হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের ৭ ডিভাইস আনল হুয়াওয়ে

হারমনি ওএস দিয়ে আরও সাত ডিভাইস আনল হু্য়াওয়ে।

হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের ৭ ডিভাইস আনল হুয়াওয়ে

হুয়াওয়ে তাদের হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের হুয়াওয়ে ফ্রিবাডস ৪, ওপেন-ফিট অ্যাক্টিভ নয়েস ক্যানসেলেশন (এএনসি) ওয়্যারলেস ব্লুটুথ ইয়ারবাড ও দুইটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মনিটর– হুয়াওয়ে মেটভিউ ও হুয়াওয়ে মেটভিউ জিটি।

নিজেদের তৈরি নতুন অপারেটিং সিস্টেম হারমনি দিয়ে সাতটি ডিভাইস বাজারে এনেছে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। নতুন করে ওএসটি স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ এবং ট্যাবলেটে এনেছে।

এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে হুয়াওয়ে মেট ৪০ সিরিজ এর নতুন সংস্করণ ও হুয়াওয়ে মেট এক্স২, হুয়াওয়ে ওয়াচ ৩ সিরিজ এবং হুয়াওয়ে মেটপ্যাড প্রো।

সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে আরও উন্মোচন করেছে হুয়াওয়ে ফ্রিবাডস ৪, ওপেন-ফিট অ্যাক্টিভ নয়েস ক্যানসেলেশন (এএনসি) ওয়্যারলেস ব্লুটুথ ইয়ারবাড ও দুইটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মনিটর– হুয়াওয়ে মেটভিউ ও হুয়াওয়ে মেটভিউ জিটি।

বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একাধিক ডিভাইসে গ্রাহকরা যেন ঝামেলাহীনভাবে ইন্টেলিজেন্ট অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য হুয়াওয়ের প্রায় একশোটি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটকে হারমনিওএস ২ অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় আনা হবে বলেও হুয়াওয়ে এই অনুষ্ঠানে ঘোষণা করে।

হুয়াওয়ের নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্ট ওয়াচ হুয়াওয়ে ওয়াচ ৩ সিরিজ কার্ভড গ্লাস স্ক্রিনযুক্ত এবং এতে রয়েছে ৩১৬এল স্টেইনলেস স্টিলের কেস। এতে আরও আছে অভিনব থ্রি-ডি রোটেটিং ক্রাউন, যা বিভিন্ন স্তরের চাপ অনুভবে সক্ষম এবং ব্যবহারকারীর ইনপুট অনুযায়ী তাকে হ্যাপটিক ফিডব্যাক প্রদান করতে পারে।

হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের ৭ ডিভাইস আনল হুয়াওয়ে
ল্যাপটপেও হারমনি ওএস এনেছে হুয়াওয়ে

এ ছাড়া হুয়াওয়ে ওয়াচ ৩ সিরিজের মাধ্যমে ফোন কল করা ও গ্রহণ করা যায়। স্মার্টফোনের মতো একই ফোন নম্বর এবং ডেটা প্ল্যান ব্যবহার করে গান শোনা যায়। ভ্রমণ, প্রফেশনাল ফিটনেস ও স্বাস্থ্য বিষয়ে বহুমুখী গাইড হিসেবে কাজ করতে এই হারমনিওএস ২ ভিত্তিক ওয়াচ হুয়াওয়ে স্মার্টফোনের সাথে সমন্বয় করা যাবে।

নতুন হুয়াওয়ে মেটপ্যাড প্রো’তে রয়েছে ৯০ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিওযুক্ত আকর্ষণীয় ১২.৬ ইঞ্চির ওএলইডি ফুলভিউ ডিসপ্লে, যা বর্তমান বাজারের সকল ট্যাবলেটের মধ্যে সর্বোচ্চ। হুয়াওয়ে মেটপ্যাড প্রো ১,০০০,০০০:১ উচ্চ কনট্রাস্ট রেশিওযুক্ত এবং এটি ডিসিআই-পি৩ রঙের পরিসর সমর্থন করে। কিরিন ৯০০০ সিরিজের চিপসেটযুক্ত হুয়াওয়ে মেটপ্যাড প্রো চমকপ্রদ পারফরমেন্স নিশ্চিত করবে। হুয়াওয়ে মেটপ্যাড প্রো দিয়ে পিসির সাথে মাল্টি-স্ক্রিন সমন্বয়ও করা যায়। ট্যাবলেটটি মিরর মোডে ড্রইং বোর্ডে এবং এক্সটেন্ড মোডে মনিটরে পরিণত করা যায়।

হুয়াওয়ে মেটাপ্যাড প্রোর পাশাপাশি একইসাথে উন্মোচন করা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের হুয়াওয়ে এম-পেন্সিল। নির্ভুলভাবে কম সময়ে লেখার জন্য এই নতুন স্মার্ট পেন- এ প্লাটিনামের প্রলেপ দেয়া নিব ব্যবহার করা হয়েছে। হুয়াওয়ে এম-পেন্সিল ‘ফ্রি-স্ক্রিপ্ট’ কে সাপোর্ট করে, যা হাতের লেখাকে রিয়াল টাইমে ডিজিটাল লেখায় রূপান্তর করতে পারে।

‘হারমনি ওএস’ মাল্টি ডিভাইস ইন্টার‍্যাকশনকে একটি ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের মতো সহজ করে। এর মাধ্যমে অনেকগুলো ডিভাইস একসাথে চালানোর সময় একটি ডিভাইস চালনার মতোই সহজ মনে হয়। এই নতুন কন্ট্রোল প্যানেলটি 'ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ইন্টিগ্রেট’ ফিচারের মাধ্যমে সহজ ও স্বয়ংক্রিয় সংযোগ তৈরি করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ডিভাইসের সাথে একে সংযুক্ত করে নিতে পারেন।

‘হারমনি ওএস ২’- এর নতুন ‘টাস্ক সেন্টার’ ফিচারের মাধ্যমে একটি ডিভাইসে অ্যাপ ইন্সটল করে বাকী ডিভাইসগুলোতে অ্যাপ ইন্সটল করা ছাড়াই সেই অ্যাপ দিয়ে সংযুক্ত থাকা সব ডিভাইসে কাজ করা যাবে। ব্যবহারকারীরা সেবাটি তাদের ইচ্ছামত যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে গ্রহণ করতে পারবেন।

হুয়াওয়ে ছাড়াও অন্য ডিভাইসকে স্মার্ট ফিচারের আওতাভুক্ত করতে হুয়াওয়ে হাইলিংককে আপগ্রেড করে ‘হুয়াওয়ে ওএস কানেক্ট’ করা হয়েছে।

হারমনি ওএস ২ সর্বশেষ প্রজন্মের ইএমইউআই এর চেয়েও আরো সাবলীলভাবে কাজ করে। হারমনি ওএস ২ মোবাইলগুলো ৩৬ মাস ব্যবহারের পরেও নতুন মোবাইলের গতির মতোই কাজ করে। এমনকি অল্প স্টোরেজ থাকা সত্ত্বেও এটি একই গতিতে ব্যবহার করা যায়।

হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপের সিইও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রিচার্ড উ বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিশ্বে বসবাস করি, যেখানে সবাই সবার সাথে সংযুক্ত।

‘আমরা সবাই, সব ডিভাইস সম্পূর্ণ কানেক্টেড এ বিশ্বের অংশ। এক্ষেত্রে, একটি অনবদ্য হারমনি ওএস ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে আমরা আরো অংশীদার ও ডেভেলপারদের সাথে কাজ করতে চাই, যার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আরো ভাল অভিজ্ঞতা, পণ্য ও সেবা দিতে পারি।’

হারমনি ওএস ২ এর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে চীনে ইতোমধ্যে ১০০ হুয়াওয়ে ডিভাইস হারমনি ওএস ২ এ আপগ্রেড করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে হুয়াওয়ে মেট ৪০ সিরিজ, মেট ৩০ সিরিজ, পি৪০ সিরিজ, মেট এক্স টু, নোভা ৮ সিরিজ, এবং মেটাপ্যাড প্রো সিরিজ।

যেসব ব্যবহারকারীরা দ্রুত এই নতুন ওএস এর অভিজ্ঞতা নিতে চান, তারা হুয়াওয়ে ক্লাবে বা মাই হুয়াওয়ে অ্যাপে আবেদন করতে পারেন। অথবা তারা চীনে হুয়াওয়ের যেকোনো ৬৬ অফলাইন স্টোরে হারমনি ওসএস এক্সপেরিয়েন্স অফিসার প্রোগ্রামে নিবন্ধন করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দেশের সবচেয়ে বড় ছাদ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু

দেশের সবচেয়ে বড় ছাদ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু

দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সংযুক্ত থাকবে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে। নেট মিটারিং পদ্ধতির মাধ্যমে এই কেন্দ্র থেকে গ্রিডে চলে যাবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ।

চট্টগ্রামে দেশের সবচেয়ে বড় ছাদ সৌরবিদ্যুৎ (রুফটপ সোলার পাওয়ার) প্রকল্পের প্রথম কেন্দ্রটি চালু হয়েছে, যার উৎপাদনক্ষমতা ১৬ মেগাওয়াট।

দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি ইয়াংওয়ান করপোরেশনের অর্থায়নে জেলার আনোয়ারায় কেইপিজেডে রোববার এই কেন্দ্রটি চালু হয়েছে।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে ইয়াংওয়ান করপোরেশন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা) এই পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রকল্পে উৎপাদিত হবে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সংযুক্ত থাকবে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে। নেট মিটারিং পদ্ধতির মাধ্যমে এই কেন্দ্র থেকে গ্রিডে চলে যাবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ।

তিন ধাপে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রথম ধাপে স্থাপিত ১৬ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র রোববার চালু হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং গুন এবং ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাঙ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান সামিনা বানু বলেন, দেশে এটিই প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড, যেখানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রথম ধাপে এই কেন্দ্র চালু হয়েছে। আরও দুটি কেন্দ্র চালুর পর এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে আশপাশের এলাকায় অন্তত ১২ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে।

ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাঙ জানান, ১৬ মেগাওয়াটের প্রথম সৌর ফটোভোলটাইক (পিভি) বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপনে খরচ হয়েছে ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটির কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে আট মাস। দ্বিতীয় ধাপে স্থাপিত হবে ৪ দশমিক ৩ মেগাওয়াটের সৌর প্যানেল।

তিনি আরও জানান, আগামী অক্টোবরে এই প্যানেল স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তৃতীয় ধাপে ২০ মেগাওয়াটের অপর একটি কেন্দ্র স্থাপিত হবে ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট (আইপিপি) হিসেবে। সৌরশক্তির সব প্যানেলই কোরিয়া থেকে আমদানি করা।

১৯৯৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক ইয়াংওয়ান করপোরেশন চট্টগ্রামে বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল স্থাপন করে, যা কেইপিজেড নামে পরিচিত। ২০১১ সালের ২ অক্টোবর প্রথম কারখানা হিসেবে কর্ণফুলী শুজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কোরিয়ান ইপিজেডে উৎপাদন শুরু করে। সেখানে বর্তমানে ৩৪টি বিশ্বমানের কারখানায় ফুটওয়্যার, পোশাকশিল্প এবং টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে ধামাকাশপিংয়ে কার ফেস্ট

৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে ধামাকাশপিংয়ে কার ফেস্ট

ফেস্টে শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মাজদা ব্র্যান্ডের কার পাওয়া যাবে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া ধামাকা কার ফেস্ট চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিং ডটকমে শুরু হয়েছে ‘ধামাকা কার ফেস্ট’। কার ফেস্টে বিশ্বের নামিদামি ব্রান্ডের গাড়ি কিনলে গ্রাহকেরা পাবেন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়।

ফেস্টে শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মাজদা ব্র্যান্ডের কার পাওয়া যাবে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া ধামাকা কার ফেস্ট চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত।

ধামাকাশপিং ডটকমের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সিরাজুল ইসলাম রানা বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির গ্রাহকেরা যেন সাশ্রয়ী মূল্যে একটি গাড়ি কিনতে পারেন সে জন্য আমরা ধামাকা কার ফেস্ট ক্যাম্পেইন চালু করেছি।

‘স্বপ্নের গাড়ি কিনলে ক্রেতারা ৬০ দিনের মধ্যেই গাড়ি হাতে পাবেন।’

ধামাকা গ্রাহকদের জন্য ই-কমার্সে অটোমোবাইল কেনা জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় করে তুলছে বলেও জানান তিনি।

সেরা পণ্য ও সেরা ব্র্যান্ড নিয়ে কাজের অংশ হিসেবে এই ফেস্ট আয়োজন বলে জানান রানা।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

হইসচেতন ক্যাম্পেইনে টিকটকের সঙ্গে মেহজাবিন

হইসচেতন ক্যাম্পেইনে টিকটকের সঙ্গে মেহজাবিন

অ্যাপের মাধ্যমে সুরক্ষা দিতে টিকটক নতুন করে প্রাইভেসি সেটিংস, ফির্টার, ইন-অ্যাপ রিপোর্টিং, কমিউনিটি গাইডলাইন তৈরি ও স্থানীয় ভাষা সংযোজন করেছে।

দেশের ডিজিটাল কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ও ইন্টারনেটে দায়িত্বশীল আচরণ করার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তায় #হইসচেতন ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহবাজিন চৌধুরী।

এই ক্যাম্পেইনে মেহজাবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন দেশের খ্যাতিমান অভিনেত্রীসহ জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার সেলিব্রিটি ইমরান মাহমুদুল, রথি আহমেদ, সামিরা খান মাহি, পড়শি, আরেফিন রুমি, হাবিব ওয়াহিদ, নওরিন আফরোজ পিয়া, আফরা মিমো, শাবা সিদ্দিকী, হামজা খান, অমি, জয় সরকার বাপ্পী, শান্তসহ অনেকেই। তারা টিকটকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে #হইসচেতন বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক জানায়, তারা সব সময় নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। #হইসচেতন সেই পথে আরেকটি পদক্ষেপ।

ধারাবাহিক সচেতনতামূলক প্রচারণার পাশাপাশি, টিকটকের #আপনি নিরাপদ থাকলে অ্যাপ নিরাপদ বৃহত্তর সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে এই পাবলিক সার্ভিস অ্যানাউন্সমেন্ট ক্যাম্পেইন চালু হয়েছে বলে জানায়। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুশীলন করতেই ব্যবহারকারীদের সচেতন করা।

টিকটক জানায়, লাখ লাখ মানুষের বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও গোপনীয়তায়।

অ্যাপের মাধ্যমে সুরক্ষা দিতে টিকটক নতুন করে প্রাইভেসি সেটিংস, ফির্টার, ইন-অ্যাপ রিপোর্টিং, কমিউনিটি গাইডলাইন তৈরি ও স্থানীয় ভাষা সংযোজন করেছে।

টিকটকের মুখপাত্র বলেন, ‘অনলাইনে দায়িত্বহীন আচরণ পুরো খাতজুড়েই উদ্বেগ ছড়ায়, যা একটা যৌথ দায়বদ্ধতা। টিকটক বিনোদনের শীর্ষস্থানীয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্ম, যাতে ব্যবহারকারীরা স্বাধীনভাবে তাদের সৃজনশীলতা দেখাতে পারেন; আমাদের কমিউনিটির সুরক্ষা ও কল্যাণের জন্য অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপগুলো আমরা অব্যাহত রাখব।

‘আমরা যেকোনো প্রকারের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা দিতে ও অ্যাপটির নিরাপদ এবং ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী বলেন, ‘টিকটকের #হইসচেতন ক্যাম্পেইনে আমি আমার সমর্থন ব্যক্ত করছি। আমি এটাকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটা অসাধারণ উদ্যোগ মনে করি। উদ্যোগটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সজাগ করতে এবং অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রে আচরণ সম্পর্কে সচেতন করতে কাজ করবে।’

গীতিকার ও প্লেব্যাক গায়ক ইমরান মাহমুদুল বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, যখন আমরা অনলাইন ও অফলাইন ইভেন্টের কোনো কিছু যাচাই করি, তখন সেটার দায়বদ্ধতা আমাদের সবার মধ্যেই থাকে। #হইসচেতন ক্যাম্পেইনের সহযোগী হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। নিরাপদ ইন্টারনেট নিয়ে টিকটকের এই সচেতনতার প্রচেষ্টাকে আমি সমর্থন জানাই।’

গত বছর বিশ্ব ইন্টারনেট দিবস উপলক্ষে টিকটক বাংলাদেশে #আমরাসেফইন্টারনেটসেফ ক্যাম্পেইন করেছিল। দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ওই উদ্যোগে সামাজিকমাধ্যমের নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টিতে সচেতন করে।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

অ্যাপে লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ করবেন কীভাবে

অ্যাপে লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ করবেন কীভাবে

চাইলে নিজের ফোনের লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ রাখা যায়।

স্মার্টফোনে এই অপশনটি সঠিক নির্দেশনাও দেয়, তাই অনেকের কাছেই এটি জনপ্রিয়। কিন্তু এমন কিছু অ্যাপ আছে, যা প্রতিনিয়ত আপনাকে নজরদারিতে রাখছে, আপনার লোকেশন ব্যবহার করে। তৃতীয় পক্ষের এসব অ্যাপে আপনি চাইলেই লোকেশন শেয়ার বন্ধ করে নিজের নিরাপত্তা বাড়াতে পারবেন।

যাতায়াতের জন্য রাইড শেয়ারিং, অনলাইন থেকে খাবার অর্ডার করা, বিভিন্ন স্থান খুঁজতে অথবা নিজের অবস্থান কোথায়, তা ম্যাপে দেখতে স্মার্টফোনে লোকেশন শেয়ার ব্যবহার করা হয়।

স্মার্টফোনে এই অপশনটি সঠিক নির্দেশনাও দেয়, তাই অনেকের কাছেই এটি জনপ্রিয়। কিন্তু এমন কিছু অ্যাপ আছে, যা প্রতিনিয়ত আপনাকে নজরদারিতে রাখছে, আপনার লোকেশন ব্যবহার করে। তৃতীয় পক্ষের এসব অ্যাপে আপনি চাইলেই লোকেশন শেয়ার বন্ধ করে নিজের নিরাপত্তা বাড়াতে পারবেন। চলুন দেখে নিই।

কোন কোন অ্যাপ আপনার লোকেশন ব্যবহার করছে জানতে হাতে থাকা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির Settings অপশনে যান। Settings থেকে এবার ‘Security & Location’ অপশন নির্বাচন করে দিন। দেখবেন সেখানে আরও অনেক অপশন রয়েছে।

সেই তালিকায় পাবেন Location অপশন। এবার সেখান থেকে ‘Location Access’-এ ক্লিক করলে দেখতে পাবেন কোন কোন অ্যাপ আপনার লোকেশন ব্যবহার করছে।

এবার যেসব অ্যাপে আপনি লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ রাখতে চান সেটি করতে পারবেন আরেকটি সহজ ধাপে।

বিশেষ কোনো অ্যাপে লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ করে দিতে চাইলে আবারও মোবাইলের Settings অপশনে ক্লিক করুন। সেখান থেকে প্রথমে Installed Apps কিংবা Apps & Notification অপশনে যান। সেখানে ফোনে ইনস্টল থাকা সব অ্যাপের একটি তালিকা দেখাবে। যে অ্যাপের লোকেশন বন্ধ করে দিতে চান এবার সেই অ্যাপে ট্যাপ বা ক্লিক করে Permissions-এ গিয়ে সেখান থেকে Location অপশনটি বন্ধ করে দিন।

এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনার লোকেশন শেয়ারিং বন্ধ করে দিলে আপনাকে আর থার্ড পার্টির কোনো অ্যাপ শনাক্ত করতে পারবে না লোকেশন ব্যবহার করে। এমনকি ব্যক্তিগত অবস্থানের তথ্যও তারা আর পাবে না।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

দ্রব্যডটকমের পণ্য ডেলিভারিতে পাটের সোনালি ব্যাগ

দ্রব্যডটকমের পণ্য ডেলিভারিতে পাটের সোনালি ব্যাগ

পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে সোনালি ব্যাগের পাশাপাশি কাগজের তৈরি বক্সও ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দ্রব্যডটকম তাদের পণ্য ডেলিভারি দিতে পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ ব্যবহার শুরু করেছে।

দেশের প্রথম ই-কমার্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এই ব্যাগ ব্যবহার শুরু করল বলে দাবি করেছে।

পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে সোনালি ব্যাগের পাশাপাশি কাগজের তৈরি বক্সও ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী দ্রব্য থেকে যেকোনো অর্ডার করলে গ্রাহকদের উপহার হিসেবে একটি করে গাছ দিচ্ছে ই-কমার্স সাইটটি।

দ্রব্যডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম বাতিয়া আহসান বলেন, ‘জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বাংলাদেশের বার্ষিক বন উজাড়ের হার বিশ্ব গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।

‘১৭ বছরে বাংলাদেশের প্রায় ৮০০ বর্গকিলোমিটার বন ধ্বংস হয়েছে। তাই গাছ লাগিয়ে পরিবেশকে রক্ষা করতে সবাইকে অনুপ্রেরণা দিতে মাসব্যাপী প্রতিটি অর্ডারের সঙ্গে একটি করে গাছ উপহার দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।’

সোনালি ব্যাগে পণ্য ডেলিভারির উদ্যোগের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার আবু নোমান জানান, ‘প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সব সময়ই আমাদের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের কাছে এর বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, তাই পরিবেশ রক্ষার্থে সবাইকে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে আমরা এই উদ্যোগ চালু করেছি।’

এই উদ্যোগে সবার থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানান তিনি। সবাই সচেতন হলে একদিন দেশে ক্ষতিকর প্লাস্টিকের ব্যবহার শূন্যর কোঠায় নেমে আনা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

‘ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ’

‘ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ’

রাজধানীতে শুক্রবার বেসরকারি সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে।' ছবি: সংগৃহীত

‘ডিজিটাল অপরাধ বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ’ জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদ, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে অনেকে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

রাজধানীতে শুক্রবার বেসরকারি সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘ডিজিটাল অপরাধ বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ’ জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদ, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে অনেকে বিপদগ্রস্থ হচ্ছেন।’ তাই পাসওয়ার্ডসহ কিছু কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন মন্ত্রী।

ডিজিটাল অপরাধ থেকে শিশুদের নিয়ন্ত্রণে প্যারেন্টাল গাইডেন্সের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘প্যারেন্টাল গাইডেন্সের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। কিন্তু অভিভাবকদের এ সংক্রান্ত অজ্ঞতার কারণে তা প্রয়োগের হার খুবই কম।’

মোবাইল, ডিভাইস ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থীরও পাঠগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিশুটি ক্লাস করা ছাড়া অনলাইনে কী করে অভিভাকদেরই তা মনিটরিং করা দরকার।’

ডিজিটাল অপরাধ অনেক বিস্তৃতি লাভ করেছে বলেই সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়ন করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

ডিজিটাল অপরাধ দমনে পুলিশের দক্ষতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল কানেক্টিভিটি সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ায় এই অপরাধটি কেবল শহরকেন্দ্রিক নয় এটি সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে। পুলিশ বাহিনীতে তৃণমূল পর্যন্ত ডিজিটাল ইউনিট গঠন করা সময়ের দাবি।’

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন

হোয়াটসঅ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক চালু করবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক চালু করবেন যেভাবে

এটি যুক্ত হওয়ায় মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রবেশের সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হবে।

ফেসবুক মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপে নিরাপত্তার জন্য বায়োমেট্রিক আনলক করা যায়। অনেকেই অধিক নিরাপত্তার জন্য এটি করে থাকেন। তবে অনেকেই জানেন না কীভাবে এটি যুক্ত করা যায়।

এটি যুক্ত হওয়ায় মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রবেশের সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হবে।

যেভাবে চালু করবেন

হোয়াটসঅ্যাপ চালু করে হোম পেজের ওপরের দিকে সেটিংস আইকনে ক্লিক করতে হবে।

সেখান থেকে অ্যাকাউন্ট সেটিংসের মাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংসে প্রবেশ করতে হবে।

প্রাইভেসি সেটিংসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলকের একটি অপশন প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে ‘Unlock with fingerprint sensor’ নির্বাচন করতে হবে।

পরের ধাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যোগ করতে হবে এবং পুনরায় তা নিশ্চিত করতে হবে। চাইলে আনলকিংয়ের সময়সীমাও বেঁধে দেয়া যাবে।

সব প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে হোয়াটসঅ্যাপের বায়োমেট্রিক আনলকিং ফিচারটি চালু হয়ে যাবে। অ্যাপে প্রবেশের সময় ব্যবহারকারীর আঙুলের ছাপ দিয়ে ভেরিফাই করলেই কেবল তা চালু হবে। তবে ফিচারটি পেতে ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকা আবশ্যক।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোনের জন্য হারমনি ওএস আনল হুয়াওয়ে

শেয়ার করুন