কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান

কানের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া সমাধান

এখানে দেওয়া টিপসগুলো আপনাকে সাময়িক আরাম দেবে ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। কিন্তু তা আপনার কানকে সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে না।

কানে ব্যথা শুরু হবার কোনো সময়-অসময় নেই। দুপুরে, মাঝ রাতে, ভোরে যেকোনো সময় কান টনটন করতে পারে।

সাধারণত কানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে ব্যথা হয়। পুরোনো সর্দিকাশি থেকেও এটা হতে পারে।

কানে পানি ঢুকে সংক্রমণ হলেও ব্যথা হয়।

এরকম পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ছাড়া উপায় নেই। তবে চিকিৎসকের কাছে যাবার আগে ঘরোয়া পদ্ধত্তিতে কানের ব্যথা কমানোর টিপস জানাচ্ছেন ডা. মনোয়ার হোসেন।

১. গরম শেক নিলে কানের ব্যথায় উপকার পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, যাদের কানে পুঁজ জমেছে তারা গরম শেক দিলে পুঁজ ঝরে যাবে। কমে যাবে ব্যথাও।

গরম পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। যে কানে ব্যথা, তার উপরে ভেজা কাপড়টা দিয়ে মিনিট দুই রাখুন। তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে পুঁজটা বেরিয়ে যেতে দিন।


২. দুই চা চামচ অলিভ অয়েলে দুই কোয়া রসুন দিয়ে গরম করুন। রসুন দেয়ার আগে সেটা থেঁতলে নিন। তেল গরম হলে ছেঁকে নিয়ে ব্যথাযুক্ত কানে দুই তিন ফোঁটা দিন। দুই ঘণ্টার পর পর তেল দিলে কিছুটা ব্যথা কমবে।

৩. নিমপাতার রস ব্যথা কমাতে পারে। বেশ কয়েকটা পরিষ্কার নিমপাতা পাটায় থেঁতলে রস বের করুন। দুই তিন ফোটা রস সরাসরি কানে দিন। চাইলে নিমের তেলে কানে দিয়ে একভাবে শুয়ে থাকুন। ব্যথা কমবে।

৪. ভিনেগারের মধ্যে যে অ্যাসিড থাকে তা কানের সংক্রমণ কমাতে পারে। সমপরিমাণে সাদা ভিনিগার আর রাবিং অ্যালকোহল একটা পাত্রে নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ড্রপার দিয়ে সংক্রমিত কানে দুই তিন ফোটা দিন। পাঁচ মিনিট ওভাবেই শুয়ে থাকুন। তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে তরলটা কান থেকে বের করে দিন।

মনে রাখতে হবে কানে যদি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে থাকে, তাহলে এখানে দেয়া টিপসগুলো আপনাকে সাময়িক আরাম দেবে ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

কিন্তু তা আপনার কানকে সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে না। এগুলো চিকিৎসার বিকল্প পদ্ধতি নয়। তাই ব্যথা সাময়িক কমে গেলেও অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আমেরিকার বিমানবন্দরে কেন মুসলিম বিদ্বেষ, করণীয় কী?

আমেরিকার বিমানবন্দরে কেন মুসলিম বিদ্বেষ, করণীয় কী?

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এক নারী যাত্রী। ছবি: এএফপি

টিএসএর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকায় দেখা যায়, যাত্রীদের প্রতি ভদ্র, কিন্তু সতর্ক আচরণ করতে বলা হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে- এমন উঁচু গলার আওয়াজ বা শারীরিক ভঙ্গি প্রদর্শন না করার নির্দেশ রয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হিজাব ও বোরকার মতো ঢিলেঢালা পোশাকে নিষিদ্ধ বস্তু লুকিয়ে রাখা সম্ভব। তবে ধর্মীয় কারণে যাত্রীদের এটা খুলে ফেলতে বাধ্য করা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় প্রায়ই বিমানবন্দরে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হন মুসলিম যাত্রীরা। এমন অভিজ্ঞতা, সংকটে করণীয় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ভিত্তিক ওয়েবসাইট ভাইস। নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য সেটি অনুবাদ করেছেন রুবাইদ ইফতেখার


নাইন-ইলেভেন হামলার জের ধরে ট্রান্সপোর্ট সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিসিএ) প্রতিষ্ঠার পর অনেক মুসলিমের জন্য গত ২০ বছরে আমেরিকান বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বছরের পর বছর বিমানবন্দরে ইসলামোফোবিয়ার (ইসলাম বিদ্বেষ) শিকার হওয়া মানুষের কী করা উচিৎ সেটি নির্ধারণ করে দেয়া বেশ কঠিন।

সূক্ষ্ম ও স্থূল দুইভাবেই বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন অনেকে। টিএসএ প্রি-চেক করার পরেও স্বাভাবিক সময়ের দুই-তিন ঘণ্টা আগেই বিমানবন্দরে উপস্থিত হন তাসমিহা খান। টিএসএর জন্য এর আগে বেশ কয়েকবার তার বিমানে চড়তে দেরি হয়েছে। একটি ঘটনা বিশেষভাবে মনে আছে তাসমিহার; ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে স্বামী-সন্তান ও মাসহ তাকে চেকপয়েন্টে আটকানো হয়।

ইলিনয় রাজ্যের বাসিন্দা তাসমিহা বলেন, ‘(আমার ও আমার মার) দুজনের পরনেই হিজাব ছিল। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, তারা শুধু আমাদের ডেকেছে।’

টিএসএর কর্মকর্তারা তাকে একটা বডি স্ক্যানারের মধ্যে দিয়ে যেতে বলেন। তাসমিহা অস্বস্তি প্রকাশ করলে তাকে জানানো হয়, স্ক্যানারে না গেলে শরীরে হাত দিয়ে তল্লাশি করা হবে।

টিএসএর এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার অস্বস্তি প্রতিবারই তাসমিহা অনুভব করেন।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি খুবই অপমানজনক। প্রতিবার ফ্লাইটে চড়তে আমি ভয় পাই, কারণ একই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ফ্লাইট ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকলে সেভাবে আমি যেতাম। মুসলিম হওয়া দৃশ্যত আমাকে একটি টার্গেটে পরিণত করেছে।’

তাসমিহার অভিজ্ঞতা ইসলামবিদ্বেষের এমন একটি ধরন যেটি কঠোর কোনো পরিস্থিতি থেকে উদ্ভব হয়। মুসলিম যাত্রীদের টিএসএ চেকপয়েন্টে বিদ্বেষের শিকার হওয়ার বিষয়টি ফ্রিডম অফ ইনফরমেশন অ্যাক্টের (এফওআইএ) অধীনে করা অভিযোগগুলো দেখলেই বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে পরের বছর ফেব্রুয়ারির মধ্যে মুসলিম যাত্রীদের প্রতি ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অফিসারদের (টিএসও) করা অপমানসূচক মন্তব্য, জোরপূর্বক তল্লাশি ও আটকসহ বিদ্বেষমূলক আচরণের অন্তত ৭৫টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এফআইওয়ের কাছ থেকে পাওয়া টিএসএর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকায় দেখা যায়, যাত্রীদের প্রতি ভদ্র, কিন্তু সতর্ক আচরণ করতে বলা হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে- এমন উঁচু গলার আওয়াজ বা শারীরিক ভঙ্গি প্রদর্শন না করার নির্দেশ রয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হিজাব ও বোরকার মতো ঢিলেঢালা পোশাকে নিষিদ্ধ বস্তু লুকিয়ে রাখা সম্ভব। তবে ধর্মীয় কারণে যাত্রীদের এটা খুলে ফেলতে বাধ্য করা যাবে না।

জমা পড়া অসংখ্য অভিযোগের মধ্যে আছে, চেকিংয়ের সময় সূক্ষ্ম ও স্থূল বিদ্বেষ ঘটনা এবং জোরপূর্বক তল্লাশির অনেক উদাহরণ। কিছু ক্ষেত্রে অহেতুক যাত্রীর শরীরে হাত দিয়ে তল্লাশি করা হয়েছে, সেই সঙ্গে ছিল ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্য (এক যাত্রী অভিযোগ করেন, টিএসও কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমি হিজাব পছন্দ করি না’), জোর করে তল্লাশির সময় এক যাত্রীর স্তনে হাত দেয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

টিএসএর এক মুখপাত্র অবশ্য এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, এই নিরাপত্তা তল্লাশি যাত্রীর ‘জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ, ধর্ম বা প্রতিবন্ধিতা’ নির্বিশেষে করা হয়। টিএসএর ওয়েবসাইটে তল্লাশি প্রক্রিয়া ও সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীলতার গাইডলাইন দেয়া আছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি বিদ্বেষমূলক আচরণের ঘটনা আদতে জানাই যায়নি। গবেষণায় দেখা গেছে, বিমানবন্দরের পাশাপাশি প্রাত্যহিক জীবনে ইসলাম বিদ্বেষ ও ঘৃণামূলক অপরাধ এখনও বিদ্যমান। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (সিএআইআর) ২০২১ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ছয় হাজারের বেশি অভিযোগ পেয়েছে, যার বেশিরভাগই ছিল বিদ্বেষ সংক্রান্ত।

ভ্রমণে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ এবং টিএসএর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ইসলাম বিদ্বেষের শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করা যায় সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।



বৈষম্যের শিকার হলে, ওই মুহূর্তের যতটা সম্ভব তথ্য সংরক্ষণের চেষ্টা করুন

বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হলে কী কী তথ্য যোগাড় করতে হবে সে বিষয়ে সিএআইআরের ‘নিজের অধিকার জানুন’ ফ্যাক্ট শিটে তথ্য দেয়া আছে। সাধারণত প্রতিষ্ঠানটি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইডি নম্বর ও নাম লিখে রাখার পরামর্শ দেয়। এছাড়া আপনি টিএসও কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করতে পারেন, আপনাকে আলাদা করে ডাকা হয়েছে কিনা। সিএআইআরের গাইডলাইনে আরও বলা আছে, আশেপাশের কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর ফোন নম্বরও আপনি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।

আইনি, শিক্ষামূলক ও নীতিগত সহয়তা দেয়া নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠান মুসলিম অ্যাডভোকেটের আইনজীবী সানা আনসারি বলেন, ‘আপনি অভিযোগ করতে চাইলে যতটুকু সম্ভব বিস্তারিত তথ্য দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। যেমন এয়ারলাইনের নাম, ফ্লাইট নম্বর, নির্দিষ্ট সময়, প্রত্যক্ষদর্শীদের নাম এবং সংশ্লিষ্ট টিএসএ কর্মকর্তাদের নাম।’

তিনি বলেন, ‘এ রকম চাপের মুখে দ্রুত কোনো ঘটনা লিখে রাখা কঠিন, কিন্তু যতটুকু সম্ভব নিজের ফোনে, কোনো কাগজে বা দুই জায়গাতেই এগুলোর বিস্তারিত লিখে রাখার চেষ্টা করুন।’

অভিযোগ করবেন কোথায় সেটা ঠিক করুন

সানা আনসারি বলেন, বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার যাত্রীরা টিএসএ, ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস), ডিএইচএস অফিস ফর সিরভিল রাইটস অ্যান্ড সিভিল লিবার্টিসের যে কোনটিতে বা তিনটিতেই অভিযোগ করতে পারেন। টিএসএর কাছে অভিযোগ জানাতে চাইলে দ্রুত সেটি করতে হবে, কারণ টিএসএ ১৮০ দিনের মধ্যে অভিযোগ আমলে নেয়। তাছাড়া দ্রুত অভিযোগ করলে সে সংক্রান্ত বিস্তারিত বিষয়গুলোও আপনার মনে থাকবে।

অভিযোগ করার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, এটি আপনার নাগরিকত্বের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা। আপনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করে থাকলে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে আপনাকে ব্যক্তিগত তথ্য টিএসর সামনে নিয়ে আসতে হবে। টিএসএ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ব্যবস্থার একটি অংশ। ফলে বাড়তি যাচাইয়ের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আনসারি জানান, আপনি যদি সরকারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চান তাহলে মুসলিক অ্যাডভোকেসির মতো সংস্থাগুলো আইনিভাবে সহায়তা করবে বা আপনার প্রতিনিধিত্ব করবে।

দেশে প্রবেশের সময় কাস্টমস যে সব যাত্রীর ফোন নিয়ে গেছে, নো-ফ্লাই তালিকায় নাম থাকার কারণে যে সব যাত্রী ভিনদেশে আটকা পড়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়রানির কারণে যেসব ব্যক্তি দেশ ছেড়েছেন সিএআইআর তাদের ঘটনা শুনেছে ও প্রতিনিধিত্ব করেছে।

মামলা করার বিষয়টিতে কিছু চ্যলেঞ্জ রয়েছে। মুসলিম অ্যাডভোকেটসের সাবেক আইনজীবী ম্যাথিউ ক্যালাহান জানান, মামলার বিষয়টি সময় ও খরচ সাপেক্ষ। অনেকেই মামলার বিষয়ে সহায়তা চান, কিন্তু নিজেদের নাম প্রকাশ্যে আসা নিয়ে সংকোচবোধ করেন। নিজের অফিস ও সহকর্মীরা সন্দেহের চোখে দেখতে পারেন এমন ধারণা থেকেই এই সংকোচ।



আপনার অধিকার চর্চা ও পদক্ষেপ নেয়া আরেকজনকে সহায়তা করতে পারে



বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হয়েও অনেকে অভিযোগ করেন না। এর কারণ হলো, তারা বিষয়টি স্বীকার করার দায়িত্ব নিতে চাযন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি দুর্ভাগ্যজনকভাবে জনগণের অধিকার লঙ্ঘনের দায় থেকে সরকারকে জবাবদিহিতামুক্ত রাখে।

সানা আনসারি বলেন, ‘টিএসএ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার টার্গেট হওয়া ও বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঘটনা অপমানজনক, হতাশাজনক ও ক্লান্তিকর অভিজ্ঞতা। তবে আমি অবাক হব না যদি এমন কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েও কেউ পুরো বিষয়টিকে ভুলে যেতে চান।’

আনসারি যোগ করেন, ‘যে সব মুসলিম মনে করেন, অভিযোগ করে কোনো লাভ হবে না; তাদেরকেও অভিযোগ জমা দিতে উৎসাহ দিচ্ছে মুসলিম অ্যাডভোকেটস।’

তিনি বলেন, ‘গত ২০ বছরের একটি ইতিবাচক পরম্পরা হচ্ছে, আমেরিকান মুসলিমরা নিজেদের কথা জানাতে শুরু করেছেন। তারা সরকারি অফিসে যাচ্ছেন, আমেরিকান মুসলিম হওয়ার অভিজ্ঞতা অন্যদের বলছেন কিংবা বৈষম্যমূলক অভিযোগগুলো দাখিল করছেন। অভিযোগ করার মাধ্যমে অন্যায়কে আপনি প্রকাশ্যে আনছেন।

‘কেউ যদি টিএসএ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বৈষম্যমূলক আচরণ সম্বন্ধে কথা না বলেন, তাহলে মুসলিম অ্যাডভোকেটসের মতো সংস্থাগুলো সমস্যা অনুধাবন করতে পারবে না এবং আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে পারবে না।’

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু রোগীর খাবার

ডেঙ্গু রোগীর খাবার

ডেঙ্গু হলে শরীরে তরল পদার্থের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। ডাবে রয়েছে ইলেকট্রোলাইটসের ঘাটতি পূরণের সব উপাদান। তাই এ সময় বেশি করে ডাবের পানি পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি রোগীর খাবারের দিকেও মনোযোগী হতে হবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর দ্রুত সেরে ওঠার জন্য ডাক্তাররা কিছু খাবার খেতে পরামর্শ দেন। চলুন দেখে নেই, সেই খাবারগুলো কী কী।

কমলা

কমলা ও কমলার রস ডেঙ্গু জ্বরে ভালো কাজ করে। এতে আছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই দুটি উপাদান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ করে।

ডালিম

ডালিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। যদি আপনি নিয়ম করে ডালিম খান, তাহলে বেড়ে যাবে প্লাটিলেটের সংখ্যা। এই উপকারি ফলটি খেলে ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভূতিও দূর হবে।

ডাবের পানি

ডেঙ্গু হলে শরীরে তরল পদার্থের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। ডাবে রয়েছে ইলেকট্রোলাইটসের ঘাটতি পূরণের সব উপাদান। তাই এ সময় বেশি করে ডাবের পানি পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

পেঁপে পাতার জুস

ডেঙ্গু হলে রোগীর শরীরে কমে যেতে পারে প্লাটিলেট। তাই এ সময় আপনার উপকার করতে পারে পেঁপে পাতা। পেঁপে পাতায় পাপাইন এবং কিমোপেইনের মতো এনজাইমসমৃদ্ধ, যা হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি করতে পারে প্লাটিলেটের পরিমাণও। সেজন্য আপনাকে প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ এমএল পেঁপে পাতার তৈরি জুস খেতে হবে।

হলুদ

ডেঙ্গু জ্বরে কাজে আসতে পারে হলুদও। এর জন্য আপনাকে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পান করতে হবে। এটি আপনাকে অতিদ্রুত সুস্থ করে তুলবে।

মেথি

ডেঙ্গু হলে কাজে আসবে মেথি। এটি অতিরিক্ত জ্বর কমিয়ে আনতে কাজ করে। তবে মেথি গ্রহণ করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ব্রুকলি

ব্রুকলি ভিটামিন কে এর উৎস। অন্যদিকে ভিটামিন কে রক্তের প্লাটিলেট বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং খনিজ সমৃদ্ধ। যদি কোনো ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন; তাহলে অবশ্যই তাকে বেশি করে ব্রুকলি খেতে দিতে হবে।

পালংশাক

পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়। এটি আবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। এই শাকটি বেশি করে গ্রহণ করলে অতিদ্রুত প্লাটিলেট বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন

ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন

শক খাওয়া ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিয়ে হৃৎপিণ্ড চালুর চেষ্টা করুন। এ সময় রোগীর মুখ দিয়ে বাতাস প্রবেশ করিয়ে শ্বাস নেয়ার ব্যবস্থা করুন।

আমাদের সবার বাড়িতেই ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি আছে। এসব চালাতে গিয়ে অসাবধানতায় ইলেকট্রিক শক খাওয়ার ঘটনাও বেড়ে চলছে। তাই ইলেকট্রিক দুর্ঘটনার ব্যাপারে জানা থাকা খুব জরুরি। একটু সচেতনতা বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনকে।

চলুন আজ দেখে নেই, কেউ ইলেকট্রিক শক খেলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে।

১. কেউ ইলেকট্রিক শক খেলে তাকে ধরা যাবে না। তেমন করলে আক্রান্তকে তো বাঁচাতে পারবেনই না, উল্টো আপনিও একই সঙ্গে শক খাবেন।

২. কেউ শক খেয়েছে বুঝতে পারলে প্রথমেই কারেন্টের সুইচ বন্ধ করুন। যদি সম্ভব না হয় তাহলে শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা পলিথিন ব্যাগে হাত মুড়িয়ে শক খাওয়া ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে ইলেকট্রিক শকের উৎস থেকে আলাদা করে দিন। যদি কিছুতেই কাজ না হয়, তাহলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিন।

৩. শক খাওয়া ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়ার ব্যবস্থা করুন। সাধারণত বলা হয় যে ৩ মিনিটের ভেতর কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা গেলে ১০ জনের ভেতর ৭ জনকে বাঁচানো সম্ভব। দেরি করলে বাঁচানোর সম্ভাবনা কমে আসে। এমন জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার ওপর আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নির্ভর করে। একই সঙ্গে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থাও করুন।

৪. শক খাওয়া ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিয়ে হৃৎপিণ্ড চালুর চেষ্টা করুন। এসময় রোগীর মুখ দিয়ে বাতাস প্রবেশ করিয়ে শ্বাস নেয়ার ব্যবস্থা করুন।

৫. শক খাবার পরও শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকে তবে খুব বেশি ভয়ের কিছু নেই। রোগীকে শুয়ে থাকতে বলুন। এ সময় একজন ডাক্তারকে খবর দিন অথবা হাসপাতালে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন

রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন

রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়ি নিয়ন্ত্রণের লাইটের সংকেত দেখে নিন। লাল, হলুদ ও সবুজ বাতির সংকেত মেনে চলুন।

বিভিন্ন কারণে আমাদের রাস্তা পারাপার হতে হয়। এ সময় সতর্ক না হলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আজ রাস্তা পার হবার কিছু নিয়ম জেনে নিন।

১. রাস্তা পার হবার জন্য ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করুন। সেটা না থাকলে জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করুন। দুটির একটিও না থাকলে সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হোন।

২. মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হবেন না। কারণ এ সময় ছুটে আসা যানবাহনের বদলে মনোযোগ থাকে ফোনে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

৩. রাস্তায় পার হওয়ার সময় গাড়ি নিয়ন্ত্রণের লাইটের সংকেত দেখে নিন। লাল, হলুদ ও সবুজ বাতির সংকেত মেনে চলুন।

৪. রাস্তা পারাপারের সময় সঙ্গে শিশু থাকলে তাকে কোলে তুলে নিন। সম্ভব না হলে শক্ত করে হাত ধরে রাখুন।

৫. রাস্তা পারাপারের সময় দৌড় দেয়া যাবে না। ডানে-বামে দেখে, স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে রাস্তা পার হোন।

৬. রাস্তা পার হওয়ার সময় অবশ্যই সেই চিরায়ত নিয়ম প্রথমে ডানে, তারপরে বাঁয়ে; তারপরে পেছনে, তারপরে সামনে, সব শেষে ডানে তাকিয়ে রাস্তা পার হোন।

৭. চৌরাস্তা দিয়ে রাস্তা পার হওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এসব জায়গা দিয়ে রাস্তা পার হবেন না।

৮. শিশু-কিশোরদের একা রাস্তা পার হওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করুন। এ ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশের সাহায্য নিতে শেখান। পুলিশ পাওয়া না গেলে কমপক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক কারও সাহায্য নিয়ে রাস্তা পার হতে বলুন।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

শ্যাম্পু করবেন যেভাবে

শ্যাম্পু করবেন যেভাবে

তেলটা যত ভালোভাবে মালিশ করবেন, তত বাড়বে রক্ত চলাচলের হার। গোড়া আলগা হয়ে যাওয়া চুল পড়ে যাবে, ভেতর থেকে উঠে আসবে নতুন চুল।

সপ্তাহে এক-দুইবার শ্যাম্পু আমরা সবাই করি। তবে এটা যেনতেনভাবে করলে চুলের কোনো লাভ হয় না। শ্যাম্পু করার আগে-পরে মানতে হয় কিছু সাধারণ নিয়ম। চলুন সেগুলো দেখে নেই।


শ্যাম্পুর আগে

শ্যাম্পু করার আগে আপনার পছন্দের তেল দিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তেলের মধ্যে যেন মিনারেল অয়েল এবং সুগন্ধি না থাকে, সেটা দেখে নিতে হবে। কোল্ড প্রেসড নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল অথবা কাঠবাদামের তেল লাগানো যায়। তেলটা যত ভালোভাবে মালিশ করবেন, তত বাড়বে রক্ত চলাচলের হার। গোড়া আলগা হয়ে যাওয়া চুল পড়ে যাবে, ভেতর থেকে উঠে আসবে নতুন চুল। সেই সঙ্গে আপনার চুল নরম, কোমল থাকবে।

শ্যাম্পু পাতলা করুন

শ্যাম্পু করার আগে সেটা পাতলা করে নিন। শ্যাম্পুর সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মেশালে সেটা ব্যবহার উপযোগী হবে। মাথার মাঝখান থেকে শ্যাম্পু লাগানো শুরু করুন, কপালের কাছ থেকে নয়। নইলে সামনের দিকের চুল রুক্ষ হয়ে যাবে।



কন্ডিশনার ব্যবহার করুন

শ্যাম্পু করার পর ভালো করে কন্ডিশনার লাগান। তারপর একটা মোটা চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন। এতে জট ছাড়বে এবং কন্ডিশনার চুলের সর্বত্র সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে। তিন মিনিট অপেক্ষার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন। মাথার ত্বকে যেন কন্ডিশনার না লাগে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

পাতলা কাপড় দিয়ে চুল মুছুন

শ্যাম্পু করার পর নরম তোয়ালে দিয়ে চুল জড়িয়ে রাখুন। আলতো করে চেপে চেপে পানিটা শুষে নিন। খুব জোরে চুল থেকে পানি ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করবেন না। তাতে চুলের ক্ষতি হবে।



ভেজা চুল আঁচড়াবেন না

ভেজা চুল আঁচড়ানো এবং স্টাইলিং করা, দুটোই ক্ষতিকর। অর্ধেক শুকনো না হলে চিরুনি ব্যবহারেরও দরকারই নেই। চেষ্টা করুন হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল না শুকিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই শুকিয়ে নেওয়ার।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

ফাইভজিতে কী সুবিধা

ফাইভজিতে কী সুবিধা

দ্রুতগতির ইন্টারনেট ফাইভজিতে পাওয়া যাবে অনেক সুবিধা। ছবি: সংগৃহীত

ফাইভজিতে প্রতি সেকেন্ডে ডাউনলোড স্পিড ১০ থেকে ৫০ গিগাবাইট। ফোরজিতে এই গতি ১০ থেকে ২০ মেগাবাইট। অর্থাৎ ফোরজির চেয়ে ফাইভজির গতি ১০০ থেকে ২৫০ পর্যন্ত গুণ বেশি। এ গতিতে নেটফ্লিক্সে ৮কে রেজুলেশনের ৪০০ সিনেমা একবারে দেখা যাবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে চালু করেছে ইন্টারনেটের সবচেয়ে গতিশীল নেটওয়ার্ক ফাইভজি। অনেক দেশ চালু না করলেও পরীক্ষা চালাচ্ছে। বাংলাদেশও ফাইভজি ইন্টারনেটের পরীক্ষা চালিয়েছে।

২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ফাইভজি চালুর কথাও জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। কিন্তু ফাইভজি চালু হলে আমরা কী সুবিধা পাব? চলুন দেখে নিই কয়েকটি সুবিধা।

ডাউনলোড স্পিড

ফাইভজিতে প্রতি সেকেন্ডে ডাউনলোড স্পিড ১০ থেকে ৫০ গিগাবাইট। ফোরজিতে এই গতি ১০ থেকে ২০ মেগাবাইট। অর্থাৎ ফোরজির চেয়ে ফাইভজির গতি ১০০ থেকে ২৫০ পর্যন্ত গুণ বেশি। এ গতিতে নেটফ্লিক্সে ৮কে রেজুলেশনের ৪০০ সিনেমা একবারে দেখা যাবে।

ল্যাটেন্সি কম

তথ্য আদান-প্রদানে সময়ের ব্যবধানই ল্যাটেন্সি। ফাইভজিতে এই ল্যাটেন্সি রেট অনেক কম। ফোরজি তথ্য পাঠায় ১০০ থেকে ২০০ মিলিসেকেন্ডের ভেতর। ফাইভজি এই সময় কমিয়ে আনবে ১ মিলিসেকেন্ডে। ফলে কাঙ্ক্ষিত তথ্য মিলবে রিয়েল টাইমে।

স্বয়ংক্রিয় গাড়ি

স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ফাইভজি ব্যবহার করে, ট্রাফিক সিগন্যাল ও রোড সেন্সরের সঙ্গে সমন্বয় করবে। রাস্তার অন্য গাড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারবে। একটি ঘটনায় মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখাতে সময় লাগে ২০০ মিলিসেকেন্ড। ফাইভজি নেটওয়ার্কে প্রতিক্রিয়া দেখাতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির সময় লাগবে ১ মিলিসেকেন্ড। এতে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে।

যানবাহন চালানো

আগামী দিনে স্বয়ংক্রিয় বা দূর নিয়ন্ত্রিত ট্রেন, ডেলিভারি ট্রাক ও প্লেন চালাতেও ফাইভজি একই সুবিধা দেবে।

রোবট দিয়ে অস্ত্রোপচার

শুধু যানবাহন নয়, বিশ্বের অন্য প্রান্ত থেকেও রোবটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রোপচার সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞ সার্জনরা রোবট দিয়েই জরুরি অবস্থায় সময় ও দূরত্ব কমাতে পারবেন।

রোবটের কাজ

ফাইভজির কারণে ফ্যাক্টরিতে রোবটের সংখ্যাও বাড়বে। তারা একে অন্যকে নিজেদের কাজ ও স্থান সম্পর্কে জানাতে পারবে। এতে তাদের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

ড্রোন দিয়ে কৃষি কাজ

ড্রোনের বহর দিয়ে কৃষি কাজও হবে। দূর নিয়ন্ত্রিত ড্রোন দিয়ে ফসল বাছাই করে তোলা যাবে। সার ও পানি দেওয়াও সম্ভব হবে।

ভিআর গেইমিং

ভিআর হেডসেট পরে রিয়েলটাই খেলা যাবে জনপ্রিয় গেম ফোর্ট নাইট ব্যাটেল ও পাবজি। ল্যাগের কারণে কোনো বাধাও আসবে না। ফাইভজি ব্যবহারে পিসি ও গেমিং কনসোল থেকে সফটওয়্যার সরিয়ে ক্লাউডে রাখা যাবে। ক্লাউড সেবা নিলে, দিতে হবে সাবস্ক্রিপশন ফি। এতে গেমারদের আর দামি ডিভাইস কিনতে হবে না।

এআর

অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তিও আরও উন্নত হবে। ফলে ভার্চুয়াল অনেক কিছু আমরা আমাদের আশপাশেই দেখতে পারব।

পণ্য ডেলিভারি

ই-কমার্স ও কুরিয়ার কোম্পানিগুলো ড্রোন দিয়েই পণ্য ডেলিভারি দেবে। আগামী দিনে বাড়ির দরজায় পণ্য নিয়ে হাজির হবে ড্রোন।

আইওটি

স্মার্টহোমে ব্যবহৃত ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ডিভাইসগুলো সর্বক্ষণ ফাইভজিতে যুক্ত থাকবে। ল্যাটেন্সি রেট কম বলে এত দিন ফোরজি দিয়ে রিয়েলটাইমে আইওটি ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ছিল না। এই সমস্যা এড়ানো যাবে ফাইভজিতে। সব আইওটি ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে রিয়েল টাইমে।

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন

বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?

বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?

বমির ভাব হলে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করুন। বমিভাবের সময় কারও বসে থাকতে আরাম লাগে, কারো শুয়ে। আপনার কীভাবে ভালো লাগে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং সেভাবে থাকুন।

অনেকেই বমির ভয়ে গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, এমনকি জাহাজেও উঠতে ভয় পান। চিকিৎসার ভাষায় এটিকে বলে মোশন সিকনেস। সহজ কয়েকটি নিয়ম মানলে আপনি এই সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে পারেন। এমনকি সমস্যাটি চিরতরেও বিদায় নিতে পারে।

১. যেদিকে যাচ্ছেন সব সময় সেদিকে ফিরে বসার চেষ্টা করুন।

২. জানালা দিয়ে দূরের দৃশ্য দেখার চেষ্টা করুন। কাছের দৃশ্য দেখলে ক্রমাগত দৃশ্যের পরিবর্তনের কারণে মাথা ঘোরায়।

৩. বমির ভাব হলে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করুন। বমিভাবের সময় কারও বসে থাকতে আরাম লাগে, কারো শুয়ে। আপনার কীভাবে ভালো লাগে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং সেভাবে থাকুন।

৪. চোখে-মুখে বাতাস লাগে এমন জায়গায় বসার চেষ্টা করুন।

৫. ভ্রমণের আগে ভারী খাবার পরিহার করুন। দ্রুত হজম হয় এমন খাবার খান।

৬. স্বল্প পরিমাণ পানি অথবা বেভারেজ-জাতীয় পানীয় পান করুন।

৭. গান শুনে, বই পড়ে অথবা কথাবার্তার মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।

৮. লেবুর শরবত অথবা লেবু খান।

সূত্র: ক্লেভারল্যান্ডক্লিনিক

আরও পড়ুন:
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে নেবেন যেভাবে
কীভাবে খুশকিমুক্ত রাখবেন চুল
দীর্ঘ সময় লিপস্টিক টিকিয়ে রাখবেন যেভাবে
বাদামের উপকারিতা
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স

শেয়ার করুন