাবেন

ম্যাসাজ কেন করাবেন

যারা দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত, তাদের পায়ে ও কোমরে নানা সমস্যা ও ব্যথা থাকে। এ ধরনের অসুবিধের ক্ষেত্রে তেল মালিশ করালে নিশ্চিতভাবেই উপকার পাবেন।

ম্যাসাজ বা মালিশের উপকার অনেক। আমাদের দেশে শিশুকে তেল মালিশ করে রোদে শুইয়ে রাখা হয়। বয়স্করাও নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ের জন্য ম্যাসাজের ওপর খুব জোর দেন।

তেল মালিশের আরও উপকারিতা আছে। চলুন তার কয়েকটির সঙ্গে পরিচিত হয়ে নিই।


টেনশন তাড়ায়

কাজের চাপে পাগল হওয়ার জোগাড়; বাড়িতে সংসারের হাজারো দায়দায়িত্ব। এ রকম পরিস্থিতিতে একবার ম্যাসাজ করে দেখুন। আপনার স্ট্রেস হরমোন আর টক্সিন তাড়াবে ম্যাসাজ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ঝরঝরে অনুভব করবেন।

ব্যথা কমায়

যারা দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত, তাদের পায়ে ও কোমরে নানা সমস্যা ও ব্যথা থাকে। এ ধরনের অসুবিধার ক্ষেত্রে তেল মালিশ করালে নিশ্চিতভাবেই উপকার পাবেন। কমানো সম্ভব বাত, মাইগ্রেন, রিউম্যাটয়েড আরথ্রাইটিসের ব্যথাও। তবে যিনি ম্যাসাজ করছেন, তিনি কতটা দক্ষ, সে বিষয়ে আগে নিশ্চিত হয়ে নিন। একমাত্র তা হলেই যথাযথ ফল পাবেন।

পেশির সমস্যায়

যারা নিয়মিত ব্যায়াম অথবা খেলাধুলা করেন, তাদের পেশিতে অনেক সময় টান পড়ে। এ ধরনের সমস্যায় ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে ম্যাসাজ। সেই সঙ্গে পেশির নমনীয়তা বাড়াতেও এটি দারুণ কার্যকর।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া উপায়

অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া উপায়

পাকা পেঁপে, বেসন বা আটা, অ্যালোভেরা জেল, দুধের সর একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ঘন একটা প্যাক তৈরি করে নিন। পুরো শরীরে মোটা করে লাগান। শুকনো হওয়ার অপেক্ষা করুন। একেবারে শুকিয়ে গেলে একটা পরিষ্কার কাপড় নিয়ে ঘষে ঘষে প্যাকটা তুলে ফেলুন।

লোমহীন ঝকঝতে ত্বক কে না চায়। তবে সেটা পেতে গিয়ে ওয়্যাক্সিং, থ্রেডিং, শেভিং বা ইলেকট্রোলাইসিসের মতো পদ্ধতিগুলো ত্বকের ক্ষতি করে। রুক্ষ হয়ে পড়ে ক্রমশ। তারচেয়ে ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য নিন, যা ত্বকের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করবে এবং ধীরে ধীরে আপনি লোমমুক্ত হবেন। এর প্রতিটি উপায়ই যে নিরাপদ, তা নিয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহই নেই!

অ্যালোভেরা জেলের প্যাক

চার-পাঁচ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন। তার মধ্যে লেবুর রস, মধু, আধা চা-চামচ চালের গুঁড়ো বা সুজি আর অলিভ অয়েল মেশান। চামচ দিয়ে নেড়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। প্যাকাটি চোখের চারপাশ বাদ দিয়ে লাগিয়ে নিন পুরো শরীরে ও পিঠে। একেবারে শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি ছিটিয়ে দিন প্যাকের ওপর। চক্রাকারে খুব আলতো স্পর্শে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে প্যাকটা তুলে ফেলুন। ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নিন।

হলুদের প্যাক

কাঁচা হলুদ বেটে নিন। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে পূর্ণ ননীযুক্ত দুধ বা দই এবং তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রে গোলাপজল মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। সারা শরীরে, বিশেষ করে মুখে প্রতিদিন লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা অপেক্ষার পর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করা যায়। ধীরে ধীরে বুঝতে পারবেন যে লোম ক্রমশ হালকা হয়ে আসছে। যাদের রোম বেশি ঘন, তারা এই প্যাকে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। লেবুর রস ব্লিচ হিসেবেও কাজ করবে।

পাকা পেঁপের প্যাক

পাকা পেঁপে, বেসন বা আটা, অ্যালোভেরা জেল, দুধের সর একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ঘন একটা প্যাক তৈরি করে নিন। পুরো শরীরে মোটা করে লাগান। শুকনো হওয়ার অপেক্ষা করুন। একেবারে শুকিয়ে গেলে একটা পরিষ্কার কাপড় নিয়ে ঘষে ঘষে প্যাকটা তুলে ফেলুন। যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তারা কাপড়টা নারকেল তেলে ভিজিয়ে নিয়ে প্যাক তুলুন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করলে বাড়তি লোমের হাত থেকে নিষ্কৃতি তো মিলবেই, ত্বক থাকবে কোমল।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

রান্নার উপযুক্ত তেল

রান্নার উপযুক্ত তেল

গ্রিল করা বা কড়া তাপে ভাজার জন্য আদর্শ অ্যাভোকাডো তেল। খুব বেশি তাপেও তেলে কোনো বিক্রিয়া হয় না। সমস্যা একটাই, দাম খুব বেশি।

রান্নায় আমরা সাধারণত সয়াবিন তেল ব্যবহার করি। তবে সব খাবারের জন্য একই তেল ব্যবহার করা ঠিক না। রান্না, ভাজাপোড়া, স্টেক ইত্যাদি রান্নায় উপযুক্ত তেল ব্যবহার করা স্বাস্থ্যকর। চলুন দেখে নিই, কোন রান্নায় কোন ধরনের তেল ব্যবহার করবেন।

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েলের ফ্লেভার খুব হালকা। অল্প তেলে ভেজে যেসব রান্না করা হয়, তার জন্য এই তেল আদর্শ। রসুন, চিকেন, চিংড়ি ইত্যাদি অলিভ অয়েলে রান্না করুন। হোয়াইট সস আছে বা চিজ দেয়া হচ্ছে এমন রান্নার জন্যও অলিভ অয়েল আদর্শ। তবে মনে রাখবেন, এটি ডিপ ফ্রাইংয়ের জন্য ভালো নয়। ডুবোতেলে মুচমুচে করে কিছু ভাজতে গেলে তেলের উত্তাপ যা হওয়া উচিত, তাতে অলিভ অয়েল পুড়ে যাবে।

বাদাম তেল

ডিপ ফ্রাই করার জন্য আদর্শ বাদাম তেল। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বাদাম তেলে ভাজাভুজি করলেও কোনো বিশেষ খাবারের স্বাদ তেলে প্রবেশ করে না। তাই চিকেন পকোড়া ভাজার পরে সেই তেলেই আপনি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ভেজে নিতে পারবেন স্বচ্ছন্দে!

অ্যাভোকাডো তেল

গ্রিল করা বা কড়া তাপে ভাজার জন্য আদর্শ অ্যাভোকাডো তেল। খুব বেশি তাপেও তেলে কোনো বিক্রিয়া হয় না। সমস্যা একটাই, দাম খুব বেশি।


সরষের তেল

রান্নাবান্না ও ভাজাভুজির জন্য আদর্শ। বেশি তাপ সহ্য করতে পারে। নিজস্ব গন্ধ আর ফ্লেভারের জন্য কাঁচাও ছড়িয়ে দেয়া যায় বিশেষ বিশেষ রান্নার ওপর। চেষ্টা করুন নন-রিফাইন্ড তেল ব্যবহার করার।


সয়াবিন তেল

কোনো ফ্লেভার শোষণ করে না, কোনো খাবারে নিজস্ব স্বাদ বা গন্ধও যোগ করে না। তাই ভাজাপোড়ার জন্য খুব ভালো। কেক বেক করার জন্যও আজকাল মাখনের বদলে সয়াবিন তেলের পরীক্ষামূলক ব্যবহার হচ্ছে।


নারকেল তেল

মাখনের পরিবর্তে নারকেল তেল দিয়ে রান্নার চেষ্টা চলছে গোটা উন্নত বিশ্বে। বিশেষ করে ভেগান রেসিপির ক্ষেত্রে তা অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে বহুদিন ধরেই নারকেল তেল দারুণ জনপ্রিয়। দক্ষিণ ভারতে নারকেল তেলই রান্নার প্রধান মাধ্যম। ভাজাভুজিও করা যায় স্বচ্ছন্দে।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

লকডাউনে পায়ের ব্যায়াম

লকডাউনে পায়ের ব্যায়াম

থাইয়ের সামনের দিকের মাসল হচ্ছে কোয়াড্রিসেপ। বড় এবং লম্বা পেশি। এটি শক্তিশালী হলেই ব্যালান্স ঠিক থাকবে, চলায় আসবে গতি ও ছন্দ।

সুস্থ থাকার জন্য আমাদের ব্যায়াম করতে হবে। বিশেষ করে লকডাউনের বন্দিদশায় ব্যায়াম না করলে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে আরম্ভ করবে। টোনড চেহারা ধরে রাখাও মুশকিল হবে। এদিকে জিম বা হেলথ ক্লাব খোলা নেই। তাই যা করার, করতে হবে বাড়িতে থেকেই।

আমাদের পায়ের মাসলগুলো আকারে বড়। ব্যায়াম করতে আরম্ভ করলে ব্যথা হবে। পেশিতে টানও ধরতে পারে। তাতে ভয় পাবেন না। ব্যায়াম শুরুর আগে ও পরে খুব ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ পেশির স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে।

ব্যায়াম করতে হবে হাঁটু বাঁচিয়ে। হাঁটুতে চোট লাগলে ভুগতে হতে পারে। খুব ভালো হয় যদি নি-গার্ড পরে ব্যায়াম করা যায়। নি-গার্ড না থাকলে মোটা কাপড়ের টুকরো বেঁধে নিলেও চলবে। চেষ্টা করুন ব্যায়ামের উপযোগী জুতো পরতে। তাতে পা সুরক্ষিত থাকে। জুতোর সঙ্গে মোজা পরলে ভালো। তাতে বাড়ে পায়ের নিরাপত্তা।

আমাদের পায়ের প্রধান মাসল গ্রুপ তিনটি, কোয়াড্রিসেপস, হ্যামস্ট্রিং আর কাফ।

থাইয়ের সামনের দিকের মাসল হচ্ছে কোয়াড্রিসেপ। বড় এবং লম্বা পেশি। এটি শক্তিশালী হলেই ব্যালান্স ঠিক থাকবে, চলায় আসবে গতি ও ছন্দ।

থাইয়ের পেছন দিকের লম্বা মাসল হল হ্যামস্ট্রিং। খুব চোটপ্রবণ এই মাসল এবং সেই চোট দীর্ঘদিন ভোগায়। তাই হ্যামস্ট্রিং শক্তপোক্ত রাখার জন্য বিশেষ কিছু ব্যায়াম করা একান্ত প্রয়োজনীয়।

অনেকেই পায়ের যত্ন করতে গিয়ে অবহেলা করেন কাফ মাসলের। এটা ঠিক না। আপনার শরীরের ওজনের অনেকটাই বহন করে কাফ মাসল। তাই ব্যায়াম করার সময় তার দিকেও নজর দিতেই হবে।

নানা ধরনের স্কোয়াট আর লাঞ্জেস পায়ের সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম। ইউটিউব দেখে ব্যায়ামগুলো শিখে নিন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা করুন।

কাফ মাসল আর নিতম্বের পেশির নানা ব্যায়াম হয়, বাদ দেবেন না সেগুলিও। অতি অবশ্যই পায়ের ব্যায়াম করার পর ম্যাসাজ করতে হবে। প্রথম দিকে একদিন ব্যায়াম করার পর অন্তত দুই দিন বিশ্রাম দিন পায়ের পেশিকে। চোট সারিয়ে শক্তি সংগ্রহ করতে তার এটুকু সময় লাগবে।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন

সাদা স্নিকার্স সাদা রাখার উপায়

সাদা স্নিকার্স সাদা রাখার উপায়

যারা জুতার সাদাভাব বজায় রাখার জন্য ব্লিচ ব্যবহার করেন, তারা একটু বেশি সতর্ক থাকবেন। কারণ ব্লিচের পরিমাণে একটু এদিক-ওদিক হয়ে গেলেই জুতার সাদাভাব ধীরে ধীরে কেটে হলদেটে হয়ে যাবে৷

সাদা স্নিকার্স বা কেডস দেখতে দারুণ। সমস্যা একটাই, সাদা রঙের উজ্জ্বলতা বজায় রাখা৷ যত দিন যায়, স্নিকার্স তত ময়লা হতে থাকে৷ তবে হতাশ হবেন না। একটু চেষ্টা করলেই আপনার স্নিকার্স হবে আগের মতোই ধবধবে সাদা। চলুন উপায়টা দেখে নিই।

ঘনঘন রাবারের সোল পরিষ্কার করুন

স্নিকার্সের রাবারের সোল আর পাশের দিকগুলোতে ময়লা বসতে দেয়া যাবে না। পুরোনো টুথব্রাশে সাবানপানি লাগিয়ে জুতার সোলটা পরিষ্কার করে নিন৷ তাতে জুতা বেশি দিন ভালো থাকবে৷ কড়া দাগ তুলতে পুরোনো কাপড়ে ভিনিগার নিয়ে দাগের ওপর ভালো করে ঘষুন৷ জুতার ফিতে খুলে কুসুম গরম সাবানপানিতে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন৷

ক্যানভাসের স্নিকার্স পানিতে ডুবিয়ে ব্রাশ করুন

ক্যানভাসের স্নিকার্স প্রথমে পানিতে ধুয়ে নিন৷ তারপর ডিটারজেন্ট আর বেকিং সোডা এক : দেড় অনুপাতে মিশিয়ে পানি দিয়ে মিশ্রণ বানান৷ সেই মিশ্রণ জুতার ওপর লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন৷ তারপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে সমস্ত ময়লা তুলে ফেলুন। এরপর পুরোনো কাগজের রোল বা টিস্যু পেপার জুতার মধ্যে ঢুকিয়ে ফ্যানের নিচে রেখে দিন৷ তাতে জুতাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে৷ রোদে জুতা শুকাবেন না। তাতে সোল শক্ত হয়ে যাবে, পরবর্তীকালে ফেটেও যেতে পারে৷ জুতা ভালো করে শুকিয়ে গেলে হোয়াইটনার ব্যবহার করুন।

ব্লিচ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্ক থাকুন

যারা জুতার সাদাভাব বজায় রাখার জন্য ব্লিচ ব্যবহার করেন, তারা একটু বেশি সতর্ক থাকবেন। কারণ ব্লিচের পরিমাণে একটু এদিক-ওদিক হয়ে গেলেই জুতার সাদাভাব ধীরে ধীরে কেটে হলদেটে হয়ে যাবে৷ আপনি যে ব্র্যান্ডের ব্লিচ ব্যবহার করছেন, তার প্যাকেটের গায়ে নিশ্চয়ই ব্যবহারযোগ্য পরিমাণটাও উল্লেখ করা আছে। সেটা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলাটাই ভালো।

আরও পড়ুন:
কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা

শেয়ার করুন