এ বছরই সবার জন্য ইন্টারনেট: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

এ বছরই সবার জন্য ইন্টারনেট: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

২০০৮ সালে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে কাজ করত ৫০ হাজার মানুষ। এখন তা পৌঁছেছে ১৫ লাখে। এক যুগ আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫৬ লাখের মতো। আর এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি। ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে এ সময়ের মধ্যে তৈরি হয়েছে ৫১ হাজারের বেশি সরকারি ওয়েবসাইট। ২০০৮ সালে যার সংখ্যা ছিল ৫০টিরও কম।

ফাঁকা মঞ্চ। সামনেই বসে আছেন অতিথিরা। হঠাৎ সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেখানে হাজির হলো এক মানবীয় রোবট। রিনরিনে কণ্ঠে সে মঞ্চে ডেকে নিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে।

শনিবার আগারগাঁওয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগপূর্তি উপলক্ষ্যে আইসিটি বিভাগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের শুরুটা ছিল এমনই চমক জাগানিয়া।

মঞ্চে উঠার পর প্রতিমন্ত্রী জানালেন, এই রোবটের নাম মাঈশা। তৈরি করেছেন এ দেশের উদ্ভাবকেরা; পুরোপুরি দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

এর ভেতর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী যেন গত এক যুগে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির আভাস দিতে চাইলেন।

এর পর প্রতিমন্ত্রী পলকের বক্তব্যে উঠে এলো ২০০৮ সাল ও ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের তুলনামূলক চিত্র।

তিনি জানালেন, ২০০৮ সালে এই খাতে কাজ করত ৫০ হাজার মানুষ। এখন তা পৌঁছেছে ১৫ লাখে। এক যুগ আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫৬ লাখের মতো। আর এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি। ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে এ সময়ের মধ্যে তৈরি হয়েছে ৫১ হাজারের বেশি সরকারি ওয়েবসাইট। ২০০৮ সালে যার সংখ্যা ছিল ৫০টিরও কম।

আর ২০০৮ সালের ২৬ মিলিয়ন ডলারের আইসিটি শিল্প এখন উন্নীত হয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলারে।

Palakrobat

জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ৯০ শতাংশ সরকারি সেবা ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে আইসিটি খাতে আরও অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এ ছাড়া চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও করোনাকালীন পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য প্রতিটি খাতের সঙ্গে আইসিটিকে সম্পৃক্ত করার তাগিদ দেন তিনি।

এ জন্য অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আলোকে নেয়া কিছু উদ্যোগের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এগুলো হলো মানসম্মত শিক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ সৃষ্টি, তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইসিটি অবকাঠামো তৈরি, বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি, তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ব্র্যান্ডিং ও গ্রামীণ অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পরিষেবা।

এই পরিকল্পনা সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি বিভাগের নেয়া ১২টি উদ্যোগের কথা জানান তিনি। এগুলো হলো সেন্টার অব এক্সিলেন্স, অ্যাজেন্সি টু ইনোভেট, স্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেকটিভিটি, শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, ডিজিটাল লিডারশিপ অ্যাকাডেমি, এনহান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি প্রজেক্ট, ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজাকশন প্ল্যাটফর্ম, সাইবার সিকিউরিটি হেল্প ডেস্ক, ওপেন ডেটা অ্যানালিটিক্স প্লাটফর্ম (জনতার সরকার), ভার্চুয়াল কোর্ট, ন্যাশনাল ডিজিটাল হেলথ ও ন্যাশনাল ডিজিটাল লাইব্রেরি স্থাপন।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, গত ১২ বছরে দেশে একটি শক্তশালী আইসিটি ব্যাকবোন তৈরি হয়েছে। যা গ্রাম এলাকা পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। দেশের ৩ হাজার ৮০০ ইউনিয়ন এখন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটিভিটির আওতায়।

তার মতে, বিস্তৃত এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণেই করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অফিস-আদালত, চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষাসহ সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে। যে কারণে বাংলাদেশে বৈশ্বিক এই মহামারীর অভিঘাত তুলনামূলক কম।

এ ছাড়া এই খাতের জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী নানা কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, এই খাতকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য সারা দেশে মোট ৩৯টি হাইটেক ও আইটি পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। যার মধ্যে পাঁচটি নির্মাণ শেষ হয়েছে। সেখানে কার্যক্রম শুরু করেছে বিভিন্ন ব্যবসায়িকপ্রতিষ্ঠান।

এদিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর জোর দিয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এর মধ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্লকচেইন, রোবটিকস, এআই, এআর, ভিআর ও ক্লাউড কম্পিউটিংসহ থ্রিডি প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ শুরু করেছে সরকার।

তিনি আশা করেন, এমন নানাবিধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের সংখ্যা চলতি বছরেই ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখে পৌঁছাবে।

সংবাদ সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে গণমাধ্যমকর্মীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন প্রতিমন্ত্রী পলকসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে।

এলআইসিটি প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদের সঞ্চালনায় এই পর্বে কথা বলেন আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলমসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্বাধীনতার মাসে ফোন কিনলে উপহার দেবে মটোরোলা

স্বাধীনতার মাসে ফোন কিনলে উপহার দেবে মটোরোলা

ক্যাম্পেইন চলাকালে মটো ই৭ প্লাস, মটো জি৯ প্লে ও মটো জি৯ প্লাস  কিনলে গ্রাহকরা নিশ্চিতভাবে মটোরোলার লাইফস্টাইল পণ্যের যে কোনো একটি উপহার পাবেন।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড মটোরোলা স্বাধীনতার মাসে ‘হ্যালো স্বাধীনতা’ ক্যাম্পেইন চালু করেছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পুরো মার্চ মাসে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় বিভিন্ন অফার উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।

ক্রেতারা অফলাইন শপ বা অনলাইন চ্যানেল থেকে মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন কিনলে এই অফার পাবেন।

ক্যাম্পেইন চলাকালে মটো ই৭ প্লাস, মটো জি৯ প্লে ও মটো জি৯ প্লাস কিনলে গ্রাহকরা নিশ্চিতভাবে মটোরোলার লাইফস্টাইল পণ্যের যে কোনো একটি উপহার পাবেন।

এ ছাড়া প্রতিদিন একজন বিজয়ী পাবেন সেলেক্সট্রা শপের পক্ষ থেকে ৩ হাজার টাকার গিফট ভাউচার।

‘হ্যালো স্বাধীনতা’ ক্যাম্পেইনটি চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। ক্রেতারা একটি এসএমএস করেই অংশ নিতে পারবেন এতে।

ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন কেনার পর একটি এসএমএস পাঠিয়ে ক্রেতাকে ই-ওয়ারেন্টি চালু করতে হবে। এসএমএস পাঠাতে মোটো লিখে স্পেস দিয়ে আইএমইআই নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রিটেইল কোড লিখে পাঠাতে হবে ১৬২৪২ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে ক্রেতা পাবেন ১৩ মাসের ই-ওয়ারেন্টি।

দেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার সেলেক্সট্রা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব আরাফাত বলেন, ‘মহান স্বাধীনতার মাসে আমরা স্মার্টফোনপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এসেছি হ্যালো স্বাধীনতা অফার। ক্রেতারা প্রতিটি কেনাকাটার বিপরীতে যে নিশ্চিত উপহার পাবেন তা সত্যিই আকর্ষণীয়।’

মটোরোলা ফোন পাওয়া যাবে সেলেক্সট্রা শপ, দারাজ, রবিশপ, পিকাবো ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার এবং দেশের সব স্মার্টফোন মার্কেট, মোবাইল ফোন শপে।

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠানে চীনের সাইবার হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠানে চীনের সাইবার হামলা

সাইবার হামলায় জড়িত চীনভিত্তিক ক্যাম্পেইনটি সম্প্রতি মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সফটওয়্যারে শনাক্ত হয়েছে। অত্যন্ত সুকৌশলে তারা ইমেইল চুরি করে নেয়ার পাশাপাশি কোনো উপায়ে কম্পিউটার সার্ভারে ঢুকে যায় এবং দূর থেকে সার্ভারটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

স্থানীয় সরকার, ব্যবসায়ীদের সার্ভারসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালিয়েছে চীনের একটি সাইবার হামলাকারী গ্রুপ।

একটি কম্পিউটার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের বরাতে শনিবার এ সংবাদ প্রকাশ করেছে আল জাজিরা

সাইবার হামলায় জড়িত চীনভিত্তিক ক্যাম্পেইনটি সম্প্রতি মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সফটওয়্যারে শনাক্ত হয়েছে। অত্যন্ত সুকৌশলে তারা ইমেইল চুরি করে নেয়ার পাশাপাশি কোনো উপায়ে কম্পিউটার সার্ভারে ঢুকে যায় এবং দূর থেকে সার্ভারটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার বিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিক ব্রায়ান ক্রেবস তার সাইবার সিকিউরিটি নিউজ ওয়েবসাইটে এক পোস্টে এসব তথ্য জানান।

এ বিষয়ে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেনিফার পিসাকি বলেন, ‘এটা একটি সক্রিয় হুমকি। সার্ভারগুলো ঠিক করতে এগুলোর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা প্রত্যেককে এখনই কাজ করা দরকার। আমরা উদ্বিগ্ন যে, অনেকেই এই হামলার শিকার হয়েছে।’

দুর্বল প্রকৃতির সার্ভারগুলোর নিরাপত্তায় মাইক্রোসফট কিছু সমাধান দিয়েছে। কিন্তু এতে হ্যাকারদের হাতে তথ্যাদি বেহাত হওয়া থামেনি। বরং আরও বেড়েছে।

এর কোনো সমাধান পাওয়া গেছে কি না এ ব্যাপারে সার্ভারগুলোতে কোনো আপডেট নেই বলে বিষয়টি অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন ক্রেবস।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসা বাণিজ্য, টাউন, সিটি ও স্থানীয় সরকারের সার্ভারসহ গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অন্তত ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠান চীনের অস্বাভাবিক আক্রমণাত্মক একটি সাইবার হামলাকারী দল কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে। তারা ওই সব প্রতিষ্ঠান থেকে ইমেইল চুরি করে নিয়ে যায়।’

সাইবার বিষয়ে পারদর্শী ক্রেবস জানান, চীনের এসব হ্যাকার পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড সফটওয়্যার টুল ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার কম্পিউটার সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

গত সপ্তাহে মাইক্রোসফট জানিয়েছিল, তাদের ইমেইল সার্ভিসে চীনের রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট একটি হ্যাকিং গ্রুপের সন্ধান পাওয়া গেছে, যাদের চেষ্টা থাকে ব্যবসায়ীদের ডাটা চুরি করা।

মাইক্রোসফট বলছে, হ্যাকিং গ্রুপটির নাম ‘হাফনিয়াম’, গ্রুপটি হ্যাকিংয়ে খুবই দক্ষ ও খুবই বুদ্ধি সম্পন্ন।

হাফনিয়াম এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান টার্গেট করে হামলা চালিয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল দেশটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, কিছু ল ফার্ম, প্রতিরক্ষা সরঞ্জামাদি বিষয়ক ঠিকাদার, থিংক-ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান ও এনজিও।

শেয়ার করুন

নতুন সংস্করণে এলো টেকনো স্পার্ক সিক্স গো

নতুন সংস্করণে এলো টেকনো স্পার্ক সিক্স গো

ফোনটি এখন ৩ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি এবং ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি রম সংস্করণে আসছে। ফোনগুলোর দাম যথাক্রমে ৯ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ১০ হাজার ৯৯০ টাকা।

মোবাইল ব্র্যান্ড টেকনো বাজারে এনেছে স্পার্ক সিক্স গো ফোনের নতুন সংস্করণ।

‘সুপার ব্যাটারি বিগ ভেল্যু’ স্লোগানে নিয়ে আসা ফোনটিতে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। এতে পাওয়া যাবে ৪০ ঘণ্টার স্ট্যান্ডবাই।

৬ দশমিক ৫২ ইঞ্চির ডটনচ ডিসপ্লে, ডিসপ্লের রেশিও ২০:৯ এবং রেজুলেশন ৭২০*১৬০০ পিক্সেল। পেছনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা। সঙ্গে থাকছে আপগ্রেডেড এআই এলগরিদম। এতে বোকেহ, এআই বিউটি, এএসডি, এইচডিআরের মতো সব ফিচার পাওয়া যাবে।

ট্রানশান বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক জানান, টেকনো গ্রাহকদের জন্য সব সময় সাধ্যের মধ্যে সেরা মানের ফোন বাজারে নিয়ে আসতে সচেষ্ট আছে। স্পার্ক সিক্স গো গ্রাহকদের আশা পূরণ করতে পারবে। তারা সামনে মিড রেঞ্জের ফোনের পাশাপাশি উন্নতমানের ফ্লাগশিপ ফোন নিয়ে আসতে কাজ করছেন বলেও জানান।

ফোনটি এখন ৩ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি এবং ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি রম সংস্করণে আসছে। ফোনগুলোর দাম যথাক্রমে ৯ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ১০ হাজার ৯৯০ টাকা।

শেয়ার করুন

নতুন ফোন গ্যালাক্সি এম০২এস, ছাড়ে বিক্রি দারাজে

নতুন ফোন গ্যালাক্সি এম০২এস, ছাড়ে বিক্রি দারাজে

দেশে বিক্রি শুরু হয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এম০২এস।

দেশের বাজারে ১২ হাজার ৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। সঙ্গে মূল্যছাড় আর ইএমআই সুবিধাও পাবেন গ্রাহকরা।  

স্বল্প বাজেটের স্মার্টফোন ক্রেতাদের জন্য নতুন ফোন এনেছে স্যামসাং। গ্যালাক্সি এম০২এস মডেলের ডিভাইসটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজে পাওয়া যাচ্ছে।

গ্যালাক্সি এম০২এস ফোনটিতে আছে ৬.৫ ইঞ্চির এইচডিপ্লাস ইনফিনিটি-ভি ডিসপ্লে। ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি, ডলবি অ্যাটমস সাউন্ড সিস্টেম।

ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। এর প্রাইমারি সেন্সর ১৩ মেগাপিক্সেলের আর প্রতিটি ম্যাক্রো ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেলের। সেলফির জন্য সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ডিভাইসটিতে রয়েছে ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এম০২এস ফোনে আছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৪৫০, অক্টা-কোর ১.৮ গিগাহার্টজ প্রসেসর। রয়েছে অ্যাড্রেনো ৫০৬ গ্রাফিক্স প্রসেসিং।

গ্রাহকরা দারাজ বাংলাদেশ থেকে ৫০০ টাকা ছাড়ে গ্যালাক্সি এম০২এস কিনতে পারবেন। থাকছে ১২ মাস পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা।

স্যামসাং বাংলাদেশের হেড অব মোবাইল মূয়ীদুর রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারি বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির, বিশেষ করে স্মার্টফোনের ব্যবহার আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তাই, যারা ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণ করতে আগ্রহী সেসব গ্রাহকের জন্য এই দুর্দান্ত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ডিভাইসটি আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’

দেশের বাজারে ১২ হাজার ৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। সঙ্গে মূল্যছাড় আর ইএমআই সুবিধাও পাবেন গ্রাহকরা।

শেয়ার করুন

বিডিঅ্যাপসকে জাতীয় অ্যাপ স্টোর ঘোষণা

বিডিঅ্যাপসকে জাতীয় অ্যাপ স্টোর ঘোষণা

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগ ও মোবাইল অপারেটর রবির মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

বিডিঅ্যাপসের ওয়েবসাইটে বর্তমানে ১২ হাজারের বেশি ডেভেলপারের পাশাপাশি ২৩ হাজারের বেশি অ্যাপ রয়েছে। যার মধ্যে ২০ শতাংশই নারী ডেভেলপার। বিডিঅ্যাপসে একজন ডেভেলপার প্রতি মাসে সর্বাধিক ২ লাখ টাকা উপার্জন করছেন এবং ৩০০-এরও বেশি ডেভেলপার মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন।

দেশের বৃহত্তম মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম বিডিঅ্যাপসকে জাতীয় অ্যাপ স্টোর ষোষণা দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগ ও মোবাইল অপারেটর রবির মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এখন থেকে শুধু রবি নয়, যেকোনো মোবাইল ফোন অপারেটর অথবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ডেভেলপাররাও এই প্ল্যাটফর্মটিতে তাদের অ্যাপ জমা দিতে পারবে। এ ছাড়া ডেভেলপারদের আয়কর মওকুফ ও অ্যাপের ওপর ভ্যাট বিলুপ্ত নিয়ে আইসিটি ডিভিশন কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উদ্ভাবনী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করতে সরকারের আইসিটি বিভাগের সাথে কাজ করবে টেলিকম অপারেটর রবি।

বিডিঅ্যাপসে স্থানীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপাররা তাদের তৈরি অ্যাপ হোস্ট করে তা বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।

পাঁচ বছরের জন্য ওই চুক্তিতে সই করেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ এবং রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমাদের সব উদ্যোগ ও প্রকল্পের মূল ফোকাস- যুবসমাজ, আইসিটি এবং কর্মসংস্থান। এই চুক্তির মাধ্যমে ডেভেলপাররা আইসিটি বিভাগের বর্তমান প্রশিক্ষণসুবিধা পাবেন, বিডিঅ্যাপসের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন। সরকার বিডিঅ্যাপসের সঙ্গে এক হয়ে দেশের গতিশীল যুবসমাজকে ডিজিটাল উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করাবে।’

বিডিঅ্যাপসের আসাধারণ অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অ্যাপ ডেভেলপার হিসাবে ক্যারিয়ার নির্বাচনে সারা দেশের তরুণ ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে বিডিঅ্যাপস।’

এতে উদ্ভাবনী অনেক উদ্যোগ যুক্ত হবে বলেও প্রত্যাশার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই চুক্তির ফলে বিডিঅ্যাপস অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারদের জন্য আইসিটি বিভাগের হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের উন্নয়নে তরুণদের উল্লেখযোগ্য অবদান আরও বিস্তৃত হবে।’

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় জানানো হয়, প্রযুক্তি-বান্ধব তরুণ উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে ওঠার জন্য সরকারের আইসিটি বিভাগের ইনকিউবেশন লোকেশনের সঠিক ব্যবহার এবং ডিজিটাল শিক্ষার বিস্তারেও সহযোগিতা করবে রবি। যাতে করে তরুণরা আইসিটি বিভাগের সহজলভ্য ডিজিটাল অবকাঠামোর ব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারে।

বিডিঅ্যাপসের ওয়েবসাইটে বর্তমানে ১২ হাজারের বেশি ডেভেলপারের পাশাপাশি ২৩ হাজারের বেশি অ্যাপ রয়েছে। যার মধ্যে ২০ শতাংশই নারী ডেভেলপার। বিডিঅ্যাপসে একজন ডেভেলপার প্রতি মাসে সর্বাধিক ২ লাখ টাকা উপার্জন করছেন এবং ৩০০-এরও বেশি ডেভেলপার মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন।

গত পাঁচ বছরে বিডিঅ্যাপস এই ডিজিটাল যুগে একটি আত্মনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে ডেভেলপারদের মধ্যে ৫৫ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বিতরণ করেছে।

যেকোনো চ্যালেঞ্জ বা সাহায্যের জন্য ডেভেলপার্সরা যোগাযোগ করতে পারবেন এই ই-মেইলে: [email protected]

শেয়ার করুন

নতুন ফোন রেডমি ৯ পাওয়ার এনেছে শাওমি

নতুন ফোন রেডমি ৯ পাওয়ার এনেছে শাওমি

শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৯ পাওয়ার

চারটি কালার ভ্যারিয়েন্টে মি অথোরাইজড স্টোর, পার্টনার স্টোর ও রিটেইল চ্যানেলে ফোনটি পাওয়া যাবে দুটি সংস্করণে। ৪ জিবি ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

দেশে নতুন ফোন ‘রেডমি ৯ পাওয়ার’ এনেছে শাওমি। বুধবার ফোনটি দেশের বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফোনটিতে বেশি সময় ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য রয়েছে ৬০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। যা দুই দিন নিশ্চিন্তে ব্যাকআপ দেবে বলে দাবি শাওমির। ব্যাকআপের ফোনটি এনেছে শাওমি।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘রেডমি ৯ পাওয়ার এনে আমাদের গ্রাহকদের জানিয়ে দিলাম, তাদের চাহিদার সঙ্গে আর কম্প্রোমাইজ করতে হবে না। ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি দিয়ে মি ফ্যানদের জন্য দীর্ঘপথ চলার সুবিধা করে দিচ্ছি। ফ্যানরা একবার চার্জ দিয়েই দীর্ঘ সময় কাটাতে পারবেন। ফুল এইচডিপ্লাস ডিসপ্লের ফোনটি হবে মি ফ্যানদের প্রথম পছন্দ।’

রেডমি ৯ পাওয়ার ফোনটিতে রয়েছে অঁরা পাওয়ার ডিজাইনের ৬.৫৩ ইঞ্চির ফুল এইচডিপ্লাস ডিসপ্লে। ডিসপ্লেটিতে আছে টিইউভি রাইনল্যান্ড লো ব্লু লাইট সার্টিফিকেশন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেজিট্যান্স টেক্সাচরড। সুরক্ষার জন্য কর্নিং গরিলা গ্লাস, নিরাপত্তার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং এআই ফেইস আনলক। ডুয়েল স্ট্যান্ডবাই ফোরজি সিমের সঙ্গে আছে ৩.৫ মিমি মাইক্রোফোন জ্যাক।

ফোনটিতে ৪৮ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ দিয়েছে শাওমি। ৪৮ মেগাপিক্সেলের স্যামসাং জিএম১ সেন্সর ছাড়াও ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর রয়েছে ফোনটিতে। এমআইইউআই ১২ ইন্টারফেইস থাকায় ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশনে নতুন অনেক ফিচার পাওয়া যাবে। সঙ্গে ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা সেলফি ও ভিডিও কল করার ক্ষেত্রে স্পষ্ট ছবি দেবে।

৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি যা একবার চার্জ দিলে নিশ্চিন্তে দুই দিন ব্যবহার করা যাবে বলে দাবি করছে শাওমি। এই ব্যাটারি ফোনটিকে ফোরজি নেটওয়ার্কে টানা ৬৯৫ ঘণ্টা স্ট্যান্ডবাই রাখবে। সঙ্গে আছে ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং।

ডিভাইসটিতে আছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৬৬২ চিপসেট। গেমিংয়ের জন্য রয়েছে অ্যাড্রেনো ৬১০ এবং ভিভিড গ্রাফিক। ৪ জিবি ও ৬ জিবি র‍্যামের পাশাপাশি ১২৮ জিবি পর্যন্ত ইউএফএস ২.২ স্টোরেজ আছে। ডেডিকেটেড মাইক্রোএসডি স্লটে কার্ডে স্টোরেজ বাড়ানো যাবে ৫১২ জিবি পর্যন্ত।

চারটি কালার ভ্যারিয়েন্টে মি অথোরাইজড স্টোর, পার্টনার স্টোর ও রিটেইল চ্যানেলে ফোনটি পাওয়া যাবে দুটি সংস্করণে। ৪ জিবি ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

শেয়ার করুন

দেশে পথচলা শুরু করলো বিএফডিএস

দেশে পথচলা শুরু করলো বিএফডিএস

বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির যাত্রা হয়েছে।

ফ্রিল্যান্সারদের অনুপ্রেরণা দেশসেরা প্রয়াত ফাহিম উল করিমের বাবা-মায়ের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। আলোচনা পর্ব শেষে বিএফডিএসের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় একটি প্যানেল ডিসকাসন অনুষ্ঠিত হয়।

সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করল বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি-বিএফডিএস। সম্প্রতি যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জেলা কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির যাত্রা হলো। ধারাবাহিকভাবে কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সারের পেশাগত পরিচিতি নিশ্চিতে আইডি কার্ড প্রদানের উদ্যোগ নেয় সরকার। গত বছরের ২৫ নভেম্বর ভার্চ্যুয়াল আইডি কার্ড প্রদানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সারাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের সংগঠিত করতে কাজ করছে বিএফডিএস।

এ বিষয়ে বিএফডিএসের চেয়ারম্যান ড. তানজীবা রহমান বলেন, ‘আমরা দেশব্যাপী কাজ শুরু করছি। বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি দেশের ফ্রিলান্সারদের উন্নয়নে সামনে আরও নতুন উদ্যোগ নেবে।’

যশোরে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরুর সম্মেলনে তানজিবা রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, এনডিসি। প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিএফডিএসের সিনিয়র সহসভাপতি জসিম উদ্দিন জয় ও বিএফডিএসের সাংগঠনিক সম্পাদক জহির ইকবাল।

দেশে দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তরুণ সমাজের জন্য নানা উদ্যোগ ও ফ্রিল্যান্সারদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয় সম্মেলনে।
এ সময় বক্তারা বলেন, যে হারে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি হচ্ছে সেই হারে সরকারি বেসরকারি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। যে কারণে দেশের শিক্ষিত তরুণদের বড় একটি অংশ কর্মহীন থাকার ঝুঁকিতে পড়ছে। আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি আর দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিরাট ভূমিকা পালন করছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত; যার অন্যতম ফ্রিল্যান্সিং। ফিল্যান্সার থেকে উদ্যোক্তা হয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে তরুণরা।

অনুষ্ঠান শেষে যশোর জেলা কমিটির নাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ডাক্তার তানজিবা রহমান। নবগঠিত যশোর বিএফডিএস-এর সভাপতি হয়েছেন শাহানুর শরীফ, সহসভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক বাঁধন আচারিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসনিমুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ সাব্বির আহমেদ, নির্বাহী সদস্য হাসিব ইমতিয়াজ, বায়েজিদ মাহমুদ, রকিবুল ইসলাম রাকিব, মনসুর হাওলাদার ও শ্রাবণী আক্তার।

ফ্রিল্যান্সারদের অনুপ্রেরণা দেশসেরা প্রয়াত ফাহিম উল করিমের বাবা-মায়ের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। আলোচনা পর্ব শেষে বিএফডিএসের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় একটি প্যানেল ডিসকাসন অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg