× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Australia beat England to win the Womens World Cup
google_news print-icon

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নারী বিশ্বকাপের শিরোপা অস্ট্রেলিয়ার

ইংল্যান্ডকে-হারিয়ে-নারী-বিশ্বকাপের-শিরোপা-অস্ট্রেলিয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সপ্তমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অস্ট্রেলিয়া নারী দল। লর্ডসে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই একক আধিপত্য বিস্তার করে অজিরা। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫০ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। জবাবে ১৭ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই ১৫১ রানের জয়ের লক্ষ্যে অনায়াসে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। দলীয় স্কোরে খুব বেশি রান ওঠার আগেই ৬ রানে অ্যামি জোনস এবং ৮ রানে ড্যানি ওয়াট সাজঘরে ফিরে যান। এরপর তৃতীয় উইকেটে ন্যাট স্কিভার ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি মিলে শুরুর চাপ কিছুটা সামলে নেন। ক্যাপসি ২৩ এবং হেথার নাইট মাত্র ২ রান করে আউট হন। তবে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত দারুণ ব্যাটিং করে দলকে টেনে তোলেন স্কিভার ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প। ব্রান্টের অপরাজিত ৫৮ এবং ক্যাম্পের অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ভর করে সম্মানজনক স্কোর পায় ইংলিশরা। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে চারজন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করেন।

১৫১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুতেও কিছুটা ধাক্কা লাগে। দলীয় স্কোরে প্রভাব ফেলার আগেই মাত্র ৯ রান করে বিদায় নেন জর্জিয়া ভোল। তবে দ্বিতীয় উইকেটে বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ডের ১০০ রানের বিশাল জুটিতে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত পুরোপুরি মজবুত হয়ে যায়। লিচফিল্ড ৪৮ রান করে আউট হন এবং মুনি ৬৪ রানের একটি চমৎকার ব্যক্তিগত ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর এলিস পেরি ও অ্যাশলে গার্ডনার মিলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। পেরি ১৩ এবং গার্ডনার ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে নারী ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল হিসেবে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রমাণ করল অস্ট্রেলিয়া। এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১০টি আসরের মধ্যে আটটিতেই ফাইনাল খেলেছে তারা, যার মধ্যে সাতবারই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এছাড়া কেবল ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের একবার করে শিরোপা জেতার রেকর্ড রয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Europes powerhouse vs Africas glory in a new battle for supremacy

শ্রেষ্ঠত্বের নতুন যুদ্ধে ইউরোপের পাওয়ার হাউজ বনাম আফ্রিকার গৌরব

শ্রেষ্ঠত্বের নতুন যুদ্ধে ইউরোপের পাওয়ার হাউজ বনাম আফ্রিকার গৌরব ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আরও এক জমজমাট ও হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শেষ আটের মেগা লড়াইয়ে এবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং আফ্রিকার অন্যতম পরাশক্তি মরক্কো। আগামী শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই মহারণ।

রাউন্ড অব সিক্সটিন বা শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দুই দলই সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে এই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফরাসিরা যেখানে নিজেদের শেষ ষোলোর ম্যাচে লাতিন আমেরিকার দল প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের এক ঘাম ঝরানো ও কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে, সেখানে মরক্কো আরেক স্বাগতিক দেশ কানাডাকে ৩-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দাপটের সাথে শেষ আটের টিকিট কেটেছে।

প্যারাগুয়ের জমাট রক্ষণের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ৭০তম মিনিটে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি গোলে ডেডলক ভাঙে ফ্রান্স। মাঝমাঠের প্রধান ভরসা অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি ইনজুরিতে ছিটকে যাওয়ায় কোচ দিদিয়ের দেশমকে কিছুটা কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে ঠিকই, তবে এমবাপ্পে, দেজিরে দুয়ে ও উসমান ডেম্বেলেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে, কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও নিজেদের লড়াকু মানসিকতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে ‘আটলাস লায়ন’ খ্যাত মরক্কো। কানাডার বিপক্ষে ম্যাচে আজ্জেদিন উনাহির দুর্দান্ত জোড়া গোল এবং সুফিয়ান রাহিমির নিখুঁত ফিনিশিংয়ের পাশাপাশি ব্রাহিম দিয়াজের রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্স মরক্কো শিবিরকে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রেখেছে। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াজ এবং পিএসজি তারকা আশরাফ হাকিমির দারুণ বোঝাপড়া ফ্রান্সের রক্ষণভাগের জন্য বড় হুমকির কারণ হতে পারে। পাশাপাশি গোলপোস্টের নিচে ইয়াসিন বুনোর মতো বাজপাখির উপস্থিতি এমবাপ্পেদের জন্য বড় এক পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইউরোপের ট্যাকটিক্যাল ও গোছানো ফুটবল বনাম আফ্রিকার গতি ও কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর ফুটবলের এই ধ্রুপদী লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, তা জানতে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা করতে হবে শুক্রবার রাতের এই মহারণ পর্যন্ত।

দাপুটে জয়ে সবার আগে কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের নাম ছিল মরক্কো। প্রথম কোনো আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলা আটলাস লায়নরা এবার সবার আগে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। দাপুটে পারফরম্যান্সে ৩-০ গোলে জিতে বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক কানাডাকে বিদায় করেছে হাকিমি-দিয়াজ-উনাহিরা।

হিউস্টনের এনার্জি স্টেডিয়ামে মরক্কো-কানাডা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় বিশ্বকাপের শেষ ষোলো। যেখানে মরক্কোর হয়ে আজ্জেদিন উনাহি জোড়া এবং সুফিয়ান রাহিমি এক গোল করেছেন। আশরাফ হাকিমির দলের দখলে ছিল ৫৩ শতাংশ বল। এ ছাড়া তারা ৫ শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে ১০ শটের ৩টি লক্ষ্যে ছিল কানাডার। তাদের বেশ কয়েকটি দারুণ আক্রমণ ঠেকিয়েছেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো।

গোল না পেলেও মরক্কোর পরের দুটি গোলেই ছিল ব্রাহিম দিয়াজের অবদান। আফ্রিকার প্রথম কোনো ফুটবলার হিসেবে তিনি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন। মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠায় সেই রেকর্ড আরও উন্নীত করার সুযোগ আছে এই রিয়াল মাদ্রিদের তারকার সামনে।

অবশ্য ম্যাচের প্রথমার্ধে কানাডার তীব্র আক্রমণের চাপ সামলাতে হয়েছে মরক্কোকে। তবে বিরতির আগে আগে গোল পায়নি কেউই। দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে জয় তুলে নিয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে তারা দারুণ এক পরিকল্পিত ফ্রি-কিক থেকে এগিয়ে যায়। আক্রমণে আশরাফ হাকিমি বক্সে ক্রস না তুলে বলটি পাস দেন উনাহির দিকে। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া তার জোরালো শট ঠেকাতে পারেননি কানাডা গোলরক্ষক ম্যাক্রিমে ক্রুপো।

সমতাসূচক গোলের খোঁজে কানাডা আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে ৮২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত করে ফেলেন উনাহি। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে ব্রাহিম দিয়াজ বক্সে ঢুকে বল বাড়ান তার দিকে। উনাহি শক্তিশালী শটে বল জালের ওপরের কোণে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান সুফিয়ান রাহিমি। বক্সের ভেতর থেকে ঠাণ্ডা মাথায় তিনি বল জালে জড়িয়ে কানাডাকে চূড়ান্ত হতাশা উপহার দেন।

মরক্কোর জয়ে গোলরক্ষক ভূমিকা ছিল গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর। বিশেষ করে প্রথমার্ধে তানি ওলুওয়াসেই বক্সের ভেতরে চমৎকার টার্ন নিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শট নিলে দারুণ দক্ষতায় সেটি প্রতিহত করেন বুনো। তার সেই সেভ মরক্কোকে গোল হজম করা থেকে রক্ষা করে। প্রথমার্ধে কানাডা একাধিক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোল করার মতো কার্যকারিতার অভাব ছিল স্পষ্ট। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যর্থতার মূল্য দিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।

এমবাপ্পের গোলে কোয়ার্টারে ফ্রান্স

শেষ ৩২-এর ম্যাচে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে যে বিষাদের গল্প উপহার দিয়েছিল, ফিলাডেলফিয়ার মাঠে ফ্রান্সের বিপক্ষেও ঠিক একই ছক কষে নেমেছিল প্যারাগুয়ে। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিতে ডিফেন্সে রীতিমতো ‘বাস পার্ক’ করে ৫-৪-১ ফর্মেশন সাজিয়েছিলেন লাতিন দলটির কোচ।

ফরাসিদের ভয়ংকর আক্রমণভাগকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় বোতলবন্দী করে রেখেছিল তারা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের ভেতর এক মুহূর্তের অসতর্কতা আর আত্মঘাতী ভুলের চড়া মাশুল দিতে হলো প্যারাগুয়েকে। তাদের সেই দুর্ভেদ্য দেওয়াল টপকে ঘামঝরানো জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স।

শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ‘লে ব্লু’রা। প্রথমার্ধের ডেডলক ভেঙে ৭০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। আগামী বৃহস্পতিবার রাতে বোস্টন স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ‘জায়ান্ট কিলার’ মরক্কো, যারা সহ-আয়োজক কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখলেও প্যারাগুয়ের জমাট রক্ষণের সামনে প্রথমার্ধে বিন্দুমাত্র সুবিধা করতে পারেনি এমবাপ্পে ব্রিগেড।

ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে প্যারাগুয়ের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি ফরাসিরা। ১৯৬৬ সালের পর এই নিয়ে মাত্র তৃতীয়বার বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত দেরিতে প্রথম শটের দেখা পেল ফ্রান্স।

এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তিউনিসিয়া এবং আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমন বন্ধ্যাত্বের মুখে পড়েছিল তারা। প্রথমার্ধে এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের করা ২০টি ক্রসের একটিও প্রতিপক্ষের বক্সে বিপদ তৈরি করতে পারেনি। উল্টো ৩১ মিনিটে এমবাপ্পের হেড মিস আর ওসমানের লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশায় পুড়তে হয় দেশমকে।

মাঝপথে এমবাপ্পেকে পেছন থেকে কুবেসের টেনে ধরা নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মাঠেই এক দফা ঠুকাঠুকি লেগে যায়, যা রেফারি এসে শান্ত করেন।

বিরতির পর ম্যাচের ৫২ মিনিটে পরপর দুটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে ফ্রান্স। প্রথমে মাইক মাইনানের লম্বা পাস ধরে ডিফেন্ডারদের গতিতে পরাস্ত করে ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে চলে যান এমবাপ্পে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে বলের নিয়ন্ত্রণ হারালে প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডার কাসেরেস কর্নারের বিনিময়ে বল ক্লিয়ার করেন। সেই কর্নার থেকে উসমান দেম্বেলের শট কাঁপায় পাশের জাল। এর দুই মিনিট পর কোনের এক দূরপাল্লার রকেট গতির শট লাফিয়ে উঠে জালের ওপর দিয়ে পার করে দেন প্যারাগুয়ের গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল।

তবে ম্যাচের আসল মোড় ঘোরে ৬৬ মিনিটে। প্যারাগুয়ের পেনাল্টি এরিয়ায় বদলি নামা ফরাসি ফরোয়ার্ড দিজিরে দুয়েকে ফাউল করে বসেন দিয়োগো গোমেজ। শুরুতে রেফারি এড়িয়ে গেলেও ভিএআর রিভিউ দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে বাধ্য হন। ৭০ মিনিটে স্পট-কিক থেকে গোলরক্ষককে সম্পূর্ণ উল্টো দিকে পাঠিয়ে ঠাণ্ডা মাথার নিখুঁত ও নিচু শটে ফ্রান্সকে উল্লাসে ভাসান কিলিয়ান এমবাপ্পে।

এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে ৭ গোল করে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেন ২৭ বছর বয়সি এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মেসির (২০ গোল) ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ১৯ গোল করা এমবাপ্পে।

ম্যাচের শেষ দিকে সমতায় ফিরতে মরিয়া প্যারাগুয়ের মাউরিসিওর এক নিচু শট দুর্দান্ত ডাইভে রুখে দেন ফরাসি প্রাচীর মাইক মাইনান। ওদিকে যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে এমবাপ্পের পরপর দুটি বুলেট গতির শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি প্যারাগুয়ে গোলকিপার গিল। শেষ পর্যন্ত ওই এক গোলের লিড ধরে রেখেই কোয়ার্টারে গেল ফ্রান্স।

অতীত পরিসংখ্যান

ফ্রান্স এবং মরক্কোর মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গভীর সম্পর্ক থাকলেও, আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে দল দুটির লড়াইয়ের ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। তবে যখনই এই দুই দেশ একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে, মাঠের লড়াইয়ে বেশ উত্তেজনা দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দল দুটির অতীত পরিসংখ্যান ও রেকর্ড বরাবরই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের পক্ষে কথা বলে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ (সেমিফাইনাল): ফ্রান্স এবং মরক্কোর মধ্যকার সবচেয়ে হাই-প্রোফাইল ও ঐতিহাসিক ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর, কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। সেই আসরে আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া মরক্কোর রূপকথার দৌড় থামিয়ে দিয়েছিল ফ্রান্স। থিও হার্নান্দেজ এবং রান্ডাল কোলো মুয়ানির গোলে ২-০ ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে ফাইনালে উঠেছিল ফরাসিরা। এই ম্যাচটিই তাদের মধ্যকার একমাত্র প্রতিযোগিতামূলক অফিশিয়াল ম্যাচ।

২০০৭ সালের প্রীতি ম্যাচ: কাতার বিশ্বকাপের আগে এই দুই দলের সবশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৭ সালের নভেম্বরে, প্যারিসের স্তাদ দে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সেই ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। মরক্কোর হয়ে তারিক সেকতিউই ও ইউসেফ মোখতারি গোল করেছিলেন এবং ফ্রান্সের হয়ে সিডনি গোভু ও সামির নাসরি জালের দেখা পেয়েছিলেন।

অন্যান্য প্রীতি ম্যাচ: ২০০০ সালের একটি প্রীতি ম্যাচে ফ্রান্স ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে মরক্কোকে পরাজিত করেছিল। এছাড়া ১৯৯৯ সালে ফরাসিরা ১-০ গোলে এবং ১৯৮৮ সালে ২-১ গোলে মরক্কোর বিপক্ষে জয়লাভ করে। ১৯৯৮ সালে একটি টুর্নামেন্টে দল দুটির ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে মরক্কো জয় পেয়েছিল, তবে অফিশিয়াল রেকর্ডে সেটিকে ড্র হিসেবেই গণ্য করা হয়।

মন্তব্য

খেলা
Accusations of favoritism against Argentina against FIFA president

ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ

ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে দারুণ এক চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল আসরের নবীন ও অভিষিক্ত দল কেপ ভার্দে। শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াই শেষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলের ঘাম ঝরানো জয় নিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে লিওনেল মেসির দল। তবে মিয়ামির এই জমজমাট ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কেপ ভার্দের গোলের পর মিয়ামি স্টেডিয়ামের ভিআইপি বক্সে বসে থাকা ইনফান্তিনোকে দৃশ্যত বেশ হতাশ হতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই মুহূর্তের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার প্রতি পরিষ্কার পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে।

মাঠের গ্যালারির রিঅ্যাকশনের পাশাপাশি ম্যাচের এক ফাঁকে দেওয়া ফিফা সভাপতির একটি সাক্ষাৎকারকে ঘিরেও এই বিতর্কের আগুন আরও উসকে ওঠে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন ক্রীড়া সম্প্রচারমাধ্যম ‘ডি-স্পোর্টস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো প্রথমে বেফাঁসভাবে বলে বসেন, ‘আর্জেন্টিনাকে অভিনন্দন, কারণ আজ রাতে হৃদয়...’ এরপরই হঠাৎ থেমে গিয়ে নিজের বক্তব্য সংশোধন করে তিনি যোগ করেন, ‘নিরপেক্ষ সমর্থকরাও দুই দলের জন্যই রোমাঞ্চ অনুভব করেছেন।’ তাঁর এই সংশোধিত বক্তব্যের আগের অংশটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের অনেকেই এটিকে আর্জেন্টিনার প্রতি ফিফা সভাপতির প্রচ্ছন্ন সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমগুলোতে নানা ধরনের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একদল ফুটবল ভক্ত সরাসরি ফিফার মতো আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ কেউ একধাপ এগিয়ে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগও দাবি করেন। তবে নিরপেক্ষ বিশ্লেষকদের মতে, এসব অভিযোগ মূলত সামাজিক মাধ্যমের তাৎক্ষণিক ও আবেগিক প্রতিক্রিয়া; এগুলোর পক্ষে শক্তিশালী বা প্রমাণিত কোনো ভিত্তি নেই।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি আসলে প্রসঙ্গের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। ইনফান্তিনোর পূর্ণ বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল মূলত ম্যাচটির অবিশ্বাস্য নাটকীয়তা এবং নিরপেক্ষ দর্শকদের চরম উত্তেজনার কথা তুলে ধরা, আর্জেন্টিনার প্রতি কোনো ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন প্রকাশ করা নয়। মাঠের লড়াইয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করলেও, লড়াকু ফুটবল ও হার না মানা মানসিকতা দেখিয়ে বিদায়বেলায় বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়িয়েছে আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দে।

মন্তব্য

খেলা
12 losses in 16 Tests Shan Masood sacked in failure again captain Babar Azam

১৬ টেস্টে ১২ হার: ব্যর্থতায় বরখাস্ত শান মাসুদ, আবারো অধিনায়ক বাবর আজম

১৬ টেস্টে ১২ হার: ব্যর্থতায় বরখাস্ত শান মাসুদ, আবারো অধিনায়ক বাবর আজম ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান ক্রিকেটে আবারও বড় ধরণের রদবদল। টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে শান মাসুদকে। তাঁর পরিবর্তে দ্বিতীয়বারের মতো সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাবর আজমের ওপরই আস্থা রাখল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। চলতি জুলাই মাসের শেষের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার সময় পিসিবি অফিশিয়ালি এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

শান মাসুদের এই বিদায়ের মাধ্যমে পাকিস্তান ক্রিকেটে একটি চরম হতাশাজনক ও লজ্জাজনক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। প্রায় তিন বছর আগে টেস্ট দলের দায়িত্ব পাওয়া মাসুদের অধীনে ১৬টি ম্যাচ খেলে ১২টিতেই হেরেছে পাকিস্তান। টেস্ট ক্রিকেটের সুদীর্ঘ ইতিহাসে আর কোনো অধিনায়ক নিজের প্রথম ১৬ টেস্টের মধ্যে ১২টিতে হারেননি। পাকিস্তানের হয়ে মাসুদের চেয়ে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া ১০ জন ক্রিকেটার থাকলেও, হারের সংখ্যায় তাঁর ওপরে আছেন কেবল মিসবাহ-উল-হক (৫৬ টেস্টে ১৯ হার)। এছাড়া মাসুদের নেতৃত্বে টানা সাতটি টেস্টে হেরে পাকিস্তান ক্রিকেটের যৌথভাবে সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড স্পর্শ করে দলটি।

মাসুদের অধিনায়কত্বের শুরুটা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কাছে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক সিরিজ হারে পাকিস্তান, যা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম টেস্ট সিরিজ হারের লজ্জাজনক ঘটনা। মাসুদের অধীনে পাকিস্তানের একমাত্র সাফল্য ছিল সে বছরই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয়। সেটিই ছিল তাঁর অধিনায়কত্বে খেলা সাতটি সিরিজের মধ্যে একমাত্র জয়, বাকি চারটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) পয়েন্ট টেবিলে একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকে তারা। তবে অধিনায়ক হিসেবে দল ব্যর্থ হলেও ব্যাটার শান মাসুদ ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর ব্যাটিং গড় ২৮.৫১ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪.০৬-এ, যার মধ্যে দুটি সেঞ্চুরি ও সাতটি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে।

যার কাছ থেকে মাসুদ একসময় দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সেই বাবর আজমের কাছেই আবার ফিরে গেছে পিসিবি, যা মূলত দলটিতে যোগ্য বিকল্পের তীব্র অভাবকেই ফুটিয়ে তোলে। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর থেকে বাবর তিন ফরম্যাটেই রান খরায় ভুগছেন, বিশেষ করে টেস্টে মাসুদের অধীনে তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ২৭-এর কিছু বেশি। তবে অধিনায়ক হিসেবে বাবরের আগের রেকর্ড বেশ উজ্জ্বল। তাঁর নেতৃত্বে ২০টি টেস্টের মধ্যে ১০টিতেই জিতেছিল পাকিস্তান। এর মধ্যে রয়েছে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ ব্যবধানে হারানো এবং বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব। অধিনায়ক থাকাকালীন ব্যাটার বাবরের ফর্মও ছিল দুর্দান্ত (গড় ৫০-এর ওপরে)। অবশ্য সেই মেয়াদেও ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার মতো বড় লজ্জার ইতিহাস রয়েছে তাঁর।

এক অত্যন্ত ব্যস্ত সূচির মুখে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে পাকিস্তানের টেস্ট দলের দায়িত্ব নিলেন বাবর আজম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পরপরই ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান, যা ছয় বছরের মধ্যে সেখানে তাদের প্রথম সফর। এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত শীতকালীন মৌসুম পার করতে হবে বাবরদের।

পাকিস্তানের ঘোষিত ১৭ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াড:

বাবর আজম (অধিনায়ক), আমির জামাল, আবদুল্লাহ ফজল, আলী উসমান, আজান আওয়াইস, ইমাম-উল-হক, খুররম শাহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মুহাম্মদ আওয়াইস জাফর, মুহাম্মদ গাজী ঘোরি (উইকেটরক্ষক), সাজিদ খান, সালমান আলী আগা, সৌদ শাকিল, শান মাসুদ এবং উবাইদ শাহ।

মন্তব্য

খেলা
Sachin broke the record of Vaibhavs debut at the youngest age in the Indian jersey

ভারতের জার্সিতে সবচেয়ে কম বয়সে বৈভবের অভিষেক, ভাঙল শচীনের রেকর্ড

ভারতের জার্সিতে সবচেয়ে কম বয়সে বৈভবের অভিষেক, ভাঙল শচীনের রেকর্ড ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্বপ্নের অভিষেক হলো ১৫ বছর বয়সী তরুণ প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির একাদশে তাঁকে নিয়েই মাঠে নেমেছিল ভারত। এদিন উদীয়মান এই ক্রিকেটারকে জায়গা করে দিতে একাদশ থেকে বাদ পড়তে হয়েছে অভিজ্ঞ ব্যাটার স্যাঞ্জু স্যামসনকে।

মাত্র ১৫ বছর ৯৯ দিন বয়সে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখলেন বৈভব। এর মাধ্যমে তিনি পেছনে ফেলেছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের গড়া ১৬ বছর ২০৫ দিনের অভিষেকের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ফলে ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক অভিষেকের রেকর্ডটি এখন শুধুই বৈভবের দখলে।

তবে নিজের অভিষেক ম্যাচটি ব্যাট হাতে খুব একটা রাঙাতে পারেননি এই তরুণ। মাত্র ১৭ রান করে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে।

বৈভবের এমন ঐতিহাসিক অভিষেক নিয়ে ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাসে ওর খেলা সবাই দেখেছেন। দারুণ আত্মবিশ্বাসের সাথে সে বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছে। আমরা তাকে কোনো চাপে পড়ে খেলাচ্ছি এমনটি নয়।’

তরুণ এই ক্রিকেটারের মেধার প্রশংসা করে শ্রেয়াস আরও যোগ করেন, ‘সে এই একাদশে পুরোপুরি জায়গা পাওয়ার যোগ্য। সে একদমই চাপ নেয় না। তাকে দলে পেয়ে ভালো লাগছে। নেটে ওর ব্যাটিংই বলে দেয় ও কেমন। বর্তমানে দলে জায়গা পাওয়ার জন্য তুমুল লড়াই চলছে। গত দুই বছরে ভারত এতটাই মেধার দেখা পেয়েছে যা সত্যিই অভাবনীয়।’

মন্তব্য

খেলা
Lionel Messi next to earthquake ravaged Venezuela

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে লিওনেল মেসি

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে লিওনেল মেসি ছবি: সংগৃহীত

গত ২৪ জুন ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো বিশ্ব। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭-এর বেশি মাত্রার এই প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১১ হাজার মানুষ। এই বিপর্যয়ের প্রায় দুই সপ্তাহ পর, চলমান বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের শেষে ভেনেজুয়েলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় মেসি বলেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলার সব মানুষকে একটি বড় বার্তা পাঠাতে চাই। আমরা জানি তারা বর্তমানে কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। যারা চরম কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, যারা তাদের প্রিয়জনদের খুঁজে পাচ্ছেন না এবং কী হবে না হবে, তা নিয়ে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন—আমি তাদের সবার পাশে আছি। এখান থেকে তাদের সবার জন্য অনেক অনেক শক্তি ও প্রার্থনা রইল।’

মেসির এই বার্তার ঠিক আগের দিন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও ভেনেজুয়েলার এই মানবিক বিপর্যয় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে, ভূমিকম্পে পা হারানো আন্দ্রেস মিলেস নামের এক খুদে ভেনেজুয়েলান ভক্তের স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্ববাসীর মন জয় করেছেন তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু আন্দ্রেসের একটিই ছোট্ট ইচ্ছা ছিল—তার বিশ্বকাপ অ্যালবামের জন্য প্রিয় তারকা রোনালদোর একটি অফিশিয়াল স্টিকার পাওয়া। রোনালদো কেবল সেই কাঙ্ক্ষিত স্টিকারটিই পাঠাননি, বরং সেই খুদে ভক্তের জন্য একটি বিশেষ ভিডিও বার্তাও পাঠিয়েছেন এবং তাকে নিজের খেলা দেখার জন্য সরাসরি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, ‘এই যে আন্দ্রেস, কেমন আছো? তোমাকে একটি বড় হাগ (আলিঙ্গন) পাঠাতে এই ভিডিওটি তৈরি করছি। আমি জানি তুমি আমার অনেক বড় ভক্ত। আশা করি তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। আমি তোমাকে আমার একটি ম্যাচে আমন্ত্রণ জানাতে চাই, যেন আমরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারি। তোমার সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি। বন্ধু আমার, শক্ত থেকো।’

মন্তব্য

খেলা
Even in the knockout phase the audience frenzy is reducing and the ticket market is falling

নকআউট পর্বেও কমছে দর্শকদের উন্মাদনা, টিকিটের বাজারে বড় ধস

নকআউট পর্বেও কমছে দর্শকদের উন্মাদনা, টিকিটের বাজারে বড় ধস ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব সিক্সটিন’ বা শেষ ষোলোর হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলো মাঠে গড়ানোর আগেই টিকিটের আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরণের ধস নেমেছে। ফুটবলপ্রেমীদের নজরকাড়া ও বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম হঠাৎ করেই বেশ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর মধ্যে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং বেলজিয়ামের মধ্যকার হাইপ তৈরি করা ম্যাচটির টিকিটের দাম কমেছে সবচেয়ে বেশি। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ৩০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। যদিও শেষ মুহূর্তে টিকিটের চাহিদা কিছুটা বাড়ায় একদম শেষ সময়ে এসে ফিফা বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতে পেরেছে।

আন্তর্জাতিক টিকিটের মূল্য পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণকারী বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘টিকিটডাটা ডটকম’ এর প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিয়াটলে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র বনাম বেলজিয়াম ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য গত ১ জুনে প্রায় ৪ হাজার মার্কিন ডলারে (প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা) উঠেছিল। তবে ব্ল্যাক মার্কেট ও ওপেন মার্কেটে টিকিটের চাহিদা কমায় কয়েক দিনের ব্যবধানে তা নাটকীয়ভাবে নেমে আসে ১ হাজার ৫৪৯ ডলারে। পরবর্তীতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বসনিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর টিকিটের বাজারে পুনরায় কিছুটা গতি ফেরে।

গত শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের অফিশিয়াল মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ হাজার ৮৩৬ ডলার। তবে টিকিট বাজারের সেই ঊর্ধ্বগতি বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। গতকাল শনিবার বিকেলে টিকিটের দাম আবার হুড়মুড় করে নেমে আসে ১ হাজার ৪২৩ ডলারে, যা আগের তিন দিনের তুলনায় প্রায় ৩২ শতাংশ কম। তবে শনিবার সন্ধ্যার পর শেষ মুহূর্তের টিকিট ক্রেতাদের চাপে দাম সামান্য বেড়ে ১ হাজার ৬৩৫ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়।

টিকিটের বাজারে এত বড় ধস নামার পরও শেষ ষোলোর মোট আটটি ম্যাচের মধ্যে টিকিটের চড়া মূল্যের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এই যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচটি। এই মুহূর্তে বৈশ্বিক বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচের টিকিট; যেখানে খেলা দেখার জন্য একটি সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য গুনতে হচ্ছে ৩ হাজার ৫৭৪ মার্কিন ডলার। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচের টিকিটের দামে এত বড় পতন বেশ অপ্রত্যাশিত। কারণ বেলজিয়াম ফুটবল দলের মূল বেস ক্যাম্পটি সিয়াটলের খুব কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত এবং সিয়াটলের মাঠে এটি বেলজিয়ামের তৃতীয় ম্যাচ। ফলে এই ম্যাচে গ্যালারি ভর্তি রেকর্ড দর্শক উপস্থিতি হবে বলেই আগে থেকে ধারণা করা হচ্ছিল।

অন্যদিকে, শেষ ষোলোর অন্য মেগা ম্যাচগুলোর টিকিটের দামও চড়া মূল্যের রেকর্ড ছুঁতে পারছে না। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এখন ১ হাজার ৫৯৯ ডলার। ল্যাটিন পরাশক্তি ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচের টিকিট ১ হাজার ৫৩৭ ডলার এবং ইউরোপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যকার মহোৎসবের টিকিট শুরু হচ্ছে মাত্র ১,৩৬৭ ডলার থেকে। অর্থাৎ, প্রাথমিক গ্রুপ পর্বের মতো নকআউট পর্বেও দর্শকদের টিকিট কেনার ক্ষেত্রে সেই চিরচেনা চড়া বা আকাশচুম্বী আগ্রহ না থাকায় টিকিটের অতিরিক্ত প্রিমিয়াম বা চড়া দাম আদায় করতে পারছে না ফিফা। এছাড়া গতকাল শনিবার মরক্কোর কাছে ৩-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া স্বাগতিক কানাডার সেই ম্যাচের টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্যও শেষ ৭২ ঘণ্টায় প্রায় ১৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

মন্তব্য

খেলা
Super computer and cat have the same prediction in Brazil Norway match

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে একই ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটার ও বিড়ালের

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে একই ভবিষ্যদ্বাণী সুপার কম্পিউটার ও বিড়ালের ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের ‘হেক্সা’ মিশনে থাকা ব্রাজিলের সামনে এবার শেষ ষোলোর বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের উদীয়মান শক্তি নরওয়ে। রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই পরিসংখ্যান আর ভবিষ্যদ্বাণীর লড়াইয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে ফুটবল বিশ্বে।

সুপার কম্পিউটার ও জ্যোতিষী বিড়ালের বাজি:
বিখ্যাত পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’-র সুপার কম্পিউটার ২৫ হাজার বার এই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি সিমুলেশন করে জানিয়েছে, জয়ের সম্ভাবনায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে ব্রাজিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩.৬ শতাংশ, বিপরীতে নরওয়ের সম্ভাবনা মাত্র ২২.৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেলেসাওরা ৬৬ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে ফেবারিট।

একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল মিলুর ভবিষ্যদ্বাণীতেও। মালিক নাতান পিনহেইরোর রাখা দুটি খাবারের বাটির মধ্যে ব্রাজিলের বাটিটিই বেছে নিয়েছে মিলু। যদিও আগের দিন আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে মিলুর পূর্বাভাস প্রথমবারের মতো ভুল প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও ব্রাজিলের প্রতিটি ম্যাচে সঠিক পূর্বাভাস দেওয়ায় সমর্থকদের বড় একটি অংশ এখনো বিড়ালটির ওপর আস্থা রাখছে।

ইতিহাস ও পরিসংখ্যানের লড়াই:
ব্রাজিলের জন্য শেষ ষোলোর মঞ্চটি যেন নিজেদের ঘরবাড়ি। শেষ ১০টি শেষ ষোলোর ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে তারা। তবে তাদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ। ২০০২ সালের ফাইনালের পর নকআউট পর্বে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে গেলেই যেন খেই হারিয়ে ফেলে সেলেসাওরা; গত ছয়টি নকআউট ম্যাচে ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

অন্যদিকে, মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস আবার নরওয়ের পক্ষে। এ পর্যন্ত দুই দলের চারবারের দেখায় দুটিতে জয় ও দুটিতে ড্র করেছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শেষবার দেখা হওয়ার সময়ও ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ভাইকিংরা।

হালান্ড বনাম গিমারায়েস:
নরওয়ের প্রধান অস্ত্র বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। জাতীয় দলের হয়ে টানা ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করা হালান্ড এই ম্যাচে গোল করলেই ক্রিশ্চিয়ান ভিয়েরির পর প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম চার ম্যাচের প্রতিটিতে গোলের বিরল কীর্তি গড়বেন। তাকে বল যোগান দেবেন ফর্মে থাকা অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড।

ব্রাজিল শিবিরে লাইমলাইটে আছেন ব্রুনো গিমারায়েস। চলতি আসরে ৪টি অ্যাসিস্ট করে তিনি কিংবদন্তি পেলের ১৯৭০ সালের (৬টি অ্যাসিস্ট) রেকর্ড ছোঁয়ার পথে রয়েছেন। জাপানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোলেও অবদান ছিল গিমারায়েসের। তবে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের সাম্প্রতিক ফর্ম কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে; ১৯৯৮ সালের পর চলতি আসরেই তারা গোলমুখে সবচেয়ে কম শট নিয়েছে।

কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণ:
আজকের ম্যাচে যে দলই জিতবে, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা স্বাগতিক মেক্সিকো। পেলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা গিমারায়েস আর ছন্দে থাকা মার্টিনেল্লিরা কি পারবেন সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি করতে? নাকি হালান্ডের নরওয়ে তৈরি করবে নতুন কোনো রূপকথা—তার উত্তর মিলবে আজ রাতের মাঠের লড়াইয়েই।

মন্তব্য

p
উপরে