× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Portugal thrashed Uzbekistan 5 0 on Ronaldo double and record night
google_news print-icon

রোনালদোর জোড়া গোল ও রেকর্ডের রাতে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে ওড়াল পর্তুগাল

রোনালদোর-জোড়া-গোল-ও-রেকর্ডের-রাতে-উজবেকিস্তানকে-৫-০-গোলে-ওড়াল-পর্তুগাল-

প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই চেনা ছন্দে ফিরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তাঁর রেকর্ড গড়া জোড়া গোলের ওপর ভর করে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগাল। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা এই ম্যাচেই প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছেন। এই বড় জয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে ওঠার পথে বিশাল এক ধাপ ফেলল সাবেক ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই উজবেক রক্ষণভাগের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে পর্তুগাল। ২ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের আক্রমণ প্রতিহত হওয়ার পর ৫ম মিনিটে সহজ সুযোগ মিস করেন রোনালদো। তবে ঠিক পরের মিনিটেই (৬ষ্ঠ মিনিটে) জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো নিচু ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেন সিআরসেভেন (CR7)। শুরুর এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ১৭তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত নিচু শটে গোল করে পর্তুগালের ব্যবধান ২-০ করেন ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেস।

প্রথমার্ধের মাঝপথে উজবেকিস্তান বক্সের বাইরে থেকে গাভিয়েনের এক অবিশ্বাস্য শটে গোল করলেও, বিল্ডআপের সময় কানসেলো ফাউলের শিকার হওয়ায় ভিএআর (VAR) যাচাই করে রেফারি সেই গোলটি বাতিল করেন। এরপর ৩৯তম মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাস ধরে ডান পায়ের চমৎকার আড়াআড়ি শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১০ম গোল পূর্ণ করে কিংবদন্তি ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে পর্তুগালের পক্ষে সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতার নতুন রেকর্ড নিজের করে নেন তিনি। ইনজুরি টাইমে রোনালদোর একটি চিপ গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন উজবেক ডিফেন্ডার খুশানোভ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৫২ ও ৫৪ মিনিটে ফায়জুল্লায়েভ ও শুকুশভের দুটি বিপজ্জনক আক্রমণ দারুণভাবে নস্যাৎ করে দেয় পর্তুগিজ রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক ডিওগো কোস্তা। এরপর ৬০তম মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের কর্নার থেকে জোয়াও ফেলিক্সের চমৎকার ব্যাক-হিল ড্রপ খেয়ে গোললাইনে থাকা খুসানভের গায়ে লেগে প্রতিহত হতে গেলে, দুর্ভাগ্যবশত উজবেক গোলকিপার আব্দুভোখিদ নেমাতভের আত্মঘাতী গোল হিসেবে জালে জড়িয়ে যায়। এর ফলে পর্তুগাল ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এরপর রোনালদো আরও দুইবার হ্যাটট্রিকের কাছাকাছি পৌঁছালেও উজবেক কিপারের চমৎকার সেভে তা আলোর মুখ দেখেনি।

ম্যাচের শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে আক্রমণভাগ আরও গতিময় করেন রাফা লেয়াও। ৮৭তম মিনিটে নেলসন সেমেদোর একটি কাটব্যাক রোনালদোর উদ্দেশ্যে এলেও তা প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে লেয়াওয়ের সামনে চলে আসে। সুযোগ হাতছাড়া না করে জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে পর্তুগালের ৫-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড। প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের ধাক্কা সামলে এই বিধ্বংসী জয়ের ফলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে গেল রবার্তো মার্তিনেসের শিষ্যরা।

আরও পড়ুন

খেলা
Messi overtakes Klose to world record throne

ক্লোসাকে টপকে বিশ্ব রেকর্ডের সিংহাসনে মেসি

ক্লোসাকে টপকে বিশ্ব রেকর্ডের সিংহাসনে মেসি ছবি: সংগৃহীত

লিওনেল মেসি—নামটি যেন ফুটবলের সকল মহাকাব্যের শেষ কথা। ডালাস স্টেডিয়ামে আজ সোমবার রাতে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের দাপুটে জয়ের দিনে মেসি কেবল আর্জেন্টিনাকে জেতাননি, বরং নিজেকে নিয়ে গেছেন এমন এক উচ্চতায়, যেখানে পৌঁছানো যেকোনো ফুটবলারের জন্য এক অলীক স্বপ্ন। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে এখন এককভাবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন অলঙ্কৃত করছেন এই ফুটবল জাদুকর।


ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল কিছুটা বিষাদময়। ৯ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি, যা গ্যালারিজুড়ে এক লহমায় নীরবতা নামিয়ে আনে। এই মিসের মাধ্যমে বিশ্বকাপে এককভাবে সর্বোচ্চ তিনটি পেনাল্টি মিসের অনাকাঙ্ক্ষিত এক রেকর্ডও নিজের নামের পাশে যোগ করেন তিনি। তবে ফুটবল ঈশ্বর যার জন্য রাজকীয় মঞ্চ সাজিয়ে রেখেছেন, তাকে কি আর একটি ব্যর্থতায় আটকে রাখা যায়? ৩৮ মিনিটে ফাকুন্দো মেদিনার বাড়ানো পাস বুক দিয়ে নামিয়ে এক জাদুকরী ভলিতে অস্ট্রিয়ার জাল কাঁপান মেসি। এই গোলের মাধ্যমেই ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ভেঙে ১৭ গোল নিয়ে ইতিহাসের চূড়ায় বসেন তিনি। তবে সেখানেই থামেননি; ম্যাচের ৯৪ মিনিটে জটলার ভেতর থেকে আরও একটি অসাধারণ গোল করে নিজের মোট গোল সংখ্যা ১৮-তে উন্নীত করেন। এর মাধ্যমে তিনি পুরুষ ও নারী মিলিয়ে ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি মার্তার বিশ্ব রেকর্ডকেও স্পর্শ করেন।


২০২৬ বিশ্বকাপে মাত্র দুই ম্যাচেই মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫—উদ্বোধনী ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক এবং আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল। এই জয়ের ফলে ‘জে’ গ্রুপে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে লিওনেল স্কালোনির দল। মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের দীর্ঘ দুই দশকের যাত্রা ডালাসে এসে যেন পূর্ণতা পেল। ২০০৬ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে যে যাত্রার শুরু হয়েছিল, ৩৯ বছর ছুঁইছুঁই বয়সেও মাঠে তাঁর গোলক্ষুধা যেন যেকোনো তরুণ তুর্কিকেও হার মানায়।


এই ম্যাচে গোল করে মেসি আরও বেশ কিছু রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। তিনি এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার বিরল কৃতিত্বের অধিকারী, যা এর আগে জাস্ট ফন্টেইন ও জেয়ারজিনহোর দখলে ছিল। এছাড়াও বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০টি ভিন্ন ম্যাচে দলের প্রথম গোলদাতার কৃতিত্বও এখন তাঁর। যদিও পেনাল্টি মিসের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা দলগতভাবে এখন শীর্ষে (৫ বার), তবে ব্যক্তিগত অর্জনে মেসি সব সমালোচনার উর্ধ্বে। এই বিশ্বকাপেই মেসি যেভাবে শুরু করেছেন, তাতে ফুটবল বিশ্ব কেবল এক মহানায়কের শেষ বেলা উপভোগ করছে না, বরং নতুন এক ইতিহাসের সাক্ষী হচ্ছে।

মন্তব্য

খেলা
Mbappes double goal knocks out France

এমবাপের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

এমবাপের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স ছবি: সংগৃহীত

ফিলাডেলফিয়ায় বজ্রবৃষ্টির কারণে প্রায় ৪ ঘণ্টা দীর্ঘ হওয়া এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইরাককে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। এই জয়ের ফলে ‘আই’ গ্রুপ থেকে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল ফরাসিরা। ফ্রান্সের জার্সিতে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬ গোল করে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ করলেন সময়ের সেরা এই ফুটবলার।

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলে ফ্রান্স। ফরাসিদের ১৯টি আক্রমণাত্মক শটের বিপরীতে ইরাক মাত্র ৪টি শট নিতে সক্ষম হয়। খেলার ১৪ মিনিটে মাইকেল অলিসের চমৎকার পাস থেকে বাম পায়ের শক্তিশালী শটে দলকে লিড এনে দেন এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে ১৫ গোল করে তিনি ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর পাশে বসেন। প্রথমার্ধের ১-০ ব্যবধানে থাকা অবস্থায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় এবং বিরতির পর তীব্র বজ্রপাতের কারণে খেলা ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট স্থগিত থাকে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর দ্বিতীয়োর্ধের খেলায় আবারও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। ৫৪ মিনিটে ইরাকি ডিফেন্ডার জায়েদ তাহসিনের একটি ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে উসমান দেম্বেলে বল বাড়িয়ে দেন এমবাপ্পের দিকে। সহজ সুযোগ পেয়ে জালে বল পাঠাতে ভুল করেননি ফরাসি অধিনায়ক। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে নিজের ১৬তম গোলটি পূর্ণ করেন, যা মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের সমান। এমবাপ্পের সামনে এখন কেবল লিওনেল মেসি (১৮ গোল) রয়েছেন।

ম্যাচের ৬৬ মিনিটে উসমান দেম্বেলে নিজেও জালের দেখা পান। মাইকেল অলিসের অ্যাসিস্ট থেকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে ইরাকের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন পিএসজির এই তারকা। বর্তমানে দুই ম্যাচে ৪ গোল নিয়ে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নরওয়ের আর্লিং হলান্ডের সাথে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন এমবাপ্পে। আগামী ২৬ জুন গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে নরওয়ের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স।

মন্তব্য

খেলা
After 17 long years Bangladesh in white clothes on British soil

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ইংলিশদের মাটিতে সাদা পোশাকে বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ইংলিশদের মাটিতে সাদা পোশাকে বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৭ বছরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে অবশেষে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। আগামী ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে এই একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) বাইরে আয়োজিত এই দ্বিপক্ষীয় ম্যাচের সম্ভাব্য সময় চূড়ান্ত হলেও ভেন্যু নির্ধারণের বিষয়টি এখনও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে। তবে লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস অথবা ওভালেই এই একমাত্র টেস্টটি আয়োজন করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্প্রতি লর্ডসের উইকেট নিয়ে ক্রিকেট মহলে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক টেস্ট ম্যাচটি চার দিনে শেষ হলেও সেখানে খেলা হয়েছিল মাত্র ১৬৬ ওভার। এই অতিরিক্ত বোলিং সহায়ক উইকেটের কারণে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচটি লর্ডস থেকে ওভালে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ফাইনাল ম্যাচটি যদি ওভালে স্থানান্তরিত হয়, তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই আয়োজন করা হবে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দুটি টেস্ট খেলতে প্রথমে বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ড দল, যার ভেন্যু ঢাকা ও চট্টগ্রাম। এরপর মার্চে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহাসিক ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্ট খেলবে ইংলিশরা। এরপর মে মাসে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের পর অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই টানা নয়টি টেস্ট খেলার কথা রয়েছে ইংল্যান্ডের। মূলত ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ সিরিজের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচটি বেন স্টোকসদের জন্য লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দল সবশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল। দুই ম্যাচের সেই সিরিজে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি করে ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল এবং বল হাতে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন সাকিব আল হাসান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর যখন বাংলাদেশ আবারও ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে, তখন ২০১০ সালের সেই ঐতিহাসিক সফরের স্কোয়াড থেকে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে বর্তমানে টেস্ট দলে সক্রিয় রয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

মন্তব্য

খেলা
Cape Verdes historic draw against Uruguay

উরুগুয়ের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক ড্র

উরুগুয়ের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক ড্র

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আবারও এক লড়াকু রূপকথার জন্ম দিয়েছে আফ্রিকার ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর এবার ফুটবল পরাশক্তি উরুগুয়েকেও রুখে দিয়েছে তারা। মায়ামির ঐতিহ্যবাহী হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘গ্রুপ এইচ’-এর অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পরও দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ এক প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জয়বঞ্চিত করে গ্রুপ পর্বের নকআউট রেসে নিজেদের ভালোভাবেই টিকিয়ে রাখল কেপ ভার্দে।

খেলার শুরু থেকেই উরুগুয়ে ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামলেও প্রথম গোলটি আদায় করে নেয় কেপ ভার্দে। ম্যাচের ২১তম মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া কেভীন পিনার এক নিখুঁত ফ্রি-কিক সরাসরি উরুগুয়ের জালে আশ্রয় নেয়। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করে কেপ ভার্দে। তবে প্রথমার্ধের শেষভাগে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় কোচ মার্সেলো বিয়েলসার উরুগুয়ে। খেলার ৪৪তম মিনিটে ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো গোল করে দলকে সমতায় ফেরান এবং প্রথমার্ধের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৪৫+৫ মিনিট) আগুস্তিন কানোপিওর দারুণ গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় উরুগুয়ের দল ‘লা সেলেস্তে’।

বিরতি থেকে ফিরে ব্যবধান ধরে রাখতে এবং জয় সুনিশ্চিত করতে মরিয়া হয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উরুগুয়ে। তবে উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকারদের আক্রমণগুলোকে চমৎকারভাবে সামলে নেয় কেপ ভার্দের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ। রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি প্রতিআক্রমণ থেকে ম্যাচের ৬১তম মিনিটে উরুগুয়েকে স্তব্ধ করে দেন কেপ ভার্দের হেলিও ভারেলা। তাঁর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ম্যাচে ২-২ সমতা ফিরে আসে। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত উভয় দলই আরও কিছু আক্রমণ চালালেও দুই দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় আর কোনো গোল হয়নি।

উরুগুয়ের বিপক্ষে এই রোমাঞ্চকর ড্রয়ের পর ‘গ্রুপ এইচ’-এর সমীকরণ এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে উঠেছে। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের সাথে ড্র করার পর এবার কেপ ভার্দের সাথেও পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় উরুগুয়ের পরের পর্বে যাওয়ার পথ কঠিন হয়ে গেল। এই ড্রয়ের পর দুই ম্যাচ শেষে উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে—দুই দলেরই পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় তালিকায় দুই নম্বরে অবস্থান করছে উরুগুয়ে এবং তিন নম্বরে রয়েছে কেপ ভার্দে। চার পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে স্পেন এবং তলানিতে অবস্থান করছে সৌদি আরব। প্রথম ম্যাচে স্পেনের মতো পরাশক্তিকে আটকানো এবং এবার উরুগুয়ের বিপক্ষে এই লড়াকু পয়েন্ট অর্জন কেপ ভার্দের জন্য বড় এক প্রাপ্তি।

মন্তব্য

খেলা
Irans fighting draw against Belgium thanks to goalkeepers heroics

গোলরক্ষকের বীরত্বে বেলজিয়ামকে বিপক্ষে ইরানের লড়াকু ড্র

গোলরক্ষকের বীরত্বে বেলজিয়ামকে বিপক্ষে ইরানের লড়াকু ড্র ছবি: সংগৃহীত

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ২২তম স্থানে থাকা ইরানকে কাগজে-কলমে ‘আন্ডারডগ’ বলার সুযোগ নেই। বিশেষ করে নরওয়ে বা মিসরের মতো শক্তিশালী দলগুলোর চেয়েও র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে তারা। তবে এবারের বিশ্বকাপে ইরান সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মাঠের বাইরে। টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাক্কালে স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক সংঘাতের ছায়া তাদের বিশ্বকাপ অভিযানকে ঘিরে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল। ফুটবল বিশ্বের অধিকাংশ মনোযোগ যখন মাঠের বাইরে ইরানের রাজনীতি নিয়ে আবর্তিত হচ্ছিল, তখন লস অ্যাঞ্জেলেসের সবুজ গালিচায় ফুটবলের মাধ্যমে মোক্ষম জবাব দিল তারা।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ২-২ গোলে ড্র করা ইরান আজ রুখে দিয়েছে শক্তিশালী বেলজিয়ামকে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে এক অসাধারণ রক্ষণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করতে সমর্থ হয় তারা। যুদ্ধের ময়দানে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার যে মানসিকতা ইরান দেখিয়েছে, তার প্রতিফলন যেন আজ মাঠের রক্ষণেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে গোলরক্ষক আলীরেজা বেইরানভান্দ আজ অতিমানবীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। পুরো ম্যাচে তিনি ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন, যার প্রতিটিই ছিল দেখার মতো।

ম্যাচের ৬০ মিনিটে বেইরানভান্দ এমন একটি গোল ঠেকিয়ে দেন যা সম্ভবত চলতি বিশ্বকাপের সেরা সেভ হিসেবে বিবেচিত হবে। কেভিন ডি ব্রুইনা পেনাল্টি এরিয়ার ভেতর থেকে আড়াআড়ি পাস বাড়িয়েছিলেন ম্যাক্সিম ডি ক্রুইপারের দিকে। ফাঁকা গোলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ডি ক্রুইপারের জন্য গোল করাটা তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় গোলপোস্টের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি রুখে দেন বেইরানভান্দ। পুরো ম্যাচে ২৩টি আক্রমণ শট নিয়েও ইরানের এই লৌহকঠিন রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে ব্যর্থ হয় বেলজিয়ামের তারকারা।

ম্যাচটিতে জয় পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করেছিল ইরান। বিশেষ করে ৬৬ মিনিটে বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার নাথান এনগয় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইউরোপীয় পরাশক্তিরা। এরপর ইরান বেশ কয়েকবার কাউন্টার অ্যাটাকে বেলজিয়ামের বক্সে ত্রাস সৃষ্টি করলেও গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দৃঢ়তায় জালের দেখা পায়নি। এমনকি প্রথমার্ধে একটি দর্শনীয় গোলও করেছিল ইরান, যা দুর্ভাগ্যবশত অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও মানসিক চাপের পাহাড় মাথায় নিয়েও লড়াকু ফুটবল খেলে ১ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে ইরান।

মন্তব্য

খেলা
Egypt won the first World Cup in the history of Salah

সালাহর নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিসর

সালাহর নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিসর ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে মোহাম্মদ সালাহ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেলেও দেশের হয়ে তাঁর একটি বড় আক্ষেপ ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে জয়। আজ সেই আক্ষেপ ঘুচল এবং ইতিহাস গড়ল মিসর। সালাহর দুর্দান্ত নৈপুণ্যে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল তারা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে অনুষ্ঠিত ‘জি’ গ্রুপের এই ম্যাচে ১টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করে জয়ের নায়ক বনে যান ৩৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

১৯৩৪ সালে যাত্রা শুরু করা মিসর এর আগে আরও তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৯০, ২০১৮ এবং চলতি আসরের প্রথম ম্যাচ) অংশ নিলেও কখনো জয়ের মুখ দেখেনি। টানা ৯২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজেদের নবম প্রচেষ্টায় ঐতিহাসিক এই জয়টি ছিনিয়ে নিল ‘ফারাও’রা। ম্যাচে ৮৩ মিনিট পর্যন্ত মাঠে থেকে সালাহ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ত্রাস সৃষ্টি করেন এবং ৫টি সুযোগ তৈরির পাশাপাশি গোলমুখে সর্বোচ্চ শট নিয়ে দলের আক্রমণের প্রাণভোমরা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন।

খেলার শুরুটা অবশ্য নিউজিল্যান্ডের অনুকূলেই ছিল। ১৫ মিনিটে ফিন সারম্যানের হেডে এগিয়ে যায় কিউইরা। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি মিসর। দ্বিতীয়ার্ধে খোলনলচে বদলে ফেলে তারা। ৫৮ মিনিটে মোহাম্মদ হানির নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে সমতা ফেরান মোস্তাফা জিকো। ঠিক ৯ মিনিট পর জিকোর সঙ্গে চমৎকার বোঝাপড়ায় বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে নিউজিল্যান্ডের জালে বল পাঠান মোহাম্মদ সালাহ। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মিসরের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি, যা এর আগে আবদেল ফাওজির (২ গোল) দখলে ছিল।

ম্যাচের ৮২ মিনিটে সালাহর কর্নার থেকে বদলি খেলোয়াড় ত্রেজেগে আরও একটি দর্শনীয় গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় মিসরের। এই জয়ের ফলে ‘জি’ গ্রুপে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। অন্যদিকে ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকা নিউজিল্যান্ডের জন্য নকআউট পর্বের পথটি বেশ কঠিন হয়ে পড়ল। বিশ্বকাপের আসরে ঐতিহাসিক প্রথম জয়ের পাশাপাশি পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো করল সালাহ ও জিকোরা।

মন্তব্য

খেলা
Spain turned around in the World Cup and crushed the defense of Saudi Arabia

বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াল স্পেন, সৌদি আরবের রক্ষণ চূর্ণ

বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াল স্পেন, সৌদি আরবের রক্ষণ চূর্ণ

প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের চেনা রূপে ফিরেছে স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’-এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় তুলে নিয়েছে স্প্যানিশরা। এই দাপুটে জয়ের মধ্য দিয়ে ২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে নিয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে আসরের প্রথম ম্যাচে নবাগত কেপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ‘টিকিটাকা’ আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে তারা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েনদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন। এরপর দ্বিতীয়ার্থের শুরুতে ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার একটি জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি।

এই আত্মঘাতী গোলের পর ম্যাচের ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর সৌদি আরব রক্ষণভাগ কিছুটা সামলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে স্পেন আরও একবার বল জালে পাঠালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR)-এর মাধ্যমে সেই গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা। এই হারের পর গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১ থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্পেন।

মন্তব্য

p
উপরে