× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
The 1000th World Cup match was played by Japan who defeated Tunisia by 4 goals
google_news print-icon

হাজারতম বিশ্বকাপ ম্যাচ রাঙাল জাপান, তিউনিসিয়াকে ৪ গোলে বিধ্বস্ত

হাজারতম-বিশ্বকাপ-ম্যাচ-রাঙাল-জাপান-তিউনিসিয়াকে-৪-গোলে-বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ পথচলায় এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার লড়াইটি। ১৯৩০ সালে মেক্সিকো-ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়ামের হাত ধরে যে মহাযজ্ঞের শুরু হয়েছিল, আজ সেই বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। তেরোটি দল নিয়ে শুরু হওয়া সেই টুর্নামেন্ট এখন ৪৮ দলের এক বিশাল আসরে রূপ নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিল এশিয়ান পরাশক্তি জাপান।

ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর তিউনিসিয়াকে গুছিয়ে ওঠার কোনো সুযোগই দেয়নি নীল সামুরাইরা। খেলার মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় দাইচি কামাদা এক দুর্দান্ত শটে দলকে লিড এনে দেন। শুরুর এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩১তম মিনিটে ফের গোল উৎসবে মেতে ওঠে জাপান। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিউনিসিয়ার ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে লক্ষ্যভেদ করেন আয়াসে উয়েদা। প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ‘এফ’ গ্রুপের দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধেও জাপানের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রেখে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তারা। ৬৯তম মিনিটে জুনিয়া ইতোর গোলে জয়ের পথ আরও সুগম করে নেয় জাপান। তবে তিউনিসিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আয়াসে উয়েদা। ৮৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করে তিউনিসিয়ার রক্ষণকে পুরোপুরি ধসিয়ে দেন তিনি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে হাজারতম ম্যাচ হিসেবে এই লড়াইটি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছিল। সেই বিশেষ ক্ষণে জাপানি ফুটবলারদের এমন দৃষ্টিনন্দন ও দাপুটে ফুটবল পারফরম্যান্স বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শেষ পর্যন্ত একতরফা লড়াইয়ে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাপান।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Spain turned around in the World Cup and crushed the defense of Saudi Arabia

বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াল স্পেন, সৌদি আরবের রক্ষণ চূর্ণ

বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াল স্পেন, সৌদি আরবের রক্ষণ চূর্ণ

প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের চেনা রূপে ফিরেছে স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’-এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় তুলে নিয়েছে স্প্যানিশরা। এই দাপুটে জয়ের মধ্য দিয়ে ২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে নিয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে আসরের প্রথম ম্যাচে নবাগত কেপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ‘টিকিটাকা’ আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে তারা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েনদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন। এরপর দ্বিতীয়ার্থের শুরুতে ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার একটি জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি।

এই আত্মঘাতী গোলের পর ম্যাচের ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর সৌদি আরব রক্ষণভাগ কিছুটা সামলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে স্পেন আরও একবার বল জালে পাঠালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR)-এর মাধ্যমে সেই গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা। এই হারের পর গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১ থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্পেন।

মন্তব্য

খেলা
Tigers lost the T20 series to Ajid

অজিদের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারাল টাইগাররা

অজিদের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারাল টাইগাররা

মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে চট্টগ্রামে গেলেও ভেন্যু ও ফরম্যাট বদলের সাথে সাথে বদলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পারফরম্যান্স। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল স্বাগতিকরা। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের শেষ ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের জন্য মান বাঁচানোর লড়াই। তবে এই ম্যাচেও সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু চট্টগ্রামের রানবন্যার উইকেটেও ডট বল আর উইকেট হারানোর মহড়ায় লিপ্ত হন টাইগার ব্যাটাররা। দলের বিপর্যয়ের মুখে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের ৫১ বলে খেলা অপরাজিত ৬১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেন রিশাদ হোসেন। অধিনায়ক হৃদয়ের এই লড়াকু ইনিংসের কল্যাণে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের লজ্জা থেকে কোনোমতে মুক্তি পায় লাল-সবুজের দল।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা ছিল চরম বিপর্যয়কর। দ্বিতীয় ওভারেই মাত্র ১ রান করে দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারের পঞ্চম বলে স্পেনসার জনসনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান (৯ বলে ১ রান)। পাওয়ার প্লে-তে ডট বলের মহড়া দিয়ে ১৩ বলে মাত্র ১ রান করে নাথান এলিসের শিকার হন পারভেজ হোসেন ইমন। এর ফলে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে অন্তত ১০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্ট্রাইকরেটের লজ্জার রেকর্ডে নাম লেখান ইমন। পঞ্চম ওভার শেষে মাত্র ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

পরবর্তীতে মিডল অর্ডারে নুরুল হাসান সোহান ৮ বলে ৬ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন এবং শামীম পাটোয়ারী মাত্র ৩ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসা দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন হৃদয় ও রিশাদ জুটি। রিশাদ ১৪ বলে ১৬ রান করে আউট হওয়ার পর শরিফুল ও তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ৪৪ রান যোগ করেন হৃদয়। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন স্পেনসার জনসন। এছাড়া নাথান এলিস ও জাম্পা দুটি করে এবং নিখিল চৌধুরী একটি উইকেট লাভ করেন।

১১০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই শরিফুল ইসলামের বল থেকে ৪টি চারে ১৭ রান তুলে ঝোড়ো সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। অজি ওপেনার মিচেল মার্শ একাই বাংলাদেশি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে মাত্র ২৮ বলে ৬০ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। মার্শের এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করলেও তা পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো অবদান রাখতে পারেনি।

মন্তব্য

খেলা
Vaibhavs world record of fifty with 11 balls

১১ বলে ফিফটি করে বৈভবের বিশ্বরেকর্ড

১১ বলে ফিফটি করে বৈভবের বিশ্বরেকর্ড

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের ১৫ বছর বয়সী তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে এই অনন্য কীর্তি স্থাপন করেন তিনি। মাত্র ১১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে ক্রিকেট ইতিহাসের রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লেখান এই বাঁহাতি বিস্ময়বালক।

ফাইনালে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং প্রদর্শন করেন বৈভব। লঙ্কান বোলিং আক্রমণকে সম্পূর্ণ ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে প্রথম ১১ বলের মধ্যে ১০টি বলেই বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। রেকর্ড গড়ার এই ইনিংসে মাত্র একটি ডট বল খেলেন বৈভব, যার বিপরীতে তার ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৫টি আকর্ষণীয় ছক্কা।

রেকর্ড ফিফটির পর শতকের দিকেও দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এই তরুণ ওপেনার। তবে মাত্র ৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে শতক বঞ্চিত হয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৯৪ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সাহান আরাচ্চিগের বলে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে তার নামের পাশে যোগ হয় মোট ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা।

চলতি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে অবশ্য নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি বৈভব। এর আগের পাঁচটি ইনিংসে সুপার ওভারসহ ব্যাট করতে নেমে তিনি মাত্র তিনটি ছক্কা হাঁকাতে পেরেছিলেন। তবে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাই ৮টি ছক্কা মেরে নিজের আসল ব্যাটিং সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন এই উদীয়মান ক্রিকেটার।

উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের ম্যাচটিতে মাঠের আচরণ নিয়ে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন বৈভব। সুপার ওভারে ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর লঙ্কান ক্রিকেটার বিশেন হালাম্বাগেকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ক্রিকেট মহলে তিনি বেশ সমালোচিত হন। মাঠের সেই বিতর্কের পর ফাইনাল ম্যাচে ব্যাট হাতে লঙ্কান বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে যেন সেই সমালোচনার জবাব দিলেন ১৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার।

মন্তব্য

খেলা
The Netherlands crushed the Swedish defense in Houston and scored 5 goals

হিউস্টনে সুইডিশ রক্ষণ চূর্ণ করে নেদারল্যান্ডসের ৫ গোল

হিউস্টনে সুইডিশ রক্ষণ চূর্ণ করে নেদারল্যান্ডসের ৫ গোল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এফ’-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সুইডেনের রক্ষণভাগকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়েছে নেদারল্যান্ডস। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সুইডিশদের গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিয়ে ৫-১ ব্যবধানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে রোনাল্ড কোম্যানের দল। প্রথমার্ধে তরুণ স্ট্রাইকার ব্রায়ান ব্রবি এবং দ্বিতীয়ার্ধে উইঙ্গার কোডি গাকপোর অনবদ্য জোড়া গোলের সুবাদে ডাচরা এক দাপুটে ফুটবল প্রদর্শনীর মাধ্যমে মাঠ ছাড়ে।

খেলার শুরু থেকেই সুইডিশ ডিফেন্স লাইনের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে ডাচ ফরোয়ার্ডরা। ম্যাচের মাত্র পঞ্চম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় তারা; লিভারপুল উইঙ্গার কোডি গাকপোর একটি চমৎকার মাপা পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল উৎসবের খাতা খোলেন আয়াক্সের তরুণ স্ট্রাইকার ব্রায়ান ব্রবি। ডাচদের এই শুরুর আক্রমণাত্মক ঝড় বজায় রেখে খেলার ১৭তম মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এবার ডান প্রান্ত থেকে তাঁকে চমৎকারভাবে বলের জোগান দেন রাইট-ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস। প্রথমার্ধে এই ২-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় নেদারল্যান্ডস।

বিরতির পর মাঠে নেমে সুইডেনের জালে গোল দেওয়ার ধারা অব্যাহত রাখে অরেঞ্জ আর্মিরা। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই সুইডেনের জালে দলের তৃতীয় গোলটি জড়ান কোডি গাকপো। এরপর ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে সুইডেনের কফিনে চতুর্থ পেরেকটি ঠুকে দেন সেই গাকপোই। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি ডাচদের ৪-০ গোলের বিশাল লিড এনে দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। চার গোল হজম করে কোণঠাসা হয়ে পড়ার পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে সুইডেনের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল শোধ করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি ইলাঙ্গা। গোল শোধের পর সুইডিশরা আরও বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও নেদারল্যান্ডসের জমাট ডিফেন্সের সামনে গিয়ে ব্যর্থ হয়।

খেলার একদম শেষ মুহূর্তে আরেকটি চমৎকার গোল আদায় করে নেয় নেদারল্যান্ডস, যার ফলে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় কোম্যানের দলের। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জাপানের সাথে ২-২ গোলে নাটকীয় ড্র করে পয়েন্ট হারানো নেদারল্যান্ডস এই বড় জয়ের মাধ্যমে কেবল ৩ পয়েন্টই অর্জন করেনি, বরং গোল ব্যবধানে নিজেদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে উড়ানো সুইডেনকে আজ ডাচদের এই গতিময় ফুটবল আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পুরো ৯০ মিনিট কেবল চেয়ে চেয়ে দেখতে হয়েছে।

মন্তব্য

খেলা
Germany beat Ivory Coast in knockout stage

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে নকআউট পর্বে জার্মানি

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে নকআউট পর্বে জার্মানি ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের প্রথমার্ধে আইভরি কোস্টের দাপটেই যেন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই পিছিয়ে পড়ে ইউরোপের দলটি। তবে ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত অনিশ্চয়তার খেলা, সেটিই আবারও প্রমাণ করল জার্মানরা। বিরতির পর বদলে যাওয়া এক জার্মানি দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে দ্বিতীয় পর্ব।

এই জয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে জার্মানি। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইভরি কোস্ট। ফলে টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে জুলিয়ান নাগেলসমানের দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমানতালে লড়াই করলেও প্রথমার্ধে আক্রমণে বেশি ধার দেখায় আইভরি কোস্ট। ৩০তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে জার্মান রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। বাম প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা আক্রমণে ডি-বক্সের ভেতরে বল পেয়ে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান ফ্রাঙ্ক কেসি। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আইভরি কোস্ট।

অবশ্য গোল হজমের আগে ও পরে দুবার বল জালে জড়িয়েও হতাশ হতে হয় জার্মানিকে। ২১তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে আলেকজান্ডার পাভলোভিচ গোল করলেও ফাউলের অভিযোগে ভিডিও সহকারী রেফারির সহায়তায় সেটি বাতিল করা হয়। বিরতির ঠিক আগে লেরয় সানের নিচু ক্রস থেকে কাই হাভার্টজ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেই গোলও টেকেনি। ফলে ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আইভরি কোস্ট।

দ্বিতীয়ার্ধে পুরো চিত্রটাই বদলে দেন জার্মান কোচ নাগেলসমান। ৬১তম মিনিটে একসঙ্গে তিন বদলি নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনেন তিনি, আর সেখান থেকেই ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় জার্মানি। ৬৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নাদিয়েম আমিরির বাড়ানো নিখুঁত ক্রসে দারুণ ভলিতে সমতায় ফেরান বদলি হিসেবে নামা ডেনিজ উন্দাভ।

সমতায় ফেরার পর জার্মানদের চাপ আরও বাড়তে থাকে। অন্যদিকে আইভরি কোস্টের রক্ষণে দেখা দেয় অস্থিরতা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের বড় ভুলের সুযোগ নেন উন্দাভ। তাঁর দ্বিতীয় গোলেই পূর্ণতা পায় জার্মানির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউরোপের দলটি।

জয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচে জার্মানি দেখিয়েছে তাদের মানসিক দৃঢ়তাও। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া, দুই গোল বাতিল হওয়া, প্রতিপক্ষের চাপ সামলানো, সবকিছুর পরও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের ছন্দে ফিরে এসে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া নাগেলসমানের দলের সামর্থ্যেরই প্রমাণ। আর সেই শক্তিতেই বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয় পর্বের টিকিট কেটে ফেলল জার্মানরা।

মন্তব্য

খেলা
Paraguay survived the World Cup by defeating Turkey

তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকলো প্যারাগুয়ে

তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকলো প্যারাগুয়ে ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টিকে থাকার মরণপণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল প্যারাগুয়ে ও তুরস্ক। প্রথম ম্যাচে উভয় দলই পরাজয়ের স্বাদ পাওয়ায় এই ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মাঠের সেই উত্তেজনাকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দল নিয়ে ১-০ গোলের নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে প্যারাগুয়ে। অন্যদিকে, এই হারের ফলে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল তুরস্কের।

ম্যাচের শুরুতেই ফুটবল বিশ্ব প্রত্যক্ষ করে এক অভাবনীয় মুহূর্ত। খেলার মাত্র ৬৪ সেকেন্ডের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক দর্শনীয় শটে তুরস্কের গোলরক্ষক উগুরকান চেকিরকে পরাস্ত করে গোল উৎসবের সূচনা করেন প্যারাগুয়ের মাতিয়াস গালার্জা। এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের এক নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। মজার ব্যাপার হলো, মাত্র ঘণ্টা চারেক আগে ইসমাইল সাইবারির গড়া রেকর্ডটি একদিনও স্থায়ী হতে দেননি গালার্জা। পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া তুরস্কের একটি প্রচেষ্টা ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে আক্ষেপে পোড়ে তুর্কি সমর্থকরা। মের্ত মুলদুরের নেওয়া সেই হেডটি প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালের দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু ভাগ্য এদিন তুরস্কের সহায় ছিল না।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে এবং প্যারাগুয়ের কোচিং স্টাফের একজনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে সবচেয়ে বড় নাটকীয়তার সৃষ্টি হয় প্যারাগুয়ের স্ট্রাইকার পিত্তাকে ফাউল করার পর। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। সেই জটলার মধ্যেই মুখ ঢেকে তুরস্কের এক খেলোয়াড়কে কিছু মন্তব্য করেন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন। ভিএআর (VAR) পরীক্ষা শেষে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন। মুখ ঢেকে কথা বলার বিপরীতে ফিফার প্রবর্তিত নতুন কঠোর নিয়মে এটিই বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ডের ঘটনা। বিরতির বাঁশি বাজার পরেও দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলতে দেখা যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে এক জন কম নিয়েও প্যারাগুয়ে তাদের রক্ষণ ও আক্রমণ ধরে রাখার চেষ্টা করে। এনসিসো ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ম্যাচের শেষ বাঁশি পর্যন্ত লিড ধরে রাখে দক্ষিণ আমেরিকার এই দলটি। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে মেরিহ দেমিরালের একটি হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সমতায় ফেরার শেষ আশাটুকুও মিলিয়ে যায় তুরস্কের। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হতাশ দেমিরাল। শেষ পর্যন্ত ১০ জনের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্যারাগুয়ে, আর বিদায়ের বিষাদ নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয় তুরস্ককে।

মন্তব্য

p
উপরে