ঘণ্টায় হাজার কিলোমিটার যাবে হাইপারলুপ

ঘণ্টায় হাজার কিলোমিটার যাবে হাইপারলুপ

কোরাইলের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি ‘হাইপার-টিউব ট্রেন’ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ এক হাজার ১৯ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম হয়েছে।

ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিসম্পন্ন হাইপারলুপের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

সম্প্রতি কোরিয়ান রেল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (কোরাইল) বিষয়টি জানিয়েছে।

কোরাইলের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি ‘হাইপার-টিউব ট্রেন’ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ এক হাজার ১৯ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম হয়েছে।

বিজনেস কোরিয়ার তথ্য অনুযায়ী, স্কেল মডেলে পরীক্ষাটি করা হয়। বিশ্বে এ ধরনের পরীক্ষা এটাই প্রথম।

এর আগের পরীক্ষায় ট্রেনটির গতি ছিল ঘণ্টায় ৭১৪ কিলোমিটার।

২০২৪ সালের মধ্যে হাইপারলুপ নেটওয়ার্ক শুরুর আশা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। এতে তিন ঘণ্টার বদলে আধা ঘণ্টায় সিউল থেকে বুসানে যাওয়া যাবে।

সিউল থেকে বুসানে যেতে উচ্চ গতিসম্পন্ন বুলেট ট্রেন এমনিতেই আছে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ওই যাত্রাপথকে সুপারসনিকের কাছাকাছি নিতে আগ্রহী।

২০১২ সালে পরিবহনের এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তির ধারণাটি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ও ইলেকট্রিক কার কোম্পানি টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলোন মাস্ক। তিনি জানান, ওই প্রযুক্তি উন্নয়নের সময় তার হাতে ছিল না।

গত সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের লাস ভেগাসে ৫০০ মিটার এলাকায় হাইপারলুপের গতির পরীক্ষা চালায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবহন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভার্জিন হাইপারলুপ।

প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জোস গিগেল জানান, পরীক্ষাটি শুধু ১৫ সেকেন্ডের হলেও ঘণ্টায় ১৭২ কিলোমিটার গতিতে যেতে সক্ষম হয় হাইপারলুপটি।

সম্প্রতি ফ্রান্স, ভারত, সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করে।

হাইপারলুপ টিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডার্ক এহলবর্ন জানান, পরিকল্পনা অনুমতি পেতে ও নিয়ন্ত্রক বাধা পেরোতে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার বেশি সহায়ক। এটি বিশ্বে প্রথম হাইপারলুপ গণপরিবহন ব্যবস্থা হতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক

শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরে ৩৫ হাজার আধুনিক ল্যাব: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিশোরীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানমুখী, দক্ষতা নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তি, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে। তা না হলে, তারা পিছিয়ে পড়বে।’

প্রযুক্তি শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে আরও ৩৫ হাজার আধুনিক শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

‘ইন্টারন্যাশনাল আইসিটি গার্লস ডে’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এটুআই, গ্রামীণফোন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীদের আইটি নির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সারা দেশের ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি শিক্ষায় নিশ্চিত করতে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে আরও ৩৫ হাজার আধুনিক শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।’

প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং, কোচিং ও মনিটরিংয়ের জন্য সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান পলক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিশোরীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানমুখী, দক্ষতা নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তি, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে। তা না হলে, তারা পিছিয়ে পড়বে।’

আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই কোডিং ও প্রোগ্রামিংকে ন্যাশনাল কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আধুনিক বিশ্বে নিজেদের এগিয়ে নিতে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই অংক, ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং ও কোডিং শিক্ষা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

‘এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষক অভিভাবকদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এতে কিশোর-কিশোরীরা আইসিটিতে সফলতা বয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিনিধি ওরাল মারফি, ব্র্যাক প্রতিনিধি কে এম মোর্শেদ, বাক্কোর সভাপতি ওয়াহেদ শরীফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স বিভাগের অধ্যাপক লাফিফা জামাল, গ্রামীণফোনের হিউম্যান রিসোর্স প্রধান তানভীর হোসেন।

শেয়ার করুন

১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা

১২ জিবি র‍্যামের শাওমি এমআই ১১ আল্ট্রা

শাওমির নতুন ফোন এমআই ১১ আল্ট্রা। ছবি: সংগৃহীত

ফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেম। উচ্চগতির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ ফাইভজি চিপসেট রয়েছে। যা তৈরি ৫ ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে। এটি আবার অক্টা-কোরের। জিপিইউ হিসেবে রয়েছে এন্ট্রিন ৬৬০।

দিন কয়েক আগেই এমআই ১১ আল্ট্রা লঞ্চ করেছে শাওমি। ভারতের বাজারে শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে ফোনটি।

ডিভাইসটি নিয়ে অনেক দিন থেকেই নানা ধরনের কথা হয়েছে। বিশেষ করে এর স্টোরেজ নিয়ে। তাই তরুণদের মধ্যে ফোনটি নিয়ে আগ্রহ ছিল অনেক।

এমআই আল্ট্রা ফোনে রয়েছে ৬.৮১ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। এর অ্যাসপেক্ট রেশিও ২০:৯। রেজুলেশন ১৪৪০*৩২০০ পিক্সেল। আর ডিসপ্লের পিপিআই ডেনসিটি ৫১৫। ফোনের স্ক্রিন টু বডি রেশিও ৯১.৪ শতাংশ।

ফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেম। উচ্চগতির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ ফাইভজি চিপসেট রয়েছে। যা তৈরি ৫ ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে। এটি আবার অক্টা-কোরের। জিপিইউ হিসেবে রয়েছে এন্ট্রিন ৬৬০।

ফোনটিতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। এ ছাড়া একটি ৪৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, ৪৮ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো সেন্সর রয়েছে। সেলফি নিতে সামনে আছে ২০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।

এ ছাড়া স্ট্যান্ডবাই ডুয়াল সিম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে ফোনটিকে। থাকছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি। যা দ্রুত চার্জ করতে দেয়া হয়েছে ৬৭ ওয়াটের একটি সুপার ফাস্ট চার্জার।

ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে তিন ভ্যারিয়েন্টে। এর একটি ৮ জিবি র‍্যামেরা সঙ্গে ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, একটি ১২+২৫৬ জিবি এবং আরেকটি ১২+৫১২ জিবি স্টোরেজে।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে যুক্ত হলো পুলিশের বেতার

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে যুক্ত হলো পুলিশের বেতার

ভিস্যাটের (VSAT) সাহায্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ঘূর্ণিঝড়সহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গম এলাকার সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ থাকবে।

ভিস্যাটের (VSAT) সাহায্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ঢাকাসহ পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে বেতার যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ভিস্যাট (VSAT) এর সাহায্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ঘূর্ণিঝড়সহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গম এলাকার সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ থাকবে।

সোহেল রানা আরও জানান, এই প্রযুক্তির ফলে নোয়াখালীর ভাসানচর থানা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের এ উদ্যোগটি নেন বর্তমান আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।

শেয়ার করুন

সবচেয়ে শক্তিশালী আইপ্যাড আনল অ্যাপল

সবচেয়ে শক্তিশালী আইপ্যাড আনল অ্যাপল

শক্তিশালী এ১ চিপের আইপ্যাড প্রো এনেছে অ্যাপল। ছবি: অ্যাপল

অ্যাপল বলছে, আপগ্রেডেড প্রসেসরে আইপ্যাড প্রোতে আগের চেয়ে গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে ১৫০০ গুন দ্রুত এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে ১০ ঘণ্টা।

অ্যাপল তাদের স্প্রিং ইভেন্টে সর্বধুনিক প্রযুক্তির নতুন আইপ্যাড প্রো উন্মোচন করেছে। নিজেদের এম১ প্রসেসরের আইপ্যাডটি তাদের পূর্বসূরিদের থেকে উন্নত ও শক্তিশালী।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির নিজেদের তৈরি করা চিপ এম১ দেয়া হয়েছে আইপ্যাড প্রোতে। ফলে এটি আইম্যাকের মতোই পারফরম্যান্স দেবে।

অ্যাপল বলছে, আপগ্রেডেড প্রসেসরে আইপ্যাড প্রোতে আগের চেয়ে গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে ১৫০০ গুন দ্রুত এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে ১০ ঘণ্টা।

আইপ্যাড প্রোতে ফিচার হিসেবে থাকছে লিকুইড রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, ফাইভজি এবং সম্পূর্ণ নতুন আল্ট্রা-ওয়াইড ফন্ট ক্যামেরা।

১১ ইঞ্চি এবং ১২.৯ ইঞ্চির দুই সংস্করণে নতুন আইপ্যাড প্রো পাওয়া যাবে। দাম শুরু হবে ৭৯৯ ডলার থেকে। ৩০ এপ্রিল থেকে অর্ডার করতে পারবেন গ্রাহকরা। আর সরবরাহ শুরু হবে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে।

অ্যাপলের বৈশ্বিক বিপণনেরর ভাইস প্রেসিডেন্ট গ্রেগ জসভিয়াক বলেন, ‘ম্যাকের জন্য এম১ চিপ একটি ব্রেকথ্রু হতে যাচ্ছে। আমরা এটি আইপ্যাড প্রোতে ব্যবহার করতে পেরে খুব আনন্দিত।’

এম১ চিপ দিয়ে আইপ্যাড প্রো সিরিজটি নতুন এক অভিজ্ঞতার নাম হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আইপ্যাড প্রোতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ কোরের নিউরাল ইঞ্জিন। সেই সঙ্গে ১০ জিবিপিএস ইথারনেট রয়েছে ডিভাইসটিতে। আছে ফেসিয়াল রিকগনিশন, স্বল্প আলোয় ডিটেইলসহ ছবি তুলতে উন্নত ক্যামেরা।

শতভাগ অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এবং পুরোটাই পুনর্ব্যবহার উপযোগী এই আইপ্যাড প্রো।

১২.৯ ইঞ্চির ডিভাইসটিতে থাকছে লিকুইড রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, দুই টেরাবাইট পর্যন্ত উচ্চিগতির স্টোরেজ, থান্ডারবোল্ট এক্সপানশন, চার স্পিকারের অডিও সিস্টেম, প্রো ক্যামেরার সঙ্গে লি-ডার স্ক্যানার, ফাইভজি কানেক্টিভিটি। সঙ্গে থাকছে উন্নত ভিডিও কলিং, আইপ্যাডওএস এবং শক্তিশালী প্রো অ্যাপ। এটি এক হাতে ব্যবহারেরও উপযোগী। এই সংস্করণটির দাম শুরু হবে ১০৯৯ ডলার থেকে।

শেয়ার করুন

নগদে গ্রাহক ৪ কোটি, দৈনিক লেনদেন ৪০০ কোটি টাকা

নগদে গ্রাহক ৪ কোটি, দৈনিক লেনদেন ৪০০ কোটি টাকা

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ চার কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৯ সালের ২৬ মার্চ চালুর পরের ১০ মাসে এক কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করে ‘নগদ’। পরের এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লাগে ছয় মাস। দুই থেকে তিন কোটিতে আসতে সময় লাগে আরও সাত মাস। আর শেষ এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লেগেছে দুই মাসেরও কম।

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ চার কোটি গ্রাহকের মাইলফলক পেরিয়েছে।

ডাক বিভাগের আর্থিক সেবাটি সম্প্রতি এই মাইলফলক অতিক্রম করে।

একই সময়ে সার্ভিসটিতে দৈনিক লেনদেন ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

বাণিজ্যিক সেবা শুরুর দুই বছরের মধ্যে এমন সাফল্য এসেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে নগদ।

বিজ্ঞপ্তিতে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলমান করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সরকারি বিভিন্ন ভাতা, উপবৃত্তি, আর্থিক সহায়তা বিতরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে তারা।

২০১৯ সালের ২৬ মার্চ চালুর পরের ১০ মাসে এক কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করে ‘নগদ’। পরের এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লাগে ছয় মাস। দুই থেকে তিন কোটিতে আসতে সময় লাগে আরও সাত মাস। আর শেষ এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লেগেছে দুই মাসেরও কম।

অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়াকে সহজ করায় বেশি বেশি গ্রাহক যুক্ত হচ্ছে বলে জানায় নগদ। ফোন থেকে *১৬৭# ডায়াল করেই যে কেউ যেকোনো সময় ‘নগদ’ এর গ্রাহক হতে পারেন।

নগদ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ১০০ কোটি টাকা দৈনিক লেনদেনের মাইলফলক অতিক্রম করে। পরে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় পরবর্তী এক বছরের মধ্যে দৈনিক লেনদেন ২০০ কোটি টাকা পেরোনোর লক্ষ্য বেঁধে দেন।

ওই বছরের ডিসেম্বরে দৈনিক লেনদেনের অঙ্ক দ্বিগুণ হয়ে যায়।

নগদ জানিয়েছে. চলতি বছরের মার্চে দৈনিক লেনদেন ৩০০ কোটি টাকা এবং এক মাসের ব্যবধানে গত সপ্তাহে এটি ৪০০ কোটি টাকা পেরিয়েছে।

শেয়ার করুন

দেশে তৈরি নতুন ফোনের প্রি-বুকিং নিচ্ছে ওয়ালটন

দেশে তৈরি নতুন ফোনের প্রি-বুকিং নিচ্ছে ওয়ালটন

ওয়ালটন সেলুলার ফোন বিক্রয় বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান বলেন, ‘প্রিমো এইচএমসিক্স’ মডেলের ওই ফোনটির দাম ৮ হাজার ৮৯৯ টাকা। তবে ই-প্লাজায় প্রি-বুক দেয়া ক্রেতারা এটি পাবেন ৭ হাজার ৮৯৯ টাকায়। ই-প্লাজা থেকে কেনা সব মডেলের ওয়ালটন স্মার্টফোনে রয়েছে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা।

নতুন মডেলের আরও একটি ফোন বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে ওয়ালটন, যাতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশাল ডিসপ্লে, শক্তিশালী ব্যাটারিসহ আকর্ষণীয় ফিচার।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ই-প্লাজা থেকে বিনা মূল্যে ফোনটির প্রি-বুক দেয়া যাবে। প্রি-বুকে থাকছে এক হাজার টাকার মূল্যছাড়।

ওয়ালটন সেলুলার ফোন বিক্রয় বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান বলেন, ‘প্রিমো এইচএমসিক্স’ মডেলের ওই ফোনটির দাম ৮ হাজার ৮৯৯ টাকা। তবে ই-প্লাজায় প্রি-বুক দেয়া ক্রেতারা এটি পাবেন ৭ হাজার ৮৯৯ টাকায়। ই-প্লাজা থেকে কেনা সব মডেলের ওয়ালটন স্মার্টফোনে রয়েছে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা।

ওয়ালটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৬০০০ মিলি-অ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারির ‘প্রিমো এইচএমসিক্স’ মডেলের ফোনটি একবার চার্জে ৫০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই মোডে সচল থাকবে। এই ফোনে ৪৬ ঘণ্টা ভয়েস কলিং, ৩০ ঘণ্টা মিউজিক প্লেব্যাক, ১৮ ঘণ্টা ওয়েব ব্রাউজিং, ১৪ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাক ও ৯ ঘণ্টা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন গ্রাহক।

ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১০ গো অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ১.৬ গিগাহার্টজ গতির এআরএম কোর্টেক্স-এ৫৫ অক্টাকোর প্রসেসর। সঙ্গে রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম ও পাওয়ার ভিআর জিই৮৩২২ গ্রাফিক্স। ফলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, থ্রিডি গেমিং ও দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা পাওয়া যাবে।

ফোনটির অভ্যন্তরীণ মেমোরি ৩২ গিগাবাইটের, যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ১২৮ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ ২.০ অ্যাপারচারসমৃদ্ধ পিডিএএফ প্রযুক্তির এআই ডুয়াল ক্যামেরা। এর ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা দেবে উজ্জ্বল, ঝকঝকে রঙিন ছবি। আর ডেপথ সেন্সর পোরট্রেইট ফটোগ্রাফি করবে আরও উন্নত।

বাংলাদেশে তৈরি এই স্মার্টফোনে ৩০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধাসহ এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা দেবে ওয়ালটন।

শেয়ার করুন

আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!

আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!

আইফোন ১৩ মডেলের স্টোরেজ ১ টেরাবাইট রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক বছরে দেখা যায়, আইফোনের ১২৮ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের চাহিদা ছিল বেশি। ক্রমেই চাহিদা কমে গেছে ৬৪ জিবি সংস্করণ ফোনের। আইফোন ১২ প্রো মডেলটি ৫১২ জিবি স্টোরেজের হওয়ায় চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি।

দিন দিন ব্যবহারকারীদের কাছে স্মার্টফোনের স্টোরেজ চাহিদা বাড়ছে। গ্রাহকের চাহিদাকে মূল্যায়ন করায় নামডাক কিছুটা বেশিই রয়েছে আইফোন প্রস্তুতকারক অ্যাপলের।

চলতি বছর আইফোন ১৩ সিরিজ বাজারে ছাড়বে অ্যাপল। এই সিরিজের ফোনগুলোর স্টোরেজ এক টেরাবাইট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের তুলনায় আইফোন ব্যবহারকারীদের স্টোরেজের চাহিদা বেশি বলে বিভিন্ন সময় প্রকাশ হওয়া প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের হিসাব অনুযায়ী, অ্যান্ড্রয়েডে হুয়াওয়ের স্টোরেজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরই রয়েছে আইফোনের স্টোরেজ চাহিদা।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, স্মার্টফোনে স্টোরেজের পরিমাণ এখন গড়ে ১০০ জিবি ছাড়িয়ে গেছে।

কাউন্টারপয়েন্টের মতে, দামের দিক থেকে যেমন আইফোন উচ্চমূল্যের, তেমনি আবার এর গড় এনএএনডি ফ্ল্যাশের ঘনত্বও অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় বেশি। এই গ্যাপটা খুব দ্রুতই আইফোন পূরণ করেছে তাদের আইফোন ১২ সিরিজ দিয়ে। এ সিরিজের সেটে তারা ৫১২ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ দিয়েছে।

গত কয়েক বছরে দেখা যায়, আইফোনের ১২৮ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের চাহিদা ছিল বেশি। ক্রমেই চাহিদা কমে গেছে ৬৪ জিবি সংস্করণ ফোনের।

আইফোন ১২ প্রো মডেলটি ৫১২ জিবি স্টোরেজের হওয়ায় চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি।

অ্যাপলের খবর নিয়মিত প্রকাশ করা সাইট নাইটটুফাইভ ম্যাকের এক প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছর আইফোন ১৩ সিরিজটিতে থাকতে পারে এক টেরাবাইট স্টোরেজ।

একটি ছোট জরিপ চালায় নাইটটুফাইভ ম্যাক। সেখানে ৭০ শতাংশ বলেছেন, এক টেরাবাইটের আইফোন ১৩ হতে পারে বাড়তি স্টোরেজসম্পন্ন। ১২ শতাংশ বলেছে, তারা অবশ্যই একটি করে ফোন কিনবেন। অন্য ১১ শতাংশ অবশ্য ফোন কেনার আগে এই স্টোরেজের সুবিধা-অসুবিধাগুলো দেখে নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আইফোন ১৩ সিরিজে থাকছে সামনে ছোট আকারের নচ, বড় আকারের ডিসপ্লে।

সম্প্রতি অ্যাপলকে আইফোনের ডিসপ্লে ক্রমাগত বাড়াতে দেখা গেছে। সেই থেকে ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স আসতে পারে ৬.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লেতে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরেই দেখা যাবে আইফোন ১৩।

শেয়ার করুন