ঘরোয়া প্যাকে দূর করুন ডার্ক সার্কেল

ঘরোয়া প্যাকে দূর করুন ডার্ক সার্কেল

চোখের নিচসহ পুরো মুখে প্যাকটা মেখে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কফি প্যাক দিনে একবার ব্যবহার করতে ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পাবেন।

নানা কারণে আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। অপর্যাপ্ত ঘুম, দুশ্চিন্তা, বাজে খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি কারণ তার মধ্যে অন্যতম। বয়স বাড়লে কোনো কারণ ছাড়াই পড়তে পারে কালো দাগ।

চিন্তার কিছু নেই, আপনার রান্নাঘরে থাকা এটা-সেটা ব্যবহার করে ডার্ক সার্কেল দূর করার প্যাক বানাতে পারবেন সহজেই।


কফি প্যাক

এক চা-চামচ কফিবীজ নিন। ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করে তাতে সামান্য কোকো পাউডার যোগ করুন। উপাদান দুটোকে ভালোভাবে নাড়ুন। মিশ্রণটাতে সামান্য মধু যোগ করে মাখিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল আপনার কফি প্যাক।

চোখের নিচসহ পুরো মুখে প্যাকটা মেখে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কফি প্যাক দিনে একবার ব্যবহার করলে ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পাবেন।

হলুদ প্যাক

ব্লেন্ডারে কাঁচা হলুদ ব্লেন্ড করে নিন। তার মধ্যে সামান্য নারকেল আর কাঠবাদামের তেল মেশান। থকথকে ঘন প্যাক তৈরি হলে চোখের নিচে ও পুরো মুখে লাগিয়ে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন।

শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানি দিয়ে প্যাকটা তুলে ফেলুন। ডার্ক সার্কেল না যাওয়া পর্যন্ত দিনে একবার হলুদ প্যাক ব্যবহার করুন। ডার্ক সার্কেল চলে যাবার পর সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলেই চলবে।

দই প্যাক

দইয়ে আছে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড। এটা নতুন কোষ জন্মানোর হার দুই থেকে তিন গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই দই প্যাক ডার্ক সার্কেলের জন্য দারুণ উপকারী।

দই, মধু আর কয়েক ফোঁটা গোলাপজল একটা বাটিতে নিয়ে চামচ দিয়ে নাড়ুন। মিশ্রণটা চোখের নিচে এবং মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ভালো করে ধুয়ে নিন।

শসার প্যাক

তাজা শসা সংগ্রহ করুন। খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। তার মধ্যে সামান্য দই মিশিয়ে মাখান। ফ্রিজে রেখে প্যাকটা ঠান্ডা করে নিন। প্রতিদিন বিকেলে প্যাকটা চোখের নিচে লাগালে ডার্ক সার্কেল উধাও হবেই।


গাজরের প্যাক

গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। বলিরেখা ও কালো দাগের বিরুদ্ধে এগুলো চমৎকার কাজ করে। তাই নিয়মিত গাজর খান। পাশাপাশি প্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

গাজর সেদ্ধ করে নিন। সেটাকে ব্লেন্ড করুন। তার মধ্যে মধু মিশিয়ে নিলেই রেডি হয়ে যাবে আপনার গাজরের প্যাক। মিশ্রণটা চোখের নিচে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

বাসায় বসে মিটিং করলেও দেখা যায় অনেকেই ঠিক সময় মিটিংয়ে জয়েন করতে পারেন না। এটি উচিত নয়। এতে আপনি মিটিংয়ে বিঘ্ন ঘটানোর কারণ হয়ে উঠতে পারেন।

কোভিড পরিস্থিতির কারণে অনেক কাজই সারতে হচ্ছে অনলাইনে। অফিসের মিটিং, ট্রেনিংসহ অনেক কিছুই হচ্ছে জুম কিংবা গুগল মিট প্ল্যাটফর্মে। এসব অনলাইন মিটিংয়ে যোগ দেবার সময় কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি। চলুন সেগুলো জেনে নিই।

পোশাক

অনলাইন মিটিং মানে যানজট পেরিয়ে অফিসে যাওয়ার ঝামেলা নেই। কিন্তু বাসায় বসে অফিস করলেও তো সেটা অফিস। তাই আপনাকে অবশ্যই পোশাকের শিষ্টাচারের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। খেয়াল রাখবেন শরীরের যতটুকু অংশ স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে অন্তত সেটুকু যেন পরিপাটি হয়। অফিসে যে ধরণের পোশাক পরতে বলা হয়, অনলাইন মিটিংয়েও তাই পরবেন।

টুলসগুলোর ব্যবহার জানা

আমাদের মিটিংগুলো বেশির ভাগ জুম, সিসকো, ওয়েবএক্স আর গুগল মিটে হয়। মিটিং শুরু করার আগেই এগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। তা না হলে মিটিং শুরুর পরে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি যে কাজের জন্য মিটিং, তাতেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

পরিবেশ

বাসায় বসে মিটিং করলেও খেয়াল রাখবেন সেখানেও যেন অফিসের পরিবেশ ফুটে ওঠে। অফিসে থাকলে যে পরিবেশে কাজ করেন এখানেও সেটি নিশ্চিত করতে চেষ্টা করুন। মিটিং করার জন্য এমন জায়গা বেছে নিন, যেখানে শব্দ কম হয়। ব্যাকগ্রাউন্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। অতিরিক্ত শব্দদূষণের সমস্যা থাকলে নিজেকে মিউট করে রাখুন।

অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার

অনলাইন মিটিং চলাকালে পুরো মনোযোগ সেখানেই রাখার চেষ্টা করুন। এ সময় অন্য কাজ করবেন না। অনেকেই মোবাইল ফোন চেক করা, এদিক-ওদিক তাকানো, উঠে যাওয়া, কল রিসিভ করার মতো কাজ করেন। এগুলো পরিহার করুন।

সময়ানুবর্তিতা

বাসায় বসে মিটিং করলেও দেখা যায় অনেকেই ঠিক সময় মিটিংয়ে জয়েন করতে পারেন না। এটি উচিত নয়। এতে আপনি মিটিংয়ে বিঘ্ন ঘটানোর কারণ হয়ে উঠতে পারেন। নির্ধারিত সময়ে মিটিংয়ে জয়েন করতে চেষ্টা করুন। যেসব কাজ সাবমিট করতে বলা হয়, ঠিক সময়ে করে ফেলুন।

অঙ্গভঙ্গি

অনলাইন বলে শুয়ে, হেলান দিয়ে বা যেখানে খুশি বসে মিটিং করবেন না। একটা অফিশিয়াল মিটিংয়ে নিজেকে যেভাবে উপস্থাপন করেন, সেটি অনলাইনেও বজায় রাখার চেষ্টা করুন। তা না হলে যার সঙ্গে মিটিং করছেন তিনি অসম্মানিত বোধ করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

জিনস শার্ট এবং প্যান্টের মতো ভারী কাপড় ধোয়ার সময় উল্টো করে নেয়া ভালো। এতে ভিতরের ময়লাও পরিষ্কার হবে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমাদের দেশে ধুলাবালি বেশি। তাছাড়া মানুষের শরীরও অতিরিক্ত ঘামে। তাই কাপড় ময়লা হয় বেশি। ফলে আমাদের নিয়মিত কাপড় ধুতে হয়।

কাপড় ধোয়ার আগে সাধারণ কিছু নিয়ম জেনে নিলে কাজটা আরও সহজ হয়ে যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক নিয়মগুলো।

১. বেশি ময়লা কাপড়ের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত কম ময়লা কাপড় ভেজাবেন না। এতে সেই কাপড়গুলোতেও দাগ লাগার আশঙ্কা থাকে।

২. কোনো কাপড়ের ওপর সরাসরি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না। প্রথমে কাপড় নিন, তারপর পানিতে ভেজান এবং সবার শেষে ডিটারজেন্ট দিন। ব্লিচ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমে পানি, তারপর কাপড় এবং সবশেষে ব্লিচিং ডিটারজেন্ট দিতে হবে।

৩. সাদা কাপড় সব সময় আলাদা ধোয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে অন্য কাপড়ের রং সাদা কাপড়ে লাগার আশঙ্কা থাকবে না।

৪. ডেনিমজাতীয় কাপড় যেমন জিনসের প্যান্ট, শার্ট, জ্যাকেট আলাদা ধোয়াই ভালো।

৫. উলের পোশাক কখনও গরম পানিতে ধোবেন না। এ ছাড়া এ ধরনের পোশাক বেশিক্ষণ ডিটারজেন্ট পাউডারে ভিজিয়ে না রাখাই ভালো। এতে উল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৬. সাদা কাপড়ের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে আধা কাপ ভিনেগারের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলুন।

৭. কাপড় বেশিক্ষণ দড়িতে ঝুলিয়ে রাখলে কাপড়ের সাইজ নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া রঙিন কাপড় অতিরিক্ত রোদে শুকাতে দেবেন না। বাতাস চলাচল করে এমন ছায়াযুক্ত জায়গায় শুকাতে দিন। কেননা রোদে রং নষ্ট হয়ে যায়। শুকাতে দেয়ার আগে কাপড় উল্টে নিন।

৮. জিনস, শার্ট এবং প্যান্টের মতো ভারী কাপড় ধোয়ার সময় উল্টো করে নেয়া ভালো। এতে ভিতরের ময়লাও পরিষ্কার হবে।

৯. যেকোনো কাপড় ধুতে দেয়ার আগে এর ট্যাগ চেক করে নিন। বিশেষ করে দামি কাপড়ের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রয়োজন। ট্যাগে কাপড় ধোয়ার নিয়ম দেয়া থাকে।

১০. ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করেন? ফিল্টার বছরে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন। পরিষ্কারের পর শুকিয়ে নিতে হবে।

১১. কোনো কাপড় প্রথমবারের মতো ধোয়ার সময় অবশ্যই আলাদাভাবে ধুয়ে পরীক্ষা করে নেবেন। কারণ নতুন কাপড় থেকে রং ওঠার আশঙ্কা থাকে।

১২. সাদা সুতির কাপড় ধোয়ার জন্য গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট গুলে কিছুক্ষণ কাপড় ভিজিয়ে রাখুন।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

হাত, পা, আঙুল বা কোমরে টান খেলে আক্রান্ত স্থান ও চারপাশে আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।

মাঝেমধ্যেই দেখা যায়, হঠাৎ শরীরের বিভিন্ন জায়গার মাংসপেশি বা শিরায় টান লাগে। এই সমস্যাটিকে বিশেষজ্ঞদের ভাষায় মাসলপুল, ক্র্যাম্প বা স্প্যাজম বলে। এটি জেগে থাকা কিংবা ঘুমন্ত যেকোনো সময় হতে পারে। এর ফলে ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি ল্যাকটিক অ্যাসিড নিঃসরণের জন্য প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করে।

মাংসপেশি বা শিরায় টান লাগার কারণ

সাধারণত পানিশূন্যতা ও রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে এটি হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাংসপেশিতে অতিরিক্ত টান খেলে বা কোনো কারণে টিস্যু ছিঁড়ে গেলেও এটি হয়। আরও কিছু কারণ হলো-

১. শরীরের কোনো মাংসপেশি অনেকক্ষণ ধরে ব্যবহৃত হলে।

২. ব্যায়াম বা যেকোনো শারীরিক কাজের আগে শরীর ঠিকভাবে প্রস্তুত না থাকলে।

৩. ক্লান্ত পেশি আচমকা নড়াচড়া করলে।

৪. অনেক ভার ওঠালে।

৫. ক্লান্ত অবস্থায় অতিরিক্ত কাজ করলে।

৬. মানসিক চাপ ও অবসাদ।

৭. খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম

৮. শরীরে ভিটামিন এ, বি, সোডিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়ামের অভাব হলে।

৯. দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে কাজ করলে।

টান ধরলে যা করবেন

বিশ্রাম

সব ধরনের শারীরিক ব্যায়াম ও কাজ বন্ধ রাখুন। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে চাপ নেয়া বা প্রেসার দেয়া যাবে না। পানি, স্যালাইন কিংবা ডাবের পানি পান করুন।

সেক

এ ক্ষেত্রে ঠান্ডা এবং গরম উভয় সেকই দেয়া যায়। একটি হট ব্যাগ বা বরফের ব্যাগ নিন। আঘাতপ্রাপ্ত জায়গাটিতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পরপর অন্তত ২০ মিনিটের জন্য ব্যাগটি রেখে সেক দিন।

ব্যান্ডেজ

যেখানে টান খেয়েছে সে জায়গাটি বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। এ জন্য একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে মুড়িয়ে নিতে পারেন।

এলিভেট

যেখানে টান ধরেছে চেষ্টা করুন সে জায়গাটি উঁচু করে রাখতে। এ ক্ষেত্রে বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যাসাজ

হাত, পা, আঙুল বা কোমরে টান খেলে আক্রান্ত স্থান ও চারপাশে আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।

স্ট্রেচিং

পায়ের ক্ষেত্রে ম্যাসাজের পর জায়গাটা একটু স্বাভাবিক হলে হালকা চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। যে পায়ে টান, সেই পায়ের হাঁটু ভাঙুন। অন্য পা পেছনে টান টান করে ছড়িয়ে দিন এবং টান ধরা পায়ের হাঁটুর ওপর শরীরের ভর রাখার চেষ্টা করুন। থাইয়ের পেশিতে টান লাগলে জায়গাটা নরম করে একটি শক্ত কিছুতে ভর দিয়ে দাঁড়ান। টান ধরা পা কোমর অবধি টানটান করতে চেষ্টা করুন।

হাঁটাচলা

কোমর ও পায়ের ক্ষেত্রে হাঁটাচলা কার্যকর। কোমরের টানের ক্ষেত্রে ভালো করে ম্যাসাজ করলে ব্যথা কমে।

তাৎক্ষণিক করণীয়

পা বা হাতে এটি হলে দেখা যায় একদিকে বেঁকে যেতে চাচ্ছে। তখন যেদিকে বেঁকে যেতে চাইছে তার বিপরীত দিকে চেপে ধরে আগের অবস্থায় নিয়ে গিয়ে পেশি শিথিল করতে চেষ্টা করুন। ভিটামিন এ এবং বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করেও এই সমস্যার প্রভাব কাটানো এবং প্রতিরোধ সম্ভব।

সূত্র: হেলথলাইন

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন।

অনেক মা-বাবার অভিযোগ, সন্তান তাদের কথা শুনছে না। দিন দিন আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। আবার হঠাৎ করেই সন্তানের জেদ প্রচণ্ড বেড়েছে কিংবা মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এটি দুশ্চিন্তা করার মতোই ব্যাপার। কেননা এর ফলে শিশুরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তবে এর সমাধান রয়েছে। অভিভাবকরা যদি একটু সাবধানে সেগুলো খেয়াল করেন, তাহলে এই সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

নিজের ভুল বুঝতে শিখুন

অনেক মা-বাবাই বুঝতে চান না যে তাদের দ্বারাও ভুল হতে পারে। তারা মনে করেন সন্তানই সব সময় ভুল করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে না। মা-বাবার উচিত তাদের ভুল বুঝতে শেখা এবং তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলা।

আপনার ভুলের জন্য সন্তানের কাছে ক্ষমা চাইতে কার্পণ্য করবেন না। তাকে বোঝান ভুলটির জন্য আপনি অনুতপ্ত। এতে আপনার আর সন্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে সম্পর্ক আরও সতেজ হয়ে উঠবে।

সবকিছু বয়স দিয়ে বিবেচনা করবেন না

অনেকে মনে করেন, বয়সে বড় বলেই তারা সব সময় সঠিক। এটি একেবারেই অনুচিত। সন্তানের মতামতকে গুরুত্ব দিতে শিখুন। সন্তানের ওপর সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তার মতামতটাও শুনুন। যেকোনো মতামতে যুক্তিকে প্রাধান্য দিন। বয়সে ছোটো হলেও যে কেউ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এটি বুঝতে শিখুন। তাকে আলাদা সত্তার মানুষ হিসেবে মানতে শিখুন এবং তার পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দিন।

প্রশংসা করার অভ্যাস করুন

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন। এর ফলে তার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে, তেমনি আপনার প্রতি শ্রদ্ধাও বাড়বে।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন

ছেলে-মেয়েরা বড় হতে হতে মিথ্যা বলা শিখবে, এটা স্বাভাবিক। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব। সন্তান যখন আপনার সঙ্গে কোনো কিছু শেয়ার করতে সংকোচ বোধ করবে তখন মাঝেমধ্যে নিজের ভুলটি ঢাকতে সে মিথ্যা বলবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখান। তার অবস্থান সম্পর্কে সব সময় পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন।

সঠিক-ভুল নিয়ে উগ্র হবেন না

সন্তান ভুল করলে তার ওপর ক্ষেপে যাওয়া অস্বাস্থ্যকর। সে কোনো ভুল করলে সময় নিন। তার সঙ্গে কথা বলুন। সে যা করেছে তা যে ভুল, সেটি বোঝাতে চেষ্টা করুন। এতে সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং পরবর্তী সময়ে একই ভুল করার আগে বুঝতে পারবে যে এটি করা ঠিক নয়।

পর্যাপ্ত সময় দিন

ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে সন্তানের কাছ থেকে মা-বাবার আদর-স্নেহ কেড়ে নেবেন না। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন। খেয়াল রাখুন সে কী করছে, কাদের সঙ্গে মিশছে। আপনার সময়ের অভাবে সে খারাপ পথে চলে যেতে পারে।

সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠুন

সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। ছুটির দিনে একসঙ্গে বাইরে ঘুরতে যান। বাসায় নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ান। মন দিয়ে তাদের কথা শুনুন। একসঙ্গে খেলাধুলা করুন। সন্তানকে আয়ত্তে আনতে হলে অবশ্যই তাদের বুঝতে হবে, বকাঝকা করে কঠোর হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। এতে হীতে বিপরীত হয়।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

রান্নাঘরে নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকে। পিঁপড়া, পাতিল পোড়া, মশলা সতেজ রাখা-এ রকম টুকটাক সমস্যাগুলোর সমাধান এক নজরে দেখে নিন।

১. পিঁপড়ার আক্রমণে বয়ামে চিনি রাখতে পারছেন না? বয়ামের মুখ খুলে চিনির ওপর ৩ থেকে ৪টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ার সমস্যার সমাধান হবে।

২. বিস্কুট এনে রাখতে পারছেন না? নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? বয়ামের ভিতর এক টুকরা ব্লটিং পেপার রেখে তার ওপর বিস্কুট রাখুন। এতে বিস্কুট দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে। মচমচে ভাবও নষ্ট হবে না।

৩. গরম তেল বা আগুনে কোথাও পুড়ে গেছে? পোড়া স্থানে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি ঢালুন। তারপর একটা পাকা কলা চটকে সেখানে লাগিয়ে দিন। এতে জ্বলুনি বন্ধ হবে।

৪. ফ্রিজে কাটা আপেল রাখতে পারছেন না? লালচে হয়ে যায়? আপেলের টুকরাগুলোর ওপর হালকা লেবুর রস মেখে নিন। এতে আপেল লালচে তো হবেই না বরং অনেক দিন ফ্রেশ দেখাবে।

৫. বাজারের মাখন ব্যবহার করে করে নিশ্চয়ই শরীরের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে। লো স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত মাখন ব্যবহার করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়বে না।

৬. কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে হিমশিম খাচ্ছেন? বাদামগুলোকে গরম পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে খোসা নরম হবে এবং ছাড়াতে সুবিধা হবে।

৭. জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

৮. করলার স্বাদ বাড়াতে চান? করলাগুলো ধুয়ে মাঝখান দিয়ে কেটে নিন। তারপর ভেতরে লবণ, ময়দা আর দইয়ের মিশ্রণ ঢুকিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর রান্না করুন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

৯. পাতিলে খাবারের পোড়া দাগ লেগে গেছে? কীভাবে তুলবেন বুঝতে পারছেন না? চিন্তার কিছু নেই। কয়েকটা পেঁয়াজ কেটে নিন। এরপর পাতিলটিতে গরম পানির সঙ্গে পেঁয়াজগুলো ৫ মিনিট রেখে দিন। এবার ধুয়ে দেখুন। পোড়া দাগ সম্পূর্ণ উঠে যাবে।

১০. সবজি কাটতে প্লাস্টিকের চপিংবোর্ড ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন কাঠের বোর্ডে সবজি কাটতে। নইলে সবজির সঙ্গে প্লাস্টিকের কুচি মিশে যেতে পারে।

১১. রান্নাঘরে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়ে গেছে? সিঙ্কের কোনাগুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা পালাবে।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে ভাইরাস কিন্তু এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। তাই সাবধানতা মেনে চলতে হবে।

বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের বাসে যাতায়াতের প্রয়োজন পড়ে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গাদাগাদি করে বাসে উঠলে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি।

তাই বাসে ওঠার আগে ও পরে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন সেগুলো দেখে নেই।

মাস্ক পরুন

বাসে ওঠার আগে তিন স্তরবিশিষ্ট মাস্ক পরে নিন। পথে-ঘাটে যে সার্জিক্যাল মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে, তা সাধারণত দুই স্তরবিশিষ্ট। এ ধরনের মাস্ক একসঙ্গে দুটি ব্যবহার করুন। লোকাল বাসে উঠলে মাস্কের পাশাপাশি ফেস শিল্ড ব্যবহার করলে আরও ভালো।

বাসে ভিড় এড়িয়ে চলুন

যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হন। বাসে ওঠার আগে দেখে নিন সেটাতে ভিড় কেমন। বেশি ভিড় হলে এড়িয়ে চলাই উত্তম। সে ক্ষেত্রে পরের বাসের জন্য অপেক্ষা করুন।

জানালার পাশের সিটে বসুন

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

নাকে-মুখে হাত না দেয়া

কোনো অবস্থাতেই নাকে, মুখে বা চোখে হাত দেবেন না। একান্ত দিতেই হলে হাত স্যানিটাইজ করে নিন। সে ক্ষেত্রে সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

বিভিন্ন কারণে আমরা সবাই কমবেশি মানসিক চাপে ভুগি। এর বাজে প্রভাব শরীরের ওপরেও পড়ে। যার ফলে অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, হজমের সমস্যা এবং স্নায়ুর সমস্যার মতো শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়।

এমনকিছু খাবার আছে, যা খেলে মানসিক চাপ কেটে যেতে পারে। আসুন সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিই।

কাঠবাদাম

কাঠবাদামে ভিটামিন বি আর ই রয়েছে। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত থাকলে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো সমস্যা কমে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খেলে সুফল পাওয়া যাবে।

চিনি

তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমাতে স্বল্প পরিমাণে চিনি খাওয়া একটি কার্যককরী উপায়। কেননা এতে মস্তিষ্কের উত্তেজিত পেশিগুলো শান্ত হয়। ফলে মানসিক চাপও কমতে শুরু করে। তবে অতরিক্ত চিনি খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই পদ্ধতি অবলম্বন না করাই ভালো। যাদের চিনিতে সমস্যা রয়েছে তারা মধু খেতে পারেন। এ ছাড়া মধুর অন্যান্য অনেক কার্যকারিতা রয়েছে।

মিষ্টি আলু

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

ডার্ক চকলেট

মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে ডার্ক চকলেটের সুনাম আছে। চকলেট খাওয়ার ফলে অ্যান্ডোরফিন নামে একধরনের হরমোন নিঃসরণ ঘটে, যা মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কমায়। তবে মিষ্টি চকলেট নয়। অতিরিক্ত মিষ্টি চকলেট স্বাস্থ্যহানি ঘটায়। ডার্ক চকলেটে সেই সমস্যা নেই।

সবুজ সবজি

শসা, ব্রকলির মতো সবুজ সবজিতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান মস্তিষ্কে তৃপ্তির অনুভূতি সৃষ্টি করে। এসব খাওয়ার পর মানসিক চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি
বর্ষায় চুলের যত্ন
খরচ কমাবেন যেভাবে
যে ভুলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় কম্পিউটার
লকডাউনের কেনাকাটা

শেয়ার করুন