৬০ শতাংশ শেয়ার: বিমা খাতে দর পতনেও উজ্জ্বল স্ট্যান্ডার্ড

৬০ শতাংশ শেয়ার: বিমা খাতে দর পতনেও উজ্জ্বল স্ট্যান্ডার্ড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের প্রধান কার্যালয়।

জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সংশোধনে বিমা খাতের কোম্পানিগুলো ১৬ থেকে ৩০ শতাংশের মতো দর হারিয়েছে। কিন্তু এই সময়ে একমাত্র কোম্পানি হিসেবে ২৯ শতাংশের মতো দর বেড়েছে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের। এ্ সময়ে পরিচালকদের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা পূরণে আট জনের ৬০ লাখের বেশি শেয়ার কেনার ঘটনা ঘটেছে।

গত ৮ জুন ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ছিল ১১২ টাকা ৫০ পয়সা। কমতে কমতে এখন দাম ৮০ টাকা ৯০ পয়সা। কোম্পানিটি দর হারিয়েছে ২৮.০৮ শতাংশ।

গত ৯ জুন সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের দাম ছিল ১২১ টাকা ৮০ পয়সা। বর্তমান দাম ৮২ টাকা ২০ পয়সা। দর কমেছে ২৯.২২ শতাংশ।

গত ৮ জুন রূপালী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৫১ টাকা ৭০ পয়সা। বর্তমান দর ৪৩ টাকা ১০ পয়সা। দর কমেছে ১৬.৬৩ শতাংশ।

গত ১৬ জুন রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ছিল ১৩১ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমান দর ১০৫ টাকা ৯০ পয়সা। দর কমেছে ১৯.৫২ শতাংশ।

গত ১৪ জুন পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ছিল ২০৮ টাকা ৯০ পয়সা। ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর শেয়ার দর ১৩৪ টাকা ৩০ পয়সা। ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসাব ধরলেও দর দাঁড়ায় ১৪৭.৭০ টাকা। এই হিসাবে দর কমেছে ২৯.২৯ শতাংশ।

জুনের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বিমা খাতে দর সংশোধনে কোম্পানিগুলো কী পরিমাণ দর হারিয়েছে, তা এ থেকে বোঝা যায়।

তবে এই খাতের ভাটার টানের মধ্যেও একটি কোম্পানি কেবল ঠাঁই দাঁড়িয়ে নয়, এই সময়েও দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

গত ৮ জুন স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৬৪ টাকা ৮০ পয়সা আর বর্তমান দর ৮৩ টাকা ৩০ পয়সা। দাম বেড়েছে ১৭ টাকা ৪০ পয়সা বা ২৬.৮৫ শতাংশ।

স্ট্যান্ডার্ডের এই উত্থান কেন, সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া কঠিন। তবে একটি ঘটনা এই সময়ে ঘটেছে। সেটি হলো উদ্যোক্তা পরিচালকদের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা এই সময়ে পূরণ হয়েছে।

গত জুনে কোম্পানিটির আটজন উদ্যোক্তা পরিচালক ৬০ লাখ ৪৩ হাজার ১৪৯টি শেয়ার কেনার ঘোষণা দেন। ২৮ জুন সেই শেয়ার কেনা শেষ হয়। এর ফলে কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের অংশের শেয়ার প্রায় ১৩.৯৫ শতাংশ বেড়ে যায়। আর বর্তমানে কোম্পানির মোট শেয়ারের ৬৫ শতাংশ এখন উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে।

এই ক্রয় শেষ হওয়ার পরে কোম্পানির শেয়ার দর আর কমেনি। যদিও এই খাতের প্রায় সবগুলো কোম্পানি বেশ ভালো পরিমাণে দর হারিয়ে বিনিয়োগকারীদেরকে হতাশ করেছে।

বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের পরিশোধিত মূলধনের ৬০ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে এমন সিদ্ধান্ত ২০১০ সালের। কিন্ত ২০২১ সালের জানুয়ারিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ নতুন করে সবকটি বিমা কোম্পানির কাছে পাঠালে এ নিয়ে শুরু হয় হুলস্থল।

বিমা আইন ২০১০-এর ২১(৩) ধারার তফসিল-১-এ বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ আসবে উদ্যোক্তাদের কাছ থাকে। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

সাধারণ বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন হবে ৪০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ উদ্যোক্তারা দেবেন। বাকি ৪০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য।

এক দশকে এই বিধান কার্যকর না হলেও গত বছর বিষয়টি সামনে আসে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইডিআরএ জানায়, উদ্যোক্তা পরিচালকদেরকে শেয়ার কিনতে হবে।

আর গত এক বছরে কোনো কোনো বিমা কোম্পানির শেয়ার দর ১০ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যান্য নানা কারণের পাশাপাশি এই ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত বিধিবিধানও একটি কারণ হিসেবে ধরা হয়।

মে মাস শেষে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৫১.৩৬ শতাংশ শেয়ার ছিল উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল ৪১.৭৪ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৪২ কোটি ২৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। ৬০ শতাংশের শর্ত পূরণ করলে যে পরিমাণ শেয়ার কিনতে হতো, তার চেয়ে দেড় গুণেরও বেশি কিনেছে উদ্যোক্তা পরিচালকরা।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানি সচিব কাউসার মুন্সি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আইডিআরএ যে আইন আছে সেটি পরিপালনেই কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন।’

গত ২০ জুন আইডিআরএ চেয়ারম্যান এম মোশাররফ সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ে বলেন, ‘তাদের (উদ্যোক্তা-পরিচালকরা) পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে হবে। এজন্য হঠাৎ করে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা আছে। তবে যেহেতু এটি আইনগত বিষয়, তাই জটিলতা থাকলেও আইগনত বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দেবো।’

তবে বিধান করার ১০ বছরেও উদ্যোক্তা পরিচালকদের এই শেয়ার কিনতে বাধ্য করা হয়নি। আর শেয়ার না কিনলে বোর্ড পুনর্গঠন বিয়ে কোনো ব্যবস্থাও নেয়া হয়নি। অথচ গত এক বছরে বিমার শেয়ারে ঊর্ধ্বগতির যেসব কারণ আছে বলে ধারণা করা হয়, তার মধ্যে এই বিষয়টিও আছে বলে ধারণা করা হয়।

৬০ শতাংশ শেয়ার: বিমা খাতে দর পতনেও উজ্জ্বল স্ট্যান্ডার্ড
উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারণে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ১০ বছর আগের একটি বিধান সম্প্রতি তুমুল আলোচিত হয়েছে

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র এস এম শাকিল আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের একটি নির্দেশনা আছে বিমা কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের পরিশোধিত মূলধনের ভিত্তিতে শেয়ার কেনার। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অনেক বিমা কোম্পানির ব্যবসা মুখ থুবরে পড়েছে। অনেক কোম্পানি জনবল কামিয়েছে। এ অবস্থায় বিমা কোম্পানিগুলোকে কিছুটা সময় দিতে হবে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সময়ে দেয়া উচিত।’

কর্তৃপক্ষের অন্য একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গত কয়েক মাসে বিমা কোম্পানির বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা পরিচালক শেয়ার বিক্রি ও হস্তান্তরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। অবশ্য সম্প্রতি ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের একজন পরিচালককে ৮ লাখ ১০ হাজার শেয়ার ব্লক মার্কেটে বিক্রি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ বলছেন, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালির কারণে বিমার শেয়ার নিয়ে কারসাজি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যারা যদি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতো তাহলে সেটি এতদিনে বাস্তবায়ন হয়ে যেত। এটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিমা শেয়ার দর যেভাবে বেড়েছে তার যৌক্তিকতা হারিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিনিয়োগকারীরাও যে কোনো নির্দেশনা আসলেই সেটি ধরেই বিনিয়োগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেটিতে কোম্পানির কী হবে, কোম্পানির আর্থিক অবস্থা কী হবে সেটি যাচাই বাছাই করে না। এতে স্বল্প সময়ে মুনাফা পাওয়া গেলেও দীর্ঘ মেয়াদে লোকসানে পড়তে হয়।’

যেসব কোম্পানির শেয়ারের ৬০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে

ক্রিস্টাল, দেশ, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের ৬০ শতাংশ করে শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালকরা ধারণ করে আছেন। আর রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সে মালিকদের হিস্যা সবচেয়ে বেশি, ৬৪.২৪ শতাংশ। ৬১ দশমিক ৩৫ শতাংশ আছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্সে।

প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি আছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের। উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে আছে ৫৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

৫০ শতাংশের বেশি শেয়ার যেসব কোম্পানিতে

বেশ কিছু বিমা কোম্পানি আছে যাদের উদ্যোক্তা পরিচালকদের অল্প কিছু শেয়ার কিনলেই বিমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শর্ত পূরণ করা সম্ভব। যেমন ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সে যত শেয়ার আছে তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হিস্যা আছে ৫৫.৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ সাড়ে চার শতাংশের মতো শেয়ার কিনতে হবে তাদের।

ন্যাশনাল লাইফে এই হিস্যা ৫৪.৯২ শতাংশ। তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তা পরিচালকদের কিনতে হবে ১০ শতাংশেরও কম শেয়ার। এই কোম্পানিতে তাদের হিস্যা ৫০.৮৭ শতাংশ।

৪০ শতাংশের বেশি

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সে ৪৮.৬১ শতাংশ শেয়ার ধারণ করে আছেন উদ্যোক্তা পরিচালকদের। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সে এই হার ৪৮.৪৯ শতাংশ।

মালিকদের শেয়ার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে আছে অন্য যেসব বিমা কোম্পানিতে, তার মধ্যে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সে ৪৮.২৭ শতাংশ, রূপালী ইন্স্যুরেন্সের ৪৬.২৬ শতাংশ, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ৪৫.৬২ শতাংশ, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ৪৩.১৩ শতাংশ, সোনালী লাইফের ৪৩ শতাংশ, প্রগতি লাইফের ৪১.৩২ শতাংশ এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সে আছে ৪০.৮০ শতাংশ।

৩৫ শতাংশের বেশি

মালিকদের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনতে হবে এমন বিমা কোম্পানির সংখ্যা ১৩টি। এর মধ্যে আছে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (৩৯.৬৬ শতাংশ), ইসলামী ইন্স্যুরেন্স (৩৯.৪৯ শতাংশ), সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স (৩৯ শতাংশ), প্রোগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স (৩৮.৮২ শতাংশ), ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স (৩৮.২৬ শতাংশ), প্রগতি ইন্স্যুরেন্স (৩৮.১০ শতাংশ), প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স (৩৮.০৮ শতাংশ), ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স (৩৭.৮০ শতাংশ), সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স (৩৬.৭৮ শতাংশ), ডেল্টা লাইফ (৩৬.৬৪ শতাংশ), জনতা ইন্স্যুরেন্স (৩৬.১৭ শতাংশ), গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স (৩৫.৬৭ শতাংশ), নিটোল ইন্স্যুরেন্স (৩৫ শতাংশ)।

৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ যাদের

পদ্মা লাইফ (৩৪.৭৯ শতাংশ), সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (৩৪.০৬ শতাংশ), বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (৩৩.৯৮), গ্রিনডেল্টা ইন্স্যুরেন্স (৩৩.৮৪ শতাংশ), মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স (৩২.৮৫ শতাংশ), কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স (৩২.২৫ শতাংশ), রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স (৩২.০৭ শতাংশ), পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (৩১.৭৫ শতাংশ), রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স (৩১.৬৭ শতাংশ), সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স (৩১.৫৯ শতাংশ), নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স (৩১.৫৫ শতাংশ)।

এখন যত শেয়ার ধারণ করে আছেন উদ্যোক্তা পরিচালকরা, তার সম পরিমাণ কিনতে হবে আটটি কোম্পানির।

এর মধ্যে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তা পরিচালকদের কিনতে হবে ২৯.৪৫ শতাংশ, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ২৯.৪৮ শতাংশ, মেঘনা লাইফ ও পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ২৯.৫৯ শতাংশ, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৯.৭০ শতাংশ, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ২৯.৮২ শতাংশ, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ২৯.৮৫ শতাংশ এবং প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ২৯.৯৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জমি নিয়ে বিরোধ, চাচাতো ভাইদের হাতে ‘খুন’

জমি নিয়ে বিরোধ, চাচাতো ভাইদের হাতে ‘খুন’

স্থানীয়রা জানান, আবু জাফর তার চাচাতো ভাইদের কাছে কিছু জমি বিক্রি করেন। ২১ অক্টোবর সেই জমির দলিল করা হয়। চাচাতো ভাইয়েরা কৌশলে জাফরের বাড়ির দাগের জমি ভেন্ডারের মাধ্যমে দলিলে যুক্ত করে নেন। ঘটনা জানতে পেরে শনিবার দুপুরে দুই পরিবারের লোকজন বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠককে কেন্দ্র করেই হত্যার ঘটনা ঘটে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবু জাফর শরীফ নামের এক যুবক চাচাতো ভাইদের হাতে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামে শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ৩৮ বছর বয়সী আবু জাফর তার চাচাতো ভাইদের কাছে কিছু জমি বিক্রি করেন। ২১ অক্টোবর সেই জমির দলিল করা হয়। চাচাতো ভাইয়েরা কৌশলে জাফরের বাড়ির দাগের জমি ভেন্ডারের মাধ্যমে দলিলে যুক্ত করে নেন। ঘটনা জানতে পেরে শনিবার দুপুরে দুই পরিবারের লোকজন বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠককে কেন্দ্র করেই হত্যার ঘটনা ঘটে।

জাফরের ভাই তোফাজ্জেল শরীফ বলেন, ‘চাচাতো ভাই জামাল শরীফ ও আবুল শরীফের কাছে আমার ভাই জাফর কিছু জমি বিক্রয় করে। সেই জমি দলিল করার সময় তারা ভেন্ডারের মাধ্যমে বাড়ির দাগের জমি দলিলে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। সবকিছু জেনে আবু জাফর বাড়ির দুই পরিবারের লোকদের সঙ্গে আলোচনায় বসলে একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি হয়। তখন চাচাতো ভাইয়েরা জাফরকে তাদের ঘরের নিয়ে আটকে রাখে। কিছুক্ষণ পরে রক্তাক্ত অবস্থায় জাফরকে বৈঠকের রুমে ফেলে তারা পালিয়ে যায়। তাকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

বাকেরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

বাড্ডায় ফার্নিচারের দোকানে আগুন

বাড্ডায় ফার্নিচারের দোকানে আগুন

ফাইল ছবি

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার ফরহাদ জানান, সাতারকুল জিএম বাড়ি এলাকায় ফার্নিচারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে, আরও তিনটি ইউনিট যুক্ত হচ্ছে।

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুল এলাকার একটি ফার্নিচারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

শনিবার রাত ১০টার দিকে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার ফরহাদ জানান, সাতারকুল জিএম বাড়ি এলাকায় ফার্নিচারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে, আরও তিনটি ইউনিট যুক্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তবে ফরহাদ হোসেন প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

‘গুজব ছড়ানোয়’ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

‘গুজব ছড়ানোয়’ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নাজির হোসেন ইমরান। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের গুজব ছড়িয়ে ইমরান জনসাধারণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা চালান। পরে ওই পোস্ট ডিলিট করে আত্মগোপনে চলে যান।

ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকা থেকে শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নাজির হোসেন ইমরান বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

র‍্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা শনিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের মণ্ডপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের উদ্দেশ্যে ইমরান ফেসবুকে বিভিন্ন উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছিলেন।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের গুজব ছড়িয়ে ইমরান জনসাধারণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা চালান। পরে ওই পোস্ট ডিলিট করে আত্মগোপনে চলে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব তাকে আটক করে।

এরপর র‍্যাব তাকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

‘রাজাকারের’ ছেলেকে নৌকা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ

‘রাজাকারের’ ছেলেকে নৌকা, 
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই বলেন, ‘এই দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ছিল রাজাকাররা। এখন কিছু নেতাকর্মী টাকা খেয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে শক্তির দল আওয়ামী লীগে ভিড়িয়েছে। এই জন্য কী বঙ্গবন্ধুর ডাকে এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলাম?’

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বিল্লাল হোসেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী তৎকালীন শান্তি কমিটির স্থানীয় সভাপতি মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বিল্লালকে নৌকা প্রতীক দেয়ার প্রতিবাদে শনিবার তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন।

বিল্লালকে নৌকা প্রতীক দেয়ার প্রতিবাদে বিকেলে রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল রায়পুর বাজার প্রদক্ষিণ করে।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া বিল্লাল হোসেন। তার দাবি, তার বাবা রাজাকার ছিলেন না। আর এর আগে তিনি যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন।

তবে মানববন্ধনে বক্তারা জানান, রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের একটি পক্ষকে অর্থের মাধ্যমে হাত করে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের মদদপুষ্ট হয়ে বিল্লাল হোসেন আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে উঠেছেন।

এভাবেই স্থানীয় আওয়ামী লীগ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদে বিল্লালকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছে। এখন রাজাকারের ছেলে যদি নৌকা প্রতীক পান তবে আওয়ামী ইজ্জত বলে কিছু থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই বলেন, ‘এই দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ছিল রাজাকাররা। এখন কিছু নেতাকর্মী টাকা খেয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে শক্তির দল আওয়ামী লীগে ভিড়িয়েছে। এই জন্য কী বঙ্গবন্ধুর ডাকে এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলাম?’

তিনি আরও বলেন, ‘বাঘারপাড়াসহ রায়পুরে শান্তি কমিটির প্রভাবশালী নেতা ছিল রাজাকার মোহাম্মদ আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষের বাড়িতে ডাকাতির সাথে নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে সে।

‘সেই রাজাকারের ছেলে বিল্লাল হোসেন। তার পরিবারও রাজাকার। বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে নৌকা প্রতীক পাওয়ার পায়তারা করছে।’

রাজাকারের সন্তানের পরিবর্তে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের নৌকা প্রতীক দেয়ার দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়া, ইয়াকুব আলী, ডা. ইরাদত আলী, হাফিজুর রহমান, আলী বক্স, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুর রহমান, রিপন হোসেন ও মাসুদুর রহমান রাজু।

অভিযোগের বিষয়ে বিল্লাল হোসেন জানান, তার বাবা রাজাকার ছিলেন না। সে সময় রাজাকার কমান্ডার ছিলেন ছড়িয়ালা আজিজ। পরে সভাপতি হন মৌলভী আবুল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমি ২০০৬ সালে ভোটের মাধ্যমে জিতে রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। আমি এরশাদের সময় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। এর আগে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে ছিলাম।’

তবে বিল্লাল হোসেন যাদের রাজাকার কমান্ডার বলছেন কীসের ভিত্তিতে বলেছেন জানতে চাইলে বলেন, ‘স্থানীয় মুরব্বিদের কাছে শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

জলবায়ু তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ দাবি দেশি গবেষকদের

জলবায়ু তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ দাবি দেশি গবেষকদের

‘কপ-২৬’ উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা এবং প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সভায় দেশি জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।

করোনার কারণে ২০২০ সালে কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়ার এবারের সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে রাষ্ট্রগুলোকে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিবে হবে বলেও মনে করেন সিপিআরডি-এর প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা।

জলবায়ুজনিত ক্ষতির প্রভাব কমিয়ে আনতে প্রতিশ্রুত অর্থ দিচ্ছে না শিল্পোন্নত দেশগুলো। এ জন্য আসন্ন কপ-২৬ সম্মেলনে জলবায়ু তহবিল বা গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে পর্যাপ্ত অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার ডেইলি স্টার সেন্টারের আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে ‘সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপম্যান্ট’ (সিপিআরডি) আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এই দাবি করেন।

ইউএনসিসিসি’র ২৬তম জলবায়ু সম্মেলন অর্থাৎ ‘কপ-২৬’ উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা এবং প্রস্তাবনা’ শীর্ষক ওই সভায় কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন অংশ নেয়।

সভায় অংশ নেয়া সংগঠনগুলোর মধ্যে সিপিআরডি-এর প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ‘জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবের জন্য শিল্পোন্নত দেশগুলো দায়ী হলেও এর ক্ষতির শিকার হচ্ছে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। এ ক্ষতি কমাতে শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রাখছে না। আগামী কপ-২৬ সম্মেলনে এই তহবিলে ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাহ অব্যাহত প্রতিশ্রুতির বাস্তয়নে জোর দিতে হবে।’

ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিল্পোন্নত দেশগুলোতে ২০৩০ সালের মধ্যে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বকে ২০৪০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। কপ-২৬ সম্মেলনেই এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি নিতে হবে।’

শামসুদ্দোহা জানান, করোনার কারণে ২০২০ সালে কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়ার এবারের সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে রাষ্ট্রগুলোকে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিবে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধরিত্রী সরকার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা থাকলেও উন্নত বিশ্ব তা প্রাক-শিল্প বিপ্লব সময়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যথাযথ সঠিক এনডিসি ডকুমেন্টই পারে এই বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে।’

জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে সরকার, গবেষক, নীতি-নির্ধারক এবং নাগরিক সমাজকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক সৈয়দ আমিনুল হক বলেন, ‘অসছে সম্মেলনে শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের পাশ কাটিয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এ জন্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজকে এই অপচেষ্টাকে মোকাবিলা করতে হবে।’

সিডিপির নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গির হাসান মাসুম বলেন, ‘উন্নত বিশ্ব কার্বন নির্গমণ কমানোর বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন ইস্যুকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে সামনে নিয়ে আসে। ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলো যদি কার্বন নির্গমন কমানোর উপরই মূল চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখতো তাহলে এখন পরিস্থিতি ভিন্ন রকম থাকত।’

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

নাশকতার মামলায় ১২ জামায়াত-শিবির সদস্য কারাগারে

নাশকতার মামলায় ১২ জামায়াত-শিবির সদস্য কারাগারে

রাজশাহীর পবা থেকে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ১২ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

এজাহারের বরাতে আদালত পরিদর্শক আবুল হাশেম জানান, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার লক্ষ্যে বৈঠক চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় পালোপাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় জব্দ হয় বেশকিছু জিহাদি বই, ব্যানার, কর্মী সংগ্রহের ফরম ও চাঁদা আদায়ের রশিদ।

রাজশাহীর পবা থেকে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ১২ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রাজাশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম রেজাউল করিমের আদালতে শনিবার বিকেলে তোলা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, ৫০ বছরের মনিরুল ইসলাম, ৬৮ বছরের কলিম উদ্দিন, ২৫ বছরের আব্দুল মতিন ও আব্দুল মমিন, ২০ বছরের ফয়সাল আহমেদ, ৩৫ বছরের আজাহার আলী, ৪২ বছরের আবু বক্কর, ৩০ বছরের আব্দুর রব, ৩৪ বছরের উজ্জ্বল হোসেন, ৩৫ বছরের আব্দুল হালিম, ৫০ বছরের ওবেদ আলী ও ৬১ বছরের আবুল হোসেন। তারা সবার বাড়ি পবা উপজেলায়।

এসব নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক আবুল হাশেম।

মামলার এজাহারের বরাতে তিনি জানান, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার লক্ষ্যে বৈঠক চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় পালোপাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় জব্দ হয় বেশকিছু জিহাদি বই, ব্যানার, কর্মী সংগ্রহের ফরম ও চাঁদা আদায়ের রশিদ।

পরে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক রেজাউল করিম কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে বুকে টেনে নিলেন প্রতিমন্ত্রী

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে বুকে টেনে নিলেন প্রতিমন্ত্রী

বন্ধু ছিতুয়ার সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বন্ধুকে নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমানের দেয়া পোস্টে মাত্র দুই ঘণ্টায় লাইক ও রিঅ্যাক্ট পড়েছে আট হাজার। কমেন্ট করেছেন তেরো শর বেশি বন্ধু ও অনুসারী। তারা সবাই মন্ত্রীর এমন আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

রংপুরের পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে গিয়েছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। সেখানেই তার দেখা হয় বাল্যবন্ধু ছিতুয়ার সঙ্গে।

পেশায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিতুয়া মানুষের ভিড়ে নিজেকে আড়াল করতে চাইলেও পারেননি। মন্ত্রী তাকে সবার সামনেই বন্ধু সম্বোধন করে টেনে নিয়েছেন বুকে। কাঁধে হাত রেখে তুলেছেন ছবি।

বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সেই ছবি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্টও করেছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। প্রকাশ করেছেন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এক চিত্র।

ছিতুয়া সম্প্রতি রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি থেকে অবসরে গেছেন। স্ত্রী গীতা রানী এখনও চাকরি করছেন। ছিতুয়ার মা চানিয়া রানীও ছিলেন রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী।

বন্ধুর কর্মস্থল রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর দপ্তরের সামনে জড়িয়ে ধরে রাখা ছবিটি তোলেন প্রতিমন্ত্রী এনামুর।

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে সেই ছবি দিয়ে স্মৃতিচারণা করে আবেগঘন এক পোস্ট দেন ঢাকা-২০ আসনের (সাভার) এই সংসদ সদস্য।

তার সেই পোস্টে মাত্র দুই ঘণ্টায় লাইক ও রিঅ্যাক্ট পড়েছে আট হাজার। কমেন্ট করেছেন তেরো শর বেশি বন্ধু ও অনুসারী। তারা সবাই মন্ত্রীর এমন আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

হাসান ইকবাল শাহীন নামে একজন লেখেন, ‘আপনার এই অনুভূতি, চিন্তাধারা আর স্বীকারোক্তি এবং বাস্তবতার সংমিশ্রণ ভালোবাসার নিদর্শন আমাদের জন্য। প্রজন্মের পর প্রজন্মের জন্য প্রেরণা ও আদর্শ হয়ে থাকবে। উঁচু-নিচুর বৈষম্যহীনতাই আমাদের জন্য জরুরি, যা ইসলাম ধর্মেও আছে… সবার উপরে মানুষ সত্য এটাই যেন রয়!’

মনির আহমেদ সুজন নামে আরেকজন লেখেন, ‘বাংলাদেশের সকল এমপি মহোদয়ের মনমানসিকতা এমন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ আরও বহুদূর এগিয়ে যেত।’

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে বুকে টেনে নিলেন প্রতিমন্ত্রী

মন্ত্রী তার ফেসবুকে লিখেছেন- পতাকাবাহী গাড়ি। পুলিশ প্রটোকল। বাড়তি লোকজনের ভিড়। এসব দেখে কিছুটা হতভম্ব ছিতুয়া। আমাদের সেই বন্ধুত্বের আবেগ আর আমার দুরন্তপনার দিনগুলো তখন অতীতের স্মৃতির ঝাঁপি খুলে জ্বলজ্বলে তারা হয়ে উপস্থিত আমার চোখের সামনে।

কিন্তু ছিতুয়া প্রচণ্ড আড়ষ্ট। নিজেকে আড়াল করার কী ব্যর্থ চেষ্টা! আমি বুঝতে পারছিলাম, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে চারপাশের প্রটোকলের আবহ ছিতুয়া আর আমার সম্পর্কের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল টেনে দিচ্ছে।

জনারণ্যে ‘এ্যাই ছিতুয়া’ বলে ডাকতেই ফিরে তাকাল সে। পড়ন্ত বয়সেও যেন সেই হারানো যৌবনের চকচকে চোখে মৃদু হাসিতে তাকাল আমার দিকে। দৃষ্টি বিনিময় হতেই বন্ধুকে বুকে টেনে নিয়ে বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে বললাম, এই ছিতুয়াই আমার স্কুলের বন্ধু। ছিতুয়ার তখন ছলছলে চোখ। আমারও গোপন অশ্রুবিন্দুগুলো তখন স্মৃতির মণিমুক্তা হয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে দুই নয়ন।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) থেকে সম্প্রতি অবসর নিয়েছে ছিতুয়া। ছিতুয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে ধারাবাহিক পেশাগত সম্পর্ক ধরে রেখেছে বৌদি গীতা রানী। সেও এখন সুইপার পদে কর্মরত।

তো আসছি ছিতুয়ার প্রসঙ্গে। আমার বাবা মরহুম আক্তারুজ্জামান খান ছিলেন এই অফিসেরই উচ্চমান সরকারী (ইউডি অ্যাসিসট্যান্ট)। আর ছিতুয়ার মা (আমাদের প্রিয় মাসি মা) চানিয়া রানী ছিলেন সুইপার।

তখন ছিল স্বর্ণালি যুগ। আমরা যে মূল্যবোধে বেড়ে উঠছিলাম, সেখানে জাতপাতের কোনো বালাই ছিল না।

আরও অন্য বন্ধুদের মতো ছিতুয়াও ছিল আমার দুরন্ত শৈশব আর কৈশোর অসাধারণ এক বন্ধু। রংপুরের রবার্টসনগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আমাদের সঙ্গেই ছিল ছিতুয়া। তারপর পড়াশোনায় সে ইস্তফা দিলেও আমাদের বন্ধুত্বে ভাটা পড়েনি কখনো।

আহারে জীবন। আমার সোনালি অতীত। সোনালি কৈশোরের কত শত স্মৃতিমাখা এই রংপুর।

আজ ছিতুয়া ঝাপসা করে দিচ্ছে আমার চোখ দুটো।

ছিতুয়া আর আমার দুরন্তপনায় রীতিমতো অস্থির থাকত পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলোনি। আমি দুঃসাহসী ‘গাছো’ ছিলাম। যে কোন গাছে কাঠবিড়ালের মতো তরতর উঠে পড়তে আমার আর ছিতুয়ার ছিল জুড়ি মেলা ভার। তো কলোনির আঙিনায় সারি সারি নারিকেল গাছের নারিকেল পরিপক্ব হওয়ার আগেই তা আমাদের কারণে সাবাড় হয়ে যেত। তেমনি আম-কাঁঠালও।

জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলো একদিকে যেমন আনন্দের, অন্যদিকে অনেক কষ্টের।

সেই আনন্দ আর কষ্টের মিশেলে ভিন্ন‌ এক অনুভূতি আজ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে আমার বন্ধু ছিতুয়া।

সরকারি চাকরি কনটিনিউ করলে বেশ কয়েক বছর আগে আমার নিজেরও অবসর নিতে হতো। আমার বন্ধুদের অনেকেই দেশবরেণ্য চিকিৎসক, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিবসহ আরও কত কি!

ছিতুয়া অবশ্যই তাদের তুলনায় কম কিছু নয়।

বন্ধু মানে আস্থা, নির্ভরতা। বন্ধু মানে ভালোবাসা, যেখানে থাকে না কোনো স্বার্থ।

গাড়ির পতাকা, প্রটোকল, পদ-পদবি, সামাজিক অবস্থান এগুলো সব কিছুই সাময়িক। কিন্তু বন্ধুত্বের বন্ধন চিরদিনের।

ছিতুয়া বন্ধু আমার। তোর জন্য ভালোবাসা।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে ব্যাপকভাবে বাড়ল বিমার আয়ও
চার বিমা কোম্পানির আয়ে চমক
ন্যাশনাল লাইফ ৩২%, সন্ধানীর ১২% নগদ লভ্যাংশ
চমক দেখাল রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সও
অনেক দিন পর বিমার একদিন

শেয়ার করুন