× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

প্রযুক্তি
ইইউ যুক্তরাজ্যে ড্রোন ব্যবহারে নীতিমালা
google_news print-icon

ইইউ-যুক্তরাজ্যে ড্রোন ব্যবহারে নীতিমালা

ইইউ-যুক্তরাজ্যে-ড্রোন-ব্যবহারে-নীতিমালা
নতুন নিয়মের আওতায় দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে ব্যবহার করলে কিংবা অনুমতি নেই এমন জায়গায় ড্রোন চালালে কর্তৃপক্ষ যানটির মালিককে শনাক্ত করতে পারবে।

ড্রোন পরিচালনায় নীতিমালা কার্যকর হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অন্তর্ভুক্ত ২৭টি দেশ ও জোটটি থেকে বেরিয়ে আসা যুক্তরাজ্যে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ছোট ড্রোনকেও সংশ্লিষ্ট বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন করা লাগবে।

এর মাধ্যমে দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে ব্যবহার করলে বা অনুমতি নেই এমন জায়গায় ড্রোন চালালে কর্তৃপক্ষ যানটির মালিককে শনাক্ত করতে পারবে।

নতুন নিয়মে তিন ক্যাটাগরিতে (নিম্ন, মধ্যম ও উচ্চ ঝুঁকি) ড্রোনকে ভাগ করা হয়েছে।

নিম্ন ঝুঁকি বা অবাধ ক্যাটাগরির ড্রোনের ক্ষেত্রে কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না। তবে এটি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকবে।

মধ্যম ঝুঁকি বা নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ড্রোন ব্যবহারে ঝুঁকি মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অবশ্যই লাগবে।

উচ্চ ঝুঁকি বা সার্টিফায়েড ক্যাটাগরির ড্রোনের ক্ষেত্রে বিমান নীতিমালা মেনে চলতে হবে। ভবিষ্যতে যাত্রীসহ ড্রোন ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

বাণিজ্যিক ও বিনোদনের জন্য ড্রোন ব্যবহারের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে, তা এ নতুন নিয়মের মাধ্যমে দূর হবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ড্রোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ডিজেআই এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

ডিজেআইয়ের পাবলিক পলিসি বিভাগের পরিচালক ক্রিস্টিয়ান স্ট্রুউই বলেন, ‘এর মাধ্যমে (ইউরোপের) এক দেশ থেকে আরেক দেশে ড্রোন চালাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা নিয়ে এখন আর মাথা ঘামাতে হবে না তাদের।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

প্রযুক্তি
One for every 75 people in Gaza is killed

গাজার প্রতি ৭৫ জনে একজন নিহত

গাজার প্রতি ৭৫ জনে একজন নিহত গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর এল-বালাহ এলাকায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে হতাহত লোকজনের সন্ধানে স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি
ওসিএইচএর ডেটা অনুযায়ী, প্রায় ২৩ লাখ মানুষের উপত্যকা গাজায় প্রতি ৭৫ জনের মধ্যে একজনের প্রাণ গেছে ইসরায়েলের হামলায়।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে ইসরায়েলের হামলায় ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়াবলী সমন্বয় দপ্তর ওসিএইচএর ২৯ ফেব্রুয়ারির ডেটার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, গাজায় কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার শিশু।

ওসিএইচএর ডেটা অনুযায়ী, প্রায় ২৩ লাখ মানুষের উপত্যকা গাজায় প্রতি ৭৫ জনের মধ্যে একজনের প্রাণ গেছে ইসরায়েলের হামলায়।

সংস্থাটি আরও জানায়, গাজার আট হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যাদের অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।

ইসরায়েলে ঢুকে গত বছরের ৭ অক্টোবর হামলা চালায় গাজার শাসক দল হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি নিহত ও কমপক্ষে ৮ হাজার ৭৩০ জন আহত হয়।

হামাসের হামলার জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় বোমাবর্ষণ শুরু করে ইসরায়েল, যার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে যোগ হয় স্থল হামলাও। সে হামলার পাঁচ মাস হতে চললেও সংঘাত বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো চুক্তি করতে পারেনি হামাস ও ইসরায়েল।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন গাজার আট হাজার ৪০০ নারী। দেশটির বিমান ও স্থল হামলায় আহত হয় উপত্যকার ৭০ হাজার ৪৫৭ জনের বেশি বাসিন্দা, যাদের মধ্যে আট হাজার ৬৬৩ শিশু ও ছয় হাজার ৩২৭ জন নারী।

আরও পড়ুন:
গাজায় ‘গণহত্যার’ ঘটনায় পদত্যাগ ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীর
ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে গায়ে ‍আগুন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী সদস্যের
গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মিশরকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশ
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০
ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Nuclear war if western troops enter Ukraine Putin

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি সতর্কতা উচ্চারণ করেন পুতিন। ছবি: স্কাই নিউজ
গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

ইউক্রেন যুদ্ধে নাক গলানোয় পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য দেশগুলো যদি সেনা পাঠায় তাহলে সত্যি সত্যিই একটি পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমা যেকোনো নিশানায় আঘাতে সক্ষম মস্কো।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তিনি এ সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ১৯৬২ সালে কিউবায় মিসাইল সংকটের পর থেকে এখন পর্যন্ত মস্কোর সঙ্গে পাশ্চাত্যের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। কিউবায় পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনকে কেন্দ্র করে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

ভাষণে ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সমস্যা’ বলে আখ্যায়িত করেন পুতিন। বলেন, ‘এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সেটা পশ্চিমা নেতারা উপলব্ধি করতে পারছেন না।’

গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, ‘ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠানো যেতে পারে।’

তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরও এমন অস্ত্র রয়েছে, যেগুলো পশ্চিমা দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। তাদেরকে অবশ্যই এটা উপলব্ধি করতে হবে। তারা পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি তৈরি করছে, যে যুদ্ধ মানব সভ্যতার অন্ত ঘটাতে পারে। তারা এটা বুঝতে পারছে না?’

আগামী ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় নিশ্চিতভাবেই পুতিন আগামী ছয় বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হতে চলেছেন। নির্বাচনের আগে পুতিন তার ভাষণে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনে সেনা পাঠাবে না ন্যাটো
ফাঁদে পড়ে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে ভারতীয়রা
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের ৩১ হাজার সেনা নিহত: জেলেনস্কি

মন্তব্য

প্রযুক্তি
30000 killed in Israeli attack on Gaza

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩০ হাজার ছুঁইছুঁই

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩০ হাজার ছুঁইছুঁই গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও ধ্বংসাবশেষ। ছবি: এপি
ইসরায়েলের হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে গাজার বিপুলসংখ্যক স্থাপনা। দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চলায় উপত্যকায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।

গাজা উপত্যকায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজারে।

এ সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭০ হাজার ৩২৫ ফিলিস্তিনি।

গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরা বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানায়।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ২৯ হাজার ৯৫৪।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ঢুকে হামলা চালায় গাজার শাসক দল হামাস। ওই হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি।

হামাসের হামলার জবাবে ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পরবর্তী সময়ে স্থল অভিযানও শুরু করে দেশটি।

ইসরায়েলের হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে গাজার বিপুলসংখ্যক স্থাপনা। দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চলায় উপত্যকায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।

গাজায় আল জাজিরার এক প্রতিবেদক জানান, উপত্যকায় খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষারত ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে অনেকেই হতাহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটির সর্বশেষ খবরে বলা হয়, নুসেইরাত, বুরেইজ ও খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হন।

এমন বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য চিল্ড্রেন বলেছে, গাজায় ধীরগতিতে গণহারে শিশুদের হত্যা দেখছে বিশ্ব।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে গায়ে ‍আগুন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী সদস্যের
গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মিশরকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশ
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০
ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু
ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে

মন্তব্য

প্রযুক্তি
US calls for al Aqsa prayers to be allowed in Ramadan

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

আসন্ন রমজানে মুসলমানদের আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে নামাজ পড়ার অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

দখলকৃত পশ্চিমতীর থেকে আল আকসায় ফিলিস্তিনীদের নামাজ পড়তে উগ্র ডানপন্থী এক মন্ত্রীর বাধা দেয়ার প্রস্তাবের পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্র এ আহ্বান জানিয়েছে বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এটি শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়ার বিষয় নয়, এটি তাদের প্রাপ্য এবং তাদের অধিকার আছে। তবে ব্যাপারটি সরাসরি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমতীর বা বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির ব্যাপারটি ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে নয়।

ইসরায়েলে ঢুকে হামাস গত ৭ অক্টোবর আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দেশটি।

এ অবস্থায় গাজায় জিম্মি ব্যক্তিদের মুক্তি ও ইরসায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ও গাজায় মানবিক সহায়তায় পাঠানোর শর্তে গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

এরপর এই যুদ্ধবিরতি চলে সাত দিন। এই সাত দিনে হামাস ১১০ জনকে এবং ইসরায়েল মুক্তি দিয়েছে ২৪০ জনকে। তবে আন্তর্জাতিক নানা মহলের চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়েনি। এখন পর্যন্ত গাজায় সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজারের মতো।

আরও পড়ুন:
গাজায় বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলার চিন্তা কানাডার
উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন: জাতিসংঘ
গাজায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতির আশা বাইডেনের

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Canada plans to airlift aid to Gaza

গাজায় বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলার চিন্তা কানাডার

গাজায় বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলার চিন্তা কানাডার গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রাণসামগ্রী ফেলে জর্ডানের বিমান। ছবি: রয়টার্স
গাজায় ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরুর পর উপত্যকার জনগণের সহায়তায় ১০ কোটি কানাডিয়ান ডলার দিয়েছে অটোয়া। দেশটি শুধু জানুয়ারিতেই দিয়েছে চার কোটি ডলার।

ইসরায়েলের সঙ্গে গাজার শাসক দল হামাসের যুদ্ধে অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে বিমান থেকে মানবিক সহায়তার সামগ্রী ফেলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী আহমেদ হুসেন।

মন্ত্রীর বরাত দিয়ে আল জাজিরা বৃহস্পতিবার জানায়, জর্ডানের মতো সমমনা দেশকে সঙ্গে নিয়ে গাজায় আকাশ থেকে ত্রাণসামগ্রী ছুড়তে চায় উত্তর আমেরিকার দেশটি।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে জানানো হয়, গত সপ্তাহে মিসর ও জর্ডান সফর করা হুসেন বলেন, মিসরের রাফাহ সীমান্তে ত্রাণসামগ্রীবাহী ট্রাককে প্রয়োজনের বেশি সময় ধরে আটকে রাখছে ইসরায়েল, যার অর্থ হলো গাজায় প্রয়োজনের ধারেকাছেও সহায়তা প্রবেশ করছে না।

গাজায় ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরুর পর উপত্যকার জনগণের সহায়তায় ১০ কোটি কানাডিয়ান ডলার দিয়েছে অটোয়া। দেশটি শুধু জানুয়ারিতেই দিয়েছে চার কোটি ডলার।

কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মাত্র ওই অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য) থেকে ফিরে এসেছি এবং কানাডার সহায়তা ব্যবধান গড়ছে।’

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০
ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু
ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে
রাফাহতে ইসরায়েলের আসন্ন অভিযানকে ‘আমাদের’ বললেন বাইডেন
গাজায় নিহত বেড়ে ২৮ হাজার ৩৪০

মন্তব্য

প্রযুক্তি
7 beheadings in one day in Saudi

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ
সৌদি আরবে ২০২২ সালের পর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগে একদিনে ৮১ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল, যা সে সময় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে।

সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ভয়েস অফ আমেরিকার খবরের বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

২০২২ সালের পর এটাই একদিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ৮১ জনের শিরশ্ছেদ, যা বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তুলেছিল।

উপসাগরীয় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সরকারি সৌদি প্রেস এজেন্সি বলেছে, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি ও এতে অর্থায়ন করার দায়ে ওই সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়নি।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রকাশিত নাম-পদবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই সৌদি আরবেরই নাগরিক।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় সৌদি আরবে। গত বছর ১৭০ জনের শিরশ্ছেদসহ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। চলতি বছরে দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এ পর্যন্ত সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ২৯ জন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ২০২২ সালে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব, চীন ও ইরান।

গত বছর সৌদিতে যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে সন্ত্রাস-সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ৩৩ জন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই সেনা সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হত্যার শিকার ২ বাংলাদেশির পরিবারকে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ সৌদির

মন্তব্য

প্রযুক্তি
South Koreas birthrate is at an all time low fueling rising costs

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি প্রতীকী ছবি
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।

দেশটির সরকার বুধবার এ কথা বলেছে। এ জন্য অবশ্য বিশেষজ্ঞরা সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচসহ নানা বিষয় সামনে এনেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, জন্মহার বাড়ানোর নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও দেশটিতে জন্ম হার রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আয়ুর দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সবচেয়ে কম। এই দুয়ের সংমিশ্রণে দক্ষিণ কোরিয়ায় জনসংখ্যাগত এই চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

বর্তমানের এই প্রজনন হার অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১০০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা দাঁড়াবে দুই কোটি ৬৮ লাখে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৩ সালে দুই লাখ ৩০ হাজার নতুন শিশু জন্ম নিয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ১৯ হাজার ২০০ কম।

দক্ষিণ কোরীয় সরকার শিশু জন্মদানে উৎসাহিত করতে হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। তবুও ২০২৩ সালে জন্ম নেয়া শিশুর হার ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে কম।

এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান না নেয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচ, সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধিসহ ব্যাপক প্রতিযোগিতামূলক একটি সমাজে একটি ভালো বেতনের চাকরির অনিশ্চিয়তা।

মন্তব্য

p
উপরে