‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’

‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’

পাশাপাশি ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্লাউড সেবা, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, ই-লার্নিং, ই-বুক প্রকাশ, স্মার্টফোনের অ্যাপ তৈরিসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় তরুণ উদ্যোক্তাদের যে কর ছাড় দেয়া হয়েছে তার মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন পলক।

সফটওয়্যারে সক্ষমতা অর্জন, হার্ডওয়্যারে সক্ষমতার জন্য বাজেটে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এ বিশেষ সুবিধা দেশকে আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আরও এগিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

‘বাজেট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তারুণ্যের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইসিটি খাতের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে শুক্রবার রাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

পাশাপাশি ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্লাউড সেবা, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, ই-লার্নিং, ই-বুক প্রকাশ, স্মার্টফোনের অ্যাপ তৈরিসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় তরুণ উদ্যোক্তাদের যে কর ছাড় দেয়া হয়েছে তার মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন পলক।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপকমিটি ওয়েবিনারটির আয়োজন করে।

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জীবন ও জীবিকার বাজেট উল্লেখ করে পলক বলেন, ‘দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে আইসিটি বিভাগ ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।’

‘আমরা এখন আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে’
‘বাজেট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তারুণ্যের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইসিটি খাতের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনারেঅংশ নেয়া অতিথিরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে স্টার্টআপ সংস্কৃতি গড়ে তুলতে আইসিটি বিভাগের অধীন স্টার্টআপ কোম্পানি লিমিটেড গঠন করা হয়েছে। এটি সরকারি ভেঞ্চার কোম্পানি। এরই মধ্যে কোম্পানিটির মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য শত বর্ষে শত আশা প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

‘দেশে উদ্ভাবনী অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের বুকে একটি উদ্ভাবনমূলক উন্নত অর্থনীতির বাংলাদেশ গঠনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।’

ওয়েবিনারে প্রতিমন্ত্রী আইটি খাতের গৃহীত ও বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

পলক জানান, ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিগগির পূর্বাচলে একটি ভিশন ২০২১ টাওয়ার স্থাপন করা হবে। সেখানে রিসার্চ, ইনোভেশন, বিজনেস অ্যান্ড ডিজিটাল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষক, রাজনীতিক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ডিজিটাল দুনিয়ায় নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা অর্জনের প্রয়াস চালানো হবে।

‘তথ্যপ্রযুক্তি অর্থনীতির অক্সিজেন’ উল্লেখ করে পলক বলেন, ‘মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী আইসিটি বিভাগ কখনও অ্যাডভাইজরি, কখনও সাজেস্টিভ অথবা কোথাও ইমপ্লিমেন্টের রোল প্লে করবে।

‘অর্থাৎ আইসিটি অর্থনীতির অক্সিজেনে রূপান্তরিত হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বাণিজ্য, বিনোদন এমনকি বিচারিক ব্যবস্থায়ও আমরা আইসিটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করছি।’

তিনি বলেন, ‘আর্থিক লেনদেন সহজ করতে ইতোমধ্যেই ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ শেষ হয়েছে; এ বছরই উদ্বোধন করা হবে। এর মাধ্যমে ক্রেডিট স্কোরিং, রেটিংসহ পুরো ফিন্যান্সিয়াল ইকোসিস্টেমে ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটির সভাপতি অধ্যাপক হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবু বকর, বুয়েটের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল জব্বার খান, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মুনাজ আহমেদ নূর, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দ্রব্যডটকমের পণ্য ডেলিভারিতে পাটের সোনালি ব্যাগ

দ্রব্যডটকমের পণ্য ডেলিভারিতে পাটের সোনালি ব্যাগ

পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে সোনালি ব্যাগের পাশাপাশি কাগজের তৈরি বক্সও ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দ্রব্যডটকম তাদের পণ্য ডেলিভারি দিতে পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ ব্যবহার শুরু করেছে।

দেশের প্রথম ই-কমার্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এই ব্যাগ ব্যবহার শুরু করল বলে দাবি করেছে।

পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে সোনালি ব্যাগের পাশাপাশি কাগজের তৈরি বক্সও ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী দ্রব্য থেকে যেকোনো অর্ডার করলে গ্রাহকদের উপহার হিসেবে একটি করে গাছ দিচ্ছে ই-কমার্স সাইটটি।

দ্রব্যডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম বাতিয়া আহসান বলেন, ‘জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বাংলাদেশের বার্ষিক বন উজাড়ের হার বিশ্ব গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।

‘১৭ বছরে বাংলাদেশের প্রায় ৮০০ বর্গকিলোমিটার বন ধ্বংস হয়েছে। তাই গাছ লাগিয়ে পরিবেশকে রক্ষা করতে সবাইকে অনুপ্রেরণা দিতে মাসব্যাপী প্রতিটি অর্ডারের সঙ্গে একটি করে গাছ উপহার দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।’

সোনালি ব্যাগে পণ্য ডেলিভারির উদ্যোগের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার আবু নোমান জানান, ‘প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সব সময়ই আমাদের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের কাছে এর বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, তাই পরিবেশ রক্ষার্থে সবাইকে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে আমরা এই উদ্যোগ চালু করেছি।’

এই উদ্যোগে সবার থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানান তিনি। সবাই সচেতন হলে একদিন দেশে ক্ষতিকর প্লাস্টিকের ব্যবহার শূন্যর কোঠায় নেমে আনা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

‘ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ’

‘ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ’

রাজধানীতে শুক্রবার বেসরকারি সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে।' ছবি: সংগৃহীত

‘ডিজিটাল অপরাধ বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ’ জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদ, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে অনেকে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

রাজধানীতে শুক্রবার বেসরকারি সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাইবার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘ডিজিটাল অপরাধ বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ’ জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘দেশ যত বেশি ডিজিটাল হবে, ডিজিটাল অপরাধের মাত্রা তত বাড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদ, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে অনেকে বিপদগ্রস্থ হচ্ছেন।’ তাই পাসওয়ার্ডসহ কিছু কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন মন্ত্রী।

ডিজিটাল অপরাধ থেকে শিশুদের নিয়ন্ত্রণে প্যারেন্টাল গাইডেন্সের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘প্যারেন্টাল গাইডেন্সের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। কিন্তু অভিভাবকদের এ সংক্রান্ত অজ্ঞতার কারণে তা প্রয়োগের হার খুবই কম।’

মোবাইল, ডিভাইস ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থীরও পাঠগ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিশুটি ক্লাস করা ছাড়া অনলাইনে কী করে অভিভাকদেরই তা মনিটরিং করা দরকার।’

ডিজিটাল অপরাধ অনেক বিস্তৃতি লাভ করেছে বলেই সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়ন করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

ডিজিটাল অপরাধ দমনে পুলিশের দক্ষতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল কানেক্টিভিটি সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ায় এই অপরাধটি কেবল শহরকেন্দ্রিক নয় এটি সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে। পুলিশ বাহিনীতে তৃণমূল পর্যন্ত ডিজিটাল ইউনিট গঠন করা সময়ের দাবি।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

হোয়াটসঅ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক চালু করবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক চালু করবেন যেভাবে

এটি যুক্ত হওয়ায় মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রবেশের সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হবে।

ফেসবুক মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপে নিরাপত্তার জন্য বায়োমেট্রিক আনলক করা যায়। অনেকেই অধিক নিরাপত্তার জন্য এটি করে থাকেন। তবে অনেকেই জানেন না কীভাবে এটি যুক্ত করা যায়।

এটি যুক্ত হওয়ায় মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রবেশের সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হবে।

যেভাবে চালু করবেন

হোয়াটসঅ্যাপ চালু করে হোম পেজের ওপরের দিকে সেটিংস আইকনে ক্লিক করতে হবে।

সেখান থেকে অ্যাকাউন্ট সেটিংসের মাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংসে প্রবেশ করতে হবে।

প্রাইভেসি সেটিংসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলকের একটি অপশন প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে ‘Unlock with fingerprint sensor’ নির্বাচন করতে হবে।

পরের ধাপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যোগ করতে হবে এবং পুনরায় তা নিশ্চিত করতে হবে। চাইলে আনলকিংয়ের সময়সীমাও বেঁধে দেয়া যাবে।

সব প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে হোয়াটসঅ্যাপের বায়োমেট্রিক আনলকিং ফিচারটি চালু হয়ে যাবে। অ্যাপে প্রবেশের সময় ব্যবহারকারীর আঙুলের ছাপ দিয়ে ভেরিফাই করলেই কেবল তা চালু হবে। তবে ফিচারটি পেতে ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকা আবশ্যক।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন জ্যাক মা

ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন জ্যাক মা

আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। ছবি: এএফপি

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ও সহপ্রতিষ্ঠাতা জো সাই বলেন, ‘মা এখন লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন। তার সঙ্গে আমার প্রতিদিনই কথা হয়।’

চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ও সহপ্রতিষ্ঠাতা জো সাই বলেন, ‘মা এখন লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন। তার সঙ্গে আমার প্রতিদিনই কথা হয়।

‘তিনি বেশ ভালো আছেন। শখ হিসেবে ছবি আঁকাআঁকি বেছে নিয়েছেন মা।’

ওয়েব পোর্টাল এমএসএনের প্রতিবেদনে বুধবার বলা হয়, গত বছরের নভেম্বরে স্টক মার্কেটে আলিবাবার অঙ্গসংগঠন অ্যান্ট গ্রুপের ৩৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের শেয়ার স্থগিত করে চীনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ওই ঘটনার সমালোচনা করেন জ্যাক মা। এর পরই আলিবাবার বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় চীনা সরকার।

আলিবাবার বিরুদ্ধে চীন কর্তৃপক্ষের নেতিবাচক পদক্ষেপ নেয়ার পর জনসমক্ষে হাজির হননি জ্যাক মা।

সাই সিএনবিসিকে বলেন, ‘জ্যাকের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, এমন ধারণা আমি মনে করি সঠিক নয়। তিনি আমার আপনার মতোই সাধারণ এক মানুষ।’

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান জো সাই আরও বলেন, ‘তিল তিল করে জ্যাক মা তার প্রতিষ্ঠানকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। সমাজের জন্য অনেক কিছু করেছেন তিনি।

‘জ্যাক মা আজ নিজের মতো করে সময় কাটাতে চাইছেন। জনহিতৈষীমূলক ও শখের কাজ করে থাকতে চাইছেন তিনি।’

চলতি মাসের এপ্রিলে অ্যান্টি মনোপলি নীতি ভঙ্গের দায়ে আলিবাবাকে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করে চীনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

জরিমানার বিষয়ে জানতে চাইলে সাই বলেন, ‘আলিবাবার ব্যবসার আর্থিক অংশে পুনর্গঠনের কাজ চলছে। বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হয়েছে আমাদের।

‘তবে সেসব আমরা পেছনে ফেলে এসেছি। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

কোন মোবাইল সেট বন্ধ হচ্ছে, জানাল বিটিআরসি

কোন মোবাইল সেট বন্ধ হচ্ছে, জানাল বিটিআরসি

বিটিআরসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেসব ভ্যান্ডর বিটিআরসির অনুমোদন নিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করে বাজারজাত করেছেন, তাদের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর আমাদের ডেটাবেজে সংযোজন আছে। সেই সেটগুলো সচল থাকবে।’

অবৈধ সব মোবাইল হ্যান্ডসেট আগামী ১ জুলাই থেকে বন্ধ হচ্ছে বলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জানিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সংস্থাটি সে সিদ্ধান্ত বহাল রাখছে। তবে বিটিআরসির অনুমোদন নেয়া সেটগুলো সচল থাকছে।

বিটিআরসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেসব ভ্যান্ডর বিটিআরসির অনুমোদন নিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করে বাজারজাত করেছেন, তাদের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর আমাদের ডেটাবেজে সংযোজন আছে। সেই সেটগুলো সচল থাকবে।

‘আর যেসব সেট বাজারে আছে অথচ আমাদের ডেটাবেজে আইএমইআই নম্বর সংযোজন নেই, আমাদের সিস্টেম সেই সেটগুলোকে সক্রিয় করতে দেবে না। আমরা এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের হাতে থাকা সেটগুলো বিশেষ ব্যবস্থায় সচল রাখার ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে গ্রাহক পর্যায়ে ভোগান্তি তৈরি না হয়। তবে দোকানে থাকা (অবৈধ) সেটগুলো আর সচল হবে না।’

এর আগে বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিটিআরসি জানায়,

বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত গ্রাহকের হ্যান্ডসেটগুলো ৩০ জুনের মধ্যে বিটিআরসির সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।

ফলে ১ জুলাই থেকে এ সেটগুলো বন্ধ হবে না। তাই সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হলো।

মোবাইল ফোন গ্রাহকের হ্যান্ডসেটের নিরাপত্তা বিধান ও সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে জুলাই মাস থেকে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল বিটিআরসি।

এ প্রক্রিয়ায় অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করার কথা বলেছিল সংস্থাটি। তবে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে।

জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিক্রয়, আমদানি ও বাজারজাতকরণে নিরুৎসাহিত করতে এটি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি।

একই আইএমইআই নম্বরের সেটগুলোর তালিকা করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকবে। তারপর সরকারের নির্দেশনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর পুরোনো সেটের বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমে ভেরিফাই করে চালু করা হবে।

বিদেশ থেকে পাওয়া উপহারের সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে। তারা কাগজপত্র দেখিয়ে নিজেই ওয়েবসাইট, মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার ঠেকাতে গত বছরের ২৫ নভেম্বর দেশীয় আইটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটির সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করে বিটিআরসি।

বিদেশ থেকে নিয়ে আসা হ্যান্ডসেট গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এনইআইআরের ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে ক্রয়ের রশিদ যাচাই সাপেক্ষে এবং যেসব সেট উপহার হিসেবে দেশে এসেছে তা যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকে এনইআইআরে সক্রিয় করা হবে।

বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর সিস্টেম সম্পন্ন হলে সরকার প্রতি বছর চার হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি রাজস্ব পাবে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে আসক্তি কমিয়ে সন্তানদের বেশি বেশি সময় দিতে বাবা-মায়ের প্রতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের আহ্বান। ফাইল ছবি

মন্ত্রী বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে ধুমপানমুক্ত সমাজগড়া প্রয়োজন। ধুমপান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। একজন ধুমপায়ী ধীরে ধীরে নিজেকে ধ্বংস করে কিন্তু একজন মাদকাসক্ত পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে। আমাদের শিক্ষিত তরুণেরা যেভাবে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছেন তা থেকে মুক্তি পেতে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্তানকে মাদক ও ধুমপানমুক্ত রাখতে পারিবারিকভাবে সচেতনতার ওপর জোর দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ধুমপান ও মাদকের চেয়েও এখন ভয়ংকর হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আসক্তি। এর থেকে রক্ষা পেতে পারিবারিক শিক্ষা প্রয়োজন। এজন্য বাবা-মাকে সন্তানদের সময় দিতে বললেন তিনি।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তামাকবিরোধী সংগঠন ‘ভয়েজ’ ও ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ধুমপান আনুপাতিক হারে কমেছে। যেটা আগে ৭০ শতাংশ ছিল, সেটা এখন ৩৫ শতাংশ। ধুমপানরোধে সরকারও আইন করেছে। এরমধ্যে আছে প্রকাশ্যে ধুমপান করা যাবে না। আইন ও সামাজিক বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের কারণে এমন প্রবণতা অনেক কমেছে।

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সাল নাগাদ দেশকে ধুমপান মুক্ত করার জন্য আমি মনে করি এ আন্দোলন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আইনের সংস্কার করা প্রয়োজন হলে সেটিও আমাদের ভাবতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে ধুমপানমুক্ত সমাজগড়া প্রয়োজন। ধুমপান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। একজন ধুমপায়ী ধীরে ধীরে নিজেকে ধ্বংস করে কিন্তু একজন মাদকাসক্ত পুরো পরিবার ধ্বংস করে। আমাদের শিক্ষিত তরুণেরা যেভাবে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে তা থেকে মুক্তি পেতে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে।

সন্তানকে মাদক ও ধুমপানমুক্ত রাখতে পারিবারিকভাবে সচেতনতার উপর জোর দেন তিনি।

এসময় তিনি ফেসবুককে ধুমপান ও মাদকের থেকেও ভয়ংকর বলে উল্লেখ করেন। এ ধরনের আসক্তি থেকে সন্তানদের রক্ষায় বাবা-মাকে ছেলে-মেয়েদের প্রতি বেশি বেশি সময় দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন ‘বিত্ত যখন রাষ্ট্রকে চোখ রাঙায় বা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় তখন সেই বিত্ত দুর্বৃত্ত হয়ে যায়।’

তিনি দায়িত্বে থাকলে ভুল হবে। সে ভুলের সমালোচনাও হতে হবে। কিন্তু একই সাথে ভালো কাজেরও প্রশংসা হতে হয়। ভালো কাজের যদি প্রশংসা না হয় তাহলে মানুষ ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হবে না। এটিও মাথায় রাখতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান ও ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাশহুদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ভয়েজের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ। এছাড়া কর্মশালায় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্য সাংবাদিকরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?

প্রশ্ন উঠেছে, যিনি বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার মালিক বা যার নামে এই মুদ্রা কেনা আছে, তার মৃত্যুর পর এর মালিক হবেন কে? আরব আমিরাতে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে এখন।

গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার প্রায় ১৯০ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপভিত্তিক গবেষণা সংস্থা স্ট্যাটিস্টা এই তথ্য জানিয়ে বলছে, বিশ্বের ৫৫টি দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার এখন রমরমা। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯তম; বিটকয়েন ডিজিটাল মুদ্রা আমিরাতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, যিনি বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার মালিক বা যার নামে এই মুদ্রা কেনা আছে, তার মৃত্যুর পর এর মালিক হবেন কে? আরব আমিরাতে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে এখন।

আর সে কারণেই দুবাইভিত্তিক দৈনিক খালিজ টাইমস রোববার এই বিষয়টি নিয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটির শিরোনাম হচ্ছে, ‘আপনার মৃত্যুর পরে কে আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে?’

প্রতিবেদনে ডিজিটাল সম্পদের উত্তোলন ও উত্তরাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিজিটাল মুদ্রা (ফিয়াট মুদ্রা) ডলার বা দিরহামের মতো নয়, যা সহজেই বিনিময় বা লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যায়। তাদের মালিক মারা গেলে ডিজিটাল মুদ্রার কী হবে, তা আমরা এখনও বুঝতে পারিনি। মালিক ছাড়া ডিজিটাল মুদ্রার ওয়ালেটের পাসওয়ার্ড অন্য কারও জানার সুযোগ থাকে না।

উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হঠাৎ মারা গেলে তার ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ডিজিটাল মুদ্রার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

২০১৭ সালে ডিজিটার মুদ্রায় বিনিয়োগ করা বাওয়া কে বলেন, ‘পাসওয়ার্ডগুলো সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ এবং সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ আপনার প্রিয়জনদের তা সম্পর্কে জানানো। এটি এমন একটি প্রশ্ন, যা আমাকে কিছুদিন ধরে বেশ ভাবাচ্ছে।

‘আমার কাছে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ১ লাখ ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। আমি এগুলো ব্রোকারের মাধ্যমে কিনেছি; সরাসরি কোনো এক্সচেঞ্জ থেকে নয়। আমার এই বিনিয়োগের নমিনি বা সুবিধাভোগীর অনুমোদন কে দেবে? আমি যখন মারা যাব, তখন আমার স্ত্রীর এই অর্থ পেতে তার কী করা উচিত, সে সম্পর্কে বা এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমি কিছুই নিশ্চিত নই।’

‘আমি এখনও আমার ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করতে পারিনি। তারা আপাতত আমার অ্যাকাউন্টে পড়ে আছে। যা সাইবার অ্যাটাকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আমি আমার ক্রিপ্টোগুলোকে আরও সুরক্ষিত ও নিরাপদ করতে চাই। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চাই; ভালোভাবে জানতে চাই।’

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?
কিছুদিন থেকে কমলেও প্রতি বিটকয়েনের দাম ছিল ৫০ হাজার ডলারের ওপরে। ছবি: এএফপি

ডিজিটাল মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ডিজিটাল মুদ্রার আদান-প্রদান হয় অনলাইনে। বিনিময়ের সব তথ্য গোপন থাকে, বেশির ভাগ সময়েই থাকে অজ্ঞাত। এ ধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি। এ ধরনের মুদ্রার বিনিময়ে ব্যবহার করা হয় ক্রিপ্টোগ্রাফি নামের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রচলিত ভাষা বা সংকেতে লেখা তথ্য এমন একটি কোডে লেখা হয়, যা ভেঙে তথ্যের নাগাল পাওয়া প্রায় অসম্ভব। অর্থাৎ ক্রিপ্টোগ্রাফি পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কারও কোনো কেনাকাটা বা তহবিল স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া বেশ কঠিন।

ধরুন, আপনার অর্থ আছে, কিন্তু পকেটে নেই। ব্যাংকে বা সিন্দুকেও সেই অর্থ রাখা হয়নি। রাখা হয়েছে ইন্টারনেটে। কোনো দিন ছুঁয়েও দেখতে পারবেন না অনলাইনে রাখা ওই অর্থ। শুধু ভার্চ্যুয়াল জগতের এ মুদ্রাকেই বলা হয় ডিজিটাল মুদ্রা বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোপনে ও নিরাপদে যোগাযোগের জন্য ক্রিপ্টোগ্রাফি পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছিল। গাণিতিক তত্ত্ব ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিপ্টোগ্রাফিরও উন্নতি হয়েছে। এতে অনলাইনে ডিজিটাল মুদ্রা সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের বিষয়টি আরও নিরাপদ হয়েছে।

অবশ্য এত নিরাপত্তা সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে ডিজিটাল মুদ্রার বিভিন্ন বিনিময় প্রতিষ্ঠানে বেশকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বড় চুরির ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে। টোকিওভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রার বিনিময় প্রতিষ্ঠান কয়েনচেকের কম্পিউটার ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক হ্যাক করে ৫৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যমানের ডিজিটাল মুদ্রা খোয়া যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২ লাখ ৬০ হাজার গ্রাহক।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনের আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে ইন্টারনেটে এক হাজারেরও বেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে। এখন পর্যন্ত চালু থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিটকয়েন। এর বিনিময় মূল্যও সবচেয়ে বেশি।

এ ছাড়া এথেরিয়াম, রিপল এবং লাইটকয়েন বেশ পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি। আর হাল আমলে ইলন মাস্কের কারণে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে ডজকয়েন; দামও বেড়েছে বেশ।

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?
নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ডজকয়েন, দামও বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

কীভাবে ক্রিপ্টোস কেনা হয়?

ক্রিপ্টোকারেন্সি একধরনের বিকেন্দ্রীকৃত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে নিরাপদে অর্থ পরিশোধ করা যায়। আমানতকারীর নাম গোপন রেখে এবং ব্যাংকে না গিয়েই অর্থ জমা রাখা যায়।

প্রচলিত মুদ্রাব্যবস্থার মতো সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল মুদ্রা ছাপায় না। ‘মাইনিং’ নামের একটি জটিল গণনা পদ্ধতিতে একেকটি ডিজিটাল মুদ্রা তৈরি হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত এক বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সব ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতিটি লেনদেন পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে বলা হয় ‘ব্লকচেইন’। এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ লেনদেনসহ বন্ড, স্টক ও অন্যান্য আর্থিক সম্পদের কেনাকাটাও করা যায়।

ব্যবহারকারীরা অনলাইনে ব্রোকারদের কাছ থেকেও বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রা কিনতে পারেন। অনলাইনে ‘ক্রিপ্টোগ্রাফিক ওয়ালেট’ নামক নিরাপদ স্থানে রাখা যায় এই মুদ্রা।

নির্দিষ্ট ডিজিটাল মুদ্রা যত বেশি মানুষ কেনে, সেই মুদ্রার বাজার দর তত বাড়ে। এভাবেই শেয়ারবাজারের মতো নিয়মিত ওঠানামা করে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিময় মূল্য।

এই কারেন্সিগুলো ‘পিয়ার টু পিয়ার’ লোকেদের থেকে, সরাসরি সংস্থার কাছ থেকে অথবা পাবলিক এক্সচেঞ্জ যেমন- কুইনবেস, বিট্রেক্স, বিনান্স, বিথম্ব, হুবি ইত্যাদি থেকে কেনা যায়।

‘এগুলো বেশিরভাগ লোকের কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি কিনতে ও বিক্রি করার জন্য চ্যানেল। ডিজিটাল সম্পদ পাওয়ার আরও অনেক উপায় আছে, উদাহরণস্বরূপ, সি টু সি (গ্রাহক টু গ্রাহক) স্থানান্তর, যা সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয় না,‘ বলেন সোবিত্যাক্সের পরিচালক ওলা লিন্ড।

কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়?

লিন্ড বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ব্লকচেইন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি তথাকথিত ওয়ালেটে সঞ্চিত থাকে। প্রতিটি ওয়ালেট একজোড়া ‘কি’, একটি পাবলিক ‘কি’ এবং একটি ব্যক্তিগত ‘কি’ সম্পর্কিত। পাবলিক ‘কি’টি মুদ্রা পাওয়ার জন্য ঠিকানা হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যক্তিগত ‘কি’টি মালিককে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

‘প্রতিটি মালিকের ব্যক্তিগত ‘কি’টি নিরাপদ রাখা উচিত। এই ব্যক্তিগত ‘কি’সহ যে কেউ এই ওয়ালেটে থাকা সম্পদ অ্যাক্সেস করতে পারে’।

আইডোনিয়াসের গ্লোবাল অ্যাকুইজিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্লেইস ক্যারোজ বলেন, ‘সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে, ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যক্তির সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের পছন্দ রয়েছে, যার মধ্যে তাদের ডিজিটাল সম্পদগুলো মানিব্যাগে, মেটামাস্কের মতো সফটওয়্যার ওয়ালেটে বা ট্রেজার বা লেজারের মতো হার্ডওয়্যার ওয়ালেটে অন্তর্ভুক্ত থাকে।’

আমিরাত ডিজিটাল মুদ্রা সম্পর্কিত আইন

মালিকের মৃত্যুর পর প্রিয়জন কীভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর উত্তরাধিকারী হবে-সে বিষয়ে ব্লেইস ক্যারোজ বলেন, ‘নির্ভরশীলরা অন্য কোনো ধরনের সম্পদের অনুরূপ ডিজিটাল সম্পদ দাবি করতে পারে।’

আরব আমিরাত ফেডারেল আইন অনুসারে, ক্রিপ্টোর স্থিতি কারও ইচ্ছার সঙ্গে ক্রিপ্টোযুক্ত করার বিষয়ে যথেষ্ট নিশ্চিত নয়। তবে, আমিরাতের বাসিন্দা একটি ডিআইএফসি উইল ব্যবহার করতে পারে, যাতে এটি তার বিশ্বব্যাপী সমস্ত সম্পদ কভার করে, ক্রিপ্টো সম্পদ অন্তর্ভুক্ত করে। ডিআইএফসি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের আইন প্রয়োগ করে, যা ক্রিপ্টো সম্পদকে সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, এটি সম্ভব। ডিআইএফসি উইলের একটি ‘সিলড’ ডকুমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করারও ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে সম্ভাব্য কোনো ব্যক্তি ক্রিপ্টোটি গ্রহণ ও ব্যবহারের জন্য প্রাইভেট ‘কি’ ছেড়ে দিতে পারে’- পরামর্শ দেন ক্যারোজ।

‘এই ধরনের জিনিসগুলোর মতোই জড়িত জটিলতার কারণে ক্রিপ্টো উপাদানগুলোর সাথে উইলের খসড়া তৈরির পরামর্শের জন্য কোনো পেশাদার আইন সংস্থার সাথে পরামর্শ করা ভালো।’

কোনো এস্টেট পরিকল্পনার উপকরণে ডিজিটালি রাখা সম্পদগুলো অন্তর্ভুক্ত করার সময় আবুধাবিভিত্তিক আইনি পরামর্শক সংস্থা সেঞ্চুরি ম্যাক্সিম ইন্টারন্যাশনাল নিচের চারটি বিষয়ের নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে:

>> ডিজিটালি হোল্ড সম্পদের একটি পরিষ্কার তালিকা

>> ডিজিটাল ওয়ালেট (গুলো) সম্পর্কিত তথ্য

>> পাসওয়ার্ড এবং পিনসহ একটি স্মারকলিপি

>> এস্টেট পরিকল্পনার উপকরণ কার্যকর করার পরে কীভাবে সুবিধাভোগীরা সেই সম্পদগুলোতে সুবিধা পাবেন তা ব্যাখ্যা করে একটি নীতিমালা খুবই প্রয়োজন।

সেঞ্চুরি ম্যাক্সিম ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার ফরহাত আলী খান বলেন, ‘এক্সচেঞ্জ বা ওয়ালেট অ্যাক্সেস করতে শনাক্তকারীদের অ্যাক্সেস ছাড়া সম্পদ অ্যাক্সেস পরিকল্পনার উপকরণের অধীনে সংক্ষেপে উল্লেখ করা থাকলে সম্পদ অ্যাক্সেস করা অসম্ভব হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটালি রাখা সম্পদগুলো অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং এনক্রিপ্ট করা নেটওয়ার্কের অধীনে না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সে জন্য বিটকয়েন, ইথেরিয়াম বা সম্প্রতি দোগেকোইনের মতো মুদ্রা বিনিয়োগকারীরা বেছে নেবেন; কারণ এগুলোতে ঝুঁকি কম থাকে।’

তবে, বাংলাদেশে বিটকয়েনসহ অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
ইন্টারনেট ইক্যুইপমেন্টে ভ্যাট-শুল্ক প্রত্যাহার চাইলেন পলক
মুজিব ১০০ অ্যাপ উদ্বোধন 
বায়োটেক প্লাজমা প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: পলক
রোবটকে বাংলায় বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে: পলক

শেয়ার করুন