প্রিয়শপ ডটকমের বিগেস্ট শপিং ডে ২৩-২৪ মে

প্রিয়শপ ডটকমের বিগেস্ট শপিং ডে ২৩-২৪ মে

বিগেস্ট শপিং ডে আয়োজন থেকে যেসব গ্রাহক তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও গ্রোসারি কেনাকাটা করবেন তাদের জন্য থাকছে নেক্সট ডে ডেলিভারি সুবিধা। এতে গ্রাহকরা পণ্য হাতে পাবেন পরের দিনই। 

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঘরে বসে অল্প বাজেটে বেশি শপিং করার সুযোগ দিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান প্রিয়শপ ডটকম আয়োজন করেছে বিগেস্ট শপিং ডে।

‘শর্ট বাজেটে বিগ শপিং’ শ্লোগান নিয়ে আগামী ২৩-২৪ মে দিনভর প্রিয়শপ থেকে অল্প বাজেটে কেনাকাটা করতে পারবেন নিজের পছন্দের সব পণ্য।

এ দিন গ্রাহকরা কেনাকাটা করলে পাবেন নেক্সট ডে ডেলিভারি সুবিধা, ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা, সারপ্রাইজ বক্স, ডাবল টাকা ভাউচার সুবিধা ও মেগা ডিসকাউন্ট।

বিগেস্ট শপিং ডে আয়োজন থেকে যেসব গ্রাহক তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও গ্রোসারি কেনাকাটা করবেন তাদের জন্য থাকছে নেক্সট ডে ডেলিভারি সুবিধা। এতে গ্রাহকরা পণ্য হাতে পাবেন পরের দিনই।

প্রিয়শপ ডটকমের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রোমেল ডি রোজারিও বলেন, ‘প্রিয়শপ ডটকম গ্রাহককেন্দ্রিক ই-কমার্স প্লাটফর্ম। গ্রাহকদের কেনাকাটা সুবিধার কথা মাথায় রেখেই আমরা বিগেস্ট শপিং ডে আয়োজন করছি। আমরা চাই গ্রাহকরা অল্প খরচে করে বেশি পণ্য যেন কিনতে পারেন সে জন্যই করোনা মহামারির সময় এমন আয়োজন। আমাদের প্রত্যাশা শর্ট বাজেটে বিগ শপিং স্লোগানে আয়োজন করা ক্যাম্পেইনটিতে খুব সাড়া পাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে নেক্সট ডে ডেলিভারি বা পরের দিনের মধ্যেই ডেলিভারিতে খুব সাড়া পেয়েছি। প্রিয়শপ ডটকম ৯৭.২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে পরের দিনেই পণ্য ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে। ১.৫৪ শতাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহক তাদের ডেলিভারি সময় বদলে নিয়েছেন। আর মাত্র ১.২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে ডেলিভারি দেয়া যায়নি।’

প্রিয়শপে মূল্য পরিশোধের জন্য রয়েছে সকল প্রকার পেমেন্ট অপশন। আছে বিকাশ, ভিসা, মাস্টার কিংবা অ্যামেক্স কার্ড, নেক্সাস পে, ব্যাংক ডিপোজিটসহ নগদে মূল্য পরিশোধের সুবিধা।

প্রিয়শপ ডটকম দেশিয় শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম। হাজারেও বেশি ব্র্যান্ড ও লক্ষাধিক পণ্যের পসরা রয়েছে প্রিয়শপ ডটকমে।

জাতিসংঘের গবেষণায় ই-কমার্স খাতের আদর্শ মডেল হিসেবে প্রিয়শপ ডটকমের নাম উঠে এসেছে ইউএনসিটিএডি বাংলাদেশ অ্যাসেসমেন্ট প্রতিবেদনে। এ ছাড়া ২০২০ সালে সিংঙ্গাপুরে সেরা দশ স্টার্টআপ এশিয়া, ২০১৯ সালে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি পুরস্কার, ২০১৮ সালে ইন্ডিয়া হতে সুপার স্টার্টআপ পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হবে হাইটেক পার্ক’

‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হবে হাইটেক পার্ক’

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি। ছবি: ফেসবুক

বিকর্ণ কুমার জানান, বর্তমানে ডিজিটাল ডিভাইসের দেশিয় চাহিদার ৭৫ শতাংশই আমরা নিজেরা পূরণ করছি। শিগগির দেশের ডিজিটাল ডিভাইসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করে আমরা বিদেশেও পুরোদমে রপ্তানি করব।

আগামী দিনে দেশের হাইটেক পার্কগুলো ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে এসব ডিভাইস বিদেশেও রপ্তানি করা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ‘হাইটেক পার্কের চলমান কার্যক্রম: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত (সরাসরি ও জুম প্লাটফর্মে) ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম।

সেমিনারে তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনও করেন।

আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব মো. আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এএনএম সফিকুল ইসলাম।

মূল প্রবন্ধে বিকর্ণ কুমার ঘোষ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ‘বর্তমানে ডিজিটাল ডিভাইসের দেশিয় চাহিদার ৭৫ শতাংশই আমরা নিজেরা পূরণ করছি। শিগগির দেশের ডিজিটাল ডিভাইসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করে আমরা বিদেশেও পুরোদমে রপ্তানি করব।

‘এরইমধ্যে আমরা কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে উৎপাদিত আইওটি ডিভাইস বিদেশে রপ্তানি করেছি। খুব অল্প সময়েই সেখানে আরও বেশ কিছু কোম্পানি উৎপাদন শুরু করবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে টেকসই হাইটেক ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম নির্মাণের এখনই উপযুক্ত সময় যেখানে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক যে মন্দার ঝুঁকি রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শ্রম-নির্ভর অর্থনীতি যথেষ্ট নয়। চলমান পরিস্থিতিতে যেসব দেশ জ্ঞান-ভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পের বিকাশে মনোনিবেশ করছে তারাই এফডিআই (সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ) আকৃষ্ট করতে সমর্থ্য হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে, প্রযুক্তিভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নে শুরু থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।’

সেমিনার শেষে উন্মুক্ত আলোচনায় আইসিটি বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রিয়শপে ‘সেইম ডে ডেলিভারি’

প্রিয়শপে ‘সেইম ডে ডেলিভারি’

‘সেইম ডে ডেলিভারি’ উদ্যেগে অর্ডার করার দিনেই অর্ডারকৃত পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন ক্রেতারা। এ জন্য একই দিন বিকেল ৪টার আগে পণ্য অর্ডার করতে হবে। তাহলে সেদিনই ক্রেতার হাতে পৌঁছাবে পণ্য।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান প্রিয়শপ ডটকমে শুরু হয়েছে এক দিনেই ডেলিভারি সেবা বা সেইম ডে ডেলিভারি।

প্রতিষ্ঠানটির ‘প্রিয়শপ ফেস্ট’ ক্যাম্পেইনে ডাবল টাকা ভাউচার, বাই ওয়ান গেট সিক্স, ম্যাসিভ ডিসকাউন্ট, সারপ্রাইস বক্স, ৫ টাকা ডিলসহ বেশ কিছু অফার দিয়েছে। সেই অফারের মধ্যেই এই উদ্যোগ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘সেইম ডে ডেলিভারি’ উদ্যেগে অর্ডার করার দিনেই অর্ডারকৃত পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন ক্রেতারা। এ জন্য একই দিন বিকেল ৪টার আগে পণ্য অর্ডার করতে হবে। তাহলে সেদিনই ক্রেতার হাতে পৌঁছাবে পণ্য।

এই সুবিধা প্রাথমিকভাবে পাবেন রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, গ্রিন রোড ও এলিফ্যান্ট রোডের গ্রাহকরা।

এর বাইরে অর্থাৎ ঢাকার বাইরের গ্রাহকরা অর্ডার করার ১ কার্যদিবসের মধ্যেই তাদের পণ্য পাবেন।

অর্ডার করার সময়ে চলমান সকল প্রোমো ও ডিসকাউন্ট প্রযোজ্য থাকবে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে প্রিয়শপ ‘নেক্সট ডে ডেলিভারি’ সুবিধা চালু করেছিল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আশিকুল আলম খাঁন বলেন, ‘গ্রাহকরা যেন সহজে ঘরে বসে পণ‍্য কিনতে পারেন সেই লক্ষ‍্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। ডেলিভারি সেবা উন্নয়নের জন‍্য পরিশ্রম চলছে দিনরাত। সেইম ডে ডেলিভারি সুবিধার কারণে, আমাদের গ্রাহকরা তাদের চাহিদার সব পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন সাথে সাথেই।’

প্রিয়শপের এই ফেস্ট ক্যাম্পেইন চলবে ১৬-১৭ জুন পর্যন্ত।

ফেস্টে গ্যাজেট, গ্রোসারি, ফ‍্যাশন, মোবাইল, বাইকসহ হরেক রকমের পণ‍্য পাওয়া যাবে।

মূল্য পরিশোধ করা যাবে অনলাইনেও। নগদ, রবি এলিট, জিপি স্টার, সিটি ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও মাস্টারকার্ড হোল্ডারগণ পেমেন্টে পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এক্সট্রা ডিসকাউন্ট।

শেয়ার করুন

ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব

ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিল। কিন্তু আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্যই।’

আওয়ামী লীগ যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিল, তখন অনেকেই বাঁকা কথা বলতেন জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, এখন এই বাংলাদেশের সুফলই পাচ্ছে সবাই।

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলাদেশ সত্যিকারের ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। সরকার এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করতে সক্ষম। এ অগ্রযাত্রায় প্রমাণিত হয়েছে আমাদের জনগোষ্ঠী অত্যন্ত মেধাবী, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে কাজ করতে সক্ষম।’

২০০৮ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ তার ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন জনদুর্ভোগ হলেই ‘ডিজিটাল’ বলে বিদ্রুপ করত বিরোধী পক্ষ।

সেই কথার প্রতি ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিল। কিন্তু আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্যই।’

রোববার দ্য ইনস্টিটিউট অফ চাটার্ড অ্যাকাউন্টসের (আইসিএবি) ডেভেলমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টটেশন অফ অডিট প্র্যাকটিস সফটওয়্যারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘করোনার এই সময়ে আমাদের জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেড়েছে। শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ক্লাস করছে। যা একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন।’

দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘ডিজিটাল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে নিজের অস্তিত্বই টিকিয়ে রাখা যাবে না।’

প্রতিটি সূচকে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘হেনরি কিসিঞ্জার যে দেশটাকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল, সে দেশটা আজ বিশ্বে রোল মডেল।’

অনুষ্ঠানে আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিয়া হাওলাদার ডিজিটালাইজেশন অডিট প্র্যাকটিস ইন বাংলাদেশ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইতোমধ্যে ৬০-৭০টি সিএ ফার্মকে এ সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এ সফটওয়্যার ব্যবহারে নিখুঁতভাবে অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। এ সফটওয়্যার ব্যবহারে অনেক কম সময়ে কাজ করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, কাউন্সিল মেম্বার মোহাম্মদ ফারুকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

মহাকাশে বেজোসের সঙ্গী হতে খরচ ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মহাকাশে বেজোসের সঙ্গী হতে খরচ ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস।

নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। তবে মহাকাশে ভ্রমণের সঙ্গী হতে তাকে খরচ করতে হচ্ছে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিলামে বিজয়ী ওই ব্যক্তি এখন এই অর্থ তুলে দেবেন ব্লু অরিজিনের কাছে।

চাঁদে মানুষের পদার্পনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাকাশে ঘুরতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেফ বেজোস।

নিজের মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের তৈরি রকেটে এই ভ্রমণের জন্য অনেক আগেই বেজোস ঘোষণা দেন তার সঙ্গী হিসেবে নেবেন ছোটভাই মার্ক জোসেফকে।

তিন সিটের সেই মহাকাশযানে আরেকটি সিটে একজন পর্যটক নেয়ার কথা জানান। সে জন্য ব্লু অরিজিন থেকে নিলামের মাধ্যমে একজনকে নির্বাচিত করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

অবশেষে এক মাসের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে গতকাল শনিবার সে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্মুক্ত সেই নিলামে বিজয়ী হয়ে একজন হচ্ছেন অ্যামাজন প্রধানের সফরসঙ্গী।

নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। তবে মহাকাশে ভ্রমণের সঙ্গী হতে তাকে খরচ করতে হচ্ছে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিলামে বিজয়ী ওই ব্যক্তি এখন এই অর্থ তুলে দেবেন ব্লু অরিজিনের কাছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম এখনও প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। আগামী সপ্তাহে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে তারা।

বেজোসের সঙ্গে মহাকাশ ভ্রমণে আগ্রহ দেখিয়েছে ১৪০টির বেশি দেশের মানুষ। নিলামে অংশ নিতে এর আগে ১৫৯টি দেশ থেকে ৭ হাজার ৬০০ মানুষ নিবন্ধন করেন।

নিলামটি পরিচালনা করেছে বোস্টনভিত্তিক আরআর অকশন নামের প্রতিষ্ঠান।

নিলামে প্রত্যাশা ছিল সর্বোচ্চ দাম উঠেতে পারে ৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে নিলামে প্রত্যাশার চেয়ে পাঁচগুণের বেশি খরচ করতে চেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

ব্লু অরিজিন এক টুইট করে জানিয়েছে, বিজয়ী নিলামকারী এই অর্থ ব্লু অরিজিন ফাউন্ডেশনে দান করবেন।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন, মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জেফ বেজসের সম্পদের পরিমাণ ১৮ হাজার ৬২০ কোটি ডলার।

চদ্রাভিযানের ৫০ বছর পূর্তি হবে ২০ জুলাই। সেদিনই মহাকাশে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ব্লু অরিজিন।

আগের সপ্তাহে বেজস এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, ‘২০ জুলাই আমার ভাইয়ের সঙ্গে এই যাত্রা শুরু করব। এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় আমার সঙ্গী হবে আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।

ব্লু অরিজিনের লক্ষ্য মানুষের জন্য মহাকাশ যাত্রা সহজ করে তোলা। এ জন্য মানুষকে মহাশূন্যের ১০০ কিলোমিটার ওপরে নিয়ে যাবে ব্লু অরিজিনের মহাকাশযান। আর এর খরচ সহনীয় করতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয়, তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়। 

১৯ শতকের শেষের দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টারমাইন্ড নিকোলা টেসলা প্রথম দেখান, যখন দুটি শক্তিশালী চৌম্বক একে অপরকে স্পর্শ করে তখন উৎস থেকে তাদের মধ্যে একটি শক্তি স্থানান্তর হয়।

টেসলারের সেই আবিষ্কার সে সময় খুব সাড়া ফেলে। তবে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় তার ১০০ বছর পর এসে। টেসলারের সূত্র ধরে এখন তৈরি হচ্ছে স্মার্টফোনের ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

তারের ঝামেলা এড়িয়ে ফোনটিকে চার্জ করতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এনেছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তির ফোন। ওয়্যারেলেস চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও এটি কীভাবে কাজ করে সে প্রক্রিয়াটি আমরা জানি কি? না জানলে চলুন জেনে নিই।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয় তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়।

ওয়্যারেলস চার্জিং প্রযুক্তির ফোনের হার্ডওয়্যারে একটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে; যা কপারের তৈরি। এটি থাকে ফোনটির পিছনের দিকে। একই ধরনের আরেকটি শক্তিশালী কয়েল থাকে ওয়্যারলেস চার্জারের ভেতরে। যেটি ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে প্লাগ দিয়ে সংযোগ ঘটানো হয়।

এবার সেই ইলেট্রিক সকেট থেকে কেব্‌লের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি চার্জারের কয়েলে আসে। চার্জারের কয়েলে তখন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক একটা অনূভূতি হতে থাকে। এখন স্মার্টফোনটি অর্থাৎ হার্ডওয়্যারের যে পাশে কয়েলটি থাকে, সেটি যখন চার্জারের সংস্পর্শে আসে তখন ফোনে চার্জ হতে শুরু করে।

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

একটা নিরাপদ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এইভাবে একটি কয়েল থেকে আরেকটি কয়েলে ইলেকট্রিক শক্তি স্থানান্তর হয়। যেখানে স্মার্টফোন চার্জ হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনেকেই মনে করেন, তাহলে তো ওয়্যারলেস চার্জারের কাছাকাছি থাকলেও ফোনে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছে যাবে, আর চার্জ হবে! না, সে ক্ষেত্রে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছালেও যতক্ষণ দুটি কয়েল সংস্পর্শে না আসবে ততক্ষণ চার্জ শুরু হবে না।

কেব্‌ল দিয়ে চার্জ হতে যে পরিমাণ সময় প্রয়োজন হয়, ওয়্যারলেস চার্জারে তার অন্তত দ্বিগুণ সময় প্রয়োজন হয়। তাই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও খরচ কমাতে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।

এমনকি ওয়্যারলেস বললেও কিন্তু এখানে কেব্‌লের প্রয়োজন হচ্ছে। চার্জার কিন্তু ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে।

অনেকেই এই প্রক্রিয়ায় চার্জিংকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মানেন। কিন্তু সহজ কিছুর জন্য নতুন প্রযুক্তিতে কোনো না কোনো বিষয়ে তো ছাড় দিতেই হবে।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টে নির্বাচিতদের বুটক্যাম্প শুরু

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টে নির্বাচিতদের বুটক্যাম্প শুরু

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

পারস্পরিক সহযোগিতা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্য স্টার্টআপদের কাজ করার আহ্বান জানান পলক।

বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট ২০২১ আয়োজনের নির্বাচিত ৬৫টি স্টার্টআপ নিয়ে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বুটক্যাম্প। করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে এবার বুটক্যাম্প হবে অনলাইনে।

পাঁচ দিনের বুটক্যাম্প শুরু করছে আইসিটি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি থেকে বুটক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

পারস্পরিক সহযোগিতা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্য স্টার্টআপদের কাজ করার আহ্বান জানান পলক।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মেধাবী তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকরাই আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপরাই যথাযথ নার্সিং ও ইনকিউবেশন গ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণ করে নিজেদের আত্মনির্ভরশীল করার পাশাপাশি বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল দেশে পরিণত করবে।

তিনি বলেন, ‘তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে স্টার্টআপ কালচার ও এন্টারপ্রেনিউর সাপ্লাই চেইন গড়ে তুলতে আইসিটি বিভাগ ৩৯টি হাইটেক পার্ক, ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, ঢাকার কারওয়ান বাজারে ইনোভেশন সেন্টার স্থাপনসহ সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।’

যা প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানান।

পলক অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপদের উদ্দেশে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘থিংক বিগ, স্টার্ট স্মল, মুভ ফাস্ট।’

বুটক্যাম্পে প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে নিরবে নজরে রাখা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী সবাইকে ইনোভেশনে সতর্কতা ও মনযোগের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘এই ৬৫টি সাটার্টআপ আমাদের আগামী দিনের বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

পলক আরও বলেন, ‘পাঠাও-ট্রাক লাঘবের মতো আগামী দিনের স্টার্টআপগুলো যেন দেশের সমস্যাগুলোর সমাধান করে, প্রয়োজন মিটিয়ে লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি তরুণ-তরুণীর আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে সেটি আমাদের লক্ষ্য।’

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন- স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনা এফ জাবিন, আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক আব্দুর রাকিবসহ অন্যরা।

শেয়ার করুন

‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’

‘আগামী বছর প্রাথমিকের পাঠ্যতে যুক্ত হবে প্রোগ্রামিং’

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপনীতে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

জাতীয় প্রতিযোগিতায় দেশের সব জেলা ও ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিং এবং আধা ঘণ্টাব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই মেয়ে।

মাধ্যমিকে এরই মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক পাঠ্যসূচি থাকলেও এবার প্রাথমিকে প্রোগ্রামিংকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা- এনএইচএসপিসির জাতীয় পর্বের চলতি বছরের সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘আমরা শিশু-কিশোরদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের মাটি থেকে স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ করতে পারব। এমনকি ২০৪১ সালের লক্ষ্য পূরণ করতে পারব।

‘ডিজিটাল বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমাদের দেশের তরুণদের তৈরি করতে আবশ্যিকভাবে প্রোগ্রামিং শেখাতে হবে।’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে আবশ্যিক করেছে। ফলে আমাদের যে শিক্ষার্থীরা আইসিটি পড়ে এসেছে, তারা আইসিটি বিষয়ে উদ্যোক্তা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছে।’

পলক বলেন, ‘বুয়েট থেকে ভাষাগুরু নামের ভাষা শেখার সফটওয়্যারে ৯টা ভাষা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু শুধু প্রযুক্তির ভাষা শিখলে আমরা সব ভাষায় যোগাযোগ করতে পারব। প্রাইমারি থেকে প্রোগ্রামিং শেখানোর জন্য ২০২২ সালে যে বই শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে, সেখানে প্রোগ্রামিংকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।’

‘জানুক সবাই দেখাও তুমি’ স্লোগানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রোগ্রামিং সংস্কৃতি চালুর লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে অনলাইনেই আয়োজিত হয় এবারের প্রতিযোগিতা।

সারা দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনলাইন প্রস্তুতি প্রতিযোগিতা, অনলাইন মহড়া প্রতিযোগিতা ও অনলাইন ন্যাশনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় প্রতিযোগিতায় দেশের সব জেলা ও ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিং এবং আধা ঘণ্টাব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই মেয়ে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় এ বছর জুনিয়র ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন দেবজ্যোতি দাশ সৌম্য (জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট)।

প্রথম রানার আপ কাজী নাদিদ হোসেইন (খুলনা জিলা স্কুল) এবং দ্বিতীয় রানার আপ শ্রেয়াস লাবিব অরিয়ন (এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা)।

সিনিয়র ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন যারিফ রহমান (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, রাজশাহী)। প্রথম রানার আপ মামনুন সিয়াম (চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম) এবং দ্বিতীয় রানার আপ নাফিস উল হক সিফাত (হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম)।

এ ছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতার জুনিয়র ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন মাহির তাজওয়ার (সেন্ট যোসেফস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা )।

প্রথম রানার আপ নিতীশ সরকার সোম (লৌহজং মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সিগঞ্জ) এবং দ্বিতীয় রানার আপ সামিরা তাসনিম (সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা)।

সিনিয়র ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন নাহিয়ান ইয়াজদান রাহমান (সানবিমস, ঢাকা)। প্রথম রানার আপ ধ্রুব মণ্ডল (বরিশাল জেলা স্কুল, বরিশাল) এবং দ্বিতীয় রানার আপ শ্রেয়া চক্রবর্তী (মুমিনুন্নিসা সরকার মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ)।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ এনামুল কবির, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।

বিজয়ীদের মধ্য থেকে প্রোগ্রামিংয়ের দুই ক্যাটাগরির সেরা তিনজনকে ল্যাপটপ এবং কুইজে দুই ক্যাটাগরির সেরা তিনজনকে স্মার্টফোন উপহার দেয়া হবে।

শেয়ার করুন