‘যৌথ প্রয়াসে গড়া হচ্ছে ডিজিটাল অর্থনীতি’

‘যৌথ প্রয়াসে গড়া হচ্ছে ডিজিটাল অর্থনীতি’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

পলক বলেন, ‘‘২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সরকার আইটি শিল্পের জন্য ‘মিশন ৫ বিলিয়ন ডলার’ শীর্ষক প্রবৃদ্ধিকৌশল প্রণয়ন করেছে। সরকার বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়াকে সঙ্গে নিয়েই এই লক্ষ্য অর্জন চায়।’’

সরকারি-বেসরকারি ও একাডেমিয়ার সম্মিলিত প্রয়াসে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আইসিটি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এলআইসিটি প্রকল্প ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জন্য তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনীতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এরই মধ্যে দেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে রপ্তানি আয় ১০০ কোটি ডলার অর্জন সম্ভব হয়েছে। এই আয় ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হবে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, ‘‘২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সরকার আইটি শিল্পের জন্য ‘মিশন ৫ বিলিয়ন ডলার’ শীর্ষক প্রবৃদ্ধিকৌশল প্রণয়ন করেছে। সরকার বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়াকে সঙ্গে নিয়েই এই লক্ষ্য অর্জন চায়।’’

এ জন্য তিনি আইটি প্রতিষ্ঠানের সিইওদের যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

জোনায়েদ আহমেদ পলক জানান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব সামনে রেখে বেসরকারি খাতকে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা দিচ্ছে। দেশেই ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনে মেড ইন বাংলাদেশ-আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যাটেজির খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

পলক বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত প্রয়াস ও সহযোগিতার কারণেই করোনাকালেও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকে।

‘২০২০ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয় ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং ২০২১ সালে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তোলার জন্য পেমেন্ট সিস্টেমের ডিজিটাইজেশন করেছে, যা মোবাইল আর্থিক সেবা ও ই-কমার্সের দ্রুত প্রবৃদ্ধি ঘটায়। ২০২১ সালের এপ্রিলে মোবাইলে লেনদেন হয় ৬৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা। ই-কমার্সের প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ১৬৬ শতাংশ।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে সরকারের সকল সেবা ডিজিটালাইজেশন করা হবে। এর মধ্যে ৭ হাজারেরও বেশি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ৬০ লাখ মানুষকে সরকারের বিভিন্ন ধরনের সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।’

এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, অধ্যাপক শেখ মোরশেদ জাহান, বাক্কোর পরিচালক রাশেদ নোমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরহাত আনোয়ার।

দেশের আইটি প্রতিষ্ঠানের ৫০ জন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

পরে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ফরহাত আনোয়ার সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত মোবাইল ডেটা ফেরতের নির্দেশ

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত মোবাইল ডেটা ফেরতের নির্দেশ

মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কানাডা থেকে প্রযুক্তি কিনছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তি সইয়ের ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডেটা কেটে না নিয়ে পরবর্তীতে কেনা ডেটা প্যাকেজের সঙ্গে ফিরিয়ে দিতে মোবাইল অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি’র কার্যালয়ে সোমবার বেলা ৩টার দিকে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকমের সঙ্গে ওই চুক্তি হয় বিটিআরসির।

মনগড়া মেয়াদ দিয়ে যে মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজ করা হয় তা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মোস্তাফা জাব্বার বলেন, তারা যেন কল ড্রপের টাকা ফেরত দেয়। কারণ, এটা যুক্তিসঙ্গতভাবে ভোক্তার অধিকার। সেই অধিকার তাদের দিতে হবে। একচেটিয়াভাবে প্রফিট করার জন্য কাউকে লাইসেন্স দেয়া হয়নি।

মোবাইল অপারেটরগুলো আগে এই ডেটা ফেরত দিত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও এই ডেটা ফেরত পেয়েছি। কিন্তু এখন তারা কেন দেয় না, তাদের কাছে এই প্রশ্নটা আমারও।’

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক গোলাম রাজ্জাক ও টিকেসি টেলিকমের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামির তালহামি চুক্তিতে সই করেন।

মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কানাডা থেকে এই প্রযুক্তি কিনছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তি সইয়ের ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বলা হয়, টেলিকম মনিটরিং সিস্টেমের কাজ শেষ হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে।

অপারেটরদের নেটওয়ার্কের লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সেবার মান আরও সুচারুভাবে যাচাই করা যাবে এবং গ্রাহকসেবার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

অপারেটররা যেসব ট্যারিফ বাস্তবায়ন করছে সেগুলো বিটিআরসির অনুমোদিত কি না অথবা গ্রাহকরা অন্যায্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না তা যাচাই করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে এসব বিষয়ে আসা অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

মোবাইল অপারেটরদের নজরদারিতে সিস্টেম কিনছে বিটিআরসি

মোবাইল অপারেটরদের নজরদারিতে সিস্টেম কিনছে বিটিআরসি

কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসির মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সিস্টেমটি বাস্তবায়িত হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভয়েস ও ডাটা ট্রাফিক,নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং মান সম্পর্কিত তথ্য সর্বোপরি বিটিআরসির প্রাপ্য রাজস্ব সম্পর্কে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

মোবাইল অপারেটরদের ওপর নজরদারি চালাতে ও তাদের কার্যক্রম তদারকিতে কানাডা থেকে সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি কিনছে বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

এর জন্য কানাডাভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসির মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিটিআরসি।

এতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এতে সভাপতিত্ব করেন।

বিটিআরসির পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক গোলাম রাজ্জাক ও টিকেসি টেলিকমের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সামির তালহামি চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

এর আগে ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম কেনার জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

সিস্টেমটি বাস্তবায়িত হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এতে ভয়েস ও ডাটা ট্রাফিক,নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং মান সম্পর্কিত তথ্য সর্বোপরি বিটিআরসির প্রাপ্য রাজস্ব সম্পর্কে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

ফলে বিটিআরসির নীতিনির্ধারণী ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে এবং সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ ব্যবস্থা আরও দক্ষ এবং দ্রুত হবে।শহর এলাকার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চল, দ্বীপ, হাওড়-বাওড়, উপকূলীয় অঞ্চল ও দূর্গম এলাকার টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এর প্রকৃত অবস্থা তাৎক্ষনিক যাচাই করা সম্ভব হবে।

এতে অপারেটরদের নেটওয়ার্কের লাইভ মনিটরিং এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সেবার মান আরো সুচারুভাবে যাচাই করা যাবে এবং গ্রাহক সেবার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অপারেটররা বাস্তবে যেসব ট্যারিফ বাস্তবায়ন করছে এবং এসব ট্যারিফ প্যাকেজ বিটিআরসি কর্তৃক অনুমোদিত কি না অথবা গ্রাহকরা অন্যায্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না তা যাচাই করা সম্ভব হবে এবং এ বিষয়ক অভিযোগের নিষ্পত্তি কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে।

সিস্টেমটি স্থাপন হলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যাবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নানাবিধ অবকাঠামোগত ব্যবস্থা ও সেবার সঠিক মান উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

ডিজিটাইজ হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

ডিজিটাইজ হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল পদ্ধতি অনুযায়ী থরে থরে সাজানো থাকবে ই-বুক। থাকবে শিশু ও মুজিব কর্নার। প্রতিটি ই-লাইব্রেরি এমন ভাবে সাজানো হবে, যাতে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকেও সহজেই ভার্চুয়াল গ্রন্থাগারে ঢুকে পছন্দের বইটি পড়তে পারবেন।

জ্ঞানসমৃদ্ধ নতুন প্রজন্ম গঠনে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগারকে ডিজিটালাইজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের ৭১টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি গ্রন্থাগারকে ডিজিলাইজ করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ কথা জানিয়েছে আইসিটি বিভাগ।

এতে বলা হয়, মানসম্পন্ন অনলাইন সেবাকে সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে গ্রন্থাগারগুলোকে পরিণত করা হবে ই-লাইব্রেরিতে।

এ বিষয়ে রোববার রাতে আইসিটি বিভাগ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনলাইনে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় যুক্ত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এ ছাড়াও আরও যুক্ত ছিলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) এনামুল কবিরসহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা।

সরকারের উদ্যোগটি বাস্তবায়নে রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় পর্যালোচনা সভায়।

জানানো হয়, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল পদ্ধতি অনুযায়ী থরে থরে সাজানো থাকবে ই-বুক। থাকবে শিশু ও মুজিব কর্নার। প্রতিটি ই-লাইব্রেরি এমন ভাবে সাজানো হবে, যাতে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকেও সহজেই ভার্চুয়াল গ্রন্থাগারে ঢুকে পছন্দের বইটি পড়তে পারবেন।

সভায় আরও জানানো হয়, ল্যান নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে লাইব্রেরিগুলোকে ডিজিটাল রূপান্তরে তারহীন প্রযুক্তির ইন্টারনেট সংযোগ, আইপিফোন, বিভাগীয় গ্রন্থাগারগুলোর জন্য আরএফআইডি প্রযুক্তির ব্যবস্থা করবে আইসিটি বিভাগ।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

ওয়ালটন আনল ফ্ল্যাগশিপ ফোন প্রিমো জেডএক্স৪

ওয়ালটন আনল ফ্ল্যাগশিপ ফোন প্রিমো জেডএক্স৪

ওয়ালটন এনেছে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন জেডএক্স৪। ছবি: সংগৃহীত

গ্রাফিকস হিসেবে আছে এআরএম মালি-জি৭৬ এমসিফোর। এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম থাকায় মিলবে দুর্দান্ত গতি। জনপ্রিয় সব গেম খেলা যাবে অনায়াসেই।

ওয়ালটন দেশের বাজারে এনেছে নতুন একটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘প্রিমো জেডএক্স৪’। প্রথমবারের মতো দেশে তৈরি স্মার্টফোন হিসেবে দেয়া হয়েছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের পাঁচ রিয়ার ক্যামেরা।

পাশাপাশি সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।

এ ছাড়া বড় পর্দার ফুল এইচডি ডিসপ্লে, গেমিং প্রসেসর, শক্তিশালী র‌্যাম, রম, সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ এতে রয়েছে আধুনিক সব ফিচার।

ওয়ালটন মোবাইলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এসএম রেজওয়ান আলম জানান, অ্যাডভান্স ফিচারের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ‘প্রিমো জেডএক্স৪’ মডেলের ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি বাজারে আনা।

ডিজাইন ও কনফিগারেশনের দিক দিয়ে অনন্য ওয়ালটনের ডিভাইসটি বাজারের অন্য ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোর থেকে যেমন ভিন্ন, তেমনি দামেও সাশ্রয়ী।

ওয়ালটন মোবাইলের মার্কেটিং ইনচার্জ হাবিবুর রহমান তুহিন জানান, ৮.৬ মিলিমিটার স্লিম ফোনটি বাজারে এসেছে চারকোল ব্ল্যাক রঙে। এর দাম রাখা হয়েছে ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

করোনাভাইরাস মহামারিতে ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ই-প্লাজা থেকে ফোনটি কেনা যাবে। লকডাউন না থাকলে দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইল ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেট থেকেও ফোনটি কিনতে পারবেন গ্রাহক।

থ্রিডি গ্লাস প্যানেলে তৈরি প্রিমো জেডএক্স৪। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি সাইড মাউন্টেড হওয়ায় ব্যবহারকারী প্রিমিয়াম ফিল পাওয়া যাবে। এতে রয়েছে ২০:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিওর ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস এলটিপিএস ডিসপ্লে। পর্দার রেজ্যুলেশন ২৪০০ বাই ১০৮০ পিক্সেল। অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার, ভিডিও দেখা, গেম খেলা, বই পড়া বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং হবে আরও দুর্দান্ত।

অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত ওয়ালটনের এই ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ২.০৫ গিগাহার্জ গতির শক্তিশালী ‘হেলিও জি৯৫’ অক্টাকোর প্রসেসর।

গ্রাফিকস হিসেবে আছে এআরএম মালি-জি৭৬ এমসিফোর। এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম থাকায় মিলবে দুর্দান্ত গতি। জনপ্রিয় সব গেম খেলা যাবে অনায়াসেই।

ফোনটিতে ১২৮ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজের সাথে ২৫৬ গিগাবাইট মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট সুবিধা রয়েছে।

ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশসহ ৫টি ক্যামেরা সেটআপ। পেন্টা ক্যামেরার প্রধান সেন্সরটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের সনি আইএমএক্স৬৮২। যার অ্যাপারচার ১.৮৯। ১/১.৭৩ ইঞ্চির ৬পি লেন্স থাকায় ছবি হবে ঝকঝকে ও নিখুঁত। এর পাশাপাশি রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ১১২ ডিগ্রি পর্যন্ত ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স, ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর এবং আরেকটি ২ মেগাপিক্সেলের মনো পোট্রেইট লেন্স।

পর্যাপ্ত পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ফোনটিতে রয়েছে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংসহ ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লিপলিমার ব্যাটারি।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত: ৮৫ মিলিয়ন ডলারে জুমের রফা

ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত: ৮৫ মিলিয়ন ডলারে জুমের রফা

৮৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাতের এক মামলার রফাদফা করেছে। ছবি: সংগৃহীত

জুমের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছে, ‘আমাদের গ্রাহকদের জন্য গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করে জুম এবং গ্রাহকরা আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন তার গুরুত্ব দিই আমরা।’

জনপ্রিয় ভিডিও কনফারেন্সিং প্রতিষ্ঠান জুম যুক্তরাষ্ট্রে গোপনীয়তা আইনে তথ্য বেহাতের এক মামলা ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে নিষ্পত্তি করতে রাজি হয়েছে। জুম রোববার বিষয়টি জানিয়েছে।

জুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, লাখ লাখ গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুক, গুগল এবং লিঙ্কডইনের শেয়ার করেছে।

যদিও জুম অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, তারা নিরাপত্তা উন্নয়নে নতুন অনুশীলন করছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগটির রফাদফা হতে এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান হোসের জেলা জজ লাকি কোহ-এর অনুমোদন পেতে হবে।

জুমের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছে, ‘আমাদের গ্রাহকদের জন্য গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করে জুম এবং গ্রাহকরা আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন তার গুরুত্ব দিই আমরা।

‘আমাদের প্লাটফর্মটির যে উন্নতি করেছি তার জন্য আমরা গর্বিত। সামনের দিনে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তায় আরও নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছি।’

নিষ্পত্তির প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, নোটিশ, প্রশাসনের খরচ, শ্রেণি প্রতিনিধিদের পরিষেবা দেয়া, আইনজীবীদের ফি এবং আদালতের খরচ পরিশোধের জন্য নগদ ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার প্রদান করতে হবে।

যারা জুমের একটি অ্যাকাউন্টের জন্য অর্থ প্রদান করেছেন তারা তাদের সাবস্ক্রিপশনের জন্য জুমকে প্রদত্ত অর্থের ১৫ শতাংশ বা ২৫ ডলার করে পেতে পারেন। এ ছাড়া যারা সাবস্ক্রিপশন করেননি তারা এর জন্য ১৫ ডলার করে দাবি করতে পারেন।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশ্ব জুড়েই মানুষজন ঘরে বসে অফিস করছেন। এ জন্য ভিডিও কনফারেন্সিং প্লাটফর্ম হিসেবে জুম ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মিটিং করার জন্য বিনামূল্যে ও সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ে খুব চাপে আছে জুম।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

আইওএস থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট হিস্ট্রি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েডে

আইওএস থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট হিস্ট্রি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েডে

ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি বর্তমানে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে স্থানান্তর সম্ভব নয়। শুধু একই অপারেটিং সিস্টেমের ফোনে এগুলো নেয়া সম্ভব। 

চ্যাট হিস্ট্রি আইওএস থেকে অ্যান্ড্রয়েডে স্থানান্তরের ফিচার নিয়ে কাজ করছে ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ।

নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে বড় ধরনের জটিলতার নিরসন ঘটবে বলে ওয়েবিটাইনফো এবং ৯টু৫গুগল-এর প্রতিবেদনে জানান হয়েছে।

ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি বর্তমানে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে স্থানান্তর সম্ভব নয়। শুধু একই অপারেটিং সিস্টেমের ফোনে এগুলো নেয়া সম্ভব।

গত এপ্রিল থেকে ফিচারটির অগ্রগতির বিস্তারিত সামনে আসতে থাকে। ওয়েবিটাইনফো জানায়, একটি স্ক্রিনশটের মাধ্যমে ফিচারটি দেখানো হয়েছে। সেখান বলা হয়, ‘চ্যাট অ্যান্ড্রয়েডে স্থানান্তর করুন’।

দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরেকটি স্ক্রিনশটে দেখানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের ম্যাসেজ স্থানান্তরের সময় ফোন আনলক করার অপশন দেয়া হয়েছে।

এসব দেখে এটা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, এমন ফিচার আনছে হোয়াটসঅ্যাপ।

গুগলের এক্সডিএ ডেভেলপারের প্রতিবেদনও বলছে, আইওএস থেকে অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট ও অন্য হিস্ট্রি স্থানান্তরের ফিচারের উন্নয়ন এখনও চলছে। এটা করা গেলে গুগলের অপারেটিংয়ের জন্য আরও বেশি সুবিধা আসবে।

অবশ্য হোয়াটসঅ্যাপ বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করেনি। ফিচারটি কবে নাগাদ আসবে সে সম্পর্কেও প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন

‘শিখো ডটটেক’ পেল ১৩ লাখ ডলারের বিনিয়োগ

‘শিখো ডটটেক’ পেল ১৩ লাখ ডলারের বিনিয়োগ

শিখো ডটটেক পেয়েছে ১৩ লাখ ডলারের বিনিয়োগ। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন স্টার্টআপে বিনিয়োগকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান লার্নস্টার্ট ও দেশিও প্রতিষ্ঠান অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ এই বিনিয়োগ করেছে।  

বাংলাদেশি শিক্ষা বিষয়ক স্টার্টআপ শিখো ডটটেক আবারও বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে। ব্যবসা শুরুর পর প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয় দফায় প্রতিষ্ঠানটি ১৩ লাখ ডলারের এই বিনিয়োগ পেয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থাকে দেশের মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে বুধবার প্রাথমিক সেই বিনিয়োগ পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিখো ডটটেক।

শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন স্টার্টআপে বিনিয়োগকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান লার্নস্টার্ট ও দেশিও প্রতিষ্ঠান অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ এই বিনিয়োগ করেছে।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্র্যাঞ্চ জানায়, বিনিয়োগের এই রাউন্ডে আরও জড়িত রয়েছেন ওভেমেকার পার্টনার এবং অনলাইন কোর্স প্লাটফর্ম টিচটেবিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঙ্কুর নাগপাল।

শেষ রাউন্ডে গত অর্থবছরে লার্নস্টার্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজার ডলার বিনিয়োগ পেয়েছিল শিখো।

শিখো ডটটেক প্রতিষ্ঠা হয় ২০১৯ সালে। প্রতিষ্ঠানটি নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী, এমনকি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে।

দেশের জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী অভিজ্ঞ শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপাদান তৈরি করে শিখো।

শিক্ষার্থীদের বিষয়গুলোর সঙ্গে একাত্ম রাখতে গ্যামিফিকেশন কৌশল, লাইক পয়েন্ট, লিডারবোর্ড এবং ভার্চুয়াল পুরস্কারের ব্যবস্থা করে।

২০১৯ সালে তরুণ উদ্যোক্তা শাহির চৌধুরী শিখো ডটটেক প্রতিষ্ঠা করেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শাহির চৌধুরী এর আগে কাজ করেছেন আর্থিক ব্যবস্থা ও ব্যবসা নিয়ে। তিনি এইচএসবিসি ইউকে প্রাইভেট ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটি প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) হিসেবে কাজ করছেন জিসান জাকারিয়া। তিনি এক সময় গণিতের শিক্ষক ছিলেন।

দুজনেই বেড়ে উঠেছেন ঢাকায়। এরপর তারা পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে।

দেশে ফিনটেক জনপ্রিয় হলে তিনি তার ক্যারিয়ার সেদিকেই গড়বেন বলে মনস্থির করেন। বিকাশের মতো সেবা আনতে কাজ করার কথাও জানান তিনি।

চৌধুরী বলেন, ‘আমি বোঝার চেষ্টা করছি বাংলাদেশে প্রযুক্তি শিক্ষা ব্যবস্থার বাজার কেমন। এটা কেমন করে কাজ করে।‘

তিনি বলেন, আমি একটা সময় দেখলাম, বাংলাদেশে এটি না থাকার কোনো কারণই নেই। সামষ্টিক অর্থনীতির দিক থেকে দেখলে বোঝা যায়, প্রয়োজনীয় সব উপাদান এখানে আছে। আপনার বড় একটা জনসংখ্যা আছে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি। যার অধিকাংশই ২৫ বছরের নিচে।’

সেই ধারণা এবং নতুন করে এই খাতে একটা বাজার তৈরির জন্যই এমন উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।

শিখো প্লাটফর্মটি ব্যবহার করতে হলে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। প্রথম সাত দিন অ্যাপটি ব্যবহার সম্পূর্ণ ফ্রি।

অ্যাপটিতে বেশ কিছু প্রিমিয়াম ফিচার আনার কথা জানিয়েছে শিখো ডটটেক।

এক বিবৃতিতে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সহযোগী এবং সিইও রাহাত আহমেদ বলেন, ‘বিশ্বে আয়ের শতকরা হিসাবে বেসরকারি শিক্ষা ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বরাদ্দ রয়েছে, কিন্তু এডটেক ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ পিছিয়ে আছে। বাজারটি আসলে এই খাতের জন্য প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, শিখোর দলটি নেতৃত্ব দেয়া ও শিক্ষাকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত।’

আরও পড়ুন:
‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’
‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 

শেয়ার করুন