হতাশ করল সি পার্ল, লভ্যাংশ দিতে চায় ১০ পয়সা করে

হতাশ করল সি পার্ল, লভ্যাংশ দিতে চায় ১০ পয়সা করে

করোনার কারণে লকডাউন ও শাটডাউনে কীভাবে কোম্পানিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি বোঝা যায় এর চতুর্থ প্রান্তিকের হিসেবে। গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউনে কোম্পানিটির ব্যবসা হয়নি। মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির যত আয় ছিল, তার অর্ধেক পরের তিন মাসে লোকসান হয়েছে। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছর মার্চ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৪৯ পয়সা।

জুনে অর্থবছর শেষ করা প্রথম কোম্পানি হিসেবে লভ্যাংশ ঘোষণা করা ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি সি পার্ল বিচ রিসোর্ট ও স্পা লিমিটেড বিনিয়োগকারীদেরকে হতাশ করল। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ার প্রতি ১০ পয়সা লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।

করোনার বছরে লকডাউনে হোটেল বন্ধ থাকায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিটি গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৬১ পয়সা। তবে এই আয় আগের বছরের চেয়ে ভালো। ওই বছর শেয়ার প্রতি ৯ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

করোনার কারণে লকডাউন ও শাটডাউনে কীভাবে কোম্পানিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি বোঝা যায় এর চতুর্থ প্রান্তিকের হিসেবে। গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউনে কোম্পানিটির ব্যবসা হয়নি। মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির যত আয় ছিল, তার অর্ধেক পরের তিন মাসে লোকসান হয়েছে।

গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছর মার্চ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৪৯ পয়সা।

লোকসান সত্ত্বেও আগের বছর যে হারে লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি, এবার মুনাফা করার পরেও সেই পরিমাণ লভ্যাংশই দিতে চাইছে।

হতাশ করল সি পার্ল, লভ্যাংশ দিতে চায় ১০ পয়সা করে

রোববার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় লভ্যাংশ সংক্রান্ত এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ এই লভ্যাংশ নিতে চাইলে সেদিন শেয়ার ধরে রাখতে হবে।

এই লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিতে বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর।

কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয় করেছে ৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ৪৪ হাজার ৭৯৭ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৪৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭ হাজার ৭৪৪ টাকা। ফলে এই সময়ে কোম্পানিটির রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৮ কোটি ৫৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩ টাকা।

তবে ১২ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজারটি শেয়ারে বিভক্ত কোম্পানিটির চূড়ান্ত আয় হয়েছে ৭ কোটি ৩৬ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

এই আয়ের মধ্যে কোম্পানিটি বিতরণ করতে চায় ১ কোটি ২০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

২০২০ সালে শেয়ার প্রতি ৯ পয়সা লোকসান করেও ১০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল সি পার্ল। ২০১৯ সালে কোম্পানিটি সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চেয়ে কম আয় করে বেশি লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে সময় শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৪৪ পয়সা, আর বিনিয়োগকারীরা ৫ শতাংশ বোনাস, অর্থাৎ প্রতি ২০টি শেয়ারে একটি শেয়ার পেয়েছিলেন।

লভ্যাংশ তলানিতে থাকলেও পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য তুলনামূলক হিসেবে বেশিই বলা যায়। লভ্যাংশ ঘোষণার দিন এর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৩ টাকায়। গত এক বছরে সর্বনিম্ন দাম ছিল ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা আর সর্বোচ্চ দর ছিল ৭৯ টাকা ১০ পয়সা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য আছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা।

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চানখারপুলে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

চানখারপুলে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম মাহাদী অপু। মাস্টার দা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।মাঝ দিয়ে কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেন অপু।

রাজধানীর চানখারপুল থেকে গলায় গামছা ঝুলানো অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে চকবাজার থান পুলিশ।

এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম মাহাদী অপু। মাস্টার দা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

মাঝ দিয়ে কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেন অপু।

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে, প্রশ্ন কাদেরের

বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে, প্রশ্ন কাদেরের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷’

আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে হবেন, সে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সোমবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক উপকমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে দেয়া বক্তব্যে কাদের বলেন, দেশে শেখ হাসিনার বিকল্প নেতা নেই।

ওই সময় তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷’

তিনি বলেন, ‘বিএনপিতে পরবর্তী নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে? এর জবাব যদি টেমস নদীর পাড়ে (লন্ডন) চলে যায়, তা দেশের মানুষ কোনো দিনও গ্রহণ করবে না।

‘আমি বিএনপিকে প্রশ্ন করতে চাই, আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? আন্দোলনে আপনাদের লিডার কে? কাকে ঘিরে আন্দোলন করবেন? কাকে ঘিরে সরকার গঠন করবেন?’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আমাদের লিডার হচ্ছে শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷ একজনকে দেখাবেন; পলাতক, দণ্ডিত আসামি।

‘দণ্ডিত, পলাতক এক ব্যক্তি। তিনিই আপনাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এটা কি বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে? এটা কি শেখ হাসিনার বিকল্প হতে পারে? মানুষ এত বোকা নয়। বিএনপিকে ভোট দিয়ে লাভ নেই।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

সাগর হালদারের জালে ১৬ কেজি ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে প্রায় ১৬ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে পদ্মা নদী থেকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে জেলে সাগর হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

তিনি জানান, দুপুর ১টার দিকে ১৫ কেজি ৮০০ গ্রামের মাছটি পেয়ে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কে শাকিল সোহান মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। আড়ত মালিক শাজাহান শেখ মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

পরে মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ মোবাইলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে ঢাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের পাশে দোয়ানী এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মালেকের বাড়ি গড্ডিমারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দোয়ানী এলাকাতেই।

মালেকের পরিবারের দাবি জমিসংক্রান্ত মামলার জেরে তাকে হত‌্যা করা হয়েছে।

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হত্যার কারণ জানতে চাইলে পুলিশ সুপার জানান, মালেকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাশাপাশি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ্য শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে অসুস্থ্য ছেলেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে বাসচাপায় অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় উম্মেতুনেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সোমবার দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, ৩ বছর বয়সী শিশু মোশারফ মিয়া, ৮ বছর বয়সী রূপা আক্তার ও জব্বার মিয়া। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

আহত তিনজনের পরিচয় এখনও জানতে পারেনি পুলিশ।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ্য শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

পরে মাধবপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রূপা আক্তার মারা যান।

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ‘উদ্যানের রাজা’ ঢাবি শিক্ষার্থী আখতারুল করীম রুবেলকে সাময়িক বহিষ্কারেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার দায়ে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মো. রাকিব হাসান ও ভূতত্ত্ব বিভাগ শিক্ষার্থী ইশরাক হোসেন রাফি। তারা দুইজনই ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হয়েছিলেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভা থেকে এই দুই শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এর আগে দুই দফায় ৮৫ জন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারা সবাই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) করা মামলার আসামি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

‘উদ্যানের রাজা’ আখতারুল করীম রুবেল নামে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আকতারুল করিম রুবেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের উপ দফতর সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক ব্যবসায়ীদের চারটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি উদ্যানে ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবেও এই শিক্ষার্থী পরিচিত।

শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এক কর্মচারীর কাছে চাঁদা দাবি করে তাকে মারধরের ঘটনায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও তিনি জেলে। এ ঘটনায় ২৮ জুলাই তাকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন

 সংশোধনের পুঁজিবাজারে নিষ্প্রভ আরও এক দিন

 সংশোধনের পুঁজিবাজারে নিষ্প্রভ  আরও এক দিন

টানা তৃতীয় সপ্তাহ ধরে দর সংশোধন চলছে পুঁজিবাজারে। বিনিয়োগকারীদের আরও একটি দিন হতাশ করেছে লেনদেন।

লেনদেন আবার কমে ২ হাজার কোটি টাকার নিচে নেমেছে। আগের দিন সূচকের পতন হলেও ১২ সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। হাতবদল হয় ২ হাজার ২৫৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। প্রায় ৩০০ কোটি টাকা করে লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৮০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

বড় উত্থানের পর সংশোধনের তৃতীয় সপ্তাহে এসেও গতি ফিরে পাচ্ছে না পুঁজিবাজার। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে পতনের পর দিন হারানো সূচক ফিরে পেলেও লেনদেন কমে গেছে আবার।

সূচক বাড়লেও বেশির ভাগ শেয়ার দর হারিয়েছে। ১৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২০২টি শেয়ারের দর।

দর বৃদ্ধির তুলনায় পতন হওয়া কোম্পানির সংখ্যা দেড় গুণ হলেও সূচক বেড়েছে গ্রামীণফোন, আইসিবি, লাফার্জ হোলসিম ও ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো কোম্পানির মতো বড় মূলধনি কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে।

এই চারটি কোম্পানির কারণেই সূচকে যোগ হয়েছে ১১.০৪ পয়েন্ট।

অন্যদিকে দরপতন বেশি হয়েছে স্বল্প মূলধনি ও লোকসানি কোম্পানির। সবচেয়ে বেশি পতন হওয়া সাতটি কোম্পানির সবগুলোই লোকসানি, স্বল্প মূলধনি কোম্পানি। এর মধ্যে একটি ২০১৯ সালের পর হিসাবও দিচ্ছে না। গত কয়েক মাসে এসব কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছিল অস্বাভাবিক হারে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই প্রবণতা শুরু হয়েছে। সূচক এক দিন বাড়লে পরদিন কমে- লেনদেনেও একই প্রবণতা।

টানা তিন সপ্তাহ রোববার সূচকের পতনে লেনদেন শুরু হলেও পরদিনই আবার বেড়েছে সূচক।

আগের দিন সূচক পড়েছিল ১৩ পয়েন্ট আর সোমবার বেড়েছে ১৪ পয়েন্ট।

তবে লেনদেন আবার কমে ২ হাজার কোটি টাকার নিচে নেমেছে। আগের দিন সূচকের পতন হলেও ১২ সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। হাতবদল হয় ২ হাজার ২৫৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। প্রায় ৩০০ কোটি টাকা করে লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৮০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

পতন দিয়ে সপ্তাহ শুরুর পর দ্বিতীয় দিন সূচক বাড়ার ঘটনা আগের ‍দুই সপ্তাহেও হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর রোববার সূচক কমে ৫৬ পয়েন্ট, পরদিন বাড়ে ১৬ পয়েন্ট।

১৯ সেপ্টেম্বর পরের রোববার সূচক পড়ে ৩৭ পয়েন্ট, পরদিন বাড়ে ১৪ পয়েন্ট।

আরও আসছে...

আরও পড়ুন:
ব্যাংক-বস্ত্রের দারুণ দিন, ৭ হাজার পয়েন্টের দিকে সূচকের যাত্রা
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ব্যাংকের বিশেষ তহবিল
দরপতনেও পুঁজিবাজারে ‘স্বস্তি’
সম্পদ ব্যবস্থাপকের লাইসেন্স পেল সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট
ব্যাংক-বিমার ঝলমলে দিন

শেয়ার করুন