নতুন ফিচারে টালিখাতা অ্যাপ

টালিখাতা অ্যাপের নতুন লোগো ও বেশ কিছু নতুন ফিচার উন্মোচন করা হয়েছে।

নতুন ফিচারে টালিখাতা অ্যাপ

টালিখাতা ৩.০ অ্যাপে নতুন যেসব ফিচার যোগ হয়েছে তা হলো; বাকি আদায়ের জন্য যেকোনো সময় তাগাদা মেসেজ পাঠানো, নতুন কাস্টমার যোগ করলে এসএমএস পাঠানো, কাস্টমার লিস্ট ফিল্টার ইত্যাদি।

দেশের ছোট ব্যবসায়ী-দোকানদারদের মধ্যে সাড়া ফেলা টালিখাতা অ্যাপ তাদের নতুন লোগো উন্মোচন করেছে।

অ্যাপটিতে বেশ কিছু নতুন সুবিধা, ফিচারসহ ৩.০ সংস্করণটিও রিলিজ করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৩৫ লাখেরও বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপটি গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড বা আপডেট করা যাবে। গত বছর টালিখাতা ২.০ রিলিজ হয়।

টালিখাতা অ্যাপ প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেডের একটি সেবা। অ্যাপটি সম্পর্কে প্রগতি সিস্টেমসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. শাহাদাত খান বলেন, ‘আমরা দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে চাই। সারা দেশে এক কোটির অধিক ছোট ব্যবসায়ী আছেন। তাদের জন্যই টালিখাতা বাংলা বিজনেস অ্যাপ তৈরি করেছি।’

মুদির দোকান থেকে শুরু করে, ফার্মেসি, ইলেকট্রনিকসসহ বহু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী এই অ্যাপটি তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক হিসাব রাখতে ব্যবহার করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য এরই মধ্যে টালিখাতা অ্যাপ ব্যবহারকারী শতাধিক ব্যবসায়ী স্বল্প সুদে ব্যাংক থেকে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় লোনও পেয়েছেন।

টালিখাতা ৩.০ অ্যাপে নতুন যেসব ফিচার যোগ হয়েছে তা হলো; বাকি আদায়ের জন্য যেকোনো সময় তাগাদা মেসেজ পাঠানো, নতুন কাস্টমার যোগ করলে এসএমএস পাঠানো, কাস্টমার লিস্ট ফিল্টার ইত্যাদি।

এ ছাড়া অটো লগ-আউট ফিচার যোগ করে অ্যাপের ব্যবহার আরও নিরাপদ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগের সংস্করণের বেশ কিছু ফিচার আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে।

টালিখাতা অ্যাপটি সম্পূর্ণ বাংলায় তৈরি। সহজ ‘দিলাম-পেলাম’ এন্ট্রির মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নগদ অথবা বাকিতে বেচাকেনা এবং খরচের হিসাব রাখতে পারেন।

অ্যাপটিতে অটোমেটিক হিসাব তৈরি হয়, দেখা যায় আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট। বরাবরের মতোই টালিখাতা অ্যাপ সম্পূর্ণ ফ্রি এবং ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যায়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

নতুন গেমিং ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন। ছবি: সংগৃহীত

গেমিং ল্যাপটপটিতে আছে ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি ম্যাট আইপিএস এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্জ হওয়ায় গেমারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। ল্যাপটপটির ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন ১৯২০*১০৮০ পিক্সেল।

নতুন একটি গেমিং ল্যাপটপ দেশের বাজারে এনেছে ওয়ালটন। সাশ্রয়ী মূল্যের মাল্টিটাস্কিং সুবিধার ল্যাপটপটি ওয়াক্সজ্যাম্বো সিরিজের।

গেমিং ল্যাপটপটির মডেল হলো ডব্লিউডব্লিউজিএল৭১০এইচ। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেলের দশম প্রজন্মের প্রসেসর, এনভিডিয়ার ৬ জিবি জিফোর্স জিটিএক্স ৩০৬০ গ্রাফিক্স কার্ড, ১৬ জিবি র‌্যাম, ১ টেরাবাইট এনভিএমই এসএসডি।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কম্পিউটার প্রোডাক্টের সিইও লিয়াকত আলী জানান, যারা গেম খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে ওয়ালটনের এই দশম জেনারেশন প্রসেসরের ল্যাপটপ।

এ ছাড়া গ্রাফিক্সের ভারী কাজ, ছবি বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য ল্যাপটপটি আদর্শ হবে।

ওয়ালটন জানায়, ‘কোটি টাকার শিক্ষাবৃত্তি’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ালটন ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ট্যাবলেট পিসি, ডেক্সটপ কিংবা অল-ইন-ওয়ান কম্পিউটার কিনলেই ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য থাকছে নিশ্চিত শিক্ষাবৃত্তি।

এ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীরা ওয়ালটনের প্রতিটি ডিজিটাল ডিভাইসে ২ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের কিস্তি সুবিধা।

গেমিং ল্যাপটপটিতে আছে ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি ম্যাট আইপিএস এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্জ হওয়ায় গেমারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। ল্যাপটপটির ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন ১৯২০*১০৮০ পিক্সেল।

এই ল্যাপটপের উচ্চগতি নিশ্চিতে আছে ইন্টেলের দশম প্রজন্মের ২.২০ গিগাহার্টস ক্লকরেটের কোর আই সেভেন ১০৮৭০এইচ ৬-কোর প্রসেসর।

মেমোরি ডিভাইস হিসেবে রয়েছে ১৬ গিগাবাইট ডিডিআর৪ র‌্যাম যা ৩২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

প্রয়োজনীয় গেম, সফটওয়ার, ডকুমেন্ট, মুভি ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য আছে এনভিএমই পিসিআইই এম.টু ১ টেরাবাইট সলিড স্টেট ড্রাইভ।

দীর্ঘক্ষণ পাওয়ার ব্যাকআপের নিশ্চয়তায় এই ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়েছে শক্তিশালী ৩ সেলের স্মার্ট লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি; যা ৮ ঘণ্টার বেশি সময় পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে পারবে বলে দাবি করেছে ওয়ালটন।

স্পষ্ট ভিডিও কল ও আকর্ষণীয় সেলফির জন্য রয়েছে ১ মেগাপিক্সেলের এইচডি ক্যামেরা।

কানেকটিভিটি ফিচারের মধ্যে আছে ৩টি ইউএসবি ৩.২ টাইপ এ পোর্ট ও পাওয়ারড পোর্ট, ১টি থান্ডারবোল্ড ৩ পোর্ট, ১টি মিনি ডিসপ্লে পোর্ট, এইচডিএমআই, ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ৫.১, ল্যান।

ফুল মেটাল হাউজিংয়ের আকর্ষণীয় ডিজাইনের ল্যাপটপটি বেশ হালকা। ব্যাটারিসহ ওজন মাত্র ১.৯ কেজি। ফলে যে কোনো স্থানে সহজেই বহন করা যাবে।

গ্রাহকরা ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে ২ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন ল্যাপটপটিতে।

গেমিং ল্যাপটপটির দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫০ টাকা।

শেয়ার করুন

এবার তুরস্কের বাজারে রিভ অ্যান্টিভাইরাস

এবার তুরস্কের বাজারে রিভ অ্যান্টিভাইরাস

বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও দেশে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের ব্যবহারকারী রয়েছেন। রিভ অ্যান্টিভাইরাসের যাত্রা শুরু ২০১৬ সালে। ২০১৭ সাল থেকে ভারত ও নেপালে রপ্তানি শুরু হয়, পরবর্তীতে যা আফ্রিকাতেও সম্প্রসারিত হয়।

বাংলাদেশি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান রিভ সিস্টেমসের সাইবার সিকিউরিটি পণ্য রিভ অ্যান্টিভাইরাস এখন থেকে পাওয়া যাবে তুরস্কের বাজারে।

তুরস্কে রিভ অ্যান্টিভাইরাস বিক্রয় ও বিপণনের দায়িত্ব পেয়েছে ভিপিএনটাইম টেকনোলজি।

এরইমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সেখানে বিক্রয় ও বিপণন সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী তুরস্কে রিভ অ্যান্টিভাইরাস, রিভ ইন্টারনেট সিকিউরিটি, রিভ টোটাল সিকিউরিটি, রিভ মোবাইল সিকিউরিটি পাওয়া যাবে।

এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার নিরাপত্তার জন্য পাওয়া যাবে রিভ এন্ডপয়েন্ট সিকিউরিটি ও রিভ এন্ডপয়েন্ট ক্লাউড।

তুরস্কে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের প্রসার সম্পর্কে রিভ গ্রুপের গ্রুপ সিইও এম রেজাউল হাসান বলেন, ‘আমাদের সাইবার সিকিউরিটি ব্র্যান্ড রিভ অ্যান্টিভাইরাসের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।

‘ক্রমাগত গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের পণ্যের মানোন্নয়ন করে চলেছি, যা আস্থা বাড়াচ্ছে।’

বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও দেশে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের ব্যবহারকারী রয়েছেন। রিভ অ্যান্টিভাইরাসের যাত্রা শুরু ২০১৬ সালে। ২০১৭ সাল থেকে ভারত ও নেপালে রপ্তানি শুরু হয়, পরবর্তীতে যা আফ্রিকাতেও সম্প্রসারিত হয়।

২০১৯ সালে ইউরোপের ইউক্রেন, বেলারুস ও মলদোভাতেও রিভ অ্যান্টিভাইরাসের ডিস্ট্রিবিউটর নিযুক্ত হয়।

এ ছাড়া বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও দেশে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের ব্যবহারকারী রয়েছেন। সম্প্রতি তুরস্কের বাজারে যাত্রা শুরুর করল রিভ অ্যান্টিভাইরাস।

শেয়ার করুন

‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হবে হাইটেক পার্ক’

‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হবে হাইটেক পার্ক’

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি। ছবি: ফেসবুক

বিকর্ণ কুমার জানান, বর্তমানে ডিজিটাল ডিভাইসের দেশিয় চাহিদার ৭৫ শতাংশই আমরা নিজেরা পূরণ করছি। শিগগির দেশের ডিজিটাল ডিভাইসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করে আমরা বিদেশেও পুরোদমে রপ্তানি করব।

আগামী দিনে দেশের হাইটেক পার্কগুলো ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে এসব ডিভাইস বিদেশেও রপ্তানি করা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ‘হাইটেক পার্কের চলমান কার্যক্রম: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত (সরাসরি ও জুম প্লাটফর্মে) ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম।

সেমিনারে তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনও করেন।

আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব মো. আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এএনএম সফিকুল ইসলাম।

মূল প্রবন্ধে বিকর্ণ কুমার ঘোষ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ‘বর্তমানে ডিজিটাল ডিভাইসের দেশিয় চাহিদার ৭৫ শতাংশই আমরা নিজেরা পূরণ করছি। শিগগির দেশের ডিজিটাল ডিভাইসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করে আমরা বিদেশেও পুরোদমে রপ্তানি করব।

‘এরইমধ্যে আমরা কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে উৎপাদিত আইওটি ডিভাইস বিদেশে রপ্তানি করেছি। খুব অল্প সময়েই সেখানে আরও বেশ কিছু কোম্পানি উৎপাদন শুরু করবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে টেকসই হাইটেক ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম নির্মাণের এখনই উপযুক্ত সময় যেখানে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক যে মন্দার ঝুঁকি রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শ্রম-নির্ভর অর্থনীতি যথেষ্ট নয়। চলমান পরিস্থিতিতে যেসব দেশ জ্ঞান-ভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পের বিকাশে মনোনিবেশ করছে তারাই এফডিআই (সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ) আকৃষ্ট করতে সমর্থ্য হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে, প্রযুক্তিভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নে শুরু থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।’

সেমিনার শেষে উন্মুক্ত আলোচনায় আইসিটি বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রিয়শপে ‘সেইম ডে ডেলিভারি’

প্রিয়শপে ‘সেইম ডে ডেলিভারি’

‘সেইম ডে ডেলিভারি’ উদ্যেগে অর্ডার করার দিনেই অর্ডারকৃত পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন ক্রেতারা। এ জন্য একই দিন বিকেল ৪টার আগে পণ্য অর্ডার করতে হবে। তাহলে সেদিনই ক্রেতার হাতে পৌঁছাবে পণ্য।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান প্রিয়শপ ডটকমে শুরু হয়েছে এক দিনেই ডেলিভারি সেবা বা সেইম ডে ডেলিভারি।

প্রতিষ্ঠানটির ‘প্রিয়শপ ফেস্ট’ ক্যাম্পেইনে ডাবল টাকা ভাউচার, বাই ওয়ান গেট সিক্স, ম্যাসিভ ডিসকাউন্ট, সারপ্রাইস বক্স, ৫ টাকা ডিলসহ বেশ কিছু অফার দিয়েছে। সেই অফারের মধ্যেই এই উদ্যোগ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘সেইম ডে ডেলিভারি’ উদ্যেগে অর্ডার করার দিনেই অর্ডারকৃত পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন ক্রেতারা। এ জন্য একই দিন বিকেল ৪টার আগে পণ্য অর্ডার করতে হবে। তাহলে সেদিনই ক্রেতার হাতে পৌঁছাবে পণ্য।

এই সুবিধা প্রাথমিকভাবে পাবেন রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, গ্রিন রোড ও এলিফ্যান্ট রোডের গ্রাহকরা।

এর বাইরে অর্থাৎ ঢাকার বাইরের গ্রাহকরা অর্ডার করার ১ কার্যদিবসের মধ্যেই তাদের পণ্য পাবেন।

অর্ডার করার সময়ে চলমান সকল প্রোমো ও ডিসকাউন্ট প্রযোজ্য থাকবে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে প্রিয়শপ ‘নেক্সট ডে ডেলিভারি’ সুবিধা চালু করেছিল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আশিকুল আলম খাঁন বলেন, ‘গ্রাহকরা যেন সহজে ঘরে বসে পণ‍্য কিনতে পারেন সেই লক্ষ‍্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। ডেলিভারি সেবা উন্নয়নের জন‍্য পরিশ্রম চলছে দিনরাত। সেইম ডে ডেলিভারি সুবিধার কারণে, আমাদের গ্রাহকরা তাদের চাহিদার সব পণ্য হাতে পেয়ে যাবেন সাথে সাথেই।’

প্রিয়শপের এই ফেস্ট ক্যাম্পেইন চলবে ১৬-১৭ জুন পর্যন্ত।

ফেস্টে গ্যাজেট, গ্রোসারি, ফ‍্যাশন, মোবাইল, বাইকসহ হরেক রকমের পণ‍্য পাওয়া যাবে।

মূল্য পরিশোধ করা যাবে অনলাইনেও। নগদ, রবি এলিট, জিপি স্টার, সিটি ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও মাস্টারকার্ড হোল্ডারগণ পেমেন্টে পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এক্সট্রা ডিসকাউন্ট।

শেয়ার করুন

ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব

ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিল। কিন্তু আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্যই।’

আওয়ামী লীগ যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিল, তখন অনেকেই বাঁকা কথা বলতেন জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, এখন এই বাংলাদেশের সুফলই পাচ্ছে সবাই।

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলাদেশ সত্যিকারের ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। সরকার এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করতে সক্ষম। এ অগ্রযাত্রায় প্রমাণিত হয়েছে আমাদের জনগোষ্ঠী অত্যন্ত মেধাবী, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে কাজ করতে সক্ষম।’

২০০৮ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ তার ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন জনদুর্ভোগ হলেই ‘ডিজিটাল’ বলে বিদ্রুপ করত বিরোধী পক্ষ।

সেই কথার প্রতি ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিল। কিন্তু আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তব। যা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্যই।’

রোববার দ্য ইনস্টিটিউট অফ চাটার্ড অ্যাকাউন্টসের (আইসিএবি) ডেভেলমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টটেশন অফ অডিট প্র্যাকটিস সফটওয়্যারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘করোনার এই সময়ে আমাদের জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেড়েছে। শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ক্লাস করছে। যা একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন।’

দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘ডিজিটাল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে নিজের অস্তিত্বই টিকিয়ে রাখা যাবে না।’

প্রতিটি সূচকে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘হেনরি কিসিঞ্জার যে দেশটাকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল, সে দেশটা আজ বিশ্বে রোল মডেল।’

অনুষ্ঠানে আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিয়া হাওলাদার ডিজিটালাইজেশন অডিট প্র্যাকটিস ইন বাংলাদেশ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইতোমধ্যে ৬০-৭০টি সিএ ফার্মকে এ সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এ সফটওয়্যার ব্যবহারে নিখুঁতভাবে অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। এ সফটওয়্যার ব্যবহারে অনেক কম সময়ে কাজ করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, কাউন্সিল মেম্বার মোহাম্মদ ফারুকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

মহাকাশে বেজোসের সঙ্গী হতে খরচ ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মহাকাশে বেজোসের সঙ্গী হতে খরচ ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস।

নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। তবে মহাকাশে ভ্রমণের সঙ্গী হতে তাকে খরচ করতে হচ্ছে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিলামে বিজয়ী ওই ব্যক্তি এখন এই অর্থ তুলে দেবেন ব্লু অরিজিনের কাছে।

চাঁদে মানুষের পদার্পনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাকাশে ঘুরতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জেফ বেজোস।

নিজের মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের তৈরি রকেটে এই ভ্রমণের জন্য অনেক আগেই বেজোস ঘোষণা দেন তার সঙ্গী হিসেবে নেবেন ছোটভাই মার্ক জোসেফকে।

তিন সিটের সেই মহাকাশযানে আরেকটি সিটে একজন পর্যটক নেয়ার কথা জানান। সে জন্য ব্লু অরিজিন থেকে নিলামের মাধ্যমে একজনকে নির্বাচিত করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

অবশেষে এক মাসের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে গতকাল শনিবার সে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্মুক্ত সেই নিলামে বিজয়ী হয়ে একজন হচ্ছেন অ্যামাজন প্রধানের সফরসঙ্গী।

নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। তবে মহাকাশে ভ্রমণের সঙ্গী হতে তাকে খরচ করতে হচ্ছে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিলামে বিজয়ী ওই ব্যক্তি এখন এই অর্থ তুলে দেবেন ব্লু অরিজিনের কাছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নিলামে বিজয়ী ব্যক্তির নাম এখনও প্রকাশ করেনি ব্লু অরিজিন। আগামী সপ্তাহে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে তারা।

বেজোসের সঙ্গে মহাকাশ ভ্রমণে আগ্রহ দেখিয়েছে ১৪০টির বেশি দেশের মানুষ। নিলামে অংশ নিতে এর আগে ১৫৯টি দেশ থেকে ৭ হাজার ৬০০ মানুষ নিবন্ধন করেন।

নিলামটি পরিচালনা করেছে বোস্টনভিত্তিক আরআর অকশন নামের প্রতিষ্ঠান।

নিলামে প্রত্যাশা ছিল সর্বোচ্চ দাম উঠেতে পারে ৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে নিলামে প্রত্যাশার চেয়ে পাঁচগুণের বেশি খরচ করতে চেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

ব্লু অরিজিন এক টুইট করে জানিয়েছে, বিজয়ী নিলামকারী এই অর্থ ব্লু অরিজিন ফাউন্ডেশনে দান করবেন।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন, মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জেফ বেজসের সম্পদের পরিমাণ ১৮ হাজার ৬২০ কোটি ডলার।

চদ্রাভিযানের ৫০ বছর পূর্তি হবে ২০ জুলাই। সেদিনই মহাকাশে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ব্লু অরিজিন।

আগের সপ্তাহে বেজস এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, ‘২০ জুলাই আমার ভাইয়ের সঙ্গে এই যাত্রা শুরু করব। এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় আমার সঙ্গী হবে আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।

ব্লু অরিজিনের লক্ষ্য মানুষের জন্য মহাকাশ যাত্রা সহজ করে তোলা। এ জন্য মানুষকে মহাশূন্যের ১০০ কিলোমিটার ওপরে নিয়ে যাবে ব্লু অরিজিনের মহাকাশযান। আর এর খরচ সহনীয় করতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয়, তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়। 

১৯ শতকের শেষের দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টারমাইন্ড নিকোলা টেসলা প্রথম দেখান, যখন দুটি শক্তিশালী চৌম্বক একে অপরকে স্পর্শ করে তখন উৎস থেকে তাদের মধ্যে একটি শক্তি স্থানান্তর হয়।

টেসলারের সেই আবিষ্কার সে সময় খুব সাড়া ফেলে। তবে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হয় তার ১০০ বছর পর এসে। টেসলারের সূত্র ধরে এখন তৈরি হচ্ছে স্মার্টফোনের ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি।

তারের ঝামেলা এড়িয়ে ফোনটিকে চার্জ করতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এনেছে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তির ফোন। ওয়্যারেলেস চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও এটি কীভাবে কাজ করে সে প্রক্রিয়াটি আমরা জানি কি? না জানলে চলুন জেনে নিই।

বিদ্যুৎপ্রবাহের ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক বা চৌম্বক অপরিহার্য বস্তু। ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিককে তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। যখন ইলেকট্রিসিটি প্রবাহিত হয় তখন ইলেকট্রিক ম্যাগনেটিক অনূভূতি হয়।

ওয়্যারেলস চার্জিং প্রযুক্তির ফোনের হার্ডওয়্যারে একটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে; যা কপারের তৈরি। এটি থাকে ফোনটির পিছনের দিকে। একই ধরনের আরেকটি শক্তিশালী কয়েল থাকে ওয়্যারলেস চার্জারের ভেতরে। যেটি ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে প্লাগ দিয়ে সংযোগ ঘটানো হয়।

এবার সেই ইলেট্রিক সকেট থেকে কেব্‌লের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি চার্জারের কয়েলে আসে। চার্জারের কয়েলে তখন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক একটা অনূভূতি হতে থাকে। এখন স্মার্টফোনটি অর্থাৎ হার্ডওয়্যারের যে পাশে কয়েলটি থাকে, সেটি যখন চার্জারের সংস্পর্শে আসে তখন ফোনে চার্জ হতে শুরু করে।

ওয়্যারলেস চার্জিং যেভাবে কাজ করে

একটা নিরাপদ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এইভাবে একটি কয়েল থেকে আরেকটি কয়েলে ইলেকট্রিক শক্তি স্থানান্তর হয়। যেখানে স্মার্টফোন চার্জ হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনেকেই মনে করেন, তাহলে তো ওয়্যারলেস চার্জারের কাছাকাছি থাকলেও ফোনে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছে যাবে, আর চার্জ হবে! না, সে ক্ষেত্রে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ পৌঁছালেও যতক্ষণ দুটি কয়েল সংস্পর্শে না আসবে ততক্ষণ চার্জ শুরু হবে না।

কেব্‌ল দিয়ে চার্জ হতে যে পরিমাণ সময় প্রয়োজন হয়, ওয়্যারলেস চার্জারে তার অন্তত দ্বিগুণ সময় প্রয়োজন হয়। তাই প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও খরচ কমাতে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।

এমনকি ওয়্যারলেস বললেও কিন্তু এখানে কেব্‌লের প্রয়োজন হচ্ছে। চার্জার কিন্তু ইলেকট্রিসিটির সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে।

অনেকেই এই প্রক্রিয়ায় চার্জিংকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মানেন। কিন্তু সহজ কিছুর জন্য নতুন প্রযুক্তিতে কোনো না কোনো বিষয়ে তো ছাড় দিতেই হবে।

শেয়ার করুন