আইওএস ১৫: আইফোনের ফেসটাইম এখন অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজে

অ্যাপল তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ আইওএস ১৫ উন্মোচন করেছে। ছবি: সংগৃহীত

আইওএস ১৫: আইফোনের ফেসটাইম এখন অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজে

অ্যাপল সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ আইওএস ১৫ উন্মোচন করেছে। উন্মোচনের আগে আইওএসটি নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়ায়।

অ্যাপল এতদিন তাদের অনেক ফিচার শুধু নিজেদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখলেও এখন তা অন্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের জন্যও সহজ করে দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ আইওএস ১৫ উন্মোচন করেছে। উন্মোচনের আগে আইওএসটি নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়ায়।

কিন্তু সেসব গুজবকে পাত্তা না দিয়ে নতুন সংস্করণে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি তাদের ডিভাইসকে আরও যোগাযোগ সক্ষম ও বহুমুখী করতে ফেসটাইম, আইমেসেজ ফিচারটিকে আরও উন্নত করার কথা জানায়।

আইওএস ১৫ সংস্করণে অ্যাপল অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের ফেসটাইমে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারিতে কোনো কিছু স্পর্শ করার ক্ষেত্রে সতর্ক হয়েছে মানুষ। ফলে ফেসটাইমের চাহিদা বেড়েছে।

সোমবার রাতে অ্যাপলের সফটওয়্যার ডেভেলপারদের বার্ষিক সম্মেলন ডব্লিউডব্লিউসি থেকে আইওএস ১৫ সংস্করণটি উন্মোচন করা হয়।

অ্যাপল বলছে, তাদের নতুন সেবাটি নেয়া যাবে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা উইন্ডোজচালিত কম্পিউটার থেকে। আগে এ ক্ষেত্রে শুধু আইম্যাক ও আইফোন থেকে এই কলে যুক্ত হওয়া যেত।

ফেসটাইম ফিচারটি অনেকটা জুম কলের মতো কাজ করে। এখানেও জুমের মতো মিটিংয়ের লিংক তৈরি করে তা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে। লিংকে ক্লিক করে ফেসটাইম কলে যুক্ত হতে পারবেন অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরাও।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে অ্যাপল জানায়, তারা ফেসটাইমকে আরও সহজ, আরও বেশি মানুষের কাছে এবং আরও বাস্তবভিত্তিক করে তুলতে চায়। সে কারণেই এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ফেসটাইমে করা যাবে স্ক্রিন শেয়ারিং, এমনকি গেইমিংও।

নতুন ফিচার হিসেবে ফেসটাইমে থাকছে শেয়ারপ্লে। এতে একসঙ্গে অনেকে মিলে ভিডিও দেখা ও মিউজিক শুনতে পারবেন।

অ্যাপল টিভি, ডিজনি, হুলু, এইচবিওম্যাক্স, টিকটক, মাস্টারক্লাস বা প্যারামাউন্টের মতো স্ট্রিমিং সাইটও দেখা যাবে একসঙ্গে।

অর্থাৎ যে যেখানেই অবস্থান করুক, একটি সিনেমা সবাই মিলে দেখা যাবে ফেসটাইমের এই ফিচারে।

এ ছাড়া আইওএস ১৫ সংস্করণে আরও নতুন ফিচারের মধ্যে আরও উন্নত করা হয়েছে আইমেসেজ, নোটিফিকেশন ও ফোকাস ফিচার, ফটো, সার্চ, ওয়ালেট, ম্যাপ ওয়েদার ফিচার।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টে নির্বাচিতদের বুটক্যাম্প শুরু

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টে নির্বাচিতদের বুটক্যাম্প শুরু

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

পারস্পরিক সহযোগিতা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্য স্টার্টআপদের কাজ করার আহ্বান জানান পলক।

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট ২০২১ আয়োজনের নির্বাচিত ৬৫টি স্টার্টআপ নিয়ে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বুটক্যাম্প। করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে এবার বুটক্যাম্প হবে অনলাইনে।

পাঁচ দিনের বুটক্যাম্প শুরু করছে আইসিটি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি থেকে বুটক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

পারস্পরিক সহযোগিতা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্য স্টার্টআপদের কাজ করার আহ্বান জানান পলক।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মেধাবী তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকরাই আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপরাই যথাযথ নার্সিং ও ইনকিউবেশন গ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণ করে নিজেদের আত্মনির্ভরশীল করার পাশাপাশি বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল দেশে পরিণত করবে।

তিনি বলেন, ‘তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে স্টার্টআপ কালচার ও এন্টারপ্রেনিউর সাপ্লাই চেইন গড়ে তুলতে আইসিটি বিভাগ ৩৯টি হাইটেক পার্ক, ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, ঢাকার কারওয়ান বাজারে ইনোভেশন সেন্টার স্থাপনসহ সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।’

যা প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানান।

পলক অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপদের উদ্দেশে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘থিংক বিগ, স্টার্ট স্মল, মুভ ফাস্ট।’

বুটক্যাম্পে প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে নিরবে নজরে রাখা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী সবাইকে ইনোভেশনে সতর্কতা ও মনযোগের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘এই ৬৫টি সাটার্টআপ আমাদের আগামী দিনের বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

পলক আরও বলেন, ‘পাঠাও-ট্রাক লাঘবের মতো আগামী দিনের স্টার্টআপগুলো যেন দেশের সমস্যাগুলোর সমাধান করে, প্রয়োজন মিটিয়ে লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি তরুণ-তরুণীর আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে সেটি আমাদের লক্ষ্য।’

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন- স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনা এফ জাবিন, আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক আব্দুর রাকিবসহ অন্যরা।

শেয়ার করুন

‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’

‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপনীতে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

জাতীয় প্রতিযোগিতায় দেশের সব জেলা ও ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিং এবং আধা ঘণ্টাব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই মেয়ে।

মাধ্যমিকে এরই মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক পাঠ্যসূচি থাকলেও এবার প্রাথমিকে প্রোগ্রামিংকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা- এনএইচএসপিসির জাতীয় পর্বের চলতি বছরের সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘আমরা শিশু-কিশোরদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের মাটি থেকে স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ করতে পারব। এমনকি ২০৪১ সালের লক্ষ্য পূরণ করতে পারব।

‘ডিজিটাল বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমাদের দেশের তরুণদের তৈরি করতে আবশ্যিকভাবে প্রোগ্রামিং শেখাতে হবে।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে আবশ্যিক করেছে। ফলে আমাদের যে শিক্ষার্থীরা আইসিটি পড়ে এসেছে, তারা আইসিটি বিষয়ে উদ্যোক্তা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছে।’

পলক বলেন, ‘বুয়েট থেকে ভাষাগুরু নামের ভাষা শেখার সফটওয়্যারে ৯টা ভাষা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু শুধু প্রযুক্তির ভাষা শিখলে আমরা সব ভাষায় যোগাযোগ করতে পারব। প্রাইমারি থেকে প্রোগ্রামিং শেখানোর জন্য ২০২২ সালে যে বই শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে, সেখানে প্রোগ্রামিংকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।’

‘জানুক সবাই দেখাও তুমি’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রোগ্রামিং সংস্কৃতি চালুর লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে অনলাইনেই আয়োজিত হয় এবারের প্রতিযোগিতা।

সারা দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনলাইন প্রস্তুতি প্রতিযোগিতা, অনলাইন মহড়া প্রতিযোগিতা ও অনলাইন ন্যাশনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় প্রতিযোগিতায় দেশের সব জেলা ও ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিং এবং আধা ঘণ্টাব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই মেয়ে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় এ বছর জুনিয়র ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন দেবজ্যোতি দাশ সৌম্য (জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট)।

প্রথম রানার আপ কাজী নাদিদ হোসেইন (খুলনা জিলা স্কুল) এবং দ্বিতীয় রানার আপ শ্রেয়াস লাবিব অরিয়ন (এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা)।

সিনিয়র ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন যারিফ রহমান (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, রাজশাহী)। প্রথম রানার আপ মামনুন সিয়াম (চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম) এবং দ্বিতীয় রানার আপ নাফিস উল হক সিফাত (হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম)।

এ ছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতার জুনিয়র ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন মাহির তাজওয়ার (সেন্ট যোসেফস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা )।

প্রথম রানার আপ নিতীশ সরকার সোম (লৌহজং মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সিগঞ্জ) এবং দ্বিতীয় রানার আপ সামিরা তাসনিম (সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা)।

সিনিয়র ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন নাহিয়ান ইয়াজদান রাহমান (সানবিমস, ঢাকা)। প্রথম রানার আপ ধ্রুব মণ্ডল (বরিশাল জেলা স্কুল, বরিশাল) এবং দ্বিতীয় রানার আপ শ্রেয়া চক্রবর্তী (মুমিনুন্নিসা সরকার মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ)।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ এনামুল কবির, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।

বিজয়ীদের মধ্য থেকে প্রোগ্রামিংয়ের দুই ক্যাটাগরির সেরা তিনজনকে ল্যাপটপ এবং কুইজে দুই ক্যাটাগরির সেরা তিনজনকে স্মার্টফোন উপহার দেয়া হবে।

শেয়ার করুন

ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়

ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়

ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন বিপণন বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান, ‘গেমিং ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৯৯৯ টাকা। এখন নেয়া হচ্ছে প্রি-বুক। প্রি-বুক দেয়া ক্রেতাদের জন্য থাকছে ১ হাজার টাকা মূল্যছাড়। এতে ফোনটি কেনা যাবে ১০ হাজার ৯৯৯ টাকা।’

দেশের বাজারে নতুন আরেকটি স্মার্টফোন এনেছে দেশিয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ মডেলের ফোনটি প্রিঅর্ডার করলে পাওয়া যাবে মূল্যছাড়।

ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন বিপণন বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান, ‘গেমিং ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৯৯৯ টাকা। এখন নেয়া হচ্ছে প্রি-বুক। প্রি-বুক দেয়া ক্রেতাদের জন্য থাকছে ১ হাজার টাকা মূল্যছাড়। এতে ফোনটি কেনা যাবে ১০ হাজার ৯৯৯ টাকা।’

তিনি জানান, অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই ওয়ালটন ই-প্লাজা থেকে বিনামূল্যে ফোনটির প্রি-বুক দেয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের যে-কোনো ওয়ালটন প্লাজা, মোবাইলের ব্র্যান্ড ও রিটেইল আউটলেটে ফোনটির আগাম ফরমায়েশ দেয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রি-বুক দেয়া যাবে ১৬ জুন ২০২১ পর্যন্ত।

‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৬.৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। ১৯:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিওর পর্দার রেজ্যুলেশন ২৩৪০*১০৮০ পিক্সেল।

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ধূলা ও স্ক্র্যাচ রোধে ২.৫ডি কার্ভড গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন।

ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১০ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ২.২ গিগাহার্টজ গতির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬ সিরিজ অক্টাকোর প্রসেসর। সঙ্গে রয়েছে কোয়ালকমের অ্যাড্রেনো ৫১২ গ্রাফিক্স এবং ৪ গিগাবাইট র‌্যাম।

ফলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, থ্রিডি গেমিং এবং দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা পাওয়া যাবে। ফোনটিতে রয়েছে ৬৪ জিবি রম, যা মাইক্রো এসডি কার্ডে বাড়ানো যাবে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত।

ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত ১.৮ অ্যাপারচারের অটোফোকাস এআই ট্রিপল ক্যামেরা। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য সামনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ডিভাইসটিতে রয়েছে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংসহ ৩৬০০ এমএএইচ লি-পলিমার ব্যাটারি।

দেশে তৈরি এই স্মার্টফোনে রয়েছে বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা। স্মার্টফোন কেনার ৩০ দিনের মধ্যে ত্রুটি ধরা পড়লে ফোনটি পাল্টে ক্রেতাকে নতুন আরেকটি ফোন দেয়া হবে।

এ ছাড়া, ১০১ দিনের মধ্যে প্রায়োরিটি বেসিসে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতা বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। স্মার্টফোনে এক বছরের এবং ব্যাটারি ও চার্জারে ছয় মাসের বিক্রয়োত্তর সেবাও থাকছে ফোনটিতে।

শেয়ার করুন

দেশে রেডমি নোট ১০এস আনল শাওমি

দেশে রেডমি নোট ১০এস আনল শাওমি

রেডমি নোট ১০এস স্মার্টফোনটি দেশের বাজারে ওনিক্স গ্রে, পেবল হোয়াইট ও ওশান ব্লু রঙে পাওয়া যাবে। আগামী ১২ জুন থেকে দেশের অথরাইজড মি স্টোর, পার্টনার স্টোর ও রিটেইল চ্যানেলে পাওয়া যাবে রেডমি নোট ১০এস। ফোনটির ৬+৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২২ হাজার ৯৯৯ টাকা, ৬+১২৮ জিবির দাম ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলাদেশের বাজারে বৃহস্পতিবার রেডমি নোট ১০ সিরিজের নতুন ফোন ‘নোট ১০এস’ উন্মোচন করেছে।

ফোনটিতে দেয়া হয়েছে স্লিক ডিজাইন, স্ট্যানিং ক্যামেরা, পারফরম্যান্সের জন্য শক্তিশালী চিপসেট ও স্মুথ ডিসপ্লে। রেডমি নোট ১০ এবং রেডমি নোট ১০ প্রো’র মাঝামাঝি একটা ডিভাইস হিসেবে রেডমি নোট ১০এস বাজারে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া ডিভাইসটি হতে যাচ্ছে মিইউআই ১২.৫ সংস্করণের প্রথম ডিভাইস যাতে পাওয়া যাবে অনেক নতুন ফিচার।

স্মার্টফোনটির উন্মোচন উপলক্ষে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রেডমি ডিভাইস দিয়ে আমরা প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য ও গণতান্ত্রিক করতে কাজ করছি। আমাদের ফিলোসফি, সর্বনিম্ন মূল্যে সেরা উদ্ভাবন গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া। সে ধারাবাহিকতায় আমরা অসাধারণ ক্যামেরা, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের রেডমি নোট ১০এস উন্মোচন করেছি।’

রেডমি নোট ১০এস ফোনটিতে রয়েছে কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। ৬৪ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স, ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরার সঙ্গে ২এক্স জুম এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর রয়েছে। ১১৮ ডিগ্রি ফিল্ড ভিউ থাকায় রেডমি নোট ১০এস ব্যবহারকারীরা সহজেই গ্রুপ ফটোগ্রাফি এবং ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে পারবেন। উন্নতমানের সেলফি নিতে নোট ১০এস ফোনের সামনে দেয়া হয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ডিভাইসটিতে ৬.৪৩ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। ডিসপ্লেতে আরামদায়ক দেখার অভিজ্ঞতা ও ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে আছে অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর।

রেডমি নোট ১০এস ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে শক্তিশালী মিডিয়াটেকের হেলিও জি৯৫ চিপসেট। এর সিপিইউ র‍্যাম কর্টেক্স এ৫৫ এবং এ৭৬ ক্লকড আপটু ২.০৫ গিগাহার্জ; রয়েছে এআরএম মালি জি৭৬ ক্লকড ৯০০ হার্জের জিপিইউ; যা ব্যবহারকারীকে দেবে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের নিশ্চয়তা। ৬ জিবি এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম থাকায় পাওয়া যাবে মাল্টিটাস্কিংসহ স্মুথ পারফরম্যান্স।

ফোনটি আসছে নতুন ইভল ডিজাইনে, যা ব্যবহারকারীদের দেবে প্রিমিয়াম অনুভূতি। স্মার্টফোনটিতে থাকছে ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক।

দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে রেডমি নোট ১০এস ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি; বক্সে থাকছে ৩৩ ওয়াটের চার্জার। এতে আপনি শূন্য থেকে ১০০% চার্জ করতে পারবেন মাত্র ৭৮ মিনিটে। এ ছাড়া মাত্র ৩০ মিনিটে ফোনটি ৫৪ শতাংশ চার্জ করা যাবে।

এসব ছাড়াও ফোনটির সুরক্ষায় থাকছে স্পোর্টস কর্নিং গরিলা গ্লাস, যা ডিভাইসটিকে দুর্ঘটনাবশত পড়ে যাওয়া ও স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করবে। দেয়া হয়েছে ধুলা ও পানিরোধী পোর্ট; ডুয়াল সিম সুবিধা।

রেডমি নোট ১০এস স্মার্টফোনটি দেশের বাজারে ওনিক্স গ্রে, পেবল হোয়াইট ও ওশান ব্লু রঙে পাওয়া যাবে। আগামী ১২ জুন থেকে দেশের অথরাইজড মি স্টোর, পার্টনার স্টোর ও রিটেইল চ্যানেলে পাওয়া যাবে রেডমি নোট ১০এস।

ফোনটির ৬+৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২২ হাজার ৯৯৯ টাকা, ৬+১২৮ জিবির দাম ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

শেয়ার করুন

কথা বললেই স্মার্টফোনে লেখা হবে ইমেইল

কথা বললেই স্মার্টফোনে লেখা হবে ইমেইল

ভয়েস কমান্ডে স্মার্টফোনে ইমেইল লেখার সুবিধা দেবে মাইক্রোসফট। ছবি: সংগৃহীত

মাইক্রোসফট মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, এখন সপ্তাহে ভার্চুয়াল মিটিং বেড়েছে অন্তত ১৪৮ শতাংশ। প্রতিটি মিটিং শিডিউলের সময় গড়ে ২৯ মিনিট।

প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট তাদের আউটলুক মোবাইল অ্যাপে কর্টানা ভয়েস সাপোর্ট নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে। এই সাপোর্ট আনা হলে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনে ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে ইমেইল লেখা, মিটিং শিডিউল করা কিংবা সার্চের মতো কাজ করতে পারবেন।

আউটলুকে এটি আগে আসবে আইওএস প্ল্যাটফর্মে, যেখানে একটি নতুন ভয়েস আইকন দেখা যাওয়ার পর সেটি চালু হবে।

এরপর ব্যবহারকারীরা কোনো ম্যাসেজের উত্তর দিতে তাদের ভয়েস ব্যবহার করতে পারবেন এবং নতুন ইমেইল লিখতে পারবেন।

মাইক্রোসফট মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, এখন সপ্তাহে ভার্চুয়াল মিটিং বেড়েছে অন্তত ১৪৮ শতাংশ। প্রতিটি মিটিং শিডিউলের সময় গড়ে ২৯ মিনিট।

খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনলাইন মিটিং আরও সহজ করতে নতুন এই আপডেট এনেছে প্রতিষ্ঠানটি, ফিচারটি যুক্ত হচ্ছে মাইক্রোসফট ৩৬৫ সেবায়।

মাইক্রোসফট বলছে, সাধারণভাবে আপনি যেভাবে অন্য কাউকে মিটিং শিডিউলের কথা বলেন, তেমনকি করে কর্টানাকে বললে শিডিউলার তেমন করেই বিস্তারিত দিয়ে মিটিং সেট করবে।

এমনকি আপনার কাছ কর্টানা বিস্তারিত জানতে ও বিষয়টি ক্লিয়ার করতে প্রশ্নও জিজ্ঞাসা করতে পারে। তখন বিস্তারিত জানিয়ে কর্টানাকে কমান্ড দেয়া যাবে।

শিডিউলার হলো মাইক্রোসফটের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মানব সহকারী যা মাইক্রোসফট ৩৬৫ সেবাকে নির্দিষ্ট কোনো শব্দ যেমন, হেই গুগল, হেই সিরি বা হ্যালো অ্যালেক্সর মতো শব্দ ছাড়াই কাজ করার অনুমতি দেয়।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, শিডিউলারের মাধ্যমে কর্টানা বেশ কিছু তথ্য নেবে, যা একটি মিটিং সেট করার সময় প্রয়োজন হয়। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে নাম, যার সঙ্গে মিটিং সেট হবে তার নাম, ফ্রি নাকি ব্যস্ত কিংবা সচরাচর কখন পাওয়া যাবে এমন সব তথ্য।

শেয়ার করুন

ধামাকাশপিংয়ে মিলবে গ্লোব ফার্মার পণ্য

ধামাকাশপিংয়ে মিলবে গ্লোব ফার্মার পণ্য

ক্রেতারা এখন গ্লোব ফার্মার সব পণ্য ঘরে বসেই ধামাকাশপিং ডটকম থেকে কিনতে পারবেন। শুরুতে তারা টাইগার, ইউরো কোলা এসব কনজ্যুমার প্রোডাক্টস সেল করবে। অচিরেই গ্লোব ফার্মা গ্রুপের ওষুধও মিলবে ধামাকাশপিং ডটকমে।

গ্লোব ফার্মার সব পণ্য এখন থেকে কেনা যাবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিং ডটকম থেকে।

ঘরে বসে সহজেই গ্রাহকদের বিভিন্ন পণ্য কেনার সুবিধা দিতে ধামাকাশপিং ডটকমের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে গ্লোব ফার্মা গ্রুপ।

ধামাকাশপিংয়ের প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

অনুষ্ঠানে ধামাকাশপিংয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ বিজনেস অফিসার দিবাকর দে শুভ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট তন্ময় রায়, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট রিয়াজুল ইসলাম।

গ্লোব ফার্মা গ্রুপের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ খাইরুল আনাম, হেড অফ গ্রুপ মডার্ন ট্রেড জসীম উদ্দিন।

ধামাকাশপিং ডটকমের চিফ বিজনেস অফিসার দিবাকর দে শুভ জানান, দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তির ফলে ধামাকার গ্রাহকরা ঘরে বসেই গ্লোব ফার্মা গ্রুপের নিত্যনতুন পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। সে ক্ষেত্রে তারা গ্রাহকদের নতুন কোনো অফারও দিতে পারবেন বলে জানান।

গ্লোব ফার্মা গ্রুপের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার মোহাম্মদ খাইরুল আনাম বলেন, দেশে এখন বিশ্বস্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তারা গর্বিত। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গ্লোবের পণ্য সহজেই পৌঁছে দিতে চায় তারা।

ক্রেতারা এখন গ্লোব ফার্মার সব পণ্য ঘরে বসেই ধামাকাশপিং ডটকম থেকে কিনতে পারবেন। শুরুতে তারা টাইগার, ইউরো কোলা এসব কনজ্যুমার প্রোডাক্টস সেল করবে। অচিরেই গ্লোব ফার্মা গ্রুপের ওষুধও মিলবে ধামাকাশপিং ডটকমে।

শেয়ার করুন

ই-কমার্সের পণ্য ডেলিভারি দেবে জয় এক্সপ্রেস

ই-কমার্সের পণ্য ডেলিভারি দেবে জয় এক্সপ্রেস

ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ই-কমার্সের পণ্য ডেলিভারি দিতে কাজ শুরু করেছে জয় এক্সপ্রেস লিমিটেড। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত ডেলিভারি ও পেমেন্ট সুবিধা পাওয়া যাবে। ৫০ টাকায় ও শূন্য শতাংশ ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জে রাজধানীতে এই ডেলিভারি সুবিধা দিচ্ছে জয় এক্সপ্রেস।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ই-কমার্স থেকে পণ্য কেনার পরিমাণ বেড়েছে। সুরক্ষিত ও নিরাপদে ই-কমার্স থেকে কেনা পণ্য পৌঁছে দিতে কাজ শুরু করেছে লজিস্টিকস সেবা জয় এক্সপ্রেস লিমিটেড।

এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আপাতত জয় এক্সপ্রেস ঢাকায় তাদের সেবা চালু করেছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এটি চালু করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত ডেলিভারি ও পেমেন্ট সুবিধা পাওয়া যাবে। ৫০ টাকায় ও শূন্য শতাংশ ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জে রাজধানীতে এই ডেলিভারি সুবিধা দিচ্ছে জয় এক্সপ্রেস।

জয় এক্সপ্রেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ‘বর্তমান সময়ে প্রচুর কেনা-বেচা হচ্ছে অনলাইনে। কিন্তু সঠিক সময়ে গ্রাহকের কাছে পণ্য ডেলিভারি না হওয়ায় তারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ই-কমার্স থেকে। আমরা এই সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি।

‘৫০ টাকায় ঢাকায় ডেলিভারি দিচ্ছি। আমাদের রয়েছে নিজস্ব লোকবল, পণ্য গ্রহণ করার পরের ২৪ ঘণ্টায় মধ্যে পণ্যে পৌঁছে যাচ্ছে গ্রাহকের ঘরে। এমনকি পণ্য ডেলিভারির পরের ২৪ ঘণ্টার মার্চেন্ট তার পণ্যের ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা নিতে পারবেন। টাকা নেয়া যাবে ব্যাংক, নগদ, বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে।’

শেয়ার করুন