ফোরজি ফোনের চাহিদা পূরণের সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের

ফোরজি ফোনের চাহিদা পূরণের সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে বেশ কিছু কোম্পানি মোবাইল সেট উৎপাদন করছে যার মধ্যে আছে বিশ্বখ্যাত স্যামসাং। সরকার দেশে উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে নানা নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে।

বাংলাদেশের চাহিদা পূরণের মতো ফোরজি ফোন উৎপাদনের সক্ষমতা আছে বলে জানিয়েছেন মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের সংগঠনের সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব। এর জন্য দেশজুড়ে মানসম্পন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

রোববার টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ-বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিনিধির সঙ্গে এক মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।

সভায় বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক শহীদুল আলম তার কারখানা পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। আগামী দিনগুলোতে দেশের চাহিদার ৫০ শতাংশ ফিচার এবং ৫০ শতাংশ স্মার্টফোন উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে উৎপাদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে বেশ কিছু কোম্পানি মোবাইল সেট উৎপাদন করছে যার মধ্যে আছে বিশ্বখ্যাত স্যামসাং। সরকার দেশে উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে নানা নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে।

আগামী জুলাই থেকে অনিবন্ধিত ও অবৈধ পথে আমদানি করা মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণাও দেয়া হয়েছে। এতে দেশে সেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মত বিনিময়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে আইনি বাধা নিরসনে আশ্বাস দেন কমিশনের লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার আবু সৈয়দ দিলজার হুসেইন।

সভায় ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট উৎপাদক, বিপণন, ব্যবহারকারী ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বিটিআরসির চেয়ার‌ম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর ভয়ংকর প্রভাব তৈরি করবে বলেও মনে করেন তিনি। জানান, বিটিআরসি এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিগগিরই পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন করেন কমিশনের অর্থ, হিসাব ও রাজস্ব বিভাগের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মেসবাহুজ্জামান। তিনি বলেন, আমদানি বা সংযোজন শিল্পে আটকে না থেকে দেশে সেমিকন্ডাক্টরসহ তথ্যপ্রযুক্তির অন্য ডিভাইস তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া উচিত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য