× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

টেলিনরের শীর্ষ পদে বাংলাদেশের রেনেকা

টেলিনরের-শীর্ষ-পদে-বাংলাদেশের-রেনেকা
নৃবিজ্ঞানে পড়াশোনা করা বাংলাদেশের রেনেকা নারী অধিকার, লৈঙ্গিক সমতাসহ তরুণী ও নারীদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে।

বাংলাদেশের মেয়ে রেনেকা আহমেদ অন্তু এক দিনের জন্য গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনরের নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং টেলিনর ও গ্রামীণফোনের যৌথ আয়োজনে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন উপলক্ষে রেনেকাকে প্রতীকি এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তার সঙ্গে মিয়ানমার ও নরওয়ে থেকেও দুই তরুণীকে এমন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

প্রতিবছর দিবসটি উপলক্ষে তরুণীদের সাম্য, স্বাধীনতা ও প্রতিনিধিত্বে উৎসাহ প্রদানে বিশ্বব্যাপী মিডিয়া, বিনোদন, ব্যবসা ও রাজনীতির ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় পদে একদিনের জন্য তরুণ নারীদের প্রতীকি দায়িত্ব দেয় টেলিনর।

নৃবিজ্ঞানে পড়াশোনা করা বাংলাদেশের রেনেকা নারী অধিকার, লৈঙ্গিক সমতাসহ তরুণী ও নারীদের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে। চলতি বছর তিনি ইয়ুথ অ্যাডভোকেট হিসেবে সে শীর্ষ পর্যায়ে রাজনৈতিক ফোরামে অংশ নেন।

রেনেকা বলেন, ‘একজন নারী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশে আমি আমার অধিকারের বাস্তবায়ন চাই। সবারই উচিত নারীদের সম্মান করা এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অবদানের মূল্য দেয়া।

টেলিনরের গ্রুপ এক্সিকিউটিভ ম্যানেজমেন্টের একজন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত তিন তরুণী প্রযুক্তিখাতে নারী বিষয়ে ভার্চুয়ালি তাদের ভাবনা উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রযুক্তিখাতে নারীদের নানা সুযোগ ও অন্তরায়ের বিষয়গুলো উঠে আসে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী সিগভে ব্রেক্কে নিজ দেশে টেলিনর টেলিকমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে তিন তরুণীকে যুক্ত করতে প্রতিশ্রুতি দেন।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে #গার্লসটেকওভার ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে গ্রামীণফোন ও টেলিনর গ্রুপ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

প্রযুক্তি
One and a half million mobile handsets in one IMEI number

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট!

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট! বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিরা। ছবি: সংগৃহীত
টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয়- এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এমন অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখন পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপরে হ্যান্ডসেট। দেড় লাখ হ্যান্ডসেটে আছে একটিমাত্র আইএমইআই নম্বর; সব কপি।

‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না; কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।’

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল জব্দ করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে; দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মোবাইল নয়, গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।’

সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

প্রযুক্তি
AI Doctor feature added to Waltons smart fridge

ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার

ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার

ওয়ালটনের আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) সমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত করা হয়েছে ‘এআই ডক্টর’ ফিচার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ফিচার গ্রাহকের বাসায় ব্যবহৃত ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজের কুলিং পারফরম্যান্স, সেন্সরসহ অন্যান্য কম্পোনেন্টসে কোনো সমস্যা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করে তৎক্ষণাৎ নিজেই সমাধানের চেষ্টা করবে।

যদি তা না পারে, তবে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে দেবে। নোটিফিকেশন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাসায় গিয়ে সমস্যার সমাধান করেবেন। ফলে গ্রাহক ফ্রিজের কোনো অস্বাভাবিকতা বোঝার অনেক আগেই পেয়ে যাবেন প্রয়োজনীয় বিক্রয়োত্তর সেবা।

বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম স্মার্ট ফ্রিজে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফিচার সংযোজন করেছে। এর মধ্য দিয়ে উৎকর্ষ ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ উৎপাদনে বাংলাদেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেল ওয়ালটন।

রোববার সকালে রাজধানীর বসুবন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘এআই ডক্টর ফিচার’ উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকা ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তাহসিনুল হক, ডেপুটি সিবিও আনিসুর রহমান মল্লিক, ফ্রিজ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (আরঅ্যান্ডআই) বিভাগের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী ও ডেপুটি হেড আব্দুল মালেকসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Buy Infinix smartphone on Eid and win a bike to visit Coxs Bazar

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ ‘ঈদ বোনানজা’ নামের ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার। ছবি: ইনফিনিক্স
গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

‘ঈদ বোনানজা’ নামের এ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার।

ইনফিনিক্সের নির্দিষ্ট কিছু স্মার্টফোন কিনে বিশেষ মূল্যছাড়সহ এসব পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ক্যাম্পেইনটি চলবে ৫ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনে ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং ৪০ সিরিজ, হট ৩০ (৪+১২৮ এবং ৮+১২৮ জিবি সংস্করণ), হট ৪০ সিরিজ এবং স্মার্ট ৮ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো কিনলেই কেবল এ পুরস্কার পাওয়া যাবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে অফিশিয়াল স্টোর থেকে ইনফিনিক্সের এ মডেলগুলোর যেকোনো একটি কিনলে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে কক্সবাজার ভ্রমণ এবং একটি এক্সক্লুসিভ বাইক জেতার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক জিতে নিতে পারবেন। আর স্মার্টফোন কিনলেই থাকছে ১০০ টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

এ ছাড়া স্টক থাকা সাপেক্ষে নিশ্চিত উপহার হিসেবে গ্রাহকরা পেতে পারেন নেক ব্যান্ড, টি-শার্ট ও ছাতা।

গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ‘ঈদ বোনানজা’ ক্যাম্পেনইটির মূল লক্ষ্য আকর্ষণীয় সব পুরস্কার জেতার মাধ্যমে গ্রাহকদের ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ করে তোলা।

ট্রেন্ডি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স সম্প্রতি নোট ৪০ সিরিজে প্রথমবারের মতো ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি চালু করেছে।

আরও পড়ুন:
পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Infinix Inbook X2 can be the daily companion of professionals

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২ হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ। ছবি: ইনফিনিক্স
ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

ব্যস্ত এ সময়ে সহজে বহনযোগ্য প্রযুক্তি পণ্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। আর কর্মজীবীদের জন্য যেকোনো জায়গায় বসে কাজ করতে পারাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি মাথায় রেখে ইনফিনিক্স নিয়ে এসেছে ইনবুক এক্স২ ল্যাপটপ, যা সহজেই বহন করা যায়।

ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ।

ল্যাপটপটির ৫০ ওয়াট-আওয়ারের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির ফলে ব্যবহারকারীরা নিশ্চিন্তে দিনভর কাজ করে যেতে পারেন। ফলে চার্জ দেয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হয় না। এ ছাড়া এর ৪৫ ওয়াটের টাইপ-সি চার্জারটি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। এতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ব্যাটারি চার্জ করে নেয়া যায়।

আকারে খুব বেশি বড় না হলেও ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২তে আছে ১১তম প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৫ প্রসেসর। ফলে যেকোনো জায়গায় বসেই অফিসের কাজ অনায়েসেই সেরে নেয়া যাবে।

ইনফিনিক্সের নিজস্ব কুলিং সিস্টেম ‘আইস স্টর্ম ১.০’-এর সাহায্যে প্রসেসর দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। ফলে ডিভাইসটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই কার্যকরভাবে চলতে পারে।

দুর্দান্ত ভিজ্যুয়ালের জন্য ল্যাপটপটিতে যুক্ত করা হয়েছে ১০০ শতাংশ এসআরজিবি প্রফেশনাল ডিসপ্লে। এর ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলের রেজুল্যুশনের ১৪ ইঞ্চি এফএইচডি আইপিএস স্ক্রিনের সাহায্যে চলতি পথেই ভিডিও কনফারেন্সিং, প্রেজেন্টেশন ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মতো কাজ করা যায়।

এ ছাড়া লাইভ মিটিং বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের সময় চেহারাকে স্পষ্ট করে তুলতে ইনবুক এক্স২-এর এইচডি ক্যামেরার সঙ্গে আছে ডুয়েল এলইডি ফিল লাইট। ল্যাপটপটির দুই স্তরের স্টিরিও ডিজাইনের সাহায্যে ঘরের ভেতরে ও বাইরে সুন্দরভাবে মিডিয়া উপভোগ করা যায়।

কানেকটিভিটির প্রয়োজন মেটাতে ল্যাপটপটিতে বিভিন্ন ধরনের পোর্ট সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে আছে দুটি টাইপ-সি পোর্ট, দুটি ইউএসবি পোর্ট, এইচডিএমআই, একটি কার্ড স্লট এবং একটি হেডফোন জ্যাক। ফলে কর্মজীবীরা সহজেই ল্যাপটপটিকে বিভিন্ন ডিভাইস ও পেরিফেরালের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন প্রয়োজনমতো।

বহনযোগ্য ল্যাপটপ ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২-এর বাজারমূল্য ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা, তবে ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ইনফিনিক্সের এ ল্যাপটপের দাম আরও কমতে পারে, যা সহজে বহনযোগ্য এই ল্যাপটপটিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলবে।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Why no network on phone immediately after power outage Consumer Association

‘বিদ্যুৎ গেলে কেন ফোনের নেটওয়ার্কও চলে যায়’

‘বিদ্যুৎ গেলে কেন ফোনের নেটওয়ার্কও চলে যায়’ প্রতীকী ছবি
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও মানহীন সেবা গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আর এর জন্য দায়ী অপর্যাপ্ত টাওয়ার, মানহীন মাইক্রোওয়েভ, মানহীন ব্যাটারি, ওভার হেড ফাইবার, জেনারেটর না থাকা।

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন ফোন কোম্পানির বিভিন্ন অপারেটরের নম্বরে নেটওয়ার্ক থাকে না, সে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার এ প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও মানহীন সেবা গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আর এর জন্য দায়ী অপর্যাপ্ত টাওয়ার, মানহীন মাইক্রোওয়েভ, মানহীন ব্যাটারি, ওভার হেড ফাইবার, জেনারেটর না থাকা।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, দেশে সক্রিয় সিমধারী গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি ২৬ লাখ, এর বিপরীতে যেখানে টাওয়ার থাকার কথা লক্ষাধিক, সেখানে আছে মাত্র ৪৫ হাজার ২৩১ টি। এরমধ্যে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ২২৯৬, গ্রামীণফোনের ১২ হাজার ৫২৬, বাংলালিংক ৪০০৬, টেলিটক ৬২১ এবং এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এর ৮৬০, ইউ ডট কো লিমিটেডের ১৬ হাজার ৬৮৩, সামিট ৪৩৮৮ ও কীর্তনখোলা ৬২১ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এর ৫১৪টি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৮ সালে বিটিআরসি বেসরকারি চারটি টাওয়ারকো কোম্পানির লাইসেন্স প্রদান করে যে নীতিমালা তৈরি করেছে সেখানে বলা আছে, মোবাইল অপারেটর নতুন করে আর টাওয়ার তৈরি করতে পারবে না। অর্থাৎ টাওয়ারকো কোম্পানি থেকে তাদের অর্থের বিনিময়ে সার্ভিস নিতে হবে। এই টাওয়ার কোম্পানিগুলি মূলত মোবাইল অপারেটর থেকে টাওয়ারগুলো কিনেছে।

এতে বলা হয়, এই টাওয়ারগুলোর মাইক্রোওয়েভ মানসম্মত নয়, সে সাথে ব্যাটারিগুলো মানহীন হয়ে পড়েছে; না হলে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া সাথে সাথে যেখানে ৬ ঘণ্টা পাওয়ার ব্যাক দেয়ার কথা সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেটওয়ার্ক অচল হবার কারণ কী?

বিবৃতিতে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও পিটিআরসির কাছে আমাদের অনুরোধ মাইক্রোওয়েভের মান এবং ব্যাটারি ধরন পর্যবেক্ষণ করা। সেই সাথে দেশের ফাইবার অপটিক্যাল এখনো ৬৫% ওভারহেড থাকায় ঝড়-বৃষ্টি এলেই কেটে যাচ্ছে ফাইবার, ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে নেটওয়ার্ক।

মন্তব্য

প্রযুক্তি
Without adequate preparation in data protection we will not have sovereignty
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

ডাটা সুরক্ষায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না

ডাটা সুরক্ষায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না শুক্রবার বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ইনফোকম ঢাকা ২০২৪’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করি না, সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি।’

‘প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুদিনব্যাপী আয়োজিত ‘লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইনফোকম ঢাকা ২০২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দ্য ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার ও জেসিআই বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সম্মেলন আয়োজন করে ভারতের এবিপি গ্রুপ। সম্মেলনের এবারের থিম ‘সাসটেইনেবল ডিসরাপশন’।

বক্তৃতাকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে।

‘মানবতা, মানবাধিকার ও মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসঙ্গে চেষ্টা করতে হবে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘কোনো উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।

‘আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করি না, সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এজন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে, শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল, কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কি না- সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে- সেটিই বিবেচ্য।

‘আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি; এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।’

মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, ‘যত বেশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে পারব, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারব। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ ও জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি, ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কসের সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটির চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান
সরকার ও নাগরিকের মধ্যে অংশীদারত্ব চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী
পরিকল্পিত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য সহজলভ্য করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সরকারের ব্যর্থতা ধরিয়ে দিন, সাংবাদিকদের তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

প্রযুক্তি
USTDAs Study Grant to CDNet on Expanding Internet Connectivity
সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান মঙ্গলবার সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর তা তুলে ধরেন সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ড. নাফিজ সরাফাত এবং ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং। ছবি: সংগৃহীত
সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

ইউএস ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ইউএসটিডিএ) বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সাবমেরিন ক্যাবল (বাঘা-১)-এর উন্নয়নের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণের জন্য মঙ্গলবার বাংলাদেশি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি সিডিনেট কমিউনিকেশনস লিমিটেডকে (সিডিনেট) সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন করেছে।

সাব-সি ক্যাবল শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করবে। সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ফ্লোরিডাভিত্তিক এপি টেলিকম এলএলসি-কে নির্বাচিত করেছে সিডিনেট।

ইউএসটিডিএ ও সিডিনেট ষষ্ঠ ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ রোমুয়াল্ডেজ মার্কোস জুনিয়র মূল বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে আমরা সিডিনেটের মতো অংশীদারদের সঙ্গে সাব-সি ক্যাবল প্রকল্পগুলোর একটি পোর্টফোলিও তৈরি করছি। তারা সাব-সি ফাইবার অপটিক ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের দেশগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ক্ষমতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এজেন্সি একটি অংশীদারত্বভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা প্রকল্পের বিকাশকারী, যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত, সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সমমনা ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে কাজে লাগায়। এসব প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বাঘা-১।’

সাব-সি ক্যাবলগুলো বিশ্বব্যাপী যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা বাস্তবায়িত হলে বাঘা-১ ক্যাবলটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যান্ডউইথড বৃদ্ধি করবে, যা নিরাপদ উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রসারিত করতে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

ইউএসটিডিএর গবেষণা বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত সাব-সি ক্যাবল সিস্টেম স্থাপনের জন্য সবচেয়ে কৌশলগত পথ চিহ্নিত করার বিকল্পগুলো মূল্যায়নে সিডিনেটকে সহায়তা করবে।

সিডিনেটের পরিচালক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য আরও কানেক্টেড এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলার এই অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘ইউএসটিডিএর সমীক্ষা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উন্নত ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ ও সুবিধাজনক করবে।’

দ্রুতগতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও কানেক্টেড করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব স্থাপন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএসটিডিএ বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকারের লক্ষ্যগুলো যেমন এগিয়ে নেয়, তেমনি বৈশ্বিক অবকাঠামো, বিনিয়োগের জন্য অংশীদারত্ব, ডিজিটাল সংযোগ এবং সাইবার নিরাপত্তা অংশীদারত্ব ও সমৃদ্ধ প্রকল্প প্রস্তুতি সুবিধার জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা পালন করে থাকে।

মন্তব্য

p
উপরে