শাওমি আনলো ফাইভজি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস মি ১১এক্স

দেশে প্রথম ফাইভজি ফোন এনেছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড শাওমি।

শাওমি আনলো ফাইভজি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস মি ১১এক্স

মি ১১এক্স পাওয়া যাবে ৬জিবি+১২৮জিবি এবং ৮জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে। দাম যথাক্রমে ৩৯ হাজার ৯৯৯ টাকা ও ৪২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড শাওমি দেশের বাজারে ফ্ল্যাগশিপ মি ১১এক্স উন্মোচন করেছে। দেশে ব্র্যান্ডটির এটাই প্রথম ফাইভজি ফোন।

স্মার্টফোনটিতে আছে সর্বাধুনিক হার্ডওয়্যার ও উন্নত স্পেসিফিকেশন। নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে আছে ই৪ ১২০হার্জ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ডলবি অ্যাটমস ডুয়েল স্পিকার, আইপি রেটিং এবং চমকপ্রদ ডিজাইন।

নতুন স্মার্টফোন উন্মোচন নিয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘শাওমির লক্ষ্য শুধু প্রিমিয়াম পণ্যই নয়, সেটা ওই ক্লাসের মধ্যে সেরা প্রযুক্তির সমন্বয়ে নিয়ে আসা, যাতে আমাদের গ্রাহকরা উপকৃত হন।

‘মি ১১এক্স উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আমরা আশা করছি, গ্রাহকদের আগামী দিনের সকল চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নতুনত্বের সুবিধা মিলবে। ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য মি ১১এক্স ফোনটিতে সুপিরিয়র ক্যামেরা, অত্যাধুনিক ডিসপ্লের সমন্বয় রাখা হয়েছে।’

এক নজরে দেখে নেয়া যাক ফ্ল্যাগশিপটির স্পেসিফিকেশন:

কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৭০ প্রসেসর

মি ১১এক্স ফোনে শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও দক্ষতা নিশ্চিতে দেয়া হয়েছে ফ্ল্যাগশিপ গ্রেডের কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৮৭০ প্রসেসর ও ক্রায়ো ৫৮৫ চিপসেট। এ ছাড়া আছে ফাইভজি সংযোগ। গত বছর বাজারে আনা ফ্ল্যাগশিপ স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ প্রসেসরের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, নতুন প্রসেসরটি তার চেয়ে ১২ শতাংশ বেশি পারফরম্যান্স দেয়।

এতে রয়েছে ডেডিকেটেড প্রাইম কোর ৩.২গিগাহার্জ প্রসেস ক্ষমতা। ডিভাইসটি আসছে আল্ট্রাফাস্ট এলপিডিডিআর৫ এবং ইউএফএস ৩.১ স্টোরেজে।

১২০হার্জ ই৪ অ্যামোলেড

মি ১১এক্স ফোনটিতে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির এফএইচডি প্লাস ১২০হার্জ ই৪ অ্যামোলেড ডট ডিসপ্লে; সঙ্গে রয়েছে ৩৬০হার্জ রিফ্রেশ রেট। ফোনটি আগের প্রজন্মের ফোনের চেয়ে ব্যাটারি খরচ কমায় ১৫ শতাংশ। স্মুথ ও দেখায় অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে এটি আসছে ১৩০০নিট ব্রাইটনেসে, সাপোর্ট করবে এইচডিআর ১০প্লাস, থাকছে এমইএমসি প্রযুক্তি।

ডিভাইসটির ডিসপ্লের সুরক্ষা দিতে দেয়া হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৫ প্রযুক্তি। ফলে সামনে ও পিছনে উভয় দিকেই দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে, কিংবা অন্য কোনোভাবে স্ক্র্যাচ পড়া থেকে সুরক্ষা দেয়।

৪৮ মেগাপিক্সেল এআই ট্রিপল ক্যামেরা

এআই ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপে আসছে মি ১১এক্স। যার প্রাথমিক ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেলের, ৫ মেগাপিক্সেলের টেলিম্যাক্রো ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা থাকছে; সঙ্গে থাকছে ২০ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট শ্যুটার।

ল্যান্ডস্কেপ ছবি নিতে এতে আছে ১১৯ ডিগ্রি এফওভি, ফলে হাই রেজ্যুলেশনে কোনো ভবন কিংবা বড় গ্রুপ ছবিও তোলা যাবে।

ডলবি অ্যাটমস সাউন্ড সিস্টেম

মি ১১এক্স আসছে ডলবি স্টেরিও সেটআপে। এতে ডলবি অ্যাটমস থাকায় পাওয়া যাবে উন্নতমানের অডিও সাউন্ডের অভিজ্ঞতা। এ ছাড়া ডিভাইসটি আসছে হাই-রেস অডিও সার্টিফিকেটে।

ফাস্ট চার্জিং ব্যাটারি

ডিভাইসটিতে আছে ৪৫২০এমএএইচের ব্যাটারি। ফোনটি ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। বক্সে থাকছে ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার, যা দিয়ে স্মার্টফোনটি শূন্য থেকে ৫০ শতাংশ চার্জ করা যায় ১৯ মিনিটে।

দাম ও কবে পাওয়া যাবে

মি ১১এক্স তিনটি কালার ভ্যারিয়েন্ট কসমিক ব্ল্যাক, লুনার হোয়াইট ও সেলেসশিয়াল সিলভারে শিগগিরই দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। মি ১১এক্স পাওয়া যাবে ৬জিবি+১২৮জিবি এবং ৮জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে। দাম যথাক্রমে ৩৯ হাজার ৯৯৯ টাকা ও ৪২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন জ্যাক মা

ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন জ্যাক মা

আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। ছবি: এএফপি

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ও সহপ্রতিষ্ঠাতা জো সাই বলেন, ‘মা এখন লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন। তার সঙ্গে আমার প্রতিদিনই কথা হয়।’

চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা ছবি এঁকে সময় কাটাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ও সহপ্রতিষ্ঠাতা জো সাই বলেন, ‘মা এখন লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন। তার সঙ্গে আমার প্রতিদিনই কথা হয়।

‘তিনি বেশ ভালো আছেন। শখ হিসেবে ছবি আঁকাআঁকি বেছে নিয়েছেন মা।’

ওয়েব পোর্টাল এমএসএনের প্রতিবেদনে বুধবার বলা হয়, গত বছরের নভেম্বরে স্টক মার্কেটে আলিবাবার অঙ্গসংগঠন অ্যান্ট গ্রুপের ৩৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের শেয়ার স্থগিত করে চীনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ওই ঘটনার সমালোচনা করেন জ্যাক মা। এর পরই আলিবাবার বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় চীনা সরকার।

আলিবাবার বিরুদ্ধে চীন কর্তৃপক্ষের নেতিবাচক পদক্ষেপ নেয়ার পর জনসমক্ষে হাজির হননি জ্যাক মা।

সাই সিএনবিসিকে বলেন, ‘জ্যাকের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, এমন ধারণা আমি মনে করি সঠিক নয়। তিনি আমার আপনার মতোই সাধারণ এক মানুষ।’

আলিবাবার নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান জো সাই আরও বলেন, ‘তিল তিল করে জ্যাক মা তার প্রতিষ্ঠানকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। সমাজের জন্য অনেক কিছু করেছেন তিনি।

‘জ্যাক মা আজ নিজের মতো করে সময় কাটাতে চাইছেন। জনহিতৈষীমূলক ও শখের কাজ করে থাকতে চাইছেন তিনি।’

চলতি মাসের এপ্রিলে অ্যান্টি মনোপলি নীতি ভঙ্গের দায়ে আলিবাবাকে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করে চীনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

জরিমানার বিষয়ে জানতে চাইলে সাই বলেন, ‘আলিবাবার ব্যবসার আর্থিক অংশে পুনর্গঠনের কাজ চলছে। বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হয়েছে আমাদের।

‘তবে সেসব আমরা পেছনে ফেলে এসেছি। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।’

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

কোন মোবাইল সেট বন্ধ হচ্ছে, জানাল বিটিআরসি

কোন মোবাইল সেট বন্ধ হচ্ছে, জানাল বিটিআরসি

বিটিআরসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেসব ভ্যান্ডর বিটিআরসির অনুমোদন নিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করে বাজারজাত করেছেন, তাদের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর আমাদের ডেটাবেজে সংযোজন আছে। সেই সেটগুলো সচল থাকবে।’

অবৈধ সব মোবাইল হ্যান্ডসেট আগামী ১ জুলাই থেকে বন্ধ হচ্ছে বলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জানিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সংস্থাটি সে সিদ্ধান্ত বহাল রাখছে। তবে বিটিআরসির অনুমোদন নেয়া সেটগুলো সচল থাকছে।

বিটিআরসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেসব ভ্যান্ডর বিটিআরসির অনুমোদন নিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করে বাজারজাত করেছেন, তাদের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর আমাদের ডেটাবেজে সংযোজন আছে। সেই সেটগুলো সচল থাকবে।

‘আর যেসব সেট বাজারে আছে অথচ আমাদের ডেটাবেজে আইএমইআই নম্বর সংযোজন নেই, আমাদের সিস্টেম সেই সেটগুলোকে সক্রিয় করতে দেবে না। আমরা এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের হাতে থাকা সেটগুলো বিশেষ ব্যবস্থায় সচল রাখার ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে গ্রাহক পর্যায়ে ভোগান্তি তৈরি না হয়। তবে দোকানে থাকা (অবৈধ) সেটগুলো আর সচল হবে না।’

এর আগে বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিটিআরসি জানায়,

বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত গ্রাহকের হ্যান্ডসেটগুলো ৩০ জুনের মধ্যে বিটিআরসির সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।

ফলে ১ জুলাই থেকে এ সেটগুলো বন্ধ হবে না। তাই সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হলো।

মোবাইল ফোন গ্রাহকের হ্যান্ডসেটের নিরাপত্তা বিধান ও সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে জুলাই মাস থেকে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল বিটিআরসি।

এ প্রক্রিয়ায় অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করার কথা বলেছিল সংস্থাটি। তবে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে।

জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিক্রয়, আমদানি ও বাজারজাতকরণে নিরুৎসাহিত করতে এটি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি।

একই আইএমইআই নম্বরের সেটগুলোর তালিকা করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকবে। তারপর সরকারের নির্দেশনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর পুরোনো সেটের বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমে ভেরিফাই করে চালু করা হবে।

বিদেশ থেকে পাওয়া উপহারের সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে। তারা কাগজপত্র দেখিয়ে নিজেই ওয়েবসাইট, মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার ঠেকাতে গত বছরের ২৫ নভেম্বর দেশীয় আইটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটির সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করে বিটিআরসি।

বিদেশ থেকে নিয়ে আসা হ্যান্ডসেট গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এনইআইআরের ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে ক্রয়ের রশিদ যাচাই সাপেক্ষে এবং যেসব সেট উপহার হিসেবে দেশে এসেছে তা যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকে এনইআইআরে সক্রিয় করা হবে।

বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর সিস্টেম সম্পন্ন হলে সরকার প্রতি বছর চার হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি রাজস্ব পাবে।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে আসক্তি কমিয়ে সন্তানদের বেশি বেশি সময় দিতে বাবা-মায়ের প্রতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের আহ্বান। ফাইল ছবি

মন্ত্রী বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে ধুমপানমুক্ত সমাজগড়া প্রয়োজন। ধুমপান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। একজন ধুমপায়ী ধীরে ধীরে নিজেকে ধ্বংস করে কিন্তু একজন মাদকাসক্ত পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে। আমাদের শিক্ষিত তরুণেরা যেভাবে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছেন তা থেকে মুক্তি পেতে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্তানকে মাদক ও ধুমপানমুক্ত রাখতে পারিবারিকভাবে সচেতনতার ওপর জোর দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ধুমপান ও মাদকের চেয়েও এখন ভয়ংকর হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আসক্তি। এর থেকে রক্ষা পেতে পারিবারিক শিক্ষা প্রয়োজন। এজন্য বাবা-মাকে সন্তানদের সময় দিতে বললেন তিনি।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তামাকবিরোধী সংগঠন ‘ভয়েজ’ ও ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ধুমপান আনুপাতিক হারে কমেছে। যেটা আগে ৭০ শতাংশ ছিল, সেটা এখন ৩৫ শতাংশ। ধুমপানরোধে সরকারও আইন করেছে। এরমধ্যে আছে প্রকাশ্যে ধুমপান করা যাবে না। আইন ও সামাজিক বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের কারণে এমন প্রবণতা অনেক কমেছে।

ফেসবুকে নয় সন্তানকে সময় দিন: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সাল নাগাদ দেশকে ধুমপান মুক্ত করার জন্য আমি মনে করি এ আন্দোলন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আইনের সংস্কার করা প্রয়োজন হলে সেটিও আমাদের ভাবতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে ধুমপানমুক্ত সমাজগড়া প্রয়োজন। ধুমপান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। একজন ধুমপায়ী ধীরে ধীরে নিজেকে ধ্বংস করে কিন্তু একজন মাদকাসক্ত পুরো পরিবার ধ্বংস করে। আমাদের শিক্ষিত তরুণেরা যেভাবে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে তা থেকে মুক্তি পেতে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে।

সন্তানকে মাদক ও ধুমপানমুক্ত রাখতে পারিবারিকভাবে সচেতনতার উপর জোর দেন তিনি।

এসময় তিনি ফেসবুককে ধুমপান ও মাদকের থেকেও ভয়ংকর বলে উল্লেখ করেন। এ ধরনের আসক্তি থেকে সন্তানদের রক্ষায় বাবা-মাকে ছেলে-মেয়েদের প্রতি বেশি বেশি সময় দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন ‘বিত্ত যখন রাষ্ট্রকে চোখ রাঙায় বা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় তখন সেই বিত্ত দুর্বৃত্ত হয়ে যায়।’

তিনি দায়িত্বে থাকলে ভুল হবে। সে ভুলের সমালোচনাও হতে হবে। কিন্তু একই সাথে ভালো কাজেরও প্রশংসা হতে হয়। ভালো কাজের যদি প্রশংসা না হয় তাহলে মানুষ ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হবে না। এটিও মাথায় রাখতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান ও ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাশহুদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ভয়েজের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ। এছাড়া কর্মশালায় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্য সাংবাদিকরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?

প্রশ্ন উঠেছে, যিনি বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার মালিক বা যার নামে এই মুদ্রা কেনা আছে, তার মৃত্যুর পর এর মালিক হবেন কে? আরব আমিরাতে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে এখন।

গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার প্রায় ১৯০ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপভিত্তিক গবেষণা সংস্থা স্ট্যাটিস্টা এই তথ্য জানিয়ে বলছে, বিশ্বের ৫৫টি দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার এখন রমরমা। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯তম; বিটকয়েন ডিজিটাল মুদ্রা আমিরাতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, যিনি বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার মালিক বা যার নামে এই মুদ্রা কেনা আছে, তার মৃত্যুর পর এর মালিক হবেন কে? আরব আমিরাতে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে এখন।

আর সে কারণেই দুবাইভিত্তিক দৈনিক খালিজ টাইমস রোববার এই বিষয়টি নিয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটির শিরোনাম হচ্ছে, ‘আপনার মৃত্যুর পরে কে আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে?’

প্রতিবেদনে ডিজিটাল সম্পদের উত্তোলন ও উত্তরাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিজিটাল মুদ্রা (ফিয়াট মুদ্রা) ডলার বা দিরহামের মতো নয়, যা সহজেই বিনিময় বা লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যায়। তাদের মালিক মারা গেলে ডিজিটাল মুদ্রার কী হবে, তা আমরা এখনও বুঝতে পারিনি। মালিক ছাড়া ডিজিটাল মুদ্রার ওয়ালেটের পাসওয়ার্ড অন্য কারও জানার সুযোগ থাকে না।

উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হঠাৎ মারা গেলে তার ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ডিজিটাল মুদ্রার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

২০১৭ সালে ডিজিটার মুদ্রায় বিনিয়োগ করা বাওয়া কে বলেন, ‘পাসওয়ার্ডগুলো সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ এবং সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ আপনার প্রিয়জনদের তা সম্পর্কে জানানো। এটি এমন একটি প্রশ্ন, যা আমাকে কিছুদিন ধরে বেশ ভাবাচ্ছে।

‘আমার কাছে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ১ লাখ ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। আমি এগুলো ব্রোকারের মাধ্যমে কিনেছি; সরাসরি কোনো এক্সচেঞ্জ থেকে নয়। আমার এই বিনিয়োগের নমিনি বা সুবিধাভোগীর অনুমোদন কে দেবে? আমি যখন মারা যাব, তখন আমার স্ত্রীর এই অর্থ পেতে তার কী করা উচিত, সে সম্পর্কে বা এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমি কিছুই নিশ্চিত নই।’

‘আমি এখনও আমার ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করতে পারিনি। তারা আপাতত আমার অ্যাকাউন্টে পড়ে আছে। যা সাইবার অ্যাটাকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আমি আমার ক্রিপ্টোগুলোকে আরও সুরক্ষিত ও নিরাপদ করতে চাই। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চাই; ভালোভাবে জানতে চাই।’

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?
কিছুদিন থেকে কমলেও প্রতি বিটকয়েনের দাম ছিল ৫০ হাজার ডলারের ওপরে। ছবি: এএফপি

ডিজিটাল মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ডিজিটাল মুদ্রার আদান-প্রদান হয় অনলাইনে। বিনিময়ের সব তথ্য গোপন থাকে, বেশির ভাগ সময়েই থাকে অজ্ঞাত। এ ধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি। এ ধরনের মুদ্রার বিনিময়ে ব্যবহার করা হয় ক্রিপ্টোগ্রাফি নামের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রচলিত ভাষা বা সংকেতে লেখা তথ্য এমন একটি কোডে লেখা হয়, যা ভেঙে তথ্যের নাগাল পাওয়া প্রায় অসম্ভব। অর্থাৎ ক্রিপ্টোগ্রাফি পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কারও কোনো কেনাকাটা বা তহবিল স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া বেশ কঠিন।

ধরুন, আপনার অর্থ আছে, কিন্তু পকেটে নেই। ব্যাংকে বা সিন্দুকেও সেই অর্থ রাখা হয়নি। রাখা হয়েছে ইন্টারনেটে। কোনো দিন ছুঁয়েও দেখতে পারবেন না অনলাইনে রাখা ওই অর্থ। শুধু ভার্চ্যুয়াল জগতের এ মুদ্রাকেই বলা হয় ডিজিটাল মুদ্রা বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোপনে ও নিরাপদে যোগাযোগের জন্য ক্রিপ্টোগ্রাফি পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছিল। গাণিতিক তত্ত্ব ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিপ্টোগ্রাফিরও উন্নতি হয়েছে। এতে অনলাইনে ডিজিটাল মুদ্রা সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের বিষয়টি আরও নিরাপদ হয়েছে।

অবশ্য এত নিরাপত্তা সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে ডিজিটাল মুদ্রার বিভিন্ন বিনিময় প্রতিষ্ঠানে বেশকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বড় চুরির ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে। টোকিওভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রার বিনিময় প্রতিষ্ঠান কয়েনচেকের কম্পিউটার ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক হ্যাক করে ৫৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যমানের ডিজিটাল মুদ্রা খোয়া যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২ লাখ ৬০ হাজার গ্রাহক।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনের আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে ইন্টারনেটে এক হাজারেরও বেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে। এখন পর্যন্ত চালু থাকা ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিটকয়েন। এর বিনিময় মূল্যও সবচেয়ে বেশি।

এ ছাড়া এথেরিয়াম, রিপল এবং লাইটকয়েন বেশ পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি। আর হাল আমলে ইলন মাস্কের কারণে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে ডজকয়েন; দামও বেড়েছে বেশ।

মৃত্যুর পর আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক হবে কে?
নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ডজকয়েন, দামও বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

কীভাবে ক্রিপ্টোস কেনা হয়?

ক্রিপ্টোকারেন্সি একধরনের বিকেন্দ্রীকৃত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে নিরাপদে অর্থ পরিশোধ করা যায়। আমানতকারীর নাম গোপন রেখে এবং ব্যাংকে না গিয়েই অর্থ জমা রাখা যায়।

প্রচলিত মুদ্রাব্যবস্থার মতো সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল মুদ্রা ছাপায় না। ‘মাইনিং’ নামের একটি জটিল গণনা পদ্ধতিতে একেকটি ডিজিটাল মুদ্রা তৈরি হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত এক বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সব ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতিটি লেনদেন পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে বলা হয় ‘ব্লকচেইন’। এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ লেনদেনসহ বন্ড, স্টক ও অন্যান্য আর্থিক সম্পদের কেনাকাটাও করা যায়।

ব্যবহারকারীরা অনলাইনে ব্রোকারদের কাছ থেকেও বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রা কিনতে পারেন। অনলাইনে ‘ক্রিপ্টোগ্রাফিক ওয়ালেট’ নামক নিরাপদ স্থানে রাখা যায় এই মুদ্রা।

নির্দিষ্ট ডিজিটাল মুদ্রা যত বেশি মানুষ কেনে, সেই মুদ্রার বাজার দর তত বাড়ে। এভাবেই শেয়ারবাজারের মতো নিয়মিত ওঠানামা করে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিময় মূল্য।

এই কারেন্সিগুলো ‘পিয়ার টু পিয়ার’ লোকেদের থেকে, সরাসরি সংস্থার কাছ থেকে অথবা পাবলিক এক্সচেঞ্জ যেমন- কুইনবেস, বিট্রেক্স, বিনান্স, বিথম্ব, হুবি ইত্যাদি থেকে কেনা যায়।

‘এগুলো বেশিরভাগ লোকের কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি কিনতে ও বিক্রি করার জন্য চ্যানেল। ডিজিটাল সম্পদ পাওয়ার আরও অনেক উপায় আছে, উদাহরণস্বরূপ, সি টু সি (গ্রাহক টু গ্রাহক) স্থানান্তর, যা সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয় না,‘ বলেন সোবিত্যাক্সের পরিচালক ওলা লিন্ড।

কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়?

লিন্ড বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ব্লকচেইন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি তথাকথিত ওয়ালেটে সঞ্চিত থাকে। প্রতিটি ওয়ালেট একজোড়া ‘কি’, একটি পাবলিক ‘কি’ এবং একটি ব্যক্তিগত ‘কি’ সম্পর্কিত। পাবলিক ‘কি’টি মুদ্রা পাওয়ার জন্য ঠিকানা হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যক্তিগত ‘কি’টি মালিককে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

‘প্রতিটি মালিকের ব্যক্তিগত ‘কি’টি নিরাপদ রাখা উচিত। এই ব্যক্তিগত ‘কি’সহ যে কেউ এই ওয়ালেটে থাকা সম্পদ অ্যাক্সেস করতে পারে’।

আইডোনিয়াসের গ্লোবাল অ্যাকুইজিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্লেইস ক্যারোজ বলেন, ‘সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে, ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যক্তির সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের পছন্দ রয়েছে, যার মধ্যে তাদের ডিজিটাল সম্পদগুলো মানিব্যাগে, মেটামাস্কের মতো সফটওয়্যার ওয়ালেটে বা ট্রেজার বা লেজারের মতো হার্ডওয়্যার ওয়ালেটে অন্তর্ভুক্ত থাকে।’

আমিরাত ডিজিটাল মুদ্রা সম্পর্কিত আইন

মালিকের মৃত্যুর পর প্রিয়জন কীভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর উত্তরাধিকারী হবে-সে বিষয়ে ব্লেইস ক্যারোজ বলেন, ‘নির্ভরশীলরা অন্য কোনো ধরনের সম্পদের অনুরূপ ডিজিটাল সম্পদ দাবি করতে পারে।’

আরব আমিরাত ফেডারেল আইন অনুসারে, ক্রিপ্টোর স্থিতি কারও ইচ্ছার সঙ্গে ক্রিপ্টোযুক্ত করার বিষয়ে যথেষ্ট নিশ্চিত নয়। তবে, আমিরাতের বাসিন্দা একটি ডিআইএফসি উইল ব্যবহার করতে পারে, যাতে এটি তার বিশ্বব্যাপী সমস্ত সম্পদ কভার করে, ক্রিপ্টো সম্পদ অন্তর্ভুক্ত করে। ডিআইএফসি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের আইন প্রয়োগ করে, যা ক্রিপ্টো সম্পদকে সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, এটি সম্ভব। ডিআইএফসি উইলের একটি ‘সিলড’ ডকুমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করারও ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে সম্ভাব্য কোনো ব্যক্তি ক্রিপ্টোটি গ্রহণ ও ব্যবহারের জন্য প্রাইভেট ‘কি’ ছেড়ে দিতে পারে’- পরামর্শ দেন ক্যারোজ।

‘এই ধরনের জিনিসগুলোর মতোই জড়িত জটিলতার কারণে ক্রিপ্টো উপাদানগুলোর সাথে উইলের খসড়া তৈরির পরামর্শের জন্য কোনো পেশাদার আইন সংস্থার সাথে পরামর্শ করা ভালো।’

কোনো এস্টেট পরিকল্পনার উপকরণে ডিজিটালি রাখা সম্পদগুলো অন্তর্ভুক্ত করার সময় আবুধাবিভিত্তিক আইনি পরামর্শক সংস্থা সেঞ্চুরি ম্যাক্সিম ইন্টারন্যাশনাল নিচের চারটি বিষয়ের নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে:

>> ডিজিটালি হোল্ড সম্পদের একটি পরিষ্কার তালিকা

>> ডিজিটাল ওয়ালেট (গুলো) সম্পর্কিত তথ্য

>> পাসওয়ার্ড এবং পিনসহ একটি স্মারকলিপি

>> এস্টেট পরিকল্পনার উপকরণ কার্যকর করার পরে কীভাবে সুবিধাভোগীরা সেই সম্পদগুলোতে সুবিধা পাবেন তা ব্যাখ্যা করে একটি নীতিমালা খুবই প্রয়োজন।

সেঞ্চুরি ম্যাক্সিম ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার ফরহাত আলী খান বলেন, ‘এক্সচেঞ্জ বা ওয়ালেট অ্যাক্সেস করতে শনাক্তকারীদের অ্যাক্সেস ছাড়া সম্পদ অ্যাক্সেস পরিকল্পনার উপকরণের অধীনে সংক্ষেপে উল্লেখ করা থাকলে সম্পদ অ্যাক্সেস করা অসম্ভব হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটালি রাখা সম্পদগুলো অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং এনক্রিপ্ট করা নেটওয়ার্কের অধীনে না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সে জন্য বিটকয়েন, ইথেরিয়াম বা সম্প্রতি দোগেকোইনের মতো মুদ্রা বিনিয়োগকারীরা বেছে নেবেন; কারণ এগুলোতে ঝুঁকি কম থাকে।’

তবে, বাংলাদেশে বিটকয়েনসহ অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

আরও ২৭০ কোটি ডলার দান করছেন ম্যাকেঞ্জি

আরও ২৭০ কোটি ডলার দান করছেন ম্যাকেঞ্জি

জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেঞ্জি স্কট। ছবি: বিবিসি

এত সব দানের পরও ম্যাকেঞ্জি এখন বিশ্বের ২২তম সম্পদশালী ব্যক্তি। ফোর্বসের হিসাবে তার সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার।

সমাজসেবক ও ঔপন্যাসিক বিলিয়নিয়ার ম্যাকেঞ্জি স্কট দাতব্য কাজে আরও ২৭০ কোটি ডলার দান করার ঘোষণা দিয়েছেন।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী স্কট এক ব্লগ পোস্টে এই দানের কথা জানিয়েছেন।

ম্যাকেঞ্জি জানান, যাদের ঐতিহাসিকভাবেই মূল্যায়ন করা হয় না এবং এড়িয়ে যাওয়া হয় তাদের জীবনমান উন্নয়নে এই অর্থ দেয়া হবে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কাজের জন্য ২৮৬টি সংস্থাকে কাজে লাগানোর কথা জানান স্কট। মূলত এসব প্রতিষ্ঠান জাতিগত বৈষম্য দূর করতে, শিল্প ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।

ম্যাকেঞ্জি স্কট বিশ্বের শীর্ষ সম্পদশালীদের একজন।

তার সম্পদের বেশির ভাগ এসেছে ২০১৯ সালে বেজোসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর। ফোর্বসের হিসাবে জেফ বেজোস এখনও বিশ্বের শীর্ষ সম্পদশালী ব্যক্তি।

বিচ্ছেদের চুক্তির পর স্কট অ্যামাজনের ৪ শতাংশ শেয়ারের মালিক হন। ১৯৯৪ সালে বেজোসকে তার ব্যবসায় সহায়তা করেছিলেন স্কট।

ম্যাকেঞ্জি স্কট সুপরিচিত তার লেখালেখির জন্য। তিনি ডিসেম্বরে নারীদের উন্নয়নে ৪০০ কোটি ডলার দানের ঘোষণা দিয়েছেন মাত্র চার মাসে। যেখানে নারী নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফুডব্যাংক ও কৃষ্ণাঙ্গদের কলেজগুলোতে ওই অর্থ দান করেন।

এত সব দানের পরও ম্যাকেঞ্জি এখন বিশ্বের ২২তম সম্পদশালী ব্যক্তি। ফোর্বসের হিসাবে তার সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার।

তার সর্বশেষ মঙ্গলবারের ব্লগ পোস্টে লেখেন, নতুন করে দাতব্য কাজে অর্থ দান করতে তিনি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তার বর্তমান স্বামী বিজ্ঞানের শিক্ষক ড্যান জুয়েটের সঙ্গে কাজ করছেন।

‘এই প্রচেষ্টায় আমরা মনে করছি, বেশি সম্পদ অল্প কিছু মানুষের হাতে না রেখে সেটাকে সবার মধ্যে ভাগ করে দেয়া দরকার। আর এটা করার জন্য অবশ্যই এমন একটি পরিকল্পনা হাতে নেয়া দরকার ছিল।’

২০১৯ সালে ম্যাকেঞ্জি স্কট তার সম্পদের বেশির ভাগ অংশ দান করার ‘প্রতিশ্রুতিপত্রে’ স্বাক্ষর করেন। এটা এমন একটা চুক্তিপত্র যেখানে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তি ও তার পরিবারের লোকেরা অর্থ দান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন।

এটা শুরু হয় ২০০১০ সাল থেকে। এমন চুক্তিপত্র তৈরি করে অন্যদের দান করতে উৎসাহিত করেন বিল ও মেলিন্ডা গেটস এবং ওয়ারেন বাফেট। এরপর সেই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন স্টার ওয়ারসের স্রষ্ঠা জর্জ লুকাস।

যদিও এখনও সেই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেননি জেফ বেজোস। তবে গত মার্চে সে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন ম্যাকঞ্জি স্কটের স্বামী জুয়েটে।

চুক্তিপত্রে জুয়েট লেখেন, তিনি এমন একজনকে বিয়ে করেছেন যিনি দাতব্য কাজে তার সম্পদ দান করার ঘোষণা দিয়েছেন। জুয়েটও সে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন তার সম্পদ দান করতে।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

হোয়াটসঅ্যাপের অযাচিত গ্রুপ এড়াবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপের অযাচিত গ্রুপ এড়াবেন যেভাবে

আপনাকে হোয়াটসঅ্যাপে এমন গ্রুপে যুক্ত করতে পারে যেখানে আপনি একেবারেই অপরিচিত। গ্রুপের কাউকে তো চেনেন-ই না উপরন্তু নোটিফিকেশনের জ্বালায় জীবন অতিষ্ঠ। এমন বিরক্তিকর কোনো গ্রুপে কেউ অ্যাড করলে নিজ থেকেই সরে পড়তে পারবেন।

বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এই অ্যাপে ব্যক্তিগতভাবে চ্যাট করার পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তি মিলে গ্রুপে চ্যাট করার সুযোগও রয়েছে। তাই অনেকেই বুঝে বা না বুঝেই আপনাকে কোনো গ্রুপে যুক্ত করতে পারে।

দেখা গেল গ্রুপের কাউকে তো চেনেন-ই না উপরন্তু নোটিফিকেশনের জ্বালায় জীবন অতিষ্ঠ। এমন বিরক্তিকর কোনো গ্রুপে কেউ অ্যাড করলে নিজ থেকেই সরে পড়তে পারবেন। কীভাবে এমন গ্রুপ থেকে সরে আসবেন চলুন দেখি।

যা করবেন

কয়েকটি সহজ ধাপে আপনি চাইলে কোনো গ্রুপ থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন। এমন ফিচার আছে হোয়াটসঅ্যাপে।

এ জন্য প্রথমে আপনি ডিভাইস থেকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করুন। সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপের settings থেকে Accounts অপশনে যান। সেটিংস থেকে এবার চলে যান Privacy অপশনে।

সেখানে ক্লিক করলে আসবে একটি তালিকা। সেই তালিকায় একটু নিচের দিকে দেখবেন রয়েছে Groups অপশন। সেখানে ট্যাপ বা ক্লিক করুন। দেখবেন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন অপশন রয়েছে।

সেই তিন অপশনের প্রথমটি ‘Everybody’–নির্বাচন করলে অনুমতি ছাড়াই যেকেউ আপনাকে কোনো গ্রুপে অ্যাড করতে পারবে।

পরের অপশন আছে ‘My Contacts’। সেটি নির্বাচন করলে ফোনের কন্ট্রাক্টসে থাকা ব্যক্তিরা শুধু গ্রুপে অ্যাড করতে পারবে।

আর ৩ নম্বর অপশন My Contacts Except অপশন, সেটি নির্বাচন করলে আপনি কোনো নির্দিষ্ট কন্ট্রাক্ট নম্বর যুক্ত করতে পারবেন। তারা ছাড়া আপনাকে কেউ কোনো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাড করতে পারবে না।

নিজেদের নিরাপত্তার জন্যই আসলে অপরিচিত কোনো গ্রুপে অ্যাড না হওয়া ভালো। তাই সতর্ক থাকুন নিজের নিরাপত্তা নিয়ে।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন

গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

নতুন গেমিং ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন। ছবি: সংগৃহীত

গেমিং ল্যাপটপটিতে আছে ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি ম্যাট আইপিএস এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্জ হওয়ায় গেমারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। ল্যাপটপটির ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন ১৯২০*১০৮০ পিক্সেল।

নতুন একটি গেমিং ল্যাপটপ দেশের বাজারে এনেছে ওয়ালটন। সাশ্রয়ী মূল্যের মাল্টিটাস্কিং সুবিধার ল্যাপটপটি ওয়াক্সজ্যাম্বো সিরিজের।

গেমিং ল্যাপটপটির মডেল হলো ডব্লিউডব্লিউজিএল৭১০এইচ। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেলের দশম প্রজন্মের প্রসেসর, এনভিডিয়ার ৬ জিবি জিফোর্স জিটিএক্স ৩০৬০ গ্রাফিক্স কার্ড, ১৬ জিবি র‌্যাম, ১ টেরাবাইট এনভিএমই এসএসডি।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কম্পিউটার প্রোডাক্টের সিইও লিয়াকত আলী জানান, যারা গেম খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে ওয়ালটনের এই দশম জেনারেশন প্রসেসরের ল্যাপটপ।

এ ছাড়া গ্রাফিক্সের ভারী কাজ, ছবি বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য ল্যাপটপটি আদর্শ হবে।

ওয়ালটন জানায়, ‘কোটি টাকার শিক্ষাবৃত্তি’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ালটন ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ট্যাবলেট পিসি, ডেক্সটপ কিংবা অল-ইন-ওয়ান কম্পিউটার কিনলেই ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য থাকছে নিশ্চিত শিক্ষাবৃত্তি।

এ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীরা ওয়ালটনের প্রতিটি ডিজিটাল ডিভাইসে ২ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের কিস্তি সুবিধা।

গেমিং ল্যাপটপটিতে আছে ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি ম্যাট আইপিএস এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্জ হওয়ায় গেমারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। ল্যাপটপটির ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন ১৯২০*১০৮০ পিক্সেল।

এই ল্যাপটপের উচ্চগতি নিশ্চিতে আছে ইন্টেলের দশম প্রজন্মের ২.২০ গিগাহার্টস ক্লকরেটের কোর আই সেভেন ১০৮৭০এইচ ৬-কোর প্রসেসর।

মেমোরি ডিভাইস হিসেবে রয়েছে ১৬ গিগাবাইট ডিডিআর৪ র‌্যাম যা ৩২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

প্রয়োজনীয় গেম, সফটওয়ার, ডকুমেন্ট, মুভি ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য আছে এনভিএমই পিসিআইই এম.টু ১ টেরাবাইট সলিড স্টেট ড্রাইভ।

দীর্ঘক্ষণ পাওয়ার ব্যাকআপের নিশ্চয়তায় এই ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়েছে শক্তিশালী ৩ সেলের স্মার্ট লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি; যা ৮ ঘণ্টার বেশি সময় পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে পারবে বলে দাবি করেছে ওয়ালটন।

স্পষ্ট ভিডিও কল ও আকর্ষণীয় সেলফির জন্য রয়েছে ১ মেগাপিক্সেলের এইচডি ক্যামেরা।

কানেকটিভিটি ফিচারের মধ্যে আছে ৩টি ইউএসবি ৩.২ টাইপ এ পোর্ট ও পাওয়ারড পোর্ট, ১টি থান্ডারবোল্ড ৩ পোর্ট, ১টি মিনি ডিসপ্লে পোর্ট, এইচডিএমআই, ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ৫.১, ল্যান।

ফুল মেটাল হাউজিংয়ের আকর্ষণীয় ডিজাইনের ল্যাপটপটি বেশ হালকা। ব্যাটারিসহ ওজন মাত্র ১.৯ কেজি। ফলে যে কোনো স্থানে সহজেই বহন করা যাবে।

গ্রাহকরা ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে ২ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন ল্যাপটপটিতে।

গেমিং ল্যাপটপটির দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫০ টাকা।

আরও পড়ুন:
বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি
সুবিধাবঞ্চিতদের খাবার, ঈদ সামগ্রী দিল শাওমি
ঈদ বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে শাওমির যত ফোন
১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা
শাওমির মি ফ্যান ফেস্টিভ্যাল শুরু

শেয়ার করুন