গত ২৪ জুন ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো বিশ্ব। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭-এর বেশি মাত্রার এই প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১১ হাজার মানুষ। এই বিপর্যয়ের প্রায় দুই সপ্তাহ পর, চলমান বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের শেষে ভেনেজুয়েলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় মেসি বলেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলার সব মানুষকে একটি বড় বার্তা পাঠাতে চাই। আমরা জানি তারা বর্তমানে কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। যারা চরম কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, যারা তাদের প্রিয়জনদের খুঁজে পাচ্ছেন না এবং কী হবে না হবে, তা নিয়ে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন—আমি তাদের সবার পাশে আছি। এখান থেকে তাদের সবার জন্য অনেক অনেক শক্তি ও প্রার্থনা রইল।’
মেসির এই বার্তার ঠিক আগের দিন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও ভেনেজুয়েলার এই মানবিক বিপর্যয় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে, ভূমিকম্পে পা হারানো আন্দ্রেস মিলেস নামের এক খুদে ভেনেজুয়েলান ভক্তের স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্ববাসীর মন জয় করেছেন তিনি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু আন্দ্রেসের একটিই ছোট্ট ইচ্ছা ছিল—তার বিশ্বকাপ অ্যালবামের জন্য প্রিয় তারকা রোনালদোর একটি অফিশিয়াল স্টিকার পাওয়া। রোনালদো কেবল সেই কাঙ্ক্ষিত স্টিকারটিই পাঠাননি, বরং সেই খুদে ভক্তের জন্য একটি বিশেষ ভিডিও বার্তাও পাঠিয়েছেন এবং তাকে নিজের খেলা দেখার জন্য সরাসরি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, ‘এই যে আন্দ্রেস, কেমন আছো? তোমাকে একটি বড় হাগ (আলিঙ্গন) পাঠাতে এই ভিডিওটি তৈরি করছি। আমি জানি তুমি আমার অনেক বড় ভক্ত। আশা করি তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। আমি তোমাকে আমার একটি ম্যাচে আমন্ত্রণ জানাতে চাই, যেন আমরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারি। তোমার সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি। বন্ধু আমার, শক্ত থেকো।’
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ বিশ্বকাপের ‘হেক্সা’ মিশনে থাকা ব্রাজিলের সামনে এবার শেষ ষোলোর বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের উদীয়মান শক্তি নরওয়ে। রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই পরিসংখ্যান আর ভবিষ্যদ্বাণীর লড়াইয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে ফুটবল বিশ্বে।
সুপার কম্পিউটার ও জ্যোতিষী বিড়ালের বাজি:
বিখ্যাত পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’-র সুপার কম্পিউটার ২৫ হাজার বার এই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি সিমুলেশন করে জানিয়েছে, জয়ের সম্ভাবনায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে ব্রাজিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩.৬ শতাংশ, বিপরীতে নরওয়ের সম্ভাবনা মাত্র ২২.৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেলেসাওরা ৬৬ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে ফেবারিট।
একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় ‘জ্যোতিষী’ বিড়াল মিলুর ভবিষ্যদ্বাণীতেও। মালিক নাতান পিনহেইরোর রাখা দুটি খাবারের বাটির মধ্যে ব্রাজিলের বাটিটিই বেছে নিয়েছে মিলু। যদিও আগের দিন আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে মিলুর পূর্বাভাস প্রথমবারের মতো ভুল প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও ব্রাজিলের প্রতিটি ম্যাচে সঠিক পূর্বাভাস দেওয়ায় সমর্থকদের বড় একটি অংশ এখনো বিড়ালটির ওপর আস্থা রাখছে।
ইতিহাস ও পরিসংখ্যানের লড়াই:
ব্রাজিলের জন্য শেষ ষোলোর মঞ্চটি যেন নিজেদের ঘরবাড়ি। শেষ ১০টি শেষ ষোলোর ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে তারা। তবে তাদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ। ২০০২ সালের ফাইনালের পর নকআউট পর্বে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে গেলেই যেন খেই হারিয়ে ফেলে সেলেসাওরা; গত ছয়টি নকআউট ম্যাচে ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।
অন্যদিকে, মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস আবার নরওয়ের পক্ষে। এ পর্যন্ত দুই দলের চারবারের দেখায় দুটিতে জয় ও দুটিতে ড্র করেছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শেষবার দেখা হওয়ার সময়ও ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ভাইকিংরা।
হালান্ড বনাম গিমারায়েস:
নরওয়ের প্রধান অস্ত্র বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। জাতীয় দলের হয়ে টানা ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করা হালান্ড এই ম্যাচে গোল করলেই ক্রিশ্চিয়ান ভিয়েরির পর প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম চার ম্যাচের প্রতিটিতে গোলের বিরল কীর্তি গড়বেন। তাকে বল যোগান দেবেন ফর্মে থাকা অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড।
ব্রাজিল শিবিরে লাইমলাইটে আছেন ব্রুনো গিমারায়েস। চলতি আসরে ৪টি অ্যাসিস্ট করে তিনি কিংবদন্তি পেলের ১৯৭০ সালের (৬টি অ্যাসিস্ট) রেকর্ড ছোঁয়ার পথে রয়েছেন। জাপানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোলেও অবদান ছিল গিমারায়েসের। তবে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের সাম্প্রতিক ফর্ম কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে; ১৯৯৮ সালের পর চলতি আসরেই তারা গোলমুখে সবচেয়ে কম শট নিয়েছে।
কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণ:
আজকের ম্যাচে যে দলই জিতবে, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা স্বাগতিক মেক্সিকো। পেলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা গিমারায়েস আর ছন্দে থাকা মার্টিনেল্লিরা কি পারবেন সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি করতে? নাকি হালান্ডের নরওয়ে তৈরি করবে নতুন কোনো রূপকথা—তার উত্তর মিলবে আজ রাতের মাঠের লড়াইয়েই।
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে কোচ থমাস টুখেলের দলের জন্য মাঠের প্রতিপক্ষের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মেক্সিকো সিটির ভৌগোলিক পরিবেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২০০ মিটারেরও বেশি উঁচুতে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামের পাতলা বাতাস ও অক্সিজেনের স্বল্পতা ইংলিশ ফুটবলারদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
উচ্চতার ধকল সামলাতে ‘ভায়াগ্রা’ কৌশল:
উচ্চতাজনিত কারণে অ্যাথলেটদের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এই প্রতিকূলতা সামলাতে চিকিৎসাগত বিকল্প হিসেবে হ্যারি কেইনদের সামনে ‘ভায়াগ্রা’ (সিলডেনাফিল) ব্যবহারের পথ খোলা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কিংবা বিশ্ব ডোপিং বিরোধী সংস্থা ওয়াডার (WADA) নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় এটি না থাকায় ব্যবহারে কোনো আইনি বাধা নেই। পর্তুগালের ক্রীড়া সাময়িকী ‘আ বোলা’ এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ তাদের প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনার কথা নিশ্চিত করেছে।
ক্রীড়া বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভায়াগ্রার ভূমিকা:
সাধারণত যৌন অক্ষমতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও উঁচুতে খেলার ক্ষেত্রে এর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব ভিন্ন। এর মূল উপাদান ‘সিলডেনাফিল’ ফুসফুসের রক্তনালীগুলোকে প্রসারিত করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে পাতলা বাতাসেও ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহের গতি বাড়ে এবং অ্যাথলেটরা সহজে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, কোনো প্রকার যৌন উদ্দীপনা ছাড়া কেবল শারীরিক পরিশ্রমের সময় এই ওষুধ সেবন করলে কোনো বিব্রতকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে না। এর আগে ২০১৯ সালে আর্জেন্টিনার ঘরোয়া ক্লাব ‘ইউনিয়ন দে সান্তা ফে’ ইকুয়েডরের ২,৮৫০ মিটার উঁচুতে খেলার সময় সফলভাবে এই কৌশল ব্যবহার করেছিল।
আজতেকার অতীত ইতিহাস ও মেক্সিকোর দুর্গ:
শুধুমাত্র উচ্চতাই নয়, আজতেকা স্টেডিয়ামের অতীত ইতিহাসও ইংলিশদের ভীতি বাড়াচ্ছে। ৪০ বছর আগে এই মাঠেই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল ইংল্যান্ড, যে ম্যাচে ডিয়েগো ম্যারাডোনা করেছিলেন ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল। চার দশক পর আজতেকার সেই পুরোনো ক্ষত সারানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামবেন হ্যারি কেইনরা।
অন্যদিকে, আজতেকা স্টেডিয়াম মেক্সিকোর জন্য এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। এই মাঠে খেলা নিজেদের শেষ ৮৯টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে হেরেছে তারা, যার সর্বশেষটি ছিল ২০১৩ সালে।
সমর্থকদের উৎপাত ও টুখেলের মন্তব্য:
মাঠের লড়াইয়ের আগেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন স্থানীয় মেক্সিকান সমর্থকরা। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ইংলিশ ফুটবল ফেডারেশন দলের হোটেলের নাম গোপন রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু মেক্সিকান সমর্থকরা ঠিকই হোটেল ও টিম বাস শনাক্ত করে তীব্র হট্টগোল ও দুয়ো দেওয়া শুরু করে।
প্রতিপক্ষের সমর্থকদের এই উৎপাত ও মানসিক চাপ সামলাতে ইংলিশ কোচ থমাস টুখেল হালকা ছলে রসিকতা করে বলেন, “মেক্সিকান সমর্থকরা যদি আমাদের রাতে ঘুমাতে না দেয়, তবে খেলোয়াড়রা কানে প্লাগ গুঁজে ঘুমাবে!”
উচ্চতার প্রাকৃতিক বাধা, ইতিহাসের পুরোনো ভূত এবং স্বাগতিক সমর্থকদের তুমুল উন্মাদনা সব প্রতিকূলতা জয় করে হ্যারি কেইনরা শেষ আটের টিকিট কাটতে পারেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ছবি: সংগৃহীত
নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার স্বপ্ন ছিল কানাডার। কিন্তু সেই স্বপ্নে দেয়াল হয়ে দাঁড়াল গত আসরের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। আজ্জেদিন ওউনাহির জোড়া গোল এবং সুফিয়ান রাহিমির শেষ মুহূর্তের লক্ষ্যভেদে কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মরক্কো। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল উত্তর আফ্রিকার দেশটি।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে অবশ্য দাপট ছিল কানাডারই। গোলশূন্য প্রথমার্ধে মরক্কোর সঙ্গে বলের দখল ও আক্রমণে সমানে সমান পাল্লা দেয় স্বাগতিক দেশটি। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ না করলে বিরতির আগেই এগিয়ে যেতে পারত কানাডা।
ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল মরক্কো। ম্যাচের ২২ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এবারের আসরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইসমাইল সাইবারি। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সুফিয়ান রাহিমি।
তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেয় ‘অ্যাটলাস লায়নরা’। ৪৯ মিনিটে (মতান্তরে ৫০ মি.) দুর্দান্ত এক সেট পিস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন আজ্জেদিন ওউনাহি। বক্সের বাইরে ডান দিক থেকে আশরাফ হাকিমির নেওয়া ফ্রি-কিক খুঁজে নেয় ফাঁকায় থাকা ওউনাহিকে। মাটি কামড়ানো জোরালো শটে কানাডার রক্ষণ ও সতীর্থ রাহিমির পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি।
পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে কানাডা। কিন্তু সেই সুযোগে মরক্কো তাদের প্রিয় অস্ত্র ‘কাউন্টার অ্যাটাক’ বা পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। ম্যাচের ৮২ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর দারুণ শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ওউনাহি। এই গোলেই কানাডার ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়।
নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে কানাডার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন সুফিয়ান রাহিমি। এবারও বলের যোগানদাতা ছিলেন ব্রাহিম দিয়াজ। মাঝমাঠ থেকে দিয়াজের পাস খুঁজে নেয় ফাঁকায় থাকা রাহিমিকে। গোলরক্ষককে একা পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। ফলে ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মরক্কো।
সবার আগে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা মরক্কো সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে শক্তিশালী ফ্রান্সের। আজ রাতেই শেষ ষোলোর অন্য ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে। ওই ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষেই মাঠে নামবে মরক্কো।
এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে প্রথম জয় পাওয়ার পর নকআউট পর্বেও ইতিহাস গড়ার সুযোগ ছিল কানাডার সামনে। তবে মরক্কোর অভিজ্ঞ ফুটবল ও কৌশলের কাছে হার মেনেই বিদায় নিতে হলো তাদের।
ছবি: সংগৃহীত
ফিলাডেলফিয়ার ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র দাবদাহে লিঙ্কন ফাইনান্সিয়াল ফিল্ডে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে এক অগ্নিপরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিল দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে মূলত রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রায় আটকে দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ১-০ ব্যবধানের এই জয়ে শেষ হাসি হেসে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফরাসিরা। ফিলাডেলফিয়ার উত্তপ্ত আবহাওয়ার পাশাপাশি ম্যাচজুড়ে ছড়িয়েছিল স্নায়বিক উত্তেজনা; একের পর এক কঠিন ট্যাকল, তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতিতে ম্যাচটি বেশ কয়েকবার বিঘ্নিত হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই প্যারাগুয়ের কৌশল ছিল ‘আগে দরজা বন্ধ’ নীতি। প্রথমার্ধে ফ্রান্সের দখলে বলের নিয়ন্ত্রণ প্রায় ৯০ শতাংশ থাকলেও প্যারাগুয়ের পাঁচ ডিফেন্ডারের গড়া দুর্ভেদ্য রক্ষণ দেয়াল ভেদ করতে এমবাপ্পে-ওলিসেরা ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে কোনো দলই লক্ষ্যভেদী শট নিতে পারেনি, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বিরল এক পরিসংখ্যান। খেলার গতিপথে উত্তাপ ছড়ায় ৩৫ মিনিটে, যখন এমবাপ্পের ওপর করা একটি ট্যাকলকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়রা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল রূপ নিয়েছিল যে, কোচ দিদিয়ের দেশমকে নিজে খেলোয়াড়দের শান্ত করতে মাঠে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
খেলার মোড় ঘুরে যায় ৭০ মিনিটে। দ্বিতীয়ার্ধে কোচ দেশম ব্র্যাডলি বারকোলার পরিবর্তে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামালে ফরাসি আক্রমণের ধার বাড়ে। বক্সে ঢুকে পড়া দুয়েকে প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার দিয়েগো গোমেজ অবৈধভাবে বাধা দিলে রেফারি ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পটকিক থেকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে এমবাপ্পে চলতি বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির সমান সপ্তম গোল এবং বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের ১৯তম গোল পূর্ণ করলেন। বর্তমানে তিনি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চেয়ে মাত্র এক গোল পিছিয়ে আছেন।
শেষ দিকে প্যারাগুয়ে গোল শোধে মরিয়া হলেও ফরাসি রক্ষণভাগে ফাটল ধরাতে পারেনি। উল্টো ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় ফ্রান্স, তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল অসীম দক্ষতায় এমবাপ্পের কয়েকটি শক্তিশালী শট রুখে দিয়ে হারের ব্যবধান সীমিত রাখেন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পরও খেলোয়াড়দের মধ্যে রেষারেষি বজায় ছিল। নান্দনিক ফুটবলের চেয়ে বরং শারীরিক শক্তির লড়াই ও ট্যাকটিক্যাল কৌশলের প্রাধান্য থাকা এই ম্যাচে জয় পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শেষ আটে জায়গা করে নিল ফ্রান্স। সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে আগামী ১০ জুলাই মরক্কোর মুখোমুখি হবে এমবাপ্পের দল।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে। সদ্য শেষ হওয়া একমাত্র টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার ওয়ানডে সিরিজের দলে চার ক্রিকেটারকে ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা। টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান স্বাগতিকরা।
জিম্বাবুয়ের ওয়ানডে দলে ফিরেছেন ইনোসেন্ট কাইয়া, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তাদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন কাইয়া। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ এই সংস্করণে খেলেছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ১৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন কাইয়া। ক্যারিয়ারের দুই সেঞ্চুরির দুটোই করেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। এর আগে বাংলাদেশ সফরে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের হয়েও ওয়ানডেতে শতকের দেখা পেয়েছিলেন এই ওপেনার।
এদিকে টেস্ট ম্যাচ না খেললেও ওয়ানডে দলে আছেন জিম্বাবুয়ের তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। এছাড়া রায়ান বার্লও সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে ‘এ’ দলের হয়ে ৫০ ও ২০ রান করায় দলে ফিরেছেন। গত মার্চে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুটি শতক করেছিলেন তিনি
গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল জিম্বাবুয়ে। সেই দল থেকে বাদ পড়েছেন ব্রেন্ডন টেলর, শন উইলিয়ামস, জনাথন ক্যাম্পবেল, টনি মুনিয়োঙ্গা ও ট্রেভর গওয়ান্ডু। এছাড়া মাদকাসক্তির পুনর্বাসন কর্মসূচিতে থাকা শন উইলিয়ামসকেও রাখা হয়নি এই দলে।
আগামী ৬ জুলাই ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে। একই ভেন্যুতে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ যথাক্রমে ৯ ও ১১ জুলাই মাঠে গড়াবে।
জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে দল
রিচার্ড এনগারাভা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ক্রেইগ আরভিন, ব্র্যাড ইভান্স, ইনোসেন্ট কাইয়া, ক্লাইভ মাদান্দে (উইকেটকিপার), ওয়েসলি মাধেভেরে, তাদিওয়ানাশে মারুমানি (উইকেটকিপার), ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, আর্নেস্ট মাসুকু, ব্লেসিং মুজারাবানি, নিউম্যান নিয়ামহুরি ও সিকান্দার রাজা।
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারেনি বাংলাদেশ যুব দল। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই হতাশাজনক বিদায় নিয়ে দেশে ফিরতে হয়েছিল আজিজুল হাকিম তামিমের দলকে। বিশ্বমঞ্চের সেই ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে এবং আগামী যুব বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ইতিমধ্যেই সফলভাবে শেষ হয়েছে ঘরোয়া ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ । এরপর খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৪৫ জন উদীয়মান ক্রিকেটারকে নিয়ে একটি বিশেষ ট্রেনিং সেশনও পরিচালনা করা হয়েছে। জুনিয়র টাইগারদের সাবেক লঙ্কান প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি শেষ হওয়ায়, এবার যুব দলের হাল ধরার জন্য নতুন প্রধান কোচ হিসেবে সাবেক জাতীয় দলের ওপেনার হান্নান সরকারকে নিয়োগ দিয়েছে বোর্ড। নতুন এই কোচের অধীনেই আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে যুবাদের বহুল প্রতীক্ষিত অফিশিয়াল স্কিল ক্যাম্প।
ঢাকার অদূরে সাভারের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) টানা ২১ দিনব্যাপী এই নিবিড় ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক অনূর্ধ্ব-১৯ দল গঠনের লক্ষ্যে মোট ৩০ জন প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারকে নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের স্কিল ক্যাম্প। যেখানে যুব ক্রিকেটাররা কন্ডিশনিংয়ের পাশাপাশি তাদের ব্যাটিং টেকনিক, বোলিং বৈচিত্র্য এবং আধুনিক ফিল্ডিংয়ের খুঁটিনাটি নিয়ে কোচদের অধীনে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন। মূলত ২০২৮ যুব বিশ্বকাপের জন্য একটি শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ কোর টিম তৈরি করাই এই ক্যাম্পের মূল লক্ষ্য।
বিসিবি যুব ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে হান্নান সরকারের কোচিং প্যানেলে একঝাঁক অভিজ্ঞ দেশি কোচকে যুক্ত করেছে। প্রধান কোচ হান্নান সরকার ছাড়াও যুবাদের বোলিংয়ের ধার বাড়াতে পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন সাবেক জাতীয় দলের পেসার ডলার মাহমুদ। এছাড়া তরুণদের ফিল্ডিংয়ে চটপটে করে তুলতে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সেলিম এবং আরশাদ খানরা। এই ক্যাম্পের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটের নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত
গত জুন মাসে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে লর্ডসের মাঠে কেন্টের হয়ে দুর্দান্ত অভিষেকের পর, এবার ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নিজের জাত চেনানোর বড় সুযোগ পেলেন বাংলাদেশের ডানহাতি গতি তারকা হাসান মাহমুদ। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট’-এ নাম লিখিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ তিনটি অতি-গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য কেন্ট স্পিটফায়ার্স তাদের স্কোয়াডে এই টাইগার পেসারকে দলে নেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
এর মাধ্যমে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ভাইটালিটি ব্লাস্টে খেলার এক অনন্য গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন হাসান মাহমুদ। এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে সাসেক্সের জার্সি গায়ে এই টুর্নামেন্টে মাঠ মাতিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। তবে কেন্ট স্পিটফায়ার্সের সুদীর্ঘ ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করবেন হাসান।
ইংল্যান্ডের এই জমজমাট ও গতিময় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজের দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন হাসান মাহমুদ। কেন্ট ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই টাইগার স্পিডস্টার জানান, কেন্টের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সময়টা তিনি ভীষণ উপভোগ করেছিলেন এবং দলের প্রয়োজনে আবারও লাল-সবুজ জার্সির বাইরে ইংল্যান্ডে ফিরতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
হাসান মাহমুদ তাঁর বিবৃতিতে বলেন, ‘কাউন্টিতে কেন্টের সাথে কাটানো সময়টা আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা ছিল। তাই ভাইটালিটি ব্লাস্টের মতো টুর্নামেন্টে আবারও কেন্টের হয়ে অবদান রাখার সুযোগ যখন আমার সামনে এলো, তখন এক মুহূর্তের জন্যও আমি দ্বিধা করিনি। আমাদের সামনে থাকা এই তিনটি ম্যাচ কেন্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্টকে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে তুলতে আমি বল হাতে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আমার দক্ষতার ওপর পুনরায় আস্থা রাখার জন্য আমি কেন্ট ম্যানেজমেন্টকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
জাতীয় দলের এই পেসার আরও যোগ করেন, ‘ভাইটালিটি ব্লাস্ট বিশ্বের অন্যতম সেরা ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটারদের বিপক্ষে নিজেকে প্রমাণ করার এটি আমার জন্য একটি মস্ত বড় সুযোগ। আমি মনে করি, এই অভিজ্ঞতাটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের হয়ে আবারও সাদা বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে) শক্তিশালীভাবে ফেরার ক্ষেত্রে আমাকে অনেকখানি এগিয়ে দেবে।’ হাসান মাহমুদের এই নতুন মিশন ইংলিশ কন্ডিশনে তাঁর বোলিং বৈচিত্র্য ও কার্যকারিতা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করছেন দেশের ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য