আইপিওর অব্যবহৃত টাকার সুদে ওয়ালটনের বিএমআরই

আইপিওর অব্যবহৃত টাকার সুদে ওয়ালটনের বিএমআরই

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৫২ টাকা দরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ওয়ালটন ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০১৮ সালের গত ৯ আগস্ট শুরু হয়ে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলে আবেদন। এতে আইপিওর ৯.৫৯ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে।

প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে আইপিও মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ২০২০ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির উত্তোলন করা টাকার অব্যবহৃত অংশ ব্যাংকে রক্ষিত আছে। এর বিপরীতে ব্যাংক থেকে যে সুদ পাওয়া গেছে তা কোম্পানির বিএমআরইতে ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আইপিও থেকে উত্তোলনকৃত অর্থ কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিওর ব্যয় মেটানোর ঘোষণা দিয়েছিল ওয়ালটন।

বুধবার ভার্চুয়াল ফ্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয় কোম্পানিটির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম। যেখানেই শেয়ারধারীরা এ প্রস্তাবে অনুমোদন দেন।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৫২ টাকা দরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ওয়ালটন ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০১৮ সালের গত ৯ আগস্ট শুরু হয়ে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলে আবেদন। এতে আইপিওর ৯.৫৯ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে।

ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৫৭ টাকা। অর্থাৎ যারা আইপিওতে শেয়ার পেয়েছেন তারা পাঁচ গুণেরও বেশি মুনাফায় আছেন।

ইজিএমে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এস এম নূরুল আলম রেজভী।

উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ, পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, এস এম মাহবুবুল আলম, এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, তাহমিনা আফরোজ তান্না ও রাইসা সিগমা হিমা, স্বতস্ত্র্য পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, জাকির হোসেন ভুঁইয়া ও অধ্যাপক এম সাদিকুল ইসলাম।

বিশেষ সাধারণ সভায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে আরও যুক্ত ছিলেন কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আবুল বাশার হাওলাদার, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার, এমদাদুল হক সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও আলমগীর আলম সরকার, কোম্পানি সচিব রফিকুল ইসলাম, এফসিএস, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ ওমর ফারুক রিপন, এফসিএ, ইন্টারনাল অডিট বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, এফসিএ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও সাধারণ শেয়ারধারীসহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আয় বাড়াল ইসলামী ব্যাংকও

আয় বাড়াল ইসলামী ব্যাংকও

গত বছর করোনার বছরে আগের বছরের চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এবারও জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত আয়ে চমক দেখায়। দ্বিগুণ, তিন গুণ এমনকি তার চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এখন তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব প্রকাশ করছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংকও আগের বছরের চেয়ে চলতি বছর বেশি আয় করতে পারছে।

গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করতে পেরেছে ২ টাকা ৬৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল (ইপিএস) ২ টাকা ৩০পয়সা। আয় বেড়েছে ৩৭ পয়সা বা ১৬ শতাংশ।

এর আগে এনসিসি ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনেও আয় বাড়ার বিষয়টি উঠে আসে। এই ব্যাংকটি চলতি বছর তিন প্রান্তিক মিলিয়ে আগের বছর একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি আয় করেছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো নিয়ে নানা রকম আলোচনা থাকলেও বেশিরভাগ কোম্পানির আয় এবং লভ্যাংশ প্রতি বছরই চমকপ্রদ।

গত বছর করোনার বছরে আগের বছরের চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এবারও জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত আয়ে চমক দেখায়। দ্বিগুণ, তিন গুণ এমনকি তার চেয়ে বেশি আয় করা ব্যাংকগুলো এখন তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব প্রকাশ করছে।

ইসলামী ব্যাংক জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৫৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩৬ পয়সা।

আয়ের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্যও বাড়ছে। ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ার প্রতি সম্পদ হয়েছে ৪০ টাকা ৫৯ পয়সা। গত ৩০ ডিসেম্বরে এই সম্পদ ছিল ৩৮ টাকা ৮৯ পয়সা।

কোম্পানিটির শেয়ারদর বর্তমানে তার সম্পদের চেয়ে কম। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের দিন ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩০ টাকায়।

বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমানত ও ঋণদানকারী এই ব্যাংকটির শেয়ার মূল্য গত এক বছর ধরেই স্থিতিশীল। এই সময়ে শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২৫ টাকা ৪০ পয়সা, আর সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩২ টাকা।

কোম্পানিটি প্রতি বছরই বেশ ভালো আয় করলেও লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটি ভালো নয়। ২০১৬ সাল থেকে টানা ৫ বছর শেয়ার প্রতি ১ টাকা করে লভ্যাংশ পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

সাবমেরিন ক্যাবলে আয়ে চমকের পর সর্বোচ্চ লভ্যাংশ

সাবমেরিন ক্যাবলে আয়ে চমকের পর সর্বোচ্চ লভ্যাংশ

২০১২ সালে তালিকাভুক্তির বছরে শেয়ার প্রতি ২ টাকা লভ্যাংশই এর আগে কোম্পানিটির সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ছিল। গত বছরও সম পরিমাণ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। সে বছর শেয়ারে আয় ছিল ৫ টাকা ৪৯ পয়সা। এবার শেয়ার প্রতি ১১ টাকা ৫৭ পয়সা আয় করে ৩৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা এসেছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি আয় করে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে টেলিকম খাতের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারধারীদেরকে ৩ টাকা ৭০ পয়সা করে, অর্থাৎ ৩৭ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২০১২ সালে তালিকাভুক্তির বছরে শেয়ার প্রতি ২ টাকা লভ্যাংশই এর আগে কোম্পানিটির সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ছিল। গত বছরও সম পরিমাণ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। এটিও তাদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ। আগের বছর এই আয় ছিল ৫ টাকা ৪৯ পয়সা।

কোম্পানিটির আয় বেড়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার কারণে। এরপর আয় কীভাবে বেড়েছে, তা ২০১৬ সালের পর থেকে আর্থিক হিসাবে স্পষ্ট হবে।

২০১৬ সালে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল এক টাকা। পরের বছর তা কিছুটা বেড়ে হয় ১ টাকা ৯৩ পয়সা। ২০১৮ সালে শেয়ার প্রতি আয় কমে যায়। ওই বছর এই আয় হয় ৪৪ পয়সা।

তবে এরপর থেকে আয় বাড়তে থাকে। ২০১৯ সালে শেয়ারে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা আর ২০২০ সালে আয় দাঁড়ায় ৫ টাকা ৮০ পয়সা।

২০২১ সালে কোম্পানির আয় প্রতি প্রান্তিকেই বেড়েছে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি ২ টাকা ১ পয়সা, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে ৩ টাকা ২০ পয়সা এবং এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত চতুর্থ প্রান্তিকে আয় হয় ৪ টাকা।

কোম্পানিটি তৃতীয় সাবমেরিক ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে।

কোম্পানিটির আয়ের মতো সম্পদমূল্যেও উল্লম্ফন হয়েছে। গত ৩০ জুন শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ছিল ৫২ টাকা ৪৯ পয়সা। আগের বছর এই সম্পদমূল্য ছিল ৪০ টাকা ৯৩ পয়সা।

প্রতি প্রান্তিকেই আয় বাড়তে থাকার পর কোম্পানিটির শেয়ার মূল্যও বাড়তে থাকে। গত এক বছরে ১২৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৩৬ টাকা পর্যন্ত উঠে। তবে লভ্যাংশ ঘোষণার দিন দাম ছিল ২১২ টাকা ৫০ পয়সা।

কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঠিক করা হয়েছে আগামী ১১ নভেম্বর। অর্থাৎ সেদিন যাদের হাতে শেয়ার থাকবে, তারাই পাবেন লভ্যাংশ। আগামী ৭ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভায় এই লভ্যাংশ চূড়ান্ত হবে।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

১০ টাকার শেয়ারে ১৪ টাকা লোকসান

১০ টাকার শেয়ারে ১৪ টাকা লোকসান

তিন মাস আগে থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদরে উত্থান ঘটে। গত ২৬ জুন কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫ টাকা ৫০ পয়সা। সেখান থেকে টানা বাড়তে বাড়তে গত ৭ সেপ্টেম্বর গিয়ে দাঁড়ায় ১১ টাকা ৭০ পয়সা। পরদিন থেকে শুরু হয় দরপতন। ৫ সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ দর থেকে শেয়ারদর কমেছে ৪ টাকা ২০ পয়সা।  

পর্ষদ পুনর্গঠনের খবরে শেয়ারদরে লাফ দিয়ে হাজারো বিনিয়োগকারীর টাকা আটকে যাওয়া ফাস ফাইন্যান্সের ২০২০ সালের আর্থিক হিসাব চরমভাবে হতাশা করেছে বিনিয়োগকারীদেরকে।

অর্থবছর শেষ হওয়ার ১০ মাস পর ডাকা পর্ষদ সভা শেষে জানানো হয়েছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেয়ার প্রতি ১৪ টাকা ৬১ পয়সা লোকসান হয়েছে কোম্পানিটির। বৃহস্পতিবার পর্ষদ সভা শেষে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশও ঘোষণা করা হয়নি।

আলোচিত ব্যাংকার পি কে হালদার কেলেঙ্কারিতে ডুবে যাওয়া কোম্পানিটিকে টেনে তুলতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দিয়েছে। এরই মধ্যে একটি বড় কোম্পানিকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এর দায়িত্ব নিতে। তবে সেই কোম্পানিটি কোনো আগ্রহ দেখায়নি।

তবে এই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে তিন মাস আগে থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদরে উত্থান ঘটে। গত ২৬ জুন কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫ টাকা ৫০ পয়সা। সেখান থেকে টানা বাড়তে বাড়তে গত ৭ সেপ্টেম্বর গিয়ে দাঁড়ায় ১১ টাকা ৭০ পয়সা।

পরদিন থেকে শুরু হয় দরপতন। ৫ সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ দর থেকে শেয়ারদর কমেছে ৪ টাকা ২০ পয়সা।

যখন শেয়ারদর বাড়ছিল, তখন তাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে চলেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। বিপুল সংখ্যক শেয়ার কেনাবেচা হতে থাকে। আর বেশি দামে শেয়ার কিনে আটকা পড়েছেন হাজার হাজার বিনিয়োগকারী।

যখন দাম বাড়ছিল, তখন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, কোম্পানির লোকসান কমে আসবে। কিন্তু দেখা গেছে উল্টো চিত্র। গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৮ টাকা ৫৪ পয়সা। পরের তিন মাসে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ৬ টাকা ৭ পয়সা।

২০১৯ সালে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ১০ টাকা ১২ পয়সা লোকসান দিয়েছিল পি কে হালদার কেলেঙ্কারির কারণে।

পরপর দুই বছর বড় লোকসান দেয়ার কারণে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য শূন্য হয়ে উল্টো ঋণাত্মক হয়ে গেছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর শেয়ার প্রতি দায় দাঁড়ায় ১৩ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর শেয়ার প্রতি সম্পদ ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা। ২০১৮ সাল শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ ছিল ১৪ টাকা ১৯ পয়সা।

কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর। আগামী ৩০ নভেম্বর কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

লোকসান আরও বেড়েছে আইসিবি ব্যাংকের

লোকসান আরও বেড়েছে আইসিবি ব্যাংকের

গত বছর তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হয়ে এসেছিল। সে বছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথমবারের মতো শেয়ার প্রতি ১৭ পয়সা আয় করে চমক দেখায়। তবে অর্থবছর শেষে সেই লোকসানের বৃত্তেই থাকে।

শেয়ারদর বাড়তে থাকলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হয়নি।

টানা তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটি লোকসান দিল আর এর মধ্য দিয়ে গত জানুয়ার থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর এই সময়ে লোকসান ছিল ১৫ পয়সা।

এর মধ্যে ৩২ পয়সা লোকসান ছিল জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত। আর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থেকে তিন মাসে লোকসান হয়েছে ১৫ পয়সা।

বৃহস্পতিবার কোস্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে এই অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

গত বছর তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হয়ে এসেছিল। সে বছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথমবারের মতো শেয়ার প্রতি ১৭ পয়সা আয় করে চমক দেখায়। তবে অর্থবছর শেষে সেই লোকসানের বৃত্তেই থাকে।

লোকসানের কারণে লভ্যাংশ দিতে না পারলেও গত এক বছরে ব্যাংকটির শেয়ার মূল্যে উল্লম্ফন হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ ব্যাংক গত বছর আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও সেগুলোর শেয়ার মূল্য বেড়েছে কমই।

বিপরীতে লভ্যাংশ দিতে না পারা আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর এই সময়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়।

গত বছরের জুলাইয়ে শেয়ারদর ২ টাকা ৮০ পয়সা থাকলেও বর্তমান দর ৫ টাকা ৫০ পয়সা।

তবে মাঝে একবার শেয়ারদর বেড়ে ৭ টাকা ৪০ পয়সা হয়ে যায়। ব্যাংকটি মুনাফায় ফিরছে, এমন গুঞ্জনের পাশাপাশি মালিকানা বদলের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর শেয়ারমূল্য বাড়তে থাকে। পাশাপাশি বাড়ে লেনদেন।

তবে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া দর সংশোধনে দুর্বল নানা কোম্পানির পাশাপাশি আইসিবি ইসলামীও ব্যাপক দর হারিয়েছে। মাঝে দাম এক পর্যায়ে ৪ টাকা ৭০ পয়সাতেও নেমে গিয়েছিল। পরে কিছুটা বাড়ে।

কোম্পানিটির লোকসানের পাশাপাশি শেয়ার প্রতি দায়ও বাড়ছে। এই কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কোনো সম্পদ নেই। উল্টো দায় আছে ১৮ টাকা ১ পয়সা। এটি গত সেপ্টেম্বরের হিসাব। গত বছরের ডিসেম্বরে এই দায় ছিল ১৭ টাকা ৫৪ পয়সা।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

ন্যাশনাল পলিমারে লভ্যাংশ কমল

ন্যাশনাল পলিমারে লভ্যাংশ কমল

২০১১ সাল থেকে টানা বোনাস শেয়ার দিয়ে আসা কোম্পানিটি গত বছরই কেবল ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এবার তা ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় বাড়ার পর লভ্যাংশ কমিয়েছে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল পলিমার।

গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৮২ পয়সা আয় করে ১ টাকা লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কোম্পানির ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ নগদ লভ্যাংশ। ২০১১ সাল থেকে টানা বোনাস শেয়ার দিয়ে আসা কোম্পানিটি গত বছরই কেবল ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

ওই বছর কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৫০ পয়সা আয় করে ১ টাকা ৫০ পয়সা লভ্যাংশ দিয়েছিল।

ওই বছর শেষে কোম্পানিটির মোট আয় শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ১২ পয়সা হয়েছিল। তবে পরে একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার যুক্ত হওয়ার পর আয় সমন্বিত হয়ে কমে যায়। আবার প্রতি শেয়ারে ৫ টাকা প্রিমিয়াম যুক্ত হয়।

১০০ শতাংশ রাইট শেয়ার যুক্ত হওয়ার পর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য কিছুটা কমেছে। গত ৩০ জুন এই সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৪৯ পয়সা। আগের বছর তা ছিল ৩৫ টাকা ৮৭ পয়সা।

এই লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৪ নভেম্বর। অর্থাৎ সেদিন যাদের হাতে শেয়ার থাকবে, তারাই পাবে এই লভ্যাংশ।

এই লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে আগামী ২২ ডিসেম্বর।

কোম্পানিটির শেয়ার দর গত এক বছরে ৫২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৭৭ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। তবে তৃতীয় প্রান্তিকের আয় সংশোধনকে কেন্দ্র করে শেয়ারমূল্য পরে কমে যায়।

লভ্যাংশ ঘোষণার দিন শেয়ার দর ছিল ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

তালিকাভুক্তির পর সর্বনিম্ন লভ্যাংশ বিবিএস ক্যাবলস

তালিকাভুক্তির পর সর্বনিম্ন লভ্যাংশ বিবিএস ক্যাবলস

কোম্পানিটি ২০২০ সালে শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৬৬ পয়সা আয় করে ১০ শতাংশ বোনাস ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১৯ সালেও লভ্যাংশ ছিল সম পরিমাণ, ওই বছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা। ২০১৮ সালে শেয়ার প্রতি ৮ টাকা ৮ পয়সা আয় করে ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৭ সালে তালিকাভুক্তির বছরে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪ টাকা ১২ পয়সা। প্রথম বছরে শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা নগদের পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বোনাস পেয়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিবিএস ক্যাবলস আগের বছরের চেয়ে কম আয় করে লভ্যাংশ কমিয়েছে।

গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থ বছরে শেয়ার প্রতি ৪ টাকা ৮৪ পয়সা আয় করে এক টাকা নগদ ও প্রতি ২০টি শেয়ারে একটি বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

অর্থাৎ এবার ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস মিলিয়ে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবে বিবিএস ক্যাবলসের বিনিয়োগকারীরা, যা ২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর সবচেয়ে কম লভ্যাংশ।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

কোম্পানিটি ২০২০ সালে শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৬৬ পয়সা আয় করে ১০ শতাংশ বোনাস ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১৯ সালেও লভ্যাংশ ছিল সম পরিমাণ, ওই বছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা।

২০১৮ সালে শেয়ার প্রতি ৮ টাকা ৮ পয়সা আয় করে ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৭ সালে তালিকাভুক্তির বছরে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪ টাকা ১২ পয়সা। প্রথম বছরে শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা নগদের পাশাপাশি ১৫ শতাংশ বোনাস পেয়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য কিছুটা বেড়েছে। গত ৩০ জুন এই সম্পদমূল্য ছিল ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা। আগের বছর তা ছিল ৩২ টাকা ৫২ পয়স।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর। অর্থাৎ সেদিন যাদের হাতে শেয়ার থাকবে, তারাই এই লভ্যাংশ পাবে। আগামী ২০ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভায় লভ্যাংশ চূড়ান্ত হবে।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন

বেক্সিমকো গ্রুপে সবচেয়ে কম লভ্যাংশ শাইনপুকুরে

বেক্সিমকো গ্রুপে সবচেয়ে কম লভ্যাংশ শাইনপুকুরে

শাইনপুকুর সিরামিকস ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৩২ পয়সা। এর থেকে ২৫ পয়সা তারা দেবে লভ্যাংশ হিসেবে। এটি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও খুব একটা বেশি নয়। আগের বছর এই আয় ছিল ২১ পয়সা, লভ্যাংশ ছিল ২০ পয়সা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিরামিক খাতের কোম্পানি শাইনপুকুর গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারধারীদেরকে ২৫ পয়সা করে লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বেক্সিমকো গ্রুপের তিনটি কোম্পানি। এর মধ্যে সবচেয়ে কম লভ্যাংশ এসেছে শাইনপুকুরের।

এই গ্রুপের অন্য দুই কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেড ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এবার শেয়ার প্রতি সাড়ে তিন টাকা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

দুটি কোম্পানির আয়ই ২০১০ সালের মহাধসের পর সবচেয়ে বেশি এসেছে। তবে একই গ্রুপের আরেক কোম্পানি শাইনপুকুর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারল না।

বেক্সিমকো লিমিটেড আগের বছর শেয়ার প্রতি ৫১ পয়সা আয় করলেও এবার করেছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। অন্যদিকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস গত বছর ৭ টাকা ৬৭ পয়সা আয় করলেও এবার করেছে ১১ টাকা ৪৯ পয়সা।

শাইনপুকুর ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৩২ পয়সা। এটি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও খুব একটা বেশি নয়। আগের বছর এই আয় ছিল ২১ পয়সা।

ওই বছর শেয়ার প্রতি ২০ পয়সা লভ্যাংশ দেয়ার পর শাইনপুকুরের শেয়ার মূল্য ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এই সময়ে কোম্পানটির শেয়ার দর ১৪ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা ৪০ পয়সায় উঠে। লভ্যাংশ ঘোষণার সময় দিন দাম ছিল ৩৬ টাকা ৯০ পয়সা।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্যও কিছুটা বেড়েছে। গত ৩০ জুন এই সম্পদমূল্য ছিল ৩০ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছর তা ছিল ২৯ টাকা ৯ পয়সা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ নভেম্বর। অর্থাৎ সেদিন যার হাতে শেয়ার থাকবে, তিনিই এই লভ্যাংশ পাবেন। আগামী ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভায় এই লভ্যাংশ চূড়ান্ত হবে।

আরও পড়ুন:
গেমিং ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘প্রিমো আরএক্স৮ মিনি’ প্রিঅর্ডারে ছাড়
পণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করছে ওয়ালটন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসএসডি আনল ওয়ালটন
  নতুন গেমিং স্মার্টফোন আনল ওয়ালটন

শেয়ার করুন