দেশে বছরে ১৩ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড ব্যবসা: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

দেশে বছরে ১৩ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড ব্যবসা: পলক

পলক বলেন, 'সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৩ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড বেইজড ব্যবসা হচ্ছে। আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে ক্লাউড বেইজড ব্যবসার পরিধি আরও ২০-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। গ্লোবাল ফ্রিল্যান্স মার্কেটে এটি প্রায় ১.৮ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড পরিষেবার সুযোগ আছে।’

দেশে বর্তমানে ১৩ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড ব্যবসা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানের তথ্য তুলে ধরে এই হিসাব দেন তিনি।

বাংলাদেশ হইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও কর্পোরেট প্রযুক্তি লিমিটেড যৌথভাবে বিনা মূল্যে মাইক্রোসফট ক্লাউড স্কিল প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার এ কথা জানান তিনি।

দেশে এই কার্যক্রমের আওতায় পাঁচ হাজার তরুণ-তরুণী ও আইটি প্রফেশনালদের মাইক্রোসফটের ক্লাউড স্কিলের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৩ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড বেইজড ব্যবসা হচ্ছে। আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে ক্লাউড বেইজড ব্যবসার পরিধি আরও ২০-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

‘গ্লোবাল ফ্রিল্যান্স মার্কেটে এটি প্রায় ১.৮ মিলিয়ন ডলারের ক্লাউড পরিষেবার সুযোগ আছে।’

তিনি বলেন, ‘যে সকল দেশীয় প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের ক্লাউড সল্যুশন ব্যবহার করছে, তারা চাকরির ক্ষেত্রে প্রফেশনাল ভেন্ডর সার্টিফিকেট ডিমান্ড করে। ক্লাউড বেইজড সার্ভিস খাতে দেশে প্রায় ১০ হাজার প্রফেশনাল কাজ করছেন এবং আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে এই খাতে আরও ১০ হাজার জন প্রফেশনাল এক্সপার্টের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

ভবিষ্যতে মাইক্রোসফটের পাশাপাশি গুগল, আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের জনশক্তি রপ্তানি করা যাবে বলেও জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়ন এবং তার বিকাশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কগুলোতে সৃষ্ট ও সম্ভাব্য কর্মসংস্থান বিবেচনায় প্রশিক্ষিত দক্ষ জনশক্তির জোগান নিশ্চিত করতে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা।

‘মাইক্রোসফট ক্লাউড স্কিল ট্রেনিংয়ের উদ্দেশ্য হলো, দেশের তরুণরা যেন এখন থেকেই নতুন নতুন টেকনোলজি নিয়ে কাজ করতে পারে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।’

মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফিফ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও কর্পোরেট প্রযুক্তি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ আয়োজনে মাইক্রোসফটের বিশেষায়িত প্ল্যাটফর্মগুলো সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের মাইক্রোসফট আজুরে, মাইক্রোসফট সার্ভার, মডার্ন ওয়ার্কপ্লেসের মতো বিশেষায়িত ডোমেইনগুলোতে দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’

প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণ অংশগ্রহণকারীদের মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে ১০০ ডলারের ক্লাউড ক্রেডিট এবং ভেন্ডর সার্টিফিকেট এক্সামে ২০ শতাংশ ওয়েভার দেয়ার কথা জানান তিনি।

কর্পোরেট প্রযুক্তি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী পরিচালক শফিকুল আহম্মেদ সাগর বলেন, ‘দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডেভেলপার রিলেশন মাইক্রোসফট এশিয়া প্যাসিফিকের ডিরেক্টর এনি ম্যাথিউ; বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক এ এন এম সফিকুল ইসলাম; আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মাসুদুল বারী, বেসিসের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলমাস কবীর প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মাউথওয়াশের দামে স্মার্টফোন

মাউথওয়াশের দামে স্মার্টফোন

ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন জানিয়েছে, লোকেশ মাউথওয়াশ অর্ডার করেছিলেন যা ভোগ্যপণ্যের আওতায় পড়ে। আর ভোগ্যপণ্য ফেরতযোগ্য নয়।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস অ্যামাজনে একটি মাউথওয়াশ অর্ডার করেছিলেন ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা লোকেশ দাগা। পণ্য হাতে পেয়ে তাতে মাউথওয়াশের বদলে স্মার্টফোন দেখে চমকে যান তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুলবশত এক ক্রেতার পণ্য অন্য ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিয়েছে অ্যামাজন। রেডমি নোট টেন স্মার্টফোনটি লোকেশ দাগার হাতে পৌঁছালেও পণ্যটির চালানপত্রে ক্রেতা হিসেবে ছিল অন্য একজনের নাম।

একটি ট্রাভেল লাগেজ কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা লোকেশ স্মার্টফোনটি আসল ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

অ্যামাজনকে ই-মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি জানালেও প্রতিষ্ঠানটির পণ্য ফেরত নীতিমালা বহির্ভূত বলে স্মার্টফোনটি ফেরত দেয়ার উপায় নেই।

ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন জানিয়েছে, লোকেশ মাউথওয়াশ অর্ডার করেছিলেন যা ভোগ্যপণ্যের আওতায় পড়ে। আর ভোগ্যপণ্য ফেরতযোগ্য নয়।

লোকেশ বিষয়টি নিয়ে টুইটারে লেখার পর ভাইরাল হয় সেটটি। দেখা দেয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

কেউ কেউ স্মার্টফোনটি নিজের কাছে রেখে দোকান থেকে মাউথওয়াশ কিনে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন লোকেশকে।

অনেকে আবার দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের জন্য সমালোচনা করেছেন অ্যামাজন ইন্ডিয়ার।

লোকেশের অর্ডার করা মাউথওয়াশটি স্মার্টফোনের মূল্য পরিশোধ করা ক্রেতার কাছে পৌঁছালে কী হবে, তা নিয়েও চিন্তিত অনেকে।

গত জুনে টুইটারে ভারতের জোশ সফটওয়্যারের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক গৌতম রেগে জানিয়েছিলেন, অ্যামাজনে ৩০০ রুপির একটি প্রসাধনী পণ্য অর্ডার করে ১৯ হাজার রুপির একটি বোজ হেডফোন পেয়েছিলেন তিনি।

হেডফোনটি ফেরত দিতে অ্যামাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেটি তাকে নিজের কাছেই রাখার পরামর্শ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

তিন বছরেই স্বাবলম্বী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

তিন বছরেই স্বাবলম্বী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

মহাকাশে পাঠানোর তিন বছর পরে এসে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের বার্ষিক আয় এক কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি।

বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিজের খরচে তো আমরা অবশ্যই চলি। বাৎসরিক আয়ের মাত্র এক শতাংশ লাগে এ কোম্পানি চালাতে। আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো নিয়মিত বিল শোধ করলে এ কোম্পানি চালানো কোনো ব্যাপারই না। নিজস্ব টাকাতেই চলতে পারব।’

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের তিন বছরেই নিজেদের অর্থে ব্যয় নির্বাহ শুরু করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল)। এরই মধ্যে মহাকাশে কোম্পানির দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ পাঠানো প্রস্তুতি নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সবচেয়ে বড় সফলতা ধরা হয় মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পাঠানো। তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ কেনাভেরালে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ করা হয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

উৎক্ষেপণের ছয় মাস পর স্যাটেলাইটের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বুঝে পায় বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণকারী ৫৭তম দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।

দেশের প্রথম কৃত্রিম এ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের চিন্তা শুরু হয় ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরপরই। এর নকশা তৈরির পরামর্শক নিয়োগ করা হয় ২০১২ সালে। নকশা প্রস্তুত হওয়ার পর প্রায় ১ হাজার ৬৫২ কোটি টাকায় ফ্রান্সের থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেসের কাছ থেকে কেনা হয় দেশের প্রথম স্যাটেলাইটটি।

বঙ্গবন্ধু-১ মূলত একটি যোগাযোগ স্যাটেলাইট। এটি দিয়ে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তাদের অনুষ্ঠান প্রচার করছে। পাশাপাশি ডিজিটাল নানা সেবা পৌঁছে যাচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও।

বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিজের খরচে তো আমরা অবশ্যই চলি। বাৎসরিক আয়ের মাত্র এক শতাংশ লাগে এ কোম্পানি চালাতে। আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো নিয়মিত বিল শোধ করলে এ কোম্পানি চালানো কোনো ব্যাপারই না। নিজস্ব টাকাতেই চলতে পারব।’

বিসিএসসিএল কর্মকর্তারা জানান, বছরে এই স্যাটেলাইট থেকে গড়ে এক কোটি ২০ লাখ টাকা করে আয় হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এ মোট ট্রান্সপন্ডার সংখ্যা ৪০। শুরুতে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, দেশের জন্য ২০টি রেখে বাকিগুলো বিদেশি গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হবে।

বিসিএসসিএল বলছে, উৎক্ষেপণের দুই বছরেও কোনো ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা যায়নি।

বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান শাহজাহান মাজমুদ বলেন, ‘যখন মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়, তখন পৃথিবীতে স্যাটেলাইটের সংখ্যা খুব বেশি ছিল না। স্যাটেলাইট ব্যান্ডইউথ বা ফ্রিকোয়েন্সির দামও ছিল অনেক বেশি।

‘কিন্তু দেখা গেল, এটা উঠতে উঠতে পৃথিবীর অনেক দেশ অনেক স্যাটেলাইট তুলে ফেলেছে। এতে স্যাটেলাইট ব্যান্ডউইডথের দাম অনেক কমে যায়। এ জন্য আমরা আগের পরিকল্পনা মতো বাইরে বিক্রি করতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে অফার আছে। ফিলিপিন, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল আমাদের অফার দিয়েছে। কিন্তু দাম অনেক কম। আমরা বলেছি, এ দামে আমরা বিক্রি করব না। এ জন্য আমরা বাইরে বিক্রি করিনি।’

টেলিভিশন সম্প্রচারের বাহিরেও বর্তমানে দেশের ৪০টি প্রত্যন্ত দ্বীপে টেলিমেডিসিন ও টেলি এডুকেশন সেবা দিচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন, যেমন দ্বীপ কিংবা রিমোট এলাকা বা পার্বত্য এলাকায়, যেখানে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল যায় না, সেখানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ আমরা পৌঁছে দিতে পারি। আমরা এরই মধ্যে মূল ভূখণ্ড থেকে অনেক দুরে অবস্থান করা ৪০টি দ্বীপে প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিচ্ছি।

‘ওই সমস্ত জায়গায় হয়তো ভালো চিকিৎসক পাওয়া যাবে না, সেখানে এখানকার চিকিৎসকদের দিয়ে টেলিমেডিসিন সেবা দেয়া হচ্ছে। আরেকটি হচ্ছে, টেলি এডুকেশন। সেখানে হয়তো ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা নেই, ভালো শিক্ষক নেই। কিন্তু এই পদ্ধতিতে আমরা এখানকার শিক্ষকদের দিয়ে সেখানে শিক্ষা পৌঁছে দিচ্ছি।’

আসছে বঙ্গবন্ধু-২

বঙ্গবন্ধু-১ এর সফলতার পর এবার দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিএসসিএল। এটির নাম ঠিক করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই মহাকাশে পাঠানো হবে এ স্যাটেলাইট। সে হিসেবে ২০২৩ সালে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ করবে সরকার।

বঙ্গবন্ধু-১ একটি জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট, যা কাজে লাগছে যোগাযোগের জন্য। আবহাওয়া, সামরিক বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত সুবিধা এতে মিলছে না। সেই ঘাটতি পূরণেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা মনে করি, যদি জুন মাসে অর্ডার দিতে পারি, তাহলে দেড় বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে বা প্রথম কোয়ার্টারে আমরা স্যাটেলাইট পাঠাতে পারব।

‘দ্বিতীয় স্যাটেলাইটটির কার্যপরিধি বিস্তৃত থাকবে। এটি অনেকটা হাইব্রিড স্যাটেলাইট হতে পারে। স্যাটেলাইটটিকে আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

বিটকয়েনে গাড়ি বেচবে না টেসলা

বিটকয়েনে গাড়ি বেচবে না টেসলা

টেসলাপ্রধান ইলন মাস্কের এক টুইটে কমে গেছে বিটকয়েনের মূল্য। বুধবার প্রতি বিটকয়েনের মূল্য ছিল ৫২ হাজার ৫১০ ডলার, যা বৃহস্পতিবার কমে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ডলারে।

পরিবেশের কথা চিন্তা করে ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা তাদের বিক্রিত পণ্যে বিটকয়েনে মূল্য নেবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।

এক টুইটে তিনি বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে বিটকয়েনের দাম কমে গেছে ১০ শতাংশ।

বুধবার প্রতি বিটকয়েনের মূল্য ছিল ৫২ হাজার ৫১০ ডলার, যা বৃহস্পতিবার কমে দাঁড়ায় ৫০ হাজার ডলারে।

টেসলা গত মার্চে ঘোষণা দেয়, গড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণ করবে।

ফেব্রুয়ারিতে টেসলা জানায়, তারা ১৫০ কোটি ডলারের ডিজিটাল মুদ্রা কিনেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার টেসলা তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসে।

মাস্ক লেখেন, ‘বিটকয়েন মাইনিংয়ের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধিতে তারা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে কয়লার ব্যবহারে। এটি জ্বালানি হিসেবে সবচেয়ে নিকৃষ্ট।’

‘ক্রিপ্টোকারেন্সি খুব ভালো ধারণা। কিন্তু এটি পরিবেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।’

এরপরই টেসলা জানায়, তারা আর বিটকয়েনে কোনোকিছু বিক্রিও করবে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টেসলার এ উদ্যোগ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে চাইছে।

বর্মন ইনভেস্টরের জুলিয়ান লি বিবিসিকে বলেন, এখন বিনিয়োগকারীদের কাছে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশ, সমাজ ও করপোরেট গভর্ন্যান্স। টেসলা অনেক আগে থেকেই ‘ক্লিন এনার্জি’ নিয়ে সেদিকে লক্ষ রেখে কাজ করছে।

অবশ্য তিনি এটাও মনে করাতে ভুলছেন না যে, ইলন মাস্ক বিভিন্ন সময় ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। এমন ঘোষণা তারও একটা কারণ হতে পারে।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের আয়ের হিসাব এপ্রিলে প্রকাশ করেছে টেসলা। এই তিন মাসে টেসলা ৪৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বেশি। আয় বাড়ার অন্যতম কারণ ছিল বিটকয়েন গ্রহণ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

৫০ হাজার টাকার ভাউচারে ১ লাখ টাকার পণ্য

৫০ হাজার টাকার ভাউচারে ১ লাখ টাকার পণ্য

ডাবল টাকা ভাউচার অফার দিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিং ডটকম।

ভাউচার দিয়ে কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা পণ্য অর্ডার (বাইক ও স্মার্টফোন ছাড়া) করার ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ঢাকার ভেতর ও ২০ কর্মদিবসের মধ্যে ঢাকার বাইরের ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ডাবল টাকা ভাউচার অফার দিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিং ডটকম। এই অফারে ৫০ হাজার টাকার ভাউচার কিনলে ‘এক লাখ’ টাকার পণ্য কেনাকাটা করা যাবে।

ধামাকাশপিং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অফারে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার ভাউচার কেনার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। ডাবল টাকা ভাউচার কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহককে অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

এটা করতে হবে নতুন করে, আগের ধামাকা রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ডিসকাউন্ট থেকে ভাউচার কেনা যাবে না। ডাবল টাকা ভাউচার কেনা যাবে ৩১ মে পর্যন্ত।

ধামাকাশপিং জানিয়েছে, ভাউচার কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন যেকোনো পেমেন্ট মেথডে। ভাউচারের মূল্য পরিশোধের ১৫ কর্মদিবস পর পেমেন্ট করা টাকার দ্বিগুণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। সেই অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স বা রিওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে পণ্য অর্ডার করা যাবে। সে ক্ষেত্রে নতুন পেমেন্টের প্রয়োজন হবে না।

ভাউচার দিয়ে কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা পণ্য অর্ডার (বাইক ও স্মার্টফোন ছাড়া) করার ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ঢাকার ভেতর ও ২০ কর্মদিবসের মধ্যে ঢাকার বাইরের ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাবে।

কেনাকাটার আগে নির্দিষ্ট সময় পর ভাউচারের ডাবল টাকা রিওয়ার্ড পয়েন্ট হিসেবে ক্রেতাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। সেখান থেকে পণ্য কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।

ভাউচারের ডাবল টাকা দিয়ে কেনার ক্ষেত্রে যদি অর্ডার ভ্যালু কম হয় তাহলে পরবর্তী ক্রয়ে অবশিষ্ট ব্যালান্স ব্যবহার করা যাবে। আর অর্ডার ভ্যালু বেশি হলে বাড়তি অ্যামাউন্ট পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

ডাবল টাকা ভাউচারের অর্ডার করা পণ্য সরাসরি ধামাকা ওয়্যারহাউজ থেকে ডেলিভারি করা হবে। একটি আইডি থেকে যত খুশি তত অর্ডার করা যাবে।

তবে ডাবল টাকা ভাউচার পেমেন্ট রিফান্ডেবল নয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শর্ত হিসেবে ডাবল টাকা ভাউচার দিয়ে পেমেন্ট করা বাইক ও মোবাইল ডেলিভারি টাইমলাইন ঢাকা মেট্রোসিটির মধ্যে ২৫ কর্মদিবস ও ঢাকার বাহিরে ৩০ কর্মদিবস।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ডাবল টাকা ভাউচার কোনো ডিসকাউন্ট ক্যাম্পেইনে প্রযোজ্য হবে না।

অফার সম্পর্কে ধামাকাশপিং ডটকমের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সিরাজুল ইসলাম রানা বলেন, গ্রাহকদের নিত্যনতুন অফারের মাধ্যমে ই-কমার্সে কেনাকাটা করতে উদ্বুদ্ধ করতে তারা এমন অফার এনেছেন। ই-কমার্সে মানুষের কেনাকাটায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে নানা সময়ে উদ্ভাবনী সব ক্যাম্পেইন আনা।

গ্রাহকদের নতুন কিছু দেয়ার প্রত্যয়েই ভাউচার অফারটি আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ

রিয়েলমি সি২০এ ফোন কিনে ফ্রিজ জেতার সুযোগ

ইভ্যালিতে বিক্রি শুরু হয়েছে রিয়েলমির নতুন হ্যান্ডসেট সি২০এ

রিয়েলমি সি২০এ এন্ট্রি-লেভেলের ফোনটি ২+৩২ জিবি মেমোরি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে আয়রন গ্রে ও লেক ব্লু দুটি রঙে। ফোনটির দাম ৮ হাজার ৯৯০ টাকায়।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি ঈদের আগে দেশের বাজারে এনেছে এন্ট্রি লেভেলে নতুন হ্যান্ডসেট রিয়েলমি সি২০এ।

শনিবার থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিতে বিক্রি শুরু হয়েছে ফোনটি। ঈদের আগে রিয়েলমি সি২০এ কিনে ফ্রিজ, টিভিসহ আরও পুরস্কার জেতার সুযোগ থাকছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রিয়েলমি।

রিয়েলমি সি২০এ হ্যান্ডসেটে আছে ৬.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে; ডিসপ্লের রেশিও ২০:৯। ফোনটিতে দেয়া হয়েছে হেলিও জি৩৫ অক্টা-কোর গেমিং প্রসেসর।

অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১০ ভিত্তিক রিয়েলমি ইউআই, আছে আইকন কাস্টমাইজ করার অপশন।

রিয়েলমি সি২০এ এন্ট্রি-লেভেলের স্মার্টফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা। পাওয়ার সেভিং মোড চালু থাকায় ফোনটি ৪৩ দিন স্ট্যান্ডবাই থাকবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্মার্টফোনটিতে ৮ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর ও এফ/২.০ অ্যাপারচারের প্রাইমারি ক্যামেরা রয়েছে। এতে ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও রেকর্ড করা যায়।

এ ছাড়া রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিলেক্টেড স্ক্রিনশট, ডুয়াল-মোড মিউজিক শেয়ার, ডার্ক মোড, ফোকাস মোড, পানি-নিরোধী ফিচার।

রিয়েলমি সি২০এ এন্ট্রি-লেভেলের ফোনটি ২+৩২ জিবি মেমোরি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে আয়রন গ্রে ও লেক ব্লু দুটি রঙে। ফোনটির দাম ৮ হাজার ৯৯০ টাকায়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

মালদ্বীপের কাছে মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চীনা রকেট

মালদ্বীপের কাছে মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চীনা রকেট

মালদ্বীপের কাছে ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়েছে চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় হাইনান প্রদেশের ওয়েনশ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে গত ২৯ এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ১০০ ফুট লম্বা ও ১৬ ফুট চওড়া লং মার্চ-ফাইভবি রকেটটি।

নিয়ন্ত্রণ হারানো ২১ টন ওজনের চীনা রকেট ‘লং মার্চ ফাইভবি’ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর মালদ্বীপের কাছে ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়েছে ।

বেইজিংয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চায়না ম্যানড স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস জানিয়েছে, বেইজিং সময় রোববার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে রকেটটি।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংস্থাটির অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি পোস্টে বলা হয়, দ্রাঘিমারেখার পূর্বে ২৮ দশমিক ৩৮ ডিগ্রি ‌ও অক্ষাংশের ৩৪ দশমিক ৪৩ ডিগ্রি উত্তর কৌণিক অবস্থান থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে যাচ্ছে রকেটটির ধ্বংসাবশেষ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমধ্যসাগরের কোথাও পড়ার কথা ছিল রকেটটির।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় হাইনান প্রদেশের ওয়েনশ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে গত ২৯ এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ১০০ ফুট লম্বা ও ১৬ ফুট চওড়া লং মার্চ-ফাইভবি রকেটটি।

ওয়েনশ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে গত ২৯ এপ্রিল লং মার্চ-ফাইভবি রকেটের উৎক্ষেপণ দেখছেন উৎসাহী চীনারা। ছবি: এএফপি

২০২২ সালের মধ্যে মহাকাশে চীনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টেশন চালুর লক্ষ্যে গত ২৯ এপ্রিল রকেটটির মাধ্যমে তিয়ানহে মডিউল পাঠায় বেইজিং, যাতে নভোচারীদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। বেইজিংয়ের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচির সবশেষ অগ্রগতি এটি।

চলতি বছরের মধ্যেই আরও অনেক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এ ধরনের কমপক্ষে ১০টি মডিউল কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনা আছে বেইজিংয়ের।

বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একমাত্র মহাকাশ স্টেশন আইএসএসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, কানাডা, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এতে অংশ নিতে দেয়া হয়নি চীনকে।

২০২৪ সালেই মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে আইএসএসের। ধারণা করা হচ্ছে, এরপর পৃথিবীর কক্ষপথে একমাত্র মহাকাশ স্টেশনটি হবে চীনের।

আকারে চীনেরটি আইএসএসের চার ভাগের এক ভাগ। কিন্তু এতে মহাকাশ গবেষণাগারের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে পূর্ব এশিয়ার দেশটির।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন

বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি

বাজেট সেগমেন্টের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা আনল শাওমি

দেশে শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা সংস্করণ

ফোনটি দেশে তিনটি কালার ভ্যারিয়েন্ট স্পোর্টি অরেঞ্জ, কার্বন ব্ল্যাক ও স্কাই ব্লুতে শীঘ্রই পাওয়া যাবে দেশের অথোরাইজড মি স্টোর, পার্টনার স্টোর এবং রিটেইল চ্যানেলে। ফোনটির ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি রম ভ্যারিয়েন্টের দাম ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

বাংলাদেশের বাজারে সর্বোচ্চ বিক্রি হওয়া সিরিজ লাইন-আপের রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা সংস্করণের স্মার্টফোন উন্মোচন ঘোষণা দিয়েছে শাওমি।

প্রতিষ্ঠানটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সবার জন্য উদ্ভাবন আনার যে মিশন, তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম ফিচারে এনেছে ডিভাইসটি।

রেডমি ডুয়েল ক্যামেরা সংস্করণের ডিভাইসটি অঁরা আইকনিক ডিজাইনে আনা হয়েছে। ফোনটিতে আছে ৬.৫৩ ইঞ্চির আইপিএস এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। ডিসপ্লেতে থাকছে টিইউভি রাইনল্যান্ড ব্লু-লাইট সার্টিফিকেশন। নিরাপত্তার জন্য আছে ফেস আনলক।

আগেরগুলেোর মতো এই ফোনেও আছে ডুয়েল সিম কার্ড, ডেডিকেটেড মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট ও ৩.৫ এমএম হেডফোন জ্যাক।

রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা সংস্করণে আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা; একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর ও এলইডি ফ্ল্যাশ।

স্মার্টফোনটিতে আছে ক্যালিডস্কোপ, ডকুমেন্টস স্ক্যানার ও প্লাম শাটার ফিচার। সামনে রয়েছে সেলফি তোলার জন্য ৫ মেগাপিক্সেলের এআই ক্যামেরা।

ফোনটিতে দেয়া হয়েছে মিডিয়াটেকের হেলিও জি৩৫ অক্টা-কোরের ২.৩ গিগাহার্জের গেইমিং চিপসেট। ডিভাইসটিতে ৫০০০ এমএএইচের উচ্চ ক্ষমতার ব্যাটারি দেয়া হয়েছে যা একই ক্যাটাগরির অন্য ফোনের চেয়ে ২৫ শতাংশ দীর্ঘস্থায়ী।

অন্য সংস্করণের মতো রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরায় আছে পি২আই পানিনিরোধী ফিচার, স্প্ল্যাশ থেকে রক্ষায় কর্টিং প্রটেকশন।

রেডমি ৯ ডুয়েল ক্যামেরা সংস্করণটিতে আগে থেকেই একটি স্ক্রিন প্রটেক্টর দেয়া আছে।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রেডমি পণ্যে আমাদের লক্ষ্য সর্বশেষ স্মার্টফোন প্রযুক্তি উদ্ভাবন যুক্ত করা ও সেটি গ্রাহকদের জন্য নিয়ে আসা। রেডমি ফোনের জনপ্রিয়তা তারই প্রমাণ।

‘ফোনটি সুলভ মূল্যে প্রিমিয়াম ডিজাইনের সঙ্গে সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, যা গ্রাহকদের দেবে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।’

ফোনটি দেশে তিনটি কালার ভ্যারিয়েন্ট স্পোর্টি অরেঞ্জ, কার্বন ব্ল্যাক ও স্কাই ব্লুতে শীঘ্রই পাওয়া যাবে দেশের অথোরাইজড মি স্টোর, পার্টনার স্টোর এবং রিটেইল চ্যানেলে।

ফোনটির ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি রম ভ্যারিয়েন্টের দাম ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক
‘৬৪ জেলায় হবে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার’
আর্থিক লেনদেনে খরচ-হয়রানি কমাতে আসছে আইডিটিপি প্লাটফর্ম: পলক

শেয়ার করুন